আমার প্রিয় পোস্ট

কেন নামায পড়েন : একটি সত্যিকারের নির্দোষ প্রশ্ন

১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমি সংশ্লিস্ট সকলের প্রতি ক্ষমা প্রার্থনা করে একটি প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইছি। এই ব্লগের অনেকেই নিশ্চয়ই নিয়মিত নামাজ পড়েন। আমার প্রশ্ন হল : আপনি কেন নামাজ পড়েন ?
কোন খারাপ উদ্দেশ্য আমার নেই, শ্রেয় কৌতুহলবশতঃ প্রশ্নটি আমি করছি। আশা করি অল্প কথায় সরল সোজা উত্তর পাব।

ধন্যবাদ।

 

 

  • ৫৫ টি মন্তব্য
  • ৪৩১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৮ জনের ভাল লেগেছে, ১০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৫
comment by: হমপগ্র বলেছেন: তু তো গায়া!

১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: বুঝলাম না ..

২. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৬
comment by: জি,এম, শাহারীয়া আযম (রুমি) বলেছেন: আল্লাহর অনুগ্রহ পাওয়ার জন্য।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: কষ্ট করে উত্তর দেবার জন্য ধন্যবাদ।

৩. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৬
comment by: এরশাদ বাদশা বলেছেন: স্বর্শকাতর একটি বিষয়। স্পর্শকাতর বললাম এই কারনে যে, এক্ষুনি টপিকটা নিয়ে হয়তো ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হবে। কাদের মধ্যে শুরু হবে, তা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন?

ধর্ম, প্রথা বিষয়গুলো যার যার এখতিয়ার বলে মনে করি। যার মন চাইলো, সে করলো। যার চাইলোনা, করলোনা।

কিন্তু পবিত্র এ বিষয়গুলোকে নিয়ে যে কান্ড-কারখানা এই ব্লগে হয়, তা আমাকে কষ্ট দেয়। আমার কথা হলো, ধর্ম পালন করলে করুন, না করলে দয়া করে ধর্মের দিকে কাদা ছোঁড়বেন না।

যাহোক, আপনার কথার উত্তরে বলছি- আমি নামায পড়ি কয়েকটা কারনে, ১. ফরয পালন করার জন্য
২. মনের শান্তির জন্য(নামায পড়লে মনে যে প্রশান্তির ভাব আসে অন্য কোন কিছুতে তা পাওয়া যাবে বলে মনে হয়না)
৩.নামায একটি উত্তম ব্যায়াম। দৈনিক ৫ বার নামায পড়া মানে ৫ বার ব্যায়াম করা।
৪. নামাযে যাবার আগে অযু করতে হয়। এতে মুখমন্ডল ফ্রেশ থাকে।
৫. সর্বোপরি নামায পড়ি, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: ধর্ম এবং অধর্ম এবং পৃথিবীর তাবৎ বিষয় নিয়ে কাঁদা ছোড়াছুড়ি নিয়ে আমি আগ্রহী না। একটি হঠাৎ মনে হওয়া কৌতুহল থেকে পোস্টটি করেছি। আশা করি আমার উত্তরটা খুব পরিষ্কার। আর খুবই ধন্যবাদ পোস্টটির উত্তর দেবার জন্য।

৪. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৭
comment by: তিক্ত সত্য বলেছেন: আল্লাহ্‌ পাক এবং আল্লাহ্‌ পাক-এর হাবীব হুজুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অসন্তুষ্টি থেকে বেঁচে সন্তুষ্টি হাসিলের জন্য।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: কষ্ট করে উত্তর দেবার জন্য ধন্যবাদ।

৫. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৪
comment by: নাফিস ইফতেখার বলেছেন: ক্যাতা পোস্ট
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: কেন ক্যাতা পোস্ট বলবেন কি?

