আমার প্রিয় পোস্ট

রাজনীতি ও অর্থনীতি এই দুই সাপ পরস্পর পরস্পরকে লেজের দিক থেকে অনবরত খেয়ে যাচ্ছে

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই-১: একটা কমিশন গঠনের কাহিনী

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৫

শেয়ারঃ
4 0

‘বুদ্ধিজীবী নিধন তদন্ত কমিশন’। এই নামে একটি কমিশন গঠিত হয়েছিল বিজয়ের ঠিক দুদিন পরেই, ১৯৭১ সালের ১৮ ডিসেম্বর। ১৬ ডিসেম্বর পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণের পরপরই রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে নিখোঁজ বুদ্ধিজীবীদের অনেকের লাশ পাওয়া যায়। এর পরপরই ১৮ ডিসেম্বর সে সময়ের কয়েকজন তরুণ মিলে গঠন করেন ‘বুদ্ধিজীবী নিধন তদন্ত কমিশন’।
এই কমিশন গঠনের বিষয়টি এখন প্রায় অজানা। এ নিয়ে তেমন আলোচনাও নেই। সদস্যদের মধ্যে বেশিরভাগই বেঁচে নেই। বিষয়টি নিয়ে খুব বেশি লেখালেখিও হয় না।
কয়েকদিন আগে পিয়াল ফোন করেছিল এই বইয়ের খোঁজে। তখনই সে জানায় বুদ্ধিজীবী হত্যা নিয়ে অনেক আগে প্রথম আলোতে একটা ভাল রিপোর্ট ছাপা হয়েছিল, করেছিল শামীমা বিনতে রহমান। (শামীমা এখন প্রথম আলোতে নেই, সম্ভবত সমহোয়ারে সে একটা বা দু’টা পোস্টও দিয়েছিল।) খোঁজ লাগাই রিপোর্টটার। তেমন কষ্ট করতে হলো না। রিপোর্টটা পড়ে মনে হলো এর অনেকগুলো বিষয় এখনো অনেক প্রাসঙ্গিক। কিছু বিষয় আবার নতুন করে আলোচনারও দাবী রাখে। কেননা, আমরা আবার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাচ্ছি, এবং সরকারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এ কারনেই সেই রিপোর্টটি সামনে রেখে এই পোস্টটা লেখা।


