আমার প্রিয় পোস্ট
- বি ডি আর হত্যাকান্ডের সেই গোপনীয় অধ্যায়গুলো-১ম খন্ড - স্বাধীনতার_অপেক্ষায়
- সামহয়ারইন ব্লগে আমার করা কয়েকটি পিডিএফ ই-বুক
(আপডেটেড) - ~স্বপ্নজয়~
- বিডিআর হত্যাকান্ড : আমার প্রতিক্রিয়া, আমার প্রতিবাদ - ক্ষতিগ্রস্থ
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- IDM বিষয়ক দরকারী পোস্টের লিংকসমুহ

- মাহিন আহমেদ
- ওয়েসিস অফ দি সিজ : বিশ্বের বৃহত্তম প্রমোদতরী (ছবিসহ বিস্তারিত) - পথে-প্রান্তরে
- ফটোশপ দিয়ে চমৎকার টেক্সট ইফেক্ট তৈরী করুন - মাহমুদ সিএসই
- আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ১) - মাহমুদ সিএসই
-
সামহোয়্যার ইন কিডস
- পুরাতন
- সহজ নেটওয়ার্কিং ও ইন্টারনেট শেয়ারিং - ত্রিভুজ
- বাংলাদেশী ওয়েব এড্রেস (অনলাইনে প্রতিদিন) - সিটিজি৪বিডি
- নাগরিক অবস্থান থেকে আমি বিডিআর জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়েই মূলতঃ চিন্তিত - জ্বিনের বাদশা
- একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের কিছু সমস্যা এবং অনেক সম্ভাবনা। - আজমান আন্দালিব
- কেবলই চোখ ভিজে ওঠে... - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- হাসন রাজার সংক্ষিপ্ত জীবনী ও হাসন রাজা যাদুঘরে রক্ষিত জিনিষ পত্রের কিছু ছবি - মহলদার
- নির্বাচন ও সংখ্যালঘু হাহাকার - বেতাল
- হিন্দু হওয়াই কি আমাদের আজন্ম পাপ? - অচেনা সৈকত
- এসো পরিচিত হই বাংলার ফুলের সাথে - রাজামশাই
- পেনড্রাইভ থেকে পিসিতে ভাইরাস ঢোকবার পথটাই বন্ধ করে দিন - মোঃ রফিকুল আলম (পাভেল)
টিপাইমুখী বাঁধ বাংলাদেশের মরণ ফাঁদঃ দেশের মানুষ হুশিয়ার সাবধান
১৫ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬
এলেখাটি ইমেইলে আমার একবন্ধু অষ্ট্রেলিয়া হতে পাঠিয়েছে, তথ্য ও বাস্তবতা এবং বিষয়ের গুরুত্ব মনে করে আমি হুবহু এটা তুলে দিলাম ব্লগের পাঠকদের উদ্দেশ্যে। আশা করছি আপনাদের অনেক প্রশ্নের জবাব মিলবে।
সম্প্রতি আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত বরাক নদীর উপর বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ১০০ কিমি উজানে টিপাইমুখে একটি ড্যাম এবং বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ২০০ কিমি উজানে ফুলেরতালে ব্যারেজ নির্মাণের সকল প্রস্তুতি নিয়েছে। উজান দেশের এরকম কার্যক্রমে আমাদের নদীগুলোর নাব্যতা-সংকট নদী অববাহিকার মানুষের জীবন ও জীবিকার প্রতি একদিকে যেমন হুমকি, তেমনি রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অস্তিত্বকেও বিপন্ন করে তুলবে। গঙ্গা নদীতে ফারাক্কা ব্যারেজ, তিস্তা নদীতে গজলডোবা ব্যারেজ ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের জীববৈচিত্র্যের অপরিসীম তিসাধন করেছে।
