আমার প্রিয় পোস্ট
- মাত্র ২৫ টাকায় ৩দিন আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যাবহার করুন - জন ঢাকা
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন+ব্লগিং=টাকা {A Must Read for New Blogger} - মুন্তাসির রশিদ
- ইন্টারনেটের বিশাল তথ্যভান্ডার থেকে আপনার কাঙ্খিত তথ্যটি খুঁজে পাওয়ার কয়েকটি সহজ এবং ইউসফুল ট্রিক্স। - হোরাস্
- জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক হূমায়ূন আহমেদের ১৬০ টি উপন্যাস ডাউনলোড করুন কোন ঝামেলা ছাড়াই... - জবরুল আলম সুমন
- SEO (Search Engine Optimization) টিউটোরিয়াল লিংক - খুজে ফিরি অজানা কে?
- SEO (Search Engine Optimization) টিউটোরিয়াল লিংক - খুজে ফিরি অজানা কে?
- গুগল এডসেন্স আপনার সাইটে এড দিতে সম্মত হচ্ছে না? কারন ও সমাধান...(টেকি পোষ্ট) - খুজে ফিরি অজানা কে?
- (টেকি পোষ্ট) ব্লগ সাইট তৈরি করতে চাচ্ছেন- জেনে নিন কিছু টিপস - খুজে ফিরি অজানা কে?
- হ্যাকোলজিঃ হ্যাকিং শেখার প্রথম বাংলা বই ডাউনলোড করুন একদম ফ্রী - দৈনিক কপি-পেষ্ট
- Sim Card Tricks !! - অ্যাঙ্গেল বয়
- সি++,জাভা,এইচটিএমএল, জাভাস্ক্রিপ্ট, পিএইচপি এর বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল!!!সবাইরে ওয়েলকাম!!!কারো একফোটা কামে দিলেই আমি ধন্য!!
- আন্ধা পোলা
- Receiving Money From Alertpay in Bangladesh - ভালবাসা007
- অনলানে ডলার উপার্জন এবং দেশে আনার সমস্যা । - েমা ঃজামাল উিদ্দন
- Microworkers এ কাজ করে আয় করা ডলার দিয়ে Domain কিনলাম। - মিশু কুতুবি
- আমার জীবনের প্রথম আয় অনলাইন আউটসোর্সিং থেকে। ৬,৮০০ টাকা মাত্র। - এম মেহেদী হসান(বুলবুল)
- Download Avro Keyboard Standard Edition 5.1.0 with Bangla Spell Checker! - ইমরান রিতুল
- নতুন ওয়েব সাইট চালু করার কথা ভাবছেন? জেনে নিন কিছু টিপস...... - খুজে ফিরি অজানা কে?
- অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং: ইংরেজিতে মাটি কোপানোর কাজ : ঘন্টায় ২.৫-৭ ডলার হিসেবে প্রতিদিন ৩ ঘন্টার কাজে মাসে ঘামভেজা ২০০-৪৫০ ডলার: ইংরেজিতে দক্ষ হয়েও বেকারদের জন্য। - হাসিনুল ইসলাম
- ফরেক্স ট্রেডিং কি এতই সহজ? জেনে রাখুন ভবিষ্যতে কাজে দিবে। - টাক্কা
- অ্যাডসেন্স মিথ - হাসমত০০৯
- C প্রোগ্রামিং....পর্ব : ৪....."লুপের রাজ্যে
" - বিলুপ্ত বৃশ্চিক
- পিএইচপি শিখার জন্য অসাধারন ১০টি ভিডিও টিউটোরিয়াল - পর্ব ১ - খুজে ফিরি অজানা কে?
- মাঝপথে নেট কানেকশন ডিসকানেক্ট হয়? সমাধান জানুন - টাক্কা
- "WebMaster" অল ইন ওয়ান। নবীনদের জন্য কমপ্লিট ওয়েব ডিজাইন প্যাকেজ। - লুলুপাগলা
- ইন্টারনেট থেকে বিনামূল্যে যেকোন ফোনে কল করা - নিশিবাস
- সার্চ ইঞ্জিন রেংক, SEO ও গুগল এডসেন্স বিষয়ক কিছু লিংক - সুইট
- মাত্র ১ মিনিটেরো কম সময়ে ১ টা ইয়াহু আইডি বানান এবং 5 মিনিটে কমপখ্যে 11 টা । - নীল দরিয়ার মাঝি
- পিএইচপি শিখার জন্য অসাধারন ১০টি ভিডিও টিউটোরিয়াল - পর্ব ২ - খুজে ফিরি অজানা কে?
- পেলাম এডসেন্স মে মাসের চেক। বাংলাদেশে ভাঙানোর পদ্ধতি। - সুইট
- ১০টি গুরুত্বপূর্ন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন টিপসঃ ওয়েব ডেভল্পমেন্ট টিঊটোরিয়াল - খুজে ফিরি অজানা কে?
