আমার প্রিয় পোস্ট
- রিলেশনের শুরু - নাফিস ইফতেখার
- রিলেশনের ঝগড়া - নাফিস ইফতেখার
- ছেলেদের ব্রেক আপ - নাফিস ইফতেখার
- ব্যতিক্রমী বিষয় নিয়ে অসামান্য ছয়টি ডকুমেন্টারি (ডাউনলোড লিংকসহ) - ফিউশন ফাইভ
- একটি মামাবাড়ির আবদার ~ তথা ~ দাতা হাতেম তাই ~ তথা ~ হাজী মুহম্মদ মুহসীন টাইপ পোস্ট (লিংকদাতা পোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
- প্রিমিয়াম লিঙ্ক জেনারেটর (আপডেটেড - ১৭ই ডিসেম্বর ২০১০)
- অরণ্যচারী
- উবুন্টুতে গ্রাফিক্যালি সবকিছু : টিউটোরিয়াল । এরপর খালি বলে দেখেন উবুন্টু কঠিন , খবর আছে!!! - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- উবুন্টুর কমান্ড লাইনের অ আ ক খ: ডরনা মানা হ্যায় - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- আজ কাঙাল মামার জন্মদিন
- নাফিস ইফতেখার
- বুরকা পরা মেয়ে পাগল করেচে - বিষাক্ত মানুষ
- আমি কী হনু রে সিনড্রোম ও তার গপ্পো - রাগিব
- প্রকৃতির খেলা ১ - অপরিচিত_আবির
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- আজ মডুর বিয়ে - নাফিস ইফতেখার
- ****ফটো রসিকতা - ২ *********[
] - শূন্য আরণ্যক
- প্রেম - কত প্রকার ও কি কি - সবিস্তারে বর্ননা (১৮+ পোস্ট) ♥♂♀ - নাফিস ইফতেখার
- পোস্ট না পড়ে কিংবা অল্প পড়ে কিভাবে সুন্দর মন্তব্য করবেন? (নতুন ও কর্মজীবী ব্লগারদের জন্য পরামর্শ) - ফিউশন ফাইভ
- সামহয়ারইন দেখুন আপনার মোবাইল থেকেই!
- দুর্লভ
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- ১৮+ কৌতুক প্লিজ ব্যান করবেন না, অথবা করার ইচ্ছা থাকলে ,একটা কারণ দর্শাও নোটিশ পাঠাবেন।এক্সট্রিমলি ম্যাচিউরডদের জন্য। - বিলাল
- অন্তর্জালে আমি কাদের কাদের পুন মার্তে চাই? - পাগলা গারদের ওয়ার্ডেন
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ৪র্থ ও শেষ পর্ব (ওয়েব বিপ্লব) - নাফিস ইফতেখার
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ৩য় পর্ব (ইন্টারনেট ব্যবসা - ডট কম বাবল) - নাফিস ইফতেখার
- তেপান্তরে নিরন্তর , ভাগ্যান্তরী মন্বন্তর.. - হিমালয়৭৭৭
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ২য় পর্ব (সার্চ ইন্ঞ্জিন) - নাফিস ইফতেখার
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ১ম পর্ব (ব্রাউসার যুদ্ধ) - নাফিস ইফতেখার
- সামহোয়্যারের ব্লগার ও পোস্ট - কত প্রকার ও কি কি (সবিস্তারে বর্ননা - অবশ্যই দেখুন)
- নাফিস ইফতেখার
- ওপেনসোর্স সফটওয়্যারের জগতে আপনাকে স্বাগতম (অনেকগুলো সফটওয়্যারের বর্ননাসহ ডাউনলোড লিংক) - নাফিস ইফতেখার
- আমার পর্ণোবেলা - চতুর্খন্ডিত (১৮+ পোস্ট) - নাফিস ইফতেখার
- সামহয়ার বইমেলা Version 3.0 - সামহয়ারের ব্লগারদের কিছু অলিখিত বই (ভবিষ্যতে লিখতে পারেন)
(ফানপোস্ট) - নাফিস ইফতেখার
- রিজিউম করুন আপনার ডাউনলোড - মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা)
- চিকনমিয়া মাইনাচ পুরষ্কার, ২০০৮
EXCLUSIVE!!! (ফানপোস্ট) - নাফিস ইফতেখার
- সামহয়ার বইমেলা Version 2.0 - সামহয়ারের ব্লগারদের কিছু অলিখিত বই (ভবিষ্যতে লিখতে পারেন)
(ফানপোস্ট) - নাফিস ইফতেখার
- প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চার্য, অতি প্রাকৃতিক ব্যাপার-সেপার - নাফিস ইফতেখার
- কারো পৌষ মাস.....কারো দীর্ঘশ্বাস.....আবারো গ্রামীণফোন - নাফিস ইফতেখার
- সামহয়ার ইন উক্তিপিডিয়া - নাফিস ইফতেখার
