আমরা ৬টি ফ্যামিলি একসাথে হব, মনির ও জুঁইকেও বলা হয়েছিল, জুঁই অসুস্থ থাকার কারনে আসতে পারবেনা। আমরা তাদেরকে খুবই মিস করছিলাম।
বৃহঃবার দুপুরে সবাই যার যার আইটেম নিয়ে আদিল ভাই ও শম্পা ভাবি’র বাসায় হাজির হলাম।
লিজা’র ইলিশ মাছ – খুব মজা হয়েছিল, আমি ২ পিস খেয়েছি
লিজা’র তৈরি পেঁয়াজু। এটা এত মজা হয়েছিল যে একদিন বিকালে ওদের বাসায় গিয়ে আবার খেয়ে এসেছি।
শাকিলা’র তৈরি চিংড়ি শুটকি ভর্তা
আমার তৈরি আলু ভর্তা ... এটাই একটু ভালো মতো পারি
দিবা তৈরি করেছিল বেগুন ভর্তা
ইশরাতের লইট্টা শুটকি ভর্তা, ঝাল ছিল কিন্তু সবারি এটার প্রতি ঝোঁক ছিল
ভাবী’র মিষ্টি কুমড়ো ভাজি... দারুণ ঘ্রাণ ছিল
ভাবী’র মুসুর ডাল, সাথে আমার দেয়া কাঁচা আম। আমার আম আর মুসুর ডাল খাওয়ার স্বাদ পূরন হয়েছে।
শাহনাজের কালোজিরা ও ধনেপাতা ভর্তা
শাহনাজের দেশ হতে আনা পিঠা
সবশেষে একটা চমক ছিল- আদিল ভাইয়ের সেমাই। সবাই কতকিছু বানাচ্ছে, আদিল ভাই বাদ থাকবেন কেন !! উনি কখনো চুলার ধারে কাছেও যাননি, তবুও চেষ্টা করলেন। এবং বেশ ভালোভাবেই পাশ করলেন।
আরো ছিল পাকা আম, তরমুজ আর জাহিদ ভাইদের বানানো মজাদার পিঠা। খাওয়া দাওয়াটা হলো জম্পেস। সবার শেষে ডাল খাবার পালা। আমি প্রথম প্লেটে খেতে থাকলাম, দেখি সুবিধা হয় না। তারপর গ্লাসে নিলাম, আম ডাল- ভাবী সাথে একটু লেবু’র রস দিলেন... আহা অমৃত !!! আমার দেখাদেখি সবাই গ্লাসে ডাল খেতে লাগলো। সে এক দেখার মতো অবস্থা। শাকিলা ডাল বেড়ে দিচ্ছিল- যেন লঙ্গর খানায় খাবার বিতরন হচ্ছে।
বিকেলে ভাবী’র মজাদার কফি নিয়ে বড় পর্দায় বাংলা সিনেমা দেখতে বসলাম। সিনেমা শেষে আসর ভাঙ্গলো ... কেটে গেল চমৎকার একটি দিন। শুভ নববর্ষ ..
..
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


