বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাংসদ মওদুদ আহমদ বলেছেন, জাতীয়তাবাদী ও গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে ভারতের সঙ্গে করা চুক্তি ও ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে দেবে না বিএনপি। ভারতের সঙ্গে করা এ চুক্তি ও ইশতেহারে বাংলাদেশের কোনো লাভ হবে না, তাই চুক্তি বাস্তবায়নের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। আজ শনিবার প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর মহিলা দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
অথচ এর ইতিহাস দেখুনঃ মীরজাফরের বংশধরেরা বেঁচে থাকতে বাংলার মুক্তি নাই। বলছি যে ব্যারিস্টার মওদুদ আহাম্মেদ ছিলেন তৎকালীন আওয়ামীলীগ নেতা। ১৯৭১ সালে তিনি প্রবাসী সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে খন্দকার মোশতাকের ঘনিষ্ঠ সহচর। যুদ্ধে যখন পাকিস্তান বাহিনীর পরাজয় আসন্ন তখন এই মওদুদ মোশতাক আইএসআই সিআইয়ের সাথে ষড়যন্ত্রে লীপ্ত হয় যুদ্ধবিরতি ও রাজনৈতিক সমাধানের ফাঁদে মীরজাফরীর পুনরাবৃত্তি ঘটাতে। এ ঘটনা প্রবাসী সরকারের কাছে ফাঁস হয়ে গেলে তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে ঘার ধরে বের করে দেয়া হয়।
এই লোক সেদিনও পাকিস্তানের মায়া ছাড়তে পারেনি। এ লোক গত টার্মে যখন আইন মন্ত্রী ছিলেন তখন মিডিয়াতে তার মুখ ভেসে উঠলেই সাধারন মানুষের মনে হত স্বয়ং ঈবলিশের ছবি যেন ভেসে এলো। এই লোক মীরজাফরের সরাসরি উত্তর পুরুষ আর আজও এর মত পাকিস্তানের দালালরা যখন উপমহাদেশে পাকিস্তানকেই বাংলাদেশের একমাত্র বন্ধু বাকি সব শত্রু হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় তখন নিজামী মুজাহিদীর শিরচ্ছেদের স্লোগান তুলে কি লাভ ?
মওদুদের মত কুত্তার বাচ্চার রক্তে দেশের মাটি রঞ্জীত না করলে এদেশের মুক্তি নাই।
মন্তব্যঃ অচেনাসময় বলেছেন: এই মওদুদ যাকে লন্ডন থাকতে মুক্তিযোদ্ধকালীন প্রবাসী সরকার পোষ্টমাষ্টার জেনারেল নিযুক্ত করেছিল।কিন্তু মওদুদ সেই সময় বিভিন্ন সংস্থার সাহায্যের অর্থ আত্মসাধ করেছিল।কত বড় দুষ্কৃতিকারী কল্পনা করেন।
টুটুল বরকত বলেছেন: ১/১১ র জন্য আমার মুলত মওদুদকে দায়ী মনে হয় –কারন তার হাত দিয়ে বিচারপতির বয়স বাড়ানো হয়েছিল ।
এই বাটপারকে নিয়ে আমি লিখব ভেবেছিলাম , আপনি লিখে ফেললেন ।
@ও.জামান বংগবন্ধুর সময় দালালি করার জন্য (সম্ভবত ISIর) গ্রেফতার হন ।
পল্লীকবি জসিমঊদ্দিন তাকে ছাড়াতে বংগবন্ধুর কাছে যান । পল্লীকবি ও বংগবন্ধু তখন বন্ধু ।
বংগবন্ধু তাকে ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দেন , যা যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করে দেয়ার মতোই বড় ভুল । এরপর ভেড়েন জিয়ার দলে ।এরপর এরশাদ ।এরশাদের মায়ের মৃত্যু হলে এরশাদের চেয়ে বেশি কাঁদে মওদুদ –যা সে সময় বিটিভিতে প্রচারিত হয় ।
এরশাদ জ়েলে থাকার সময় ডিগবাজি দিয়ে আবার বি এন পি তে । বি এন পি আগামিবার ক্ষমতায় যেতেনা পারলে বা খালেদা বিপদে পড়লে আবার ডিগবাজি দিবে সন্দেহ নাই ।এক্ষেত্রে আমি মনে করি দোষ বংগবন্ধু -জিয়া -এরশাদ –খালেদার । জনগন এই মিরজাফরকে প্রত্যাখান করলেও এরাই আবার তাকে তুলে এনেছে ।
অরণ্যচারী বলেছেন: ২০০৬ এর অক্টোবর পরবর্তী সমস্ত রাজনৈতিক অস্থিরতার মূল নায়ক এই ব্যক্তি। শুধুমাত্র ১৯৯৬ এর এবং এখনকার আওয়ামী লীগ শাসনামল বাদে স্বাধীন বাংলাদেশের আর সব সরকারের সময়ই এই ব্যক্তি সরকারি দলে ছিল। উনি সর্বদা সরকারি দলে থাকেন।
অথচ শুধু মাত্র এঅঞ্চলের মানচিত্রের দিকেই তাকিয়ে দেখুন, জিওগ্রাফিক্যাললী সত্য টা কি ? অথচ অর্থনীতি ও উন্নয়নের একটি অপরিহার্য চাহিদার কারনেই দ্রুত এগিয়ে যাওয়া বর্তমানের এই অঞ্চলিক সহোযোগিতার বিশ্বে এরা কিভাবে নিজের চারদিক থেকে বন্ধ করে রেখে সেই ১৯৪৭ সালের চেতনা আজও লালন করে কার প্রতি বন্ধুত্ব অটুট রাখতে চায় ? এরা এদেশের মানুষকে মূর্খ পেয়ে কি দিয়ে কি বোঝায়। আজ আঃ রাজ্জাক সাহেব যথার্থই বলেছেন অন্তত আলোচ্য এই ব্যারিস্টার
মওদুদ আহমদ সব সময়ই আইএসআই এর বাস্টার্ড সন্তান ছিল।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




