সবাইকে শুভেচ্ছা...

যুদ্বাপরাধীদের বিচার হলে জামাতীরাই লাভবান হবে - চাঁদের অন্য পিঠ

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৭

শেয়ারঃ
0 0 0

আসুন এমন একটা আবস্থার কথা কল্পনা করি; সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় নিম্নে বর্ণিত মানুষগুলোকে দুনিয়া হতে তুলে নেয়া হলঃ
১) শেখ পরিবারঃ জনাবা শেখ হাসিনা, জনাবা শেখ রেহানা, জনাব জয় ওয়াজেদ
২) রহমান পরিবারঃ জনাবা খালেদা জিয়া, জনাব তারেক জিয়া, জনাব কুকু জিয়া
৩) এরশাদ পরিবারঃ জনাব হু মো ইরশাদ এবং তার দুই বিবি
৪) জামায়েত পরিবারঃ জনাব গোলাম আজম, মাওলানা নিজামী, জনাব মুজাহেদী, দেলোয়ার হোসেন সাইয়েদী

এমন একটা বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে দল হিসাবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ভবিষৎ কি হতে পারে আসুন তার একটা অবৈজ্ঞানিক ছবি আঁকি।

শেখ পরিবার ছাড়া আওয়ামী লীগ তার বর্তমান শক্তি হতে ছিটকে পরতে হয়ত একটু সময় নেবে। দলটির উত্থান বাংলাদেশের কাদামাটি হতে, সূবিধাবাদী চক্রের বাইরেও এর আছে সাধারণ মানুষের পপুলার সাপোর্ট। হয়ত জনসমর্থের কারণে দলটি শেখ পরিবার বিহীন ২/১ বছর টিকে থাকবে বড় ধরনের ভাংগন ছাড়াই। কিন্তূ আলটিমেটলি দলে ভাংগন আসবে। ক্ষমতার দ্বন্ধে আমু, তোয়াফেল, রাজ্জাক, সুরঞ্জিত সহ পুরানো যোদ্বাদের সাথে নতুন প্রজন্মের নানক, উকিলদের শুরু হবে অস্থিত্বের যুদ্ব। সাথে যোগ হবে আর্ন্ত পুরানো এবং আর্ন্ত নতুনদের স্ব স্ব অবস্থান ধরে রাখার কৌশলগত লড়াই। তবে সবকিছুই শেষ হবে ব্রাকেট বন্দী নতুন নতুন আওয়ামী লীগ উত্থানের মাধ্যমে। বিএনপি এ বিচারে অনেকটা সূবিধাজনক অবস্থানে থাকবে নিজদের কাঠামোগত বৈচিত্রতার কারণে। দলটির জন্ম উর্দিওয়ালাদের ঔরশে এবং এর রাজনীতির মূখ্য উদ্দেশ্যই জাতীয় সম্পদ লুটপাট। মওদুদ এবং হুদাদের মত মেগালুটেরা ব্যক্তিত্বরা এক ঘাটে বেশীদিন জল খাবে এমনটা আশাকরা হবে দূরাশা মাত্র। স্বভাবতই বিএনপি ভাংগবে এবং এ ভাংগন হবে খুবই দ্রুত এবং জনসাধারণও তা নেমে নেবে বিনা প্রশ্নে। এ ক্ষেত্রে হোসেন মোহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টির অবস্থান সবার উপরে। এরশাদ হোসেন এবং তার বিবিদের তিরোধানের পর জাতীয় পার্টি রাতারাতি পরিনত হবে যাত্রা পার্টিতে। দলটির অস্থিত্ব খুঁজতে আমাদের সহায়তা নিতে হবে গুগলের মত সার্চ এঞ্জিনের। এবার আসা যাক জাতীয়ভাবে ঘৃনিত জামায়েতই ইসলামের দিকে। ত্বাত্তিক ভাবে দলটির সাথে এর অন্যতম প্রধান নেতা গোলাম আজমের এখন কোন সম্পর্ক নেই। এই নেতার প্রস্থানে সাংগঠনিকভাবে দলটার কতটা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তা বিবেচনার দাবী রাখে। একই কথা বলা যাবে নিজামী, মুজাহেদী ও সায়েদীদের বেলায়। এই নেতাদের বিদায় জামায়েতই ইসলামের সাংগঠনিক ভিত্তিতে আদৌ কোন ছাপ পরবে কিনা তা যাচাই করতে গেলেই বেরিয়ে আসবে বাকী দলগুলো হতে এই দলটির সাংগঠনিক পার্থক্য।