৬. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৪
comment by: জি,এম, শাহারীয়া আযম (রুমি) বলেছেন: কথা একই আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়ার জন্য।

আর বাদশা ভাইয়ের সাথে আমিও একমত যে, ধর্ম একটি স্বাধীন বিষয়। যার ইচ্ছা সে পালন করবে। জোর করে ধর্ম পালন করানো যায়না। এটা সম্পূর্ণ মনের বিষয় সম্পূর্ণ নিজের উপর নির্ভর করে।

তাই বলে ধর্ম নিয়ে কাঁদা ছোঁড়া ছুঁড়ি ভালো লাগেনা।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: ধর্ম এবং অধর্ম এবং পৃথিবীর তাবৎ বিষয় নিয়ে কাঁদা ছোড়াছুড়ি নিয়ে আমি আগ্রহী না। একটি হঠাৎ মনে হওয়া কৌতুহল থেকে পোস্টটি করেছি। আশা করি আমার উত্তরটা খুব পরিষ্কার। আর খুবই ধন্যবাদ পোস্টটির উত্তর দেবার জন্য।

৭. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৭
comment by: জুলিয়ান সিদ্দিকী বলেছেন: একটি প্লাস দিয়ে আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, মানুষ যখন খুবই অসহায় হয়ে পড়ে, তখন সে কারো উপর নির্ভর করতে চায়। তার আশপাশের মানুষদের কাছ থেকে সে যখন হতাশ হয়ে ফেরে, তখনই তার মন চায় কোনো এক মহাক্ষমতাবান কারো কাছে আত্মনিবেদন করতে এমনকি তার সমস্যার কথা জানিয়ে মুক্তির একটি উপায় পেতে। সেই অবস্থায় সে বিশ্বাস করতে শুরু করে যে কোনো এক মহাশক্তিধর কেউ আছেন যিনি তাকে কোনোভাবে অদৃশ্য উপায়ে সহযোগীতা করতে পারে। তখনই সে তার কল্পিত প্রভূর সামনে দাঁড়ায়।

মুসলমান হিসেবে সে ছোটবেলা থেকেই শিখে এসেছে যে আল্লাহ নামের একজন মহাশক্তিধর অদৃশ্যলোকে আছেন। (সত্যিই আছেন কি নেই সে বিতর্ক এ প্রশ্নের আলোকে অবান্তর। কাজেই তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের লক্ষ্যে এবং নিজের প্রয়োজন - অপ্রয়োজন জানাতে এবং তার দৃষ্টিতে যাবতী পাপ মার্জনা পেতে এবং পরকাল সম্বন্ধে সে যা শিক্ষা পেয়েছে আর যা সে বিশ্বাস করে সেই বিশ্বাস উৎসারিত তাগিদ থেকেই নামাজ পড়ে।
যেহেতু প্রশ্ন করা হয়েছে পাঠককে। আর পাঠক হিসেবে উপর্যুক্ত কথাগুলোই আমার কথা।
ভারতে এখনও বিজ্ঞানীরা কোনো ক্ষেপনাস্ত্র উৎক্ষেপন বা কোনো বৈজ্ঞানিক সাফল্য প্রদর্শনের আগে তার ইষ্টদেবতাকে স্মরণ করে। কেউ কেউ মন্দিরে যায় পূজা দিতে।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনার অসম্ভব যুক্তিনির্ভর পোস্টটিরি জন্য অসংখ্য ধন্যবাধ। পড়ছি আর ভাবছি ...

৮. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩২
comment by: নুর হাসান মুহাম্মদ তানভীর বলেছেন: আমি দৈনিক সৃষ্টি কর্তার কাছে নিজের উপস্থিতির জানাবার জন্য নামজ পরি । আমার কাছে পারফেক্ট দোয়া বা সময়ের চেয়ে এর রেগুলারিটিকে বেশি গুরত্বপূর্ন মনে হয় ।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তানভীর।

৯. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৬
comment by: নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
এরশাদ বাদশার সাথে একমত।
পড়ি ফরয পালনের জন্য, যাতে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ badol dhara

১০. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৬
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: সকলেই দেখি উত্তর দিচ্ছে,
তবে আপনার মোটিভ কি?
এই প্রশ্ন কেন করলেন?
আর সকলে নামাজ পড়লে আপনার কি কোন সমস্যা আছে?
একটা ভূয়া ফান ম্যাগাজিনের এডিটর আপনি,এতেইকি নিজেকে "মুই কি হনু"-টাইপ কিছু একটা ভাবছেন?
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: শুনুন ভাই অ্যামিটর মন দিয়ে শুনুন।
১. আমার মোটিভটি আপনার জানা দরকার।
আমি ‌'ধর্মেও আছি, জিরাফেও আছি' টাইপের মানুষ। গতকাল রাতে ভরপেট মদ খেয়েছি। আজ আবার একটু নামাজও পড়েছি।