- সামহয়ার বইমেলা Version 1.0 - সামহয়ারের ব্লগারদের কিছু অলিখিত বই (ভবিষ্যতে লিখতে পারেন)
(ফানপোস্ট) - নাফিস ইফতেখার
- বাংলাদেশ ২১০৮ - একটি ভবিষ্যৎ দর্শনমূলক কবিতা (MUST SEE!!!) - নাফিস ইফতেখার
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের পাসওয়ার্ড খোলা - পথিক মানিক
- তিন টাকার ভাবনা - মাহবুবা আখতার
- সাইফুল্লাহ হুজুরের বিশেষ শাস্তি ----- একটি সিম্পল ছোট গল্প - নোবেলজয়ী
রূপকথাকেও ছাড়িয়ে.......(রিপোস্ট, উৎসর্গ@দ্যা লিটল মাস্টার'স ১৭৫)
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
মূল প্রবন্ধ: Beyond legendary
লেখক: কুমার সাঙ্গাকারা
অনুবাদ: নাফিস ইফতেখার
![]()
টেন্ডুলকার যুগের একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হওয়ার সুবাদে এক অনন্য অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ আমার ঘটেছে- আর তা হলো ক্রিকেট মাঠে শচীনের রোমাঞ্চকর সেই প্রবেশ। প্যাভিলিয়ন থেকে তার বের হয়ে আশার সেই অপেক্ষা, বাইন্ডারি থেকে পিচ পর্যন্ত তার সেই হেঁটে আসা, যেনো অনেকটাই কল্পলৌকিক। শচীনের মাঠে প্রবেশের অপেক্ষারত আবেগী ভারতীয় দর্শকদের সেই "শচীন"....."শচীন" ধ্বনি, আর পরক্ষণেই শচীনের মাঠে প্রবেশ মাত্রই পুরো স্টেডিয়ামের তারস্বরে চিৎকারে ফেটে পড়া, সে এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা!
সেই বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা শচীন সম্পর্কে অনেকটাই বলে দেয়, আরো যা বলে দেয় তা হলো- ক্রিকেটের ইতিহাসের পাতায় "শচীন টেন্ডুলকার" নামটির একটি বিশেষ স্থান দখলের করে থাকার কথা। শচীন যে বিগত দুই দশকের সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ ও নিখুঁত ব্যাটসম্যান শুধু তাই নয়। ক্রিকেট-পাগল একটি দেশ, যেখানে ক্রিকেটাররা দেবতাতুল্য ও এক অর্থে তাদের উপাসনা করা হয়, তেমন একটি দেশের ক্রিকেটার হয়েও শচীন যেনো অনেকটাই অনন্য, যেনো অনেকটাই ভিন্ন। এমন এক উপমহাদেশ যা জন্ম দিয়েছে সুনীল গাভাস্কার আর কপিল দেবের আরো মতো অনেক কিংবদন্তি ক্রিকেটারের, তেমন এক উপমহাদেশের ক্রিকেটার হয়েও শচীন অর্জন করেছে এক অতিমানবীয় রূপ।
![]()
আমার মনে আছে ২০০৩ সালে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেয়াড় স্টেডিয়ামে আমি একটি চ্যারিটি ম্যাচে খেলেছিলাম। ম্যাচটি দেখতে হাজার হাজার দর্শকের সমাগম ঘটেছিলো। বীরেন্দর শেবাগের সাথে যখন শচীন ব্যাটিং ওপেন করার জন্য মাছে প্রবেশ করে তখন আবার সেই পরিচিত শব্দে, পরিচিত চিৎকারে আর পরিচিত গুন্ঞ্জনে মাঠ সরব হয়ে ওঠে। কিন্তু দুই ওভার পরেই যখন শচীন আউট হয়ে ফিরে যায় তখন মাঠে নেমে আসে পিনপতন নীরবতা। মাঠে তখন শোনা যাচ্ছিলো শুধু হতাশ দর্শকদের গুন্ঞ্জনধ্বনি। আমার কাছে মনে হয়, এই ভালো খেলার চাপ এবং তাও এই ব্যাপক আকারে, প্রতিটা দিন, প্রতিটা ম্যাচ, প্রতিটা ইনিংসে এবং প্রকৃত অর্থে কোন ব্যাক্তিগত জীবন না থাকার যন্ত্রনা, তা যেকোন সাধারণ মানুষের সহ্য সীমার অনেক উর্ধ্বে।
কিন্তু শচীন তার প্রায় ২০ বছর ব্যাপি এই ক্যারিয়ারে কোন এক অজানা শক্তিবলে এই ব্যাপক প্রত্যাশার চাপকে তার সঙ্গী বানিয়ে নিতে পেরেছে। আমার কাছে এই অর্জনের স্থান শচীনের পাতার পর পাতা পরিসংখ্যান আর রেকর্ডের অনেক ওপরে। ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে খেলাটা কোন সহজ কাজ নয়। প্রতি ইনিংসে নিজের শ্রেষ্ঠ খেলা উপহার দেওয়া আর প্রতিটি ম্যাচে জেতার প্রচন্ড চাপ থাকে ভারতীয় ক্রিকেটারদের ওপর। এখন এই প্রচন্ড চাপকে হাজারগুণ করে চিন্তা করুন - তাহলে হয়তো শচীনের ক্রিকেটীয় জীবন সম্বন্ধে সামান্য ধারণা পাবেন।
