আমার প্রিয় পোস্ট

প্রিয় ইশতিয়াকের বড়ো চুল , একজন মঈন উ আহমদ এবং একটি আজানা অধ্যায়

১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:৫১

শেয়ারঃ
0 0 0

আমি শুনেছি, গোল্ড ফিসের স্মৃতিশক্তি মাত্র পাঁচ সেকেন্ড স্থায়ী হয়। বাংলাদেশীদের স্মৃতিশক্তিও প্রায় একই রকম। পার্থক্য হল, বাঙালি যখন যেটি মনে রাখা দরকার, তখন সে কেবল সেটিই মনে রাখে, বাকিটুকু ভুলে যায়। বিএনপির আমলে শহীদ জিয়ার স্মৃতি মনে পড়ে, আওয়ামীলীগের আমলে সে একই ব্যক্তি জিয়া সংক্রান্ত সমস্ত স্মৃতি সে ভুলে যায়, মনে পড়ে কেবল বঙ্গবন্ধু রিলেটেড স্মৃতির কথা। এই তো আমাদের বাংলাদেশ, এই তো আমাদের বাংলাদেশের মানুষ।

হাওয়া বুঝে পাল তোলায় বাঙালিদের চেয়ে ওস্তাদ আর কেউ নেই।

মঈন উ আহমেদের আমলে চুল নিয়ে ইশতিয়াক একটি সমস্যায় পড়েছিল, কথা সত্য বটে।। তবে পুরো সত্য নয়। এখানে কিছু কিন্ত আছে।

১.ইয়ং ছেলেপুলেরা তাদের বড়ো চুল নিয়ে মোটামুটি সব আমলেই বাটে পড়তে পারে। ইশতিয়াকেরই এক বন্ধু এবং আমার প্রতিবেশি , যার নাম ওয়ালিদ। সে তার বড়ো চুল নিয়ে সমস্যায় পড়েছিল এবং সেটি অবশ্যই মঈন উ আহমেদের আমল ছিল না। ইশতিয়াকের মতো মেধাবী ছেলে জানে বড়ো চুলের এই সমস্যাটা মইন কেন্দ্রিক নয়, এটি একটি সামাজিক বঙ্গীয় দৃষ্টিভঙ্গিগত সমস্যা। কোন কারণ ছাড়াই বড়ো চুল দেখলে আগের প্রজন্মের লোকদের গা চুলকায়। আমি নিশ্চিত আজ রাতে কেউ পুলিশের হাতে ধরা পড়লে তার বড়ো চুল নিয়ে দুটি কথা তাকে হজম করতে হবে।
২. ইশতিয়াককে পাকড়াও করা হয় রাতে, নারায়ণগনজ শহরের জন্য সেটি বেশ রাত । রাতের টহল ও হেনস্থা একটি অতি চিরাচরিত ব্যাপার। সেটি কেবল মঈন উ আহেমদ কেন্দ্রিক কোন সমস্যা নয়।ওকে পাকড়াও করেছিল র‌্যাব। র‌্যাবের জন্ম, মঈন উ জন্মের আগে ( মানে মঈন উ তখনও মইন উ হননি) , এবং মজার ব্যাপার হচ্ছে র‌্যাব এবং র‌্যাবের ক্রসফায়ার দুটিরই কট্টর ফ্যান ইশতিয়াক। সপ্তাহে ছয়দিন ইশতিয়াকের সঙ্গে দেখা হয়, পাঁচ দিনই সে কালো শার্ট পড়ে থাকে। র‌্যাব মার্কেটে আসার আগে কালোর প্রতি ইশতিয়াকের এই প্রবল মোহ দেখা যায় নি।
গভীর রাতে র‌্যাব কোন তরুণকে ধরলে কী করে , সেটি আমি বললে খারাপ শোনা যাবে। বরং র‌্যাবের ফ্যান ইশতিয়াকই এটা ভালো জানে। হেনস্থা করার জন্য বড়ো চুল তুলনাবিহীন উছিলা।
৩. যতদুর মনে পড়ে এই সমস্যার সমাধান করে দিয়েছিলেন যিনি তিনি একজন আর্মি অফিসার।

এবার আসল কথাটা বলি। ঐ আমলেই আমি একবার ইন্ডিয়া যাবার আমন্ত্রণ পাই। সাথে ইশতিয়াককে নিতে চাইলে বড়ো বাঁধা হয় , যেটি সেটি হচ্ছে ইশতিয়াকে কোন পাসপোর্ট নেই। একজন দালালকে ধরা হয় আর্জেন্ট পাসপোর্টের জন্য। সে ব্যর্থ হলে আমি নিজে ইশতিয়াককে নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যাই। গিয়ে বুঝি কেন দালাল ব্যর্থ হয়েছে। পাসপোর্ট অফিসে তখনও কিছু দালাল আছে, কিন্তু তাদের কোন ক্ষমতা নেই। গোটা পাসপোর্ট অফিস তখন আইনের শাসনে বিশ্বাসী। আমরা ডাকে সাড়া দিয়ে স্বয়ং পরিচালক মহোদয়া নিজে পাসপোর্র্ট ফরমটি হাতে নিয়ে তৎপর হোন এবং ঐদিন বিকালেই ইশতিয়াক তার পাসপোর্টটি পেয়ে যায়। ঐ পাসপোর্ট পেতে আর কয়েক ঘন্টা দেরী হলে আমরা দুইজন একসঙ্গে স্বপ্নের বোম্বে অবধি যেতে পারতাম না।

