আমার প্রিয় পোস্ট
- “আমি তোমায় ভালোবাসি” – এটার মানে কি রে ভাই?! - নাবিলা ইদ্রিস
- জল টলমল - অনাহুত আগন্তুক
- বিয়ে ভাবনা - ১ - সন্ধ্যাবাতি
- লাভ-ক্ষতি - এই আমি মীরা
- ঋণের জীবন - আবদুল মুনয়েম সৈকত
- আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম! (উৎসর্গ: ০৬ এর সামহোয়্যার ইন) - এই আমি মীরা
- হয়তো ভালোবাসা গল্পে ছিল... - ভাঙ্গা পেন্সিল
- ট্রেন-টুনাটুন - অনাহুত আগন্তুক
- তোর কি ফুয়াদের কথা মনে আছেরে রু? - ফারজানা মাহবুবা
- হারিয়ে কোথায় যাব? - মাহবুবা আখতার
- ছাইরঙা মেঘের সাথেই তবে প্রথম দু:খবিলাস হোক.................... - মাহবুবা আখতার
- এই লেখাটা তোর জন্য - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- খুব বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করে - নাসিফ
- আমার BEST FRIEND !!! - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- তুমিতো জানোনা কতটা পুরনো এই আমি - স্বপ্নময়
- নির্ঘুম রাতের কথা..... - মাহবুবা আখতার
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- টিনএজার হয়েই যেতি তবে!! - অজানা অচেনা
- দুঃখবিলাস… - ফারজানা মাহবুবা
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- স্বপ্নগল্প: প্রেমের মহাকর্ষ সূত্র - ধারাভাষ্য
- তুমি জানলে না - মুনিয়া
- ষোড়শী হয়েই গেলি তবে! - সন্ধ্যাবাতি
- দিন চলে যায়... - আস্তমেয়ে
মাথায় ওটা কি যেনো??
০২ রা নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৩:০৯
আমি কি তোমাদের থেকে অনেক আলাদা? প্রতিদিনইতো একই সাথে স্কুলে যাই, ক্লাসে ফাকি দেই, ক্যান্টিনের লম্বা লাইনে পা ব্যাথা করে দাড়িয়ে থাকি। স্কুলের শেষে হইচই করে ফেরা, কফিশপে একটু থামা। আর অদ্ভুত সব জিনিষ নিয়ে কথা বলা - কোনটাই বাদ থাকে না। মার সাথে ঝগড়া করে কাঁদতে কাঁদতে ফোন করা বা পরীক্ষার আগের রাতের টেনশন ভাগাভাগি করে নেওয়া। দিনের অর্ধেকটাই কাটে তোমাদের সাথে, তবুও আমি আলাদা? চারকোনা ছোটখাট একটা কাপড় কত কিছু বলে দিতে পারে। এনে দেয় করুণা - "ইস! খারাপ তোমাকে দেখলে!" ...বিশ্বয় - "ওটাতে গরম লাগেনা??" ...অচেনা মানুষকে আপন করে ফেলার আনন্দ - "আসসালামু আলাইকুম সিস্টার। নামাজের রুমটা কোথায় বলতে পারবে?" ...অথবা ভয় ও ঘৃণা - কিছু মূর্খ্য মানুষের মনে। যা যা বলুক, আমার কাছে আনন্দের উচ্ছাসটাই সবচেয়ে বেশি স্থায়ী হয়। হতে পারে এর কারণ আমি যা পরি, ভালোবেসেই পরি। তাই কেও করুনার হাত বাড়িয়ে দিলে বিরক্তি বোধ করি। যার করুণার দরকার নেই, সে তা দিয়ে কি করবে? কেও বিশ্বয় প্রকাশ করলে ভালো লাগে, মাঝে মাঝে তাদের ভুল ভেঙে দিতে পারি, মাঝে মাঝে পারিনা। তাও ভালো লাগে। আর ভয় ও ঘৃণা? ওদের ঘাড়ে পুরোটা দোষ দিব না। চারপাশ থেকে শিখেই তাদের মনে এগুলো জন্ম হয়েছে। শপিং সেন্টারে বা ট্রেনে দাড়িয়ে থাকলে, মাঝে মাঝে এরকম কিছু পিচ্চি দেখা যায় - যারা এক দৃষ্টিতে ভয়ার্ত চোখে তাকিয়ে থাকে। নিষ্পাপ চোখগুলোতে ভয় দেখতে খারাপ লাগে।তাই হেসে ফেলি। হাসি দিয়ে বুঝিয়ে দিতে চেষ্টা করি, ভয়ের কিছুই নাই। তোমার ভেতরে যেরকম লাল রক্ত প্রবাহীত হচ্ছে, আমার ভেতরেও ঠিক তাই। বেশির ভাগ সময়েই ওরা বুঝে, এবং ওরাও হেসে দেয়। কারোও ভয় ভাঙা বড়ই আনন্দদাওক অনুভুতি
। ঘৃণা জিনিষটা ছোটদের মাথায় ঠিক আসে না। এটা শুধু বড়দেরই রোগ। এর উৎস কোথায় এখনোও ভালো ভাবে বুঝতে পারিনি। মাঝে মাঝে কোন কারণ ছাড়াই এটা বের হয়ে পড়ে। এইতো সেদিন, স্কুল থেকে ফিরছিলাম। বন্ধুদের বিদায় দিয়ে বাস থেকে নেমে হাটছিলাম। একা। পাশ দিয়ে দুটো সাইকেল গেলো, দু'জন লোক গলা ফাটিয়ে কথা বলছে। স্বাভাবিক ভাবেই আমি এক পলক তাকিয়েছি। শুরু হলো মৌখিক নির্যাতন! "WHAT ARE YOU DOIN IN THIS COUNTRY? GO BACK TO WHERE YOU CAME FROM YOU F****** MUSLIM...." এর পরে প্রতিটা কথাতেই চার অক্ষরের অকথ্য শব্দে ভরা ছিলো। আমি কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। এরকম সরাসরি অপমান আগে আমাকে কেউ কখনও করেনি। বুঝতে পারছিলাম মুখ গরম হয়ে উঠছিলো। উলটা পালটা কিছু কথা মুখে চলে এসেছিলো, কিন্তু নিজেকে থামিয়েছি সাথে সাথেই। আমার শুধু শুধু নিজেকে টেনে ওদের মত নিচে নামানোর দরকার কি? আমার বন্ধুরা আমাকে বুঝতে দেয়নি আমি আলাদা। কিন্তু আশেপাশের মানুষ জোড় করে বুঝিয়েছে। তবে আমি ওদের কাছে কৃতজ্ঞ। পৃথিবীর শক্ত ও জটিল নিয়মগুলো জানিয়ে দেওয়ার জন্য, কিছু জিনিষের প্রতি বিশ্বাস ও ভালোবাসা বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য।
প্রকাশ করা হয়েছে: মাথায় যেটা আসে... বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:২৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অতিথি বলেছেন:
যে ছোট্ট কাপড়টুকু পড়তে চায় তার এটা ধর্মীয় সংস্কৃতিগত অনুভূতি হিসাবে আমি পারসোনালী মনে করি। এ নিয়ে কটুক্তি করা আর কোন মানুষের বাক স্বাধীনতা নিয়ে কটাক্ষ করা একই কথা।
ধানসিঁড়ি বলেছেন:
মীরা:হাজারো ভ্রুকুটিকে উপেক্ষা করে যে সত্যের পথে থাকতে পারে অবিচল সেই তো প্রকৃত মুমিন।
দুঃখ লাগে যখন দেখি মুসলমান নাম ধারণ করে কেউ কেউ মুসলিম সংস্কৃতিকে হেয় করার চেষ্টা চালায়, অচ্ছুৎ প্রমাণে মরিয়া হয়ে লেগে থাকে।
অতিথি বলেছেন:
ধানসিঁড়ি ভাল বলেছেন ।
এই আমি মীরা বলেছেন:
ধন্যবাদ কৌশিক, আমারও একি কথা।ধানসিড়ি, আমি আসলে একজন বাইরের মানুষের দিক থেকে ব্যাপারটাকে দেখার চেষ্টা করেছি। আর আমি যে পরিবেশে আছি, সে পরিবেশে এগুলা উপেক্ষা করা খুব কঠিন। আমার লেখা ভুল মেসেজ দিলে দুঃখিত, আমি আগেই বলেছি, আমি যা পরি ভালোবেসেই পরি, তাই হেয় করার চেষ্টা করবো কেন??