ছোটবেলায় ( ক্লাস ওয়ান টু ফাইফ পর্যন্ত)পড়েছি রামকৃষ্ঞ মশিন স্কুলে। তার আগে পারিবারিক উদ্যোগে কোন ধর্মীয় শিক্ষা পায়নি। বাবা মাকে এজন্য ধন্যবাদ। কাজেই শৈশবের স্মৃতির অনেকখানি জায়গা দখল করে আছে মন্দির, দুর্গা পূজা, ঢাকের শব্দ। পূজার জন্য একজন নিষ্ঠাবান হিন্দুর মতো চাঁদা তুলেছি। স্কুলের পাশেই ছিল মন্দরি, জায়গাটি অসম্ভব সুন্দর । দুপুরে টিফিন পিরিয়ড়ে প্রতিদিন ঐ জায়গায় যেতাম। জায়গাটা খুব ঠান্ডা আর প্রসাদগুলো ( প্রসাদ মানে বোঝেন তো? অনেকটা তবারক টাইপ ) ছিল ভীষণ মজার।

এরপর ক্লাস সিক্স টু সেভেন ছিলাম - আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে - তালেবানী স্টাইলে পরিচালিত একটি বিদ্যাপীঠ। ইসলামী শাসন সেই সময় এতো কড়া ছিল- ঐ স্কুলে-যে স্বয়ং তালেবান শাসকরা ভড়কে যেত। ঐখানে মোটামুটি বাধ্য করা হতো নামাজ পড়ার জন্য।

এরপর নটরডেম কলেজ- খ্রিস্টান ধর্মকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ হল, তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

কাজেই ধর্ম ব্যাপারটা নিয়ে আমি কোন প্রকার হীনম্ন্যতায় ভুগি না বা ধর্মকে খুব কঠিন করে দেখিও না।

যা ভাল লাগে- তাই করি। যা মজা লাগে- তাই খাই। তবুও মনের ভেতর দীর্ঘদিনের সংস্কার বলে একটা ব্যাপার আছে যা থেকে বের হওয়া খুব কঠিন।

আপনাকে শুয়োরের মাংসের ব্যাপারটা বলি। শুয়োরের মাংস আমি কোনদিন খাইনি। ধর্মীয় এবং সামাজিক কারণে বাসায় মুরগি, গরু , খাসি সবকিছুই বাবা মা খাইয়েঠছ- ঐটি খাওয়াই নি। তারপর শুয়োর বাংলাদেশে খুবই ঘৃণ্য বস্তু। ছোটবেলায় শুনেছিলাম - এই মাংস কোন মুসলমান খেলে সে রক্তবমি করতে করতে মারা যাবে। একবার বিদেশে গিয়েছি ... যতাসম্ভব শুয়োর অ্যাভয়েড করে যাচ্ছি- যদিও তেমন সুবিধা করতে পারছি না।

একদিন হঠাৎ কৌতুহলবশতঃ ছোট্ট একটা টুকেরা মুখে দিলাম। ঠিক যে কৌতুহল থেকে একদিন সিগারেটে টান মেরে ছিলাম- ঐরকম নিখাদ এক কৌতুহল থেকেই কাজটা করলাম। মাংসটা খারাপ না। পুরো এক টুকরো মুখে দিলাম - তারপর খেলাম। এতে করে আমার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লো না- যাতে করে মনে হতে পারে আমি মহাঅন্যায় কিছু একটা করেছি। এখন পর্যন্ত রক্তবমিও হয়নি।

পরে বইতে পড়েছি, হিন্দু ধর্মের স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন, বিদেশে এসে যে গরু খায়না- সে নিজেই মহা গরু।

অতএব অ্যামাটার ভাই, বুঝতে পারছেন, গতকাল মদ খেয়েছি, সাপ্তাহিক ছুটির দিন - অবসর ছিল, খেতেই পারি। ওটি সিগারেটের চেয়ে ভাল। আজ আবার নামাজ পড়েছি- আজকে একটা বিশেষ দিন। প্রচলিত ধারণা হল, আজ নামাজ পড়ে কোনকিছু চাইলে পাওয়া যায়। আমার অনেক চাওয়া আছে, কাউকে সেটা জানানো দরকার। বড় বড় চাওয়া, তাই বড় কোন কিছুর প্রতি সেই চাওয়াটা জানালাম। এই স্বাধীনতা নিশ্চয়ই আমার আছে।

অকপটে জানাচ্ছি যে, বড় ধরণের বিপদে পড়লেও নামাজ পড়ি।

আমি সেইরকমই জানতে চাচ্ছিলাম, আমার মতো স্বার্থপর কোন পার্টটাইম নামাযী ব্লগে আছেন কিনা ?

