হয়তোবা সে-ই আমার শেষ
বিকেলের হলুদাভ আভায়
আমি খুঁজি তারই লুন্ঠিত অবশেষ।
![]() | আর এস এস ফিড |
পোস্ট আর্কাইভ
- মে,২০১৩(১)
- মে,২০১২(২)
- মার্চ,২০১২(১)
- ফেব্রুয়ারী,২০১২(২)
- জানুয়ারী,২০১২(১)
- ডিসেম্বর,২০১১(২)
- নভেম্বর,২০১১(৬)
- অক্টোবর,২০১১(৬)
- সেপ্টেম্বর,২০১১(১)
- আগস্ট,২০১১(২)
- জুলাই,২০১১(১)
- জুন,২০১১(৩)
- মে,২০১১(১)
- এপ্রিল,২০১১(৫)
- মার্চ,২০১১(৪)
- সেপ্টেম্বর,২০১০(১)
- আগস্ট,২০১০(৬)
- জুলাই,২০১০(৫)
- জুন,২০১০(২)
- মে,২০১০(১)
- এপ্রিল,২০১০(২)
- মার্চ,২০১০(১)
- জানুয়ারী,২০১০(৩)
- ডিসেম্বর,২০০৯(১)
- নভেম্বর,২০০৯(২)
- অক্টোবর,২০০৯(৪)
- আগস্ট,২০০৯(২)
- জুলাই,২০০৯(১০)
- জুন,২০০৯(৭)
- মে,২০০৯(১৩)
- এপ্রিল,২০০৯(১০)
- মার্চ,২০০৯(২)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৯(১)
আমার লিঙ্কস
আমার বিভাগ
কোন বিভাগ নেই
আমার প্রিয় পোস্ট
- Child Sex Abuse(শিশু যৌন নির্যাতন)ও প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ, এর থেকে শিশুকে বাঁচানোর উপায়।(যাদের শিশু সন্তান কিংবা ছোট ভাইবোন আছে তাদের জন্য ) - আমি বন্য
- আমার যত ভ্রমন ব্লগ... - মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া-৩ (কালিমপং-লাভা ট্যুর, অক্টোবর, ২০১০) - পয়গম্বর
- ঘর হতে কয়েক পা ফেলিয়া (ছবিসহ বিস্তারিত) পর্ব- রাঙ্গামাটি - রিপেনডিল
- ঘর হতে কয়েক পা ফেলিয়া (ছবিসহ বিস্তারিত) পর্ব-কুয়াকাটা, ফাতরার চর। - রিপেনডিল
- ঘর হতে কয়েক পা ফেলিয়া (ছবিসহ বিস্তারিত) পর্ব- নাফাখুম - রিপেনডিল
- ...বান্দরবানের গল্প হুনবা...?? দুরে কেন.. কাছে আহো কাছে আহো..
(পর্ব-২) - টিংকু ট্রাভেলার
- আমার ভ্রমণ-কাহিনী ও ছবি ব্লগ গুলোর কালেকশন - পয়গম্বর
- বারিক্কা টিলা: বাংলাদেশের মানচিত্রে যেন ছোট্ট একটি ভূ-স্বর্গ - পয়গম্বর
- এসো বুনো ফুল চিনি - সায়েম মুন
- পড়তে চাইলে পড়তে পারেন নাফিস ইফতেখারের ড্রাফটে নেয়া পোস্টসমূহ

+ একটি ঐতিহাসিক পোস্ট - অণুজীব
-
ফেসবুক থেকে ছবির অ্যালবাম নামান - মাহবুবুল আলম জিসান
- প্রকাশিত হলো প্রতীতি প্রকাশনীর তৃতীয় ই-বুক ‘বৃষ্টির দিনে - কাউসার রুশো
- শিল্পের দ্বায়বদ্ধতা, শিল্পীর দ্বায়বদ্ধতা।উৎসর্গ: হাসান মাহবুব। - স্তব্ধতা'
- চলচ্চিত্র বিষয়ক আমার যত পোস্ট - কাউসার রুশো
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- আসুন সবাই মিলে মুভি ডাউনলোড করার সবগুলো সাইট এক পোস্টের নিয়ে আসি - টেকি মামুন
- নেট থেকে হাই কোয়ালিটী মুভি.......কিভাবে ডাউনলোড করব???সম্ভব/অসম্ভব? - প্রিয়তমেষু
- সহজে ইন্টারনেট থেকে ভিডিও ডাউনলোড করুন যেকনো সফটওয়্যার ছাড়া - রাজপুত্র নেপলিয়ন
- আরেফীন রুমী ft শাহেদ এবং শুভমিতার গান “এক জীবন” এর নকল কৃত মিউজিক ভিডিও এবং বাংলাদেশে কপিপেস্ট মিউজিক ভিডিও নিয়ে কিছু কথা - রাহা২০০৯
আমরা টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে
১৫ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬ |
ব্লগের শক্তি কতটুকু ? ক'জন পড়ে ব্লগ ? ব্লগের উদ্যোগে এ যাবৎকালে বড় কি সাফল্য এসেছে ? ব্লগ কর্তৃপক্ষ কি সাহসী ? তাদের কি দেশের প্রতি দরদ আছে ? তারা ভালবাসে দেশকে ? দেশের মাটিকে ? মানুষকে ?
এক ফারাক্কার ছোবলে বিকলাংগ জীবন বয়ে বেড়াচ্ছে ভাটি জনপদের মানুষগুলো । ধুঁকতে ধুঁকতে সবুজ বনানী এগিয়ে যাচ্ছে মরুময় অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে । আমাদের খাল-বিল-জীববৈচিত্র-নদীনালা উৎকণ্ঠিত মানবসৃষ্ট অশনিসংকেতে ।বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্যের প্রতি সবচেয়ে বড় হুমকি ফারাক্কা । আমরা কোনদিন মেনে নিতে পারবনা ফারাক্কা ।
আমাদের ততোধিক বিকলাঙ্গ রাজনীতিকদের নিস্ক্রিয়তা আর দেশের প্রতি ভালবাসাহীনতা আমাদের পোড়ায় ভীষণ । আমরা বৃথা আস্ফালনে হাত-পা কামড়াই নিজেদের । আমাদের রক্ত যুদ্ধের ডাক দেয় । আমরা প্রাচীন মানুষের জীবনকে এখনকার চেয়ে ভাল মনে করি - যেখানে বেঁচে থাকা মানেই বীরের জীবন । আর এখানে কেবল নপুংশকেরাই বেঁচে থাকে । সকল অন্যায় অবিচারের সাথে আপোস করেই আমাদের পথ চলতে হয়, যে যত বেশী আপোসী সে তত ভব্য-সভ্য-আধুনিক !
