আমার প্রিয় পোস্ট
- ১৯৭১ , জেড ফোর্সের মুক্তিযুদ্ধ : জিয়া-শাফায়াত-মইন-আমিনুলদের যুদ্ধ দিনের গল্প জানুন ছবি আর বর্ননায়........ - দাসত্ব
- সেয়ানা বিপ্লবী তাহের আর ৭ ই নভেম্বরের ছায়া নায়কদের অস্পষ্ট কায়া........... - দাসত্ব
- প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : যার নিরেট দেশপ্রেমের স্বাক্ষী দেয় সিআইএ'র সিক্রেট টেলিগ্রাম ০৩২৫/০৯৫০Z.....এবং অনেক অজানা কথকতা....... - দাসত্ব
- মুক্তিযুদ্ধের সেই কিংবদন্তী গুলো : ইয়াহিয়া খানের সেক্স অর্গি , বোরকা পরা গেরিলা আর রাজাকারদের দ্বিচরিত্র - দাসত্ব
- DOI : বলধা গার্ডেনের মেসেজ , কন্ঠ কি মুজিবের ছিলো ? - দাসত্ব
- DOI : ২ টি মেসেজ , নাম মুজিবের , ব্যক্তিটি কে ? - দাসত্ব
- DOI : ২ টি টেলিফোন , রাত ১২-১.০০ টা , শেখ মুজিবের ট্রু লাইস : মার্চ ২৬ - দাসত্ব
- বেহেশত নামের গ্রহ , অদ্ভুত Amenity , কুরআন , Geology - দাসত্ব
- X Facts : UFO : Spy স্যাট আর জেমস ক্যামেরনের ফিল্মি মসলা - দাসত্ব
- বাংলাদেশ জিন্দাবাদ শ্লোগান ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ উচ্চারিত হয়েছিলো , রেসকোর্সের ময়দানে , এদেশেরই মানুষের বিজয়তপ্ত আওয়াজে....... - দাসত্ব
- অফেন্ডিং শেখ মুজিব-১ : ২৫ মার্চ , ১৯৭১ , টাইম ম্যাগাজিনের অদ্ভুত তথ্য - দাসত্ব
- AML থেকে AL , অসাম্প্রদায়িকতার কার্টেইন এবং পেছনের কাহিনী - দাসত্ব
- X Facts : মুজিব হত্যাঃ জিয়া , প্রচলিত কিছু বক্তব্য , চেপে রাখা না বলা তথ্য - দাসত্ব
DOI : ২ টি টেলিফোন , রাত ১২-১.০০ টা , শেখ মুজিবের ট্রু লাইস : মার্চ ২৬
৩০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:৪৭

স্বাধীনতার ঘোষনা বিতর্ক অবসানে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছে সেখানে বিচারপতি খায়রুল হকের বিচারিক অভিমতই আমাকে এই পোস্ট টি নিয়ে চিন্তা করার উৎসাহ দিয়েছে।
সেখানে যেটা বলেছিলেন খায়রুল হক :
"এটি জিজ্ঞাস্য হতে পারে যে বিচারকরা ইতিহাস নির্ধারন করতে পারে কিনা । মূলত আমরা ইতিহাস নির্ধারনের দায়িত্ব নিতে পারিনা। কিন্তু বাংলাদেশের সংবিধানে মুজিব নগর সরকারের ঘোষনা মোতাবেক স্বাধীনতা দিবস ২৬ শে মার্চ এবং শেখ মুজিবর রহমান এই ঘোষনা দেন। এর ব্যতয় ঘটলে সংবিধান লংঘন হয় , সংবিধানকে সমুন্নত রাখার জন্যই এই রায় ।"
সুতরাং বিষয়টা ইতিহাসের তথ্যের কাঁটাছেড়ায় নির্ভুল প্রমানিত কিনা সেটা এখনো পেন্ডিং রয়ে গেছে।
২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষনা দেশব্যপী ছড়িয়ে পড়েছিলো এটা নিরেট সত্য ইতিহাস ।কিন্তু সেই ঘোষনা গুলোর ভেতরে তারতম্য পাওয়া যায় বক্তব্যের দিক থেকে এবং সোর্সের দিক থেকেও।
তাই ধানমন্ডী ৩২ নং থেকে সেদিন এই মেসেজ গুলো কিভাবে বেরিয়ে এসেছিলো অর্থাৎ সেই রূদ্ধশ্বাস সময়টাতে শেখ মুজিব কিভাবে ধানমন্ডী ৩২ নং এর বাইরের লোকদের সাথে কমিউনিকেট করেছিলেন এবং মেসেজ গুলো প্রচারকারী ব্যক্তিদের হাতে পৌছেছিলো সেটার চুলচেরা বিশ্লেষন এখনো পাইনি।
মোটা দাগে বলে ফেলা হয় টেলেক্স , টেলিফোন , ওয়্যারলেসে মাধ্যমে মেসেজ পাঠানো হয়েছিলো।
কিন্তু তথ্যগুলোর কখনোই মাইক্রস্কোপিক ডায়াগনসিস হয়েছে বলে মনে হয়নি।
সেই উদ্দেশ্যেই এই .....
ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং : DOI (Declaration of Independence).
প্রথমেই দেখা যাক ধানমন্ডী ৩২ নং এ মার্চ ২৫ কি ঘটেছিলো:
সন্ধ্যা ৬:০০ :
সুপরিচিত পাকিস্তানী সাংবাদিক তারিক আলীর পিতা মাজহার আলী এবং রেহমান সোবহান শেখ মুজিবের সাথে দেখা করেন এবং তাকে জানান মিলিটারী ক্র্যাকডাউন আসন্ন।
[ সূত্র: বাংলাদেশের অভ্যুত্থান এবং একজন প্রতক্ষ্যদর্শীর ভাষ্য , রেহমান সোবহান , ভোরের কাগজ প্রকাশনী , ১৯৯৪ ]
শেখ মুজিব এরপর ইয়াহিয়ার সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকেন।
এবং আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ১জন সংবাদবাহক স্থানীয় এবং বিদেশী সাংবাদিকদের মাঝে ১টি প্রেসনোট বিলি করেন যেটিতে উল্লেখ করা হয়:
"প্রেসিডেন্টের সাথে আলোচনা চুড়ান্ত হয়েছে , ক্ষমতা হস্তান্তরের মতানৈক্য হয়েছে এবং আমি (বংগবন্ধু) আশা করি প্রেসিডেন্ট তা ঘোষনা করবেন"।
এবিষয়ে অ্যান্থনি মাসকারেনহাস বলেন:
"আমার দুঃখ হয় , এই নির্বুদ্ধিতা সম্পর্কে আমার কোন মন্তব্য নেই"
[ সূত্র: রেপ অব বাংলাদেশ , অ্যান্থনি মাসকারেনহাস , অনুবাদ মযহারুল ইসলাম , ১৯৭৩ , পৃষ্ঠা:১১৩ ]
২৫ শে মার্চ ইয়াহিয়া এবং ভুট্টোর ভেতর ৪৫ মিনিটের ১টি মীটিং হয়।
শেখ মুজিব পূর্ব ঘোষনা অনুযায়ী ২৫শে মার্চে ইয়াহিয়ার ভাষনের জন্য অপেক্ষা করেন।
সন্ধ্যা ৬:০০ টা পরবর্তী:
ইয়াহিয়া করাচীর উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। তার এই ঢাকা ডিপারচার এর প্রতক্ষ্যদর্শী ছিলেন ২ জন বাঙালী সামরিক কর্মকর্তা।
১.
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে এটি প্রতক্ষ্য করেন লে. কর্নেল এ. আর চৌধুরী।
২.
বিমানবন্দরে এটি প্রতক্ষ্য করেন এয়ারফোর্সের গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে. খোন্দকার।
ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলামের কলাম থেকে যেটা জানা যায়
ইয়াহিয়া বিকাল ৫: ৪৫ এ প্রেসিডেন্টস হাউজ থেকে বেরিয়ে সোজা ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে যান এবং সেখান থেকে গোপনে এয়ারপোর্ট যান।
ক্যাঃ রফিকের কলাম , ২৫ মার্চ , ২০১০ , ইত্তেফাক
শেখ মুজিব তখনো ১ টি ফোনকলের অপেক্ষায় ছিলেন।
এবং ডঃ কামাল হোসেন কে বার বার জিজ্ঞেস করছিলেন কোন ফোন এসেছে কিনা।
প্রতিবারই ডঃ কামালের উত্তর ছিলো না সূচক।
ফোনটি আসার কথা ছিলো পাকিস্তান সেনাবাহিনীর লেঃ জেনাঃ পীরজাদার কাছ থেকে।
কারন ইয়াহিয়া বলেছিলো তার ভাষন প্রচারের আগে পীরজাদার সাথে শেখ মুজিবের ১টি ছোট বৈঠক হবে।
সেই ফোনকল আর আসেনি কোনদিন।শেখ মুজিবও বুঝতে পারেন সব আশা শেষ। ইয়াহিয়া ধোঁকা দিয়েছে।
[ সূত্র : বংগবন্ধু শেখ মুজিব , জীবন ও রাজনীতি , ১ম খন্ড , সম্পাদক মোনায়েম সরকার , বাংলা একাডেমী ২০০৮ , পৃষ্ঠা:৪৪৭ ]
সন্ধ্যা ৭:০০:
সিডনী শনবার্গের রিপোর্ট [ ২৯ মার্চ , নিউইয়র্ক টাইমস ] থেকে যেটা জানা যায় দেশজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় বাঙালী বিহারীর সংঘর্ষ হয় এবং শেখ মুজিব ১টি বিবৃতিতে এর নিন্দা জানান।

রাত ৮:০০ - ৮:৩০:
এরকম একটা অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে এইচ এম কামরুজ্জামান , ক্যাপ্টেন মনসুর আলী , তাজউদ্দীন আহমদ এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম শেখ মুজিবের সাথে দেখা করে চলে যান।
শেখ ফজলুল হক মনি ২৫ শে মার্চ সন্ধ্যায়ই টুংগীপাড়া চলে যায় এবং শেখ কামাল রাত ৯টায় ধানমন্ডী ৩২নং ছেড়ে যান।
[ সূত্র : শেখ মুজিব , এস.এ. করিম, ইউপিএল, ২০০৫, পৃষ্ঠা ১৯৫ ]
রাত ৮:৩০ - ৯:০০:
শেখ মুজিবের সাথে দেখা করে ধানমন্ডী ৩২ নাম্বার থেকে বেরিয়ে আসেন ঢাকা ইত্তেফাকের সিনিয়র রিপোর্টার সৈয়দ শাহজাহান।
মঈনুল আলমের কলাম , ২৫ মার্চ ২০১০ , ইত্তেফাক
রাত ৯:০০- ৯:৩০:
ডঃ কামাল হোসেন এবং ব্যারিষ্টার আমিরুল ইসলাম ৩২নং থেকে বিদায় নেন।
অজয় রায়ের স্বাধীনতার ঘোষনা বিষয়ক আর্টিকল থেকে যেটা জানা যায় রাত ৯ :০০ টায় সাইমন ড্রিং শেখ মুজিব কে ফোন করেছিলেন , সোর্স: ৩১ মার্চ ১৯৭১ , ডেইলী টেলিগ্রাফ
এই তথ্যটির ১ টি ক্লু পাওয়া যায় সাইমন ড্রিং এর আরেকটি রিপোর্টে।
২৯ মার্চ , ১৯৭১ , ডেইলী টেলিগ্রাফ :

রাত ৯:১০:
ঠিক এই সময়েই প্রথমবারের মত গোলাগুলির শব্দ শুনেছেন জানান রেহমান সোবহান।
[ সূত্র : প্রাগুক্ত ]
রাত ১০:০০ - ১০:৩০:
ঠিক এই সময়টাতেই শেখ মুজিবের সাথে দেখা করেন নঈম গহর।
কেননা শেখ মুজিবের সাথে দেখা করে তিনি এম.আর. সিদ্দীকীর সাথে ফোনে কথা বলেন এবং কথা বলা শেষ হলে দেখেন রাত প্রায় ১১: ০০
নঈম গহরের কলাম , ২৫ মার্চ , ২০১০ , দৈনিক সমকাল
রাত ১০:৩০:
ইস্ট পাকিস্তান শিপিং কর্পোরেশনের এম.ডি. ক্যাপ্টেন রহমান এবং ২ জন এক্স নেভাল অফিসার কমান্ডার ফারুক এবং লে. মতিউর রহমান শেখ মুজিবের সাথে দেখা করতে আসেন।
এ সময় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ প্রধান আব্দুর রাজ্জাক এর ১টি ফোন আসে শেখ মুজিবের কাছে এবং "ইপিআর কে ডিসার্মড করা হয়েছে" শেখ মুজিব কে এতটুকু বলতে না বলতে লাইন কেটে যায়।
[ সূত্র : শেখ মুজিবের বাসভবনে সে সময় অবস্থানরত পারিবারিক কর্মচারী মমিনুল হক খোকা , প্রাগুক্ত , পৃষ্ঠা - ৪৪৭-৪৮ ]
রাত ১১:০০:
আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ প্রধান আব্দুর রাজ্জাক শেখ মুজিবের সাথে সাক্ষাত করে তাঁকে আত্মগোপন করার অনুরোধ জানালে, শেখ মুজিব তাকে জানান তিনি বাসা ছেড়ে যাবেননা , মরতে হলে সেখানেই মরবেন।
[ সূত্র : আর্চার ব্লাড, দ্য ক্রুয়েল বার্থ অব বাংলাদেশ, ইউপিএল, ২০০৬, পৃষ্ঠা ১৯৮]
যদিও শেখ মুজিবের এই মুখের গর্জন শেষ পর্যন্ত একেবারেই বর্ষায়নি
বাস্তবিকভাবে।
সাইমন ড্রিং এর [৩০ মার্চ , ডেইলী টেলিগ্রাফ] রিপোর্টে যেটা পাওয়া যায় রাত ১০:০০ - ১১:০০ টার মধ্যে শেখ মুজিবের সাথে তার ১ জন রাজনৈতিক শিষ্যের কথা হয়েছিলো ফোনে :