আহা , সেদিন আমি আর ইশতিয়াক গোটা মঈন উ আহমেদ গংদের কত প্রশংসাই না করেছিলাম। মনে পড়ে, ইশতিয়াক মঈন আহমেদ গংদের হুংকারে যখন আমাদের সাংবাদিকদের বেতন রাতারাতি দ্বিগুণ হয়ে গেল ( সপ্তম ওয়েজবোর্ড), তখন তুমি- আমি বাংলাদেশের জন্য মঈন উ আহমেদ কতো প্রয়োজনীয়, সেটি নিয়ে কত কথাই না বলেছিলাম।

মঈন উ আহমেদেও পদ্যত্যাগের পর আমাদের স্মৃতি শক্তি আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। মওদুদ আহমেদ বলেছেন, মঈন উ গণতন্ত্রের শত্র“ ছিলেন। তিনি নিজেও যে সবকটি স্বৈর সরকারের মন্ত্রি ছিলেন , কেবল সেই স্মৃতিটুকুই তার মনে পড়ছে না। এখন মঈন বিরোধী স্মৃতি চর্চার মওসুম।

আজ মইন উ বিহীন আমলে তাকে নিয়ে কেবল তোমার আতংকের কথাই মনে হল, আনন্দের এতো বড়ো স্মৃতি তুমি নিশ্চয়ই মনে করতে পারছো না

ভাই ইশতিয়াক তোমার মাথা এবং তোমার মাথার চুল - দুটোই অসামান্য দামী। এই মওসুমে অন্য সবার মতো তুচ্ছ মঈন উ কে জড়িয়ে তোমার দামী মাথা এবং চুলের আর অবমানতা করো না , ভাইয়া।










 

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:০১

লেখক বলেছেন: আমরা কতো ভন্ড , সেটি ভেবে মাঝে মাঝে নিজেই টাশকি খেয়ে যাই

২. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:০০
'লেনিন' বলেছেন: হা হা বড়ই মজা পেলাম.. যদিও আমার বেশ লম্বা চুল এবং রাত-বিরাতে চলার প্রচুর অভিজ্ঞতা... কিন্তু কোনো অজানা কারণে এখনো অবদি পুলিশি হেনস্তায় পড়তে হয়নি।
১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:১১

লেখক বলেছেন: মঈন উ আহমেদের আমলের আগেও বড়ো চুল নিয়ে সমস্যা ছিল, তার আমলে ছিল, তার আমলের পরেও থাকবে?

কেন জানেন, পুরো বিশ্ব বক্ষ্রান্ডের একটা সীমানা হয়তো আছে, কিন্তু আমাদের ভন্ডামির কোন সীমানা নেই ....

৩. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:১০
বল বীর বলেছেন:

ব্যাপক মজা খাইছি:P


মঈন উ আহমেদেও পদ্যত্যাগের পর আমাদের স্মৃতি শক্তি আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। মওদুদ আহমেদ বলেছেন, মঈন উ গণতন্ত্রের শত্র“ ছিলেন। তিনি নিজেও যে সবকটি স্বৈর সরকারের মন্ত্রি ছিলেন , কেবল সেই স্মৃতিটুকুই তার মনে পড়ছে না। এখন মঈন বিরোধী স্মৃতি চর্চার মওসুম।
১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:১৪

লেখক বলেছেন: ছাত্রদল মঈনের কুশ পুত্তলিকা পুড়িয়েছে।

এই বীর পুঙ্গবরা যদি জরুরী অবস্থার বিরুদ্ধে এর কিয়দংশ সাহসও দেখাতো , তাহলে বাংলাদেশে কোন সামরিক শাসন ব্যবস্থা অন্তত: নয় বছর টিকে থাকতো না।


মঈন উ আহমেদকে আমি অন্তত : ইশতিয়াক এবং মওদুদদের চেয়ে বহুগুণে শ্রেষ্ঠ মনে করি।

৪. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:২৩
একাকী বালক বলেছেন: হা হা হা। চরম মজা পাইলাম চরম। হা হা হা। কান্ধে বল্টু লাগান বহুত কঠিন কাম। ফাল পাড়া যায় সব কামেই। কামের সময় আর পারা যায় ন। হা হা হা।
১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৩৫

লেখক বলেছেন: bujun obossa.....ami hotash...az rate amar ghum hobe na!!!!! amra emon keno?

৫. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:২৪
ড়ৎশড় বলেছেন: প্রথমে বলতে চাই আপনার লিখার আমি বেশ ভক্ত।
ব্লগে আজকাল প্রায়ই দেখি অনেকে জেঃ মঈনের গুষ্টি উদ্ধারে নেমেছে।তাদেরকে জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছা হয় ১/১১ এর আগে দেশে যে তান্ডব চলছিলো সেটা এই তুচ্ছ মঈন ক্ষমতায় না আসলে কে বন্ধ করতে পারতোরে ভাই?ওনেকের কথা শুনে মনে হয় দুবছর ক্ষমতায় থাকা এই লোকেরই আসলে সব দোষ।
১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৩৭

লেখক বলেছেন: সত্যি কথা বলতে কি- মঈন উ কে আমি কখনোই ভয় পাই নি ....আমার ভয়- এই এদেরকে নিয়ে ( মওদুদ আহমেদ, ..........আহমেদ ) .......

