ডিং ডং ... ডিং ডং
>> কে ?
> এইতো আমি জানটুস, দরজা খোল ....
দরজা খুলে ভিতরে ঢুকতেই
> কৈ ছিলা তুমি, খুলতে এত দেরী হলো যে ? দেখতো আজকে তোমার জন্য কি এনেছি ?
>> একটু বিজি ছিলাম, কি এনেছ ? নতুন শাড়ি ? :#>
> উহু ! শাড়ী না ... তোমার পছন্দের একটা জিনিস, যেটা খেতে তোমার মন সবসময় আনচান করে ...
>> জলপাই এর আচার ? :!>
> উহু ! এই যে দেখ কত বড় বড় গলদা চিংড়ী ...
>> হুহ ! এইটা বুঝি আমার পছন্দের খাবার ?
> তুমি কি এটা খেতে পছন্দ করনা , বলো ?
>> করি, কিন্তু আজকে তো আমি বলিনি যে এটা খেতে ইচ্ছে করছে ... পেটুক মহাশয়ের ইচ্ছে করেছে বলেই তিনি এনেছেন কথাটা স্বীকার করতে কি খুব কষ্ট হয় ?
> সেই যে, ছ মাস আগে আমরা গিয়েছিলাম পিকনিকে, তখন বলেছিলে না ? এ জন্যই তো আনলাম ...
>> হয়েছে হয়েছে, আমার জন্য যখন এত কষ্ট করে এনেই ফেলেছ, এবার রান্নাটাও করো না প্লিজ !!!
> এই সেরেছে ...
>> কি হয়েছে ?
> না মানে, তুমি বাসায় থাকতে আমি রান্না করলে মানুষ কি বলবে বলো ?
>> তুমি রান্না করছো এটা আমি ছাড়া আর কে দেখবে ? কেউ কিছু বলবে না ... জলদি শুরু করো ..
> আমি রান্না করলে যেমনই হোক খেতে কিন্তু হবে, বুঝো ...
>> ভয় দেখাচ্ছ ?
> সেদিন আমার বানানো সুজির টক ঝাল নোনতা হালুয়ার কথা মনে নাই ? অমন হলেও কিন্তু কিছু বলতে পারবে না বলে দিলাম
>> আচ্ছা বাবা ঠিকাছে, হার মানলাম ... এবার দাও তো দেখি ব্যাগটা ... চিংড়ীগুলো প্রসেস করেই রাখি .... পরে ফ্রাই করবো ...
ব্যাগ থেকে বড় বড় পা ওয়ালা গলদা চিংড়ী বের করতে করতে কপোতী বড়ই চিন্তায় পড়ে গেল ... এগুলোকে কিভাবে কি করা যায় ? যদি চিমটি দেয় ?
কিছুক্ষন পরের দৃশ্য ....
হাতে ডাক্তারী গ্লাভস পরে একজন ডাক্তার গলদা চিংড়ীকে শক্ত ভাবে ধরে আছে, অন্যজনও অতি অভ্যস্ত ভঙ্গীতে ওর দুটো পা কে সার্জারী করে নামিয়ে দিচ্ছে, আর দীর্য নিঃশ্বাস ফেলতে ফেলতে বার বার বলছে ... কোন দুঃখে যে আজকে গলদা চিংড়ীর ভুত মাথায় চেপেছিল ...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



