আমার প্রিয় পোস্ট
- সামহোয়্যারইন ব্লগ : সপ্তাহের নির্বাচিত পোস্ট (১৬ আগস্ট - ২২ আগস্ট) - ফিউশন ফাইভ
- চৌধুরী মঈনূদ্দীন সহ তিন পলাতক যুদ্ধাপরাধী নিয়ে চ্যানেল ফোরের সেই বিখ্যাত ডকুমেন্টারিটি! - জিন্দা লাশ
- মুক্তিযুদ্ধ ও আওয়ামীলীগ ইউটিউব ভিডিও - অন্তীম
- সিজোফ্রেনিক ঈশ্বরের মেয়ে - প্রবর রিপন
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- সামু বিবর্তন - দুঃখবিলাস
মহাস্মার্ট লোকের কৌতুক --- পুনশ্ছাগভব
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৯
১.
এক মুনির আশ্রমে ছিলো তাহার এক পালিত ইদুঁর। মুনিকে তাহাকে বিশেষ স্নেহ করিতেন। একদিন সেই ইঁদুর কাঁদিতে কাঁদিতে মুনিকে বলিলেন, আপনার আশ্রমের বিড়াল আমাকে প্রতিনিয়ত তাড়া করে। আমি জীবন সংকটে আছি, আপনি আমাকে বিড়াল করিয়া দিন। মুনি সদয় হইয়া মুশিককে বিড়ালে পরিণত করিয়া দিলেন। কিছুদিন অতিবাহিত হইলে, সেই বিড়াল আসিয়া আবার কাঁদিতে লাগিল। মুনি কারণ জিজ্ঞাসা করিলে কহিল, আশ্রমের বাইরে গেলেই রাস্তার মোড়ের কুকুর তাড়া করে, আমি স্বাধীনভাবে চলাফেরা করিতে পারি না। আপনি আমাকে কুকুর করিয়া দিন। মুনি তাহাকে তখনি কুকুরে পরিণত করিয়া দিলেন। কিছুদিন অতিবাহিত হলে আবার কুকুর আসিয়া মুনির পদযুগল ধরিয়া কাঁদিতে লাগিল। মুনি কিছুটা বিরক্ত হইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, আবার কি হইয়াছে? কুকুর কহিল, আমি জঙ্গলের ভিতর ঢুকিলে আমাকে ব্যাঘ্র তাড়া করে। আপনি আমাকে ব্যাঘ্র বানাইয়া দেন। অতপর, মুনি তাহাকে ব্যাঘ্র বানাইয়া দিলেন।
ব্যাঘ্র হইয়া সে আশ্রমের চারপাশে ঘোরাঘুরি করিতে লাগিলো। এভাবে দিন চলিয়া যেতে লাগিল। একদিন তাহার প্রচন্ড ক্ষুধা পাইল। চারপাশে সন্ধান করিয়া কিছু পাইল না। আশ্রমে হাতের নাগালে একমাত্র রহিয়াছে মুনি। সে মুনিকে খাইবার জন্য উপস্থিত হইলো। মুনি তাহার মনোবাসনা বুঝিতে পারিলেন। হুংকার ছাড়িয়া কহিলেন, তবে রে পামর, এইজন্য তোকে ব্যাঘ্র করিয়াছি। যা, আবার তোকে আগের জীবন ফিরিয়া দিতাছি। পুন: মুশিক ভব। পুনরায় মুশিক হ।
সাথে সাথে ব্যাঘ্র আবার ইঁদুরে পরিণত হয়ে গেলো।
২.
আমাদের সুপরিচিত নাস্তিক ছাগুরা সামহয়্যারের আমব্লগার কর্তৃক চরম অপমানিত হইয়া ইশ্বরের নিকট প্রার্থনা করিল অন্তত তাহাদেরকে যেন ছাগু বানাইয়া হলেও ইশ্বরের নিকট রাখেন। এহেন নিয়ত হরিদাস হইয়া থাকিতে থাকিতে তাহারা বড় বিমর্ষ। ইশ্বর তাহাদের মনোবাঞ্ছা পূরণ করিলেন। বেহেস্তী হুর লইয়া নাস্তিকরামরা কয়েকদিন ভালোই কাটাইল। হঠাত একদিন তাহারা ইশ্বরের নিকট আসিয়া কাঁদিতে লাগিলো। ইশ্বর জিজ্ঞাসা করিলেন, কি হইলো ছাগু? কান্দো ক্যান? ছাগু কহে, ডটুরামের এছলামি জ্ঞানে হুররা মুগ্ধ। সবাই ডটুরামের ওয়াজ শুনিয়া দিনরাত তাহার সাথে রমণক্রিয়াতে রত। আমি একা একা বৃক্ষ ছিদ্রে আর কতো বীর্যপাত করিব? আপনি আমাকে ডটুরামে পরিণত করে দিন। ইশ্বর তাই করিলেন। ডটু হইয়া কিছুদিন ভালোই ছিলো। কিন্তু হঠাত সেখানে বাকরাম আসিয়া সব ভন্ডুল করিয়া দিলো। ডটু আবার ইশ্বরের সমুখে অশ্রুপাত করিতে লাগিলো। হে মাবুদ-ই-ইলাহি। আমি তো বাকরামের জন্য কিছুই করিতে পারিতেছি না। যেখানে যাই