আজীবন সারচার্জ দিয়ে এসেছি যমুনা সেতুর জন্য। শুনতে শুনতে এতোই অভ্যস্ত হয়েছি যে, আমার মুখে যমুনা সেতুই আসে। বঙ্গবন্ধু সেতু নয়। তাই বলে আমি বঙ্গবন্ধু সেতু নামটি অপছন্দ করেছি তা নয়। কিন্তু নাম পরিবর্তন হয়েও আমিতো যমুনা সেতুই ডাকছি। আমি কিন্তু বি.এন.পি. ও করিনা।
জিয়া থেকে লাল হয়ে আমার কি লাভ? দেশের জনগনের কি লাভ? আসুন লাভগুলি খতিয়ে দেখি:
১) যারা সাধারন জ্ঞানের বই বের করে তারা নতুন সংষ্করন বের করতে পারবে এই নাম পরিবর্তন হবার ঘটনা লিখে। সুতরাং এই পুস্তক বিক্রির সাথে যারা জড়ীত, তাদের আয় বাড়বে।
২) যারা কুইজ প্রতিযোগীতা করে, তাদের প্রশ্ন ব্যাংকে নতুন প্রশ্ন যোগ দেবে। এটি একটি লাভ অবশ্যই।
৩) বিভিন্ন স্কুলে প্লে-গ্রুপ থেকে ওয়ান পর্যন্ত ক্লাসে ভর্তী পরীক্ষায় রাজনৈতিক প্রশ্ন করা হয় ইদানিং (ছাত্রছাত্রী বাদ দেবার জন্য)। এটিও একটি প্রশ্ন হয়ে গেলো। স্কুল কর্তপক্ষ এখন আরো একটি প্রশ্ন পেলেন যা ওয়ানের বাচ্চাকে করতে পারবে, আর বাচ্চাটি উত্তর না দিতে পারলে ভর্তীর অযোগ্য হবে। "সোনামনি তুমি কি জানো বাংলাদেশে যে ইন্টারন্যাশনাল বিমান বন্দর আছে তার নাম কি?"
৪) আমরা ব্লগাররা এই পরিবর্তন নিয়ে লিখে সময় কাটাতে পারবো।
খুব কষ্টেই লিখছি আর কি?
নাম পরিবর্তন না করে, বিমানে যে দুর্নিতি গুলি হয় সেগুলি করতো, কয়েকটারে ধরে বিদায় করতো, সম্পদ আটক করতো, বুঝতাম আমাদের জন্য কিছু করেছে। বিগত মাসেইতো শুনলাম যে, বিমানের অপেক্ষারত দর্শনার্থীরা যেন ভেতরে দেখতে না পারেন সে জন্য কালো পেপার লাগানো হয়েছে। এখন যারা বাইরে থেকে আগত মেহমানকে দেখতেন তারা ২৫০/= টাকা টিকেট কেটে ভেতরে গিয়ে দেখবেন।
সময় কম হাতে তাই আর লিখতে ইচ্ছা করছে না... আল্লাহ্ যেন শিক্ষা দেয় আবার...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