৩০ মার্চ , ১৯৭১ , ডেইলী টেলিগ্রাফ :
এই সহকর্মীটি রাজ্জাক ভিন্ন অন্য কেউ বলেই মনে হচ্ছে । কারন রাজ্জাকের বেলায় লাইন কেটে গিয়েছিলো।
এখান থেকে এই তথ্যটিও বেরিয়ে আসে পাক আর্মি ব্যারাক থেকে বেরিয়ে আসে রাত ১০:০০ টার দিকে।
রাত ১১:০০ - ১১:৩০:
সিরাজুল আলম খান , আ.স.ম আব্দুর রব , শাহজাহান সিরাজের শেখ মুজিবের সাথে দেখা করে ধানমন্ডী ৩২নং ত্যাগ করেন।
ওয়াজেদ মিয়ার বক্তব্য অনুসারে এটাই ছিলো শেখ মুজিবের সাথে কারো ঐ রাতে শেষ বৈঠক।
এই সময়টাতে শেখ মুজিবের বাসায় একটি ফোন কল আসে যেটির বর্ণনা দিয়েছেন হাজী গোলাম মোরশেদ :
"রাত ১১ টায় বলধা গার্ডেন থেকে ১টা ফোন এলো। বললো : রেডিও মেসেজ প্রচার হয়ে গেছে ।"
[ সূত্র : হাজী গোলাম মোর্শেদের বক্তব্য , দৈনিক পূর্বদেশ , স্বাধীনতা সংখ্যা , ১৯৯০]
১১:৩০:
ওয়াজেদ মিয়ার বক্তব্য অনুসারে ঝন্টু (জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা জাকারিয়া চৌধুরীরা ভাই) ধানমন্ডী ৩২নং এ আসেন। শেখ মুজিব কে ঝন্টু অপারেশন সার্চলাইট এবং নির্বিচার গোলাগুলির খবর জানান।
ঝন্টুর মাধ্যমে পরিস্থিতি অবগত হয়ে শেখ মুজিব হাসিনা , রেহানা এবং জেলীকে ১টি ফ্ল্যাটে পাঠিয়ে দেন আত্নগোপন করার জন্য।
শেখ মুজিবের পরিবারের সদস্যদের আত্নগোপনের জন্য ঐ ফ্ল্যাটটি ভাড়া নেয়া হয়েছিলো।
ওয়াজেদ মিয়া নিজেও ১১:৩০ এর পর ধানমন্ডী ৩২নং ত্যাগ করেন।
[ সূত্র: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঘিরে কিছু ঘটনা ও বাংলাদেশ, ইউপিএল, ২০০০, পৃ ৮৪ ]
"সেদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শেখ মুজিবের বাসায় ছিলো মানুষের ঢল।কিন্তু ইয়াহিয়ার ঢাকাত্যাগের খবর প্রকাশ হয়ে পড়ায় এবং সেনাবাহিনীর মতিগতি দেখে সন্ধ্যার পর থেকেই ঢাকার সর্বত্র বাড়তে থাকে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা।
এ পরিস্থিতিতে শেখ মুজিব ১ বিবৃতিতে বিভিন্নস্থানে সেনাবাহিনীর গুলিবর্ষনের প্রতিবাদে হরতাল আহ্বান করেন।"
[ সূত্র : বংগবন্ধু শেখ মুজিব , জীবন ও রাজনীতি , ১ম খন্ড , সম্পাদক মোনায়েম সরকার , বাংলা একাডেমী ২০০৮ , পৃষ্ঠা:৪৪৭ ]
ইত্তেফাকের শিরোনাম: মার্চ ২৬ , ১৯৭১

পিপল'স ভিউ'র শিরোনাম: মার্চ ২৬ , ১৯৭১
রাত ১:০০:
রাত ১ টায় অপারেশন সার্চলাইট শুরু করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা মত পাক আর্মির ১ম দলটি ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেরিয়ে ফার্মগেটের নিকট ব্যারিকেডের সম্মুখীন হয়।
রাত ৯:৩০ তেই সেনাবাহিনীর বহর কে বাধা দেয়ার জন্য রাস্তায় গাছ ফেলে অসংখ্য মানুষের জমায়েত হয় সেখানে। প্রতিরোধ তখনই শুরু হয়ে যায় পাক আর্মির বিরুদ্ধে।
[ সূ্ত্র : উইটনেস টু সারেন্ডার , সিদ্দিক সালিক , ইউপিএল , ১৯৭৭ , পৃষ্ঠা ৭৩]
রাত ১:১০ - ১: ৩০:
ঠিক এই সময়টাতেই শেখ মুজিব অস্বাভাবিক কাপুরোষিত ভাবে আত্নসমর্পন করেন।
এ বিষয়ে অপারেশন বিগবার্ডের ইনচার্জ জহিরুল আলম খান নিজেই বই লিখেছেন : দ্য ওয়ে ইট ওয়াজ।
সেখানে যা লেখা রয়েছে:
এবার আসুনদেখি অপারেশন বিগবার্ড বিষয়ে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) জহিরুল আলম খানের বক্তব্য কি :
___________________________
" তল্লাশী চালানোর জন্য এরপর একটি দল ঢুকলো। প্রহরীদের একজনকে বলা হলো রাস্তা দেখাতে। কিছুদূর যাওয়ার পর তার পাশে থাকা সৈন্যকে দা দিয়ে আক্রমণ করতে গিয়েছিলো সে, কিন্তু জানতো না তার উপর নজর রাখা হচ্ছে। তাকে গুলি করে আহত করা হয়। এরপর সিড়ি বেয়ে ওপরে উঠলো সার্চপার্টি। একের পর এক দরজা খুলে কাউকে পাওয়া গেলো না। একটা রুম ভেতর থেকে আটকানো ছিলো। ওপরে ওঠার পর কে যেন আমাকে বললো বদ্ধ ঘর থেকে কেমন অদ্ভুত শব্দ আসছে। মেজর বিল্লালকে বললাম দরজা ভাঙতে। আর আমি নীচে নামলাম ক্যাপ্টেন সাঈদের দল এলো কিনা দেখতে।
সাঈদের সঙ্গে কথা বলার সময় একটা গুলির শব্দ হলো। এরপর গ্রেনেড বিস্ফোরন ও তার সাথে সাব-মেশিনগানের ব্রাশ। ভাবলাম কেউ হয়তো শেখ মুজিবকে মেরে ফেলেছে। দৌড়ে গিয়ে দেখি সেই বদ্ধ রুমের দরজায় দাড়িয়ে মুজিব। রীতিমতো সন্ত্রস্ত।
পরে জানতে পারলাম মেজর বিল্লালের লোকেরা যখন দরজা ভাঙার চেষ্টা করছিলো তখন কেউ একজন সেদিকে পিস্তলের গুলি ছোড়ে। ভাগ্যক্রমে কারো গায়ে তা লাগেনি। বাধা দেয়ার আগেই বারান্দার যেদিক থেকে গুলি এসেছিলো সেদিকে গ্রেনেড ছোড়ে একজন সৈনিক। এরপর সাবমেশিনগান চালায়। গ্রেনেডের প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের গুলির আওয়াজে বদ্ধ সে রুমের ভেতর থেকেচিৎকার করে সাড়া দেন শেখ মুজিব এবং বলেন তাকে না মারার প্রতিশ্রুতি দিলে তিনি বেরিয়ে আসবেন। নিশ্চয়তা পেয়ে বেরিয়ে আসেন তিনি। বেরুনোর পর হাবিলদার মেজর খান ওয়াজির (পরে সুবেদার) তাকে শারীরিকভাবে অপদস্থ করেন।
শেখ মুজিবকে বললাম আমার সঙ্গে আসতে। উনি জানতে চাইলেন পরিবারের কাছ থেকে বিদায় নিতে পারবেন কিনা। আমি তাকে তা জলদি সারতে বললাম। এরপর গাড়ির দিকে হাটা ধরলাম। এরমধ্যে সদরে রেডিও বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছি যে আমরা শেখ মুজিবকে গ্রেপ্তার করেছি। (বিগবার্ড ইন কেইজ)।
মুজিব এবার বললেন ভুলে পাইপ ফেলে এসেছেন তিনি। আমাকে নিয়ে পাইপ আনতে গেলেন আবার। এরমধ্যে মুজিব আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন। টের পেয়ে গেছেন তার কোনো ক্ষতি করা হবে না।বললেন, তাকে ফোন করে বললে তিনি নিজেই চলে আসতেন।"
-বিগ্রেডিয়ার জেনারেল জহিরুল আলম , ইনচার্জ - অপারেশন বিগবার্ড
________________________
[ সুত্র: দ্য ওয়ে ইট ওয়াজ , কৃতজ্ঞতা স্বীকার : অপারেশন বিগবার্ড , ২৫ শে মার্চ , ১৯৭১ - অমি রহমান পিয়াল]
এই ঘটনার ব্যাপারে একটি অদ্ভুত তথ্য আছে টাইম ম্যাগাজিনের [ ৩ মে , ১৯৭১ ] রিপোর্টে :
পুরো বিষয়টির ভেরিফিকেশনের জন্য পড়ুন
অফেন্ডিং শেখ মুজিব-১
জহিরুল আলম খানের বক্তব্যের সাথে মিলে যায় এরকম আরো ২ টি নিউজ ক্লিপস পাওয়া যায়।
১.
এম. এফ . এইচ বেগ এর রিপোর্ট :
২৯ মার্চ , ১৯৭১ , ডেইলী টেলিগ্রাফ :
এখানে জহিরুল আলম খানের বক্তব্য অনুযায়ী ১টি গুলি হয়েছিলো।
এই ক্লিপসে যেটা পাওয়া যায় মুজাম্মিল রিভলবার বের করার চেষ্টা করেছিলো।
২.
সায়মন ড্রিং এর রিপোর্ট :
৩০ মার্চ ১৯৭১ , ডেইলী টেলিগ্রাফ :
শেখ মুজিব কে ফোন করে বললে তিনি নিজেই চলে আসতেন এই বক্তব্য এখানেও পাওয়া যায় এবং ১ জন বডিগার্ড কে গুরুতর আহত করা হয়েছিলো সেটাও পাওয়া যায়।
রাত ১:৩০ পর্যন্ত ধানমন্ডী ৩২ নাম্বারে যা যা ঘটেছে সম্ভাব্য সব সোর্স থেকে সব তথ্যগুলোকে অ্যাকুমুলেট করা হলো।
জানিয়ে রাখা ভালো : কিছু চমকে দেয়া তথ্য আমি স্কিপ করে গেছি আলোচনার ক্রম বিচার করে। সেগুলো একটু পরেই পাবেন।পড়তে থাকুন।
এবার দেখা যাক স্বাধীনতা পরবর্তী সময় গুলোতে শেখ মুজিব নিজে কিভাবে স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছেন বলে দাবী করেছেন
১. সিডনী শনবার্গের সাথে [ঢাকা , ১৬ জানুয়ারী , ১৯৭২] সাক্ষাৎকার [রিপোর্ট : ১৮ মার্চ , ১৯৭২ , নিউইয়র্ক টাইমস]:
এই সাক্ষাৎকারটির বিবরন পাওয়া যায় হাসান ফেরদৌসের প্রথম আলোতে ।
মুজিব কেন আত্নসমর্পণ করেছিলেন : হাসান ফেরদৌস , ৩০ মার্চ , ২০০৯ , প্রথম আলো
এখানে তিনি পরিষ্কার ভাবে জানিয়েছেন টেলিফোনে (তার যোগাযোগ / ওয়্যার কমিউনিকেশন) চট্রগ্রামের সিক্রেট হেড কোয়াটার এ মেসেজ পাঠিয়েছেন , সেটিই পরে গোপন বেতার থেকে ট্রান্সমিটেড হয়েছে।
২. জাতীয় গণপরিষদে স্বাধীনতার ঘোষনা বিষয়ে বিতর্ক :
বাংলাদেশ জাতীয় গনপরিষদে (বর্তমান জাতীয় সংসদ) এ ১০ এপ্রিল , ১৯৭২ এ সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্বাধীনতার ঘোষনা বিষয়ে প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং নুরজাহান মুরশিদ প্রশ্ন উত্থাপন করেন।
এর জবাবে শেখ মুজিব বলেন ওয়্যারলেসে চট্টগ্রামে তিনি জানিয়েছেন এই ঘোষনা এবং এই প্রস্তাবটি যেহেতু ২৬ মার্চ কে স্বাধীনতা দিবস ঘোষনা ও মুজিব নগর সরকারের ১০ এপ্রিলের ঘোষনার ভিত্তিতে গৃহীত হয়েছিলো সেহেতু শেখ মুজিব ওয়্যারলেসে যে মেসেজ পাঠিয়েছেন দাবী করেছেন সেটা অবশ্যই ২৫ মার্চ রাত ১২ : ০০ পরে ।
সোর্সঃ সাপ্তাহিকে প্রকাশিত স্বাধীনতার ঘোষনা প্রস্তাব বিষয়ক জাতীয় গণ পরিষদ আলোচনা , ১০ এপ্রিল , ১৯৭২ , পিডিফটির পেজ ৪
আসুন এবার শেখ মুজিবের দাবীগুলোকে চেক করে দেখা যাক:
সিডনী শনবার্গের সাথে সাক্ষাৎকার:
১.
শেখ মুজিব হরতাল ডাকার কথা বেমালুম চেপে গেছেন যেটা ইনএভিটেবল ট্রুথ।
২.
শেখ হাসিনা নিজেও সেদিন রাত ১১:৩০ পর্যন্ত ধানমন্ডী ৩২ নাম্বারে ছিলেন। আজ পর্যন্ত শেখ হাসিনার মুখ থেকে মুজিবের চট্টগ্রামে টেলিফোন করা বিষয়ক কোন দাবী আসেনি ! জানিনা এটা জানার পর নতুন করে দাবী করে বসবেন কিনা !
৩.
শেখ হাসিনা , শেখ রেহানা এবং জেলীকে রাত ১১:৩০ এ ভাড়া বাসায় আত্নগোপনে পাঠানোর পর ওয়াজেদ মিয়া নিজেও ধানমন্ডী ৩২ নং ছেড়ে আসেন।
খোদ ওয়াজেদ মিয়া নিজেই "নিউ এজ" এর কলামে লিখেছেন শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষনা দেননি।
ওয়াজেদ মিয়ার বক্তব্য অনুযায়ী রাত ১১:৩০ পর্যন্ত শেখ মুজিব কোন লিবার্টী মেসেজ পাঠাননি কোথাও।
৪.