চলমান বৈশ্বিক ও রাষ্ট্রিক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমরা দাঁড়াতে পারিনা । আমরা শক্তিমানের শক্তিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারিনা ।আমরা ক্ষমতাবানদের ক্ষমতার দর্প ভেঙ্গে দিতে পারিনা ।আমরা পোস্ট মডার্ণ দাসত্বের জীবনে হেসে খেলে বেড়াই । আমরা সন্তুস্ট আমাদের দাসজীবনে ।
তবু কিছু ব্যতিক্রম থাকে । এদের কারণে এখনো টিকে আছে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ, মনুষ্যত্ব । বিবেকের ঘুণ ধরা দরজায় আঘাত হানুক নয়া কালবৈশাখী 'টিপাইমুখ বাঁধ' ।
সহব্লগার ধীবর তুলে ধরেছেন এই বাঁধের অশুভ প্রভাবের কথা ।আরো জনাকয়েক ব্লগার এ প্রসংগে একটা আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে পোস্ট দিয়েছেন । ধীবরের লেখাটা স্টিকি করা দাবী জানানো হয়েছে ।আমরা কর্তৃপক্ষের সাড়া পাইনি ।
ধীবর কিছু মতামত চেয়েছেন ব্লগের নবীন প্রবীণ সবার কাছে - কিভাবে ভারতের এই হীন প্রচেষ্টা রুখে দেয়ার জন্য আমরা কাজ করতে পারি ।আমার কিছু প্রস্তাব বিবেচনা করে দেখার অনুরোধ করছি-
১.নেটের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা । এখানে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশীদের হত্যা করা, ফারাক্কার প্রভাব, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের অনধিকার চর্চা সহ অন্যান্য আরো বিষয় স্থান পেতে পারে ।
২.বাংলাদেশের বাইরে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশীসহ পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে অবস্থিত মানবতাবাদী এবং পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোকে এর সাথে সম্পৃক্ত করা ।
৩.পৃথিবীর সকল রাস্ট্র ভারতের বন্ধু নয় । সুতরাং ভারতের বন্ধু নয় এমন রাষ্ট্রগুলোর কাছে বাংলাদেশের যৌক্তিক দাবীগুলো এবং ভারতের অন্যায়গুলো তুলে ধরা । প্রয়োজনে এদেশে অবস্থিত সকল বিদেশী দুতাবাসসহ অন্যান্য সংস্থায় স্মারকলিপি প্রদানের ব্যবস্থা করা ।
৪."একশন কমিটি এগেইনস্ট টিপাইমুখ ড্যাম" এর সাথে যোগাযোগ করা এবং তাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করা ।
৫.যার যেখানে একসেস আছে প্রতিটি যায়গায় টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা ।
৬.দেশের সরকারী বা বিরোধী সব দলের কাছেই এ ব্যাপারে স্পস্ট বক্তব্য চাওয়া এবং সব দলের পক্ষ থেকেই যেন ভারতীয় দুতাবাসে প্রতিবাদ লিপি পাঠানো হয় এ ব্যাপারে আলাপ আলোচনা করা ।
৭.বিশেষ করে যুক্তরাস্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীরা যেন এই ব্যাপারে উদ্যোগী ভূমিকা নেয় সে ব্যাপারে তাদের সাথে যোগাযোগ করা ।
আমি একজন নবীন । কিছু মতামত দিলাম ।অযৌক্তিক হলে গ্রহণের দরকার নেই । আমি চাই যৌক্তিক কিছু বেরিয়ে আসুক আমাদের লেখা থেকে । যেভাবে এগুলে ভারতকে এই চক্রান্ত থেকে রুখা যাবে সেভাবে যেন এগুতে পারি আমরা । আমি সবার মতামত আশা করছি । সেই সাথে সাথে টিপাইমুখ বাঁধ বিরোধী আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছি ।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:২০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
ইস্যুটিতে টিপাইমুখের চেয়ে ভারতবিরোধিতা বেশি স্পষ্ট।সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট একটা আন্দোলন চালাচ্ছে; যদিও সেটি রাজনৈতিক।
আমরা ব্লগাররা কী করতে পারি? আমাদের গতিবিধি কী হবে? সুস্পষ্ট আউটলাইন দিন, অতি অবশ্যই পাশে এসে দাঁড়াবো।
সে অর্থে ভারতবিরোধিতা নয়-ভারতের নেগেটিভ কাজের বিরোধিতা ।
আমরা কী করতে পারি এ লক্ষ্যেই পোস্টটি দেয়া হয়েছে । দেখি শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় বিষয়টি ।
সৌম্য বলেছেন:
ভাই, আমি ক্ষুদ্র মানুষ। রাজনীতি বুঝি না। পিয়াইন সুরমা ইত্যাদির অববাহিকা জুড়ে যেই রেইনফরেস্ট গুলা আছে, সাতছড়ি, রেমা কালিঙ্গা, লাউয়াছড়া এরা অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়বে। সারাপৃথিবীতেই রেইনফরেস্টের অস্তিত্ব সঙ্কটে। অদ্ভুত সুন্দর জীব বৈচিত্র খুবই অল্প জায়গায়। এদেরকে রক্ষা করা দরকার।
নতুন সময় বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মত এ ক্ষেত্রেও ব্লগাররা উদ্যোগ নিতে পারেন।
নীল-দর্পণ বলেছেন:
সরকার করছে কি!!!!