বুদ্ধিজীবী নিধন তদন্ত কমিশনের উদ্দেশ্য ছিল বুদ্ধিজীবী হন্তারকদের চিহ্নিত করা, কী প্রক্রিয়ায় বুদ্ধিজীবীদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কতজনকে হত্যার জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল, এই অপকর্মের পরিকল্পনাকারী, সহযোগী কারা ছিল- এরকম সব তথ্য খুঁজে বের করা। কমিশনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ ও সাপ্তাহিক হলিডের সাবেক সম্পাদক এনায়েতুল্লাহ খান। তিনি এখন আর বেঁচে নেই। গঠনের চার দিন পর কমিশনে সদস্য হিসেবে কলকাতা থেকে এসে যোগ দেন চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান। এরপর জহির রায়হান এর আহ্বায়ক এবং আবুল বাশার ছিলেন এর মহাসচিব। সদস্য ছিলেন এনায়েতুল্লাহ খান, শহীদ বুদ্ধিজীবী মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরীর ছোট ভাই এহতেশামুল হায়দার চৌধুরী, আলী আশরাফ এবং ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম। কমিশনের কাজ ছিল বুদ্ধিজীবী পরিবারগুলোর সাক্ষ্য নেওয়া, ঘাতক আল বদর, আল শামসদের চিহ্নিত করা, আল বদরের ক্যাম্প খুঁজে বের করা ইত্যাদি।
এখন যেটি প্রেসক্লাব, এই ভবন সেসময় ছিল না। ব্রিটিশ রীতিতে তৈরি একটি লাল ভবন ছিল তখনকার প্রেসক্লাব। সেই প্রেসক্লাবের পুরনো অফিসটির দোতলায় টেবিল টেনিসের একটি কক্ষে গঠন করা হয়েছিল বুদ্ধিজীবী নিধন তদন্ত কমিশন।
কমিশন কাজের মধ্য দিয়ে আল বদরের প্রধান চারটি ক্যাম্প তারা পেয়েছিলেন। এর মধ্যে একটা মোহাম্মদপুরে ফিজিক্যাল ট্রেনিং কলেজ, এটি ছিল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। আর ধানমন্ডিতে ছিল হেড কোয়ার্টার। সেখান থেকে আল বদর বাহিনীর বুদ্ধিজীবীদের হত্যার একটি তালিকা উদ্ধার করা হয়েছিল। এর মধ্যে কয়েকটি ছিল সংক্ষিপ্ত তালিকা। আবার কিছু ছিল বিশাল তালিকা। ক্যাম্পগুলো তল্লাশি করে শিক্ষক, সরকারি কর্মচারী, সাংবাদিকেরও তালিকা পাওয়া যায়।
তদন্ত কমিশন আল বদর, আল শামস প্রস্তুতকৃত ২০ হাজার শিক্ষিত, পদস্থ পেশাজীবীদের হত্যার তালিকা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেনের তৈরি ৩০ জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে বাংলাদেশ সমর্থনের দায়ে হত্যাসহ বিভিন্ন ধরনের শাস্তি দেওয়ার তালিকাও উদ্ধার করেছিল।
শামীমা তখন এনায়েতুল্লাহ খানের সঙ্গে কথাও বলেছিল। তিনি জানান, কমিশনের কাছে ডা. ফজলে রাব্বী, ডা. গোলাম মূর্তজা, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, ড. আলিম চৌধুরীরসহ বেশ কয়েকটি পরিবার সাক্ষ্য দেয়। তাদের সাক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে অভিযুক্তদের প্রথমে একটা বড় তালিকা তৈরি করা হয়। এরপর সেখান থেকে প্রতিটি পরিবারের অভিযুক্ত অপরাধী হিসেবে তিনজনের ছোট তালিকা করা হয়। এরপর এই দলিলপত্র নিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যোগ গ্রহণের জন্য জহির রায়হান ২৮ ডিসেম্বর মঙ্গলবার প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। ওই সংবাদ সম্মেলনে জহির রায়হান আল বদর বাহিনী দ্বারা অপহৃতদের সন্ধানের জন্য অবিলম্বে তদন্ত কমিশন গঠন করতে সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছিলেন। ওই সংবাদ সম্মেলনে জহির রায়হান বলেন, যেসব দলিলপত্র পাওয়া গেছে, তাতে এই ষড়যন্ত্রেও সঙ্গে জড়িত সরকারি কর্মচারীদের নামও পাওয়া গেছে। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া না হলে এরা আবার ভোল পাল্টে সাধারণ্যে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করবে। পরদিন ২৯ ডিসেম্বর বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে এ খবর প্রকাশিত হয়। এনায়েতুল্লাহ খান জানান, এরপর কমিশন ওই স্যাক্ষপ্রমাণের একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ৮ জানুয়ারি সেটা মুজিবনগর সরকারের প্রধান রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের কাছে এবং বাংলাদেশের প্রথম স্বরাষ্ট্র সচিব এবং একই সঙ্গে আইজি এ. খালেকের কাছে একটি কপি দেয়।


বুদ্ধিজীবী নিধন তদন্ত কমিশন সম্পর্কে তথ্য জানার পর শামীমা যোগাযোগ করে সে সময়ের স্বরাষ্ট্র সচিব ও আইজি এ. খালেকের সঙ্গে। তিনি জানান, ১৯৭৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তিনি স্বরাষ্ট্র সচিব ও আইজি ছিলেন, তখন পর্যন্ত কমিশনের প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে ছিল। দায়িত্ব ছাড়ার পর এ সম্পর্কে আর কোনো খবর তিনি জানেন না। বুদ্ধিজীবী নিধন তদন্ত কমিশন প্রতিবেদনের পরিণতি সম্পর্কে তখন আর কোনো তথ্য জানাতে পারেননি এনায়েতুল্লাহ খান এবং ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম। এর কোনো অনুলিপিও তাদের কাছে নেই জানিয়ে ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম জানিয়েছিলেন, ‘জহির রায়হান নিখোঁজ হওয়ার পর তদন্ত প্রতিবেদনগুলোও অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে।’
বুদ্ধিজীবী হত্যা তদন্তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৮ ফেব্রুয়ারি একটি কমিশন গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন বলেও জানা যায়। তিন সপ্তাহের মধ্যেই কমিশনকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত এটি সরকারি নির্দেশনা আকারে জারি হওয়ার কোনো প্রমান পাওয়া যায়নি।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ;
প্রকাশ করা হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০৪
লীনা দিলরূবা বলেছেন: কত কিছুই যে জানিনা..........
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১৮

লেখক বলেছেন: সেইটাই

২. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: ভালো একটা বিষয় জানা গেল...