বর্তমান জাদরেল আওয়ামী নেতা , সেসময়কার স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আবদুর রাজ্জাক ১০:৩০ ফোন করেন এবং ১১:০০ স্বশরীরে দেখা করেন।
তাকেও কোন DOI মেসেজ দেননি শেখ মুজিব ।
৫.
সবচেয়ে গুরুতর তথ্য যেটি সিডনীর কাছে মুজিবের দেয়া তথ্যকে পুরোপুরি নকআউট করে সেটি হলো :
রাত ১০: ০০ - ১০:৩০ পর্যন্ত নঈম গহর ধানমন্ডী ৩২ নং এ ছিলেন এবং তার ভূমিকাটা ছিলো চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে শেখ মুজিবের কমিউনিকেশন তৈরী করা।
নঈম গহরের কলামের লিংকটি আবারো দিলাম প্রাসংগিক কারনে
চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছে DOI মেসেজ পাঠানোর এরকম একটি সূবর্ন সুযোগ পাওয়ার পরও শেখ মুজিব সেটি করেননি। টেলিফোন করার প্রশ্নতো অবান্তর।
বরন্চ্ঞ নঈম গহর কে কিছু রোমান্টিক বিপ্লবী বক্তব্য দিয়েছেন এবং নঈম গহর সেটাই এম.আর.সিদ্দীকিকে টেলিফোনে জানিয়েছেন।
সেখানে কোন প্রকার DOI মেসেজ নেই , থাকলে নঈম গহর ইতিহাসের অনেক বড় অংশ হতেন এবং সেটার দাবী জানাতে দেরী করতেননা।
বরন্চ্ঞ আমার যেটা ব্যক্তিগত অনুমান শেখ মুজিব জানেন যে তার কিছু ইন্সট্রাকশনাল মেসেজ নঈম গহর ১০ : ৩০ - ১১ : ০০ টার ভেতরে ইমিডিয়েটলী টেলিফোনে চট্টগ্রাম আওয়ামী নেতাদের জানাবেন এবং সিডনীর সাথে সাক্ষাৎকারে নঈম গহরের সেই টেলিফোন টিকে মুজিব নিজের করা টেলিফোন বলে চালিয়ে দিয়েছেন । একই সংগে তার ইন্সট্রাকশনাল মেসেজ গুলোকে DOI মেসেজ দাবী করেছেন।
এই অনুমানের আরেকটি শক্তিশালী ক্লু দেখুন:
সিডনীর সাথে সাক্ষাৎকারে মুজিব বলেছেন চট্টগ্রামে তিনি টেলিফোনটি করেছেন ১০:৩০ নাগাদ !
টাইমিং এর এই মিল মোটেই কাকতালীয় মনে হচ্ছেনা যেহেতু মুজিব জানতেন ১০:৩০ এর পর ইমিডিয়েটলী নঈম গহর চট্টগ্রামে তার ইন্সট্রাকশনাল মেসেজ জানিয়ে ফোন করবেন।
খুব পরিষ্কার ভাবেই শেখ মুজিব সিডনীর সাথে সাক্ষাৎকারে DOI মেসেজ বিষয়ক দাবীগুলোতে মোটেই ট্রুথফুল ছিলেননা।
বরন্চ্ঞ হাস্যকর বিষয়টা হলো শেখ মুজিব নিজেই আবার জাতীয় গনপরিষদে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষনার প্রস্তাবে নিজের স্বপক্ষে বক্তব্য রেখেছেন!
২. ন্যাশনাল পার্লামেন্টে শেখ মুজিবের দাবী:
সেখানে শেখ মুজিব মোটাদাগে বলে গেছেন ওয়্যারলেস যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি স্বাধীনতার ঘোষনা চট্টগ্রামে পাঠান।
কিন্তু কিভাবে ?
এ বিষয়ে সবচেয়ে বেশী প্রচলিত বক্তব্যটি যেটা শেখ মুজিবের স্বাধীনতা ঘোষনার ব্যাপারে সন্দেহ মুক্ত ব্যক্তিসকল দাবী করে থাকে - সেটা হলো রাত ১২:২০ মিনিটে পর মুজিব টেলিফোনে সেন্ট্রাল টিএনটি অফিসের বিশ্বস্ত ১ জন কে DOI মেসেজ পাঠিয়ে দেন । সেখান থেকেই বাকি সব প্রচারের ইনিশিয়েশন হয়।
আতিউর রহমান তার জনকন্ঠে লিখিত কলামে দাবী করেছেন মুজিব DOI মেসেজ পাঠান রাত ১২:২০ মিনিটে।
দৈনিক জনকন্ঠে আতিউর রহমানের কলাম
সিরাজউদ্দীন হোসেনও তার ইত্তেফাকের স্বাধীনতার ঘোষনা বিষয়ক কলামে ১২:২০ মিনিটে মুজিবের স্বাধীনতা ঘোষনার দাবী করেছেন।
দৈনিক ইত্তেফাকে সিরাজউদ্দীন হোসেনের কলাম
এই রাত ১২ : ২০ এর উল্লেখ আরো অনেক গবেষকের কাছে পাওয়া যায় যারা শেখ মুজিব স্বাধীনতা ঘোষনা করেছেন - এটা বিশ্বাস করেন।
অজয় রায় দাবী করেছেন রাত ১২:০০টার পরপরই এই টেলিফোনটি শেখ মুজিব করেন।
এক্ষেত্রে অজয় রায় টাইমিং এর ব্যাপারে একটু পিছলে গিয়ে রবার্ট পেইনের ম্যাসাকার বইটির উদাহরন টানেন যেখানে বলা হয়েছে২৫ মার্চ রাতে ঘোষনাটি জানানো হয় টিএনটি অফিসের এক বিশ্বস্ত ( আজও অজ্ঞাত !) এক স্টাফ কে।
কিন্তু এটি ৭১ পরবর্তী রবার্ট পেইনের ব্যক্তিগত সংগৃহীত তথ্যদিয়ে লেখা বই মাত্র ।
এই তথ্য যে রবার্ট পেইন সেই রাতে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অবস্থান কালে পাননি এবং অন্যকোন রিপোর্টারের সরাসরি সূত্র থেকে আসেনি , বরং অন্যকোন আওয়ামী সোর্স থেকে থেকে পরবর্তী সময়ে সংগ্রহ করেছেন সেটার যুক্তিটাও দেখবেন এখন।
এরিমধ্যে নিশ্চয় লক্ষ্য করেছেন আতিউর রহমান আর রবার্ট পেইনের ভেতরে টুইস্ট হয়ে গেছে ঘোষনার ভাষায়।
আগেই বলেছি ধানমন্ডী ৩২ এর ২৫ মার্চের অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে দুটো সারপ্রাইজিং তথ্য স্কিপ করেছি।
এই তথ্যগুলোই শেখ মুজিবের টেলিফোন বা অন্যযেকোন ভাবে হোক , DOI মেসেজের দাবী কে রীতিমত নকআউট করে।
দেখুন সেগুলো :
১. হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল থেকে বিদেশী সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে শেখ মুজিব কে টেলিফোন , সময় রাত ১২:২০ :
সিডনী শনবার্গের [২৭ মার্চ নিউদিল্লী থেকে] রিপোর্টক্লিপটি দেখুন :
২৮ মার্চ , ১৯৭১ ,নিউইয়র্ক টাইমস :
সেখানে পরিষ্কার ভাবেই বলা হয়েছে রাত ১২:২০ মিনিটে শেখ মুজিবের বাসায় টেলিফোন করা হয় ! এবং ফোনটি রিসিভ করেন আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল পরিচয়দানকারী কেউ একজন (হাজী গোলাম মোরশেদ অথবা তবিবুর রহমান)।
ফোন রিসিভারের বক্তব্য অনুযায়ী শেখ মুজিব তখন শোবার ঘরে ছিলেন এবং স্বাভাবিকভাবেই ফোনটি বিজি ছিলো পরবর্তী কিছু সময় এই কথোপকথনে।
যদি ১২:০০ - ১২:২০ এর মধ্যেও DOI মেসেজ শেখ মুজিব পাঠিয়ে থাকেন তাহলে সুবর্ন সুযোগ পেয়েও শেখ মুজিব আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের কাছে তার DOI মেসেজ এর তথ্যটি জানাননি , ঐ আওয়ামী অফিসিয়ালের কাছ থেকেও স্বাধীনতা ঘোষনা বিষয়ে ঐ ফোনে কিছু জানানো হয়নি!
রাত ১২:২০ মিনিটে টেলিফোনে DOI মেসেজের তো প্রশ্নই আসেনা।
২. হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল থেকে বিদেশী সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে শেখ মুজিব কে টেলিফোন , সময় রাত ১:০০ টা
দ্য এজ রিপোর্ট , অস্ট্রেলিয়া , ২৯ মার্চ , ১৯৭১:
এই একই তথ্যটি সায়মন ড্রিং এর রিপোর্টেপাওয়া যায়:
৩০ মার্চ , ১৯৭১ , ডেইলী টেলিগ্রাফ :
এখানে যেটা বলা হয়েছে রাত ১:০০ টার সামান্য আগে শেখ মুজিবের সাথে যোগাযোগ করা হয় এবং স্বয়ং শেখ মুজিব ফোন রিসিভ করেন।সেখানে শেখ মুজিব বলেছেন যে তিনি যেকোন মূহুর্তে আক্রমণ আশা করছেন এবং একজন ভৃত্য আর দেহরক্ষী ছাড়া বাকি সবাইকে নিরাপদস্থানে পাঠিয়ে দিয়েছেন।
সেই চূড়ান্ত মূহুর্তে যখন শেখ মুজিব জেনে গেছেন কি ঘটতে যাচ্ছে নিশ্চিত ভাবে এবং এর সমাধান একটাই স্বাধীনতা - তখনো শেখ মুজিব DOI মেসেজ টি যারা এর সবচেয়ে উপযুক্ত মাধ্যম "আন্তর্জাতিক সংবাদকর্মী " তাদের কে জানাননি।
রাত ১২:২০- রাত ১:০০ টার মত ক্লাইম্যাক্স সময়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সাথে যোগাযোগের চরম সুযোগ পেয়েও তাদের কাছে মুজিবের কোন DOI মেসেজ পৌছায়নি!
এ বিষয়ে সেসময়কার বিবিসি সাংবাদিক মার্ক টালীর একটি বক্তব্য এখানে প্রাসংগিক:
"খবর পাওয়া গেছে যে শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছেন"
সোর্সঃ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং বিবিসি , বিসিডিজেসি , ২০০১।
আতিউর রহমানের কলাম থেকে সংগৃহীত
যেখানে আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের সাথেই শেখ মুজিবের রাত ১:০০ টার চূড়ান্ত সময়টাতে সরাসরি টেলিফোনে কথা হয়েছে সেখানে "খবর পাওয়ার" ভিত্তিতে কেন DOI মেসেজ রিপোর্ট করা হলো ?
প্রসংগক্রমে আরো ১টি তথ্য জানিয়ে দেই।
রাত ১২:৩০ এ সর্বশেষ যেই আওয়ামী লীগ কর্মী শেখ মুজিবের বাসায় টেলিফোনে যোগাযোগ করেছিলেন তিনি হলেন মওদুদ আহমেদ।
বিএনপিতে যোগদানের পূর্বে মওদুদ এ ঘটনাটির স্মৃতিচারন করেছিলেন এবং সেখানে তিনি কোন প্রকার DOI মেসেজ পাননি।
সোর্সঃ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ , মওদুদ আহমেদ , ১০ ডিসেম্বর , ১৯৯৫ , ইত্তেফাক , অজয় রায়ের আর্টিকল থেকে সংগৃহীত
১২:০০ - ১২:৩০ এর ভেতরে যদি মুজিব DOI মেসেজটি পাঠিয়েও থাকেন কোন এক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে , তাহলে সেই সময়ে তার বিশ্বস্ত দলীয় অনুগত কর্মী মওদুদকে টেলিফোনে পেয়েও সেটা জানাননি - এই নাটক কার্টুন প্রিয় শিশু ব্যতিত স্বাভাবিক চিন্তাশক্তির কারো পক্ষে মেনে নেওয়া অসম্ভব।
রাত ১:০০ - ১:১৫ , ধানমন্ডী ৩২ :
যেন তেন প্রকারেন "DOI মেসেজ" নামক তালগাছটিকে দখল করা এবং তালগাছটির চারপাশে রীতিমত বেড়া দিয়ে ফেলার আরেকটি প্রচেষ্টা হলো
জহিরুল আলম খানের "দ্য ওয়ে ইট ওয়াজ" বই অনুসারে মুজিবকে গ্রেফতারের ঠিক আগ মূহুর্তে (আগে ১:১০- ১:১৫ এর মধ্যে ) বিগ্রেডিয়ার জেনারেল জহির একটি ঘর থেকে অদ্ভুত শব্দ শুনতে পান এবং আওয়ামী গবেষকদের কাছে মনে হয়েছে সেটি ট্রান্সমিটার অপারেট করার শব্দ , তবে সম্ভবত ।
যাইহোক , মুজিব অনেক নাটকীয় সুযোগ পেয়েও DOI মেসেজটি ঘোষনা না করলেও যদি শেষ মূহুর্তে সেই চেষ্টা করে থাকেন তাহলে -
ঠিক সেই সময়েই রাত ১:১০- ১:১৫ এর ভেতরে দৈনিক আজাদী তে টেলেক্স মেসেজটি কে পাঠালো ?
শেখ মুজিবের কাছে তো তখন টেলেক্সের মত ওয়্যার কমিউনিকেশন মেশিন ছিলোনা !
সবচেয়ে বড় কথা শেখ মুজিবের বাসায় তখন অপারেট যোগ্য ট্রান্সমিটারই ছিলোনা!
তৎকালীন বুয়েটের অধ্যাপক নুরুল্লাহ এবং বুয়েট ছাত্রনেতা রাশিদুল হাসান খান মিলে শেখ মুজিবের বাসার ছাদে ১ টি ট্রান্সমিটার বসান ঠিকই , কিন্তু সেটি ডিসফাংশনাল হয়ে যায় সেট করার পরই। শেখ মুজিবও জানতেন ট্রান্সমিটারটি কাজ করবেনা।
তাহলে ট্রান্সমিটার এ ঘোষনার সুযোগটা থাকে কোথায় ?