ফালতু মিয়া বলেছেন:
সরকার বিডিআর সেনাবাহিনীকে মেরে, বিডিআরকে দোষী করে সীমান্ত উন্মুক্ত করতে চায়, যেমনটি বিএসএফ চাইছে তার ব্যতিক্রম করছে না। এক্ষেত্রে এরা এই বাধ নির্মাণের প্রতিবাদ করবে, নাকি নির্মাণ খরচ দিবে সেটাই বিষয়।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
আপনে বরং এই শিরোনামে একটা পোস্ট লেখেন-''টিপাইমুখ বাঁধ থেকে যেভাবে বাংলাদেশ উপকৃত হতে পারে''
তাইলে কর্তৃপক্ষ মনোযোগী হইবো।
কর্তৃপক্ষ সম্ভভত আন্তর্জাতিক চাপে এ ব্যাপারে কোন পোস্ট স্টিকি করছেনা । হাহাহাহা
আগামি বলেছেন:
"তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি" .... প্রমাণ করতে হবে - বাবু>বাবুয়া>বাবুইClick This Link
আগামি বলেছেন:
টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের ব্যাপারে পানিসম্পদ মন্ত্রীর ভারত তোষণ নীতি - রাজনীতিকClick This Link
আগামি বলেছেন:
একেই বলে প্রতিবেশী। বাংলাদেশের মরু করণের পথে আর এক ধাপ এগিয়ে ভারত - পরিবর্তনবাংলা Click This Link
আগামি বলেছেন:
টিপাই মুখে বাঁধ নির্মাণ বন্ধ কর। সুরমা-কুশিয়ারা মেঘনা রক্ষা কর।বাংলাদেশকে মরুভূমি বানানোর পন্থা রুখে দাঁড়ও-ভিন্ন চিন্তাClick This Link
আগামি বলেছেন:
"টিপাইমুখি বাঁধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হোন" লেখাটি স্টিকি করা হোক - দেশজClick This Link
আগামি বলেছেন:
দলমত নির্বিশেষে সবাইকে এ বিষয়টিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি ।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
এ সংক্রান্ত আরো কয়েকটি পোস্ট আছে ব্লগে , কেউ যদি সবগুলো লিংক একখানে জমা রাখতেন তাহলে সবাই আরো ভালভাবে জানতে পারত।এই বিষয়ে কোন একটি পোস্টকে স্টিকি করার অনুরোধ জানাই।
আরো একটা নতুন পোস্ট এলো-
"একটি লেখাকে স্টিকি করার পুর্বশর্তগুলি কি কি? কর্তৃপক্ষ এবং পুরানো ব্লগারদের কাছে জিজ্ঞাসা।"- ধীবর
Click This Link
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
ভারত তোমাকে ঘৃণা করে বঙ্গ জনপদ ।এটাও একটা স্লোগান!
তবে আমার কাছে বিষয়টা হাল্কা লাগছে। কারন দিন যত যাচ্ছে উষ্ঞতা তার চরম মাত্রা ছাড়িয়ে রেকর্ড গড়ছে। বলা যায় এবার সবচেয়ে কম বৃস্টি হয়েছে। তার হাজার বছরের গ্লেসিয়ারগুলো নিশ্চিহ্ন হচ্ছে পৃথিবীতে লবনাক্ততা বাড়ছে প্রায় সবদেশে। নেদারল্যান্ড ভাবছে তাদের ড্যামটাকে এখনই উচু করার দরকার। আসলে একসময় তেল নিয়ে মানুষ চিন্তা করছিলো কিন্তু এখন তেলের সাথে পানিস হ আরো অনেক ইস্যু বিদ্যমান। আমরা এখানে পদ্মা, ব্রম্মপূত্র নিয়ে গ্যান্জ্ঞাম করছি, আফ্রিকার ওদিকে নীলের হিস্যা নিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ। এসব নানা দেশে চলছে কারন একটাই সেটা হলো পরিবেশ।
সামনে আরো এরকম পরিস্হিতির মুখোমুখী হতে হবে। ভারত বিশাল দেশ ভারতের সুযোগ আছেই নিজের দেশের দিকে তাকানোর। আমাদের যখন সুযোগ ছিলো এসব নিয়ে ট্রেড করার তখন নির্বোধ অশিক্ষিত নেতারা আর ভূড়িওয়ালা অকর্মন্য সচীবেরা নিজেদের বোচকা ভরেছেন। এখন যখন সত্যিকারভাবে পৃথিবী ভান্ডারে টান পড়েছে তখন হয়তো অনেক কিছু করেও কিছু করা যাবে কি না সন্দেহ।
এখন বলতে পারেন আমরা হাতে হাত রেখে বসে থাকবো কি না? সেটাও আমি জানি না। কারন এসব কাজ যাদের করার তাদের উপর খুব একটা বিশ্বাস নেই, ওখানে যাবে গোপনে চুক্তি করবে যেটা ফারাক্কার মতো কাজ করবে না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে নালিশ করলে তেমন কোনো সাড়া পাওয়া যাবে না। আবার গ্লোবাল ওয়ার্মিং ঠেকানোর জন্য কিছু করবেন সেটাও দীর্ঘমেয়াদী। সবকিছুতেই ধরা খাওয়ার চরম আশন্কা, মানে যে সুযোগ গুলো তার কোনোটাই কাজ করার মতো সম্ভাবনা রাখে না।
তাই এই ব্যাপারে আমি খুব একটা আশাবাদী না, তবে হ্যা একটা ব্যাপারে আশাবাদি হওয়া যেতো যদিনা আমাদের দেশটা খুব শক্তিশালী দেশ হতো, সবাই নীতিতে এক হতো। কিন্তু এখন সব ধৈর্য্য হারা। কারো আর ধৈর্য নেই অপেক্ষা করার!
অস হনীয় হয়ে পড়েছে প্রাত্যহিক জীবন এবং এটাই বাস্তবতা!
কি আর করা ! বৃথা আক্রোশে নিজের হাত-পা কামড়াইয়া কিছুটা ক্ষোভ হয়তো কমবে ।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
হমম..........।শুধু ঘৃণা নয়, চাই ঘৃনার শক্তিকে প্রতিরোধে রুপান্তর।আপনার প্রচেষ্টা অব্যহত রাখুন।মডুরা পোষ্ট স্টিকি না করে যাবে কোথায়!
