somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চলুন একটু গণিত নিয়ে খেলা করি।

১৩ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গণিত কে আমরা অনেকেই ভয় পাই(আমি নিজেও)। আসলে একে ভয় পাওয়ার মত কিছুই নেই। অবসর সময়ে চলুন একটু মাথা খাটাই।

উল্লেখিত সমস্যা গুলো বেশ পুরাতন তাই অনেকেই এগুলো জেনে থাকতে পারেন আমি এই পোস্টে শুধু প্রশ্ন করব। পরের পোস্টেই পেয়ে যাবেন উওর গুলো। মতামত জানান মন্তব্যে।

১.রাজা ও যাদুকর:
এক রাজা জাদুকরের যাদু মুগ্ধ হয়ে তাকে রাজ দরবারে এসে যাদু দেখানো আমন্ত্রন জানালেন। যথা সময়ে জাদুকর রাজদরবারে যাদু দেখিয়ে সবাইকে মুগ্ধ করলেন। এবার রাজা জাদুকরকে উপহার দিতে চাইলেন।
“কি উপহার চাও তুমি জাদুকর?” রাজা জানতে চাইলেন
“আমি আপনার সাথে একটি চুক্তি করেতে চাই যাতে আমি আমার জাদু যেখানে ইচ্ছা দেখাতে পারি।“জাদুকরের জবাব।
“বল কি চুক্তি?” রাজার প্রশ্ন।
জাদুকর বলল “রাজামশাই আমি আপনাকে প্রতিদিন একলক্ষ টাকা দেব বিনিময়ে আপনি আমাকে প্রতিদিন কিছু পরিমাণ পয়সা দেবেন। পয়সার পরিমান হবে এরকম আপনি প্রথম দিন আমাকে যে পয়সা দেবেন দ্বিতীয় দিন দিবেন তার দ্বিগুন। অর্থ্যাত আজ যদি ১ পয়সা দেন পরের দিন দিবেন ২ পয়সা তারপরের দিন তার দ্বিগুন ৪ পয়সা। এভাবে টাকা দিতে থাকবেন আমি যতদিন এই দেশে থাকব। আর আমি আপনাকে প্রতিদিন একলক্ষ টাকা দিতে থাকব। আপনি রাজি থাকলে বলেন।“
রাজা বেশ অবাক হলেন। লোকটি কি পাগল হল নাকি। কি বলে এইসব। সভাসদের রীতিমত হাসাহাসি শুরু করলেন।
রাজাও হাসি মুখে বললেন “তুমি নিজের ক্ষতি কেন ডেকে আনছ। এত টাকা তুমি দিবে কি ভাবে? এটা তো অসম বিনিময়।”
জাদুকরের হাসি হাসি জবাব “না আমি এতটু্কুই চাই।”
রাজা বললেন “ঠিক আছে তাই হবে।“
কিছুদিন পরই রাজা বুঝতে পারলেন চুক্তি তার জন্যই অসম হয়েছে।
প্রশ্ন হল কিভাবে এবং কবে থেকে জাদুকর বিনিময় লাভ জনক হতে থাকবে।

২. অতিথি আপ্যায়ন:

দুজন পথিক তাদের সঙ্গে আনীত খাবার আহার করতে বসেছে। এরই মাঝে এক আগুন্তুক ও সেখানে এসে উপস্থিত হলেন। পথিকদ্বয় তাকে আহারে অংশগ্রহনের জন্য আবেদন জানালেন। তিনি তা গ্রহন করলেন এবং আহারে বসলেন। প্রথম পথিক তার খাবারের থলি থেকে তিনটি রুটি এবং দ্বিতীয় পথিক চারটি রুটি বের করলেন। সাতটি রুটি তারা সমান সমান ভাগে ভাগ করে খেলেন।
আহার শেষে আগুন্তক তাদের সাতটি মুদ্রা দিয়ে বলে গেলেন তারা যেন ন্যায্যাভাবে মুদ্রা ভাগ করে নেয়।
ন্যায্যা ভাগ কি হবে? পথিকদের কে কত পাবে?

৩. বুদ্ধিমান গ্র্যজুয়েট

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য ডিগ্রি প্রাপ্ত এক যুবক একই সময়ে দুটি বিদেশী কোম্পনিতে বাৎসরিক ৫০০০ ডলারের চাকুরীর অফার পেল। কোনটি গ্রহন করবে তা স্থির করতে না পেরে সে উভয় কোম্পনির নিকট জানতে চাইল তারা আগামি পাচঁ বৎসরের কোন কোম্পানি কত বেতন-বৃদ্ধি দেবে।
প্রথম কোম্পানি বলল তারা আগামি পাচঁ বৎসরে প্রতি ৬ মাস অন্তর ৩০০ ডলার বেতন বৃদ্ধি করবে। অপরদিকে দ্বিতীয় কোম্পানি বলল তা ৫ বৎসরে বার্ষিক ১২০০ ডলার বেতন বৃদ্ধি করবে।

যুবক কিন্তু প্রথম কোম্পানি তে চাকুরির প্রস্তাব গ্রহন করে ছিল।
সে কি সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহন করে ছিল?

উওর জানবেন ১ ঘন্টা পর। সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
এবার দেখুন উওর:View this link
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:২১
৯টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×