ঠিক এখানেই তালগাছ দখল করার জন্য সিরাজউদ্দীন হোসেন জোর করে ট্রান্সমিটারটিকে আবার ঠিক করে ফেলেছেন।
তার মতে শেখ মুজিবের অজ্ঞাতে অধ্যাপক নুরুল্লাহ ট্রান্সমিটারটি নিজে এসে আবার ঠিক করে গেছেন!
যদি সেটাই হয় তাহলে শেখ মুজিব জানতেন না যে ট্রান্সমিটারটি সচল করা হয়েছে আবার , তাহলে তার জানামতে অচল ট্রান্সমিটার দিয়ে ঘোষনা দিতে যাবেন কেন ?
সিরাজউদ্দিন হোসেনের বক্তব্য দেখুন ইত্তেফাকের কলামে
সিরাজউদ্দীন হোসেন সেখানেই থামেননি , এই কাল্পনিক ঘোষনাটিকে তিনি সেই রাত ১২ :২০ -১২:৩০ এ নিয়ে গেছেন , সেন্ট্রাল টিএনটি অফিসের কাল্পনিক টেলিফোনের পরিবর্তে যেটার ভিত্তিতে টিক্কা খান মুজিবকে গ্রেফতার করেন এবং সেই ঘোষনা টিক্কা নিজ কানে শুনেছেন!
যদি রাত ১২:২০ - ১২:৩০ না হয়ে যদি এই কাল্পনিক ঘোষনা রাত ১:১০ এ হয় তারমানে ১:১০ - ১:১৫ এর ভেতরে টিক্কা শেখ মুজিবকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত এবং পরিকল্পনা তৈরী করেন - সর্বোচ্চ হাস্যকর !
অথচ ইতিহাসের আসল সত্যিটা হলো :
নুরুল্লাহ নিজেই বলেছেন ট্রান্সমিটার বিকল হওয়ার পর তিনি আর সেটি ঠিক করেননি বা ট্রান্সমিটারটি কাজ করেনি এবং একই বিষয় অজয় রায়ও স্বীকার করেছেন তার আর্টিকলে।
এই কাল্পনিক ঘোষনার বিষয়টিকে শেষবারের মত নকআউট করছে সেই আগের টার্নিং ইনফো।
রাত ১:০০ টায় যখন মুজিব নিজেই টেলিফোনে আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের বলেছেন তিনি যেকোন মুহুর্তে আক্রমন আশা করছেন , বাসার প্রায় সবাইকে নিরাপদ স্থানে পাঠিয়ে দিয়েছেন , তাহলে তিনি তাদেরকে জানিয়ে দিলেন না কেন একটু পরই তিনি ট্রান্সমিটার দিয়ে DOI মেসেজ পাঠাবেন !
এইসব কাল্পনিক নাটকের স্ক্রিপ্ট কখনোই ইতিহাস হতে পারেনা ।
( চলবে )___________________________________________
অ্যাটাচমেন্ট :
DOI : ২ টি মেসেজ , নাম মুজিবের , ব্যক্তিটি কে ?
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষনা দেননি, আওয়ামী ইতিহাসবিদদের বানোয়াট কাহিনী ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৫৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লালসালু বলেছেন:
এই পোষ্ট প্রিয়তে রাখলাম। বাকশালীদের মাইনাস মেশিনের জন্য প্রস্তুত হন।
লেখক বলেছেন: ব্যাপস না..
অলস ছেলে বলেছেন:
আপনি তো দেখা যায় লিঙ্কিং সহ ইতিহাস প্রনয়ণের সিষ্টেমগুলো বুঝে নিয়ে দ্বিতীয় বিপ্লব ইতিহাসপ্রণেতাদের ভাত মেরে দিচ্ছেন। বেচারাদেরকে ব্রিফিং এর সময় ঝাড়ি খেতে হবে অনেক। একেই বলে গুরুমারা বিদ্যা। আমারো মঞ্চায়, কিন্তু সময় পাইনা। চালিয়ে যান।
লেখক বলেছেন: এই পর্বে তো সামান্য জানলেন। পরের পর্বে আরো বেশী সারপ্রাইজ পাবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , পরের পর্বের জন্য চোখ রাখুন
মোস্তাক খসরু বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
লালসালু বলেছেন:
এই পোষ্ট স্টিকি করা হোক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , পরের পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন
ফারযানা বলেছেন:
ভাল লাগল। বাকী পর্বের অপেখায় থাকলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , চোখ রাখুন নিয়মিত
ফারযানা বলেছেন:
পোষ্ট স্টিকি করা হোক।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , পরের পর্বের জন্য চোখ রাখুন
ভুদাই বলেছেন:
পোষ্টটি স্টিকি করা হোক
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , পরের পর্বের জন্য চোখ রাখুন
চন্দন বলেছেন:
মোস্তাক খসরু ধানমন্ডী ৩২ এই পোস্ট সর্ম্পকে আপনাদের বিশ্লেষ শুনতে চাই... একটু আওয়াজ দিবেন ?
ভুদাই বলেছেন:
প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: ওকে
ফ্লাইওভার বলেছেন:
প্রতিদিন নতুন নতুন ইতিহাস শুনছি। আপাতত প্রিয়তে রাখলাম। সময় ও সুযোগ পেলে এর জবাব দিব।
লেখক বলেছেন: হুম
চন্দন বলেছেন:
@ লেখক অ্যান্থনি মাসকারেনহাস এর রেপ অব বাংলাদেশ্ও লিগ্যাসি অব ব্লাড বই দুইটির কোন অনুবাদ ই-বুক থাকলে একটু দিবেন প্লিজ আমার খুব দরকার।
লেখক বলেছেন: মনে রাখলাম..
অনুবাদ পেলেই জানাবো
মিখাইল জাবির বলেছেন:
ঈমাম বলেছেন: সামুকে অনুরোধ পোস্টটি স্টিকি করা হোক।ধন্যবাদ পোস্টদাতা।
এই পোষ্ট প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , পরের পর্বের জন্য চোখ রাখুন
সাজিদ বলেছেন:
আপাতত প্রিয়তে নিয়ে রাখলাম। পড়ে পরবো। সামু এসব পোস্ট কোনদিনও স্টিকি করবে না। যাই হোক আমাদের ব্লগেই স্টিকি থাকুক।
লেখক বলেছেন: হুমমম.. এই পর্বের ধাক্কা শেষ হোক , পরের পর্বে আরো সারপ্রাইজ আছে
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
এই পোস্টের জিস্টও আগের পোস্টের মতই, অর্থাৎ তেমন কিছু নাই। আগের পোস্টের মূল কথা ছিল "বিছানার নিচে গিয়া মুজিব কাপুরুষ হইছেন" এই হাস্যকর ধারণাকে ফুলায়া ফাঁপায়া একগাদা রেফারেন্স দিয়া দেখানো----আর ই পোস্টেও তেমনই "১০:৩০ নাগাদ" বইলা মুজিব অপরাধ করছেন, এইটুকুই।হরতালের ব্যাপারে আপনার দাবীটা ঠিক না বলেই জানি, এইটা ঐ দিন মিটিংএ ঠিক হইছিল, মুজিব একা দেন নাই।
অরপির এই পোস্টের ৬ নম্বর মন্তব্যের ঘরে মুজিবের মেসেজ বলে যে জিনিসটা দেখানো হচ্ছে, এটার ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কি?
পরিশেষে আরেকটা সামগ্রিক মন্তব্য করে যাই। আপনার গত ২ টা লেখাকেই ঊদ্দেশ্যমূলক ছিদ্রান্বেষণ মনে হয়েছে, অর্থাৎ উপসংহারটা ঠিক করেই ইতিহাস ঘাঁটাঘাঁটি করেছেন বলে মনে হয়। লেখার ওজন বাড়াতে অনেক রেফারেন্স দিয়েছেন, যেটা অবশ্যই ভাল, কিন্তু বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই সেগুলো একটা অতি ক্ষুদ্র দাবীর পক্ষে----কিন্তু রেফারেন্সে বাহুল্য দেখেই অনেকেই আর কিছু না বলে পিঠ চাপড়ে দিয়েছেন, কিন্তু জিস্ট বা সারমর্মের দিকে আর খেয়াল করেন নি।
লেখক বলেছেন: পড়তে পড়তে স্টাডি করতে করতে উপসংহার তৈরী হয়।
জোর করে ইতিহাস কে নিজের পক্ষে আনা যায় না।
বরন্চ্ঞ কিছু মানুষ আগে থেকেই ইতিহাসের উপসংহার মন মস্তিষ্কে সেট করে আত্নপ্রসাদ লাভ করে।
যাইহোক , জেগে থেকে ঘুমানো ব্যক্তিকে জাগানোর বৃথা চেষ্টা করতে চাইনা।
পরের পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন।
আরো অনেক বিষয় জানতে পারবেন।
একজন লেখক কখনো রেফারেন্স ব্যবহার করে রেসাল্ট বের করতে পারেনা।
রেফারেন্সগুলো ক্রস চেক হতে হতে আসল সত্যটা বের হয়ে আসে অংকের মত , কখনো অপ্রিয় সত্যি।
যাইহোক , আগের মতই সুশীল সুর শোনা যাচ্ছে ![]()
লেখক বলেছেন: হরতালের ব্যাপারে শেখ মুজিবের অনুমতি ছাড়া সিদ্ধান্ত হয়েছে এটাই বলতে চান ? - হাস্যকর।
তাতে শেখ মুজিবের হাইড অ্যান্ড সীক খেলা লিকানো যাবেনা।
কি যে অবস্থা আপনাদের ব্লগিং মেধার।
রাত ১০:৩০ টা নাগাদ বলে মুজিব অপরাধ করবেন কেন?
উনি আনএথিকাল কাজটা করেছেন নঈম গহরের ফোন টাকে নিজের ফোন এবং কিছু ইন্সট্রাকশনাল মেসেজ কে ডিওআই মেসেজ বলে চালিয়ে দিয়ে।
এটা মিথ্যাবাদীতা।
অবস্থাটা এমন - শেখ মুজিবের মিথ্যা কে ডিফেন্ড করার জন্য তারই বলা মুখের কথা কে তার ভক্তরা দরকার মতো এডিট করবে!
সাজিদ বলেছেন:
হাস্যকর ধারণাকে ফুলায়া ফাঁপায়া একগাদা রেফারেন্স দিয়া দেখানো@ ফিউরিয়াস ওয়ান, ঐতিহাসিক বিষয়ে কোন সমালোচনামূলক পোস্ট কেমন হওয়া উচিৎ বলে মনে হয় আপনার? মনের মাধুরি মিশিয়ে?
লেখক বলেছেন: সাজিদ ভাই , সুশীল সুর শুনতে পাচ্ছেন না ?
ভুদাই বলেছেন:
@সাজিদ ভাই: এক্ষেত্রে অমি পিয়ালের পোষ্টগুলো দেখতে পারেন। রেফারেন্সের দরকার নাই। গায়ের জোরে আবেগীয় পোষ্ট।
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
@সাজিদ: যে পোস্টের কথা বললাম, সেই পোস্টের হেডিংটা দেখছেন? "টাইম ম্যাগাজিনের অদ্ভুত তথ্য?" লেখক পুরো পোস্টেই সেই রেফারেন্সটাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন, এবং অবশেষে সেই রেফারেন্সটা যখন পয়দা হল, তখন দেখা গেল, যে মুজিব গোলাগুলির সময় বিছানার নিচে গিয়েছেন, তাতে, লেখকের মতে, "সেটি শেখ মুজিবের নেতৃত্বশক্তি কে চরম ভাবে অফেন্ড করে"। একটা অত্যন্ত ছোট এবং অত্যন্ত স্বাভাবিক ঘটনার রেফারেন্স থেকে এই উপসংহার টানাকে আপনি কী বলবেন? আমি এইটাকে হাস্যকর বলি।
লেখক বলেছেন: বিষয়টা টিকাটুলীর ছাপোষা কলা বিক্রেতা রহিমুদ্দীর ক্ষেত্রে ঘটেনি।
এটি ঘটেছিলো ৭ মার্চের বিপ্লবের স্বপ্ন দেখানো শেখ মুজিবের ক্ষেত্রে।
সেক্ষেত্রে বিষয়টা মোটেও মামুলী ছিলোনা , বরং অবশ্যই অফেন্ডেবল ছিলো , হাস্যকর ছিলো শেখ মুজিব পর্যায়ের ব্যক্তিত্বের জন্য।
যাইহোক পোস্টের প্রসংগ ধরে রাখুন
জেনারেশন৭৫ বলেছেন:
পোষ্টটি স্টিকি করা হোক ..........জানি এই দাবি আমাদের বৃথা! কারন আপনি বাকশালের সার্পোটার নন!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , পরের পর্বের জন্য চোখ রাখুন
সাজিদ বলেছেন:
@ দি ফিউরিয়াস ওয়ান, মানুষের সঠিক চরিত্র/ব্যক্তিত্ব বুঝার সময় তাকে সবচেয়ে আনইউজুয়াল সিচুয়েশনে ফেলে দিতে হয়। আর অনেক ক্ষুদ্র একটি ঘটনা থেকেও অনেক কিছু বুঝা যায় তার চরিত্র সম্পর্কে।পুরা পোস্ট পড়ি নাই। তবে শেখ মুজিবের অসাধারন জনপ্রিয়তা আর নেতৃত্বগুন যেমন দেখেছে মানুষ ষাটের দশকে। ঠিক ততটাই দূর্বলতা দেখেছে সত্তরের দশকে। এটা জোড় করে যতই চেষ্টা করেন মুছে ফেলা যাবে না। তাঁকে তো এখন আমিরুল মুমিনীন বানানো হচ্ছে। পারলে পূর্বজনমে পাঠিয়ে পলাশির আম্রকাননের সেনাপতি বানিয়ে দেয়। কাউকে না কাউকেতো মানুষ হিসেবে তার যেসব সীমাবদ্ধতা ছিল সেগুলো তুলে ধরতেই হবে।
লালসালু বলেছেন:
২৪নং কমেন্টের একাংশের রেফারেন্স হিসেবে এক আওয়ামী লীগ নেত্রীর কবিতার কয়েকটা লাইন দেখুন যিনি আমাদের প্রিয় সামুতেই ব্লগিং করছেনঃএকাত্তরের স্বাধীনতা বঙ্গবন্ধুর দান,
ভাষা আন্দোলনে নিতে হবে বঙ্গবন্ধুর নাম।
১৮৫৭ সালের সিপাহী বিপ্লবে ছিল তাঁরই ইশারা,
বঙ্গবন্ধুরে নিয়া তোরা করছিস কী মশকরা?