নাইবা করল পোস্ট স্টিকি । আমরা আমাদের কথা বলে গেলেই হবে । তবে খুব শুঘ্রই একটা কমিটি এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নিয়ে কাজ শুরু করা দরকার ।
ধীবর বলেছেন:
ভাই আগামি, আপনার লেখার প্রতিটা শব্দের সাথে একমত। সাথে যারা সমর্থন দিচ্ছেন, তাদেরকেও অনেক ধন্যবাদ। দেশের মরাবাচার ইস্যুতে বিভক্তি নয় ঐক্যই কাম্য। আবারো অসংখ্য ধন্যবাদ।
আগামি বলেছেন:
বিভ্রান্তি এড়াতে কয়েকজন ব্লগারের পরামর্শে দুটো লাইন মুছে দেয়া হল ।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: খুবই বাস্তব এবং সত্য কথা বলেছেন ভাই । যাদের বলা উচিত ছিল তারা বলেনি । যাদের বলার কথা তারা বলছেনা । ফাল পারি শুধু আমার মত আম পাব্লিক ।কি আর করা ! বৃথা আক্রোশে নিজের হাত-পা কামড়াইয়া কিছুটা ক্ষোভ হয়তো কমবে ।
আপনার কথা শুনে ভালো লাগলো। কিন্তু বেশ কিছু জিনিস আপনি এড়িয়ে গেলেন।
১) আমরা প্রতি পাচ বছর কিছু শয়তানের বাচ্চাদের নির্বাচন করি, এবং যখনই আমরা ভোট দিচ্ছি আমরা জেনেই দিচ্ছি এটা একটা হাড়ে হারামজাদা। তাহলে এই সব চোর বাটপারদের ক্ষমতায় বসানোর দায় ভার কে নেবে? দোষটা কার?
২) আমরা যখনই কোনো বাড়ী করি ১০% জায়গা ছেড়ে বাড়ী করার নিয়ম। কিন্তু আদতে দেখা যাচ্ছে আমরা এক ইন্ঞ্চি তো ছাড়িই না, উল্টো পাশের রাস্তার জায়গা কিছুটা দখলে নিয়ে বাড়ী তুলে ফেলেছি। মুগদাপাড়ার মতো ঢাকা শহরের বেশ কিছু এলাকায় এটা দেখতে পাবেন। এটা কি আমি আমরা আপনারা করছি না প্রশাসনকে ঘুষ খাইয়ে? এসব প্রশাসনে কাজ করে কারা, আপনার আমার বাবা, ভাই, আত্নিয় স্বজন তাই নয় কি?
৩) নদীতে পানি চান। অথচ রাজউক যখন খাল ভরাট করে প্লট বরাদ্দ দেয় তখন আমরা তীর্থের কাকের মটো লাইন ধরে সেই ফর্ম কিনি, তাতে বিবেকটা কার কোথায় যায়?
৪) আমরা কি কখনো তুরাগ নদীতে যে অবৈধ দখল হচ্ছে এর জন্য কি মানববন্ধন করেছি, কল্যানপুরের খাল টা ভরাট করে এ্যাকমি আর ইবনে সিনা বিল্ডিং বানালো এরকম আরো কত খালা ঢাকা শহরে ভরাট করে চলেছি, সে জন্য কি মানব বন্ধন করেছি ?
আসলে হোয়াইট লেভেলে দেখতে আমরা সবাই মূর্খ শেয়াল হয়ে গেছি। নিজেরা নিজেদের ক্ষতি করে এখন দোষ অন্য কারো বিশাল এনটিটির উপর চাপাবো যাকে আমরা মূলত কিছুই করতে পারবো না!
ধীবর বলেছেন:
আগামি ভাই, এই সংক্রান্ত লেখাগুলি শিরোনাম সহ আমার সবচেয়ে শেষ পোস্টটাতে দিয়েছিল। কিরন্ময়ির পোস্টটা নতুন করে যোগ করে দিচ্ছি। এ রকম বাদ পড়ে যাওয়া লেখাগুলি জানাবেন। যোগ করে যেতে থাকবো।উদাসি স্বপ্ন ভাই, আপনার কথাগুলি নির্মম সত্য হলেও এর পেছনে কিছু কথা থাকে। যদি গনতন্ত্রে বিশ্বাস করি, তাহলে রাজনৈতিক দল্গুলোর পেছনে থাকতে হবে। এখন সেখানে যদি শুধু শয়তানের আখড়া হয়, তাহলে নিরুপায় হয়েই ভোটখানি শয়তানদেরই দিতে হবে। এর বিকল্প হচ্ছে খোমেনি, সাদ্দাম বা নে উইনের মত শাসক।
খাল নিল ভরাট করে বাড়ী নির্মানের পেছনে আছে, ঢাকা শহরের উপর অতিরিক্ত চাপ এবং জনসংখ্যা বিস্ফোরণ। ধরূন প্রশাসনিকভাবে সারা দেশ যদি ঢাকার উপর নির্ভরশীল না হতো, আর জনসংখ্যার এত আধিক্য না থাকতো, তাহলে বাসস্থানের জন্য এমন মরিয়া হয়ে উঠতে হতো না।
নিয়মনীতি না মেনে বাড়ী করাটাও নাগরিক চেতনার অভাবেই ঘটছে। যেমন যত্র তত্র থু থু ফেলা বা জলত্যাগ করা। এসব হচ্ছে, শিক্ষার অভাবে।
কেউ আমাদের ঘরে ঢিল ছুড়বে, আর বড় বলে তাকে আমরা বিনা প্রতিবাদে সেটা করতে দেব, সেটা কি খুব বিবেচকের মত কাজ হবে। বরং বলা যায়, নিজেদের দুর্বলতাগুলিকে চিহ্নিত করে, প্রতিকার করা উচিত। কিন্ত নিজেদের দুর্বলতা আছে সেই অজুহাতে প্রতিবাদের পথকে একেবারে রুদ্ধ করে দেয়াটাও ঠিক নয়।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
খাল নিল ভরাট করে বাড়ী নির্মানের পেছনে আছে, ঢাকা শহরের উপর অতিরিক্ত চাপ এবং জনসংখ্যা বিস্ফোরণ। এই বিস্ফোরনের জন্য কারা দায়ী। নিশ্চয়ই কনডম কোম্পানী কম মাল বানাচ্ছে অথবা জন্মবিরতীকরন পিলের দাম বেশী এটাও নয়। জন গন জানে না এটাও নয়, সরকার এটা নিয়ে কাজ করছে এটাও নয়। সমস্যাটা কাদের একটু বলবেন?