প্রসংগটা টানলাম অন্য একটা কারণে। এবারের বিজয় দিবস পালনের মূল থীম ছিল যুদ্বাপরাধীদের বিচার। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগও তাদের ক্ষমতাকালীন সময়ে এ বিচার সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে এ যাত্রায় বহুল প্রতীক্ষিত এবং আলোচিত এ বিচার শুরু হতে যাচ্ছে। নির্বাচনী ওয়াদা পূরেনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ তার ভাবমূর্তি উজ্বল করতে পারবে সন্দেহ নেই। কিন্তূ এই ভাবমূর্তিকে পূঁজি করে আওয়ামী লীগ কি পারবে নির্বাচনী বৈতরনী পার হতে? আমাদের নষ্ট রাজনীতিতে আওয়ামী বিএনপি হচ্ছে একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ, সোজা বাংলায় লুটপাট নিয়ে যুদ্বরত দুই বৈরী প্রতিপক্ষ। এই বৈরীতায় আওয়ামী লীগের আন্যতম প্রধান অস্ত্র তার মুক্তিযুদ্বের সংশ্লিষ্টতা এবং যুদ্বাপরাধী বিচারের নির্বাচনী ওয়াদা। গেল নির্বাচনে এই ইস্যুতে আওয়ামী লীগ নতুন প্রজন্মের অনেক ভোটারদের নিজদের শিবিরে টেনে নিশ্চিত করেছে তাদের ল্যান্ডশ্লাইড বিজয়। যুদ্বাপরাধী ও রাজাকার ইস্যুবিহীন ২০১৩ সালের নির্বাচনে কোন ইস্যুতে আওয়ামী লীগ জনগণের কাছে ভোট চাইবে তা নিয়ে দলটির উদ্বিগ্ন হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে। জামাতে ইসলামীর সবাই যুদ্বাপরাধী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব নিয়ে সর্বক্ষন ষড়যন্ত্র করছে এমনটা ভাবার কোন কারণ নেই। দেশের মেইনষ্ট্রীম পলিটিক্সে জামায়েত বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত হলেও দলটির বিরুদ্বে অন্য দুটি মেগা দলের মত পরিবারতন্ত্র অথবা One Man Show জাতীয় কোন অভিযোগ নেই। দলগুলির সাম্প্রতিক কাউনসিল এবং তাতে নেতা/নেত্রী নির্বাচন প্রক্রিয়াই তার ভাল প্রমান। আওয়ামী লীগ এবং তার সহযোগী দলগুলো যদি জামায়েত ইসলামকে বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যুদ্বাপরাধী মুক্ত করতে সক্ষম হয়, তাতে ক্ষতির বদলে বরং লাভবান হবে এ দলটি। দলটি মুক্ত হবে নিজামী, মুজাহীদি এবং সায়েদীদের মত ঘৃনিত যুদ্বাপরাধী হতে, তাতে দলটির সাংগঠনিক শক্তির খুব একটা হেরফের হবে মনে হয়না, সাথে বাড়বে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাদের সমান অধিকার এবং গ্রহনযোগ্যতার দাবি। বিচারত্তোর নির্বাচনী মাঠে জামায়েতকে ঘায়েল করতে চাইলে প্রয়োজন হবে ইস্যুর, এ ইস্যু হতে পারে সততা, সামাজিক গ্রহনযোগ্যতা এবং আন্তদলীয় গণতন্ত্র। এ বিচারে জামায়েতই ইসলামের অবস্থান অন্য দলগুলোর চাইতে অনেক স্বচ্ছ। তাই আমার দৃষ্টিতে যুদ্বাপরাধী বিচার হবে আওয়ামী রাজনীতির কবর খোড়ার শামিল। মূলার মত যুদ্বাপরাধী বিচারকে জাতির সামনে ঝুলিয়ে আওয়ামী লীগ সামনের নির্বাচনেও সক্ষম হত নির্বাচনী দৌড়ে জয়ী হতে। একটা জিনিস আমাদের ভূলে গেলে চলবেনা রাজনীতিতে ক্ষমতাই দলগুলির চালিকাশক্তি। রাজনীতিতে মৌলবাদী দলগুলোর অবস্থান পরিস্কার না করে জামায়েতই ইসলামকে যুদ্বাপরাধী মুক্ত করা হবে আত্মহত্যার শামিল, কারণ এর মাধ্যমে রাজনীতিতে সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে একটি ধর্মীয় উন্মাদ দলকে। আবার গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে চাইলে রাজনীতি হতে মৌলবাদ নিষিদ্ব করা হবে অবৈধ। প্রশ্ন উঠতে পারে তা হলে নিজামী মুজাহেদীদের যুদ্বাপরাধের কি হবে? আমার দৃষ্টিতে এর সহজ সমাধান হতে পারে ভাড়াটে খুনী দিয়ে এদের কপালে একটা করে বুলেট ঢুকিয়ে দেয়া। তাতে সাপও মরবে আর লাঠিও থাকবে অক্ষত। পাশাপাশি অন্যকোন গ্রহনযোগ্য ইস্যু আবিস্কার পর্য্যন্ত আওয়ামী লীগও পারবে যুদ্বাপরাধী বিচার সংক্রান্ত মূলা ঝুলিয়ে অনন্তকাল ধরে নির্বাচনী বৈতরনী পার হতে। অনৈতিক? হতে পারে। তাহলে প্রশ্ন, বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনীতিতে কোন জিনিষটা নৈতিক?

