somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মানুষ যেখানে ৫০ ভোল্ট বিদ্যুতেই কাবু হয়ে যায়, সেখানে তিনি ২০ হাজার ভোল্ট বিদ্যুৎ প্রবাহিত করেছিলেন শরীরের মধ্য দিয়ে। B:-) B:-) B:-)

০৮ ই মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পুরাই টাস্কি খাইয়া গেলাম!!!
B:-)
#:-S #:-S

B:-) B:-) B:-)

/:) /:) /:) /:)

স্লাভিসা পাজকি, (Slaviša Pajkić) ৫৪ বছর বয়সী এই সার্বিয়ান অত্যাশ্চর্য এক ক্ষমতার অধিকারী। দেহে প্রবাহিত করতে পারেন উচ্চমাত্রার বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ জমা করেও রাখতে পারেন ব্যাটারির মতো।

লোডশেডিংয়ে সার্বিয়ার পোজারেভাক শহরটি অন্ধকারে ডুবে গেলেও পাজকিচের বাড়ি ঝলমল করে আলোয়। প্রচণ্ড শীতে রাস্তাঘাট বরফে ঢেকে গেলে বন্ধুরা হানা দেন তাঁর বাড়িতে। পাজকিচের 'উষ্ণ' আলিঙ্গনে বশ মানে হাড়কাঁপানো শীত। স্লাভিসা পাজকিচের বাড়িতে আলোর অভাব হয় না কোনো দিনই।
৫৪ বছর বয়সী এই সার্বিয়ান অত্যাশ্চর্য এক ক্ষমতার অধিকারী। দেহে প্রবাহিত করতে পারেন উচ্চমাত্রার বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ জমা করেও রাখতে পারেন ব্যাটারির মতো। বিজ্ঞানের বহু বাঘা পণ্ডিতকে তিনি দ্বন্দ্বে ফেলে দিয়েছেন। দেশের লোকে অবশ্য আদর করে 'ব্যাটারি-মানব' নামেই ডাকে তাঁকে।
১৭ বছর বয়সে কারখানায় কাজ করার সময় পাজকিচ প্রথম নিজের দেহে এই অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য টের পান। সেদিন বৃষ্টি হচ্ছিল। তাঁর কয়েকজন সহকর্মী অলসভাবে রেলিংয়ে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ ছিটকে সরে এলেন সবাই_ধাতব রেলিং বিদ্যুতায়িত হয়ে গেছে! কৌতূহলবশত পরখ করতে এগিয়ে গিয়েছিলেন পাজকিচ। বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করলেন, অন্যদের মতো কোনো অস্বাভাবিকত্ব টের পাচ্ছেন না।
কয়েক দিনের মাথায় পাজকিচ আবিষ্কার করলেন, বৈদ্যুতিক প্লাগে হাত দিয়ে বসে থাকলেও কোনো ক্ষতি হয় না শরীরের। শুধু তাই নয়, বিদ্যুৎ তাঁর মর্জিতে রীতিমতো উঠেবসে! প্রয়োজনে দেহে তৈরি করতে পারেন অস্বাভাবিক তাপ। দাঁতে কামড়ে জ্বালাতে পারেন বাল্ব। পানি গরম করতে বা সসেজ রাঁধতে দরকার হয় না চুলার। পাজকিচের দুটি হাতই যথেষ্ট।
গিনেস বুকে দুটি ভিন্ন রেকর্ডের পাশে নাম তুলেছেন পাজকিচ। প্রথমবার ১৯৮৩ সালে। সাধারণ মানুষ যেখানে ৫০ ভোল্ট বিদ্যুতেই কাবু হয়ে যায়, সেখানে তিনি ২০ হাজার ভোল্ট বিদ্যুৎ প্রবাহিত করেছিলেন শরীরের মধ্য দিয়ে।
২০ বছর পর ২০০৩ সালে এক কাপ পানির তাপমাত্রা উন্নীত করেন ৯৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সময় লেগেছিল মাত্র এক মিনিট সাঁইত্রিশ সেকেণ্ড। এক মিলিয়ন ভোল্টের জেনারেটর চার্জ করে শিগগিরই আরো একটি রেকর্ড বগলদাবা করার ইচ্ছা আছে তাঁর। আঙুল থেকে লেজার রশ্মি ছোড়ার কায়দা রপ্ত করারও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
অনেকের সামনে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন পাজকিচ। বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত নন কিভাবে একজন মানুষের দেহ বিদ্যুতের সঙ্গে এভাবে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। অনেকে বলেন, এটার কারণ জিনগত। তা ছাড়া পরীক্ষায় দেখা গেছে, তাঁর দেহে ঘামগ্রন্থি নেই। তাই বিজ্ঞানীরা ভাবছেন দেহ নয় বরং ত্বকই পাজকিচের বিদ্যুৎ প্রবাহের কাজ করে।
অপূর্ব এই ক্ষমতার প্রদর্শনীই এখন পাজকিচের পেশা_'মানুষ বলে বিদ্যুৎ কারো বন্ধু হতে পারে না। কথাটা আমার বেলা প্রযোজ্য নয়।'
দারুণ ক্ষতাবান এই মানুষটা মাঝেমধ্যে বিরাট ঝামেলায় পড়ে যান। যেমন প্রদর্শনী শেষে যখন মুগ্ধ দর্শকের দিকে হাত বাড়িয়ে দেন, অনেকেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ভয়ে আগ্রহ থাকলেও তাঁর সঙ্গে হাত মেলাতে সাহস পায় না!
৮টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্ম ও বিজ্ঞান

