somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে টেক্সাসের সংযুক্তি

২০ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১০:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিশাল টেক্সাস অঞ্চল ছিল মেক্সিকোর অধীনে। জনসংখ্যা ছিল খুবই সামান্য। ১৮২০ সালে মেক্সিকান সরকার আমেরিকানদেরকে মেক্সিকোতে বসবাস করার অনুমতি দেয়। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই আমেরিকান বসতি স্থাপনকারীরা মেক্সিকান মালিকদের সাথে বিরোধে জড়িয়ে পরে। ১৮৩৫ সালে তারা মেক্সিকানদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করে। আমেরিকান বসতি স্থাপনকারীরা ১৮৩৬ সালের ১ মার্চ এক সম্মেলনে মিলত হয় এবং পরের দিন অর্থাৎ ২ মার্চ ১৮৩৬ তারা টেক্সাস স্বাধীনতার ঘোষণা-পত্র স্বাক্ষর করে। ইতোমধ্যে সান্তা আন্নার নেতৃত্বাধীন মেক্সিকান বাহিনী ১৮৯ জন আমেরিকান বসতি স্থাপনকারীকে আলামো দূর্গে আটক করে। পরে ১৮৯ জনের সবাইকে হত্যা করা হয়। আমেরিকানরা ছাড়াও, স্কটিশ, আইরিশ, ইংরেজ, ডেনিস এবং ওয়েলসের অধিবাসীরাও যৌথভাবে এই যুদ্ধে অংশ নেয়।

১৮৩৬ সালের ২১ এপ্রিল স্যাম হিউস্টনের নেতৃত্বাধীন টেক্সাস বাহিনী সান্তা আন্নার নেতৃত্বাধীন মেক্সিকান বাহিনীকে সান জাসিন্তো যুদ্ধে চূড়ান্ত ভাবে পরাজিত করে। টেক্সাস মেক্সিকোর কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং স্যাম হিউস্টন টেক্সাসের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসাবে শাসনভার গ্রহণ করেন। ১৮৪৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র টেক্সাসকে নিজেদের রাজ্যভুক্ত করে নেয় এবং টেক্সাস ২৮ তম রাজ্য হিসাবে গণ্য হয়। মেক্সিকো কখনই টেক্সাসের স্বাধীনতাকে মেনে নেয়নি। তাছাড়া আমেরিকা টেক্সাসকে নিজেদের রাজ্য হিসাবে অন্তর্ভক্ত করার পর, মেক্সিকো আরো ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। ফলশ্রুতিতে মেক্সিকোর সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্টের যুদ্বের সূচনা হয়।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১০:০১
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অসম বিবাহ ও পরকীয়া

লিখেছেন মাহাদী হাসান প্রেত, ২২ শে মার্চ, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৭


কলেজ লাইফ থেকেই মাথার চুলে পাক ধরেছিলো। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করতে করতে চুলের সাথে দাঁড়িও সাদাটে হয়ে গেছে। যদিও ইদানীং ক্লিন সেভড থাকি বলে সেটা বোঝা যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

শূন্যতার ছবি

লিখেছেন শাহরিয়ার কবীর, ২২ শে মার্চ, ২০১৭ দুপুর ২:৫৩



আজও শূন্যতার শূলে চড়ে ঘুরছি দিগন্তের এপারে-ওপারে,
কি যেন এক ব্যথার জ্বলনে জ্বলছে
এ হৃদয় চিতার অনলে ।
শতাব্দীরও আগে কি যেন এক মায়ার জালে
বেঁধেছিলে সেকি নিদারুন ছলে;
দিবসও রজনী যাচ্ছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

পুরান ঢাকার বিয়েবাড়িতে হলুদ সন্ধ্যায় অশ্লীল নৃত্যের আয়োজন!

লিখেছেন জাহিদ হাসান, ২২ শে মার্চ, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০১

পুরান ঢাকায় এইগুলো আগে ছিল না। আগের দিনে বিয়ে বাড়িতে হলুদসন্ধ্যা বা গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানটা হত অনেক সাদামাটা ভাবে। এত বিশাল বিশাল সাউন্ডবক্সের গগনবিদারী চিৎকার আর পেশাদার নর্তকীদের অশ্লীল নৃত্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বসেরা ৫০ শিক্ষকের একজন বাংলাদেশের

লিখেছেন তালপাতারসেপাই, ২৩ শে মার্চ, ২০১৭ ভোর ৬:৫০


বিশ্বের শীর্ষ ৫০ জন শিক্ষকের একজন হিসেবে পুরস্কার নিয়েছেন বাংলাদেশের শাহনাজ পারভিন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ‘৫ম গ্লোবাল এডুকেশন ও স্কিলস ফোরাম’ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে গতকাল ‘গ্লোবাল টিচার্স... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বাধীণতার সংগ্রাম

লিখেছেন ফরিদ আহমদ চৌধুরী, ২৩ শে মার্চ, ২০১৭ সকাল ১১:১১

(কবি- শেখ মুজিবুর রহমান)


এবারের সংগ্রাম
আমাদের স্বাধীণতার সংগ্রাম
এবারের সংগ্রাম
মুক্তির সংগ্রম
আর যদি একটি গুলি চলে
আর যদি এক জন বাঙ্গালীকে হত্যা করা হয়
তবে মনে রাখবা-
রক্ত যখন দিয়েছি, তবে রক্ত আরো দেব
তবু এ দেশকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×