কিন্তু আমরা তো আমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য ভুইলা থাকতে পারি না। এ কারণেই প্রতুর রেখাহীন হাতে আরেকজনের হাত মিলাইয়া দেওয়ার একখান নেক কাজ করণের জন্য একটি কমিটি গঠন হইছে। কমিটির স্বেচ্ছাধীন সদস্য অনেক (একাধিক ব্লগারও আছেন)। আইজ সেই কমিটির রিপোর্ট দেওনের দিন।
গোপন সূত্রে পরথমেই কমিটি জানতে পারলো যে ইয়াহু থেইক্যা প্রতুরে নাকি নোটিশ দিছে যে তার মেসেঞ্জারে নারীদের অধিক্য বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চইলা যাইতেছে। অনেক নামের মধ্যে একটারে টার্গেট করছিলো এই কমিটি।
ফলাফল ভয়াবহ বেদনাদায়ক। সেই বালিকা আবার বিদেশ থাকে (নাম ঠিকানা কইলাম না)। পরতেক দিন সেই বালিকার সঙ্গে কথা না কইলে নাকি আবার প্রতুর দিন শুরু হয় না। তো ধরলাম একদিন তারে, সঙ্গে আরেক ব্লগার কমিটির সদস্য স্বপ্নের ফেরিওয়ালা। প্রতুও ছিল সেইদিন। তয়, কিছুন পর কয় তার নাকি মামার শালার ভাইয়ের খালাতো ভাইয়ের মামাতো বোনের ছেলে অসুস্থ্য, তারে দেখতে যাইতে হইবেক। (লজ্জাবান প্রতু, নিজের বিয়ার আলোচনায় যে থাকতে হয়না সেইটা ঠিকই জানে)।
সেই বালিকা শেষমেস কি কইলো জানেন? কয় প্রতু নাকি তার বড় ভাইয়ের মতো, সে নাকি তারে বড়ই স্নেহ করে। বোঝেন ঠেলা.......কারে স্নেহ করতে হয় আর কারে আদর করতে হয় প্রতু এইটাই এহনতরি শিখলো না।
২
আরেক বালিকা দেইখ্যা শেষ পর্যন্ত বড়ই পছন্দ হইলো। প্রতুরে নিয়া চললাম সেই বালিকার বাসায়। রীতিমত কনে দেখা টাইপ ঘটনা। বৈঠক খানায় প্রতুরে নিয়া বইসা আছি। মেয়েরে নাকি নিয়া আইবো তার মায়। দুইজনেরই প্রবেশ। কিন্তু প্রতুরে দেইখ্যা লাফ দিয়া উঠলো মেয়ের মা। কয় এই ছেলে তো একবার আমারেও দেখতে আইছিলো.........
৩
একটা আতঙ্কজনক পূর্বাভাস..............
আইজ থেইক্যা ৫০ বছর পরের ঘটনা। শেষ পর্যন্ত বিবাহ করিল প্রতু। আমার নাতির ঘটকালিতে তাহা সম্ভব হইয়াছে। কন্যার বয়স কিন্তু বেশি না। প্রতু ইচ্ছা করিলে স্নেহও করিতে পারিবে।
কন্যা অবশ্য স্নেহের জন্য লালায়িত বইলা মনে হইলো না। বাসর রাতে গেলো প্রতু। সোজা কথার মানুষ আমাগো প্রতু। সরাসরি কন্যার দিকে তাকাইয়া ডান হাতে পাঁচ আঙ্গুল দেখাইতে লাগিলো।
কন্যা বিষ্মিত, আনন্দিত এবং শিহরিত। কইলো-ফাইভ টাইমস ডার্লিং?
প্রতু উত্তর দিল-নো, ডিয়ার। কেবল কোন আঙ্গুল সেইটা বাছিয়া লও
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