শচীনের কোটি কোটি ভক্ত হয়তো হয়তো আছে, কিন্তু তার নিন্দুকেরও অভাব নেই। বছরের পর বছর ধরে ভারতীয় দল বিভিন্ন টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেও অধিকাংশ ফাইনালে জিততে সক্ষম হয়নি। আর ঠিক যখনই এমনটা ঘটে তখনই সবাই দোষারোপ করার জন্য প্রথমেই যাকে বেছে নেয় সে হলো শচীন। তারা বলে - "শচীন টেন্ডুলকার ভারতকে ফাইনালে জেতাতে পারে না।" যে মানুষটি রেকর্ড বই নতুন করে লেখানোর জন্য ক্রিকেট বিশ্বে বিখ্যাত, সেই মানুষটিকেই কিছু মানুষ মনে রেখেছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তার ব্যর্থতা দিয়ে।
![]()
এই অভিযোগটির কোন সত্যতা আমি কখনোই খুঁজে পাইনি। বরং আমার কাছে অভিযোগটি অত্যন্ত অনৈতিক ও যুক্তিহীন মনে হয়েছে। শচীন মানসিকভাবে প্রচন্ড শক্তিশালী, হওয়াটা প্রায় বাধ্যতামূলকই বটে যদি টানা ২০ বছর আপনি শীর্ষে অবস্থান করতে চান। ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে পৌঁছানো আজকের শচীনকে এখনো লড়াই করতে হয় ইনজুরি আর প্রচন্ড মানসিক চাপের সাথে। তার ওপর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচিতো আছেই। কিন্তু এতো কিছুর সাথে লড়াই করেও আজো শচীন একাই ভারতকে ম্যাচ জেতানোর মতো ইনিংস খেলছেন, এটাই বলে দেয় তার মানসিক শক্তি কতোটা দৃঢ়। আসলে ভারত এতোগুলো ফাইনাল একা শচীনের দোষে হারেনি, বরং হেরেছে খারাপ দলীয় পারফরম্যান্সের কারনে। আসলে এটিই হচ্ছে দলে একক নৈপুণ্যধারী খেলোয়াড় থাকার অসুবিধা। এমন অনেকবার হয়েছে আমি ড্রেসিংরুমে বসে সনাৎ জয়সুরিয়াকে একাই ম্যাচ জেতাতে দেখেছি। অনেক ক্ষেত্রেই, নিজের অজান্তেই ম্যাচের কোন এক পর্যায়ে এসে, গোটা দলই সনাৎ এর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তো। সনাৎ এর তাড়াতাড়ি আউট হয়ে গেলে আমরা যেমন করে প্রবল চাপের মুখে পড়তাম, তেমনি করে উইকেটে সনাৎ এর দীর্ঘসময়ের উপস্থিতি আমাদের আত্মবিশ্বাস কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিতো। সাম্প্রতিক সময়ে আমরা এই নির্ভরশীলতাকে কাটিয়ে উঠতে শিখেছি। অনেকটা এমন একটি মানসিক লড়াই পুরো ভারতীয় দলকে শচীনের সাথে লড়তে হয়েছে।
আমি শচীনকে প্রথম দেখেছিলাম টিভিতে, তখন আমার বয়স ছিলো ১২। আমার কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক মনে হয়েছিলো ওর প্রান্ঞ্জল ও সরল ব্যাটিং স্টাইল। দৃষ্টিনন্দন স্ট্যান্স, মাপা সোজা ব্যাকলিফট, আত্মবিশ্বাসী ফরওয়ার্ড ডিফেন্সিভ এবং ওর সেই বিখ্যাত চেক ড্রাইভ যা এখন ক্যারিয়ারের শেষদিকে এসে একটু বদলে গিয়েছে, এসবই আমাকে আকর্ষণ করেছিলো। সন্দেহ নেই টেন্ডুলকারের এই অসাধারণ নৈপুণ্যের অনেকটাই ঈশ্বর প্রদত্ত, কিন্তু এই নৈপুণ্য পরিপূর্ণতা পেয়েছে ওর অসাধারণ টেকনিকের জোরে।
![]()
শচীন ওর সহজ-সরল টেকনিকের কারনে ক্রিকেটের প্রতিটি ফরম্যাটের সঙ্গেই মানিয়ে নিতে ও এক কথায় রাজত্ব করতে পেরেছে, তা সে টেস্ট ক্রিকেট, ওয়ানডে ক্রিকেট হোক আর টুয়েন্টি-টুয়েন্টিই হোক। আপনি যদি শচীনের সামগ্রিক পরিসংখ্যান দেখেন তাহলেই আপনি বুঝতে পারবেন ব্যাটসম্যান হিসেবে শচীন কতোটা পরিপূর্ণ। শচীন রান করেছে প্রতিটি ভেন্যুতে, প্রতিটি দলের বিরুদ্ধে, সবরকমের পিচে এবং সবরকমের বোলিংয়ের বিরুদ্ধে। শচীনের রাজ্য ক্রমশই বিস্তৃত হয়েছে টেস্ট থেকে ওয়ানডে এমনকি ক্রিকেটের সর্বাধুনিকতম ফরম্যাট টুয়েন্টি-টুয়েন্টিতেও।
বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন দল শচীনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছে, খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ওর টেকনিক পর্যবেক্ষণ করেছে কোন দুর্বলতা খুঁজে পাবার আশায়। যদিও বা কখনো তারা কোন দুর্বলতা খুঁজে পেয়েও থাকে, শচীন সবসময়ই পেরেছে নিজেকে তার সাথে মানিয়ে নিয়ে খেতে, আর এখানেই একজন মহৎ খেলোয়াড়ের পরিচয় পাওয়া যায়। ব্যাক্তিগতভাবে আমি মনে করি শচীনের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা অফস্টাম্পের সামান্য বাইরে পিচ করে বাঁক নিয়ে অফস্টাম্পে আসা বলগুলো, যা একইসাথে আরো অনেক ভারতীয় ব্যাটসম্যানেরই দুর্বলতা।
![]()
২০০৩ এর পর থেকেই শচীনের ক্রিকেটীয় জীবন আরো কঠিন হয়ে ওঠে যার প্রধান কারন- ইনজুরি ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সময়সূচী। আমার মনে হয়েছে ইনজুরিগুলোর কারনে শচীন ব্যাটসম্যান হিসেবে আগের চেয়ে আরো সতর্ক হয়েছে। আর তাই হয়তো শচীনের ক্রিজে আসাটা এখন আর বিপক্ষ দলের কাছে কোন অভিশাপ নেমে আসার মতো মনে হয় না, যেমনটা আগে মনে হতো। নতুন এই শচীন আগের শচীনের তুলনায় অনেকটাই ম্লান, তবে এখনো ওর একাই ম্যাচ জেতাবার মতো ইনিংস খেলার ক্ষমতা আছে।
এতো অর্জন, এতো সফলতা কিন্তু মানুষ হিসেবে যে শচীনকে আমরা চিনি তাকে পাল্টে দেয়নি। শচীন ওর পরিবারকে খুব ভালোবাসে, একই সাথে ওর আছে ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা। এখনো ওকে দেখলে খুব সাধারণ কোন মানুষ মনে হয়, যেন আমাদেরই কোন আপনজন ও। ওর সহখেলোয়াড় আর বিপক্ষ দলের খেলোযারদের সাথে কথোপকথন দেখলে বোঝা যায় আসলে মানুষটার মন কতোটা সরল। যেকোন কথোপকথনেই থাকে শচীনের কুন্ঠাহীন অংশগ্রহণ। দু'টো জিনিস খুব প্রিয় শচীনের - গাড়ি আর ঘড়ি। এগুলো নিয়ে আলোচনা হলেই ও খুব উৎফুল্ল হয়ে ওঠে।
![]()
এসব কিছু থেকে আসলে যে জিনিসটা বোঝা তা হলো - শচীন কোথা থেকে তার মানসিক শক্তি সঞ্চয় করে। ওর স্বচ্ছ মূল্যবোধ আর নৈতিক বিশ্বাস, দুঃসময়ে পরিবার আর কাছের বন্ধুদের কাছ থেকে পাওয়া আত্মবিশ্বাস ওকে দিয়েছে কোটি মানুষের আস্থাকে ধরে রাখার ক্ষমতা। আমার কাছে শচীন হচ্ছে "Cricket is a gentleman's game" কথাটার জলজ্যান্ত বাহক। নিন্দুকের সমালোচনার জবাব দেয়ার জন্য শচীনের মুখ ফুটে কিছু বলবার প্রয়োজন হয় না, কারন সেই কাজ শচীন ব্যাট দিয়ে করতেই অভ্যস্ত।
(ক্রিকইনফো অবলম্বনে নাফিস ইফতেখার)
* লেখাটা পড়ে খুব ভালো লেগেছিলো, তাই পোস্ট না দিয়ে পারলাম না। আমি ভালো অনুবাদক নই। যাদের অনুবাদটা ভালো লাগেনি তারা মূল প্রবন্ধটি পড়ে নিতে পারেন।
মূল প্রবন্ধের লিংক: View this link
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: একটা প্লেয়ার চেজ করতে নেমে, ৩৫০ এর মধ্যে ১৭৫ করে গেলে তাকে আর কিছু বলার সাহসটা ওখানেই হারিয়ে ফেলি........
বিপ্লব কান্তি বলেছেন:
লোকটাকে দেখেছি, স্টাইল সুন্দর, কিন্তু কাজের সময় ডাব্বা মারে। জেতার দরকার যখন তখনই তাকে আর খুজে পাবেন না। ব্যক্তিগত রেকর্ডের জন্য সর্বকালের সেরা। স্মৃতি বেঈমানি না করলে আপনার অনুবাদের লেখাটা কোথায় যেন পড়েছি ????