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩২
তরঙ্গ বলেছেন: সন্দেহ হয় বিচারের দিকে আওয়ামি লীগ আদৌ যাবে কিনা। কারণ, আপনার এ বিশ্লে ষণ তারাও যে করেনি তা নয়।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: এ বিচার হতে আওয়ামী লীগের সড়ে আসার কোন পথ নেই। যেন তেন ভাবে হলেও বিচার নামের নাটক মঞ্চস্থ হবে। তবে এ বিচারে জামাতীদের কয়টা রুই-কাতলা শিকার করা যাবে তা নিয়ে সন্দেহ করার যথেষ্ট কারন রয়েছে। গ্রাম-গঞ্জের ২/৪টা বৃদ্ব রাজাকারকে বিচারের নামে জেল ফাসি দিলে তাতে জামাতীদের কিছু আসে যাবে বলে মনে হয়না। মোদ্দা কথা, এ বিচার ঠিকমত করা না গেলে আওয়ামী লীগের জন্যে ব্যাক ফায়ার হতে বাধ্য।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: সব যাবেগা? একটু বিস্তারিত লিখুন।

৩. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
দুখী মিয়া বলেছেন: ভাই দারুন লিখেছেন। একদম খাঁটি কথা। আমার মনে হয় না আওয়ামীলীগ এই বিচার করবে। জামাতের বিষয়ে আমি আপনার সাথে ১০০% একমত। এই বিচার জামাতের জন্য একটা সুবিধাই হবে। আর নিজামী,সাঈদী ওরা দল থেকে চলে গেলেও জামাতের অবস্থান বিন্দু মাত্র নড়ছড় হবে না।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আসুন অপেক্ষা করি বহু প্রতীক্ষিত বিচারের।

৪. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬
রশিক রশীদ বলেছেন: এত কাহিনী বুঝি না আপনার লেখায়ও প্রছন্নভাবে যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার একটা একটা আভাস অন্তত আমি পাচ্ছি । যাই হোক দেশের ভবিষ্যত রাজনীতি নিয়া না ভেবে আসুন আপাদত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারটা শেষ করি ।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: রাজনীতিতে ক্ষমতাই শেষ কথা। ক্ষমতা না থাকলে আওয়ামী লীগের বড় বড় কথা মাঠে মারা যাবে। যুদ্বাপরাধীদের রক্ষা করার প্রছন্ন ইংগিত! এর পর এ নিয়ে আপনার সাথে তর্ক না করাই ভাল। অপেক্ষা করুন বিচারের, এবং তারপর অপেক্ষা করুন সামনের ২/১টা নির্বাচনের।

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫০

লেখক বলেছেন: দারুন গল্প!