অতিথি বলেছেন:
হ, ছোটমনের মানুষ সবসময় সবখানে থাকবেই। এটা আসলে কোনো ধর্মের দোষ না, মানুষ নামের বাইপ্রোডাক্টগুলোর দোষ, যারা ধর্মকে মানবতার উপরে স্থান দিয়ে ফ্যানটিক হয়ে যায়। দেশেও আমি অনেক মুসলমান নামধারী কট্টর রাজাকারকে দেখেছি হিন্দুদেরকে মালাউন বলে গালি দিতে।
এই আমি মীরা বলেছেন:
অবশ্যই সব ধর্মেই আছে, কিন্তু আপাতত মুসলিমদের প্রতি এই অবিচারটা একটু বেশি করা হচ্ছে, আমার মনে হয়।
খুশবু বলেছেন:
যে যা ইচ্ছা বলুক তুমি সেরা সবার মাঝে ।চারকোণা কাপড় টাই তোমাকে সেরা করে তোলে ।
ধানসিঁড়ি বলেছেন:
নারে ভাই, আমি তোমাকে উদ্দেশ্য করে বলিনি, বরং তাদের বলেছি যারা ইসলামের হুকুম আহকাম ভালোবাসে না এবং হুকুম আহকামগুলো পালন যাতে না করতে হয় তার জন্য এগুলোর খুঁত খুঁজে বেড়ায়।তুমি যে অমন বৈরী পরিবেশেও হিজাবকে ভালোবেসে গ্রহণ করতে পারছো এজন্য তোমাকে অভিনন্দন।
অতিথি বলেছেন:
মীরাপু, বেশি কম কিভাবে নির্ধারণ করবা? তোমার ওখানে হয়তো মুসলমানদের প্রতি এই অবিচার বেশি হচ্ছে, পাকিস্তান বা বাংলাদেশে হচ্ছে হিন্দুদের ওপর। আসলে এটাকে পুরোপুরি ধর্মীয় কালার দেওয়া মনে হয় ঠিক না। মানুষের স্বভাব হলো, দুর্বলের ওপর অত্যাচার করা, তা সে ধর্মের ব্যানারে হোক, আর ধর্মের ব্যানার ছাড়া হোক।কোনো ধর্ম কাউকে হিংসা করতে শেখায় না। তোমার খারাপ অভিজ্ঞতার জন্য তোমার মাঝে যদি অন্য ধর্মের প্রতি হিংসাটা আসে, তাহলে সেটাও ঠিক ধর্মের সাথে যায় না। যারা কটুক্তি করার, ওরা তুমি হিযাব ছেড়ে দিলেও কটুক্তি করবে।
অতিথি বলেছেন:
এখানে ভেটো দিচ্ছি , বাংলাদেশে কখোনই ব্যাপকভাবে ধমর্ীয় ভিত্তিতে অবিচার হয় না , তবে আপনার কথাই ঠিক "মানুষের স্ববাব হলো , দুর্বলের ওপর অত্যাচার করা "
অতিথি বলেছেন:
দীপ্ত চেতনার উৎস অনেকটাই লুকিয়ে এখানে। তাই, কষ্টগুলোকে আনন্দে কনভার্ট করাটাই তো ভাল, তাই না?
অতিথি বলেছেন:
হিজাব করনটা কি জিহাদের সমার্থক? জামায়াতীগো কথা শুইনা কিন্তু সেইরম ফিলই হইতেছে।
অতিথি বলেছেন:
মীরা ঃ তুমি যদি সত্য পথে থাক..তাহলে যে যাই বলুক..যে ভাবেই তোমাকে মুল্যায়ন করুক..তুমিতো জান তুমিই..best..so..don't worry
অতিথি বলেছেন:
সত্যিকারের মুসলমানদের আরও কঠিন পথ পেরুতে হবে সামনে.....