লেখক বলেছেন: এটা রিপোস্ট.......শিরোনামেই বলা আছে..........
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন:
আমি লারার ডাই হার্ড ফ্যান........তাই সব সময় শচীনের ব্যার্থতা চেয়েছি...........
কিন্তু তারপরও তার ব্যাটিং এর সময় মন্ত্রমুগ্ধের মত চেয়ে থাকতে হয়েছে নিয়মিত........এরচেয়ে কষ্টের কিছু মনে হয় আর নেই!!!!!!!!
আজকে কি খেলল!!
লেখক বলেছেন: কি স্ট্যামিনা........এই বয়সেও........নিজেকে বুড়া বুড়া লাগছে.........![]()
সিউল রায়হান বলেছেন:
ইন্ডিয়াকে পছন্দ করিনা কিন্তু শচীনের মত প্লেয়ারকে স্যালুট জানাই....... He is not a player, He is one of the definations of cricket.
লেখক বলেছেন:
"He is not a player, He is one of the definations of cricket......."
Couldn't have said it better........![]()
পিটার প্যান বলেছেন:
টেন্ডুলকার রকস্। অলটাইম বেস্ট। অনুবাদেরর জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! ![]()
পোষ্টটি আমাদের সামনে তুলে ধরার জন্য অসংখ্য ............. ?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
অ্যামাটার বলেছেন:
সত্যিই, আমি সবসময়ই চাইতাম, সাঈদ আনোয়ারের রেকর্ডটা যদি কেউ ভাঙ্গে, তাগলে যেন 'গ্রেট'-দের কেউই তা করে। আজ শচীন ছিল সবচেয়ে ডিজার্ভিং ক্যান্ডিডেট।ক্রিকেটে আমার দেখা, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে লারার সেই অতিমানবীয় ১৪৯* রানের ইনিংসসটার পর এইটাই সেরা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! ![]()
লেখক বলেছেন: আমি ইন্ডিয়ার ফ্যান......এবং একা শচীনকে আমি কখনোই দোষ চাপাই না........একটা প্লেয়ার চেজ করতে নেমে, ৩৫০ এর মধ্যে ১৭৫ করে গেলে তাকে আর কিছু বলার সাহসটা ওখানেই হারিয়ে ফেলি........
লেখক বলেছেন: জ্বী.......
পারভেজ মাসুদ বলেছেন:
গুড পোস্ট। খেলা দেখলাম।
লারা থাকার সময় এ কথাটা বলতে দ্বিধা হতো ।
এখন নির্দ্বিধায় বলা যায় ।
কালপুরুষ বলেছেন:
লেখাটা ভাল লাগলো। শচীনকে ভাল লাগে। লারাও আমার পছন্দের ব্যাটসম্যান। শচীন "ম্যারাডোনা" হলে লারা "পেলে"।
আজম বলেছেন:
ছোটবেলা থেকে তার খেলা দেখে আসছি...ক্রিকেট বলতে তার ব্যাটিংই বুঝতাম......শচীন টেন্ডুলকার নিজেই একটা ব্রান্ড।
কয় জন পারে এই রকম?
অনেক দিন পর তার ভালো একটা ইনিংস দেখে মনটা ভালো হয়েগেল।
ইন্ডিয়া হারসে তাদের টেল এন্ডারদের গাধামীর জন্য।
তবু দেখবেন সব দোষ ঐ টেন্ডুলকারের,ম্যাচ জেতাতে পারে না
কি আজব!!!!
আপনার অনুবাদ জটিল হয়েছে।
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন:
হমম......অ্যালেক স্টুয়ার্ট@বিদগ্ধজন......
এস বাসার বলেছেন:
আফসোস এমন একটা ইনিংসের পর ও দলকে জেতাতে পারলনা। কেন জানি মনে হচ্ছিলো বরাবরের মতো আজ ও সে পারবেনা।বড়ই আফসোস।
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
Tendulkar again u make it clear dat u r d best!bt nt enough good as a finisher!লেখক বলেছেন: আসল ভারতয় দল ভালো ফিনিশার নয়, শচীনকে আমি দোষ তেমন একটা দেই না........ও স্বপ্ন দেখায় বলেই তো আফসোসটা হয়.......
বিদগ্ধজন বলেছেন:
আমার দেখা শচীনের সেরা টেস্ট ইনিংস পাকিস্থানের বিরুদ্ধে চেন্নাইয়ে ১৩৬, ব্লুমফন্টেইনে ১৫৫ এবং সিডনীর ২৪১*।লেখক বলেছেন: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৩৬ করে প্রায় একইভাবেই আজকের মতোই কট হয়েছিরেন শচীন যদি খুব একটা ভুল না বলে থাকি.......তখনো ভারতের ১২/১৩ রান দরকার ছিলো........বোলার ছিলো সাকলাইন.......ভারত ম্যাচ হেরেছিলো........
পিংকী বলেছেন:
এস.কে.ফয়সাল আলম বলেছেন: শচীন ইজ দ্যা গ্রেট.....পোষ্টটি আমাদের সামনে তুলে ধরার জন্য অসংখ্য ............. ?