বর্তমান সরকার কি জহির রায়হানদের সেই প্রতিবেদনটি খুজে বের করে জনসম্মুক্ষে প্রকাশ করবে?
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১৯

লেখক বলেছেন: এই প্রতিবেদনটা পাওয়া গেলে অনেক কিছুই জানা যেতো

৩. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬
কৌশিক বলেছেন: নিশ্চিতভাবে বলা যায় জহির রায়হানকে এই কমিশনের কারণে জীবন দিতে হয়েছে। কমিশনের ঐ রিপোর্ট নিশ্চয়ই কোথাও না কোথাও আছে। অনেকের গোমড় ফাঁস হবার সম্ভাবনা দেখেই কমিশনের রিপোর্টটিকে গায়েব করে ফেলেছে।

ব্যারিস্টার আমিরের কাছে কোন অনুলিপি থাকবে না এটা বিশ্বাসযোগ্য না। একেবারেই বিশ্বাস যোগ্য না।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৮

লেখক বলেছেন: রিপোর্টটা পাওয়া গেলে আসলেই অনেকের গোমড় ফাঁস হয়ে যেতো।

৪. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১১
আসিফ রহমান বলেছেন: জড়িত সরকারী কর্মচারীদের তালিকা পাওয়া খুব জরুরি।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩

লেখক বলেছেন: একমত। পাইলে একটা কাজের দলিল হইতো।

৫. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: শামীমার রিপোর্টের অর্জিনাল কপিটি রেখে দিন বস, এক সময় এটিও গুরুত্বপূর্ণ দলিল হয়ে উঠবে।
আপনার লেখা থেকে অনেক তথ্য জানা গেল। এটা নিশ্চিত করে বলা যায়, এ কারণেই জহির রায়হানকে জীবন দিতে হলো।
এ রকম একটি তথ্য সমৃদ্ধ রিপোর্টের জন্য শামীমাকে (ও এখন দেশ টিভিতে) অনেক শ্রদ্ধা, আপনাকেও বস...।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১০

লেখক বলেছেন: ২০০৩ সালের পত্রিকাতো আছেই। আমারো ধারণা এই কারণে জহির রায়হানকে জীবন দিতে হয়েছে। শামীমা খুব রিপোর্ট করেছিল এটা নিয়ে।

৬. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯
মাহবুব রনী বলেছেন: ভালো জিনিস জানলাম। লেখককে ধন্যবাদ।

প্রতিবেদনটি খুঁজে পাওয়া জরুরি।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯

লেখক বলেছেন: প্রতিবেদনটি খুঁজে পাওয়া জরুরি।

৭. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩০
মাহবুব সুমন বলেছেন: প্রতিবেদনটা কোথায় পাওয়া যাবে , ভাবছি :(
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২

লেখক বলেছেন: আমিও ভাবছি।

৮. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩০
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: বলতে ভুলে গেছি। ২০০৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর এই রিপোর্টটি প্রথম আলোতে ছাপা হয়েছিল।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: এই রকম একটা জরুরি তথ্য দিতে ভুল করলে কি চলে?

৯. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: খুব ভাল একটি পোষ্ট। অনেক অজানা তথ্য জানা গেল। আপনাকে ধন্যবাদ।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনারেও

১০. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০
...অসমাপ্ত বলেছেন: সামহোয়ারইনে মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্ট চমৎকার সব তথ্যপূর্ণ লেখা জমা হচ্ছে...

...লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ। ২-য় পর্বও চাই।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: পরের পর্ব আসিবেক

১১. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৩
অকাটমুর্খ বলেছেন: ধন্যবাদ..জ্ঞানীয় পোষ্ট...এই বিষয়ে আরো জানতে চাই
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬

লেখক বলেছেন: আরও জানবেন আশাকরি।

১২. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪
কৌশিক বলেছেন: পোস্টটাকে স্টিকি করা হোক
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: হুমমম

১৩. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৫
হরিপদ দে বলেছেন: এই সব কারনেই হযতো জহির রায়হান আমাদের মাজ থেকে হারিয়ে গেছেন।
++++++++++++
এই পোষ্টটা ও স্টিকি করা হোক।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪০

লেখক বলেছেন: এই সব কারণেই হয়তো।

১৪. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬
জেরী বলেছেন: অনেক অজানা কথা জানলাম....।

পোস্টটাকে স্টিকি করা হোক
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জেরী। আপনি মনে হয় আমার সব পোস্টের পাঠক ও মন্তব্যদাতা।

১৫. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯
এস্কিমো বলেছেন: যারা সেই দিন দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন - তাদের দায়িত্ব সস্পর্কে ঠিক মতো নিষ্ঠা দেখাতে পারেন নি। না হলে একজন ব্যা, আমিরই যথেষ্ঠ ছিলেন এই বিষয়ে।

ধন্যবাদ পোস্টের জন্যে।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫২

লেখক বলেছেন: এইটা আমারও একটা প্রশ্ন। রিপোর্ট কেন থাকবে না। ব্যা. আমিরের হাতে থাকা উচিৎ ছিল। তারমানে কি একা জহির রায়হানই যা করার করেছিলেন?