৬. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:২৪
পান্থ বিহোস বলেছেন: চিন্তা করেন কী অবস্থা! শ্লার বাঙ্গালী না বাংলাদেশী তাই নিয়াই পইড়া থাকি... যাইহোক, ইশতিয়াক ভাই এবং তার লম্বা চুল এবং তার দীর্ঘ হাসি দীর্ঘজীবী হোক...

ইশতিয়াক ভাইয়ের ঘটনাটা অবশ্য আগেই জানতাম... সত্যিই ঘটনাটা রোমহর্ষক ছিলো... সেদিন কিছু একটা হলে কী যে হতো... ঘটনাটা যখন ইশতিয়াক ভাইয়ের কাছে শুনেছিলাম, আমার গায়ে কাটা দিয়েছিলো। মানুষের জীবন কত তুচ্ছই না হতে পারে! :( .... মাত্র একটা ভুলের কারণে কত বড় ক্ষতিই না হয়ে যায়...
১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৩৮

লেখক বলেছেন: বুঝলাম না...ভাই ....

৭. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৩৯
ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন: রবি ভাই,
আপনার লেখায় আমি একাধিক সমস্যায় পড়ে গেলাম ...

চাকরী সুত্রে আপনার সাথে আমার সারাটাদিন কাটে। আপনার সব কিছু যেমন আমার জানা, আমারগুলোও আপনার।
সারাদিনই প্রায় আমাদের দিন একরকম ফাজলেমীতে কাটে। এই ফাজলেমীর মাঝে আমি সব সময়ই আপনার তিনটা জিনিসকে ভয় পাই। আপনার লেখা, ভাবণা, বোঝার ক্ষমতা।

আমি শুধু বিশ্বাস-ই করিনা অনেক জায়গায় বলেও বেড়াই এই সময়ে অনেক হাম্বরা লেখকের চেয়ে আপনার ভালো লেখার ক্ষমতা অনেক বেশি।
আর আপনার ভাবণাও অনেক বহুমাত্রিক। যদিও আমাদের কাজের অংশ ছাড়া বেশীরভাগ ক্ষেত্রে আপনার এই ভাবণার সাথে আমি একমত নই।

আর শেষটি আপনার বোঝার ক্ষমতা অসাধারণ।

আজও আপনার গোছানো লেখায় আমি মুগ্ধ এবং আপনার ভাবণার সাথে একমত না। কারন, ক্রসফায়ারটা নিয়ে আমার সমর্থন নয় এক ধরণের ক্ষোভ থেকে কথা বলি। কারন, আপনি হয়তো সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসীদের ভয়ংকর থাবা খুব কাছ থেকে দেখেননি।

নারয়ণগঞ্জে 'রেকমত' নামে এক সন্ত্রাসী ক্রসফায়ারে মারা যায়। আপনি কল্পনাও করতে পারবনেনা তার হিংস্রতা কী ভয়ংকর ছিল। তার মৃত্যুর পর তার লাশের উপর ক্ষোভে রাগে সন্তানহারা এক বৃদ্ধা যখন লাথি মেরে যায় তখন ঐ বৃদ্ধার কী রাগ থাকে তা হয়তো বুঝতে সক্ষম হবেন।
আর আমরা ক্রসফায়ারের পর এক মানুষকে পরে থাকতে দেখি। মায়া লাগে কিন্তু এর আগে এই মানুষের ভয়াবহতা দেখিনা। তার কারনে কত লাশ যে এইভাবে পড়ে থাকে তার কষ্ট অনুভব করিনা।
কারন তার মরার খবর বড় করে আসে। সেগুলো অনেক হলেও এক কলামের বেশি ছিলনা। তবে এও ঠিক আমি কিন্তু এই বিচার চাইনা। কিন্তু যেদেশ সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা। তখন অনেকের বেচেঁ থাকার জন্য এরকম নির্মম প্রত্যাশাও প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে।

আর সবচেয়ে অবাক হলাম, আজ আপনার বোঝার ক্ষমতা নিন্মগামীতা দেখে। রবি ভাই আমি কী কোথাও বলেছি মঈণ-উ'র শাসন দুঃশাসন ছিল?
আপনি সন্ত্রাসী নিমূলে কঠোরতা চাননা, অথচ রাজনীতির দূবৃত্তায়ন রোধে কঠোরতাকে সমর্থণ করেন।

