সিলেট লেখক ক্লাব'র ২৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান : মালনীছড়া চা বাগান ও হাড়ুং হুড়ুং সুড়ঙ্গপথ
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
নাজমুল ইসলাম মকবুল
সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ সভাপতি, সিলেট লেখক কাব’র সাধারন সম্পাদক, পরম শ্রদ্ধাভাজন কবি রাগীব হোসেন চৌধুরী দাওয়াত দিলেন সিলেটের দৃষ্টিনন্দন মালনীছড়া চা বাগানের বাংলো প্রাঙ্গণে সিলেট লেখক কাব’র ২৫ বছর পূর্তি উপলে ১৬ই জানুয়ারী ২০১০ শনিবার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। সঙ্গে সঙ্গে ক্যালেন্ডারের পাতায় বড় অরে লিখে রাখলাম যাতে তারিখটা ভুলে না যাই। পূর্বেই বলা হয়েছিল বেলা ১১টার মধ্যে সিলেটের ডাক অফিসে উপস্থিত হওয়ার জন্য এবং সেখান থেকে মালনীছড়া চা বাগানের গাড়ি আমাদেরকে গন্তব্যে নিয়ে যাবে। আমি মাসিক আল-ফারুক সম্পাদক ও টেমস বাসিয়া পত্রিকার উপদেষ্টা মাওলানা শিব্বির আহমদ ও সহ সম্পাদক সালেহ আহমদ সুমনকে সঙ্গী করলাম। সিলেটের ডাক অফিসে পৌছে দেখি দুর দুরান্ত থেকে নবীন প্রবীণ অনেক কবি সাহিত্যিক এসে জমায়েত হয়েছেন মুল অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। তরুন কবি ও শক্তিমান উপস্থাপক আব্দুল মুকিত অপি ভাই সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন। সকলেই সিলেটের ডাক অফিস থেকে কয়েকটি গাড়িযোগে রওনা হলাম। আমাদের গাড়িতে সিলেটের ডাক পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক বিশিষ্ট লেখক সরকার শাহাব উদ্দিন আহমদ, সাহিত্য সম্পাদক অপি ভাই, সুনামগঞ্জের তরুন লেখক এডভোকেট জিয়াউর রহিম শাহীন, জগন্নাথপুর প্রেসকাবের সাধারন সম্পাদক লেখক আলী আহমদ ভাই, শিব্বির ভাই, সালেহ আহমদ সুমনসহ আরও কয়েকজন কবি সাহিত্যিক গাড়িতেই আসর জমিয়ে তুলতে কসুর করলেননা। কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঐতিহ্যবাহী মালনীছড়া চা বাগানের বাংলোয় পৌছে দেখি এলাহী কান্ড। চমৎকার চোখ ধাধানো পরিবেশে দৃষ্টিনন্দন করে সাজানো হয়েছে অনুষ্ঠানের মঞ্চ। সবকিছু যেন ছবির মতো মনে হলো। আমরা সেখানে পৌছতেই সকলকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হলো। অনুষ্ঠানের মধ্যমণি দানবীর রাগীব আলী হাসিমুখে আমাদের সকলের সাথে কুশল বিনিময় করলেন। কবি রাগীব হুসেন চৌধুরী স্বভাবসুলভ ভঙ্গীতে বললেন ‘আপনে আইছইননি’। বললাম ‘জি অয়’। সিলেট বিভাগের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আগত নবীন প্রবীণ কবি সাহিত্যিক লেখকদের সাথে কুশল বিনিময় হলো। এমনি আনন্দঘন পরিবেশে রোমাঞ্চকর অনুষ্ঠানে মিলিত হতে পেরে মনে এলো অন্যরকম অনুভুতি। মাওলানা শিব্বির আহমদ ও সুমনকে সঙ্গী করায় তারা সিমাহীন উৎফুল্ল হয়ে আমাকে ধন্যবাদ দেওয়া শুরু করে দিলেন তখন থেকেই। প্রায় ১২ বছর পর সিলেটের বাঘা বাঘা কবি সাহিত্যিকদের একই অনুষ্ঠানে তাদের সানিধ্য পেয়ে ও তাদের মাঝে হারিয়ে যেতে পেরে মনটা যেন আনন্দে নেচে উঠল।
এর আগে ১৯৯৭ সালে সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের শততম সাহিত্য আসরের জমকালো অনুষ্ঠানে দেশের বাঘা বাঘা কবি সাহিত্যিকদের মাঝে হারিয়ে গিয়েছিলাম। সে কথাই মনে পড়ে গেল তখনই।