১৬. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: জানলাম....বসকে সালাম এমন গুরুত্বপূর্ন টপিক তুলে আনার জন্য। প্রথম আলোর অনলাইন আর্কাইভে কি প্রতিবেদনটি পাওয়া যাবে?
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১১

লেখক বলেছেন: যাবে মনে হয়। চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

১৭. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৭
জেরী বলেছেন: আপনার লেখা মন দিয়ে পড়ি কারণ মজার পোস্টে মজা পাই আবার সিরিয়াস পোস্টে অনেক অজানা তথ্য পাই।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: কথাগুলা বান্ধাইয়া রাখবো ভাবতাছি।

১৮. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৩
লীনা দিলরূবা বলেছেন: [sb]তিনি জানান, কমিশনের কাছে ডা. ফজলে রাব্বী, ডা. গোলাম মূর্তজা, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, ড. আলিম চৌধুরীরসহ বেশ কয়েকটি পরিবার সাক্ষ্য দেয়।

[sb]এর কোনো অনুলিপিও তাদের কাছে নেই জানিয়ে ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম জানিয়েছিলেন, ‘জহির রায়হান নিখোঁজ হওয়ার পর তদন্ত প্রতিবেদনগুলোও অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে।’

যা মনে হচ্ছে যে চারটি শহীদ পরিবারের সাক্ষ্যের কথা বলা হচ্ছে তাদের এবং ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলামেরর আরেকটি সাক্ষ্যাতকারের ব্যবস্থা করলে কোন কিছু বের হলেও বের হতে পারে!

রহস্য রয়ে গেল জহির রায়হানের নিখোঁজ হবার কারনে।

(বস আপনার লেখাটা মনে হয় ইউনিকোডে কনভার্ট করে পেস্ট করা। 'ক্ষ' অনেক লাইনে মিস হয়ে গিয়েছে), পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৫

লেখক বলেছেন: মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী এবং ডা. মূর্তজার ছেলে ও মেয়ে আমার বন্ধু। কিন্তু ওরা খুব ছোট ছিল। আলিম চৌধুরীর স্ত্রী তো মাওলানা মান্নানসহ অনেক নাম বলেছেন। কিন্তু দরকার ছিল তদন্ত প্রতিবেদনটা।
হুমম...ক্ষ কয়েকটা ঠিক করেছি। তারপরেও রয়ে গেছে।

১৯. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৮
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: নাহ....পুরোন সংখ্যা বিভাগে ২০০৪ ই সবচেয়ে পুরোন বছর। এর আগের সংখ্যা গুলো নেই।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: আহা। কি আর করা!

২০. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫২
লীনা দিলরূবা বলেছেন: ডা. মূর্তজা, নাকি ওনার নাম ডা: মোর্তজা? যার সহধর্মিনীর নাম সাঈদা মোর্তজা? ওনার দুই ছেলে মেয়ের নাম কি দ্যুতি অরণী আর অর্ণব নীলিম? সেই শহীদ বুদ্ধিজীবির কথা যদি বলেন তো বলব, সাঈদা মোর্তজার কাছে অনেক তথ্য আছে। তাঁর সাথে আমার দীর্ঘ আলাপ হয়েছিল।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: দ্যুতি আমার বন্ধু। আমরা একসাথে পড়তাম ডিইউতে। ওর ডাক নাম মিতি। ওর ভাইও আমেরিকায়। আপনি এখন আবার আলাপ করে একটা পোস্ট দিতে পারেন।

২১. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০২
সেলটিক সাগর বলেছেন:
সেই দিনের অপেক্ষায় আছি যে আমরা বলতে পারব...এই নরপশু রাজাকার- আলবদরদের বিচার করতে পেরেছি.....
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪০

লেখক বলেছেন: সেই দিনের অপেক্ষায় আছি।

২২. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৭
লীনা দিলরূবা বলেছেন: দ্যুতি আপু তো মেডিকেলে পড়তেন পরে ঢা.বি তে অর্থনীতিতে পড়েছেন, জানি। বিয়ে করেছেন..........। যাহোক, সুযোগ পেলে শহীদ ডা: মোর্তজার সহধর্মিনীর সাথে কথা বলব, পোস্টও দেব।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৩

লেখক বলেছেন: দেন।
আমরা অর্থনীতিতে একসাথে পড়তাম। মিতি বিয়ে করেছে সুষমতে। সেটা আরেক কাহিনী। এখানে আর বললাম না।

২৩. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৯
লীনা দিলরূবা বলেছেন: জানিতো সবটা। এখানে না বলে...... দিয়েছিলাম। বলার কি দরকার? আপনিতো জানেনই।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন: হুমমম। পোস্ট দেন। বাবার ডায়েরীও দেন। ভাল কাজ হবে এটি।

২৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৫৫
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: কোন সন্দেহ নাই এই কারণেই জহির রায়হানকে জীবন দিতে হয়েছে। অনেক ধন্যবাদ মাসুম ভাই
২৫. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩১
মুকুট বলেছেন: ধন্যবাদ, অজানা একটা বিষয় জানলাম, রিপোর্টটা পাওয়া গেলেই সবার মুখোশ খুলে পরত, কিন্তু আছে, কোথায় ঐ রিপোর্ট :(
২৬. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫০
লীনা দিলরূবা বলেছেন: পোস্টটা স্টিকি হয়েছে। মাসুম ভাইকে অভিনন্দন। সামুকে ধন্যবাদ। আর যে বিষয়ে এই লেখার অবতারনা তা যেন আলোর মুখ দেখে, সেই প্রত্যাশা।।
২৮. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪
একরামুল হক শামীম বলেছেন: প্রথম আলোর অনলাইন আর্কাইভে প্রতিবেদনটা পেলাম না।

দারুন পোস্টটার জন্য ধন্যবাদ মাসুম ভাই।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: আর্কাইভে এতো পুরোনোটা নাই মনে হয়।

২৯. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০০
নাজনীন খলিল বলেছেন:
ধন্যবাদ+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপা।

৩০. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯
কিংশুক০০৭ বলেছেন:
অনেক অজানা তথ্য জানা গেল। আপনাকে ধন্যবাদ ।
কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ পোস্টটাকে স্টিকি করার জন্য ।
৩১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৯
ভোরের তারা বলেছেন: অনেক অজানা কথা জানলাম, আপনাকে ধন্যবাদ ।

পোস্টটাকে স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।
৩৩. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৫
েরজাউল ফারুক বলেছেন: খুব ভালো লাগল। অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলাম। লেখককে ধন্যবাদ।
৩৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৫
ইরতেজা বলেছেন: ধন্যবাদ শওকত হোসেন মাসুম
৩৫. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৪১
বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: লেখককে ধন্যবাদ।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
৩৭. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৬
লুকার বলেছেন:

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের পুরনো ফাইল পত্রের মধ্যে খোঁজ করা যায়।
যারা কমিশোনের সদস্য ছিলেন, তাঁদের বাড়ীতেও খসড়া কপি থাকতে পারে। প্রেস ক্লাবের ঐ সময়ের কাগজপত্রের মধ্যেও খোঁজা যায়।

১৯৭০-৭২ সালের টেলিগ্রামের কপিগুলি টেলিগ্রাফ অফিসে যদি পাওয়া যায়, সেখান থেকেও প্রচুর তথ্য জানা যাবে।
৩৮. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৯
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: ভাল একটি অধ্যায় জানলাম। ধন্যবাদ মাসুম ভাই।

আচ্ছা ভাই, জামায়াত-শিবিরের যেসব সমর্থক সরকারের প্রশাসনে রয়েছে, তারা ইচ্ছে করলে কি যে কোন ধরণের ফাইল গায়েব করে দিতে পারে? এক্ষেত্রে কোন স্বচ্ছতা কি রক্ষা করা হয়?
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪

লেখক বলেছেন: ইচ্ছে করলে ফাইল গায়েব করে দিতে পারে। এরকম উদাহরণও আছে। ভাল পয়েন্ট ধরেছেন।

৩৯. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৮
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: আচ্ছা মাসুম ভাই, জুলফিকার আলী মানিক যে কাজটা করেছিলেন একবার সম্ভবত অনল রায়হানসহ। সেইটা কী ছিল?
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: ঐটা ছিল কিভাবে জহির রায়হান মারা যায় তার একটা অনুসন্ধানী রিপোর্ট। মানিকরা বলছিল যে মিরপুরে জহির রায়হানকে গুলি খেতে দেখেছে এমন লোক আছে। তাঁরা তাঁদের খুঁজে বের করে কথা বলেছিল। ভোরের কাগজের রিপোর্ট ছিল। বিস্তারিত মনে নেই।

৪০. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪০
স্বজন বলেছেন: জানার আছে অনেক কিছুই।
৪১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৫
বাপ্পাদিত্য বলেছেন: ব্যারিস্টার আমিরের কাছে কোন অনুলিপি থাকবে না এটা বিশ্বাসযোগ্য না। অনুলিপি না থাক, তাঁর স্মৃতি হাতড়েও তো অনেক তথ্য তিনি দিতে পারেন। নাকি তিনি নামেই ওই কমিশনের সাথে ছিলেন, কাজে নয়!!

শামীমা বিনতে রহমান এর রিপোর্টটি কী অনলাইন সংখ্যায় পাবো?

