জমজমাট ছিল। বর্তমানে তিনি রিচার্জ ব্যবসায় সময় কম দেন। তার অভিযোগ এতে পোষায় না।
মোবাইল কোম্পানীগুলো আমাদের তরুন সমাজের মেধা শ্রমকে কাজে লাগিয়ে সঠিক পারিশ্রমিক দিচ্ছে না। তারা বেকারত্বের সুযোগ নিয়েএ থেকে পায়দা লুটে নিচ্ছে। মোবাইল কোম্পানীগুলো হাজার হাজার কোটি টাকা বিজ্ঞাপন, বিলবোর্ড, লিপলেট সহ যাবতীয় কাজে ব্যয় করছে। অনেক দামি লিপলেট আছে যেগুলো দোকানে এনে ফেলে রাখে যা অতিরিক্ত কাগজ হিসেবে ফেলে রাখা হয়। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ তারা হাজার হাজার কোটি টাকা অপচয় করলেও ব্যবসায়ীদের কমিশন বাড়াতে অনিহা। এখানে সরকারের নজরদারির নেই এই সুযোগটি তারা নিচ্ছে বলে ব্যবসায়িরা অভিযোগ করেছেন। কারণ মোবাইল কোম্পানী গুলো দুর্ণীতির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে। অথচ মাথার গাম পায়ে ফেলে যারা এ ব্যবসায় নিরলস শ্রম দিয়ে যাচেছ তাদের ১০ বছর আগের কমিশন এখন পর্যন্ত বহাল রেখেছে। এটি অমানবিক। টেলিটক, সিটিসেল, একটেল (বর্তমান এয়ারটেল) অন্যান্য কোম্পানীর চেয়ে বেশি কমিশন দিলেও তারা বর্তমানে তা কমিয়ে অন্যদের সাথে সামঞ্জস্য করেছ। বিশেষ করে গ্রামীণ ফোণ কোম্পানীকে মানদন্ড ধরে অন্য কোম্পানী গুলো তাদের কমিশন নির্ধারণ করে।
ব্যবসায়ীরা আরো জানান- মোবাইল কোম্পানীগুলো অনেক রকম বিজ্ঞাপন দিলে রিচার্জ সম্পর্কিত সচেতনতা মূলক বিজ্ঞাপন প্রচার করেন না- যেমন, অনেক সময় নেটওয়ার্ক জ্যাম থাকলে টাকা একটু পরে যায় আবার টাকা আগে যায় পরে ম্যাসেজ যায়, আবার অনেকে আছেন নাম্বার মুখস্ত রাখতে পারেন না, তার নাম্বার বের করে দিতে হয়, অনেকে আছেন উচ্চারণ গত সমস্যার কারণে উচ্চারণ ভূল হয় সেক্ষেত্রে লেখা নাম্বারটিও ভুল হয় তিনি তা না দেখে তাড়াহুড়ো করে ছলে যান। ফলশ্রতিতে টাকা অন্য নাম্বারে চলে যায়। দোকানীদের সাথে এসব বিষয়ে প্রায়ই জগড়া হয়। সেজন্য গ্রাহকদের সচেতন করার জন্য অনেক দোকানে লেখা দেখা গেছে-
* আপনার দেয়া নাম্বারটি যাচাই করুন।
* যাচাই ব্যতীত নাম্বারে টাকা পাঠাতে ভুল হলে দোকান মালিক দায়ী নন।
* দ্রুত রিচার্জ সুবিধা পেতে ভুল হলে দোকান মালিক দায়ী নন।
একটি সিমকার্ড এ সরকারকে ভ্যাট দিয়ে মোবাইল কোম্পানীর খরচ প্রায় ২০০০/- (দুই হাজার) টাকার উপরে। কিন্তু তারা সেই সিম কার্ড বিক্রি করে এক শত বা তার কম দামে। তার উপরে আবার বোনাস টক টাইম থাকে ১০০-২০০ টাকা মত এ ছাড়া আরো অনেক লোভনীয় অপার থাকে।
ব্যবসায়িদের সাথে আলাপ করে জানা যায় যে, এই ব্যবসাটির প্রতি তরুণ সমাজের চাহিদা অনেক। তারা প্রথমে জানে না এতে কি পরিমাণ লাভ হয় কিন্তু কিছু দিন ব্যবসা করার পর তারা ঋণগ্রস্থ হয়ে ব্যবসাটি ছেড়ে দেয়। বেকারত্ব ঘুচাতে এসে আবার বেকার হয়ে পড়া এবং তার উপর ঋণের বোঝা সমাজে অসৎ পথে পরিচালিত হতে সহায়তা করছে। এরকম ভাবে মাছুম তার ব্যবসাটি শুরু করার এক মাসের মাথায় ঋণ গ্রস্থ হয়ে ছেড়ে দেয়। তাছাড়া এ সিম পেতে অনেক কাঠ খড় পোড়াতে হয় এবং অনেক সময় ঘুষ পর্যন্ত দিতে হয়।
অনেক জায়গায় দেখা যায় যে, লাভ কম হয় বলে ১০, ২০,৩০ টাকা রিচার্জে অতিরিক্ত ১/- টাকা নেয়া হয় গ্রাহকদের কাছ থেকে। এতে করে দোকানদারদের সাথে গ্রাহকের প্রায় প্রতিনিয়ত ঝগড়া হয়, এমনকি অনেক জায়গায় ব্যাপক ভাবে সংঘর্ষও হয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