মানুষের জীবনটা অসম্ভব বৈচিত্র্যে ভরপুর। কোন কোন সাধারণ প্রশ্নে সেই বৈচিত্র বেরিয়ে আসে।

এটি নিশ্চয়ই কোন খারাপ মোটিফ না ? কী বলেন ?

২. পৃথিবীর সকলে নামায পড়লে, মসজিদ, মন্দির, চার্চ এমনকি সিনেমা হলে গিয়ে বসে থাকলে - কিংবা নিছক ব্লগে বসে লেখালেখি করলে- আমার সমস্যা থাকবে কেন?

৩. ফান ম্যাগাজিনটি ভুয়া, প্রাণপণে চেস্টা করছি ওটিকে আরও ভুয়া করার - কারণ সেটাই ফান ম্যাগাজিনের কাজ।


আমি নিজেকে মুই কি হনু টাইপের ভাবছি না- তবে আপনি আমাকে হনুরে চেয়ে বড় কিছু ভাবছেন- সেটি বেশ বুঝতে পারছি। ধন্যবাদ।

১১. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৬
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: নিয়মিত পড়ি না মাঝে মাঝে পড়ি। তবে যখন খুব বিপদের পড়ি, যা হতে উত্তরণে মানুষের সাহায্য কাজে আসবে না বলে মনে হয় তখন, মানুষের চাইতে উপরের লেভেলে যোগাযোগ করলে শান্তি মেলে। তখন নামাজ পড়ি। এই জন্য অনেকেই আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করে। বাট আই ডোন্ড কেয়ার। ওনাকে খুশি করবার যোগ্যতা আমার হয়ত নেই। আল্লাহ বেজার হবেন এমন কিছুই আমি করি না।


এইতো আর কিছু বলবার নেই।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: অাপনার উত্তরটি ভাল লাগল।

১২. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৮
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: অ্যামাটার বলেছেন: একটা ভূয়া ফান ম্যাগাজিনের এডিটর আপনি,এতেইকি নিজেকে "মুই কি হনু"-টাইপ কিছু একটা ভাবছেন?
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: উত্তর দেয়া হয়েছে।

১৩. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪১
comment by: নাঈম বলেছেন: এইসব আজাইরা পোষ্ট দিয়ে নিজের ব্লগের হিট না বাড়ালে কি আপনার চলছিল না ?
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: অামি উন্মাদের ভক্ত। অাজাইরা পোস্ট দেয়াই তো অামার কাজ।

১৪. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৮
comment by: এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: একজন সৈনিক তাকে fit রাখতে ব্যায়াম করে নিয়মিত।আমরা তেমনি মনে আল্লাহ ভয় কে জাগ্রত রাখতে নামাজ পড়ি,অন্যকারো দাসত্ত না মেনে...
আর এতেই আল্লাহ খুশি হ্ন...
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৩
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: রবিদা, আপনার প্রশ্নটি অসম্ভবরকম বুদ্ধিদীপ্ত; আপনার উদ্দেশ্যটি বুঝতে পারছি, তবে সেটি সাধিত হবেনা বলেই মনে হয়, উপরন্তু কিছু মাইনাস পাওয়ার আশংকা আছে, সাথে ব্যক্তিগত আক্রমণ ফ্রি!
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শাহেদ- অাপনার কথাই তো সত্যি হচ্ছে দেখছি ...ছাগলগুলা াাসলেই ছাগল।

১৬. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৯
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: আমার একটা নির্দোষ প্রশ্ন ছিল:

আপনার নামটা কি মুসলিম

আশিফ আরবী শব্দ হতে পারে শুনিনি কখনও
এন্তাজ শব্দের অর্থ কি?