অনেক ধন্যবাদ মাসুম ভাই, আমার মতো অল্প জানা মানুষের জন্য আপনার লিখা অনেক আলো নিয়ে আসে।
৪২. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০০
মনজুরুল হক বলেছেন:

সে সময় আমরা শামীমার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছিলাম। এত দিন বাদে আবার শামীমা উঠে এলো অনুল্লেখিত আলেখ্যর রূপকার হিসেবে। ভাবতে ভাল লাগছে। গুরুত্বপূর্ণ পোস্টের জন্য অভিনন্দন নিন।
৪৩. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৫
মজিদ বিশ্বাস বলেছেন: রাসেদ খান মেননের একটা বই পড়ে আমার ধারণা জন্মেছে যে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের সাথে জামায়াতে এবং আওয়ামীলীগের উচ্চ পর্যায়ের কিছু নেতা জরিত। তাই সেই সময় সরকারে থাকা আওয়ামী লীগ ফাইল গায়েব করে দেয়।
নিম্নে রাশেদখান মেননের বইয়ে প্রাসাং্গিক অংশ তুলে ধরলাম।‌
‍‍
"১৯৭১ এর ডিসেম্সরে মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরপরই বুদ্ধিজীবী হত্যার বিষয়ে তদন্তানুষ্ঠান করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের জন্য উদ্যেগ নেওয়া হয়। এই কাজ করতে গিয়েই জহির রায়হান চিরদিনের জন্য নিখোঁজ হন। বুদ্ধিজীবী হত্যার এই তদন্ত রিপোর্ট তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের কাছে জমা দেয়া হলেও তার আর কোন ব্যবস্থা করা হয়নি। পরে জানা গেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রাণালয় থেকে ওই রিপোর্টও হারিয়ে গেছে অথবা হারিয়ে ফেলা হয়েছে। আওয়ামীলীগ শাসনের সাড়ে তিন বছরে বুদ্ধিজীবী হত্যার নায়কদের বিরুদ্ধে কার্যত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে ওই বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞেগ সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জামায়াতে ইসলামী উল্টো দাবী করেছে , মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ভারতীয় বাহিনী তাদের বিশেষ পরিকল্পনা অনুসারে ঐ হত্যাকান্ড চালিয়েছিল।"
-রাজনীতির কথকতা, রাশেদ খান মেনন, পৃ;৫৮

এখানে দুটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ১. এই হত্যাকান্ডের সাথে জামায়াত পরোক্ষভাবে জড়িত এই ধারণায় যে তাদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীকে সহায়তার গুরুতর অভিযোগ আছে।
২. আবার ভারতীয় বাহিনী আওয়ামীলীগের সবুজ সংকেতে এই হত্যাকান্ড এই জন্যই চালাতে পারে যে তাদের ( ভারত) পূর্ব পরিকল্পনা ছিল যে যুদ্ধের পর তারা এদেশ কে নিয়ন্ত্রন করবে। ( অর্থনৈতিক এবং সামরিক)। এটা তখন বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীরা বাধার দিতে পারে জন্য তাদেরকে হত্যার একটা সম্ভাবনা আছে।
প্রকৃত খবর আল্লাহই জানেন।
৪৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৭
মজিদ বিশ্বাস বলেছেন: রাশেদ খান মেনন হবে। বানান ভুল হয়ে রাসেদ হয়েছে।
৪৫. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৭
রাজর্ষী বলেছেন: অনেক কিছু জানা গেলো এই লেখা থেকে। ধন্যাবাদ।
৪৬. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৫
আতিকুল হক বলেছেন: ধন্যবাদ। অনেক কিছু জানা হলো। ইশ, ঐ কমিশনের রিপোর্টটা পাওয়া গেলে দারুন হতো। এখন দেরী হলেও সময় একবারে শেষ হয়ে যায়নি। শহীদদের স্বজনদের অনেকেই বেচে আছেন এখনও। আর যত বাধাই আসুক এই জঘন্য হত্যাকান্ড বিচারের বাইরে থেকে যেতে পারে না।
৪৭. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৫
আলিফ দেওয়ান বলেছেন: মজিদ বিশ্বাসকে দরি মাহি মেরে দেয়া হউক।
৪৮. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪১
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন: @ফিউশন ফাইভ, @শওকত হোসেন মাসুম:

জহির রায়হানকে নিয়ে জুলফিকার আলী মানিক লেখা রিপোর্টটির স্ক্রিনশট দিয়ে অ.র.পি একবার পোস্ট দিয়েছিলেন -

Click This Link
৪৯. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪২
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: একটি অজানা অধ্যায় জানলাম। ধন্যবাদ।
প্রকৃতপক্ষে কে যে কোন পক্ষে কাজ করেছেন সেটা বের করা বেশ কঠিন। তবে কতগুলো লোককে সাজা দেয়া কোন কঠিন কাজ না।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।
৫০. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৯
কুমিল্লার পোলা বলেছেন: খুব খারাপ লাগছে।আমাদের অনেক ভালো উদ্যোগ ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে আসছে।
৫১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৫
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন: @মজিদ বিশ্বাস:
বুদ্ধিজীবি হত্যায় কারা জড়িত সে ব্যপারে আপনার গবেষণা এগিয়ে চলুক। ত্রিভুজকে ইদানিং দেখা যায় না। থাকলে তাকেও সাথে পেতেন। ওহ, আরেকটি সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যায় না - হয়ত আমেরিকাও জড়িত থাকতে পারে। ভেবে দেখবেন।