এখন সেখানে যদি শুধু শয়তানের আখড়া হয়, তাহলে নিরুপায় হয়েই ভোটখানি শয়তানদেরই দিতে হবে। এর বিকল্প হচ্ছে খোমেনি, সাদ্দাম বা নে উইনের মত শাসক।
আমাদের এলাকা থেকে একজন সৎলোকও দাড়ায়নি, কিন্তু আমি বলবো এবার সে অপশনও ছিলো যদি একজনও না থাকে। কিন্তু জন গন ভোটের জোয়ার এনে চেহারাকে ভোট না দিয়ে দিলো মার্কাকে। এখন ফল ভোগ করছি!
আমাদের গায়ে ঢিল ছুড়বেই যদি না আমরা পিঠ পেতে দেই। আমাদের চেয়ে অনেক দুর্বল দেশ আজ এগিয়ে গেছে এবং আমার কথা শুনে রাখুন শ্রিলংকা যদি এবছরের মধ্যে তাদের গৃহ যুদ্ধ মিটিয়ে ফেলে তারা শিক্ষা আর অর্ঠনীতে ৫ বছরে আমাদের চিন্তার বাইরে চলে যাবে।
ঢিল ছুড়া ছুড়ি মেইন ইস্যু নয়, আমাদের আসল প্রবলেম হলো দোষ খুজে বেড়ানো। নিজের দোষ আমরা কোনোদিনই দেখি না। ম্যাস পপুলেশন এখনও নিজের ভুল না ধরে সরকারকে গালাগাল করে। প্রতিদিন যখন বাসে গাদাগাদি করে লোক উঠে তারা কিন্তু এটা বলে না যে আরেকটু সকালে রওনা দিলে এত জ্যাম থাকে না, তারা গালাগাল করে বাস মালিককে, অথবা সরকারকে!
এই পাপই আমাদের গিলে খাবে আর হয়তোবা আমরা যখন বুঝতে পারবো তখন হয়তো আর ফিরবার পথ থাকবে না!
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আর ঢাকা শহরই কিন্তু উচ্চ ঘনত্বের শহর নয় একমাত্র। লিস্টে এর আগে আরো চারটি শহর আছে যেগুলো এখনও ওয়ার্ল্ড ক্লাস শহর হিসেবে পৃথিবীতে দাড়িয়ে!
ধীবর বলেছেন:
উদাসি ভাই, আমি দ্বিমত করছি না যে, আমাদের ভেতর চরম দুর্বলতা নেই। কিন্ত সেটা প্রতিকার করা সময় সাপেক্ষ। এই সময়ের ভেতর যদি আবার বাইরে থেকে চাপিয়ে দেয়া হুমকির কারণে অস্তিত্ব বিলোপ হয়ে যায়, তাহলে প্রতিকারের সেই ইচ্ছাটিই তো মরে যাবে। এক দিকে যেমন নিজেদের শোধরাতে হবে, অন্যদিকে বাইরের যে কোন হুমকির বিরুদ্ধে লড়তে হবে। দুটি কাজ পাশাপাশি করতে হবে। একটির জন্য আরেকটি যেন অবহেলিত না হয়, সেটা দেখতে হবে আমাদের সবাইকেই। অনেক ধন্যবাদ।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
এক দিকে যেমন নিজেদের শোধরাতে হবে, অন্যদিকে বাইরের যে কোন হুমকির বিরুদ্ধে লড়তে হবে।নিজেকে না শুধরিয়ে আপনি কখনোই পারবেন না বাইরের সথে লড়তে। আর লড়বেন কাদের দিয়ে, এইসব শয়তান বুর্বক মন্ত্রী সচীব যারা নিজের আখের গুছাতে ব্যাস্ত, আর কিছু পেটমোটা হজমা বুদ্ধীজিবী যারা নেত্রিকেন্দ্রিক কথা বলাতেই ব্যাস্ত আর যারা আমাদের মতো আমজনতা যারা আসলেই সব সমস্যার মূল উৎস!
একটা কথা মনে রাখবেন, আমাদের জন্য ভালো কোনো খবর নেই, যা সম্ভাবনা ছিলো সব এখন আশায় গুড়ে বালি!
দিগন্ত বলেছেন:
আপনার প্রস্তাবিত প্ল্যানের সাথে একেবারেই সহমত নই। আমি আগেও বলেছি - এ নিয়ে যথেষ্ট তথ্য সংগ্রহ করে ভারত সরকারকে চিঠি দিতে হবে। তাতে কাজ না হলে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করতে হবে। এর মধ্যে কোনো সমস্যা হবার কথা না। যে কোনো শেয়ার্ড রিসোর্স (যেমন নদী, বাতাস, পরিবেশ) সমতা মেনে ব্যবহার করা উচিত। সে হিসাবে ভারতেরও বাঁধ দেবার অধিকার আছে কিন্তু তার ফলে বাংলাদেশে ক্ষতিকর প্রভাব পড়লে সে দায় ভারতকে নিতে হবে। তাই বাঁধের উচ্চতা, জলধারণ ক্ষমতা যদি কমাতে হয় তার ব্যবস্থা নিতে হবে। এটা কোনো বড় কোনো ইস্যুই হবে না যদি বাংলাদেশ সরকার আগে থেকে ব্যাপারটা নিয়ে কাজ করে।
একমাত্র বাংলাদেশের পক্ষ থেকেই যদি বড় কোন বাঁধা আসে তবেই তারা হয়তো এখান থেকে পিছপা হবে অন্যথায় নয় । এখন বড় ধরনের বাধা তৈরির জন্য সরকারের তেমন সদিচ্ছা নাই । সরকারকে আমরা হয়তো বিষয়টি নিয়ে সিরিয়াসলি মুভ করতে বাধ্য করতে পারি-গণসচেতনতার মাধ্যমে ।
সরকার যদি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে ভালভাবে মুভ করতে পারে তাহলে হয়তো এই বাধের পরিকল্পনা থেকে ভারতকে ফেরানো যাবে ।
যে লোকটি কোনদিন ভাল কাজ করেনি, তাকে কি আপনি কোন ভাল কাজ করতে বলবেন না ?যে ছিনতাই করে তাকে কি দান করতে বাধা দিবেন ? যে ফরজ নামাজ পড়েনা, তাকে ঈদের নামাজ পড়তে দিবেননা ?