- C - programming Language শিশুদের উপযোগী টিউটোরিয়াল: সূচীপত্র - ই য়া দ
- আপনার ওয়েবসাইটটিকে পরিচিত করুন (Search Engine Optimization) - মাহমুদ সিএসই
- অনলাইনে “ডিভি লটারী-২০১২” আবেদনের নিয়মাবলী
- নিশাচর নাইম
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের[একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ, টেলিটক] ইন্টারনেট ব্যাবহার করাযায় খুব সহজেই ...
- মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন
- কিছু চমৎকার সফ্টঅয়্যার যেগুলো ছাড়া আমি অচল(সবার জন্যই সমানভাবে দরকারী)পর্ব:১ - অভ্র ভাষা হোক উন্মুক্ত
- এক পোস্টেই সব কিছুর সমাধান - মারভিন
- কিভাবে জীবনবৃত্তান্ত (CV) তৈরী করবেন ???? - hks001
- ip change সফটওয়্যার জরুরি দরকার - মাসনুন আলম
- PHP ডেভেলপার, নবিস ও জানতে আগ্রহীদের জন্য বিশাল সুখবর!! - ত্রিভুজ
- ইউনিকোডে লেখা রুপান্তর করুন - শরীফ মরকার
- আপনার কম্পিউটারের সামনে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফ্রি ফ্যাক্স করুন বিশ্বের অনেক অনেক দেশে!! - মঈনউদ্দিন
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শুরু করবেন যেভাবে : সংকলিত - হাসমত০০৯
- অনলাইনে আয় করুন টুইটারের মাধ্যমে - হাসমত০০৯
- হ্যাকিং দুনিয়ার ময়নাতদন্ত - টেকি মামুন
- জুমলা টিউটোরিয়াল: সম্পূর্ণ - গৌতম রায়
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা - সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার জীবনী - রাগিব
- আমি অপার হয়ে বসে আছি ----- (লালন ফকির) - বিষাক্ত মানুষ
- দ্রুত-গতির গনিত শিখনের পাঠশালা,অবশ্যই মগজে!!!!

(পরীক্ষামুলক পোস্ট) - শ্রাবনের ফুল
- ইন্টারনেট connection নেবার সময় যা যা খেয়াল রাখা জরুরি - অদ্ভুত
- ফেসবুকে বাংলা অক্ষর ছোট দেখার সমস্যা দূর করে নিন সহজেই.... - সুনীল সমুদ্র
- সার্চ ইঞ্জিন তৈরী করা এতই সোজা ! - পথে-প্রান্তরে
- ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড - দুঃখবিলাস
- অতপর.............(অনুকাব্য) - রাতজাগা পাখি
- সংখ্যা নিয়ে মজা!! - স্বপ্নীল আহমেদ
- জুমলা টিউটোরিয়াল ৭: জুমলার বিভিন্ন মেন্যু বা অপশন পরিচিতি - গৌতম রায়
- জুমলা টিউটোরিয়াল ৮: সাইট মেন্যু - গৌতম রায়
- মোবাইলে বাংলা সাইট পড়তে হলে যা করবেন - ত্রিভুজ
- ওয়েব প্রোগ্রামিং পাঠ-১ (ওয়েব সার্ভার সেটাপ) - ত্রিভুজ
- ওয়েব প্রোগ্রামিং পাঠ - ৩ (MySQL সেটাপ) - ত্রিভুজ
- ১১ আগস্ট ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রথম বাঙালি শহীদ ক্ষুদিরামের ফাঁসি - সৈয়দ আমিরুজ্জামান্
- নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কীভাবে বই বের করবেন - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার এর জন্মদিন আজ - ফকির ইলিয়াস
- বিজ্ঞানের থিওরী এবং টাইম মেশিনের সম্ভাবনা এবং অন্যান্য (নাস্তিকদের অনেক প্রশ্নের উত্তর) - আকাশ_পাগলা
- ওয়েব সাইট টিউটোরিয়াল ::::এপিলগ:::: পার্ট তিন: ওয়েব ডিজাইন কি? - শামীম দ্যা রক্
- গুগল বুকস থেকে বই ডাউনলোড করবেন যেভাবে - অনিকেত প্রান্তর
- ইংলিশ গানের ভক্তদের বলছি......(সঙ্গত কারনে রি-পোস্ট) - মাজেদুল ইসলাম
- ওয়েবসাইট তৈরির অ আ ক খ [পর্ব-০১] - পান্থ বিহোস
- নেট থেকে মোবাইলে ফ্রি sms - সীমানা পেরিয়ে
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- ওয়েবসাইট তৈরি ও হোস্টিং সম্পর্কে একটু পরামর্শ চাইছি - ফিউশন ফাইভ
আরজ আলী মাতুব্বর: আমাদের লোক দার্শনিক।এক বিস্ময় !
