কে বয় ঝর্ণাধারার মতো--জানতে ইচ্ছে হয়
তরঙ্গের ডাকে পাহাড়ের বুক ভেঙ্গে নদী হয়ে ওঠে;
আজো কার হাসি ফুলের পাপড়ি হয়ে সুরভী ছড়ায়
হাজার নিক্কন-ধ্বনির মতো বেজে ওঠে আকাশে আকাশে;
কে সাঁতরায় সারাক্ষণ আগুনের নদী;
কে লুকায় হাসির আড়ালে হতাশ্বাসগুলো;
-----কে যে অনিদ্রাকে সাথী করে সারারাত জেগে থাকে!
জানতে ইচ্ছে করে----এসব ভীষণ জরুরী কথাগুলো।
যার সাথে নীলকন্ঠি-জ্যোৎস্নার পথ হেঁটে হেঁটে
সারারাত চন্দ্রিমা-স্বপ্নের মালা গাঁথা;
--যে রোজ ডেকে নিতো শিউলী-কুড়োনো ভোরে--
সে কোথায় আছে?
স্মৃতির তোরঙ্গে আজো সব জমা আছে
সযতনে রাখা আছে ডায়েরীর ছেঁড়া পাতাগুলো----
সেই দেবদারু-বীথির ছায়ায় ছড়ানো কথার ফুল-দল
বাতাসের মীড়ে মীড়ে বেজে যাওয়া গুনগুন তান
তুমুল হল্লা----মান-অভিমান----ছন্নছাড়া দুপুর-বিকেলগুলো
সব ভুলানো--ঘর পালানো বাঁশরীটি অবিকল বেজে ওঠে আজো।
সব ক'টি নামও মনে নেই আজ আর
জানিনা --বন্ধুরা কে কোথায় আছে
কার কেমন ঘর-সংসার---সন্তান-সন্ততি;
কে কেমন দেখতে হয়েছে
এতোকাল পরে ঠিকঠাক চিনবো কি
--ওরাই কি চিনবে আমাকে?
জানি-
আজ আর বাজবেনা ঠিক সেই সুরে---সেই দুরন্ত-দুপুরের গানগুলো।
মন তবু--ঝরে পড়া পালকগুলো জড়ো করে রাখে
পায়রা-ডানায় বেঁধে দেয় অলিখিত চিঠি---
---কে কোথায় আছো?
---কে কেমন আছো?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