ওই আপনি খেলা দেখার টাইম পান কখন বলেন তো???????
লেখক বলেছেন: খেলা দেখতে সময় নয়, Passion এর প্রয়োজন.......![]()
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
ভালো লেখা। তবে ওপরে একটু ভুল রয়ে গেছে। এটা হবে-মূল প্রবন্ধ: Beyond legendary
লেখক: নাফিস ইফতেখার
অনুবাদ: কুমার সাঙ্গাকারা
লেখক বলেছেন: হা হা হা.......অনুবাদ: কুমার সাঙ্গাকারা! ![]()
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন:
শচীনের সেরা বললে ওয়ানডেতে বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সাথে ৭৫ বলে ৯৮ আর টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার সাথে ১৩৬......(এডিলেড).........এদুটি ইনিংস ছাড়া আমি অন্য কিছু ভাবতে পারিনা.........
লেখক বলেছেন: আমার কাছে শচীনের সেরা শারজাহর সেই ১৪৩ আর আপনি যেটা বললেন - বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সাথে ৭৫ বলে ৯৮! ![]()
হোরাস্ বলেছেন:
যাদের অভিযোগ টেন্ডুলকর ফাইনালে কিছু করতে পারে না তাদের জন্য তথ্য-উপাত্ত সহ একটা পোস্ট দেব ভাবছি। স্পোর্টস ফ্যান হিসাবে তেন্ডুলকরের খেলা দেখার সৌভাগ্য হয়েছে এটা আমার জীবনের অনেক বড় একটা প্রাপ্তি।
বিদগ্ধজন বলেছেন:
টেন্ডুলকারের ছোট্ট একটা ইনিংস আমার খুব ভালো লেগেছিল্ সেটা হলো ১৯৯৬ বিশ্বকাপে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে শ্রীলংকার বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল ম্যাচ। শচীন সম্ভবত ৬৫ করে রানআউট হয়েছিল। দলীয় রান ১২০ হওয়ার পর গ্যান্জামে ম্যাচটির ফলাফল হওয়ার আগেই শ্রীলংকাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল।এসএসসি পরীক্ষা আসন্ন হওয়া সত্বেও প্রায় সবকটা ম্যাচ দেখেছিলাম। যদিও আমি ফুটবলের সিরিয়াস ভক্ত।
সামীঊন বলেছেন:
শচীন যেদিন রিটায়ার করবে সেদিন আসলেই নস্টাল্জিক হয়ে যেতে হবে।
লেখক বলেছেন: আসলেই.......
সারওয়ার ইবনে কায়সার বলেছেন:
@বিদগ্ধজন..........ঐদিন তারপর জয়সুরিয়ার আনবিলিভেবল বোলিং এর কথা বললেননা???????
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! ![]()
বিদগ্ধজন বলেছেন:
@ সারওয়ার, মূলত আক্রমণে জয়সুরিয়া আসার পরই ভারতের ব্যাটিং লাইন তছনছ হয়ে যায়। সেদিন শ্রীলংকার ফিল্ডিংও ছিল অসাধারণ।একটা সময় ছিল যখন আমার রাতের পর রাত নির্ঘুম কেটেছে শুধু ক্রিকেট দেখে। যা আমার পড়াশোনার অনেক ক্ষতি করেছে।
লেখক বলেছেন: শচীনের আরেকটা ছোট ইনিংস আমার এখনো মনে আছে, ২৬ বলে ৪১, ঢাকায় ইন্ডপেন্ডেন্স কাপের ৩য় ফাইনালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে........
Click This Link
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
হুম, টেন্ডুলকার এর তুলনা সে নিজেই। একসময় ভারতের খেলার প্রচন্ড ভাল লাগত। এখন ঐ একজনের কারনেই দেখি। কিন্তু কালকে আমার সর্বনাশটা এই ব্যটাই করল। ওরে যখন জিজ্ঞেস করছে, এমন খেলার প্রেরণা কই পান, ঐ মূহুর্তে পপ আপ ঝামেলা করছিল। বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে বন্ধ করলাম, আমি ওর জবাব শুনছি, আর আমার কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার ঢুকল। ওর জবাব শেষ, আর আমার সিস্টেম শেষ।
ব্যাটারে মাইনাস।
লেখক বলেছেন: আপনার জন্য সমবেদনা........
সত্যকথন বলেছেন:
ইন্ডিয়ার ফ্যান কোনদিনও ছিলাম না, কিন্তু শচীনকে অতিমানবের চেয়েও বেশি কিছু মনে হ্য়।সবসময় ইন্ডিয়ার হার চেয়েছি, কিন্তু শচীনের এই খেলার পরেও ইন্ডিয়ার হারটা কেন জানি মনখারাপ করে দেয়।(বাংলাদেশের নাইমের মত প্লেয়ার নাই বইলা শচীনও কিছু করতে পারল না লেখক বলেছেন: আসলেই.......শেষের কয়েকজন ব্যাটিংয়ের নামে জোকিং করে গেলো........