সেখানে আংকেল শুনিতে পাই। আমি ডাবল ডোজ নিয়াও তাহার রমণ ক্ষমতার ধারেকাছে পৌঁছিতে পারিনা। রমণই যদি করিতে না পারি তবে এই বেহেস্তে থাকিয়া লাভ কি। আপনি আমাকে বাকরামে পরিণত করে দিন। ইশ্বর তাহাকে বাকরামে পরিণত করিয়া দিলেন। এখন ছাগু অপবাকু হইয়া ডাবল জোশে রমণ করিতে লাগিলো। এভাবে বেশ কিছুদিন কাটাইবার পর, সে আবিষ্কার করিলো, কিছু হুরমতী বাণু আছে যাহার কেবলমাত্র ঘনুর দ্বারা রমনিত হইয়া থাকে। তাহাদের জন্য সে বড়ই আকুলিত হইলো। একই জিনিস তাহার প্রতিদিন ভালো লাগে না। তাই সে আবার ইশ্বরের কাছে ফরিয়াদ জানাইলো, আপনি আমাকে ঘনু করিয়া দেন। ইশ্বর তাহাকে ঘনু করিয়া দিলো। ঘনু হইয়া সে যেমন খুশি তেমন করিতে লাগিলো। কিন্তু কপালের লিখন না যায় খন্ডন। একদিন ঘনু ইশ্বরকে দেখিলেন এক দাসীর সহিত রমণ করিতে। তাও আবার পশ্চাতদেশ দিয়া। ঘনু সাথে সাথে ইশ্বরকে আক্রমণ করিয়া বসিলো। হে মাবুদ-ই-ইলাহি। আপনি দাসীর সহিত রমণ করিতেছেন তাও আবার পশ্চাতদেশে। ইহা তো সর্ম্পূর্ণ গর্হিত। আপনার এহেন কর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করিতে হইবে। রমণকার্যের সময় বাধাগ্রস্ত হইয়া ইশ্বর বড়ই কুপিত হইলেন। তিনি বললেন, হে ছাগু, ওই গ্রন্থ আমি তোমাদিগের জন্য রচিয়াছি, আমার জন্য নয়। তোমার ওই মস্তিষ্ক লইয়া ঘনু হওয়ার কোন যোগ্যতা নেই। তোমার এহেন ধৃষ্টতার জন্য তোমাকে আমি পুনরায় ছাগুতে রূপান্তরিত করিয়া পাঠাইয়া দিতাছি। তুমি বেহেস্তের উপযুক্ত নও। পুন: ছাগ ভব। পুনরায় ছাগুতে পরিণত হও।
নাস্তিক ছাগুরা পুনরায় সামহয়্যারে আসিয়া ভ্যা ভ্যা করিতে লাগিলো।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মুহিবমুন্সি বলেছেন:
জাঝাকাল্লাহু খায়রান !
ঘনাদা বলেছেন:
তবে শেষের দিকে এসে একটু এছলামী স্টাইলের গোঁজামিল দেখা গেলো.. তা থাউক...
ইশ্বর 'দাসীর' পশ্চাদে গমন করেন জানিয়া স্বস্তি পাইলাম।
আরবের মহাপুরুষের সাথে তাহার 'প্রেমের' বিষয়ে প্রচুর কথা শুনি কি না!!
ইশ্বরের সেকচুয়াল ওরিয়েন্টেশন নিয়ে একটু গন্ডগোল ছিলো বলে মনে করিতাম.. ওই ভ্রম কাটিয়া গেলো...
যীশূ বলেছেন:
বিরাট মজা পাইছি।
নিষিদ্ধ জীবন বলেছেন:
বিরাট মজা পাইছি........ইশ্বর 'দাসীর' পশ্চাদে গমন করেন জানিয়া স্বস্তি পাইলাম।
শয়তান বলেছেন:
বুমেরাং হৈয়া গেল মনয় । খিকজ
তায় আবার ইশ্বরের বারোটা বাজাইয়া।
কলাগাছৈর মারলাম তীর
হাটুবাইয়া রক্ত পড়ে
চোখ গেল রে.. বাবা..
যাচ্চিলাম হেথা, পড়ে গেলাম হোথা।
মনির হাসান বলেছেন:
তাইলে কি কাহিনির পরের অংশ ধরিয়া লইব, "ঈশ্বর সুখে শান্তিতে 'দাসীর' পশ্চাতে গমন করিতে থাকিল আর আবুল'স আস্তিকগণ তাহা দেখিয়া হাত মারিতে থাকিল"।
সাইফুল বাতেন টিটো বলেছেন:
মাম্মা হেব্বি মজা পাইলাম তো!!!
টানজিমা বলেছেন:
মনির হাসান বলেছেন: তাইলে কি কাহিনির পরের অংশ ধরিয়া লইব, "ঈশ্বর সুখে শান্তিতে 'দাসীর' পশ্চাতে গমন করিতে থাকিল আর আবুল'স আস্তিকগণ তাহা দেখিয়া হাত মারিতে থাকিল"।......
মৈত্রী বলেছেন:
একদিন ঘনু ইশ্বরকে দেখিলেন এক দাসীর সহিত রমণ করিতে। তাও আবার পশ্চাতদেশ দিয়.........
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