বস্তুত কে কোন উসিলায় হেদায়াত পাবে সেটা আপনি যেমন জানেন না, আমি ও জানিনা । কিন্তু আমাদেরতো চেষ্টা করে যেতে হবে ।
যে ইস্যুতে গোটা জাতির ঐক্যের দরকার, সেটাকে সরকার পতনের আন্দোলনে রুপ দেয়ার চেষ্টা করা জাতির সাথে নতুন আরেকটা প্রহসন হিসেবেই বিবেচিত হবে । সব কিছুর সময় আছে, ক্ষেত্র আছে । আমি আশা করব আপনারা সময়ের গুরুত্ব বুঝবেন, এবং নিজেদের কলহে অন্যকে লাভবান হতে দিবেননা ।
আমাদের অনেক দোষ এটা স্বীকার আমিও করছি । তাই বলে কোন ভাল কাজ আমরা করতে পারিনা ? আমি নিজেও আমাদের দোষ সম্পর্কে পোস্ট দিয়েছি । কিন্তু এখন সেই সব কাসুন্দি ঘেটে কোন লাভ আছে বলে মনে হচ্ছেনা ।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
দিগুদার মন্তব্যে বিপ্লব!
দিগন্ত বলেছেন:
আপনার দাবীর সাথে একমত নই। ক'দিন আগেও পাকিস্তানে প্রবাহিত হয় এমন একটি নদীতে ভারত বাঁধ বানাচ্ছিল। তাতে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মহলে তদ্বির করে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা ভারতকে এসে বাঁধের উচ্চতা ও জলধারণ ক্ষমতা কমাতে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে। আমি তো কোনো কারণ দেখি না একই ঘটনা এখানে না হবার। Click This Link
আমাদের মত আম পাব্লিক তো আর এটার সাথে জড়াতে পারবনা , আমরা পারব জনসচেতনতা বাড়াতে । আমরা বোধহয় সেই কাজটাই করছি ।
ধীবর বলেছেন:
ভাই দিগন্ত, শক্তির ভারসাম্যের দিক দিকে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের চেয়ে অনেক দুর্বল। তাছাড়া পাকিস্তানের উপর বিশ্ব শক্তির একটা আলাদা নেক নজর তো আছেই। সেজন্য আন্তর্জাতিক ফোরামে, পাকিস্তানের বাধ নিয়ে আপত্তি ধোপে টিকেছে। দুঃখজনক ভাবে হলেও সত্যি, আকার আয়তন এবং অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হবার কারণে বাংলাদেশের দাবি শোনার মত উপযুক্ত পরিবেশ এখনও তৈরি হয়নি। তবে আপনার সাথে সহমত যে, এ ব্যাপারে আমাদের সরকারের নিস্পৃহতা সত্যি অবাক করার মত। যে তথ্য উপাত্তের কথা বললেন, সেটা ভারতের কাছ থেকে চেয়ে বিশ্লেষন করে দেখা উচিত ছিল। ১৯৫৫ সালের গৃহিত একটি প্রকল্প হঠাৎ করে এত বছর পর বাস্তবায়ন করার জন্য ভারত এর আদাজল খেয়ে কেন লাগলো? যেখানে খোদ ভারতীয় নাগরিক এবং পরিবেশবাদিরাই এর বিরুদ্ধাচারণ করছেন। নর্মদা বাধের বিরুদ্ধেও এ ধরণের আন্দোলন হয়েছিল। ফারাক্কা বাধ চালুর জন্য ভারত অনেক ধরণের তত্ত উপাত্তের কথা বললেও, তাদের এই কর্ম যে আত্মঘাতি এবং ভুল ছিল, সেটাও আজকে স্পস্ট। মাঝখান থেকে বাংলাদেশ সব দিক দিয়ে চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
ফারাক্কার সময়ের সাথে এখনকার বাস্তবতার অনেক ফারাক। মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন। তাই প্রতিবাদের ক্ষেত্রগুলিও বেড়েছে। সচেতন মানুষ মাত্রেই দেশের ক্ষতি হয়, এহেন পদক্ষেপ্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবেই। আপনার সহানুভুতি এবং সমমর্মিতার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আগামি বলেছেন:
আমার ব্লগেও এই পোস্ট দিয়েছি । সেখানে গেদুচাচা নিকের একজন সম্মানিত ব্লগার যে মন্তব্য দিয়েছেন তা হুবহু তুলে দিলাম _গেদু চাচা | মে ১৬, ২০০৯ @ ৩:০০ pm |সম্পাদনা
৪
ব্লগের শক্তি কতটুকু ?
–অনেক।
ক'জন পড়ে ব্লগ ? –অনেকেই পড়ে আর এর পরে যারা পড়তে পারে না তাদের কাছে ছড়িয়ে দেয়। ঘরে বাইরে আড্ডায় সব খানে ছড়িয়ে দেয়।
ব্লগের উদ্যোগে এ যাবৎকালে বড় কি সাফল্য এসেছে ?