লেখক বলেছেন: দূভার্গ্যজনকভাবে এই ছবিগুলো আসলে মোটেও শচীনের বাড়ির ছবি নয়। এই ছবিগুলোর উৎস ছিলো একটি Spam/Hoax Email যা পুরো দুনিয়াব্যাপী ছড়িয়েছে ও একই সাথে বিভিন্ন ফোরাম ও ব্লগেও ছড়ানো হয়েছে। সেই মেইলে এই ছবিগুলোকে শচীনের নতুন বাড়ির বলে দাবী করা হয়েছে। এই ছবিটি ও অন্যান্য ছবিগুলো যেগুলোকে শচীনের বাড়ির বলে দাবী করা হয়েছে এটির আসল নাম হচ্ছে Nautilus House যা ডিজাইন করেছেন Architect Senosiain Arquitectos এবং এটির অবস্থান হচ্ছে Mexico Cityতে।
খবর সূত্র:
১. http://www.guardian.co.uk/lifeandstyle/2008/jul/26/homes2
২. Click This Link
৩. Click This Link
নড৩২ সেটাপ দেয়া থাকলে ডিভির ফর্ম সাবমিট হয় না। আমি ডিজাবল করে দিয়ে দেখলাম তাও কাজ হয় না। সবশেষে রিমুভ করে
দিয়ে দেখলাম কাজ হচ্ছে।
এটা কেন হচ্ছে এর প্রতিকার-ই বা কি (অর্থ্যাৎ নড৩২ কে বাদ না দিয়ে)
সমাধান আশা করছি ।
লেখক বলেছেন: আমি অনুমান করতে পারছি যে আপনি ইসেট স্মার্ট সিকিউরিটি ব্যবহার করছেন। আমি স্মার্ট সিকিউরিটি নয়, ইসেট এ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করি। স্মার্ট সিকিউরিটি আর এ্যান্টভাইরাসের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো স্মার্ট সিকিউরিটি ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়েও সুরক্ষা দেয়। এটা দিতে অনেক সময়ই ইন্টারনেট সিকিউরিটি স্যুটগুলো (সেটা ইসেটই হোক আর ক্যাস্পারস্কি) ভুলবশতঃ বা বাগের কারনে অনেক সেইফ লিস্টেড সাইটকেও ব্লক করে দেয়। দেখার বিষয় হচ্ছে আপনার ক্ষেত্রেও তেমন কিছু ঘটেছে কিনা। এবারে আসা যাক সমাধানের বিষয়ে:
১. প্রথম কথা হলো আপনার সমস্যাটি আমি একটি রাশিয়ান ফোরামে পেয়েছি। যে ভদ্রলোক অভিযোগটি করেছেন উনি শেষ-মেষ উবুন্টু দিয়ে ফর্ম ফিল-আপ করে পাঠাতে বাধ্য হয়েছেন। সুতরাং সমস্যাটি শুধু আপনার একার নয় এ ব্যাপারে নিশ্চিৎ হয়েছি: Click This Link
২. দ্বিতীয় কথা হলো সম্ভব হলে ইসেটের লেটেস্ট সস্করণটি ব্যবহার করুন এটা নিশ্চিত করতে যে আপনি কোন পরিচিত বাগের শিকার নন বা এমন কোন বাগের শিকার নন যেটি অলরেডি ইসেট ফিক্স করেছে।
৩. আরেকটি কাজ যেটি আপনি করতে পারেন তা হলো ইসেট সম্পূর্ণরূপে ডিজেবল করে কাজ করতে পারেন। আমার ধারণা আপনি যখন এর আগে ডিজেবল করেছিলেন তখন সম্পূর্ণভাবে ইসেটকে ডিজেবল করেননি।
তবে আমার মনে হয় নিচের চিত্রে দেখানো ঐ খান থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিলে কি সম্ভাবনা আছে ?
প্রশ্ন: আপনি কি আপনার পিসি থেকে ফর্ম সাবমিট করতে পারছেন ?
লেখক বলেছেন: না, এটির সাথে কোন সম্পর্কই নেই.........
নিশ্চুপ নিরবতা বলেছেন:
চমৎকার..... ব্যাক্তিগতভাবে শচীন আমার অনেক প্রিয়.... ওর খেলা অনেক নিখুঁত.... দেখলে যেন মনে হয়, ওর খেলা দেখেই কোচিং ম্যানুয়াল তৈরি করা হয়েছে। মনে হয় আগে ওর শট দেখে তারপর ঠিক করা হয়েছে ওটা ওভাবেই খেলতে হবে। চমৎকার পোস্ট।+
সামুতে ঢুকে একবার চোখ বুলিয়ে নিতাম... যে আপনি আছেন কিনা , এখন পারব তবে নতুন ঠিকানায় অন্য ছবিতে খুজতে হবে এই আর কি !