আপনি হয়তো এটা ভালোভাবেই বোঝেন, দ্রব্যের ওজন দেখেই ওজন পরিমাপক বস্তু দেয়া উচিত।

আমরা রবি ভাই আসলে ভালো নাই এবং ভালো থাকতে চাই।
আর রবি ভাই...শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাটাই স্বাভাবিক জিনিস। সেক্ষেত্রে ধন্যবাদ দেওয়াই যায়। ধন্যবাদ দেয়াই যায় আমাদের বেতন বাড়ানোর জন্য কিন্তু তাই বলে আমার আতঙ্কের সময়কে তো আমি অস্বীকার করতে পারি না। এবং যেটা আমাকে দোষ দেয়া বা কৃতজ্ঞতা স্বীকার না করার মতো খুব বড় ক্যানভাসের আতঙ্কও না।

সামান্য চুল এই যা। আর আপনাকে এটা মনে করিয়ে দেই কোনো ডিউটিতে আসার সময় কাটুর্ণিষ্ট খলিল ভাই যখন মার খেয়েছেন আপনিও আজ যাদের সমর্থন করছেন তাদের ব্যাপারে ক্ষোভ ঝেড়েছিলেন...

আতঙ্ক আসলে এগুলো থেকেই...

আপনি ভালো থাকেন।
১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৫২

লেখক বলেছেন: প্রিয় ভাই, নিঃসন্দেহে খুবই উপভোগ্য আজ রাতের এই কৌতুক...কালকে অফিস অব্দি যেটা গড়াবে ....অবশ্যই উপভোগ্য হবে সেটা ....

মঈন উ'র আমলে খলিল যেদিন মার খেয়েছিল, সেদিন আমিও দুই হাত উঁচু করে আর্মির গাড়ির সামনে প্রায় দুই ঘন্টা দাঁড়িয়ে ছিলাম। তবুও আর্মির ওই কয়টি জওয়ানের প্রতি আমার বিন্দুমাত্র ক্ষোভ জন্মায় নি। কেন জন্মায় নি ....সেটি ব্যাখা করার সাহস আমার আছে- কিন্তু সেই ব্যাখা গ্রহণ করার সাহস এই বঙ্গদেশীয় সমাজের নেই।

ক্রসফায়ার নিয়ে তোমার আজকের এই মতামতটি নতুন। ভবিষ্যত আলোচনার জন্য এটি রেকর্ড হিসেবে থাকলো। কালকে এই মন্তব্যের প্রিন্ট করে আমি পকেটে রাখবো। সময়ে সময়ে কাজে আসবে।

আমরা ভালো নাই , আমাদের দোষে। শ্রেফ আমাদের দোষে।

আমার বোঝার ক্ষমতা খুবই কম। হাওয়া কখন কোনদিক থেকে গেলে , কী ভঙ্গিতে পাল তুলতে হবে- এটি আমি এখনও বুঝতে পারি না। কাজেই আমার বোধগম্যতা নিয়ে তোমার সংশয়টি একেবারেই খাঁটি। এজন্যই আমার কিছু হলো না, হবেও না।

তবে দিন বদলাবে ইশতিয়াক, প্রিয় কমরেড। এই যে তোমার আমার নিরন্তর তর্ক। এই তর্কে তর্কেই একদিন মগজের কারফিউ ভাংবে- বেরিয়ে আসবে আসল সত্য।

সভ্যতা কখনো এক্যমত্যে আগায় না, সভ্যতা আগায় দ্বন্দ্বে।

তুমি আমি দু'জনেই শিক্ষানবিশ। আমার দু'জনে দুজনের শিক্ষকও।

ভাল থাকবে। কালকে কী খাওয়াবে বলো ....

৮. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৪০
বল বীর বলেছেন:
আশীফ ভাই এই দেশ কোন ভালো মানুষের জন্য নয়।
মইন ক্ষমতা না নিয়া আজকে গালি খাইতেছে কিন্তু কথা হলো সে ক্ষমতা নিলে ও গালি খাইতো! এমন কি গত ২৫ ফেব্রুয়ারী ও সামরিক শাসন বা ক্ষমতা দখলের পরিস্হিতি সৃষ্টি হয়ে ছিলো। যাই হোক সে ত্যাগ না করিয়া জিয়া, এরশাদ হয়নি এইটাই অপরাধ।

১/১১ পূর্বে যে দেশে গৃহযুদ্ধের পরিস্হিতি সৃষ্টি হয়ে ছিলো তা বেমালুম ভুলে গেছে জাতি:( , এই জাতির রক্তে সমস্যা নাকি মাথায় সমস্যা কিছুই বুঝতে পারতেছি না! অন্তত আ.লীগ কিভাবে ভুলে গেলো? তাদের সংসদ সদস্যরা কিভাবে ঘৃণা প্রকাশ করছে বিএনপি নেতাদের সাথে সুর মিলিয়ে?

এই জাতির কিছুই হবে না ধ্বংস ছাড়া আমি নিশ্চিত হয়তো সময় লাগবে ১৫/২০ বছর। আর কেউ এগিয়ে আসবে না দুঃসময়ে।

এই রাজনীতিবিদেরা ১/১১ পরিস্হিতির সৃষ্টি করেছে। শুধু বঙ্গভবন না দেশের অক্সিজেন বন্ধ করার ব্যবস্হা করেছে। আর এখন নেত্রী ম খা আলমগিরদের প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ করে দিয়েছে!