৬. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
গুতুদিয়া বলেছেন: @লেখকঃ "যুদ্বাপরাধীদের বিচার হলে জামাতীরাই লাভবান হবে - চাঁদের অন্য পিঠ"

তাহলে আপনার কথা মত - যুদ্বাপরাধীদের বিচার "না"হলে জামাতীদের ক্ষতি হবে। তাই যুদ্বাপরাধীদের বিচার না করা উচিত। আমি কি ঠিক বুঝলাম।

আপনার অনেকগুলো লেখা পড়লাম। প্রতিটা লেখাই ডানপন্থি পতিক্রিয়াশীল লেখা। আমি একমত নিচের মন্তব্যের সাথে।

"রশিক রশীদ বলেছেন: এত কাহিনী বুঝি না আপনার লেখায়ও প্রছন্নভাবে যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার একটা একটা আভাস অন্তত আমি পাচ্ছি ।"
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন: রাজনীতিতে ক্ষমতাই বড় কথা। এ ক্ষমতার জন্যে রাজনৈতিক দলগুলো কি করতে পারে তার উদাহরন জামাতীদের সাথে বাংলাদেশী এবং বাংগালী জাতিয়তাবাদীদের লজ্জাহীন আতাত। দেখুন আপনি যদি মনে করে থাকেন যুদ্বাপরাধীদের বিচার করলেই জামাত নামের উগ্র মৌলবাদী একটা দলের পতন হবে তা হলে এ নিয়ে আপনার সাথে তর্ক করার কিছু নেই। আপনার মত কোটি কোটি বাংলাদেশী এখন যুদ্বাপরাধী বিচারের জ্বড়ে কাপছে। প্রথমত নিজামী মুজাহিদীদের স্বাক্ষী সাবুদ সহ আইনের মারপ্যাচে দোষী সাব্যস্ত করা হবে দুরুহ কাজ। আর যদি এদের বাদ দিয়ে ক'জন সাধারন রাজাকারকে বিচার করে যুদ্বাপরাধী বিচার অধ্যায় সমাধা করা হয় তা হলে এ বিচার জামাতীদের জন্যে নতুন দুয়ার খুলে দেবে। বিচার প্রক্রিয়া একবার শেষ হয়ে গেলে নিজামী-মুজাহিদীদের একই অভযোগে অভিযুক্ত করা হবে বেআইনী ( ডাবল জিওপারডি)। ততদিনে রাজনীতি হতে কোন কারনে যদি আওয়ামী এবং বিএনপির পরিবারতন্ত্রের অবসান হয় বাস্তবতাটা একবার অনুধাবন করার চেষ্টা করুন। আওয়ামী/বিএনপি ভাংগতে শুরু করবে কিন্তূ জামাতীরা শক্তিশালী হতে থাকবে। এ হবে আমাদের জন্যে আত্মহত্যার শামিল। মৌলবাদ যদি একবার আমাদের শাষন ব্যবস্থায় প্রাধান্য বিস্তার শুরু করে দেয় এর শেষ কোথায় তা ভেবে দেখা দরকার। যুদ্বাপরাধীদের বিচারের আগে দেশে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতির ভবিষৎ কি হবে তার একটা ফয়সালা দরকার। জামাতীদের গোড়া নষ্ট না করে আগার ক'জন নেতাকে শাস্তি দিলে দলটির সামান্যতম কোন ক্ষতি হবে বলে মনে হয়না। এটাই আমার লেখার মূল থীম।

