চলুন ঢাকা শহরের ট্রাফিক জ্যাম বিষয়ে একটা কাল্পনিক পাবলিক কোর্ট পরিচালনা করি। ছোট একটা রাস্তার ধরে নেই। ধানমন্ডি ৩২ নম্বর থেকে সোনারগা হোটেলের দিকে গ্রীন রোড চৌরাস্তা পর্যন্ত। এই রাস্তা দিয়ে অনেক গাড়ি চলাচল করে। পাশের ফুটপাথের অবস্থাও করুণ তাই পথচারীও রাস্তার উপরেই চলাচল করে। এই রাস্তার দুই পাশে অনেক বাণিজ্যিক বিশাল বিল্ডিং আছে। শমরিতা, প্রীন্স, স্কয়ার, আরও বেশ কয়েকটা। বাকি গুলোর ব্যবস্থা অনত্র সুবিধা জনক লোকেশনে করা হবে। এখানে শুধু স্কয়ার হাসপাতালকে একটা শাস্তি ঘোষণা করছি।
স্কয়ার হাসপাতাল রাস্তার দুই পাশে বিশাল দুই বিল্ডিং খাড়া করছে। একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে এখানে এসেই গাড়ি গুলো স্লো হয়ে যাচ্ছে। এর পিছনে কারণ খোজার আগেই দেখা যাবে এই জায়গায় রাস্তাটা কেমন যেন চিপা হইয়া গেছে। আর এত বড় বিল্ডিং শুধু শুধুই অবশ্যই খাড়াইয়া নাই। এখানে অনেক লোক, গাড়ি ইত্যাদী আসে । অথচ এইসবের ল্যন্ডিং এর পুরা ব্যবস্থা এই রাস্তাই।
ওকে স্কয়ার হসপিটাল ইজ কনভিকটেড। ঐ লোকটার নাম কি যেন ? কি চৌধুরী যেন ? তপন ! শালার বাপ কি ফকিন্নি ছিল না কি ? হালা ফকিন্নির পুলা রাস্তার উপর ব্যবসা খুলছে কেন ? সব বন্ধ। ডাকেন ঐ ইডিয়টটা কে। এই যে আমার সাথে বুলড্রেজার। এখনই দুই পাশের বিল্ডিং পাঁচশ ফুট করে ভাঙ্গা হবে তার প্রতিষ্ঠানের ল্যান্ডিং এর জন্য।
অথবা স্কয়ার হসপিটাল এই রাস্তার উভয় পাশে গ্রীন রোড চৌরাস্তা থেকে ৩২ নম্বর ট্রাফিক সীগনাল পর্যন্ত ফুটপাথ তার হাসপাতালের ফ্লোরের চেয়ে অত্যাধুনিক করে তৈরী করবে এবং আগামী দশ বছর এই ফুটপাথ জনগনের চলার উপযোগী ভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করবে।
তবে উভয় ক্ষেত্রেই আগামী তিন মাস সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত খালি গায়ে (তবে আন্ডার ওয়ারের উপর সর্বচ্চ একটা সর্টস পড়তে পারবে) এখানে দাড়িয়ে এই বিল্ডং এর মালিক দ্যাট ইডিয়ট চৌঃ ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করবে।
উল্লেক্ষ্য এই ফুটপাথ লোক চলাচলের বাধাঁ সৃষ্টি না করে তার প্রতিষ্ঠানের বিগ্গাপনের জন্য ব্যবহার করতে পারবে। Let it be written and let it be done
লক্ষ্যঃ চলুন ঢাকার ফুটপাথ তৈরী করাই।
এক্সট্রাঃ আর এই রকম শতাধিক দুর্নীতিব্যবস্থাপনার ৭০% দায়ী ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মৌলানা সাদেক হোসেনের দুই গালে দুইটা থাপ্পর দেয়ার জন্য এই লিংকে যান। Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