আর রবি তো পরিচিত সনাতন ধর্মের শব্দ
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: ভাল প্রশ্ন করেছেন। হা হা হা।

নাম কীভাবে মুসলমান বা হিন্দু হয়? বলবেন কি ? আরবী নাম হয় ( যেমন আশীফ, , বাংলা নাম হয় ( যেমন রবি, জীবনানন্দ ) , ইংরেজী নাম হয় ( টমাস বা থমাস )

নিজেরা ধর্মের নামে বিভক্ত হয়েছেন, দয়া করে এখন নাম, নদী, ভাষা এগুলোকে ধর্মীয় করে তুলবেন না।



১৭. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১২
comment by: লাল পিপড়া বলেছেন: আমার পড়তে হয় না
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: এই উত্তরটা মজার।

সাম্প্রদায়িকতা আমাদের ভেতরে এতো বেশি ঢুকে গেছে যে ছেলেবেলায় শুনতাম লাল পিপড়া হল হিন্দু, কালো পিপড়া হল মুসলমান। কাজেই লাল পিপড়া মারো।

লাল পিপড়া কামড়াতো , কাজেই ওটিকে হিন্দু বানিয়ে দেয়া হয়েছিল। এখন অবশ্য আমরা আরও হিংস্র হয়েছি - পিপড়া না কোন মানুষের কথা ভাল না লাগলে - তাকে সরাসরি কাফের, মুরতাদ ইত্যাদি বানিয়ে দেই।

১৮. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৮
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: ইচ্চা হইচে
মাইনাচ দিচি
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: গুড।

১৯. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৫১
comment by: লাল পিপড়া বলেছেন: হুম । অস্বাভাবিক এক বিবর্তনে ঐ নিরীহ কালো পিপড়াগুলা এখন জায়ান্ট আমাজন এ্যান্ট ।
২০. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:০২
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: লেখক বলেছেন: সাম্প্রদায়িকতা আমাদের ভেতরে এতো বেশি ঢুকে গেছে যে ছেলেবেলায় শুনতাম লাল পিপড়া হল হিন্দু, কালো পিপড়া হল মুসলমান। কাজেই লাল পিপড়া মারো

বড় হয়ে শুনছেন..শিশুরা অনেক কিছুই অনেক ভাবে শিখে...

নামের হিন্দু মুসলিম হয় না সেটা না জানার মত চালাক আমি নই হয়ত..কিন্তু মুসলিম ঘরে জন্ম হলে নামটা আরবী/মুসলিম নাম রাখাই কালচার...যে কারনে ভারতের হিন্দুরা কখনও নাম রাখবে না আশীফ...কিন্তু আমরা অসাম্প্রদায়িক বলে নাম রাখতে পারি রবি
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন: আপনি বলেছেন : শিশুরা অনেক কিছুই অনেক ভাবে শিখে...

আমার প্রশ্ন- শিশুদেরকে শেখায় কে? শিশুরা ওমনটা ভাবেই বা কেন?

দয়া করে , শিশুদের কাঁধে দোষ চাপাবেন না।

সেইরকম চালাক আপনি না, সেটার সাথে আমি একমত।

আপনি বলেছেন, ..কিন্তু মুসলিম ঘরে জন্ম হলে নামটা আরবী/মুসলিম নাম রাখাই কালচার...

এই কালচারটা কে বানালো- কারাই বা এই কালচারটা লালন করছে ?


ভারত তো মুক্তিযুদ্ধর সময় এদেশের মুসলমানদের সাহায্য করেছিল।

আর আপনার পাকিস্তানি ভাইরা যেটা করে নাই ...



২১. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৩৪
comment by: সালাউদ্দিন আইউবী বলেছেন: আমি নামাজী নই, আবার অবিশ্বাসীও নই।
কিন্তু আমি কোন ভাবেই জামাতী জারজ নই।
আমি একজন বাংলাদেশী, আবার বাংঙ্গালীও হই।
আমার কাছে আমার দেশ সবার আগে
তারপর আমার কাছে আমার মা
আমার ধর্ম
আমার ............

১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: জামাতীরা মুসলমান নাকি ? না কখনই না।

২২. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৫৭
comment by: পেঁচালি বলেছেন: আপনার পোষ্ট আমার ভালো লেগেছে।
নামাজ পড়ি আল্লাহর সন্তষ্টি আর নৈকট্য লাভের জন্য।

এরশাদ বাদশাহের সাথে আমিও একমত।
ধন্যবাদ আপনাকে।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পোস্টটি ভাল লাগার জন্য, পড়ার জন্য এবং সর্বোপরি মন্তব্য করার জন্য ...