আপনারা জানেন কী পলাশীর আম্রকাননে?
১৭৫৭ সালে যুদ্ধ হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর কারনে।
ফকির মজনু শাহ গঠন করেছিলেন লাঠিয়াল বাহিনী,
চাপা পড়ে গেছে সেখান থেকে বঙ্গবন্ধুর কাহিনী।
নীলকুঠির বিরুদ্ধে তিনিই ধরেছিলেন ঝান্ডা,
লর্ড ক্লাইভকে পিটিয়ে তিনিই করেছিলেন ঠান্ডা।
তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা ছিল মুজিবের আইডিয়া,
টিপু সুলতানকে HELP করেছিলেন মহিশুরে গিয়া।
১৯০৫ সালে যখন বঙ্গ হল ভঙ্গ,
দর্শক হয়ে তিনি দেখেননি রঙ্গ।
সেখানেও ছিল যে তাঁর অবদান,
বৃটিশ ভাইসরয়কে করেছিলেন অপমান।
তিনি ছিলেন প্রীতিলতা আর ক্ষুদিরামের গুরু,
অহিংস আন্দোলন তিনিই করেন শুরু।
সাজিদ বলেছেন:
@ লালসালু, ধন্যবাদ এ আবার কোন মহা মহিলাকবি?
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
@সাজিদ: বললেন পোস্ট পড়েন নাই, তাইলে কী হিসাবে আমারে ধরতে আসছেন? এবং একখান অপ্রাসঙ্গিক জ্ঞান দানও করলেন। তাইলে আমিও একটা অপ্রাসঙ্গিক জ্ঞান দান করি---সঠিক সমালোচনা সবসময়ই ভাল, কিন্তু হাস্যকর ও ছিদ্রান্বেষণমূলক সমালোচনা নিন্দার যোগ্য।এইটা নিয়া আর কথা বাড়াবোনা, লেখক পছন্দ করবেননা।
@লেখক: কলা বিক্রেতা রহিমুদ্দী আরশেখ মুজিব, দুজনকেই বাথরুমে মলত্যাগ করতে যেতে হয়, এবং সেইখানে দুজনকেই প্যান্ট খুলতে হয়, যতটুকু ধারণা করি। এখন শেখ মুজিবের প্যান্ট খোলা জানতে পেরে কেউ যদি হেসে ওঠে "হেহে, মুজিবের প্যান্ট খোলা!!" তাইলে সেইটা ৩ বছরের বাচ্চার মুখে মানায়, কিন্তু প্রাপতবয়স্ক কারো মুখে না।
পোস্টের ব্যাপরে আমার মন্তব্য আগেই দিয়েছি, লেখক সেখানে উত্থাপিত প্রশ্ন আর সন্দেহের জবাবে আমাকে সুশীল বলার এটেম্পট নিছেন
খুদাপেজ।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা , আবার আসবেন। ![]()
শুনতে থাকুন , জানতে থাকুন ।
কানে তুলো , চোখে পট্টী বেঁধে রাখা ঠিক নয়।
পোস্টে লেখকের কোন বক্তব্য নেই , ঘটনার চরিত্ররাই সব বলছে , লেখক কেবল অফিস সহকারীর মত প্রপার ফাইলিং করেছেন।
এড়াতে চাইলেই এরানো যায়না , প্রিয় মানুষের ইতিহাসে এমন গোমর থাকলে এক সময় সেগুলো জানতে পারে পেইন হবেই , তবে এড়ানোর পথ নেই
জোবায়ের বলেছেন:
বাহ বাহ কি চমৎকার। কী বোর্ডের ইতিহাস রচনা ভালই হচ্ছে দেখছি।লালসালু, তুমি কবিতাটা শেষ করলানা। এই জন্যই তুমি ছাগু। বাকি লাইনগুলোঃ
উপসংহারঃ
বঙ্গবন্ধু এসব দেখলে লজ্জায় হতেন লাল,
চামচার দলকে ডেকে দিতেন ইচ্ছামত গাল।
আর কত বেচবি তোরা শেখ মুজিবরের নাম,
জনগনের কাছে রইল না তাঁর কোনো দাম।
বঙ্গবন্ধু, জান কি? তোমায় নিয়ে হচ্ছে মিথ্যাচার,
তুমি থাকলে একদিন করতে এর বিচার
ইবনে সালাম বলেছেন:
জানার আছে অনেক কিছু। স্টিকি করা হোক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , চোখ রাখুন পরের পর্বের জন্য
হাসান মোহাম্মাদ বলেছেন:
ব্যাপক টাইম দরকার। আপাতত + আর প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: ভালো করে পড়ে দেখুন , অনেক গ্যাপ ইনফরমেশন জানবেন
ফিনিক্সম্যান বলেছেন:
এত্ত বড় গবেষণায় একটি পুরান সত্য কথাই বার হৈছে যে, মুজিব স্বাধীণতার কোন ঘোষণা দেন নাই।
লেখক বলেছেন: এটা পুরো স্টাডির প্রিফেস মাত্র , পরের পর্বে আরো ডিটেইল জানতে পারবেন
অপেক্ষমান বলেছেন:
অফেন্ডিং এর পর এই পোষ্টের অপেক্ষায় ছিলাম। আমার বিনীত অনুরোধ, পরের পর্বের লিংক এই পর্বে । অ্যাড করে দিয়েন প্লিজ। চালিয়ে যান।
অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , পরের পর্বের লিংক এই পর্বে অ্যাড করে দিবো
নেটপোকা বলেছেন:
ধন্যবাদ। আপনার প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই। তবে আশা করি আপনার লেখায় স্বাধীনতা ঘোষনার প্রকৃত ইতিহাসই কেবল উঠে আসবে এবং এ বিষয়টি আমাদের বড় দুই দল ও তাদের মতাদর্শী রাজনীতিক-লেখক-বুদ্ধিজীবিরা যেভাবে দলীয়করণ করে চলেছে, আপনার এই লেখাটি সেরকম পক্ষপাতদুষ্ট হবেনা। এই ব্লগেও এরকম অনেক অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস একটি ধারাবাহিকতার ইতিহাস। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ছিল সেই ধারাবাহিকতারই অনিবার্য পরিণতি, যাতে দলমতনির্বিশেষে প্রায় সকলের সমবেত অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি জাতির স্বাধীনতা-আকাঙ্ক্ষার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। আর এতে অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে বিভিন্ন দল ও পর্যায়ের নেতৃত্ব। তবে কিছু কিছু দল বা গোষ্ঠী যেমন, জামায়াতে ইসলামী, কোন কোন বামপন্থী দল ও কতিপয় পার্বত্য উপজাতি কমবেশি স্বাধীনতা-বিরোধী ভূমিকা পালন করেছে। জাতি হিসেবে আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমরা সময়মত এই স্বাধীনতা-বিরোধীতার, বিশেষ করে চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধের নিষ্পত্তি করতে পারিনি, বরং দিনে দিনে অনেক পানি ঘোলা করেছি। এই ব্যর্থতার দায় কোন দলই এড়াতে পারেনা।
আজ জাতি হিসেবে আমরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে নিজ দল ও নেতৃত্বের একক কৃতিত্ব দাবি করছি আর একইসাথে অন্যের কৃতিত্বকে খাটো করার হীন প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। বিপরীতমুখী ও পরস্পর সাংঘর্ষিক দল ও ব্যক্তিপূজা একটি জাতিকে শেষ করে দিচ্ছে। আমার কেন জানি মনে হয় আমাদের এই চরম দ্বিধাবিভক্তি এমনি এমনি ঘটেনি, বরং এটি কোন কোন বহিঃশক্তির চলমান ষড়যন্ত্র ও সচেতন প্রচেষ্টার ফসল। তারা কখনোই চায়না বাংলাদেশ একটি উন্নত ও শক্তিশালী দেশ হিসেবে গড়ে উঠুক।
লিখে যান, তবে অবশ্যই নিরপেক্ষতা বজায় রেখে। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ফ্রীডম ফাইট কোন প্রকার দলীয় সম্পত্তি নয়।
এটাও এই পোস্ট লিখার পেছনে আরেকটা উৎসাহ
লেখক বলেছেন: ওকে
লুৎফুল কাদের বলেছেন:
সোজা প্রিয়তে আর লালশালুরে ধন্যবাদ কবিতার জন্য. এই লেখা স্টিকি হবেনা, মুজিবরে তেল মাইরা লেখলে হবে.
লেখক বলেছেন: স্টিকি হওয়ার জন্য তো লেখা না, মানুষকে জানানোর জন্য লেখা ,
ধন্যবাদ
রিপন উদ্দিন বলেছেন:
প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
জর্জিস বলেছেন:
++++সত্য কথা অনেকেরই পছন্দ হবে না....ফিকশন আর ফিউশন মিশ্রিত ইতিহাস হলে সবাই আনন্দে বগল বাজাইত....লেখা চালিয়ে যান
লেখক বলেছেন: আসবে পরের পর্ব যথা সময়ে
মুনিম সিদ্দিকী বলেছেন:
মিঃ দাসত্ব, এটি লিখতে গিয়ে যে খুব খাটুনি দিয়েছেন তা বুঝতে পারছি। তবে অবাক হলাম, যখন দেখি আপনি প্রমাণ হিসাবে তুলে আনছেন। শুধু অনুবাদকে। কেন ভাই, আপনার কি ইংরেজি বুঝতে অসুবিধা! যদি নিজে বিগবার্ডের ইনচার্জ জহিরুল আলম খানের বই :দ্য ওয়ে ইট ওয়াজ পড়তেন তাহলে পিয়ালভাইয়ের অনুবাদ পড়ে ভ্রান্তিতে পড়তেন না। পিয়াল ভাই অবশ্য উনার নিজস্ব ধারণাকে ব্রাকেট করে দিয়েছিলেন। কিন্তু আপনি বুঝতে পারেন নাই। তাই পিয়াল ভাইয়ের নিজস্ব ব্যাখ্যকে জহিরুল আলম খানের বলে মেনে নিয়েছেন।নিন দেখুন- আসল ইংরেজি -
The house search party now entered the house, a guard of Sheikh Mujib was escorted out with a soldier walking by his side. After going a little distance from the house the guard pulled out a ‘dah’, a long bladed knife and attacked his escort, he did not know that he was being covered from behind and was shot but not killed. The ground floor was searched and no one was found there, the search party went upstairs, there was nobody there in the rooms that were open, one room door was bolted from the inside. When I went upstairs someone said that there was some sound coming from the closed room, I told Major Bilal to have the door of the closed room broken down and went downstairs to check if Captain Saeed had arrived and if there was any sign of a crowd.
আর পিয়াল ভাইয়ের অনুবাদ- এরপর সিড়ি বেয়ে ওপরে উঠলো সার্চপার্টি। একের পর এক দরজা খুলে কাউকে পাওয়া গেলো না। একটা রুম ভেতর থেকে আটকানো ছিলো। ওপরে ওঠার পর কে যেন আমাকে বললো বদ্ধ ঘর থেকে কেমন অদ্ভুত শব্দ আসছে (সম্ভবত ওয়ারল্যাস ট্রান্সমিশন করছিলেন মুজিব) [এই অংশ পিয়াল ভাইয়ের সংযোজন]। মেজর বিল্লালকে বললাম দরজা ভাঙতে। আর আমি নীচে নামলাম ক্যাপ্টেন সাঈদের দল এলো কিনা দেখতে।
আর আপনার অভিমত- জহিরুল আলম খানের "দ্য ওয়ে ইট ওয়াজ" বই অনুসারে মুজিবকে গ্রেফতারের ঠিক আগ মূহুর্তে (আগে ১:১০- ১:১৫ এর মধ্যে ) বিগ্রেডিয়ার জেনারেল জহির একটি ঘর থেকে অদ্ভুত শব্দ শুনতে পান এবং তার কাছে মনে হয়েছে সেটি ট্রান্সমিটার অপারেট করার শব্দ , তবে সম্ভবত ।
এখানে লেখক বলছেন-some sound আর পিয়াল ভাই একে ওয়্যারলেস ট্রান্সমিট বলে অনুমান করছেন। আসলে এই some sound এর অর্থ তো কত প্রকারই হতে পারে। এও হতে পারে ভিতরে মানুষের নড়াছড়ার শব্দ । আর এটিই যুক্তি সঙ্গত কারণ ঐ সময়ে বঙ্গবন্ধু ঐ রুমের ভিতরে ছিলেন। হয়তঃ অস্থির ভাবে পায়চারি করছিলেন ।
বহুল আলোচিত এই ঘোষণা কেমন করে সারা বাংলাদেশে ও বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল তার আর একখান কাহিনী। আমারব্লগে আমার এই স্বাধীনতার ঘোষণাঃ যে ভাবে প্রচার হয়েছিল দেশে-বিদেশে ।পোস্টে পাবেন।
আর ইয়াহয়া কখন কিভাবে ঢাকা ছেড়ে যায়। বঙ্গবন্ধু ঠিক কখন এরেস্ট হয়ে ক্যন্টনম্যান্ট এসেছিলেন। পরদিন কখন কিভাবে ঢাকা ত্যাগ করেন তা জানতে প্রত্যক্ষদর্শি পাক কর্ণেলশাফাত আলীর বয়ান পড়ুন ২রা মার্চ ২০০৮ এর দৈনিক জনকন্ঠ। ২৫শে মার্চ রাতে এই শাফায়েত আলী অধিনে ছিল তেজগাও এয়ার পোর্ট। উপরের দুটি লিংক আপনার গবেষণার কাজে লাগবে বলে আমি মনে করি।
লেখক বলেছেন:
ঐ সামান্য অনুবাদের বিষয়টা বাদ দিন।
ই শব্দের বিষয়টা আমি গুরুত্বের সাথে ওয়াচে নিয়েছিলাম - কারণ তাল গাছ দখল করার জন্য একটার পর একটা সুতো প্যাচানো হয়।
জানলে খুশী হতাম-
আপনি পুরো ব্লগ থেকে কি কি তথ্য পেয়েছেন , আমি যেগুলো বিশ্লেষন করলাম সেখানে কি কি গ্যাপ পেয়েছেন ?