৭. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
গুতুদিয়া বলেছেন: @লেখকঃ "যুদ্বাপরাধীদের বিচার হলে জামাতীরাই লাভবান হবে - চাঁদের অন্য পিঠ"

তাহলে আপনার কথা মত - যুদ্বাপরাধীদের বিচার "না"হলে জামাতীদের ক্ষতি হবে। তাই যুদ্বাপরাধীদের বিচার না করা উচিত। আমি কি ঠিক বুঝলাম।

আপনার অনেকগুলো লেখা পড়লাম। প্রতিটা লেখাই ডানপন্থি পতিক্রিয়াশীল লেখা। আমি একমত নিচের মন্তব্যের সাথে।

"রশিক রশীদ বলেছেন: এত কাহিনী বুঝি না আপনার লেখায়ও প্রছন্নভাবে যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার একটা একটা আভাস অন্তত আমি পাচ্ছি ।"
৮. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৩
রিয়াজ উল বলেছেন: আওয়ামী লীগ কি আসলেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে ভাই? আরেকটা প্রশ্ন এই বিচারের দায়িত্ব কি শুধুই আওয়ামী লীগের?
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন: বিচারের দায়ত্ব রাজনৈতিক দলের নয়, এ দায়িত্ব বিচার ব্যবস্থার। একটা দেশের বিচার ব্যবস্থা স্বাধীন ও সার্বভৌম হলে বিচারের জন্যে এতদিন অপেক্ষা করতে হতনা। বিচার ব্যবস্থা দলীয়করনের দায়ভার সবটাই রাজনৈতিক দলগুলোর, তাই যুদ্বাপরাধীদের বিচারের সাফল্য/ব্যর্থতার দায়ভারও তাদের নিতে হবে।

৯. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৬
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: "দলগুলির সাম্প্রতিক কাউনসিল এবং তাতে নেতা/নেত্রী নির্বাচন প্রক্রিয়াই তার ভাল প্রমান।" - জামাতের নির্বাচন প্রক্রিয়া কেমন ছিল, তার নিউজটা কি দেখেছেন? একটু দেখেন, তারপর আপনি এ নিয়ে আওয়ামীলীগ, বিএনপি কারো সমালোচনা করবেন না হয়ত।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৬

লেখক বলেছেন: আমারা যারা সবকিছু সাদা-কালো চোখে দেখি তাদের জন্যে বিএনপি/আওয়ামী কাউন্সিল ছিল পরিবারতন্ত্রের উলংগ উদাহরন। জামাতীদের একই অভিযোগে অভিযুক্ত করার মত কারন আমি পাইনি। আপনার কাছে যদি এমন প্রমান থাকে নিজামীর মৃত্যুর পর তার স্ত্রী অথবা সন্তানরা দলের হাল না ধরলে বিএনপি/আওয়ামীদের অবস্থা হবে তা হলে তুলে ধরুন, আমি ভূল মেনে নিয়ে আমার পোষ্ট মুছে দেব।

১০. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫১
ও.জামান বলেছেন: আওয়ামী লীগ এই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিষয়টি শুরু করবে কিন্তু ঝুলিয়ে রাখবে। এতে করে আগামী নির্বাচনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্য করার অযুহাতে ভোট চাওয়া সহজ হবে। কিন্তু যদি গোলাম আযমের নাগরিকত্ব পাওয়ার মত কিছু ঘটে যায় তাহলে কি হবে? ভাবতেই ভয় হয়।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১০

লেখক বলেছেন: আমার কাছে যুদ্বাপরাধীদের বিচারের চাইতে জামাতীদের রাজনীতি হতে বিনাশ করাটা বেশী জরুরী। কারন এদের রাজনৈতিক ভিত্তি ভয়াবহকভাবে শক্তিশালী যা দু'চারজন নেতার জেল ফাসিতে কিছুই আসে যাবেনা।

১১. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৫
যীশূ বলেছেন: হতে পারে কিন্তু তাই বলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করাটা কোনমতেই ঠিক হবে না।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৬