২৩. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৫১
comment by: _তানজীর_ বলেছেন: রবি ভাইয়া! :-| নামটা কেমন যেন চেনা চেনা লাগছিল। এখন নিশ্চিত হলাম আপনি বিচ্ছুর রবি ভাইয়া। :)
আপনার প্রশ্নের উত্তর:
নামাজ আমার পড়া হয়ে উঠেনা। মন থেকে অনুভব করি কাজটা ঠিক না (নামাজ না পড়া ঠিক না)। যদি জানতে চান কাজটা ঠিক না জেনেও কেন করি, তাহলে উত্তরটা এরকম:
আপনার মত আমিও আইডিয়াল আর নটর ডেমে গিয়েছি। বলছিলেন শিশুদের ভুলভাবে বুঝতে শিখায় কে। ক্লাসে যখন দেখতাম শিক্ষকরা তাদের কাছে প্রাইভেট না পড়ার জন্য কারও কারও উপর অত্যাচার করত তখন ভাবতাম তারাই তো নামাজ পড়া, ভাল কাজ করার জন্য আমাদের কত নসীহত করে। এবং নিজেরও ৫ ওয়াক্ত নামাজী। তারপরেও কিভাবে এত বড় পাপ বুঝে শুনে করতে পারে। পরবর্তীতে প্রতিবাদী হয়ে শিক্ষকদের বেদম মার-ও খেয়েছি। একটা ঘেন্না জন্মিয়ে গেছে। আমি কারো অনুভুতিটি আঘাত করে থাকলে ক্ষমা চাই। কিন্তু আমাকে এভাবেই আমার ছোট বেলায় শিক্ষা দেয়া হয়েছে। এবং আমি ক্ষমা চাই অন্যদের মত বিষয়গুলোকে গ্রহণ না করার জন্য। আমি আল্লাহ-তে বিশ্বাস করি। আমি দেশের বাইরে থাকি। আমার অনেক আরব বন্ধুর চেয়ে আমি অনেক বেশি ধার্মিক। তাদের মত শুধু মজা করার জন্য কখনও নাইট ক্লাব অথবা খারাপ জায়াগায় যাইনি। কখনও মজা করে কোন কিছুতে আসক্ত হইনি। আমি আরব-দের অনুসরণ করে কখনও বেশি মুসলিম হতে চাইনি। আল্লাহ-কে আমি ভয়-এর চেয়ে বেশি ভালবাসি আমাকে সব কিছু দেয়ার জন্য, তাকে ধন্যবাদ জানাই প্রতি নি:শ্বাসে। এখানের খোলা মেলা কোন মেয়ের দিকে নজর পড়লে দৃষ্টি সংযত করি আল্লাহ-র উপর আমার অসীম শ্রদ্ধার কারণে। মানুষকে যত পারি সাহায্য করি নিজে যা পেয়েছি আল্লাহর কাছ থেকে তা সবার কাছে পৌছিয়ে দিতে। তার নির্দেশ পালন করা হয়না নামাজ পড়ার ব্যপারে, সেকারণে আমি দোষী। সেটার শাস্তির দায়িত্ব আপনারা তাঁর উপর ছেড়ে দিলে খুশি হব।
এই জবাবটি শুধু রবি ভাইয়ার জন্য না। যারা উনার মত মানুষের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাদের জন্য।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তানজীর। ানেক ধন্যবাদ। অাপনি নটেরডেম কোন ব্যাচের ছাত্র? কোথায় থাকেন এখন ?

অারবদেরকে অামি কেন জানি ঘৃণা করি। অাপনার মন্তব্য অামার ঘৃনাকে অারো বাড়িয়ে দিল।

অামি মনে করি , এমন কোন কাজ করা উচিত না যাতে অাল্লাহ, ভগবান, ডগ - ইনাদের কেউ ব্যাজার হন।