অনেকের বেলাতেই এটা হতে পারে - পড়তে গিয়ে ইনফো মিসিং ,স্কিপিং বা পুরো ব্লগের স্ট্রোক পয়েন্ট টাই ধরতে পারেন নি।
ইয়াহিয়ার ঢাকাত্যাগের ঘটনা টা স্রেফ একটা প্রিফেস ইনফো।
ব্লগের আসল মেসেজ নয়।
যাইহোক রেফারেন্স দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
এখানে আমি বেশ কিছু বিষয় নতুন জানিয়েছি যেগুলো পুরো বিষয়টাকে নতুন ভাবে টার্ন করায় - সেজন্যই বলেছি টার্ণিং ইনফো।
ডিওআই মেসেজ বিষয়ক আলোচনায় আওয়ামী পন্থীরা সব হিজিবিজি করে ফেলে , মানুষ ভয় পেয়ে যায় , হিজিবিজিতে ঢুকতে চায়না , কিন্তু এত সহজে ছেড়ে দিতে রাজী নই আমি।
পুরো ব্যাপারটাই ধরতে পারবেন পরের পর্বে।
লেখক বলেছেন: @মুনিম,একটু অপেক্ষা করুন।
আরো ভালো ভাবে জানতে পারবেন বিষয়টা।
ঘটনাটা মোটেই কেবল চট্টগ্রাম কেন্দ্রিক ছিলোনা।
মুনিম সিদ্দিকী বলেছেন:
আপনার মত আমিও অনেক অংক কষি কিন্তু মিলাইতে পারছিনা। আসল কথা হলো ইতিহাস শিউলীফুল না যে হাত দিয়ে মালা বানান যায়। তবে আপনার পয়েন্টে যুক্তি আছে। দেখি আগামীতে কি সারপ্রাইজ নিয়ে আসছেন।
লেখক বলেছেন: বেশ ভালো চমকাবেন যেমন এখানে জানলেন মুজিবের সাথে রাত ১:০০ টায় ইন্টাঃ সাংবাদিকদের টেলিফোনে কথা হয়েছে।
লেখক বলেছেন: বাই দ্য ওয়ে , সামুর পোস্ট আমুতে খুব সহজে পোস্টানো যায় কিভাবে ?
এর আগে অফেন্ডিং শেখ মুজিব -১ তাত্ত্বিক নামে একজন মনে হলো কপিপেস্ট করসিলো ।
কিভাবে করসিলো কে জানে ?
অলরেডী কেউ একজন ফাজলামী করে আমার "দাসত্ব" নিকটা দখল করে ফেলসে আমুতে ।
যাইহোক , সামুর পোস্ট আমুতে শর্টকাট পোস্টানোর রাস্তা জানা থাকলে বলবেন দয়া করে
জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন:
পোস্ট স্টিকি করা হোক...!!!! তোমাকে জানতে মন চায়... ইমেইল এ কি জানানো যায়??
লেখক বলেছেন: হ্যা , আপনার ইমেইল আইডি কি আছে ইয়াহুতে ?
থাকলে জানান। এখানেই লিখে যান।
এটার পরের পর্ব আসুক , শুভ ভাই - বিএনপির কোন নিজস্ব প্রকাশনা থেকে ছাপানো সম্ভব ? খোঁজ নিয়ে দেখেন।
পরের পর্বে আরো গোমর ফাঁস হবে। ওয়েট করেন ।
সব গোজামিল দিয়ে ইতিহাস দখল
ওরাকল বলেছেন:
শ্রমসাদ্ধ লেখা। আশা করি পাঠকরা নিজেদের বিচার-বুদ্ধি দিলেই বুঝতে পারবে যে টেলেক্স/ফোন/ ওয়ার্লেস ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে মুজিবের স্বাধীনতা ঘোষনার সাম্প্রতিক দাবীর অসারতা। তবে যারা জেগে ঘুমায় তাদের কুম্ভকর্নের ঘুম না ভাঙ্গাই সাভাবিক।Click This Link যেখানে মুজিবনগর সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ভারত সরকারকে এই বলে নিশচিত করছেন যে তারা শেখ সাহেবের কাছ থেকে স্বাধীনতা সম্পর্কিত কোন ঘোষনা পান নি।
'চট্টগ্রামের জহুর আহমদ চৌধুরীর কাছে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠিয়েছিলেন বলে যে কথা বলা হয়, তাও সঠিক নয়। ভারত সরকার বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার সময় প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও অন্য প্রধান নেতাদের জিজ্ঞাসা করেছে যে, স্বাধীনতার ঘোষণার ব্যাপারে শেখ মুজিবুর রহমান কাউকে কিছু বলে গেছেন কিনা। এর মধ্যে জহুর আহমদ চৌধুরীও ছিলেন। ভারত সরকারকে প্রত্যেকেই বলেছেন, কাউকেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণার কথা বলে যাননি। জহুর আহমদ চৌধুরী নিজে তাজউদ্দীনকে বলেছেন, স্বাধীনতার ঘোষণার ব্যাপারে তাকে কিছুই বলা হয়নি।'
অফ টপিক:
ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং : DOI (Declaration Independence)
OF বাদ পড়ে গেছে
লেখক বলেছেন: আসলে দেশের অধিকাংশ মানুষই কুম্ভকর্ন না, সেই উৎসাহ থেকেই তো লিখলাম।
যেই ইনফোটা দিলেন সেটাও আসবে সামনের পর্বে , শুধু জেনে রাখুন , সারপ্রাইজ ওয়েট করতেসে।
বেশ ভালো মতো সবদিক থেকে গ্যাপ ফিলাপ করেই ইনফো গুলো আসবে।
ভুলটা এডিট করবো , থ্যাংকস
ওরাকল বলেছেন:
আর এই ব্যাপারে ক্লাস 2 3 পোলাপাইনের মত একটা প্রশ্ন আমার মাথায় প্রায়ই ঘোরে..শেখ মুজিব যদি টেলেক্স/ফোন/ ওয়ার্লেস ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে স্বাধীনতা ঘোষনা দিয়েই থাকেন তবে কেন তার একটি কপি হোটের ইন্টারকন্টিলেন্টালে পোছাল না ? না কি শেখ মুজিব ও তার গোপন বার্তা বাহকগন 'আন্তর্জাতিক মাধ্যমে প্রচার' এর গুরুত্ব বুঝতে অক্ষম ছিলেন ?
লেখক বলেছেন: আরে পুরোটাই ভুয়া , নেক্সট পর্বে ভালোমতো দৃশ্য পরিষ্কার হবে। ওয়েট করেন খুব দ্রুত পাবেন।
বাচ্চা আর আওয়ামী মানসিক প্রতিবন্ধী ছাড়া যেকেউ স্বাভাবিক আই কিউর ইনফো গুলো জানার পরই বুঝতে পারবে আসল ঘটনা কি ছিলো।
লেখক বলেছেন: টেলেক্স আর ওয়্যারলেসের তো প্রশ্নই আসেনা।
শুধু টেলিফোনে সম্ভব ছিলো।
সেখানেই তো এই অজানা তথ্যটুকু জানালাম
ওরাকল বলেছেন:
স্বাধীনতা ঘোষনার প্রশ্নে তাজউদ্দীন আহমদকে শেখ মুজিব রাত ১০ টায় ও প্রত্যাক্ষান করেছেন এই বলে 'এটাতে পাকিস্তানিরা তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করতে পারবে'। অথচ ২ ঘন্টা ব্যাবধানেই তিনি স্বাধিনতার ঘোষনা দিয়ে দিলেন ? তাজউদ্দীন আহমদ ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘যেখানে আন্দোলনের সর্বোচ্চ নেতা—যাকে এতবার করে বলেছি, আজকে সন্ধ্যাতেও বলেছি, তিনি কোথাও যেতে চাইলেন না এবং তাকে স্বাধীনতার ঘোষণার জন্য যে সংক্ষিপ্ত একটা ঘোষণা বা বার্তা টেপরেকর্ডে ধারণ বা ওই কাগজে স্বাক্ষর করার জন্য বলায় তিনি বললেন, এটাতে পাকিস্তানিরা তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করতে পারবে! তিনি এতটুকুও যখন করতে রাজি নন, তখন এ আন্দোলনের কি-ই বা ভবিষ্যত্?’ -- মঈদুল হাসান (সূত্র: Click This Link)
লেখক বলেছেন: হ্যা , এগুলা পুরোটাই আসবে। পোস্ট আসলে রেডী আছে।
এই পোস্ট সবার মাথার ঢুকুক , সেজন্যই ওয়েট করতেসি।
আমি বেশ ভালো করেই স্টাডী করে নিসি।
মুজিবের পক্ষে থাকলে থাকবে , বিপক্ষে থাকলে বিপক্ষে ।
প্রায় সব ধরনের সোর্স থেকে ই খোঁজ নিয়ে দেখসি।
জাস্ট ওয়েট ফর নেক্সট এপিসোড
বাঙ্গাল বলেছেন:
স্টিকী ক রা হোক
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , পরের পর্ব আসবে দিন ১৫ এর ভেতরে
সাজিদ বলেছেন:
@ দাসত্ব, অনেক অনেক খেটে বেশ ভাল একটা কাজ করেছ। এই লিখাগুলো সংরক্ষন করে রাখা উচিৎ। তবে লিখার মাঝামাঝি থেকে পরের অংশগুলো আরেকটু গুছিয়ে এড করলে ভাল হতো। রেফারেন্সের সাথে তোমার বিশ্লেষনগুলো মিশে গেছে বলে মনে হয়েছে আমার কাছে। এজন্য আলাদা আলাদা ভাবে বিভিন্ন রেফারেন্সের হেডিং দিয়ে প্রথমে তাদের বক্তব্য দিয়ে পরে সেটা বিশ্লেষন করলে পাঠকের জন্য ফলো করা সহজ হয়।
পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
লেখক বলেছেন: সাজিদ ভাই , অনেক রকম ফরম্যাট চিন্তা করছি । শেষে এটাই বেটার মনে হইসে আসলে। অ্যানালাইসিস গুলো রেফারেন্সের ইমিডিয়েট পরে হলে মানুষ খুব সহজে আর র্যাপিডলী ক্যাচ করতে পারে।
পরের পর্বের জন্য চোখ রাখুন
কঠিনলজিক বলেছেন:
শেখ মুজিব ঘোষনা দিয়েছিলেন কি দেন নাই? এর আগে ভাবার বিষয় হলো তিনি কি ঘোষনা দেবার মত পরিস্হিতে ছিলেন ? তিনি অপেক্ষায় ছিলেন একটা সমঝোতার, আশায় ছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হবার ।
পরবর্তি পরিস্হিতিতে বুঝতে পারলেন ধোঁকা দেওয়া হয়েছে, এবং বুঝে গেলেন তিনি গ্রেফতার বা নিহত হতে পারেন ।
ভয় পাবার কথা এবং পরিস্কার ভীত হলেন ।(তাজুদ্দিন কে বল্লেন রাস্ট্রদ্রোহীতার মামলার কথা, খাটের নিচে পালানো ইত্যাদী)
আশাভন্গ,বন্দী,ভীত একজন কি ঘোষনা দেবার পরিস্হিতে থাকে ? ঘোষনা দিতে পারে ?
আর যদি ঘোষনা দিয়েই থাকেন তখন তো বুলেটের গতি তে তা প্রকাশ পাবার কথা !!!
২৫ মার্চ রাত ১০:৩০ মিনিট থেকে ২৬ মার্চ দুপুর ১২টা (যদি ধরে নেই ২৬ মার্চ দুপুর ১২ টায় মেজর হান্নানের রেডিও ঘোষনার সময় কে ) এই ১৪ ঘন্টা সময়ে শত মাধ্যমে হাজার বার প্রকাশিত হতো যে ২৬ মার্চ দুপুরে বা ২৭ মার্চ সন্ধায় কোন ঘোষনার ন্যুনতম প্রয়োজন থাকতো না ।
আর যদি রিপিটেড ঘোষনার ফেশন হতো তা হলে জিয়ার ঘোষনাও ২৭,২৮,২৯ পরবর্তি তে আবার এপ্রিলে ২-৩ বার আসতো !!!!
যাই হোক একটা যায়গাতেই আওয়ামী ইতিহাসবিদ দের দৃস্টি আকর্ষন করছি ২৫ মার্চ ১০:৩০ থেকে ২৬ মার্চ ০১:৩০ এই তিন ঘন্টার মাঝে ঘোষনার কোন অকাট্য প্রমান না থাকলে এই তর্কে না গেলেই ভাল হবে ।
লেখক বলেছেন: যাই হোক একটা যায়গাতেই আওয়ামী ইতিহাসবিদ দের দৃস্টি আকর্ষন করছি ২৫ মার্চ ১০:৩০ থেকে ২৬ মার্চ ০১:৩০ এই তিন ঘন্টার মাঝে ঘোষনার কোন অকাট্য প্রমান না থাকলে এই তর্কে না গেলেই ভাল হবে
ভালো বলেছেন।
মৌচাকেই তো ঢিল মারলাম!
পরের পর্ব গুলোতে বেশ ভালোভাবে বুঝতে পারবেন কিভাবে ইচ্ছামত ইতিহাসকে জবর দখল করা হয়েছে।
বিশাল বিষয়।
অনেকে ধৈর্য হারায়া ফেলে , তাই ৩ পর্বে শেষ হবে।
আসল জিনিসটাতো হলো শেখ মুজিবের সাথে আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের ১২:০০-১:০০ এর মধ্যে ২ বার কথা হয়েছে।
স্বাধীনতার ঘোষনা দিতে আর কি লাগে ?
বাংলা সিনেমার জন্য অনেক কিছুই হয়তো লাগে ।
এটা ব্যাখ্যা স্বয়ং শেখ মুজিবও দিতে পারবেনা।
আলো আধারী কেটে যাবে। অপেক্ষা করুন বাকী ২ পর্বের জন্য
এক্স বলেছেন:
সরাসরি প্রিয়তেঅদ্ভূত ব্যাপার যে যাকে জাতির জনক ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বলা হয় তার কোন স্পেসিফিক প্ল্যান ছিল না আন্দোলনের ক্লাইম্যাক্স নিয়ে.