যাই হোক আত্মসমসলোচনা কিভাবে করে তা এই জাতির রাজনীতিবিদেরা জানে না। নিজেদের ভুল স্বীকার করার সেই মন তাদের নেই। আমরা সবাই আ.লীগ বিএনপি। আমরা কেউ দেশপ্রেমিক সত্যেকারের নাগরিক হয়ে উঠতে পারিনি! না হলে দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী আমাদের আইন প্রণেতা হতে পারে না।
১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৫৭

লেখক বলেছেন: এই দেশ মনুষ্য বসবাসের অনপোযোগী হয়ে উঠছে ..এটা ঠিক

৯. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৪১
'লেনিন' বলেছেন: আমার জানামতে কবি আল মাহমুদকে একবার লম্বা চুলের জন্য হেনস্তার স্বীকার হতে হয়েছিলো।

একটি ব্যাপার আপনি ইশতিয়াক'কে সরাসরি আক্রমণ করছেন কেনো? দু'জনেই তো একই পেশায়.. লেখালেখিতেই আছেন। কড়া আক্রমণ না করে বিতর্ক করা যায়। চরম আর পরমের মাঝে কি কিছুই নেই?
১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৫৬

লেখক বলেছেন: আমি কড়া চুমু এবং কোমল বিতর্কে আগ্রহী না। তবে কোমল চুমু এবং কড়া বিতর্কে আমার বিশেষ দূর্বলতা আছে।

১০. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৪৩
'লেনিন' বলেছেন: বলবীর .. বরং প্রস্তুত থাকুন ১/১১ এর মতো না হলেও আরো খারাপ ভবিষ্যৎ এই জাতির সামনে.. খুব দূরে নয় সেদিন। এটা আমার ভবিষ্যদ্বাণী বলতে পারেন।
১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:০২

লেখক বলেছেন: আসলে আর ওয়ান ইলেভেন আসবে না। আসবে টু টুয়েন্টি টু....

১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:০২

লেখক বলেছেন: আসলে আর ওয়ান ইলেভেন আসবে না। আসবে টু টুয়েন্টি টু....

১১. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৫৬
বল বীর বলেছেন:

লেনিন@ সত্যেই আমরা সেই রাজনীতি থেকে বাহির হতে পারিনি!
আমার মনে হয় না কেউ আসবে। উপকারীই যদি মীর জাফর হয়।
১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:০২

লেখক বলেছেন: আমিই চলে আসবো কিনা ভাবছি ...

১২. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:০২
নাজিম উদদীন বলেছেন: ঠিক বলছেন , এখন মঈন আর ফখরুদ্দিনের নিন্দার মৌসুম।
১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:০৫

লেখক বলেছেন: সেটাই ...

১৩. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:০৫
পান্থ বিহোস বলেছেন: @লেনিন, ব্যাপারটা ভালো করে বোঝা উচিত। আমার মনে হয় রবি ভাই চুলের জন্য ইশতিয়াক ভাইকে কিছু বলেননি।
মূল ঘটনাটা এরকম_ ইশতিয়াক ভাইকে একবার রেব জিজ্ঞেস করেছিলো লম্বা চুলের কারণ। তখন রেব নিজেদের খুব হুমরাচুমরা ভাবছিলো... পরে ধরা খাইছে...
এই কাহিনীই রবি ভাই বলেছে... আর কিছু নয়। এখানে সরাসরি আক্রমণের কিছু নয়... ইশতিয়াক ভাইয়ের কমেন্ট পড়লাম। সম্ভবত রবি ভাই লেখাটা এডিট করলে আরএকটু খোলাসা হয়...
১৪. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:১২
'লেনিন' বলেছেন: @পান্থ বিহোস: না চুলের জন্য নয়.. এখানে ইশতিয়াককে কড়া সমালোচনা করেছেন আলাদা পোস্ট দিয়ে তার র্যাব ম্যানিয়া আর এখনকার মঈন উ বিদ্বেষের দ্বন্দ্ব দেখিয়ে... আমার মতে সেটি ইশতিয়াকের পোস্টের মন্তব্যে করলেও খারাপ হতো না। দু'জনেই যখন বন্ধু এবং সাংবাদিকতাই দুজনের পেশা।
১৫. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:১৯
বল বীর বলেছেন:

লেনিন@ আমার মনে হয় না আশীফ ভাই আলাদা পোষ্ট দিয়ে খারাপ কিছু করেছে। উনি এই জাতির ইশিতাকী( ভাইয়ের মতো) মইন বিদ্বেষের মৌসুমের কথা ও বুঝাতে চেয়েছেন।

যাই হোক ওনার ইচ্ছে।
১৬. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:২২
পান্থ বিহোস বলেছেন: @লেলিন, রাজনীতি কিংবা বিজ্ঞ ব্যাপারস্যাপার আমি ভালো বুঝি না। আমি জানি, ইশতিয়াক ভাইকে আমি প্রচণ্ড শ্রদ্ধা করি, তিনি আমাকে ভালোবাসেন... দেখা হলে অনেকক্ষণ কথা হয়_ সাহিত্য, ব্যক্তিগত... আরও কত কী... তবে রাজনীতি নিয়ে কখনো নয়। আমি ইশতিয়াক ভাইকে চিনি একজন লেখক হিসেবে এবং একজন নিরেট ভালো মানুষ কিংবা একজন ভাই হিসেবে।
রবি ভাইকে চিনি, জানি না। তাঁর লেখার মধ্য দিয়েই তিনি আমার কাছে পরিচিত। সামনাসামনি দেখা হয়নি কখনো, কথাও না।
লেখাটার মাজেজা বুঝতে কি আমাকে রাজনীতি জানতে হবে কিনা ভাবতাছি... যাই হোক, আমার মনে হয়, রবি ভাই যদি লেখাটা কিঞ্চিত এডিট করেন তাহলে ভালো হয়... কী বলেন লেনিন ভাই এবং রবি ভাই?
১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৪০

লেখক বলেছেন: লেখাটা এডিট করার কোন কারণ নেই ....