সেই শততম সাহিত্য আসরের অনুষ্ঠানে কবি আল মাহমুদ, গণমানুষের কবি দিলওয়ার, ভাষা সৈনিক এ,এইচ, সাআদত খান, সংগঠক আব্দুল হক, কবি আসাদ চৌধুরী, প্রয়াত কবি আফজাল চৌধুরী, প্রয়াত গবেষক অধ্যাপক আসদ্দর আলী, কবি মুকুল চৌধুরী, গবেষক সৈয়দ মোস্তফা কামাল, কবি রাগীব হোসেন চৌধুরী, গবেষক আব্দুল হামিদ মানিক, সৈয়দ শামসুল ইসলাম, আবু সায়িদ মাহমুদ, প্রয়াত মনির উদ্দিন চৌধুরী, মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ, হারুনুজ্জামান চৌধুরী, আজিজুল হক মানিক, সেলিম আউয়াল, প্রয়াত লেখক হাজী মওলুল হোসেন, আব্দুল করিম চৌধুরী, শারিক শামসুল কিবরিয়া, তাবেদার রসুল বকুল, দেওয়ান এ,এইচ, মাহমুদ রাজা চৌধুরী, সাঈদ চৌধুরী, ওয়ারিস আক্তার বাঙ্গালী, তরুনদের মধ্যে আশরাফ হাসান, নাজমুল আনসারী, মতিউল ইসলাম মতিন, ফয়সাল তালুকদার, আব্দুল মুকিত অপি, আবিদ ফায়সাল, আবদুল কাইয়ূম, সিরাজুল হক, শাহাদাত হোসেন, মহিতুর রহমান মোহিত, নুরুন্নেছা হক, সৈয়দ নাসির আহমদ, আনোয়ার হোসেন মিসবাহ, বাছিত ইবনে হাবিব, আল মামুন, মোঃ সেলিম, মুহাম্মদ জুবায়ের, শাহজাহান কমর, ওসমান গণী সহ শতাধিক কবি সাহিত্যিক অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তুলেছিলেন সেই অনুষ্ঠানে শরিক হওয়ার এবং স্বরচিত কবিতা আবৃত্তির সৌভাগ্য আমার হয়েছিল সে কথাটাই যেন বারবার মনে পড়ল। একযুগ পর পুরণো দিনের অনেক বন্ধুকে পেয়ে আবেগ সামলাতে পারিনি।
শুরুতেই সাতটি গাড়ির বহর নিয়ে কোম্পানি বাংলো থেকে সাত থেকে আট কিলোমিটার দুরে হিলুয়া ছড়া সহ বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য জায়গা পরিদর্শনে বের হই। আমাদের গাড়ির মধ্যমণি ছিলেন বিশিষ্ট লেখক গবেষক আব্দুল হামিদ মানিক। তিনি প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন বিষয়ে তাত্ত্বিক আলোচনা করে গাড়িতেই আসর জমিয়ে তুললেন। আমরাও সে আলাপচারিতায় শরিক হলাম। গড়ি নির্দিষ্ট জায়গায় থেমে গেলে বাকী প্রায় ২ কিলোমিটার হেটে হেটে যেতে হলো। তবে চা বাগানের নয়নাভিরাম দৃশের মধ্যে সকলেই হারিয়ে যাওয়ায় হাটার কান্তি বুঝাই গেলনা। সকলেই নানা ধরনের আলাপচারিতার মধ্য দিয়ে হেটে হেটে পৌছে গেলাম ঐতিহাসিক এবং আকর্ষণীয় হাড়–ং হুড়–ং সুড়ঙ্গ পথে। এই সুড়ঙ্গ পথ দিয়ে অত্যাচারী রাজা গৌড় গোবিন্দ জৈন্তার রাণী ঊর্মীর কাছে পালিয়ে গিয়েছিল বলে জনশ্র“তি আছে। বাগান পরিদর্শনের সময় বাগানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা কর্মচারীরা আমাদের সঙ্গে থেকে বিভিন্ন জায়গার ঐতিহাসিক বর্ণনা দেন। আমাদের সফরসঙ্গী কয়েকজন মহিলা সাহিত্যিকও ছিলেন। অনেক কবি সাহিত্যিকেরা আবার এমন আনন্দঘন মিলনমেলায় আপন স্ত্রীকে বাড়িতে রেখে আসার দুঃসাহস দেখাতে না পেরে একেবারে নিজের সঙ্গে করে অনুষ্ঠানে নিয়ে আসার লোভ সামলাতে পারেননি। সেই হাড়–ং হুড়–ং সুড়ঙ্গপথে জালালাবাদের সহ সম্পাদক ও বিশিষ্ট লেখক আব্দুল কাদের তাপাদার ভাই পরিচয় করিয়ে দিলেন উনার স্ত্রীকে। বললেন ‘ওউ তোমার ভাবীও আইছইন’। সাবেক সাংসদ এডভোকেট শাহিনুর পাশা চৌধুরীর সহধর্মীনীসহ বেশ কয়েকজন মহিলা কবি সাহিত্যিকও হাড়–ং হুড়–ং সুড়ঙ্গপথ পরিদর্শন ও ছবি তুললেন। আমরাও সুড়ঙ্গপথের ভিতরে ঢুকে ছবি তুললাম ও সামনে গ্র“প ছবি তুললাম। তবে সাথে করে ক্যামেরা না নেওয়ায় অনেকেই আপসোস করলেন। প্রায় আড়াইটার দিকে সবাই ফিরতে শুরু করলাম এরই মধ্যে বিশিষ্ট সাহিত্যিক জনাব সেলিম আউয়াল ভাই মোটর সাইকেলে চড়ে দ্রুত আমাদের সাথে এসে মিলিত হওয়ার সময় টিলার সরু রাস্তার ভেজা নরম মাটিতে স্লিপ করে পড়ে গেলেন ছোট ঝর্নার মতো বয়ে যাওয়া রাশি রাশি পানিতে। দুএকজন ধরে তুললেন সেলিম ভাইকে। চলে এলাম সকলেই অনুষ্ঠানস্থলে।
আসার সাথে সাথে মালনীছড়া চা বাগানের সুনামধন্য পরিচালক সবার প্রিয় সাদ ভাইয়ের তত্ত্বাবধানে নিজ হাতে তৈরি ঠান্ডা শরবত, কমলা, আপেল, বিস্কিট দিয়ে আপ্যায়নের পর পর দেয়া হয় দুপুরের খাবার।
এরই সাথে শুরু হয়ে যায় মুল অনুষ্ঠান। মুহুর্মুহু হাততালির মধ্য দিয়ে সভাপতির আসন গ্রহণ করেন সিলেট লেখক কাব সভাপতি লেখক গবেষক সৈয়দ মোস্তফা কামাল, প্রধান অতিথির আসন গ্রহণ করেন উৎসবের মধ্যমণি দেশের অন্যতম শিল্পপতি, দেশ বিদেশের অগণিত প্রতিষ্ঠানসহ রাগিব রাবেয়া ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা দানবীর রাগীব আলী, সিলেট লেখক কাব সাধারন সম্পাদক কবি রাগীব হোসেন চৌধুরী, মুল প্রাবন্ধিক লেখক গবেষক আব্দুল হামিদ মানিক এবং আসন গ্রহণ করানো হয় লেখক কাবের ২৫ বছর পূর্তি উপলে সম্মাননা দেয়া ছয় জন গুণি ব্যক্তিত্বকে। নিজ নিজ সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার জন্য সম্মাননা প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন শিাবিদ আব্দুর রহিম, ডাঃ আব্দুস শহীদ খান, নুরই সাত্তার, আব্দুল ওয়াহিদ, মীর লিয়াকত আলী ও সৈয়দ আব্দুল্লাহ। অতিথিদের আসন গ্রহণের পর অতিথিদের ফুল দিয়ে বরন করি আমি, ছালেহ আহমদ সুমন সহ বিভিন্ন লেখক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শুরু হয় আলোচনা এবং কবিতা পাঠের আসর। তরুন কবি আব্দুল মুকিত অপির সাবলিল উপস্থাপনায় ও কবি সাংবাদিক এম. আহমদ আলীর পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সুচিত লেখকদের এ মিলনমেলায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট গবেষক আব্দুল হামিদ মানিক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন লেখক কাবের সাধারন সম্পাদক কবি রাগিব হোসেন চৌধুরী, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন লিডিং ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ কবির হোসেন, প্রবীণ শিাবিদ অধ্য কালাম আজাদ, দৈনিক সিলেটের ডাকের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক দেওয়ান তৌফিক মজিদ লায়েক, গবেষক হারূন আকবর, বৃপ্রেমিক আফতাব চৌধুরী, গবেষক ও সিলেটের ডাকের নির্বাহী সম্পাদক সরকার শাহাবুদ্দিন আহমদ, কবি মাহবুবা সামসুদ, গল্পকার সেলিম আউয়াল, লেখক শাহ নজরুল ইসলাম, অধ্য ওয়াহিদ সারো, এডভোকেট জিয়াউর রহিম শাহিন প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি দানবীর রাগীব আলী আবেগ আপ্লুত হয়ে কবি সাহিত্যিকদের কল্যাণে আজীবন কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে দিক নির্দেশনামুলক বক্তব্য রাখেন। আলোচনার ফাকে ফাকে পুরুষ ও মহিলা কবিদের স্বরচিত কবিতা পাঠ মোহিত করে তুলে সকলকে। কবিতার ফাকে ফাকে সঙ্গীত পরিবেশন করে বাড়তি আনন্দ দেন নিলীমা আক্তার, চন্দন পাশি, মোঃ আব্দুল ওয়াহিদ সহ অনেকে। স্বরচিত কবিতা পাঠে অংশ নেন মুহিত চৌধুরী, আব্দুস সবুর মাখন, শিকদার মুহাম্মদ কিব্রিয়াহ, প্রভাষক বাছিত ইবনে হাবীব, এম. আহমদ আলী, আনোয়ার হোসেন মিছবাহ, আব্দুল মুকিত অপি, খসরুর রশীদ, সৈয়দ আহমদ, আহমাদ সেরিম, ধ্র“ব গৌতম, মুফতি মফিজুর রহমান, শান্তা গুপ্তা, শারমিন সুমি, মাসুদা সিদ্দিকা রূহী, পৃথ্বিশ চক্রবর্তী, নামব্রম শংকর, কামাল আহমদ, জসিম আল ফাহিম, এম. আর মিজান, শাহেদ হোসাইন, নির্মন কান্তি দাস, প্রভাষক নাজমুল আনসারী, আতাউর রহমান বঙ্গী, আলী আহমদ, খালেদ উদ্দীন, সুফিয়া জমির ডেইজি, শামীমা কালাম, রফিকুল ইসলাম, ইসরাত জাহান জেলী, ইসমত হানিফা চৌধুরী, মামুন হোসেন বেলাল, তাহেরা আজাদ প্রমূখ। কবিদের বার বার সময় বেধে দিলেও এবং সময়ের স্বল্পতায় সকলের লেখা শুনার সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠ করতে বার বার বারণ করা হলেও সে কথা অনেকেই রাখেননি। অনেকেই একাধিক কবিতা আবৃতি করেন ও সম্বোধনের সময় আলাদা বৈচিত্র এনে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তুলেন। ভাল কবিতা যাদের তারা পাঠ করার পর পরই প্রধান অতিথি দানবীর রাগীব আলী সঙ্গে সঙ্গে কমলা উপহার দেন। অনুষ্ঠানের ফাকে ফাকে হাততালি দিয়ে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করতে বিশেষ ভুমিকা রাখেন মালনীছড়া চা বাগানের পরিচালক আবু সাদ জওহর ভাই আর উনার হাততালির সাথে সাথে অনেকেই হাততালি দিতে ভুল করেননি।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্য্যায়ে সম্মাননা প্রাপ্ত ব্যক্তিরা তাদের অনুভুতি ব্যাক্ত করেন। সাথে সাথে নিজের লেখা থেকে পাঠ করেও শুনান। প্রায় শতবর্ষী প্রবীণ শিাবিদ আব্দুর রহিম বয়সের ভারে এতই ন্যুজ্য যে কাঁপা কাঁপা শরিরে হেটে মঞ্চ পর্যন্ত অন্যের সাহায্য ছাড়া যেতে পারছিলেন না, কিন্তু নিজের লেখা দীর্ঘ্য কবিতা আবৃতি করার সময় তাঁকে কুড়ি বছরের যুবকের মতো মনে হলো। আমরা অবাক বিস্ময়ে তন্ময় হয়ে তাঁর কবিতা আবৃতি শুনলাম। যা সত্যিই অপরূপ লেগেছিল। কবিতা মানুষকে যুবকে পরিণত করে দেয় তারই প্রমাণ পেলাম। অনুষ্ঠানের সময় ঐতিহ্যবাহী মালনীছড়া চা বাগানের চা এর সাথে মোয়া চলে দেদারসে। অংশগ্রহণকারী লেখকদের আকর্ষণীয় ব্যাগ, কলম, ফাইল, ক্যালেন্ডার, প্যাড এবং মালনীছড়া চা বাগানের চা পাতা উপহার প্রদান করা হয় ।
লেখকঃ সভাপতি, সিলেট লেখক ফোরাম।
মোবা: ০১৭১৮৫০৮১২২
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
চলতি পথের গল্পঃ দুই

‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।
এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক
‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন
Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ
![]()
প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?
আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাকি রইলো; কাঁচা কলা

স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।