অফটপিক প্রশ্ন- পুলিশ মোটেও এন্টি পাক গভর্মেন্ট ছিল না, তারপরও কেন তাদের উপর ইনসেনডিয়ারি অর্ডিন্যান্স চার্জ করা হল. মুজিব কোন স্বাধীনতার ঘোষনাও তখন দেননাই অথবা পুলিশও মুজিবের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে নাই, তবে পাক আর্মি ওদের উপর হামলা চালালো কেন? বরং তাদের উপর হামলাই বাঙ্গালীদের ঠেলে দিয়েছিল সর্বাত্মক যুদ্ধে...
লেখক বলেছেন: প্রিয়তে নেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
পরের ২ পর্বে আরো ভালোভাবে জানতে পারবেন।
আওয়ামী লীগ যেটা করে এই বিষয় নিয়ে সেটা আসলে হাত সাফাই।
বিষয়টার অনেক কিছুই ধরতে পেরেছি।
বাকীটা পরের ২ পর্বে তুলে আনছি।
চোখ রাখুন
লেখক বলেছেন: অফ টপিকে যেটা বললেন অনেকটাই একমত।
নেতার যাইহোক , যুদ্ধ তখনই শুরু হয়ে যায় যখন একটা জাতির ডিফেন্স অফেন্ডেড হয়।
বিডি আইডল বলেছেন:
এই সিরিজটা পড়ি নাই....পরে কমেন্ট করুম
লেখক বলেছেন: ওকে
শয়তান হন্তারক বলেছেন:
এ যেন বাঙলার এন্থনি ম্যাসকার্নহ্যাস। ইতিহাসের অন্ধকার ও মিথ্যার অলিগলিতে ঘুরে বেরানো লক্ষ কোটি তৃষ্ণার্তদের মধ্য থেকে আপনাকে ১৬ কোটি +
লেখক বলেছেন: নাহ ভাই , একটু বেশী প্রশংসা করে ফেললেন।
ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং এ আমার একটু আগ্রহ বেশী।
এতো সহজে কিছু বিশ্বাস করিনা।
পরের পর্বে চোখ রাখুন
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
+। আপাতত প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
পৌলমী বলেছেন:
সালাম, দারুন লেখা, তথ্যবহুল, প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ঠিকআছে
হাসান আব্দুল্লাহ বলেছেন:
জনাব আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ! দারুন তথ্যবহূল ইতিহাসের লেখনীর জন্য! খোদ শেখ মুজিব নিজেই যেখানে তালগাছের দ্বাবী করে মিথ্যাচারের আশ্রয় নিলেন! সেখানে বাল(bal)নেতাদের তাকে ডিপেন্ড করতে গিয়ে তিল কে তলগাছ জাতিয় বক্তব্য না দিলে বাল দের থাকে কি! স্বাধীনতা ব্যবসায়ী এই উগ্রপন্তীদের ইতিহাস নিয়ে বেশি কথা বলার প্রবনতা খুব বেশি হলেও চরম সত্য এইযে প্রকৃত ইতিহাস তাদের কে আস্তাকুড়েই নিক্ষেপ করবে! যে মহান নেতা গ্রেপ্তার বরণের আগে বার বার সামরিক জান্তার১টি ফোন আই মিন--পাকিস্হানের প্রধানমন্ত্রীত্বের খবরের আশায় ছিলেন তিনি স্বাধীনতার ঘোষনা কল্পনাও করেন,নি! দেবেন কিভাবে?পাকিস্হানী বর্বর সামরিক জান্তারাই স্বাধীনতা ঘোষনার পথ উন্মূখ্ত করে দিয়েছিলো-সেদিন রাত ও অপরাপর নিষ্টুর গনহত্যার আকর্ষিক নরপিশাচিয় কর্ম ই স্বাধীনতার ঘোষনা আসে যে মহান দ্বায়িত্বটি তত্কালীন মেজর জিয়ার প্রবল দেশপ্রেম থেকেই পালন করেছিলেন! বাংলাদেশের জনগন মেজর জিয়ার কন্ঠই শুনেছে.মুক্তিযুদ্বে ঝাপিঁয়ে পড়ার
বাংগালী ডিপেন্স কর্মীরা সে থেকেই উদভূদ্ব হয়েছিলো! একটি কথা না বল্লেই নয় স্বাধীনতা আন্দোলনে বংগবীর কাদের সিদ্দকী ছাড়া আর কোন বাহিনী কি সস্স্র সংগ্রামের নেতৃত্ব দিতে পেরেছে? সেক্টর কমান্ডার হিসেবে সব ব্যক্তিত্বই মেজর জিয়ার বিদ্রোহ ও স্বাধীনতা ঘোষনায় উদ্ভূদ্ব ছিলো! রাজনৈতিক কারনে সুবিধাভূগী ঐ নেতারা হয়তো সময়ের কারনে তা অস্বীকার করছে! কিন্ত বাস্তবতা কে হৃদয়ের ভেতর থেকে অস্বীকার কেউই করতে পারবেনা!
জনাব-আপনাকে অনুরোধ করবো যদি সময় পান.. ১টা ভয়েজ চ্যাট এ আসার জন্য! যেখানে বাল উগ্রপন্তীদের সাথে আমাদের যুদ্ব প্রতি নিয়তই হচ্ছে! ওখানে ফ্রি রোম বানানো যায় ! এই মূহ্রুর্তে এটা পৃথিবীর সেরা ভয়েছ চ্যাট রোম!হয়তো বা আপনি ও ওখানে আছেন!লল যদি না থাকেন!
তাই--দিলাম-http://www.paltalk.com free download<
আপনাকে সালাম ও ভালোবাসা দিয়ে বিদায় নিলাম..আল্লাহ আপনাকে দীর্ঘজীবি করুন.
লেখক বলেছেন: সামনে বাকীটুকু আসবে , খুঁটিনাটি সহ।
ত্যানা প্যাচানোর সুযোগ রেখে মানুষকে ইনফরমেশন জানানোর অভ্যাস আমার নাই।
পরের পর্বে চোখ রাখুন
এক্স বলেছেন:
আমি একটি বই এ পড়েছি যে ৭ মার্চের ভাষনে মুজিব স্বাধীনতার কথা বলেছিলেন ছাত্রনেতাদের চাপে পড়ে? সেখানে নাকি মুজিবের পান্জাবি টানাটানি হয়েছিল স্বাধীনতার কথা বলার ক্ষেত্রে পিছলানোর জন্য? এর নাকি একখানা ছবিও আছে, সেগুলোর দলিল বা ছবি পাওয়া যাবে? ধন্যবাদ.
লেখক বলেছেন: ঐ বইয়ের রাইটার কে ?
আমি ভেজাল রেফারেন্সের বই ফলো করিনা।
রং চড়ানো বই ওতো হতে পারে।
কারন এইরকমই যদি ঘটে থাকে তাহলে এতদিনে জানলাম না কেন?
তবে রেফারেন্স বিতর্কমুক্ত হলে জানাতে পারেন কোন রাইটারের বই
েফরারী মন বলেছেন:
এটা দিয়ে কি বোঝাতে চেয়েছেন? কে ঘোষণা দিয়েছেন স্বাধীনতার? কালুর ঘাট বেতার এর তখনকার দায়ীত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাক্ষাতকার ও শুনেছি। জিয়ার আমলের লিখা মুক্তিযুদ্ধের দলিল ও ইতিহাস এর কোথাও এটা লিখা ছিলোনা জিয়া ঘোষক। মুজিব কে ছোট করা মানে আমাদের নিজেদের কে ছোট করা। আর এটা করছে রাজাকার রা। এতটুকু বোঝার ক্ষমতা আমাদের হয়েছে। সারা বিশ্ব যে নেতাকে সম্মান দিয়েছেন আমরা নিজেরা তাকে ছোট করার মধ্যে কি আনন্দ পাই জানিনা। মূর্খ দের উদ্দেশ্যে কিছু বলার নাই........করুনা করা ছাড়া। এই ধরনের ফালতু রেফারেন্স প্রকাশ না করার অনুরোধ করছি।
লেখক বলেছেন: মিথ্যা দিয়ে মুজিব / জিয়া কাউকেই বড় করা যাবেনা।
রাজনৈতিক আবেগ দিয়ে পোস্ট পড়লে কমেন্টে এই রকম ভুল হতে পারে।
আপনাকে কে বললো আমি জিয়াকে স্বাধীনতা ঘোষনার ইস্যুতে সর্বেসর্বা বানাচ্ছি।
এটি ৩/৪ পর্বে শেষ হবে।
এটা মাত্র ১ম পর্ব।
আমিতো বলেই দিয়েছি বাকী পর্ব আসবে।
হ্যাভ পেশেন্স।
সত্যকে বাবুই পাখির বাসার মত করে হিজিবিজি করে দাড় করানো যায়না।
রেফারেন্স বিষয়টা ভালো ভাবে বুঝতেন যদি ইতিহাস বিষয়ক লেখাজোখার অভ্যাস থাকতো।
আপনি যেটা বললেন কালুর ঘাট বেতার এর তখনকার দায়ীত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাক্ষাতকার ও শুনেছি। - সেটাও পরের পর্বে পাবেন।
আশা করি ধৈর্য হারাবেন না।
হাসান আব্দুল্লাহ বলেছেন:
ফেরারী মন ব্যক্তিকে চিনি! উনি পালটকে নিয়মিত বসবাস করেন! শিল্প চর্চা করেন! বাল নেতাদের সৌজন্যে দুটো গ্রীন নিকে চ্যাট করেন!তাকে সংখ্যালঘু বল্লে বালের লোকেরা আমাদেরকে মৌলবাদী বলে গালী দেয়! ৭৫এর পর জন্ম নিয়েও আমি রাজাকার!
সেটা কোন কথা না,বেশি কথা ও রূঢ় কথায় পারদর্শী আইন প্রতিমন্ত্রীও আগামীতে রাজাকার খেতাব দখল করবে যখন রিমাইন্ডে ঠিক এখনকার মতোই আওয়ামি নেত্রীকে উদ্বার করবে!এতে আমরা বিচলিত নই! কিন্ত ফেরারী অমিত আপনাকে বলি...ঘটি চিনতে আমরাও ভূল করিনা!আমাদের উদারতার সূযোগে আপনারা যে প্রকৃত বাংলাদেশ বিরোধীতায় ব্যস্ত তা বুঝতে পারি! ইতিহাসের বাস্তবতায় প্রকৃত ইতিহাস বর্ণনকারী দই ভাইদের কে আপনাদের রাজাকারই মনে হবে!ইতিহাসের অনেক নির্মম কাহিনী শেখমুজিব- কে আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করবে! ক্ষমতার দাপটে আপনারা এখন সরকারের প্রধান অংশ! কারন আপনাদের জন্যই পৃথিবীর সবচেয়ে স্হুল মানসিকতার রাজনীতিকদের বসবাস ভারত আওলদের ভালোবাসে! ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতির মূল হূতা ঐ সব বাবুরাই! তবুও আপনারা আমাদেরকে ধর্মান্দ্ব বলে তীরস্কার করবেন! থাকেন বাংলাদেশে হুন্ডি করেন ইন্ডিয়ায়১ পা আপনাদের এখানে অন্য পা ভারতে!আপনাদের দেশ বিরোধীতার এটাই শেষ সময়! ইনশাল্লাহ আপনাদের সব দেশবিরোধী কর্মকান্ড রুখে দেবো! দেশের প্রয়োজনে আমাদের উদারতাকে আর খেলতে দেবোনা! বিএনপি,র ভূল যা ছিলো তা হলো,অতিউদারতা ও অতি গনতান্ত্রিকতা!
আপনার মতো (অমিত )বেয়াদব মালুদেরকে চিহ্নিত করাই আমাদের কাজ! অপেক্ষা করুন পালিয়ে যাবেন,না
আশিক চৌধুরী বলেছেন:
লেখককে ধন্যবাদ। এ প্লাস দিলাম।সবাইকে মূলধারা ৭১ বইটা পড়ার অনুরোধ। পড়বেন ধীরে ধীরে।
আমি এ বিষয়ে নিশ্চিত: শেখ সাহেব স্বাধীনতার ঘোষনার কোনো কাজ করতে চাননি। কারন তিনি জানতেন- এর পরিনাম কি।
তাজউদ্দিন সাহেব নেতার বিনা হুকুমে মুজিবনগরে সরকার গঠন করেন আর স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের সহায়তা নেন। যেটা মুজিব কখনো মেনে নেননি। মুজিব চেয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে- বাংলাদেশের নয়। যার খেসারত দিয়েছেন তাজউদ্দিন- আ'লীগের সাধারন সম্পাদক থেকে বাদ, প্রধানমন্ত্রী থেকে বাদ, অর্থমন্ত্রী থেকে বাদ।
তাই নব্য আ'লীগাররা শেখ সাহেবের মুখ থেকে স্বাধীনতার ঘোষনার যত গল্প বানাচ্ছে তত কবরে শেখ সাহেব কষ্ট পাচ্ছেন।
লেখক বলেছেন: আপনি যেটা দাবী করলেন সেটা নিয়ে আমার এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য নেই।
শেখ মুজিব ৭০'র নির্বাচনের রেসাল্ট অ্যাকটিভেশন চেয়েছিলেন শেষ পর্যন্ত বিষয়টা এই টোনে বলা যায়।
ধন্যবাদ
নতুন প্রজন্মেরও এসব জানা দরকার ।
ব্লগের মতো গালিগালাজপূর্ন মাধ্যমে আপনার সাহস প্রশংসা করার মতো।
আর এতো রেফারেন্সই বা জোগার করলেন কোথা থেকে?
চমৎকার কাজ -- পড়েছি এবং ফেবুতে শেয়ার করেছি । ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: এটা আসলে আমার বিশেষ কোন দক্ষতা নয়।
ইন্টারেস্ট পারস্যু করলে হয়তো আপনিও পারবেন।
ফেসবুকে শেয়ার করাতে ধন্যবাদ
হাসান আব্দুল্লাহ বলেছেন:
শুন্য ভাই! সালাম!! আওলরা তিলকে তাল বানাতে উস্তাদ!এটা সবাই জানেন! নতুন প্রজন্ম .কথাটা আমি আর সহ্য করতে পারিনা!এ ভূয়া শ্লোগানেই ২০০৮ নির্বাচনকে অর্থবহ(কথিত) মানে কোন কোন কেন্দ্রে ১০৬ ভাগ ভোটের পরও ফেয়ার বলে ঘোষনা দিলো !সেলুকাশ!