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩
আরজ আলী মাতুব্বরে জন্ম ১৯০০ সালে ১৭ ডিসেম্বর ,বাংলা ১৩০৭ সালের ৭ পৌষ বরিশাল শহর হতে ১১ কিমি দক্ষিনে চরবাড়িয়া ইউনিয়নে লামচরি গ্রামের একটি দরিদ্র পরিবারে । মাতুব্বর ছোটকালেই তার বাবাকে হরিয়েছেন। বাবার মৃত্যর পর তিনি মা এবং বড় বোনের কাছেই বড় হন।
দারিদ্রতার কারনে তার প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষা বেশি দুর এগোতে পারেনি। তার পর ও তিনি বিভিন্ন লাইব্রেরি থেকে ধার করে বই পড়তেন।এবং নিজেকে একজন স্বশিক্ষিত মানুষ রুপে গড়ে তুলেছিলেন। কঠোর পরিশ্রমের দ্বারা তিনি তার এবং তার পরিবারের আর্থিক অবস্হার পরিবর্তন করে ছিলেন। তিনি জমি কিনে নিজেই চাষাবাদ শুরু করেছিলেন। জ্ঞানপিপাসু এই মানুষ নিজে বই সংগ্রহ করে নিজেই একটি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য বসত ১৯৬১ ঝড়ে তার বাড়িঘর সহ লাইব্রেরিটি কির্তনখোলা নদীতে গিয়ে পড়ে।
সংক্ষিপ্ত জীবন বানী:
১৯০০: জন্ম
১৯০৪: পিতার মৃত্য
১৯১০: তার বিত্ত ও বসতঘর হারান
১৯১৩সাল:- দুর সম্পর্কীয় এক চাচা দুই আনা মুল্যে একটি আদর্শলিপি কিনে তাকে স্হানীয় পাঠশালায় ভর্তি করাইয়া দেন।
১৯১৫সাল:-ছাত্র বেতন অনাদায় হেতু পাঠশালাটি বন্ধ হয়ে যায়।তার পাঠশালার শিক্ষা এখানেই শেষ।
১৯১৬-১৭:স্হানীয় এক মৌলভীর কাছে কোরআন, রাহে নাজাত, পান্ঝে নামা কেতাব শিক্ষা।
১৯২০-২৫:স্হানীয় তরুনদের আগ্রহে পুথি ও সারি গানের দল গঠন।
১৯২৯:গানের দল ত্যাগ ও বস্ত্রবয়ন শিক্ষা।
১৯৩০-৩৬:বরিশাল হাইস্কুলের ছাত্র আ.আজিজ ও ফজলুর রহমানের পুরাতন পাঠ্যপুস্তক পাঠ এবং সাহিত্য, গনিত , জ্যামিতি, ভুগোল , ইতিহাস, ব্যকরন ইত্যাদিতে মৌলিক শিক্ষা লাভ
১৯৩২: মায়ের মৃত্যু। যা তার জীবন বোধটাকে পাল্টে দেয়।
১৯৩৭:বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরি সদস্যপদ লাভ।
১৯৪৮: বরিশাল বজ্রমোহন কলেজের অধ্যাপক কাজী গোলাম কাদিরের সান্নিধ্য লাভ। ইনি মাতুব্বর সাহেবের পড়াশুনার জন্য সাহায্য করেছিলেন।
১৯৫৬:বরিশাল ব্যাপটিস্ট মিশনের শিক্ষক মি.মরিস সাহেবের সান্নিধ্য লাভ।এবং ইহুদি ও খ্রিষ্টান ধর্মতত্তে জ্ঞান লাভ।
১৯৫০:লামচরি এসপি স্কুলের সেক্রেটারি
১৯৬১: লামচরি আদর্শ ক্লাবের সেক্রেটারি।
১৯৮৫: মৃত্যু।
(একেবারে সংক্ষিপ্ত , বিস্তারিত পরে দেয়া হবে)
তিনি পাকিস্তান আমলে সরকার কর্তৃক নিষিদ্দ হন। তার লিখিত বইয়ের মধ্যে সত্যের সন্ধান,সৃষ্টি রহস্য,সীজের ফুল, শয়তানের জবানবন্দী অন্যতম।
তিনি ২ বিয়ে করেছিলেন। সন্তান সন্ততি ১০ জন।
তিনি বরিশাল মেডিকেল কলেজকে মরনোত্তর চক্ষু ও দেহ দান করেছিলেন।
মানুষকে জ্ঞান বিতরনের জন্য তিনি তার অর্জিত সম্পদ দিয়ে গড়ে তুলেছিলেন আরজ মন্জিল পাবলিক লাইব্রেরী। এতে তার খরচ হয়েছিল ৬০০০০টাকা।
১৯৬০ সালের পর তার অর্জিত সকল সম্পদ তিনি দান করে দিয়েছিলেন
......................................................................................................
বরিশাল শহরের অদূরে লামচরি গ্রামের এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্ম আমার ৩রা পৌষ, ১৩০৭ সালে। চার বছর বয়সে আমার বাবা মারা যান, ১৩১১ সালে। আমার বাবার বিঘা পাঁচেক কৃষিজমি ও ক্ষুদ্র একখানা টিনের বসতঘর ছিলো। খাজনা অনাদায়হেতু ১৩১৭ সালে আমার কৃষিজমিটুকু নিলাম হয়ে যায় এবং কর্জ-দেনার দায়ে মহাজনরা ঘরখানা নিলাম করিয়ে নেন ১৩১৮ সালে। তখন স্বামীহারা, বিত্তহারা ও গৃহহারা হয়ে মা আমাকে নিয়ে ভাসতে থাকেন অকূল দুঃখের সাগরে। সে সময়ে বেঁচে থাকতে হয়েছে আমাকে দশ দুয়ারের সাহায্যে। তখন আমাদের গ্রামে কোনোরূপ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিলো না। শরীয়তি শিক্ষা দানের জন্য জনৈক মুন্সি একখানা মক্তব খোলেন তাঁর বাড়িতে ১৩২০ সালে। এতিম ছেলে বলে আমি তাঁর মক্তবে ভর্তি হলাম অবৈতনিকভাবে। সেখানে প্রথম বছর শিক্ষা করলাম স্বর ও ব্যঞ্জনবর্ণ তালপাতায় এবং বানান-ফলা কলাপাতায়, কেননা আমার বই-স্লেট কেনার সঙ্গতি ছিলো না। অতঃপর এক আত্মীয়ের প্রদত্ত রামসুন্দর বসুর ‘বাল্যশিক্ষা’ নামক বইখানা পড়ার সময় ছাত্রবেতন অনাদায়হেতু মুন্সি সাহেব মক্তবটি বন্ধ করে দিলেন ১৩২১ সালে। আর এখানেই হলো আমার আনুষ্ঠানিক বিদ্যাশিক্ষার সমাপ্তি বা সমাধি।
পড়া-লেখা শেখার প্রবল আগ্রহ আমার ছিলো। কিন্তু কোনো উপায় ছিলো না। পেটের দায়ে কৃষিকাজ শুরু করতে হয় অল্প বয়সেই। আমার বাড়ির পাশে একজন ভালো পুঁথিপাঠক ছিলেন। কৃষিকাজের ফাঁকে ফাঁকে আমি তাঁর সাথে পুঁথি পড়তে শুরু করি, বাংলা ভাষা পড়বার কিছুটা মতা অর্জনের উদ্দেশ্যে এবং উদ্দেশ্য আংশিক সফল হয় জয়গুন, সোনাভান, জঙ্গনামা, মোক্তল হোসেন ইত্যাদি পুঁথি পাঠের মাধ্যমে। এ সময়ে আমার পাড়ার দু’টি ছেলে বরিশালের টাউন স্কুল ও জিলা স্কুলে পড়তো। তাদের পুরোনো পাঠ্যবইগুলো এনে পড়তে শুরু করি ১৩৩৫ সাল থেকে এবং তা পড়ি ১৩৪৩ সাল পর্যন্ত। কেন তা জানি না, সাহিত্য, গণিত, ভূগোল, ইতিহাস ইত্যাদির চেয়ে বিজ্ঞানের বই ও প্রবন্ধগুলো আমার মনকে আকর্ষণ করতো বেশি। তখন থেকেই আমি বিজ্ঞানের ভক্ত। আমার মা ছিলেন অতিশয় নামাজী-কালামী একজন ধার্মিকা রমণী। এবং তার ছোঁয়াচ লেগেছিলো আমার গায়েও কিছুটা। কিন্তু আমার জীবনের গতিপথ বেঁকে যায় আমার মায়ের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একটি দুঃখজনক ঘটনায়। ১৩৩৯ সালে মা মারা গেলে আমি মৃত মায়ের ফটো তুলেছিলাম। আমার মাকে দাফন করার উদ্দেশ্যে যে সমস্ত মুন্সি, মৌলবি ও মুসল্লিরা এসেছিলেন, ‘ফটো তোলা হারাম’ বলে মায়ের নামাজে জানাজা ও দাফন করা ত্যাগ করে তাঁরা লাশ ফেলে চলে যান। অগত্যা কতিপয় অমুসল্লি নিয়ে জানাজা ছাড়াই আমার মাকে সৃষ্টিকর্তার হাতে সমর্পণ করতে হয় কবরে। ধর্মীয় দৃষ্টিতে ছবি তোলা দূষণীয় হলেও সে দোষে দোষী স্বয়ং আমিই, আমার মা নন। তথাপি কেন যে আমার মায়ের অবমাননা করা হলো, তা ভেবে না পেয়ে আমি বিমূঢ় হয়ে মা’র শিয়রে দাঁড়িয়ে তাঁর বিদেহী আত্মাকে উদ্দেশ করে এই বলে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, “মা! আজীবন ছিলে তুমি ধর্মের একনিষ্ঠ সাধিকা। আর আজ সেই ধর্মের নামেই হলে তুমি শেয়াল-কুকুরের ভ্যক্ষ। সমাজে বিরাজ করছে এখন ধর্মের নামে অসংখ্য কুসংস্কার। তুমি আমায় আশীর্বাদ করো, আমার জীবনের ব্রত হয় যেন কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস দূরীকরণ অভিযান। আর সে অভিযান সার্থক করে আমি যেন তোমার কাছে আসতে পারি। তুমি আশীর্বাদ করো মোরে মা, আমি যেন বাজাতে পারি সে অভিযানের দামামা।”
আমি জানি যে, অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার দূরীকরণ অভিযানে সৈনিকরূপে লড়াই করবার যোগ্যতা আমার নেই। কেননা আমি পঙ্গু। তাই সে অভিযানে অংশ নিতে হবে আমাকে বাজনাদার রূপে। প্রতিজ্ঞা করেছি যে, সে অভিযানে দামামা বাজাবো। কিন্তু তা পাবো কোথায়? দামামা তৈরির উপকরণ তো আমার আয়ত্তে নেই। তাই প্রথমেই আত্মনিয়োগ করতে হলো উপকরণ সংগ্রহের কাজে।
বিজ্ঞান, ধর্মতত্ত্ব ও বিবিধ বিষয়ে কিছু কিছু জ্ঞানলাভের উদ্দেশ্যে বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরীর সদস্য হয়ে সেখানকার পুস্তকাদি অধ্যয়ন করতে শুরু করি ১৩৪৪ সাল থেকে। স্বয়ং মুসলমান সম্প্রদায়ভুক্ত বলে যদিও ইসলাম ধর্মের মূলতত্ত্ব সম্বন্ধে কিছু কিছু তত্ত্ব জানার সুযোগ ছিলো, কিন্তু হিন্দু, বৌদ্ধ, পার্সি, ইহুদি, খ্রীস্টান ইত্যাদি ধর্ম সম্বন্ধে বিশেষ কিছুই আমার জানার সুযোগ ছিলো না। তাই সেসব ধর্ম সম্বন্ধে কিছু কিছু জানার আগ্রহ নিয়ে পড়তে থাকি বরিশালের শংকর লাইব্রেরী ও ব্যাপ্টিস্ট মিশন লাইব্রেরীর কিছু কিছু বই। বরিশাল ব্রজমোহন কলেজের দর্শন বিভাগের প্রবীণ অধ্যাপক কাজী গোলাম কাদির সাহেব জানতেন আমার সাধনার উদ্দেশ্য কি। তাই উদ্দেশ্যসিদ্ধির সহায়ক হবে বলে তিনি আমাকে দর্শনশাস্ত্র চর্চা করতে উপদেশ দেন এবং তাঁর উপদেশ ও সহযোগিতায় দর্শনসমুদ্রের বেলাভূমিতে বিচরণ করতে থাকি ১৩৫৪ সাল থেকে। তখন দিন যেতো মাঠে আমার রাত যেতো পাঠে।
মায়ের মৃত্যুর পর থেকে দীর্ঘ ১৮ বছর সাধনার পর কতিপয় ধর্মীয় অন্ধবিশ্বাসকে দর্শনের উত্তাপে গলিয়ে বিজ্ঞানের ছাঁচে ঢেলে তার একটি তালিকা তৈরি করছিলাম প্রশ্নের আকারে ১৩৫৭ সালে। এ সময় স্থানীয় গোঁড়া বন্ধুরা আমাকে ধর্মবিরোধী ও নাখোদা (নাস্তিক) বলে প্রচার করতে থাকে এবং আমার দুর্নাম ছড়িয়ে পড়ে গ্রাম ছেড়ে শহর পর্যন্ত। লোক পরম্পরায় আমার নাম শুনতে পেয়ে তৎকালীন বরিশালের লইয়ার ম্যাজিস্ট্রেট ও তাবলিগ জামাতের আমির জনাব এফ. করিম সাহেব সদলে আমার সাথে তর্কযুদ্ধে অবতীর্ণ হন ১৩৫৮ সালের ১২ই জ্যৈষ্ঠ তারিখে আমার বাড়িতে গিয়ে। সে দিনটি ছিলো রবিবার, সাহেবের ছুটির দিন। তাই তিনি নিশ্চিন্তে আমার সাথে তর্কযুদ্ধ চালান বেলা ১০টা থেকে ২টা পর্যন্ত। যুদ্ধে পরাজিত হয়ে বরিশালে গিয়ে তিনি আমাকে এক ফৌজদারি মামলায় সোপর্দ করেন ‘কম্যুনিস্ট’ আখ্যা দিয়ে। সে মামলায় আমার জবানবন্দি তলব করা হলে উপরোল্লিখিত তালিকার প্রশ্নগুলোর কিছু কিছু ব্যাখ্যা লিখে ‘সত্যের সন্ধান’ নাম দিয়ে তা জবানবন্দিরূপে কোর্টে দাখিল করি তৎকালীন বরিশালের পুলিশ সুপার জনাব মহিউদ্দীন সাহেবের মাধ্যমে, ২৭শে আষাঢ়, ১৩৫৮ সালে (ইং ১২. ৭. ৫১)। ‘সত্যের সন্ধান’-এর পাণ্ডুলিপিখানার বদৌলতে সে মামলায় দৈহিক নিষ্কৃতি পেলাম বটে, কিন্তু মানসিক শাস্তি ভোগ করতে হলো বহু বছর। কেননা তৎকালীন পাকিস্তান তথা মুসলিম লীগ সরকারের স্থানীয় কর্তৃপ নির্দেশ দিলেন যে, ‘সত্যের সন্ধান’ বইখানা আমি প্রকাশ করতে পারবো না, ধর্মীয় সনাতন মতবাদের সমালোচনামূলক অন্য কোনো বই লিখতে পারবো না এবং পারবো না কোনো সভা-সমিতিতে বক্তৃতামঞ্চে দাঁড়িয়ে স্বমত প্রচার করতে। যদি এর একটি কাজও করি, তবে যে কোনো অজুহাতে আমাকে পুনঃ ফৌজদারিতে সোপর্দ করা হবে। অগত্যা কলম-কালাম বন্ধ করে ঘরে বসে থাকতে হলো ১৯৭১ সাল পর্যন্ত। এভাবে নষ্ট হয়ে গেলো আমার কর্মজীবনের অমূল্য ২০টি বছর।
বাংলাদেশে কুখ্যাত পাকিস্তান সরকারের সমাধি হলে পর ‘সত্যের সন্ধান’ বইখানা প্রকাশ করা হয় ১৩৮০ সালে, রচনার ২২ বছর পর। তারপরে আমার লিখিত বই ‘সৃষ্টি রহস্য’ প্রকাশিত হয় ১৩৮৪ সালে, ‘স্মরণিকা’ ১৩৮৯ সালে এবং ‘অনুমান’ নামের ক্ষুদ্র একখানা পুস্তিকা ১৩৯০ সালে। এ প্রসঙ্গে সভাসীন সুধীবৃন্দকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, আমার লিখিত যাবতীয় পুস্তক-পুস্তিকাই হচ্ছে আমার মায়ের মৃত্যুদিনে আকাক্সিত ‘দামামা’র অঙ্গবিশেষ। কেউ কেউ মনে করতে পারেন যে, আমি ধর্মের বিরোধিতা করছি। বস্তুত তা নয়। পশু, পাখি, কীট-পতঙ্গ ইত্যাদি সমস্ত জীবের এমনকি জল, বায়ু, অগ্নি ইত্যাদি পদার্থেরও এক একটি ধর্ম আছে। ধর্ম একটি থাকবেই। তবে তার সঙ্গে অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার থাকা আমার কাম্য নয়। মানব সমাজে ধর্মের আবির্ভাব হয়েছিলো মানুষের সার্বিক কল্যাণের জন্যই। কিন্তু বর্তমানে প্রচলিত ধর্মগুলো মানুষের কল্যাণের চেয়ে অকল্যাণই করছে বেশি, অবশ্য জাগতিক ব্যাপারে। ধর্মবেত্তারা সকলেই ছিলেন মানবকল্যাণে আত্মনিবেদিত মহাপুরুষ। কিন্তু তাঁরা তাঁদের দেশ ও কালের বন্ধনমুক্ত ছিলেন না। তাঁদের প্রবর্তিত সেকালের অনেক কল্যাণকর ব্যবস্থাই একালের মানুষের অকল্যাণের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাই ধর্মীয় সমাজবিধানে ফাটল ধরেছে বহুদিন আগে থেকেই। সুদ আদান-প্রদান, খেলাধুলা, নাচ-গান, সুরা পান, ছবি আঁকা, নারী স্বাধীনতা, বিধর্মীর ভাষা শিক্ষা, জন্মনিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি ধর্মবিরোধী কাজগুলো এখন শুধু রাষ্ট্রীয় সমর্থনপুষ্টই নয়, লাভ করেছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। বিশেষত গান, বাজনা, নারী, নাচ ও ছবি - এ পাঁচটির একত্র সমাবেশ দেখতে পাওয়া যায় সিনেমা, রেডিও এবং টেলিভিশনে। কিন্তু সেসবের বিরুদ্ধে সনাতনপন্থীরা কখনো প্রতিবাদের ঝড় তোলেননি। অথচ প্রতিবাদের ঝড় তুলেছেন ফজলুর রহমান, বযলুর রহমান, আ. র. হ. এনামুল হক, আবুল ফজল প্রমুখ মনীষীগণের দু’কলম লেখায়। কতকটা আমারও।