ধর্ম ব্যাপার খুব সহজ একটি ব্যাপার বলে াামার ধারণা



২৪. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৩
comment by: এরশাদ বাদশা বলেছেন: রবি ভাই, কাদা ছোঁড়াছোঁড়ির ব্যাপারটি আমি আপনাকে ইঙ্গিত করে বলিনাই। আপনার মোটিভ আমার কাছে পরিষ্কার, যেটাকে শ্রদ্ধা জানাবার মানসিকতা আমার আছে। তবে একটি ব্যাপারে আমি আপনাকে বলতে চাই। ইসলাম ধর্মে কখনও জোর-জবরদস্তিকে অ্যালাউ করা হয়নি। আপনাকে একটি কাহিনী বলি- এক নও হিন্দু ধর্মাবলম্বী মুসলমান ধর্ম গ্রহন করার জন্য একজন সাহাবার কাছে আসলেন। সময়টা ছিলো রোযার মাস। রাতে সাহাবা তাকে কলমা-নামায ইত্যাদি দীক্ষা দিলেন। ভোরে ফযরের নামাযের জন্য তাকে ঘুম থেকে তোলা হলো। এবং সেহরী খাওয়ানো হলো। সেহরী হিসেবে খুবই অপ্রতুল খাবার তাকে দেওয়া হয়েছিলো। সাহাবার কথা অনুযায়ী, ইসলামে অপচয়কারী শয়তানের ভাই। তাই কম খাওয়াটা ভালো। এরপর সেই নও মুসলিম সারাটা দিন অভুক্ত থেকে নামায পড়লো। সন্ধায় তাকে নামমাত্র ইফতারি দেওয়া হলো। বেচারা এসব কিছুরই মাথামুন্ডু বুঝতে পারছিলোনা। বরঞ্চ তার মনে ইসলাম সম্পর্কে বিরুপ ধারনার জন্ম নিলো। সে পরদিনই ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করার জন্য তৈরী হয়ে গেলো। সে কথা সাহাবাকে বলতেই সে ভয়ংকর রুষ্ট হলো। সে তৎক্ষনাৎ সেই নও মুসলিমকে নিয়ে মহানবী (সাঃ) এর কাছে গেলো।

মহানবী (সাঃ) সব শুনলেন। বুঝলেন, ভুলটা কার। তিনি সাহাবাকে উদ্দেশ্য করে বললেন-''ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে তোমার নিজেরই ভালো করে শেখা দরকার। যে ইসলাম সম্পর্কে বিন্দুমাত্র জ্ঞান রাখেনা, তার মাথার উপর একটা বোঝার মতো সবকিছু চাপিয়ে দিয়েছো তুমি। রোযা, নামায ইত্যাদি ভালো করে বোঝার আগেই তাকে তুমি বাধ্য করেছো এসব করতে। সুতরাং ভুলটা তার নয়, তোমার। সে যদি ইসলাম ত্যাগ করতে চায়, সেখানে আমাদের কিছু করার নেই।''

(হাদিসের কিছু কাহিনী নিয়ে সেবা প্রকাশনী থেকে একটি বই বের করা হয়েছিলো। নামটা এ মুহুর্তে মনে করতে পারছিনা। ঘটনাটা সেখান থেকেই পড়া)

এ কাহিনী থেকেই বোঝা যায়, স্বয়ং মহানবী (সাঃ) ধর্মীয় প্রথা সম্পর্কে জবরদস্তির পক্ষে ছিলেন না। কারন, ইসলাম এটা সমর্থন করেনা।

এতো লম্বা কাহিনীর অবতারনা এ কারনে যে, নামায সম্পূর্ন নিজের মনের ব্যাপার। কেউ শুধুমাত্র ধর্মীয় প্রথা মনে করে নামায পড়লেই তার নামায কবুল হবে, এমনটি আশা করা মনে হয় ভুল। নামায কে বুঝতে হবে, জানতে হবে।

ধন্যবাদ রবি ভাই।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: ইন্টারেস্টিং .....

২৫. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৩৪
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: @এরশাদ ভাই- ঐ বইটির নাম "ধর্মপ্রাণ মুসলমান", লেখক মামুনুর রশিদ; চমৎকার একটি বই।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শাহেদ, বইটা কালেক্ট করে অািম পড়বো।

২৬. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৭
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনি বলেছেন :

ভারত তো মুক্তিযুদ্ধর সময় এদেশের মুসলমানদের সাহায্য করেছিল।

আর আপনার পাকিস্তানি ভাইরা যেটা করে নাই ..

পাকিস্তানীরা আমার ভাই এই মূল্যবান তথ্য কই পেলেন একটু দেখান তো?