রাশেদ খান মেননের যে বইকে মহাগ্রন্থ ধরে উদ্ধৃতি দিয়েছেন, সেখানেই উপসংহার টানা আছে। খুব খেয়াল কৈরা -

"পরবর্তীতে ওই বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞেগ সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জামায়াতে ইসলামী উল্টো দাবী করেছে , মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ভারতীয় বাহিনী তাদের বিশেষ পরিকল্পনা অনুসারে ঐ হত্যাকান্ড চালিয়েছিল।"
৫২. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৩
অরণ্য আনাম বলেছেন: একটি বড় আজানা কথা জানলাম
৫৩. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৪
বিডি আইডল বলেছেন: ধন্যবাদ....জহির রায়হানের নিখোজ আমাদের স্বাধীন জাতির জন্য একটা বড় কলংক। এই তদন্ত কমিশনই তার প্রধান কারন। আর ব্যারিষ্টার আমীরের মত লোকজনও এর দায় এড়াতে পারে না। বিষয়টি নিয়ে তাদের সে সময়কার ভূমকি কি ছিল দেখা দরকার
৫৪. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২০
নামহীন মানব বলেছেন: দেরীতে হলেও জাতিকে তার চির শত্রুদের চেনা উচিত। তদন্ত রিপোর্টটা খুঁজে পাওয়াটা জরুরী।
৫৫. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩০
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: দুইটা দিন সময় দেন, বাড়তি কিছু জানাতে পারবো আশা রাখি
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯

লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম।

৫৬. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৫
নামহীন মানব বলেছেন: পিয়াল ভাইয়ের পোস্টের অপেক্ষায় থাকলাম।
৫৭. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৭
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন: @ফিউশন ফাইভ, @শওকত হোসেন মাসুম:

জহির রায়হানকে নিয়ে জুলফিকার আলী মানিক লেখা রিপোর্টটির স্ক্রিনশট দিয়ে অ.র.পি একবার পোস্ট দিয়েছিলেন -

Click This Link

ধন্যবাদ আছহাবুল ইয়ামিন। সে লেখাটা মাসুম ভাই পড়েছেন, কমেন্টও করেছেন। ফিউশন ফাইভ হয়তো মিস করতে পারেন। সেখানে অনেক তথ্য আছে।

আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন: @মজিদ বিশ্বাস:
বুদ্ধিজীবি হত্যায় কারা জড়িত সে ব্যপারে আপনার গবেষণা এগিয়ে চলুক। ত্রিভুজকে ইদানিং দেখা যায় না। থাকলে তাকেও সাথে পেতেন। ওহ, আরেকটি সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যায় না - হয়ত আমেরিকাও জড়িত থাকতে পারে। ভেবে দেখবেন।

প্রথম কথায় ঝাজা। দ্বিতীয় শেষ লাইনটা মজা করে লিখেছেন হয়তো। তবে আমেরিকা জড়িত থাকার সম্ভাবনা একদম উড়িয়ে দিয়েন না কিন্তু। খুব খিয়াল কইরা ;)
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পিয়াল। বয়স হয়ে যাচ্ছে মনে হচ্ছে। আপনার দেওয়া পোস্টটার কথা কেমন করে ভুলে গেলাম।
কথা আছে, ফোন দেবোনে

৫৮. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫১
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা বলেছেন: আমার বিশ্বাস প্রতিবেদনটা কোথাও না কোথাও আছেই ... সব দিকে খোঁজ লাগান ... ঠিক পাওয়া যাইবো...

~
৫৯. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩৪
বেছু মেম্বার বলেছেন:

অজানা অনেক তথ্য জানতে পারলাম।

আপনা কে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
৬০. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫৩
মিতাহ্যাপি বলেছেন: ভাই কপিটা পাইলে আমারে দিয়েন। খুব জানতে ইচ্ছা করে নরপশুরা কারা?
৬২. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬
অবনীল্‌ বলেছেন: বস +। জহির রায়হানের তদন্ত রিপোর্ট খুজে বের করতে হবে।
৬৩. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৬
মজিদ বিশ্বাস বলেছেন: @ভাই ইয়ামিন, আমি তো সেটা উল্লেখ করেছিই আমার উপরিউক্ত লেখায়। বাংলাদেশে দুইটা দলের কলংক জনক অধ্যায় আছে। তার মধ্যে জামায়াত এক। দুই আওয়ামীলীগ। একটা যুদ্ধের সময় মানুষ মারার কলংক আরেকটার যুদ্ধের পর রক্ষী বাহিনী দ্বারা মানুষ মারার কলংক।
আর জহীর রাহহানের ব্যাপারটার তদন্ত বা ফাইল হারানোর পুরো দায়িত্ব আওয়ামীলীগের।
৬৪. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩১
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন: অনেক কিছু জানা গেল...ধন্যবাদ মাসুম ভাই...
৬৫. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪
পাভেল রহমান বলেছেন: একমত।...................................+++++++++++++++++++++
৬৬. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩০
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: জানার আছে অনেক কিছু। এ ব্যাপারে তেমন জানতাম না। খুব ভালো লাগল। আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ মাসুম ভাই।
৬৭. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৭
মুকুল বলেছেন: ধন্যবাদ মাসুম ভাই। +++++
৬৮. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৮
তনুজা বলেছেন: একটা তদন্তের মধ্যে আর একটা তথ্য উঠে এলো, জহির রায়হানের 'অন্তর্ধান' এর কারণ

কি শক্তিশালী বিরোধিদের হাত! স্বাধীন দেশেও বিষদাঁত বসাতে পেরেছে .......

পোস্টে আবার 'লালসালু'র হুজুর ফতোয়া দিচ্ছেন

বিচিত্র অপলাপ, বুদ্ধিজীবী হত্যার ষড়যন্ত্র কাদের জানেন না ? একটি দেশকে মেধাহীন, বিবেকহীন করে কাদের লাভ? মুক্তবুদ্ধির চর্চা কারা থামাতে চায়? তথ্যবিকৃতির কি নিলর্জ্জ চেষ্টা।

ধন্যবাদ আছহাবুল ইয়ামিন কে
৬৯. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৭
ফেরদাউস আল আমিন বলেছেন: প্রশাসন কাজ না করলে,
কোন জবাবদিহিতা করতে হয় না, এটা তার একটা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
৭১. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৫
সামুরাই বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ পোস্টের জন্য
+++++
৭২. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৯
পাথরসময় বলেছেন: লেখককে ধন্যবাদ।

৭৩. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৪০
হাসান মাহবুব বলেছেন: স্টিকি পোস্ট সাধারণত পড়িনা।কিন্ত এটা পড়তেই হল।খুবই দরকারি পোস্ট।
৭৫. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩২
মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন রেজা নাদিম বলেছেন: আসুন , কিছু একটা করেই ফেলি..............................
৭৬. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮
Shottobadi সত্যবাদী বলেছেন: I want to know who is the real killer of Zahir Raihan. Find him kill him. We want to know the truth. I want govt arrest Kamal Hossain for why he not took step to find the killer of Zahir Raihan and Shahidullah Kaisar after 1971
৭৭. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭
আমি সাবের বলেছেন:
জানার আছে অনেক কিছু। লেখককে ধন্যবাদ।
৭৮. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৯
জাহিদ সোহাগ বলেছেন: ধন্যবাদ। খুঁজে পেতে হবে। আ-লীগকে চাপ দিতে হবে। যেন সুষ্ঠু বিচার হয়।
৭৯. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩৯
স্পৃহা বলেছেন: সেই দিনের অপেক্ষায় আছি।
৮১. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২৭
হাসণাত বলেছেন: আমাদের মাত্রি ভুমি কে জারা কলুসিত করছে তাদেরছারবনা
৮২. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২০
ক্রুদ্ধ বলেছেন: এ রকম একটা ফালতু বিষয় নিয়া দেশের টাকা, মেধা আর সময় নষ্ট করার কোনো মানে নেই। শেষ মেশ তো কিছুই হবে না, মাঝখান থেকে গরীব দেশের কতগুলি টাকা নষ্ট করার ধান্দা।

যুদ্ধাপরাধী খোদ আওয়ামীলীগের মধ্যেই আছে, এজন্য - ই এ বিচার প্রক্রিয়া আলোর মুখ দেখবে না।
ধন্যবাদ!
৮৪. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩২
এরশাদ বাদশা বলেছেন: কৃতজ্ঞতা!! সত্যিই কি বেজন্মাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো যাবে??
৮৫. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৫৬
থার্ড নয়ন বলেছেন: কিছু দিন আগে দৈনিক আমার দেশ পেপারে প্রবীন সাংবাদিক নির্মল সেন এর একটা কলাম পড়েছিলাম। সেখানে তিনি লিখেছিলেন- জহির রায়হান হত্যার তদন্তে ততকালীন সরকারের ছিল ভীষন অনীহা।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৯৪৪৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আকাল-তবু স্বপ্ন থাকে
বিরোধ-তবু স্বপ্ন থাকে
ভাঙ্গন-তবু স্বপ্ন থাকে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