লেখক বলেছেন: আসুন যুদ্বাপরাধী বিচারের মিছিলে যোগ দেই।

১২. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন: রশিক রশীদ বলেছেন: এত কাহিনী বুঝি না আপনার লেখায়ও প্রছন্নভাবে যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার একটা একটা আভাস অন্তত আমি পাচ্ছি
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩২

লেখক বলেছেন: কাহিনী বুঝতে যেমন পয়সা খরচ হয়না তেমনি মগজ ব্যবহারেরও প্রয়োজন পরেনা। বাংলাদেশের আকাশে বাতাসে আজ অপরাধ বিচারের মাতম, আসুন আমরাও দলে দলে যোগ দেই।

১৩. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৭
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: জামাত আগামী ২০/৪০ বছরে ক্ষমতার শীর্ষে আরোহন করবে এটা আকাশ কসুম কল্পনা বৈকি কিছুই না।
১৪. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৮
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন: শিবিরের এখন প্রধান কাজ হল, যুদ্ধাপরাধ নিয়ে জনগনের মাঝে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করা। এরা ছোটবেলা থেকে তাদের নেতাদের মুখ থেকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যে বিকৃত ইতিহাস, প্রপাকাণ্ড, মিথ্যা শুনে আসছে, এর সাথে বাস্তবতার অমিল দেখার পরও কি এরা জামাতের সাথে সম্পৃক্ত থাকবে? যাদের তারা পিরের মত ভাবছে, যুদ্ধাপরাধী, ধর্ষনকারী প্রমাণীত হয়ে এদের বিচার হলে, এরা জনগনের সামনে কি এজেন্ডা নিয়ে হাজির হবে। অবশ্য নতুন এজেন্ডা তারা খুজে বের করবে, এটা সবার জানা। যেমন এখন তাদের এজেন্ডা হল যুদ্ধাপরাধ নিয়ে জনগনের মাঝে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করা, তখন হয়তো তারা বলবে গো.য়া নিজামীকে আমরা মতথেকে পছন্দ করতাম না... ইত্যাদি। মূল কথা হল জামাত এতটাই নার্লজ্জ যে এরা যে কোন পরিস্থিতিতেই নতুন নতুন যুক্তি দিয়ে টিকে থাকবে। কিন্তু যতদিন টিকে থাকবে জনগনের লাথি গুতি খেয়েই যাবে।
১৫. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:০০
অচন্দ্রচেতন বলেছেন: মানে আপনি বলতে চাইছেন, আওয়ামী সরকারের এই বিচার করার যোগ্যতা নাই। যুদ্ধাপরাধ প্রমাণ করা কঠিন ... কিন্তু অসম্ভব মনে করি না। কোন প্রতিষ্ঠিত রাজাকার/আলবদর/আলশামস 'কে শাস্তি দিতে না পারা মানে এই নয় যে সে নিরপরাধ। এখনকার পাবলিক এতো সহজে জামাত'কে আলিঙ্গন করবে না। জামাতকে বড় দলগুলোর লেজ কামড়েই পড়ে থাকতে হবে।
১৬. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪৭
ত্রিভুজ বলেছেন: করণীয় কী হতে পারে বলে মনে হয়? পোস্ট পর্যবেক্ষনে রইলো...
১৭. ০৯ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৪২
যোবায়ের বলেছেন: চলেন আমরা যুদ্ধাপরাধীর বিচারে ঝাপিয়ে পড়ি!!!!

ধন্যবাদ সহ +
১৮. ০৯ ই মে, ২০১০ ভোর ৪:০৯
মিলেনা বলেছেন: আওয়ামী লীগ দিন দিন ভুয়া হইয়া যাইতাছে। কামের কাম না কইরা বেহুদা সময় নস্ট করতাছে। খারার উপর জামাতের সব কু**র বাচ্চাদের ধইরা ফাসি। কোন আপিল নাই... আইন যখন নাই, এই নাই আইনের ফায়দা নেওয়া উচিত।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৭৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
প্রতি,
রাজনীতিবিদ
আমলা
থানা-পুলিশ
হাইকোর্ট-সুপ্রীমকোর্ট

...এক্কেরে হান্দাইয়া দিমু
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই