somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

২১শে ফেব্রুয়ারি নিয়ে কিছু প্রাসংগিক ভাবনা...

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মনটা আজ ভাল নেই। গাছ গাছড়ার প্রতি দুর্বলতা সাড়া জীবনের। যখন যেখানেই বাস করেছি দু’একটা গাছ কাছাকাছি রাখার চেষ্টা করেছি। আমেরিকার এই রুক্ষ্ম পশ্চিমে এসেও এর ব্যতিক্রম হয়নি।২০০৯'এর জানুয়ারীতে দেশে গিয়েছিলাম প্রায় ৪ বছর পর। ফেরার পথে স্যুটকেস ভরে জিনিষপত্র টানার পর্ব শেষ করেছি সেই কবে। কিন্তূ একেবারেই কিছু আনা হয়না এমনটা বোধহয় সত্য নয়। এ যাত্রায় বেশ ক’প্যাকেট বীঁজ এনেছি চাষাবাদ করব বলে। ঘরে ফিরেই স্থানীয় হোম-ডিপো হতে আলিশান ক’টা টব কিনে টমেটোর বীঁজ পুতে দিলাম দেশীয় টমেটো খাব বলে। গরম পেরিয়ে শীত এল। বীঁজ হতে গাছ বেরিয়েছিল সেই কবে, ডাল-পালাও গজিয়েছিল দেখার মত। কিন্তূ হায়, টমেটোর মুখ আর দেখা হলনা! উপড়ে ফেলতে হল ভালবাসার গাছগুলোকে।

যাই হোক, আমার লেখার বিষয় বিদেশে বসে দেশী টমেটো খাওয়ার তোঘলকী স্বাদ নিয়ে নয়। আসছি সে প্রসংগে।

মোহম্মদপুর অফিসটায় প্রথম যেদিন জয়েন করি সেদিনই মনে মনে হিসাব কষে নেই কোথায় সেট করব ফুলের টবগুলো। কাজের ফাঁকে ফাঁকে বিভিন্ন সূত্র হতে জোগাড় করতে শুরু করি হরেক রকম ফুলের গাছ ও বীচি। বছর না ঘুরতেই বদলে যায় অফিসটার চেহারা। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষায় নিজের সন্তানের মত আগলে রাখি গাছগুলোকে। ফেব্রুয়ারীর সোনাঝরা এক সকাল। অফিসে ঢুকতেই দেখলাম গাছগুলোর উপর দিয়ে বয়ে গেছে প্রচন্ড ঝড়। শুধু ফুল নয়, গাছগুলোও কেউ উপড়ে নিয়ে গেছে। অফিসের পিয়ন কাচুমাচু সূরে বলল, ’স্যার, পাড়ার পুলাপাইনে শহীদ মিনারে ফুল দিব, তাই গত রাইতে উঠ্যাইয়া লইয়্যা গেছে’, তার কথায় শোকের ছায়া দূরে থাক বরং উট্‌কো ঝামেলা হতে মুক্তি পাওয়ার ছায়া দেখতে পেলাম। কিন্তূ আমার মনে হল হূৎপিন্ডের অর্ধেকটা কেউ ছিড়ে নিয়ে গেছে। ঝিম মেরে বসে রইলাম অনেকক্ষন। হ্যাঁ, দিনটা ছিল ২১শে ফেব্রুয়ারি। প্রাইভেট কোম্পানী, বছরের প্রায় ৩৬৫ দিনই অফিস করতে হয়। সে দিনটাও এর ব্যতিক্রম ছিলনা।

দিনটার আয়োজন ছিল চোখে পরার মত, অফিসে আসার পথেই তা খেয়াল করেছি। চারদিকে ভাবগম্ভীর অথচ উৎসবমূখর পরিবেশ। পরনে শান্ত সৌম্য পোশাক আর হাতে ফুল নিয়ে অনেকেই ছুটছে শহীদ মিনারের দিকে। টুকটাক যা কাজ ছিল তা সেড়ে আমিও বেরিয়ে পরলাম একই গন্তব্যে। মোহম্মদপুর বাজারটা পার হলেই চোখে পরবে ষ্টেডিয়ামটা এবং কাছাকাছি শহীদ মিনারটা। মাসের ১ তারিখ হতেই শুরু হয়েছিল ঘষামাজার কাজ। একদল উৎসাহী তরুন দিনরাত পরিশ্রম করে বদলে দিয়েছে মিনারটার চেহারা। আলপনা আর ফুলের নদীতে ডুবে আছে পাদদেশ। বাংলা অক্ষর আর শহীদদের স্মরণে লেখা ব্যানার ফেষ্টুনে ছেয়ে গেছে চারদিক। সাথে বাজছে ২১শে ফেব্রুয়ারির অমর সংগীত। মিনারের এক কোনায় আমার ভালাবাসার ফুলগুলো দেখে ভূলে গেলাম সকালের কষ্টগুলো। মন্ত্রমুগ্ধের মত গিলছিলাম সবকিছু। স্মৃতির অলি-গলি হাতড়ে কখন চলে গিয়েছিলাম কৈশোরে খেয়াল করিনি। পাকিস্তান আমলে পাথর মেরে ইংরেজী সাইনবোর্ড ভাংগার স্মৃতি মনে হল এই তো সেদিনের কথা। অথচ দেখতে দেখতে কতগুলো বছর পার হয়ে গেল। ’ভাইয়া এই ব্যাজটা নিতে হবে আপনাকে’, অফিস পিওনের সেই পুলাপাইনদের একজনের কর্কশ কথায় ফিরে এলাম ১৯৯২ সালে। নিতেই হল কালো ফিতার ব্যাজটা, বিনিময়ে পকেট হতে খসে গেল বেশ কিছু টাকা। রিক্সা নিয়ে আসাদগেটের দিকে এগিয়ে যেতে পুলাপাইনের আরও দু’তিনটা দল পথ আগলে দাড়াল, সাবার হাতে একই জিনিষ। প্রায় জবরদস্তি করে খসিয়ে নিল আরও কিছু টাকা।

পরদিন আফিস যাওয়ার পথে আবারও দেখলাম শহীদ মিনারটাকে। ব্যানারগুলো নেই, ফুলগুলোর অর্ধেকটাই হাওয়া, বাঁকি অর্ধেক মরি মরি করছে। চারদিকে বিদায়ের চিহ্ন। সপ্তাহ জুড়েই চল্‌ল এ দেখাদেখি। এভাবে ফেব্রুয়ারী গড়িয়ে মার্চ ঠাই নিল ক্যালেন্ডারের পাতায়। প্রথম তারিখেই চোখে পরল দৃশ্যটা; ২১শে ফেব্রুয়ারির সব চিহ্ন মুছে গেছে শহীদ মিনার হতে। ব্যানারগুলোর জায়গায় ঠাঁই নিয়েছে ভাসমান পতিতাদের শুকাতে দেয়া বাবুরহাটী শাড়ি। ওটাই ওদের স্থায়ী ঠিকানা। সারা রাত খদ্দেরের সন্ধানে ঘুরে বেড়ায়, সকাল হতেই ফিরে আসে আপন ঠিকানায়। এভাবেই কেটে যায় সারাটা বছর, ব্যতিক্রম শুধু ফেব্রুয়ারি মাসটা।

আমার এক দূর সম্পর্কীয় আত্মীয়, জাদ্‌রেল রাজনীতিবিদ। ভদ্রলোকের পোশাকের ক্লজেট্‌টার কথা না বল্‌লেই নয়। ভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্যে থরে থরে সাজানো থাকে ভিন্ন পোশাক। ২১শে ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে শহীদ মিনার যাওয়ার জন্যে এক সেট, সন্ধ্যায় শহীদ্‌দের স্মরণে মহতী সভায় বক্তব্য দেয়ার এক সেট এবং রাতে মদ ও জুয়ার আসরে যোগ দেয়ার ভিন্ন সেট। শহীদ দিবসে রাজনীতিবিদ্‌দের ভাল ভাল কথা শুনলেই কেন জানি না ঐ আত্মীয়ের ক্লজেট্‌টার কথা মনে পরে যায়।

২১শে ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহীদ এবং আর্ন্তজাতিক ভাষা দিবস। বাংলা ভাষাবাসী প্রতিটা মানুষের রক্তে মিশে আছে এ দিনটার মূল্যবোধ। সময়ের চাহিদা মিটিয়ে অদ্যাবধি দিবসটা টিকে আছে আপন মহিমায়, এবং ভবিষতে হাজার বছর টিকে থাকবে তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। নতুন সহস্রাব্দীর সাথে বদলেছে আমাদের প্রয়োজন এবং চাহিদা, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির উন্নতি হচ্ছে বিস্ফোরন্মূখ গতিতে। যে ইংরেজীকে তাড়ানোর জন্যে এক সময় রনসাজে সজ্জিত হতাম সে ইংরেজীর দৈন্যতাই আমাদেরকে এখন অপদস্থ করছে পৃথিবীর অলিগলিতে । সন্দেহ নেই বিশ্বায়নের প্রেক্ষপটে বদলেছে জাতিতে জাতিতে সহাবস্থানের নিয়ম কানুন। স্বভাবতই প্রশ্ন জাগবে, এমন একটা বাস্তবতায় আমাদের জাতীয় জীবনে ২১শে ফেব্রুয়ারির ভূমিকা কি পূনর্মূল্যায়নের দাবী রাখে? বিদেশী বর্গীদের বিদায় করেছি অনেকদিন হয়ে গেল, ভাষা নিয়ে তেজারতী করার স্পর্ধাও কবর দিয়েছি স্বাধীনতার মধ্য দিয়ে। সময়ের চাকায় চড়ে ২১শে ফেব্রুয়ারি পালনকে আমরা কোন গলিতে নিয়ে গেছি আসুন তার দু’একটা উদাহরনের সাথে পরিচিত হইঃ একটা সময় ছিল যখন ২১শে’র প্রথম প্রহরে মিনারে ফুল দেয়া নিয়ে রক্তারক্তি ছিল রাজনৈতিক সাংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। মিনারের পাদ্‌দেশে ধর্ষনের মত ন্যক্কারজনক ঘটনাও আছে দিনটা উৎযাপনের তালিকায়। অন্যের সাজানো বাগান তচনচ করে মিনারে ফুল অর্পনের কথা নাইবা উল্লেখ করলাম। এক কথায়, সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে অবক্ষয়ের যে ভয়াবহ চিত্র তা হতে রেহাই পায়নি শহীদ দিবস পালনের ইতিহাসও।

৩৯ বছরেও একটা স্বাধীন সার্বভৌম দেশের শিক্ষিতের হার ৫০ ভাগ অতিক্রম করেনি, এ সংখ্যাটাই কি হতে পারেনা ভাষা দিবস পালনে আমাদের সাফল্যের মাপকাঠি? মিনারকে বৈধ-অবৈধ ফুলের সাগরে ভাসিয়ে, ভন্ড নেতা-নেত্রীর ততোধিক ভন্ড ভাষনে আপ্লুত হয়ে আমরা সাধারণ মানুষেরা আন্দেলিত হই শহীদ্‌দের আত্মত্যাগে। কিন্তূ ফুল একদিন শুকিয়ে যায়, সে ফুল সরিয়ে মোহম্মদপুর মিনারের মত অনেক মিনারে পতিতারা ফিরে পায় তাদের স্থায়ী আবাস, নেতা-নেত্রীরা দিনান্তে শহীদ্‌দের জন্যে নির্গমিত চোখের জল মুছে হাতে তুলে নেন লাল নীল পানি। আমরা চাইলেই কি পারিনা অন্তত এই দিনটাকে গতানুগতিক বলয় হতে বের করে নির্দ্দিষ্ট কিছু কর্মসূচী নিয়ে পালন করতে? এই যেমন, শিক্ষার হারকে সন্মানজনক পর্য্যায়ে নিয়ে আসা, শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমাসাময়িক চাহিদার সাথে খাপ খাইয়ের পূনর্বিন্যাস করা, শিক্ষাংগন হতে ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতি দূর পূর্বক সন্ত্রাষ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা, এমন আরও কিছু কর্মসূচী। ফুলের মালায় শহীদ মিনার ভাসানোর চাইতে শিক্ষা ব্যবস্থার জ্বলন্ত সমস্যাগুলো সমাধান করা গেলে সালাম, রফিক, বরকত ও জাব্বরদের আত্মদানের প্রতি অধিকতর সন্মান প্রদর্শন করা যেত, আশাকরি আমার এ ভাবনা অন্যায় কোন ভাবনা নয়।

শীত এবং বসন্ত পেরিয়ে আবারও ফিরে আসবে গ্রীস্মকাল। দেশ হতে আনা বীঁজগুলোর ভান্ডার শেষ হয়নি, সযত্নে উঠিয়ে রেখেছি সামনের গরমে রোপনের আশায়। না ফলুক দেশী টমেটো, অন্তত আশায় তো কাটানো যাবে ক’টা দিন! একই আশায় সাড়াটা জীবন বুক বেধে আছি, আমার দেশ হতে একদিন, কোন একদিন দূর হবে ভন্ডামীর রাজত্ব, জয় হবে সত্য, ন্যায় আর বেঁচে থাকার নূন্যতম মূল্যবোধ।

সবাইকে ফেব্রুয়ারি মাসের শুভেচ্ছা।।
NB: ২১শে ফেব্রুয়ারির চলমান সাংস্কৃতিকে কটাক্ষ অথবা অবমূল্যায়ন করা আমার লেখার উদ্দেশ্য ছিলানা, আশাকরি কেউ ভুল বুঝবেন্‌না। আমার লেখায় অনেক বানান ভুল থাকতে পারে, এ আমার জ্ঞানের দৈন্যতা। ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:২৫
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×