somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি কুড়িয়ে পাওয়া তিলের আত্মকাহিনী...

১২ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১২:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



মনে পড়ে কি তোমার অরুণিমা,
রক্তিম ঠোঁটের নিচে কালো বিন্দুর মত সেই ছোট্ট তিলটার কথা?
তোমাকে ভাল লাগার প্রথম চিহ্ন ছিল যে ওটাই...

খুব যত্ন করে আগলে রেখো ওটাকে,
কোন একদিন তোমাকে নয়...
হয়তো ঐ তিলটাই আমি চেয়ে বসবো।
ফিরিয়ে দিতে পারবে না কিন্তু সেদিন আমাকে,
তোমাকে কাছে পাওয়ার ঐ একটাই পথ যে জানা আছে আমার!

ভালোবাসার এই মহা তীর্থ ভ্রমণে-
যদি প্রত্যাখ্যাত হই কোনদিন কোনভাবে,
তাহলে সেদিন আমার কেবল একটাই চাওয়া থাকবে তোমার কাছে!
হয় আমার হও, নাহলে ঐ তিলটা আমাকে দিয়ে দাও...
ফিরিয়ে দিতে পারবে না কিন্তু সেদিন আমাকে!

তুমি সুন্দরী হলে ঐ তিলটা তোমার সৌন্দর্যের ধারক,
তুমি রূপবতী হলে ঐ তিলটাই তোমার রূপের জৌলুষ!

আমি তোমাকে নয় ঐ তিলটাকে চাই...
আমার প্রথম পছন্দ সে তো কেবল আমারই প্রাপ্য,
তোমার কাছে বাড়তি চাওয়া বলতে আমার আর কিছু নাই!!


পুনশ্চঃ- স্কুল জীবনে সনেট কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তকে ‘জঘন্ন্য কবি’ বলার অপরাধে বাংলা স্যারের কাছে অসম্ভব রকমের পিটানী খেয়ে বুঝেছিলাম, কবিরা যাই লিখুক না কেন আম জনতার দ্বায়িত্ব হল সেটা কেবল পড়া; সমালোচনা করা নয়। সেই থেকে আজ অবধি আমি কবি বা কবিতা, চাইলেও কোনটিকে নিয়ে সমালোচনা করতে পারি না।

আসলে যখনই সমালোচনা করতে যাই, তখনই চোখের সামনে সেই মাইরের দৃশ্যটা এমনভাবে ভেসে ওঠে যে; সাথে সাথে গায়ে কাঁপুনি দিয়া জ্বর আসে। মনেহয় কবিকে খারাপ বলার অপরাধে এই বুঝি বাংলা স্যার হুঙ্কার দিয়ে বেত উচিয়ে আমাকে পিটাইতে আসতেছে। বড়ই দুশ্চিন্তার কথা! :(

তবে কই জানি পড়ছিলাম, সাহিত্য জগতের সব থেকে কঠিন সৃষ্টি হইল কবিতা। কারণ কবিতা এমন একটা জিনিস, যা খুব অল্প কথার মাধ্যমে পাঠককে অনেক বেশি কিছু বুঝানো লাগে। যেটা চাইলেও সবাই পারে না।আর আমি সেই পারে না দলেরই একজন অতিশয় নগন্য সদস্য।

তবে ব্লগে আমার একজন গুণমুগ্ধ পাঠক আছেন। আমি যাই লিখি না কেন, সেটাই নাকি তার কাছে অনেক ভাল লাগে। যদিও তিনি যে একটু বাড়িয়ে বলেন সেটা হয়তো সকলেরই জানা। তবে গত কয়েকদিন ধরে তিনি অনেকবার করে রিকোয়েস্ট করতেছেন, আমি যেন কিছু একটা লিখি। তাকে কথা দিয়ে ছিলাম কিছু একটা লিখবো। কিন্তু কি লিখবো কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।

যদিও মাথার মধ্যে বেশ কয়েকটা আইডিয়া ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু সেগুলো লিখতে অনেক সময়ের দরকার। যেটা আপাতত আমার কাছে একদমই নেই। তবে কথা যখন দিয়েছি তখন কিছু তো একটা লিখতেই হবে। অতএব হরমন যুক্ত পল্টি মুরগী খাওয়া মাথাটাকে ঝাঁকিয়ে কি লিখবো কি লিখবো করতে করতে শেষ পর্যন্ত এইটাই লিখে ফেললাম। ;)

