আজ ২০ নভেম্বর ২০১১ আমার বাবার প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী। গত বছর এ দিনে কুরবানীর ঈদের ছুটি শেষে তাঁর কাছে দুপুরে বিদায় নিয়ে ঢাকার ট্রেনে উঠি। পথে এসে খবর পাই তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। ফলে ঢাকা নেমেই আবার সপরিবারে গ্রামের বাড়ী ছুটতে হয়।
তিনি এখন আমাদের ধরা ছোঁয়ার বাইরে। দোয়া করা ছাড়া আমাদের আর কিছু করার নেই। সবার কাছে তাঁর জন্য দোয়া প্রার্থনা করছি।
আমার চাচাদের মধ্যে আমাকে সব চেয়ে বেশী আদর করতেন আমার বড়ো চাচা। কলিকাতা প্রেসিডেন্সী কলেজের ছাত্র ছিলেন তিনি উনিশ শ' চল্লিশের দশকে। আমি তখন (২০০৫) ঢাকার বাইরে থাকতাম। তিনি থাকতেন ঢাকায়। অফিসের কাজে আমি ২০ নভেস্বর ২০০৫ তারিখে ঢাকা এলাম। এসে খবর পেলাম আমার প্রিয় বড়ো চাচা মারা গেছেন।
আমার বাবা এবং বড়ো চাচার মৃত্যু একই তারিখে।
গতকাল ছিলো আমার বন্ধু সঞ্জীব চৌধুরীর চতুর্থ মৃত্যু বার্ষিকী। আমার এ দলছুট বন্ধুটিকে কাল স্মরণ করে পোস্ট দিতে পারিনি নেটের আওতায় ছিলাম না বলে। গত বছরও এ তারিখে আমি নেটের আওতায় ছিলাম না বলে ওকে নিয়ে পোস্ট দিতে পারিনি। পর দিন বাবার মৃত্যুর কারণে অন্য কিছু ভাবারই অবকাশ ছিলো না। মন ভালো নেই বলে ওকে নিয়ে আমার পুরনো একটা পোস্টের লিঙ্ক দিলাম।
Click This Link
ওখানেও ছোট একটা কাকতালীয় ব্যাপার আছে। সঞ্জীব চৌধুরী ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার সহপাঠী। আর ওর ছোট বোন বাবলীর মেয়ে তিতলী ছিলো আমার ছোট ছেলের প্রাইমারী স্কুলের সহপাঠী।
গত ১৩ নভেম্বর ছিলো বাংলা সাহিত্যের সব চেয়ে জনপ্রিয় লেখকদের এক জন হূমায়ুন আহমেদ এর জন্মদিন। ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। বাংলা সাহিত্যের সর্বাধিক পঠিত বইগুলোর একটি বিষাদ সিন্ধু। এর লেখক মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম দিনও ১৩ নভেম্বর। ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর তিনি জন্ম গ্রহণ করেন।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