বাংলাদেশে উজান থেকে আসা পানির মোট ৭-৮ শতাংশ আসে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলের বরাক নদী থেকে। মৎস্য সম্পদ আহরণ ও চাষাবাদের জন্য বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা এ নদীর পানি প্রবাহের উপর নির্ভরশীল। পরিবেশবিদরা আশঙ্কা করছেন, এ বাঁধ নির্মাণের ফলে সুরমা-কুশিয়ারা ও মেঘনা অববাহিকার ২৭৫ দশমিক ৫ বর্গ কিমি এলাকায় তাৎণিক ও দীর্ঘমেয়াদি কুফল দেখা দেবে। টিপাইমুখ ড্যাম পরিচালনার পূর্বে যখন রিজার্ভারটি পূর্ণ করা হবে তখন তা ভাটি অঞ্চলের স্বাভাবিক পরিবেশ ও ইকো-সিস্টেমকে বাধাগ্রস্ত করবে এবং মৎস্য প্রজননে বিরূপ প্রভাব ফেলবে। শুষ্ক মৌসুমে সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকায় প্লাবন ভূমির পরিমাণ শতকরা ৬০ ভাগ এবং ভরা মৌসুমে অন্তত ১২ ভাগ হ্রাস পাবে।
ঋঅচ-৬ এর গবেষণা মতে, বাংলাদেশের অমলসিধের কাছে বরাকের পানি প্রবাহ ভরা মৌসুমে অন্তত ২৫ শতাংশ হ্রাস পাবে, সেই অনুসারে ওয়াটার লেভেল ১ দশমিক ৬ মিটার নেমে যাবে। অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে (ফেব্র“য়ারি মাসে) বরাকের প্রবাহ অন্তত ৪ দশমিক ২ গুণ বৃদ্ধি পাবে এবং পানি সমতল বাড়বে প্রায় ১ দশমিক ৭ মিটার। এই অবস্থা সুরমা ও কুশিয়ারার প্রবাহকেও একইভাবে প্রভাবিত করবে।
টিপাইমুখে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ শুরু হলে নিয়ন্ত্রিত প্রবাহের ফলে নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর পানি ছাড়া হবে। এর ফলে মাটির অভ্যন্তর দিয়ে পানির প্রবাহ প্রক্রিয়াও (নধংব ভষড়ি ঢ়ধঃবৎহ) পরিবর্তিত হবে। সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকা নিচু জলাভূমি পূর্ণ, শুষ্ক মৌসুমে পানি প্রবাহ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়ে জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে। সেই সঙ্গে পাহাড়ি ঢলের পানি সহজে নামতে না পারার কারণে নিচু বাঁধ উপচে বিস্তীর্ণ বোরো ফসল বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকবে।
টিপাইমুখ বাঁধের প্রভাবে কালনী-কুশিয়ারা নদীর পলিভরাট (ঝবফরসবহঃধঃরড়হ) প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে। ফলে নাব্যতা রায় অতিরিক্ত ড্রেজিংয়ের মতো ব্যয়বহুল পদ্ধতির প্রয়োজন হবে। সুরমা-কুশিয়ারায় বন্যার পরিমাণ কমে যাওয়ার ফলে পলল সমভূমিগুলো পলিমাটি বঞ্চিত হবে এবং নদী অববাহিকার মধ্যবর্তী সমভূমিগুলো নদীর সঙ্গে সংযোগহীন হয়ে পড়বে। অন্তত চারটি প্রকল্প টিপাইমুখ বাঁধের প্রভাবে নিশ্চিতভাবে তিগ্রস্ত হবে। প্রকল্পগুলো হচ্ছেÑ আপার সুরমা-কুশিয়ারা রিভার প্রজেক্ট, সুরমা রাইট ব্যাঙ্ক প্রজেক্ট, সুরমা-কুশিয়ারা-বাউলিয়া বেসিন প্রজেক্ট এবং কুশিয়ারা-বিজনা ইন্টারবেসিন প্রজেক্ট।
শুধু ভাটির দেশ হিসেবে বাংলাদেশই নয়, বরং এই প্রকল্পের ফলে খোদ ভারতেরই ২৭ হাজার ২৪২ হেক্টর বনভূমি বিনষ্ট হবে। আসাম, মনিপুর, মিজোরামের ৩১১ বর্গ কিমি ভূমি প্লাবিত হবে যার অধিকাংশই আদিবাসী অধ্যুষিত। ১ হাজার ৪৬১ হামর পরিবার এবং জিলিয়ানোগ্রং নাগা উপজাতিদের এক-তৃতীয়াংশ তাদের আবাসস্থল ছাড়তে বাধ্য হবে। হামর আর নাগা উপজাতিদের ৬৭টি গ্রাম আংশিক বা সম্পূর্ণ তিগ্রস্ত হবে। বরাক প্রপাতের অনেক ধর্মীয় তীর্থস্থান তলিয়ে যাবে। আর এই সবকিছুই জাতিসংঘ ঘোষিত আদিবাসী অধিকার ও স্বার্থ সংরণ নীতিমালার পরিপন্থী।
ভারত সরকার টিপাইমুখে ড্যাম নির্মাণের চিন্তা-ভাবনা শুরু করে ১৯৫৫ সালে। নির্মাণকাজ শুরুর প্রস্তাবটি আসে ১৯৯৩ সালের দিকে। যদিও ২০০৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর টিপাইমুখ বাঁধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছে তথাপি ভারতীয় বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার মতে টিপাইমুখ প্রকল্পটি প্রয়োজনীয় পরিবেশগত ছাড়পত্র অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।
আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে কোনো দেশ অভিন্ন নদীর উজানে কোনো কাঠামো নির্মাণ করতে হলে অবশ্যই এর ভাটিতে বসবাসকারী জনপদের উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার কথা ভাবতে বাধ্য। উন্নত দেশগুলো যখন স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কুফলের কথা বিবেচনা করে বাঁধের মতো অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণের দুর্বুদ্ধি থেকে পিছিয়ে আসছে, সেখানে ভারতের এমন একটি বাঁধ নির্মাণের প্রস্তুতি আরো গভীর পর্যালোচনার দাবি রাখে। আর টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের বিষয়টি ভারত আদৌ পুনর্বিবেচনা করবে কি না তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে ভাটির দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বাঁধটির সম্ভাব্য বিপর্যয়ের কথা কতটা বলিষ্ঠ ও তথ্যসমৃদ্ধভাবে আলোচনার টেবিলে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরতে পারছে এর ওপর।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
শুভ৭৭ বলেছেন:
"ভাটির দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বাঁধটির সম্ভাব্য বিপর্যয়ের কথা কতটা বলিষ্ঠ ও তথ্যসমৃদ্ধভাবে আলোচনার টেবিলে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরবে সরকার?"
লেখক বলেছেন: সম্ভাবনা কম। কারণ সরকার ইতিমধ্যেই পিলখানার ঘটনায় অতীতের ভারত তোষণ নীতির সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে প্রমাণ দিয়েছে ।
লেখক বলেছেন: এখনই প্রতিরোধ করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ইতিমধ্যে তারা দরপত্রও আহবান করেছে
লেখক বলেছেন: দেশ তো আমাদের, দেশপ্রেম নিয়ে আমাদের এগিয়ে আসতে হবে, এই বিষয়ে দলাদলি ভুলে সবাইকে যার যার অবস্থানে থেকে প্রতিবাদ করতে হবে।
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
টিপাইমুখী বাঁধ নির্মাণ প্রতিরোধে জনমত গড়ে তুলতে হবে। ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দিতে হবে।
লেখক বলেছেন: পণ্য বর্জনের মতো হালকা কিছু করে লাভ হবে না। এরজন্য সরকারকেই প্রথম উদ্যোগ নিতে হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় হতে প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতে যেতে হবে একই সঙ্গে দেশে বিদেশে জনমত গড়ে তোলার কাজ করতে হবে আমাদের বুদ্ধিজীবি ও সাংবাদিকদের।
ধীবর বলেছেন:
যে যার অবস্থান থেকে টিপাইমুখ বাধের বিরোধিতা করুন।
লেখক বলেছেন: সহমত, আসুন সবাই একমত হই।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চাপ সৃষ্টি করতে হইলে সরকারি উদ্যোগ লাগবো। সরকারে আছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি বিরোধীদলে। বিএনপি যদি সরকারের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করতে না পারে তাইলে আওয়ামী লীগ কিছুই করবো না।কিন্তু বিএনপি আপাতত তাদের নেত্রীর বাড়ি নিয়াই বেশি চিন্তিত।
লেখক বলেছেন: আমাদের নেতাদের দেশপ্রেম প্রশ্নের সম্মুখীন। তারা কি আসলেই দেশকে ভালবাসে?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনার পোষ্টটি পড়েছি
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার উদ্যোগের জন্য।
সরকার বিডিআর সেনাবাহিনীকে মেরে, বিডিআরকে দোষী করে সীমান্ত উন্মুক্ত করতে চায়, যেমনটি বিএসএফ চাইছে তার ব্যতিক্রম করছে না। এক্ষেত্রে এরা এই বাধ নির্মাণের প্রতিবাদ করবে, নাকি নির্মাণ খরচ দিবে সেটাই বিষয়।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
দেখি ৭৫% এর বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসা বর্তমান সরকার কি উদ্যোগ নেয়.....
আগামি বলেছেন:
আমার মনে হয় ব্লগারদের পক্ষ হতে একটা কমিটি করা যেতে পারে । এবং আমাদের করণীয় নিয়ে একটা আলোচনা পোস্ট দেয়া যেতে পারে । তারপর ঐ পোস্টের ভিত্তিতে আমাদের করণীয় নির্ধারণ করে সে আনুযায়ী বাস্তব পদক্ষেপ নেয়া দরকার ।আমরা এখন পর্যন্ত একেবারে শুরুর পর্যায়ে আছি ।
আব্দুল্লাহ শেরদীল বলেছেন:
দরপত্রের ব্যাপারে নির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারবেন ? তাহলে ব্যাপারটা একেবারে স্পষ্ট হতো।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
মাঝে মাঝে ভাবতে কষ্ট হয় এই দেশে চার পঞ্চমাংশ আসনে জিতে আসা সরকার ক্ষমতায়। সরকারের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, আগে বাঁধ হোক তখন দেখা যাবে।
আগামি বলেছেন:
এই লেখাটি আরেকজনের, যিনি আনন্দময়ী নিকে প্রথম আলো ব্লগে লিখেন । লেখাটি কয়েকটি জাতীয় দৈনিকেও এসেছে ।লেখাটি এভাবে আসায় তিনি ক্ষুন্ন হয়েছেন এবং বিষয়টি আমার সাথে শেয়ার করেছেন । বনলতা নিকে প্রথম আলোতে আপনিই কি এটা দিয়েছেন ?
আপনার যে বন্ধুই এটা আপনাকে দিয়ে থাকুক আপনার উচিত শীঘ্রই লেখকের সাথে কথা বলে বিষয়টা স্পস্ট করা ।
লেখক বলেছেন: আমি লেখাটির উৎস সম্পর্কে বলেছি, এখানে আমার নিজস্ব মতামত বা আমার নিজের লেখা নেই। আমি চেয়েছি পাঠকদের সচেতন করতে এবং এমন তথ্যবহুল লেখাটি শেয়ার করতে সেক্ষেত্রে আমি কিভাবে প্রকৃত লেখকের সাথে কথা বলব। তবে লেখক চাইলে আমাকে মেইল করতে পারেন;
দিগন্ত বলেছেন:
এ নিয়ে যথেষ্ট তথ্য সংগ্রহ করে ভারত সরকারকে চিঠি দিতে হবে। তাতে কাজ না হলে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করতে হবে। এর মধ্যে কোনো সমস্যা হবার কথা না। যে কোনো শেয়ার্ড রিসোর্স (যেমন নদী, বাতাস, পরিবেশ) সমতা মেনে ব্যবহার করা উচিত (রাষ্ট্রপুঞ্জের আইন আছে)। সে হিসাবে ভারতেরও বাঁধ দেবার অধিকার আছে কিন্তু তার ফলে বাংলাদেশে ক্ষতিকর প্রভাব পড়লে সে দায় ভারতকে নিতে হবে। তাই বাঁধের উচ্চতা, জলধারণ ক্ষমতা যদি কমাতে হয় তার ব্যবস্থা নিতে হবে। বাঁধমাত্রেই ডাউনস্ট্রিমের ক্ষতি করে। কিন্তু সমতার নীতি অনুসারে একটা সীমার বেশী জল ভারত নিতে পারে না। তা লঙ্ঘিত হলে আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়া উচিত।
পুরো ব্যাপারটাই টেকনিক্যাল। আমি এখনও অবধি কোনো লেখায় যথেষ্ট তথ্য দেখলাম না। বিশ্লেষণের জন্য যে তথ্যগুলো লাগে -
১) বাঁধের জলধারণ ক্ষমতা
২) বাঁধের উচ্চতা
৩) নদীর গ্রীষ্মকালীন ও শীতকালীন প্রবাহ (বর্ষায় জল কমলে সমস্যা নয়, বরং বন্যা প্রতিরোধ হয়)।
৪) নদীর নাব্যতা।
এর ওপরে নির্ভর করে বলা যায় কতটা অবধি জল নিয়ে নিলেও নদীর কোনো ক্ষতি হবে না। এটা কোনো বড় কোনো ইস্যুই হবে না যদি বাংলাদেশ সরকার আগে থেকে ব্যাপারটা নিয়ে কাজ করে। কিন্তু সব কাজ হয়ে যাবার পরে উদ্যোগ নিলে বিশেষ একটা লাভ হবে না। সরকারের নিস্পৃহতা আমাকে অবাক করেছে।
আগামি বলেছেন:
@ দিগন্ত -http://prothom-aloblog.com/users/base/anandomoye/130
আগামি বলেছেন:
ড্যাম ফিচার:অবস্থান- ২৪°১৪' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৩°১.৩' পূর্ব দ্রাঘিমা। বরাক ও টুইভাই নদীর মিলনস্থল থেকে ৫০০ মিটার ভাটিতে (Downstram) এবং অমলসিধ থেকে ২০০কিঃমিঃ উজানে, প্রকার- মাটির ড্যাম, অভ্যন্তরভাগ পাথর নির্মিত , উচ্চতা - ভূমি থেকে ১৬১মিটার, সমুদ্র সমতল থেকে ১৮০মিটার, দৈর্ঘ্য - ৩৯০মিটার, পানি ধারন ক্ষমতা - ১৬ বিলিয়ন ঘনমিটার, সর্বোচ্চ রিজার্ভ লেভেল- ১৭৮মিটার, ড্যামের নির্মান ব্যায় - ১,০৭৮ কোটি ভারতীয় মুদ্রা, সমগ্র প্রকল্পের মোট ব্যায় - ৫১৬৩.৮৬ কোটি ভারতীয় মুদ্রা। -http://prothom-aloblog.com/users/base/anandomoye/130
দিগন্ত বলেছেন:
আগামীকে ধন্যবাদ তথ্যের জন্য।
রাজনীতি বলেছেন:
এ থেকে বাচার একমাত্র উপায় হল নিজের দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসা প্রকাশ
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
কে জানি যুদ্ধঘোষনার ডাক দিছে! বিডিআরের সাবেক পরিচালক ফজলুর রহমান
লেখক বলেছেন: আপনার ভাল জানার কথা, আমাকে ব্লক করে আমার পোষ্টে কমেন্ট করার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















