পর্ব: ৩৬.১.০১ (আয়াত ১-১০)
সূরা: ক্বমর
অর্থ: চন্দ্র/চাঁদ
সূরার ক্রম: ৫৪
পারা: ২৭
অবতীর্ণ: মক্কা
সর্বমোট আয়াত : ৫৫
রুকু: ৩
শুরু করি তা্ঁর নামে আল্লা যিনি
পরম করুণাময় দয়ালু তিনি।
রুকু-১
কিয়ামত নিকটেই গেছে আসিয়া
চাঁদ গেছে দুই ভাগে ভাগ হইয়া!.................(১)
কখনো তারা যদি দেখে নিদর্শন
জাদু বলে মুখ ফিরে নেয় যে তখন,
সত্যকে করিছে সব তারা অস্বীকার
প্রবৃত্তি মেনে চলে নিজেরই তাহার।
প্রতিটি কাজ যাহা সকল বিষয়
সঠিক সময়ে তাহা নির্ধারণ হয়,
এমন সংবাদ এলো তাহাদের কাছে
সতর্কবাণী সব যাতে রহিয়াছে।
পূর্ন জ্ঞানে ভরা সতর্কবাণী
উপকারে যদিও তাদের কোন আসেনি,
অতএব তাদের পানে তুমি না গিয়ে
সেথা হতে মুখ তুমি রাখো ফিরিয়ে।
যেইদিন একজন তার আহবানে
ডাকিবে খারাপ এক বিষয়ের পানে,
নমিত দৃষ্টি সেদিন তাহারা নিয়ে
সবাই কবর হতে যাবে বেরিয়ে।
ভীত হয়ে দৌড়াবে তাহার পানে
করিছে যে আহবান তার সেখানে,
কাফের বলিবে তখন হয়ে সঙ্গীণ
বড়ই এটা হলো কঠিন এক দিন।..............(৮)
পূর্বে নূহের কওম করে অস্বীকার
সে ছিল পাঠানো এক বান্দা আমার,
হুমকি দিয়ে তাকে বলেছে সকল
এ তো এক রহিয়াছে প্রকৃত পাগল।............(৯)
তখন সে বলে স্বীয় রবকে ডাকিয়া-
আমিতো পরাভূত গেছি হইয়া,
আপনি করুন কিছু বিধান দিয়া।..............(১০)
=================(রুকু-১ চলবে)==================
এমপিথ্রি ডাউনলোড করুন: এখান থেকে
ডাইরেক্ট লিংক: Click This Link
ডিসক্লেইমার: পবিত্র কোরআন শরীফ ৬১০ থেকে ৬৩৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত আরবিতে ছন্দোবদ্ধ আকারে নাযিল হয়। কুরআন শরীফ সর্বপ্রথম বাংলা তর্জমা করেন ড. গিরীশচন্দ্র সেন। ১৯৩৩ সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম পবিত্র কোরআন শরীফের আমপারার অন্তর্গত ৩৮টি ছোট-ছোট সুরার পদ্যানুবাদ করেন। ২০০৬ সালে গবেষক পান্না চৌধুরী সম্পূর্ণ ৩০ পারা কুরআনকে বাংলায় ছন্দোবদ্ধ আকারে অনুবাদ করতে সক্ষম হন।ছন্দোবদ্ধ অনুবাদ বলতে প্রতিটি লাইনের শেষ বর্ণের উচ্চারণের মিলটুকু বুঝানো হয়েছে। একে ছন্দের প্রকারভেদের মধ্যে ফেলা যাবে না।
কাজী নজরুল ইসলামের অনুবাদকৃত কাব্য কোরআন: Click This Link
আল-কোরানের বাংলা অনুবাদ ডাউনলোড করুন ইউনিকোডে:
1. Click This Link
এই ছোট্ট সফ্টওয়্যারটা কাজে লাগতে পারে: Click This Link setup.exe

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

