শেয়ার মার্কেট নিয়ে ইতোমধ্যে কয়েকজন ব্লগার এ ব্লগে তাদের নানা বেশ্লেষণধর্মী মূল্যবান মতামত দিয়েছেন। আমি শেয়ার মার্কেটের সাথে গত ১৯৯৫ সাল থেকে জড়িত। কিন্তু বর্তমানে অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে ১৯৯৬ সালের সেই বিভীষিকা বেশী দূরে নয়। তখন যেটা হয়েছে দেশের বাইরে থেকে একটা গ্রুপ এসে শেয়ার মার্কেটে টাকা ঢেলে বারতি তারল্যের সৃষ্টি করে মার্কেটকে অতিমূল্যায়িত করেছিল। যখন সূচক তূঙ্গে পৌছাল তখন তারা তাদের টাকা নিয়ে বেরিয়ে গেল এতে মার্কেটে তারল্যের শুণ্যতা সৃষ্টি হলো এবং ধস নামল যা ঘুরে দাঁড়াতে প্রায় ১০ বছর সময় লাগল। আর এখন ঢাকা শহরের আনাচে কানাচে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে ব্রোকার হাউজ খুলে যারা শেয়ার সম্পর্কে ধারনা নেই কোন কোন ক্ষেত্রে তারাও তাদের শেষ সম্বল নিয়ে মার্কেটে উপস্থিত হয়েছে। ফলে আবারো বারতি তারল্যে মার্কেট অতিমূল্যায়িত হচ্ছে। কারণ এখনো মার্কেটে ভাল কোম্পানীর শেয়ারের বড় অভাব। তাই দেখা যায় মার্কেটে জেড ক্যাটাগরির শেয়ারের দাপট।
আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি ১৯৯৬ সালে একটি বেসরকারী ব্যাংকের শেয়ার আমি কিনি ৫২৫ টাকা দিয়ে যা ছিল হাই রেট, ধস নামার পর যা ৬০ টাকা নেমে আসে। ঐ ব্যাংক কিন্তু তখন থেকে এখন পর্যন্ত তাদের কার্যক্রম আগের মতই চালু রেখেছে ডিভিডেন্ট/রাইট/বোনাস দিয়ে যাচ্ছে কিন্তু এখন ঐ ব্যাংকের শেয়ারের দান ৮০০ টাকার উপরে। এটা কেন হচ্ছে ? তা আমার বোধগম্য নয়।
যে কোম্পানীর শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা এবং সে যদি বছর শেষে ১০% ডিভিডেন্ট দেয় তবে সে কোম্পানীর শেয়ারের মূল্য ১১০ টাকার বেশী হওয়ার কথা নয়। কারণ আমি শেয়ার কিনে বছরের বছর অপেক্ষা করি না। অন্তত আমি এটাই মনে করি।
যদিও আমার শেয়ার মার্কেট সম্পর্কে ধারনা কম এবং এ সম্পর্কে লেখাপড়াও বেশী নয়। এটা আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে লেখা। যদিও আমাদের শেয়ার মার্কেট কোন তত্ত্ব ও তথ্যের ধার ধারে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