আবুল কোনহানকার
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: না মুসলমানরা ভাই ভাই তো , এজন্য ভাবছিলাম ...পাকরা আপনার ভাই হবে ..যদি পাকরা আপনার ভাই না হয় - তাহলে এর সম্ভাব্য কারণ হবে ৩টি

১. আপনি মুসলমান না
২. পাকরা মুসলমান না
৩. 'মুসলমান মুসলমান ভাই' কথাটি মিথ্যা।

আরও একটা মজার বিষয় - গতকাল আপি বলেছিলেন -
নামের হিন্দু মুসলিম হয় না সেটা না জানার মত চালাক আমি নই হয়ত..কিন্তু মুসলিম ঘরে জন্ম হলে নামটা আরবী/মুসলিম নাম রাখাই কালচার...যে কারনে ভারতের হিন্দুরা কখনও নাম রাখবে না আশীফ...কিন্তু আমরা অসাম্প্রদায়িক বলে নাম রাখতে পারি রবি ....


আমার প্রশ্ন হচ্ছে- কয়জন ভারতীয়র খবর আপনি রাখেন ? সবচে সহজ উদাহরণ আপনাকে দেই ...
ঋত্বিক রৌশন -
তিনি হিন্দু না মুসলমান?

রৌশন নামটা তো আপনার ভাষায় ইসলামী নাম- তাই না?


আসলে আবুল কে ? - এটা নিশ্চয়ই আপনি এবং অন্য ব্লগাররা বুঝতে পারছেন!!!!

২৭. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:২৬
comment by: _তানজীর_ বলেছেন: ভাইয়া, আমি আইডিয়াল ০১ আর নটরডেম ০৩ ব্যাচ। এখন কানাডা-তে তড়িৎ প্রকৌশল পড়ছি। আপনার সাথে আমার সম্ভবত '০০-তে দেখা হয়েছিল।
আরবদের ঘৃণা করাটা একটু শক্ত অনুভূতি। আমি কোন আরবকে নিচু করার জন্য কথা গুলো বলিনি। আমরা সবাই কম বেশি নিতান্তই কৌতুহলবশত অনেক কিছু করি। আমি তার অনেক কিছু করিনি- ধর্মের ভয়ে না। করিনি ইচ্ছা হয়নি বলে। আরবরাও মানুষ, তারাও কৌতুহলী হয়ে অনেক কিছু করে। আমি কোন জাত-এর পার্থক্য এখন আর দেখিনা। সব মানুষ গুলোই আমাদের মত। আরবদের কথা ধরে বলেছি কারণ আমরা কথায় কথায় বেশি মুসলমান হওয়ার জন্য আরব-দের অনুসরণ করার চেষ্টা করি। ছোট বেলায় হুজুরদের কথা শুনলে মনে হত আরব হল স্বর্গ। আমার অনেক ভাল বন্ধু আরব এবং মধ্যপ্রাচ্যের। তাদের দেশেও আমাদের মত দুর্নীতি আছে। নেতাদের ভন্ডামি আছে। ভাল মানুষ আছে, খারাপ মানুষ আছে। আমার পয়েন্টটা ছিল এখানেই- নাম, অথবা কালচার অথবা অন্য যেকোন বিষয় নিয়ে আমরা যেভাবে হুট হাট মন্তব্য করে বসি তা ঠিক না- এগুলো বিচার করার জন্য উপরে একজন আছে। আপনার মোটিভ ভাল না খারাপ সেটা তো একজন ঠিক-ই জানেন। এই যে শুধু শুধু মানুষজন আপনাকে কিছু খারাপ কথা বলল যেটা তারাও হয়ত বুঝেনা যে নিজেরাও একটা খারাপ কাজ করল।
আমার কথায় আরবদের প্রতি ঘৃণা বাড়াবেন না ভাইয়া। তাদের মধ্য অনেক ভাল মানুষ আছে- যেমনটা আছে আমাদের মধ্যেও। ঘৃণা রইল সেসব মানুষদের জন্য যারা মানুষ হয়ে মানুষকে কষ্ট দেয়।
২৮. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৩৪
comment by: এরশাদ বাদশা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শাহেদ ভাই। নামটা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য। @রিয়াজ শাহেদ।
২৯. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৩৫
comment by: সরপ বলেছেন: ইহুদি নাসারারা এ ধরনের প্রশ্ন করে আমাদের মাঝে বিভেদের দেয়াল তুলতে চায়। পশ্চিমা ইহুদিদের দালালচক্র থেকে সবাইকে সচতন হতে বলি।
৩০. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪১
comment by: কানা বাবা বলেছেন:
মুনৈতাচে বলোগে নামাজী লুকের সংখ্যা খুব এ্যাক্টা বেশিনা...

 



 


পার্ট টাইম সাংবাদিক এবং ফুল টাইম ভাবুক
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৬০৪১