শাওন বলেছেন:
জটিল বিষয় । জটিল কথোপকথন । জটিল সেইসব মানুষগুলি । কিন্তু জটিল তুমি সেই সবার সেরা । tu es la meilleure আর খুশবুর কথাটি আমিও রিপিট করি : সেই চারকোণা কাপড়টাই তোমাকে সেরা করে তোলে ।
অতিথি বলেছেন:
yes
অতিথি বলেছেন:
ঠিক , আশা করি সবাই একমত পোষন করবে ।
অতিথি বলেছেন:
যে যাই বলুক কি বা তাতে আসে যায় .....তুমি চলবে তোমার পথে ....
যে পথে তোমার মন সায় দেয়....
তুমি যা নিয়ে খুশি সেটাই তোমার জন্য শ্রেয়...আর যা অনেক বাধা বিপত্তির পর অর্জন করা যায় তাতে অনেক আনন্দ....
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
অ আ ক খ
অতিথি বলেছেন:
ঠিক আছে.
অতিথি বলেছেন:
আপু,যে যাই বলুক তুমি তোমার মত চলবে....
অনেকে অনেক জ্ঞানী অনেক কিছু বুঝে কিন্তু মাঝে মাঝে এমন কিছু কাজ করে বসবে, যা দেখে মনে হবে... এই বুঝি উনার জন্ম হলো... অবাক হয়ে যাবে কিন্তু ঐটাই স্বাভাবিক...
অতিথি বলেছেন:
ভাবতে অবাক লাগে আপনি আজকে যে রাস্তায় হাঁটছেন, সে রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে (হয়তো) আমাকেও "সংখ্যা লঘুত্তের" কথা শুনতে হয়েছে। আমাকে হয়তো মাথার দিকে আঙুল তুলে দেখায় নি "ওটা কি", কিন্ত বাংলাদেশী শব্দটার আগে এফ যুক্ত শব্দটা প্রায়ই শুনতে হয়েছে। শুনতে হয়েছে, চলে যাও সেখানে, কেনো এসেছো? আমি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনার মত নিশ্চুপ প্রতিবাদ ক্রিনি। অধিকাংশ সময়েই ধাওয়া করেছি, ভাবখানা এমন যেনো পেলেই রামডলা দিতাম!এমন কথা এখানেও শুনি হরদম। স্টেশনে, রাস্তায় যখন বিদেশী বলে খারাপ শব্দ সহকারে গালি দিতে চায়, গায়ে মাখিনা। লাভ কী? এরকম পাবলিক সব জাগাতেই আছে। চান্দেও আছে, এমন কি মঙলেও! এদের কথায় কি রাগ কিম্বা কষ্ট পেলে চলে?
অতিথি বলেছেন:
সংশোধিত এবং সংক্রমিত আমার মাথায় ইদানিং এ নিয়ে পোষ্ট করার চিন্তা ভাবনা আসছিল, করিনাই। কারন, আমিও মনে হয় এটাকে তেমন একটা ভালোবাসি না এবং ঘৃনাও করিনা। মানে আমার অবস্থান দাঁড়িপাল্লার মাঝামাঝি স্থানে।
ব্রিটেনের কোন বিচে নাকি পোষাক পড়ে যাওয়া নিষেধ ! তাদের যে চিন্তাধারা আর যারা ঢেকে চলে তাদের চিন্তাধারা আমার মতে একই! কেবল গতিপথটা ভিন্ন
ব্যাপারটা দৃষ্টিভঙ্গির উপরও নির্ভরশীল এবং নির্ভরশীল যারা এটা পরিধান করে তাদের চিন্তাধারা উপর। আমার মনে হয়না জিনিসটা ব্যবহারে ধর্মকে নিয়ে টানা হ্যাছড়া করা উচিৎ। ঐটা ছাড়াও শালীনভাবে চলাফেরা করা যায় এবং আমি যা মনে করি পরিস্থিতি মানুষকে যেকোনো পোষাকেই লন্ডভন্ড করে দিতে পারে। তাই এটাকে আত্মরক্ষার বাহন হিসাবে দেখাটা নেহাৎই একটা দুর্বল কারন। তবে, এটা পড়লে নিজেকে ভালো লাগে, কিংবা নিজেকে পরিস্কার মনে হয়, কিংবা নিজেকে নিরাপদ মনে হয় এমন মনতৃপ্তি পাওয়া গেলে মানুষ এটা পরিধান করতেই পারে... বর্তমান বিশ্বে ফ্যাসন্যবল কত্ত কিছু পড়ছে মানুষ!!! তবে, নিজেকে অন্যের চেয়ে আলাদা করার জন্য নিশ্চয়ই এটা পরিধান করা উচিৎ না; এবং আমি যা মনে করি এটা পরিধানে সমাজের সংখ্যাগরিষ্ট মানুষের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হলে তা পরিধান থেকে বিরত থাকাই উচিৎ