১৭. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:২২
ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন: @বল বীর, নাজিম উদ্দিন ...

আমি মঈনের নিন্দসূচক কিছু বলেছি কিনা একটু ভালো করে পড়ে দেখলে খুশি হতাম...

ব্লগে এর চেয়ে অনেক কঠিন পোষ্ট এসেছে গত কদিন ...আমি শুধু আমার একটা অনুভুতি শেয়ার করেছি ...

আপনাদরে জন্য আমার লিংক ::: Click This Link
১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: এটা খুবই আশ্চর্যের ব্যাপার যে মঈন উ আহমেদ সিয়ে অন্তত দুটি আনন্দদায়ক স্মৃতি থাকলেও তোমার মনে পড়লো অতি তুচ্ছ একটি অতংকের কথা।

মঈন উ আহমেদের সময় তুমি তার এতো প্রশংসা করতে যে আমি মাঝে মাঝে দ্বিধায় পড়ে যেতাম যে তুমি উনার আত্মীয় কিনা, বিশেষত: দুজনের নামের মেষে যেখানে আহমেদ আছে।

আজ এই ভরা মৌসুমে , তুমি এই দিক বদল ( তাও জোড়ালো কোন কারণ ছাড়া ) দেখে খুবই ভালো লাগল

হা হা হা

১৮. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:৫৪
'লেনিন' বলেছেন: @বল বীর: আপনার পয়েন্টের সাথে পুরোপুরিভাবেই একমত। লেখকের এই প্রবন্ধ অবশ্যই সময়োচিত। কারণ গোল্ডফিশ বাঙালিকে স্মরণ করিয়ে না দিলে তারা অতীত মনে রাখেনা। আমার পয়েন্ট কেবলই ইশতিয়াককে নিয়ে। যাহোক এখন ইশতিয়াক নিজেই এসেছেন।



১/১১ সম্পর্কে আমার অনুভূতি হচ্ছে ওটা অবশ্যম্ভাবী ছিলো এবং মঈনের চেয়ে দৃঢ়চেতা এবং সৎ কোনো সেনা অফিসারের প্রয়োজন ছিলো। মানুষ যা আশা করেছিলো ফল তার চেয়ে বরং খারাপ হয়েছে এটা এখন সবাই জানে। কিন্তু আশা করেছিলো অনেক কিছুই।

অদূর ভবিষ্যতে ১/১১ এর মতো অভ্যূত্থান তা সেনা হোক, ২/২৫ এর মতো হোক বা তার চেয়েও ভয়াবহ কিছু জাতির সামনে অপেক্ষমান। সময় তা বলবে। ভালো কিছু আশা করতে পারছিনা বে দু:খিত।
১৯. ১৭ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৪:২৪
আকাশ_পাগলা বলেছেন: আরে ভাই ভাল খারাপ মিলিয়েই ত মানুষ।

সেনাপতি উ ভাল কিছু কাজ করলে খারাপও কিছু করছে। এক তরফা কাউকে মাথায় উঠানো যাবে না বা গালি দেয়া যাবে না।

তবে, আমার মতে সেনাপতি উ যাবার পর থেকে আমার সামনের রাস্তায় চোর ছ্যাচরদের আনাগোনা বাড়ছে। উ এর সময় যে ভয় ছিল না, তা না। ছিল। এখন কেন যেন মনে হয় একটু বাড়ছে। আর, বর্তমান সময়ের ছাত্র রাজনীতি কী ভয়ংকর রূপ নিয়েছে, সেটা নাই বা বললাম।

যাক, এসব উ এর অভাব, নাকি আমাদেরই দোষ, নাকি এতদিন কিছুটা সংযত থেকে এখন আমাদের বাঁধ ভেঙ্গে পড়ল সেটা নিয়ে তর্কের বিস্তর সুযোগ থাকে।

শুধু ভাবি, ভাল খারাপ মিলিয়েই মানুষ।
---------------------
বড়ো চুল নিয়ে একটা পুস্ট দিছিলাম। দেখতে পারেন।
Click This Link
১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: সমস্যা আমাদের মানসিকতার। হাতি কাদায় পড়লে চামচিকা লাথি মারে। আর হাতি যখন চামচিকাকে লাথি মারে- তখন অন্য চামচিকা বলে, হাতি মহাশয় তো এমনি এমনি কাউকে লাথি মারে না।

জরুরী অবস্থা জারীর পর যে হারে এই ব্যবস্থার প্রশংসা হয়েছিল- একবার মনে করার চেষ্টা করুন। একটু হাওয়া ঘুরতেই শুরু হল মডারেট সমালোচনা। আর এখন যুগটা ....য়াক আহমেদেরই ...