কেমন হয়েছে জানি না! হয়তো খুব জঘন্ন্য হয়েছে পড়তে। তথাপি, ব্লগে এটাই আমার প্রথম কবিতা পোস্ট সেই খাতিরেও অন্তত সবার কাছে একটা ফাস্ট কনসেশান তো পেতেই পারি... B-))

আর যার অনুপ্রেরণাতে এই কবিতার জন্ম হল, সেটা যদি তাকে উৎসর্গ করতে না পারি তাহলে কি হয় বলেন? অতএব নীলপরি, এই কবিতা কেবলমাত্র আপনাকেই উৎসর্গ করা হলো। আশাকরি খারাপ লাগলেও সেটা নিজগুনে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন!

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ- টাইপিংয়ের ভুলের কারণে হয়তো অনেক জায়গায় বানানে ভুল থাকতে পারে। সেটাকে বিবেচ্য বিষয় হিসাবে না ধরে, ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখলে কৃতার্থ হবো! ভাল থাকবেন সবাই! শুভ কামনা রইলো সবার জন্য... !:#P
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:২৪
৪০টি মন্তব্য ৩৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কেমন আছো সামহোয়ার ইন!

লিখেছেন অগ্নি সারথি, ২০ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:১৫



দুটো ছোট গল্পঃ

১। পরীবাগে আগুন!
বৃহস্পতিবার মধ্যরাত্রীতে কাউকে কিছু বুঝতে না দিয়ে দপ করে জ্বলে ওঠে উপশহর মাগীপাড়া। বাড়িওলি থেকে শুরু করে সর্দারনী, ছুকরী কেউ রেহাই পায়নি সেদিন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কালী, মানুষকে খেতে দে, দরিদ্রদের খেতে দে

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২০ শে নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:০৩



এই ঘটনাটি ঘটেছিলো আমার দশম শ্রেণীর শুরুর দিকে: আমার ঘনিষ্ঠ ক্লাশমেট, মেশকাত ইলেকটিভ ম্যাথে একটু কাঁচা ছিলো; সে আমার দলে ফুটবল খেলতো; তাই, তাকে অংকে সাহায্য করতে হতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

উন্নয়ন ফর্মূলা কি মার খেয়ে যাচ্ছে?

লিখেছেন খাঁজা বাবা, ২০ শে নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৫৯




নমিনেশন ফর্ম বিক্রি শেষ। এখন চলছে সাক্ষাতকার। বি এন পির স্বাক্ষাতকার পর্বে তারেক রহমান ভিডিও কনফারেন্সে প্রার্থীদের সাক্ষাতকার নিচ্ছিলেন। এতে প্রথম আওয়ামীলীগ নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করে। যা নির্বাচন কমিশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওয়েব সাইটঃ যারা শিখতে চায়, শিখাতে চায় তাদের জন্য।

লিখেছেন মোঃ মঈনুদ্দিন, ২০ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:২০

যে শিখে এবং যে শিখায় উভয়ই মহান।।



শিক্ষা হলো আলো আর অজ্ঞতা হলো আঁধার যা আলোর বিপরীত। বর্তমান বিশ্ব জ্ঞান নির্ভর, কিন্তু জ্ঞানের অপর্যাপ্ততা আমাদেরকে এক ধরণের কূপমন্ডুক করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রামানিক, গুরু তোমায় ছড়াঞ্জলি (গণতন্ত্রের উল্টো কথা)

লিখেছেন কি করি আজ ভেবে না পাই, ২০ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪০



মূলঃ গণতন্ত্রের উল্টো কথা-ছড়ারাজ প্রামানিক

হলোই না হয় চোর বাটপার
ঠগ বা ওদের দালাল;
দলের টিকেট পেলেই তো ব্যস
সব হয়ে যায় হালাল।

কে দাঁড়ালো সে কেবা চায়
মার্কা বাপু মুখ্য;
সুখ কিবা দুখ মার্কা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×