লেখক বলেছেন: এটা সাময়িক.......![]()
জ্যোতিরিঙ্গ বলেছেন:
নাফিস, আপনার সাহায্য চাই - কিছুদিন আগে একটা লেখা পড়েছিলাম যেখানে প্রচুর বাংলা বই এবং কিছু ইংরেজী বইয়ের একটা সমৃদ্ধ কারেকশনের লিংক ছিল।(ইনডেক্স টাইপ)সামহোয়ারের সেই লিংকদাতা প্রচুর ধইন্যাপাতা পেয়েছিলেন , আপনি বোধহয় তাকে কাঁধে নিয়ে নাচতেও চেয়েছিলেন।কেউ একজন লেখককে আস্ত ধইন্যাপাতা ক্ষেত উপহার দিয়েছিলেন।
আমার ধারনা ছিল আমি ঐ পোস্ট টা প্রিয়তে নিয়েছিলাম, কিন্তু এখন দেখছি তা করিনি । তাই খুঁজে খুঁজে হয়রান, আপনি আমাকে ঐ পোস্টটার লিংক দিয়ে সাহায্য করতে পারবেন?
ভাল থাকবেন।
অনটপিক : SACHIN IS MY HERO FROM MY CHILDHOOD.
লেখক বলেছেন: পোস্টটা আমি আপাততঃ খুঁজে পাচ্ছি না, তবে ঐ সাইটের লিংকটি আমার কাছে আছে: http://www.fhiredekha.com/e-books/
সাইফ হাসনাত বলেছেন:
অসাধারণ একটা লেখা, অনন্য সাধারণ একটি বিষয়ে... অনেক ভালো লাগলো...পুনশ্চ: আমি আর আপনি যখন একই সময় অনলাইনে থাকি, আমার আর আপনার নাম প্রথম পেজে একসাথে থাকে!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ! ![]()
ল্যাটিচুড বলেছেন:
আমার কাছে শচীন হচ্ছে "Cricket is a gentleman's game" কথাটার জলজ্যান্ত বাহক। নিন্দুকের সমালোচনার জবাব দেয়ার জন্য শচীনের মুখ ফুটে কিছু বলবার প্রয়োজন হয় না, কারন সেই কাজ শচীন ব্যাট দিয়ে করতেই অভ্যস্ত।
লেখক বলেছেন: রাইট! ![]()
ল্যাটিচুড বলেছেন:
নাফিস ভাই মোজাম্মেল প্রধান, ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯ এ একটি পোষ্ট দিয়েছেন - "সামুতে চিকিৎসা বিষয়ক গ্রুপ চাই" শিরেনামে। এরকম একটি গ্রুপ থাকলে অনেকেই উপকৃত হবেন।আমার মনে হয়েছে, আপনি ও আপনার মত অন্য সব পপুলার ব্লগারদের সহায়তা ছাড়া এমন একটি প্রয়োজনীয় গ্রুপ সাফল্যের মুখ দেখা অত্যান্ত কঠিন।
যদিও জানি আপনি ডাক্তার নন। কিন্তু এই ব্লগের অনেক ডাক্তারই যে আপনার ভক্ত তাতে কারে কোন সন্দেহ নাই। সুতারাং সম্ভব হলে এমন একটি গ্রুপ গড়ার জন্য আপনি এগিয়ে আসবেন এতটুকু আশা আপনার ভক্তরা করেতেই পারে, কি বলেন?
চিমা মস্তকে হুল হুল বলেছেন:
দর্শকের সমাগম ঘটেছিলো। বীরেন্দর শেবাগের সাথে যখন শচীন ব্যাটিং ওপেন করার জন্য মাছে প্রবেশ করে তখন আবার সেই পরিচিত শব্দে, পরিচিত চিৎকারেমাছে না হয়ে মাঠে হবে মনে হয়
ম্যাক্স পেইন বলেছেন:
সাংগু রে পেলাচ
ঈশান৭২৮৫ বলেছেন:
ভারতকে অতটা দেখতে না পারলেও শচীন টেন্ডুলকারের অসম্ভব ফ্যান। সে যে ম্যাচ জিতিয়ে আসতে না পারে তাতে তার ব্যার্থতার চাইতে আমার তার সতীর্থদের ভূমিকাই বেশী মনে হয়। একজন গিবসের কথা বললেন সেই ম্যাচে গিবসের সাথে সাথে স্মিথও ৯০ করেছিল। কিন্তু এখানে শচীনের সাথে কেউ কি দাড়াল? শচীন একাই একটা হারা ম্যাচ প্রায় জেতানোর কাছাকাছি নিয়ে গিয়েছিল। তবে সব ব্লগারদের মাঝে একটা জিনিস দেখে খুব ভালো লাগল। সবাই শচীঙ্কে গ্রেট মানেন। আমি প্রতিনিয়তই এমন মানুষের মুখোমুখি হই যারা শচীনের চেয়ে আফ্রিদিকে গ্রেট প্লেয়ার মনে করেন।
পৃথিবীর আমি বলেছেন:
"He is not a player, He is one of the definations of cricket......."
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















টেন্ডুল্কার ১৭৫............... ইন্ডিয়া!!!!!!!!!!
****আজো তারা এক চাক্কার গাড়ী............. বাট টেন্ডুলকার বেস্ট