২০. ১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩
এনটনি বলেছেন: বন্ধু রবি, তোর লেখার আমি বরাবর ই ভক্ত। আজকে অনেকদিন পরে আবার তোর লেখা পড়ে মজা পেলাম।
তবে মইন ইউ এর সময়কালে কোনো এক বাস এ পুলিশ এর সাথে তোর কোনো ঝামেলা হয়েছিল কি? সাব্বির বলছিল ...
১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: কী অবস্থা?


হ্যাঁ ঘটনা সত্য .....এটি নিয়েওআমার একটা লেখা আছে ...পড়ে দেখতে পারিস

২১. ১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৪০
বাবুই বলেছেন: বহুত মজা পেয়েছি।
মি. ইশতিয়াক
মি. রবি (ভাই)
আপনাদের দুজনের একাত্মকা দেখে ঈর্ষা হয়।
ঈর্ষাটা আরও বাড়িয়ে দিতে পারেন
এই অধমের অফিসে জুতার ধুলি রেখে
এক কাপ ফ্রি র' চা খেয়ে।
আসবেন নাকি একদিন?
বাংলাভিশনে আছি।

২২. ১৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৩১
সাইলেন্সার বলেছেন:
আশীফ এন্তাজ রবি ভাইয়ের ভক্ত হয়ে গেলাম।

ভাই, এক ধরণের গৃহপালিত দেশী কুকুর আছে যাদের আপনি রাস্তায় লাথি দেন... কুই কুই করতে করতে নিজের বাড়ির ভিতর ঢুকে সাহস বেড়ে যায়.... তখন দাঁত বের করে ভোক ভোক করে।

আমাদের অনেকের চরিত্রে এই প্রাণীটির সাথে অদ্ভুত মিল আছে।

১/১১ এর সময় মইন উ আহমেদ সেনাপ্রধান হিসেবে দেশরক্ষায় এগিয়ে না আসলে আজকে আমাদের কী অবস্থা হত সেটা চিন্তা করতেও ভয় হয়।

তবে তিনি এবং সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার যখন একসাথে দেশের অনেকগুলো কঠিন সমস্যা সমাধানে হাত দিলেন তখনই বোঝা গিয়েছিল তারা ব্যাপারটা তালগোল পাকিয়ে ফেলছেন।

কারণ হিন্দি 'নায়ক' ছবিটি পর্দাতেই সম্ভব, বাস্তবে এত সহজ নয়।
রাতারাতি এই দেশ থেকে দূর্নীতি, নোংরা রাজনীতি দূর করা সম্ভব নয়।

মইন ই আহমেদ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার চেয়েছিলেন, সন্ত্রাস ও পেশীশক্তি নির্ভর রাজনীতিকে বিদায় দিয়ে শিক্ষিত, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক লোকদের রাজনীতিতে সুযোগ করে দিতে।

কিন্তু তাদের বোঝার ভুল ছিল যে, এদেশের তথাকথিত সুশীল সমাজ মিডিয়া ও সেমিনারে সমালোচনায় যতটা পটু, নিজের কাঁধে দায়িত্ব নেয়ার ব্যাপারে ততটাই পঙ্গু।

ফলে বিগত দুই বছরে নেয়া অনেক উদ্যোগ ভেস্তে গেছে।
আমরা যারা শহরে থাকি, তারা হয়ত বুঝি আমাদের দেশের উন্নতির পথে বাঁধাগুলো কোথায় এবং এর পিছনে দায়ী কারা।

কিন্তু গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষ এত কিছু বোঝে না। তারা পত্রিকা পড়ে না, স্যাটেলাইট চ্যানেলের খবর দেখে না। গুটিকয়েক নেতা ও তাদের কর্মীবাহিনা যা বোঝায়, গ্রামের মানুষ তাই বিশ্বাস করে। তারা একবার ভোট দেয় ধানের শীষে, পরের বার নৌকায়।

তাই যতদিন না এদেশের সাধারণ মানুষ সচেতন হবে, ততদিন আমাদের ভাগ্য পরিবর্তনের আশা করা বাতুলতা। আমরা সেই সময়ের অপেক্ষাতেই আছি।

তবে কষ্ট লাগে যখন শহরে শিক্ষিত ও স্মার্ট বলে দাবী করে এমন কুলাঙ্গারগুলো দেশটাকে নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলছে, তাদের পক্ষ নেয়। এদেরকে মানুষ ভাবতেও ঘৃণা হয়।

আমাদের মধ্যে অনেকেই সেনাবাহিনীর বিরোধিতা করে, আবার দেশের কোন দুর্যোগে (সেটা প্রাকৃতিক হোক বা মানুষ সৃষ্ট) সবার আগে সেনাবাহিনীর সাহায্য আশা করে। এরা ভুলে যায় যে সেনা সদস্যরা আমাদের দেশেরই সন্তান, কারো ভাই, কারো পিতা, কারো নিকট আত্মীয়। কোন কারণে যুদ্ধ লাগলে এরা নিজের জীবন বিলিয়ে দিতে বাধ্য।

