কবিতা;এক অদ্ভুৎ প্রহেলিকা
অপেক্ষার মনভূমে শুয়ে থাকে বিষাদের বর্ণমালা
অকর্ষিত খেরখাতায় বিবর্ণ অক্ষরেরা যেমন
নৈশব্দের আটপৌরে ঘোরে শব্দাবদ্ধ হয়
দারুন কবিতা হবে বলে!
প্রত্যেকটা কবিতাই কবিতা হয়ে ওঠার আগে
লালিত হয় অনেক অপেক্ষার মৌলিক কোন চারণভূমে,
গহন ভাবনার বিনীত অহংকার ছায়ায়।
কবিতা মাত্রই ইশারাশূন্যতার কেন্দ্রবিন্দুতে ভর করে
বুনে যাওয়া শাব্দিক মাত্রা বৃত্ত নয়,
নয় যথা সুখের সন্ধিবিচ্ছেদ অথবা বিচ্ছেদের সুখসন্ধি।
কবিতা কেবল যাপিত জীবনের উপলক্ষ্যে
এক অদ্ভুৎ প্রহেলিকা।
অসমিকরন
সুদীর্ঘ আকাশের বিস্তারে শুয়ে ছিল অগনন মেঘ
বালকের আকাঙ্ক্ষার মৃত্তিকাভূমে ছিল খরার হাহাকার
নতমুখ প্রার্থনায় বৃষ্টির কামনা ছিল,
বৃষ্টি ষোড়শি বালিকা,
কামনার দুরত্বে বসে হেসেছে লাস্যময়ী হাসি
লাজুক নৃত্যের স্পন্দর মেঘ থেকে ঝরেছে
চৌচির মৃত্তিকায় তবু বৃষ্টি ঝরেনি।
মনলিপি
তুমি আমার সুদীর্ঘ কবিতা,
তোমাকেই লিখে যাই সমাপ্তির উপলক্ষ্যে।
মেঘবালিকা
ভাল লাগার সেই রঙিন অভ্যেস এখনো ভুলতে পারিনি,
অবলীলায় তাই আজ বিকেলের মেঘটাকে ভাল লেগে গেল।
রিক্সার হুড ফেলে উচ্ছন্ন বৈরাগী বাতাসে চুল এলিয়ে
যে মেঘ উড়ে গেছে আজ দিনের প্রৌড় সময়ে,
চেয়ে চেয়ে দেখেছি, মানুষের অতিশয় ভীড় ঠেলে,
নগর নির্জনতায় দাঁড়িয়ে নিজস্ব মৌনতায়-
কিশোরী মেঘ উড়ে গেছে কী ভিষন লাজহীন অনুভঙ্গিমায়।
বুননতত্ব অথবা অপেক্ষার মায়া চাদর
সাতরঙা অনুভুতির সুতোয় বুনেছো যে মোহন চাদর
সেখানে কতটুকু উষ্ণতা ছিল তা কী জেনেছো কখনো
মায়া ছোঁয়ায় যে হার্দিক চাদর বিছিয়েছো ভালবাসার প্রতিনামে
জেনেছো অথবা জাননি কি বুননতত্বের সে ইতিকথা,
অমন মৌলিক শীতসংহার শেষে আমি কী ভিষন শীতার্ত তবু!
এইটুকু ভুল কখনো কেন ভাঙ্গোনি - স্নেহশীত ষড়ঋতুর সুত্র জানে না।
তুমি নেই, এ কথা না মেনেই আমি অপেক্ষার কালোত্তির্ণ হতে চাই,
বিষাদের বর্ণমালায় যত যা-ই লিখি দেখি উপসংহারে তবু তুমিই
তোমার চোখের নীলিমায় আমি অকাতরে পাখি হয়ে উড়ি যাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