প্লিজ বলুন --- তরুনদের...বাছ! লেখক ইতিহাস নিয়ে পড়লো- বর্তমান ভয়াবহ আধুনিক বাকশালযে সম্পাদকে দিগম্বর করে বেসামরিক লোক দিয়ে পেটায় তা কি উনার দৃষ্টিগোছর হয়না!!!
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিলুপ্ত-চায়ের দোকানে আর রাজনৈতিক তর্ক হয়না,মানুষের পিট দেয়ালে ঠেকে গেছে! কোন বিএনপি যদি..কোথাও সরকারের বিরুদ্বে কথা বলে তাকে বালের সোনার ছেলেদের দিয়ে অশ্লীল ভাবে আক্রমন করায়! বিষয়টা সর্বত্রই এতোই ভয়াবহভাবে ছড়িয়েছে মানুষের মনে এখন রাজনীতির তর্কের আবেগ ত্বাড়িত হয়না! বৃদ্দ বয়জৈষ্টরা ও তাদের অপদস্হতা থেকে বাদ যায়না! এসবের আলামত কি!!
লেখক কে বলবো ব্যক টু দ্যা পাষ্ট বহমান-গাড়ি খুজেঁ লাভ নেই@ এটাই
ডিজিটালিয় সিস্টেম! প্লিজ বর্তমানকে লিখুন ৭৩ ৭৪এর ইতিহাস পড়তে হবেনা! ইতিহাসের ছাত্রদেরকে বলবো-ভালো করে পরখ করুন.. হাসুটাল-ডিজিটালের স্বার্থকতা পেয়ে যাবেন! !
লেখক বলেছেন: মীমাংসা করতে হবে অতীতের জিনিসপত্র।
গালাগালি , আক্রমন , দম্ভ - সবকিছুর মূলেতো অতীত নিয়ে ফাঁপা দেমাগ।
সুতরাং সেটা যে ফাঁপা - এটা প্রমান করে দেখাতে হবে।
একজন আমি বলেছেন:
জটিল...এমন পোস্টই তো চাই..........আপনার ভিজিটর লিস্ট টা দেখেন...আমাদের বাকশালী ইতিহাসবিদরা এইসব পোস্ট দেখে না? নাকি অন্ধ সেজে বসে থাকে?
লেখক বলেছেন: সব আইসা ঘুরে গেসে , কোন কথা নাই , চুপচাপ ।
বুড়ো বলেছেন:
অনেক পরে পোস্টটা দেখলাম। সোজা প্রিয়তে। সময় করে পুরোটা পড়বো। অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: এটা কিন্তু সিরিজ , এর পরের পার্ট অলরেডী পোস্ট হয়ে গেসে আর পোস্টের শেষে দেখেছেন কিনা জানিনা ২য় পর্বের লিংক দেয়া আছে।
ধন্যবাদ
হুপফূলফরইভার বলেছেন:
ইতিহাসের এমনতর নিষ্ঠুর সত্যায়ন!! আমি রাখি কোন কূল!? প্রিয়তে রৈলু!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , নিজেও জানলেন , অন্যদেরকেও জানান
ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস বলেছেন:
ওয়াও ! এটাতো আমার পড়া হয়নি ! আপাতত শো কেইসড।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা
ত্রিভুজ বলেছেন:
পড়লাম.... পরের পর্ব আরেকদিন পড়বো.. অনেক কিছু জানা হলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , এটা হয়তো ৪/৫ পর্বে শেষ হবে।
সেকেন্ড পার্টের লিংকতো দেয়াই আছে এই পোস্টে। পার্ট ৩ ও রেডী। দেখি ফিনিশিংটা শেষ হলেই পোস্ট করবো।
বিজ্ঞান বলেছেন:
দারুন পোষ্ট। প্রিয়তে রাখলাম।মেইল করে আপনার ফোন নাম্বার টা দিয়েন কথা আছে। কিছু মাল হাতে আইছে আমার। ওরিজিনাল মাস্টারপিস।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা , মেইলে জানাইতেসি , কিছু সমস্যা আছে।
আলম রুবেল বলেছেন:
অনেক তথ্য মুলক পোস্ট...সত্য মিথ্যা জানিনা...কিন্তু লেখা ভাল হইছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , ইনফরমেশন বোনাফাইড এটাই এই পোস্টের আসল ক্যালিবার। বাকীটা সহজেই মাথা খাটালে বুঝে ফেলবেন।
সবচেয়ে বড় কথা... এটা সিরিজ.... এখানেই কনক্লুশন হয়নি।
পরের পর্ব গুলো পড়ুন।
শাহেরীন বলেছেন:
ভাই দাসত্ব,আপনার কাছে মেইল করেছিলাম...
আপনি প্লিজ লেখাটা সাজিয়ে পাঠিয়ে দিন...
মঙ্গলধ্বনি'র আগামী সংখ্যা বের হচ্ছে ১৫ই আগস্ট, আমরা তাতে আপনার লেখাটা দিতে চাই... প্লিজ ভাই, আজকের মধ্যেই কাজটা করুন...
আমরা অপেক্ষায় রইলাম...
http://www.mongoldhoni.com
লেখক বলেছেন: পাঠিয়েছি
কামাল উদ্দিন ফারুকী জুয়েল বলেছেন:
স্টিকি করা হোক।
লেখক বলেছেন: আর স্টিকি ?
ইহা সাওয়ামী ব্লগ .... জানেননা ?
লেখক বলেছেন: প্রিয়তে নেয়ার জন্য ধন্যবাদ , বদরুদ্দিন উমরের রাইটিং পড়া হয়নি স্বাধীনতার ঘোষনা বিষয়ে
মাহমুদ মান্না বলেছেন:
আমি এ জগতে নতুন ।অনেক পরে পোস্টটা দেখলাম। প্রিয়তে।পুরোটা পড়েছি। অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
স্বপ্নডানা বলেছেন:
বাংলাদেশ স্বাধীন না হলেই ভালো ছিল। খামাখা মুজিবকে এত কথা শুনতে হতো না। আপনাদের চিন্তা নেই। সেদিন বাংলাদেশ খেলায় জেতার পর আমার এক বন্ধু বলেই ফেলল, আমরা নাকি পাকিস্তানের মত খেলি।
বাংলাদেশ ধ্বংস হোক, আবার পাকিস্তান হোক, তবুও যদি বঙ্গবন্ধুর সারাজীবনের সংগ্রাম, জীবনের অর্ধেকের বেশি সময় ধরে জেলে থাকাটা আপনারা মাপ করতে পারেন।
উনি কুত্তারবাচ্চা ছিলেন। আর কিছুই বলার নেই!
লেখক বলেছেন: ইয়োর কমেন্ট হার্টেড মী।
শেখ মুজিব স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রাণপুরুষ ছিলেন... এটা আমি নি্দ্বিধায় স্বীকার করি.... অস্বীকার যে করবে সে চশমখোর.....
কিন্তু ইতিহাসে কোন মিথ্যা থাকা উচিত না।
আপনি এর পরের পর্ব পড়ুন , লিংক দেয়া আছে নীচে , পড়েই বুঝবেন স্বাধীনতার ঘোষনা নিয়ে রাজনীতি করার জন্য এই পোস্ট দেয়া হয়নি
, স্রেফ ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং
দাসত্ব বলেছেন:
উপরের ২ টা মেথর কে এর পরের বার যথাযথ ট্রিটমেন্ট দেয়া হবে।আমার ট্রিটমেন্ট কেমন হয় সেটা ব্লগের অনেককে জিজ্ঞেস করে জেনে নিবি
কাদা মাটি জল বলেছেন:
শালা রাজাকার। তোমার বাপেরে যায়া এই ভয় দেখাও পাকিস্তানে। বুঝেছো? তুমি যে রাজাকার, এইটার চাইতে বড় সত্য নাই।বেজন্মা কোথাকার।
লেখক বলেছেন: তোর কথায় যা বুঝলাম হাওড়ার বেশ্যাপাড়ায় গিয়ে তোর বাবার খোঁজ কর , এখনো হয়তো যায় ঐখানে । ব্লগ তোর জন্য না।
তার আগে ডানগালে বাম গালে আইসবুটের ১০ খানা ৫ কেজি ওজনের চড় আর ঘাড়ে ২০ কেজি ওজনের একটা গদাম লাত্থি খেয়ে যা ।


বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
ভাই কথায় বলে অন্ধ হলেই প্রলয় বন্ধ হয় না। কিছু কুলাঙ্গার সত্য-তথ্য, রেফারেন্স ও যুক্তির ধার না ধেরে কুৎসিত কথা বলবেই। তাই গাদাম সহ ব্লক করে দিবেন দয়া করে। এদের কিছু বলা মানে নিজের অযথা সময় ও মনোযোগ নষ্ট। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: প্রথমবারের মত সুযোগ সবাইকেই দেই শুধরানোর জন্য.... এর পর আর দেই না।
ঐটাই ঐ ব্যাটার শেষ কমেন্ট , সাথে সাথেই ব্লক করা হয়েছে
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন:
জটিল সংগ্রহ, সিম্পলী অসাম......
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ব্রাইট সেন্ট্রাল......
ডেসপারেট_ঈগল বলেছেন:
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন: জটিল সংগ্রহ, সিম্পলী অসাম......
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
িতর্থক আহসান রুেবল বলেছেন:
এই পোষ্টকে ষ্টিকি করার ক্ষমতা সামুর নাই। কিন্তু মনের ষ্টিকি তো আর সামু আটকাতে পারবে না।
লেখক বলেছেন: জোর যার মুল্লুক তার.......এটা আওয়ামী যুগ ..... এই সত্যগুলো এখন ধামাচাপা দেয়া হবে।
যথাসময়ে যথাকর্ম সম্পাদন হবে।
শীত এক মাঘে যায়না। গায়ের জোরে আর প্রথম আলোর মিজান নামের সেয়ানা মুজিবকে স্বাধীনতার ঘোষক বানানোর জন্য ত্যানা প্যাচাচ্ছে....... লাভ নেই........
এই সত্যগুলো প্রচার হবেই হবে......... আর মাত্র ২ বছর ৮ মাস
লেখক বলেছেন: জ্বী ...... যে ব্যক্তিই এই অজানা সত্যগুলো জেনেছে সেই অবাক হয়েছে।
দেখলেননা হাম্বাদের গায়ের খাউজ চুলকানী.......
সেটা কি আর এমন.......
প্রচারেই প্রসার........ সব প্রচার মাধ্যমকে সংগে নিয়ে ওরা এখন গায়ের জোরে শেখ মুজিবকে স্বাধীনতার ঘোষক বানাচ্ছে.......
কিন্তু কয় দিন..........
রাত ১ টায় বিদেশী সাংবাদিকদের সাথে শেখ মুজিবের যে সরাসরি কথা হয়েছে এই চরম অজানা সত্য ২০১৫ এর পর লিফলেট ছাপিয়ে মানুষকে জানানো হবে প্রয়োজনে.........
রাষ্ট্রীয় আর মিডিয়ার রংবাজী দিয়ে ইতিহাস দখল করা যায়না
Please check this link....
1. Director of CIA told in a meeting to Kissinjar on 26.03.71 that Mujib have given DOI
2. Check the telegram on behalf of Mujib on 26.03.71
3. Check the report of Defence Intelligence Agency of America on 26.03.71 where it was notified that Mujib declared DOI
4. Siddik Malik, PR of Niaji wrote in his book "Witness to Surrender" that Mujib declared DOI on 26.03.71
5. And finally...Major Zia proclaimed Independence of Bangladesh on behalf of Sheikh Mujibur Rahman
আসাকরি আপনার দাসত্ব শেস হবে
লেখক বলেছেন: পোস্ট পড়তে কি ভয় লাগে ?
রাত ১:০০ টায় যে শেখ মুজিব বিদেশী সাংবাদিকদের সাথে টেলিফোনে সরাসরি কথা বলসেন সেটা জানলে গলা শুকায়া যায় ?
যদি যায় তো পানি খান !
প্রথম আলোর প্রচারনার রংবাজী এক সময় শেষ হবে।
এই অজানা সত্যগুলো এক সময় ফ্লয়াশ হবে।
সেই সময়ের জন্য অপেক্ষা করেন।
সময় আসবে।
স্বাধীকার বলেছেন:
আমি লেখাটি পড়ে অবাক হয়ে গেলাম। তারচেয়ে অবাক হলাম কমেন্টগুলো পড়ে। কিন্তু কেউ আপনার রেফারেন্সকে ভুল প্রমান করার চেষ্টা পর্যন্ত করলো না। শুধু গালা-গালি দিয়ে দৌড় দিলো। প্রিয়তে নেবার মত পোষ্ট।
েশয়ারফান বলেছেন:
তথ্যবহুল লেখা , অনেক ধন্যবাদ।
নষ্টছেলে বলেছেন:
মাম্মা তুমি এডা লি লেইখ্যা লাইসো!!!!!!!!!!অনেক কষ্ট করসো
Eisenheim বলেছেন:
এই লিঙ্ক এক জায়গায় শেয়ার করার পর মন্তব্য শুনলাম, এটা নাকি খুবই একপেশে লেখা
নরসিংদীর পোলা। বলেছেন:
ছোটকালের ঐতিহাসিক ঞ্জানগুলোযে একটু সন্দিহান হয়ে পড়ল!!!!
এম. মাসুদ আলম. বলেছেন:
মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জিয়াউর রহমান সাহেব স্বাধীনতার পর দেশের প্রধান না হয়ে ১০ জানুয়ারী'১৯৭২ বিমান বন্দরে শেখ মুজিবকে সিলুয়েট দিলেন কেন? এ প্রশ্নের উত্তর দিবেন কি?
বাংলায় বলেছেন:
অসাধারণ একটি পোস্ট। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে
রবিউল হোসেইন বলেছেন:
অসাধারণ একটি পোস্ট। অসংখ্য ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