--ঠিক ঠিক বলা যাবে না, তবে প্রত্যক্ষ ভাবে না হলেও পরোক্ষ ভাবে তো কিছু সাফল্য আসার কথা-ই।
ব্লগ কর্তৃপক্ষ কি সাহসী ? –অন্যদের কথা জানি না তবে আমারব্লগকে সাহসী বলে-ই মনে হয়।
তাদের কি দেশের প্রতি দরদ আছে ? তারা ভালবাসে দেশকে ? দেশের মাটিকে ? মানুষকে ?- –এই প্রশ্নগুলোই করা ঠিক হয়নি মনে হয়। দেশের প্রতি দরদ অবশ্যই আছে।
চলমান বৈশ্বিক ও রাষ্ট্রিক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমরা দাঁড়াতে পারিনা । আমরা শক্তিমানের শক্তিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারিনা ।আমরা ক্ষমতাবানদের ক্ষমতার দর্প ভেঙ্গে দিতে পারিনা ।আমরা পোস্ট মডার্ণ দাসত্বের জীবনে হেসে খেলে বেড়াই । আমরা সন্তুস্ট আমাদের দাসজীবনে ।
-- তা ঠিক বৈ কি! তার পরেও এখনো অনেক মানুষ আছে যারা এর বাইরে জীবন যাপন করে।
তবু কিছু ব্যতিক্রম থাকে । এদের কারণে এখনো টিকে আছে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ, মনুষ্যত্ব । বিবেকের ঘুণ ধরা দরজায় আঘাত হানুক নয়া কালবৈশাখী 'টিপাইমুখ বাঁধ' । --হ্যাঁ, এটা ঠিক বলেছেন।
আপনার প্রস্তাব গুলোতে আমার মতামত দিচ্ছিঃ
১.নেটের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা । এখানে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশীদের হত্যা করা, ফারাক্কার প্রভাব, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের অনধিকার চর্চা সহ অন্যান্য আরো বিষয় স্থান পেতে পারে ।
- ভালো প্রস্তাব।
২.বাংলাদেশের বাইরে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশীসহ পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে অবস্থিত মানবতাবাদী এবং পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোকে এর সাথে সম্পৃক্ত করা ।-এটাও ভালো প্রস্তাব।
৩.পৃথিবীর সকল রাস্ট্র ভারতের বন্ধু নয় । সুতরাং ভারতের বন্ধু নয় এমন রাষ্ট্রগুলোর কাছে বাংলাদেশের যৌক্তিক দাবীগুলো এবং ভারতের অন্যায়গুলো তুলে ধরা । প্রয়োজনে এদেশে অবস্থিত সকল বিদেশী দুতাবাসসহ অন্যান্য সংস্থায় স্মারকলিপি প্রদানের ব্যবস্থা করা ।
-এটার সাথে আমি একমত নই। কারণ ভারতের শত্রুর সাথে ফারাক্কা-টিপাইমুখ এর জন্য সাহায্য চাইতে হবে কেনো? ভারত তো আমাদেরও বন্ধু রাষ্ট্র। কিন্তু বন্ধুত্বের অর্থ এই না যে আমার উপর কোন কিছু চাপিয়ে দেওয়া। বন্ধুত্ব মানে হচ্ছে সহযোগিতা। আর সেই সহযোগিতা যখন ভারত আমাদের করছে না তখন বিষয় টা আমাদের অন্যান্য বন্ধু রাষ্ট্রকেও জানাতে পারি।
৪."একশন কমিটি এগেইনস্ট টিপাইমুখ ড্যাম" এর সাথে যোগাযোগ করা এবং তাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করা ।
-ঠিক প্রস্তাব।
৫.যার যেখানে একসেস আছে প্রতিটি যায়গায় টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা ।
-ঠিক আছে।
৬. দেশের সরকারী বা বিরোধী সব দলের কাছেই এ ব্যাপারে স্পস্ট বক্তব্য চাওয়া এবং সব দলের পক্ষ থেকেই যেন ভারতীয় দুতাবাসে প্রতিবাদ লিপি পাঠানো হয় এ ব্যাপারে আলাপ আলোচনা করা ।
-ঠিক। তবে আমাদের একটা বদ খাসলত আছে তো, জাতীয় ব্যাপারে আমরা এক হতে পারি না। এই ইস্যুতে সরকারী বিরোধি দলের এক সাথে একই সুরে কথা বলা উচিত, রাজনীতি করা উচিত নয়। কিন্তু সেটা আমরা কতটা পারব এটাই চিন্তার বিষয়।
৭. বিশেষ করে যুক্তরাস্ট্র প্রবাসী বাংরাদেশীরা যেন এই ব্যাপারে উদ্যোগী ভূমিকা নেয় সে ব্যাপারে তাদের সাথে যোগাযোগ করা ।
- হ্যাঁ, তারা সেটা করতে পারেন। যেহেতু যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সব চেয়ে বড় শক্তি সেহেতু তাদের দৃষ্টিগোচর করানো উচিত। সভা-সমাবেশ এবং সরকারের উভয় মাধ্যমেই তা করা উচিত।
আপনার পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের সবার উচিত এ বিষয়ে সিরিয়াসলী ভাবা। আপনারা ঢাকার ব্লগাররা সমাবেশ করতে পারেন, আলোচনা সভা করতে পারেন, সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারেন। আর আরেকটা বিষয় এই টিপাইমুখ বাঁধের ফলে কি কি ক্ষতি হতে পারে এই সব নিয়ে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত যোগাড় করতে পারেন, বিভিন্ন ব্লগে, এই পোস্টে, বিভিন্ন পোস্টে বা কমেন্টে দিয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে পারেন।
ভারত আমাদের বন্ধু! তাই বলে কি আমি তার চাপিয়ে দেওয়া কিছু মেনে নেবো? কখনোই না। এ ব্যাপারে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে, কর্ম পরিকল্পনা করতে হবে। ভারতের এহেন কর্মকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ করছি এবং সকারের প্রতি এ বিষয়ে শক্ত অবস্থান নেয়ার আহবান জানাচ্ছি।
আপ[অনাকে আবারো ধন্য বার এটা নিয়ে একটা পোস্ট দেওয়ার জন্য। এটা আমাদের জাতীয় ইস্যু এবং অত্যন্ত গুরুতবপুর্ণ বিষয়।
খোমেনী ইহসান বলেছেন:
ভারত টিপাইমুখে গাঙের মুখ বন্ধ করে দেবে। এইটা দেখে আমাদের মুখ খুলতে হবে। তাতে কী হবে? ভারতের কারও কিচ্ছু আসবে যাবে না।বড়জোর ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত শাহবাগ মোড়ের ডিসপেন্সারি থেকে ৩ টাকার তুলো(এক সময় এক প্যাকে তুলো তিন টাকা জানতাম, এখনে বাড়ছে নাকি?) কিনে দুইটা কানকে এসব বাদ-প্রতিবাদ থেকে রক্ষা করবেন।
কামের কাম একটা হইতে পারে এমন গণ প্রতিরোধ গড়া যাতে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক জায়গাগুলান এই ব্যাপারে বাংলাদেশের পক্ষে আসে। সেইটা হবে কি?