বিজ্ঞানের নব নব আবিষ্কারের ফলে ধর্ম হোঁচট খাচ্ছে পদে পদে। কোনো ধর্মের এমন শক্তি নেই যে, আজ ডারউইনের বিবর্তনবাদ বাতিল করে দেয়, নাকচ করে মর্গানের সমাজতত্ত্ব এবং ভ্রান্ত বলে প্রমাণিত করে কোপার্নিকাস-গ্যালিলিওর আকাশ তত্ত্ব, নিউটনের মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্ব এবং আইনস্টাইনের আপেকিতা তত্ত্বকে। মধ্যযুগে যুগমানবের আসনে সমাসীন ছিলেন তৎকালীন মুনি-ঋষি ও নবী-আম্বিয়ারা। তাঁরা ছিলেন গুণী, জ্ঞানী ও মহৎ চরিত্রের মানুষ, তবে ভাববাদী। তাঁদের আদেশ-উপদেশ পালন ও চরিত্র অনুকরণ করেছেন সেকালের জনগণ এবং তখন তা উচিতও ছিলো। কিন্তু সেই সব মনীষীরা এযুগের মানুষের ইহজীবনের জন্য বিশেষ কিছুই রেখে যাননি, একমাত্র পারলৌকিক সুখ-দুঃখের কল্পনা ছাড়া। এ যুগের যুগমানবের আসনে সমাসীন আছেন - কবি-সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, দার্শনিক ও বিজ্ঞানীরা। এঁরা সবাই এযুগের গুণী, জ্ঞানী ও মহৎ চরিত্রের মানুষ। তবে এঁরা হচ্ছেন মুক্তমন, স্বাধীন চিন্তার অধিকারী ও বাস্তববাদী। এঁদের অবদান ছাড়া এ যুগের কোনো মানুষের ইহজীবনের এক মুহূর্তও চলে না। তাই এঁদের সম্মিলিত মতাদর্শ আমাদের মস্তকে গ্রহণ করা উচিত ভাববাদের আবর্জনার বোঝা ফেলে দিয়ে। বর্তমান যুগে বিজ্ঞানবিরোধী কোনো শিক্ষাই গ্রহণীয় নয়। এখন প্রশ্ন হতে পারে যে, এঁদের সম্মিলিত মতাদর্শ কি? এক কথায় তার উত্তর হচ্ছে - মানবতা। হয়তো ঐ মানবতাই হবে আগামী দিনের মানুষের আন্তর্জাতিক ধর্ম তথা ‘মানবধর্ম’।
---------------------------------------------------------------------------------
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সভায় (যে সভাটি কোনো কারণবশত অনুষ্ঠিত হয়নি) পাঠ করার জন্য আরজ আলী মাতুব্বরের লিখিত ভাষণের নির্বাচিত অংশ উদ্ধৃত করা হলো এ জন্যেই যে, আমরা তাঁর ঘটনাবহুল জীবন ও তাঁর গড়ে ওঠা চিন্তাজগতের একটা রূপরেখা এ থেকেই পেয়ে যেতে পারি।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সাইফ ;
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ম্যাক্স পেইন বলেছেন:
সালগুলা ইংরেজীতে দিয়েন
লেখক বলেছেন: ভুল হয়ে গেছে। আসলে মাতুব্বর সাহেব নিজেই তার জীবন বানীতে বাংলা ব্যবহার করেছেন
তারেক.মাহমুদ বলেছেন:
আরজ আলী মাতুব্বরের মত মানুষ এই সমাজে বিরল। বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই তার স্মৃতির প্রতি।
লেখক বলেছেন: সহমত
সাইফ ইমাম বলেছেন:
আরো ডিটেইলস লিখলে ভালো হতো। +++
লেখক বলেছেন: পরে দিব।এখন সময় কুলোচ্ছে না
শেরজা তপন বলেছেন:
উনার সন্মন্ধে জানার আগ্রহ ছিল-ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
সবাক বলেছেন:
ডিটেইলস লিখেন।
লেখক বলেছেন: পুরা জীবন ইতিহাস তো দেয়া সম্ভব নয়। নির্বাচিত অংশ দিতে হবে ।
সময় লাগবে
হেমায়েতপুরী বলেছেন:
তাঁর কথা বুঝতে হলে অনেক শিক্ষা প্রয়োজন। আমার ভাল লেগেছে।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই
লেখক বলেছেন: ৩ খন্ডে তার রচনা সমগ্র পাওয়া যাচ্ছে। লাইব্রেরিতে খোজ নেন।
রাঙা মীয়া বলেছেন:
হুমম.মাতুব্বর সাহেবের বইটি আমাকেও প্রচন্ড বিস্মিত করেছে
লেখক বলেছেন: কোন বইটা
গোয়েবলস বলেছেন:
আরজ আলী মাতুব্বরের বই পড়ি ইন্টা দ্বিতীয় বর্ষে পড়াকালীন।সমাজ, দর্শন, সাহিত্য, ধর্ম, বিজ্ঞান- সব শাখাতেই তিনি বিচরন করেছেন।
বরিশাল পাবলিক কলেজের লাইব্রেরির সব বই পড়ে শেষ করেন।
প্রচলিত সমাজব্যবস্থা,, ধর্ম নিয়ে অনেক জ্ঞানী গুনী প্রশ্ন তুলেছেন কিন্তু কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না নিয়েও এ সম্পর্কে যে সকল প্রশ্ন তুলেছেন তা অবশ্যই প্রশংসা পাবার যোগ্য।
লেখক বলেছেন: আপনার লেখাটা ডিজিটাল ভুতের জন্য কপি করছি
ক্ষমা দিবেন।
গোয়েবলস বলেছেন:
@ভূবন : আজিজ মার্কেটে তাঁর বই পাবেন।
রাঙা মীয়া বলেছেন:
আপনার পোস্টের বিষয়বস্তু এবং তথ্যের সূত্র কি ? পোস্টে কিন্তু উল্লেখ নেই।জাস্ট মনে করিয়ে দিলাম: কিছু মনে কইরেন না ।
লেখক বলেছেন: উনার নিজের লেখা জীবন বানী
ডিজিটালভূত বলেছেন:
আরজ আলী মাতুব্বর ঠিক আছে কিন্তু উনি বিস্ময় অইল ক্যাম্মে যদি একটু বুঝাইয়া কইতেন। মুই তো উনার মধ্যে বিস্ময়ের কিছু দেহি না। আর মোগো বাড়ি্ও লামচরি। উনি ওনার সমাজে খূব ঘৃনিত ছিলেন বলে মুই জানি। বিশ্বাস না অইলে লামচরি আইয়া একটু ঘুইররা যান।
লেখক বলেছেন: প্রতিকুল পরিবেশে নিজেকে গড়ে তোলাটাই তার সবচেয়ে বড় বিস্মর
লেখক বলেছেন: সমাজ, দর্শন, সাহিত্য, ধর্ম, বিজ্ঞান- সব শাখাতেই তিনি বিচরন করেছেন।
বরিশাল পাবলিক কলেজের লাইব্রেরির সব বই পড়ে শেষ করেন।
প্রচলিত সমাজব্যবস্থা,, ধর্ম নিয়ে অনেক জ্ঞানী গুনী প্রশ্ন তুলেছেন কিন্তু কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না নিয়েও এ সম্পর্কে যে সকল প্রশ্ন তুলেছেন তা অবশ্যই প্রশংসা পাবার যোগ্য।
ইমরান মাঝি বলেছেন:
লেখাটা ভালো লাগলো । ভালো থাকবেন।
রঙ্গিলা মানুষ বলেছেন:
জন্ম তারিখটা সম্ভবত পৌষের ৩ তারিখ আর মৃতৃ ১৯৮১। আরজআলী মাতুব্বরের জীবনী নির্ভর একটি নাটক করেছে নাট্যদল " নাট্যকেন্দ্র"। মাসুম রেজার রচণায় তারিক আনাম খানের পরিচালনায় নাটকটির নাম " আরজ চিরতামৃত" আগামী ১৯ শে আগষ্ট ২০০৯ শিল্পকলা একাডেমীর এক্সপেরিমেন্টাল হলে নাটকটির পরবর্তী প্রদর্শনী আছে। আগ্রহীরা দেখতে পারেন মনে হয় ভাল লাগবে। নাটকটিতে আরজ আলীর জীবনের আরও অনেক সংগ্রামী দিক তুলে আনা হয়েছে।
লেখক বলেছেন: ওর বইয়ের কভারপেজে আছে ৭ । বইতে আছে ৩ । কোনটা সঠিক ধরি বলেন তো?
লেখক বলেছেন: মৃত্যু ৮৫সাল ঠিক আছে।
ভালো থাকবেন
ইসানুর বলেছেন:
ব্রাইট বলেছেন: ডিজিটালভূত বলেছেন: আরজ আলী মাতুব্বর ঠিক আছে কিন্তু উনি বিস্ময় অইল ক্যাম্মে যদি একটু বুঝাইয়া কইতেন। মুই তো উনার মধ্যে বিস্ময়ের কিছু দেহি না।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