কারন, আমি মনে করি শালীনে থেকে দশের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেওয়াটায়ও একটা মহত্ত্ব থাকে
শাহজাহান সিরাজ বলেছেন:
খুশবু'র কথার পুনরাবৃত্তি করলাম, ওই চারকোণা কাপড়টাই তোমাকে সেরা করে তুলেছে। "Women in Islam" ডকুমেন্টারী'তে আমেরিকা'র এক বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ধর্মান্তরিত মহিলা প্রফেসর বলেছিলেন- Hijab means modesty, হিজাব সম্পর্কে এই কথাটি এখন পর্যন্ত আমার কাছে সেরা মনে হয়েছে। ভয় নেই বোন, আমরা তোমার সাথেই আছি।
অতিথি বলেছেন:
মীরা দেখি আস্ত'র মত ভাল লেখিকা হয়ে যাচ্ছে... উত্তারাধিকার সুত্রে পেয়েছ নাকি প্রতিভা?
অতিথি বলেছেন:
মীরা,15 বছর বয়সে আপনার গদ্যটা চমৎকার । মাইনোরিটি'র কমপ্লেক্সটা তুলে ধরেছেন খুব সুন্দরভাবে । মাইনোরিটিরা এভাবে অপমানিত হয় তার পোষাকে, আচরনে,ভাষায়, গায়ের রংয়ে । কেনো হয়? তার নিখুঁত জবাব আছে চোরের মন্তেব্য । এখানে ধর্মটা মুখ্য নয় একেবারেই ।
'চার কোনা কাপড়টাই তোমাকে সেরা করে তোলে' -- যারা বললেন, ভেবে বলেছেন তো? একটা ভূল ম্যাসেজ যাচ্ছেনা 15 বছরের একজনের কাছে? জ্ঞান নয়, আচরন নয়, মেধা নয় --ঐ চার কোনা কাপড়টাই তাকে সেরা করে তোলবে?
হিজাব পড়া নিয়ে কেউ উপ হাস করলে সেটা যেমন অন্যায়, আরবদের এই ট্রাইবাল কালচারটাকে ধর্মের অংশ বলে প্রচার করাটা ও অন্যায় ।
অ্যাশ যে ভেটো দিলেন , বাংলাদেশে কখনোই ব্যাপকভাবে ধমর্ীয়ভিত্তিতে অবিচার হয়না--- ঠিক তো? বাস্তবতা কিন্তু তা বলেনা ।
পিচ্চি মীরাকে আবারো অভিনন্দন ভয় ও ঘৃনার দায় যে পুরোটা অপরপক্ষের নয় -- এই পরিনত বোধের জন্য । অনেক বড়রা ও এই সত্য স্বীকার করতে সাহস করেননা ।
ভালো থাকেন মীরা ।
অতিথি বলেছেন:
মানুষ তো অনেক কিছুই বলবে তারপর ও নিজেকে চলতে হবে নিজের মত করেই
অতিথি বলেছেন:
এপার্ট ফ্রম অল রিলিজিয়াস ভিউ এন্ড আদার্স, কেউ কি এটা বলেনি.. যে হিজাবি একটা মেয়েকে অন্যদের তুলনায় অনেক সুন্দর দেখায়। সবার দৃষ্টিভঙ্গি জানিনা, বাট আমার মনে হয় অনেকের কাছেই আমার কথাটা সত্যি মনে হবে।
কতবতবকতকত বলেছেন:
apu thik e bolesn, but amader sydney te ei prob nai alhamdullilah.ekta ekta meye sudhu hijab noi puro borkha pore ghure berai.apni koi thaken apu?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