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
চেহারা পেপারে উঠবার পারে আর খবরে আসতে পারে! এইটাও একটা এ্যাচিভম্যান্ট। ভারতরে আর চিনতে বাকি নাই, তার চেয়ে এক কাঠি সরেস এখনকার সরকার!তবুও কিছু হোক, যদিকিছু হয়, তাইলে ভাই বোনাস নাইলে ভাগ্য। ইদানিং কোনদিক দিয়া কি হয় সেটাই বা কয়জনে জানে!
আমরা তো আমাদের ভবিষ্যত দেখি নাই!
রিফাত হাসান বলেছেন:
আমরা টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে।তবে আগামী সাহেব এবং অন্যান্যরা, আপনারা নিশ্চিত থাকুন, এই পোষ্ট কখনোই স্টিকী হবে না।
যদিও স্টিকী পোষ্ট ব্যাপারটাই ব্লগের জন্য বেমানান মনে করি এবং ব্লগকে ক্যামপেইনের জায়গা নয়, বরং একটা বিষয়কে তর্ক-বিতর্ক এবং আলোচনা-পর্যালোচনার মাধ্যমে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জায়গা মনে করি। ধরুন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি অথবা টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ সংক্রান্ত পোস্ট হলে সেটি যদি পিটিশন লেখালেখি না করে বরং এ বিষয়ক একটা প্রাণবন্ত বৃদ্ধিবৃত্তিক বিতর্ক হতে পারত যারা এর পক্ষে এবং বিপক্ষে অবস্থান নিতে চাইছেন তাদের মধ্যে, এটিই এরকম ফোরামগুলোর প্রকৃত কাজ। সীমা বেঁধে দেওয়া নয়। ঐটার জন্য রাজপথ আছে। কিন্তু ব্লগেতো হর হামেশাই পিটিশন লেখালেখি, এবং আরো হাবিজাবি ক্যাম্পেইন চেখে পড়ে, ব্লগীয় কর্তৃপক্ষেরই ব্যবস্থাপনায়। এটা ব্লগের চরিত্রের মধ্যে না গেলেও, এটি হতে থাকবে। আর তাদের অপছন্দের বিষয় নিয়ে এই ধরণের পোষ্ট সেটি আলোচনা পর্যালোচনার পোষ্টই হোক আর ক্যাম্পেইনমূলক পোষ্ট হোক, তারা সেটি অপছন্দ করবে। এটি স্টিকী করাতো দূরের কথা, ''বাংলাদেশের মাটি থেকে ভারত রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যে কোন তৎপরতা''- এই মূলনীতিতে এটিরে প্রতিহত করার উদ্যোগ যে এখনো কেন ব্লগ কর্তৃপক্ষ নেন নাই, তা বিষ্ময়কর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাতো সংসদে সেই কবেই বজ্রকণ্ঠে এই ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং তার সরকার এই ঘোষণার কার্যকারীতা বুঝানোর জন্য আজকে অমুক মহাপরিচালক কালকে তমুক ডিজি- গ্রেপ্তার, রিমাণ্ড- যা বিশ্বের ইতিহাসেই বিরল- সেরকম ঘটনাইতো ঘটাচ্ছেন। ব্লগ কর্তৃপক্ষ কোন ছাড়। তাঁরা আপনার প্রতি ব্যাপক অনুগ্রহ করেছেন।
ননাই বলেছেন:
আমরা টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে।তবে আগামী সাহেব এবং অন্যান্যরা, আপনারা নিশ্চিত থাকুন, এই পোষ্ট কখনোই স্টিকী হবে না।
হবে না তো! টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে কথা কৈতে গিয়া আমাগো ভারত বিরোধিতা যাতে হয়ে না যায় এজন্যি সতর্ক থাকিত হবে না। ভারত মায়ে-বাপ!
প্রতিদিন বলেছেন:
রিফাত হাসান বলেছেন: আমরা টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে।তবে আগামী সাহেব এবং অন্যান্যরা, আপনারা নিশ্চিত থাকুন, এই পোষ্ট কখনোই স্টিকী হবে না।..
হেহে রিফাত হাসান ভাই এত সত্য কথা কওন উচিত না।
শিকস্তি বলেছেন:
পোস্ট স্টিকি করার কী দরকার ? যারা এ বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যেতে চান তারা এখানে / ধীবর / বাবু>বাবুয়া>বাবুই এর ব্লগে এ নিয়ে আলোচনা চালাতে থাকুন । কমেন্ট করলেই তো তা প্রথম পাতায় দেখাবে । তা দেখাবে অন্যান্য ব্লগাররাও জানতে পারবে ব্লগে কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে ।
প্রতিদিন বলেছেন:
পোষ্ট স্টিকিী হইতেছে। ভাল ভাল ঘ্যানি পুষ্ট। অইদিক পানে তাকান।
ইরতিজা বলেছেন:
Post ta pore valo laglo, abar koshto o laglo. i really hope that government and the public (me and you) stand together against this injustice. i have written a post on this issue. i have also linked to your post. you can read it: Click This Link
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...













আপনার মন্তব্য লিখতে লগইন করুন ।