বন্ধুরা, বিষয়োক্ত ব্লগটির প্রথম ভাগ পড়তে হলে ব্রাউজ করুন :
Click This Link
পরবর্তি অংশটি আমি এখন বর্ণনা করছি। আমি এ আলোচনাটি তিনটি ভাগে বিভক্ত করে বর্ণনা করছি যাতে বিষয়টি জটিল মনে না হয়। আর বর্ণনাটি কিছুটা বড় বিধায় আমার নিজের কাছে একটু বোরিং মনে হয়েছে। এজন্যই ছোট করে লিখলাম। আপনারা যারা পড়বেন দয়াকরে একটু মন্তব্য করবেন। তাহলে আমি পরবর্তি জটিলতর এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো কিভাবে বর্ণনা করবো তার গাইডলাইন পাবো । যাহোক মুল্ আলোচনায় ফিরে আসি...
আলোচনা করছিলাম কিভাবে পুজিবাজারের প্রতিষ্ঠান গুলোর মূল্য উঠানামা করে। সবসময়ই প্রতিটি প্রতিষ্ঠান তার লাভ-ক্ষতির টার্গেট নির্ধারণ করে এবং এর খতিয়ান পাওয়া যায় তার কোর্য়াটারলি স্টেটমেন্টের উপর। এ স্টেটমেন্ট একটি প্রতিষ্ঠান দিতে বাধ্য যদি তার ক্যাটাগরি ধরে রাখতে চায় এবং সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিটির রোষানলে পড়তে না চায়। তো যে সময় এই স্টেটমেন্ট গুলো প্রকাশ পায় সে সময়টা থাকে অনেকটা আমাদের এসএসসি পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশের সময়ের মতো। যদি একটা প্রতিষ্ঠানের ফলাফল তার প্রত্যাশিত ফলাফলের চেয়ে ভাল হয়ে, তো এর মূল্য লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে উঠে। অন্যদিকে যদি তা প্রত্যাশা পুরনে ব্যার্থ হয়ে তবে এর মূল্য নেমে যায়।
তবে অবশ্যই শুধুমাত্র আর্নিঙই মানুষের চাহিদা নির্ণয়ের একমাত্র কারণ নয়। তাহলেতো পুজিবাজারের হিসাব-নিকাশ খুব সহজ হয়ে যেতো! উদাহরণ স্বরুপ ‘ডটকম বাবল’ সময়কার ঘটনাটি বলা যায়। সে সময় ডজন ডজন ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছিল যখনো এমনকি বিন্দুপরিমান লাভও অর্জিত হয়নি। যদিও আমরা জানি এ মূল্য বেশি সময়ের জন্য বলবৎ থাকেনি, এবং অচিরেই তা নেমে অত্যন্ত কমে গিয়েছিল; তবু এ ঘটনাটিই প্রদর্শন করে যে, কোন কোম্পানীর চলতি লাভের খতিয়ানই পুজি বাজারের মূল্য নির্ধারণে একমাত্র অনুঘোটক নয়।
তাহলে কথা হলো আর কিকি অনুঘোটক বা ‘ফ্যাক্টর’ রয়েছে যা স্টক প্রাইস নির্ধারনে সুচক হিসেবে কাজ করে? এর সদুত্তর হলো আসলে কেউই তা সঠিকভাবে বলতে পারবেনা।কারে কারো বিশ্বাস স্টক প্রাইস পরিবর্তন অনুমান করা অসম্ভব কাজ।আবার অনেকের ধারণা চার্ট একে এবং পুর্বের মূল্য পরিবর্তনের দিকে লক্ষ্য করে অনুমান করা সম্ভব কখন শেয়ার কিনতে হবে বা কখন বিক্রয় করতে হবে। আমরা একটা বিষয় অত্যন্ত সঠিকভাবে জানি যে, পুজিবাজার অত্যন্ত অস্থিতিশীল এবং এর মূল্যসূচক পরিবর্তন হয় অত্যন্ত দ্রুততার সাথে।শুধু এটুকু মৌলিক মনে রাখতে হবে যে, চাহিদা এবং সরবরাহর ভিত্তিতেই শেয়ারের মূল্য নির্ধারিত হয়। এজন্য চাহিদা এবং সরবরাহ যেভাবে প্রভাবিত হবে শেয়ারের মূল্যও সেভাবে চলবে।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