লিখেছেন এমএলজি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৪ ভোর ৪:২৪

করোনার (COVID) শুরুর দিকে আমি দেশবাসীর কাছে উদাত্ত আহবান জানিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম, যা শেয়ার হয়েছিল প্রায় ৩ হাজারবার। জীবন বাঁচাতে মরিয়া পাঠকবৃন্দ আশা করেছিলেন এ পোস্ট শেয়ারে কেউ একজন... ...বাকিটুকু পড়ুন

তালগোল

লিখেছেন বাকপ্রবাস, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ৯:৩৫


তু‌মি যাও চ‌লে
আ‌মি যাই গ‌লে
চ‌লে যায় ঋতু, শীত গ্রীষ্ম বর্ষা
রাত ফু‌রা‌লেই দি‌নের আ‌লোয় ফর্সা
ঘু‌রেঘু‌রে ফি‌রে‌তো আ‌সে, আ‌সে‌তো ফি‌রে
তু‌মি চ‌লে যাও, তু‌মি চ‌লে যাও, আমা‌কে ঘি‌রে
জড়ায়ে মোহ বাতা‌সে ম‌দির ঘ্রাণ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মা

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৪ দুপুর ১২:৩৩


মায়াবী রাতের চাঁদনী আলো
কিছুই যে আর লাগে না ভালো,
হারিয়ে গেছে মনের আলো
আধার ঘেরা এই মনটা কালো,
মা যেদিন তুই চলে গেলি , আমায় রেখে ওই অন্য পারে।

অন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

কপি করা পোস্ট নিজের নামে চালিয়েও অস্বীকার করলো ব্লগার গেছে দাদা।

লিখেছেন প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৪ দুপুর ২:১৮



একটা পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আগে থেকেই ঘুরে বেড়াচ্ছে। পোস্টটিতে মদ্য পান নিয়ে কবি মির্জা গালিব, কবি আল্লামা ইকবাল, কবি আহমদ ফারাজ, কবি ওয়াসি এবং কবি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতকে জানতে হবে কোথায় তার থামতে হবে

লিখেছেন আরেফিন৩৩৬, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:৪৫


ইন্ডিয়াকে স্বপ্ন দেখানো ব্যাক্তিটি একজন মুসলমান এবং উদার চিন্তার ব্যাক্তি তিনি হলেন এপিজে আবুল কালাম। সেই স্বপ্নের উপর ভর করে দেশটি এত বেপরোয়া হবে কেউ চিন্তা করেনি। উনি দেখিয়েছেন ভারত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×