একজন বাবা যখন তার সন্তানকে সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়ার জন্য 'বন্ড' এ স্বাক্ষর করেন (যেটাতে লেখা থাকে তার সন্তানের কোন ক্ষতি হলে সেনাবাহিনী বা সরকায় দায়ী থাকবে না), তখন তাঁর ভিতরের কান্না ক'জন দেখেছে।
১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন:
ব্যক্তি ইশতিয়াক আমার আক্রমনের লক্ষ্যবস্তু নয়। ওকে আমি যথেষ্ট স্নেহ করি।

ইশতিয়াক যে জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করে, সেই গনগোষ্ঠী এবং তাদের বিশ্বাসই আমার লক্ষ্যবস্তু।

গোটা দেশ এইরকম স্ববিরোধী, হীনমন্য মানুষে ( অথবা ক্লীবে) ভরে গেছে। এজন্য বারবার আমাদের গন্তব্য হয় ফুটন্ত কড়াই থেকে জ্বলন্ত উনুনে।

মইন আহমদ, মওদুদ আহমদ এবং একজন ইশতিয়াক আহমদ- গোটা বাংলাদেশকে আপনি এই তিন শ্রেনীতে ফেলতে পারবেন।


প্রায় সব মানুষই এই তিন ক্যাটাগরির কোন না কোনটাতেই আছে।

সমস্যা হচ্ছে , আমাদের সমাজের দরকার ব্যতিক্রম মানুষ( এই তিন ক্যাটাগরির বাইরে) যেটার সংখ্যা কুবই কম।

১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪১

লেখক বলেছেন:

২৫. ১৭ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২১
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: বলতে খারাপ লাগলেও বলতে হয়, আমরা একটি হীনমণ্য জাতি।
১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: আপনি একটা ভালো পয়েন্ট ধরেছেন।

২৬. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৯
দেশী পোলা বলেছেন: হাতি কাদায় পরলে চামচিকাও লাথি মারে
১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: সুশীল চামচিকায় ভরে গেছে গোটা দেশ।

২৭. ০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৫৬
শান্ত কুটির বলেছেন: অসম্ভব উপভোগ্য একটি বিতর্ক অথবা মুক্ত আলোচনা লেখকে ধন্যবাদ সাথে সাইলেন্সার কেও ধন্যবাদ কেন যেন ওনার সহজ সরল ভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করার ভঙ্গীটা আমার খুব ভাল লাগলো।
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ২:১৯

লেখক বলেছেন: এটাকে আমি নিছক বিতর্ক বলতে নারাজ। এটি একটি আবিষ্কার। বাঙালির জটিল মনস্তত্ব বুঝতে হলে, এটি একটি ভালো উদাহরণ। আমাদের ভন্ডামি , আমাদের মেকী আচরণ ঠিক কোন পর্যায়ে গেছে - এটি দিয়ে সেটা সম্পর্কে খানিকটা ধারণা পাওয়া যাবে।


যে ছেলেটি ( ইশতিয়াক) এই কান্ড করেছে, তাকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি। অসম্ভব ভালো ছেলে, সবচেয়ে বড়ো কথা একজন মিথ্যাবাদী কিংবা ঠঘ হওয়ার জন্য যে বয়স দরকার, এটি ওর হয়নি।

তবুও ও কেন বিষয়টা নিয়ে এভাবে লিখলো , সেটি ভেবে আমি বের করতে পারছি না। ব্যাপারটা নিয়ে আমি ব্যক্তিগতভাবে ওর সঙ্গে কথা বলেছি, না বুঝে লিখেছে বলে মনে হয়নি।

যদি ও ঠান্ডা মাথায় লিখে থাকে, তাহলে আমি বলতে বাধ্য হবো- বাংলাদেশের কোন ভবিষ্যত আমি দেখি না, বাংলাদেশের কোন ভবিষ্যত আমি দেখি না এবং বাংলাদেশের কোন ভবিষ্যত আমি দেখি না।

আমি মঈন উ আহমেদের সমর্থনে একটি লাইনও লিখিনি, লিখতে চাই না। গোটা প্রসঙ্গ নিয়ে আমাদের দৃষ্ঠিভঙ্গিটা কেবল আমি বোঝার চেষ্টা করেছি।

২৮. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৩
আশীফ এন্তাজ রবি বলেছেন: আমার একটি বিনীত অনুরোধ. আমরা যদি গণতন্ত্রের জয়গান গাইতে যাই, তাহলে সেটি যেন বুঝে শুনে গাই। আবার সামরিক তন্ত্রের নিন্দা করলে , সেটিও যেন বুঝে শুনে করি।

না বুঝে কোরান শরীফ মুখস্থ করে হাফেজ হওয়া যায়, সমাজে সালাম আদাব পাওয়া যায়- ঐ পর্যন্তই।

গণতন্ত্রকে আমরা যদি ভালোবাসি , তাহলে সেটিকে পুরোপুরি বুঝেই ভালোবাসা উচিত।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১১৯৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
পার্ট টাইম সাংবাদিক এবং ফুল টাইম ভাবুক
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