somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্বাধীনতার ঘোষনা নিয়ে বিতর্ক আজ এখানেই শেষ করলাম। এর পর বাকি থাকবে শুধু ৪২০

০৩ রা মার্চ, ২০১০ রাত ১:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

স্বাধীনতার ঘোষনা কি কারেন্টের লাইট যে সুইস দিলাম আর লাইট জ্বলতে থাকলো। বিএনপির কথা শুনে মনে হয় তাই, মেশিনে টিপ দিলাম আর বাইর হইতে থাকলো, স্বাধীনতার ঘোষনা দিলাম আর যুদ্ধ চালু হলো, লিটারে পনের কিলো।

ইস এই যুদ্ধটা যদি অহন লাগতো আমি ফেইসবুকে আজই স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়ে কয়েকটা গ্রুপ খুইলা কয়েক হাজার দাওয়াত সেন্ড করে দিতাম। আর সকালে উঠেই আমিই ঘোষক ঘোষক দাবী করতাম (?) আবার কেউ গ্রমীনের চুক্তিতে ৫০০ টাকায় ২২২১১ থেকে মোবাইলে কয়েক হাজার পুশ ম্যাসেজে যুদ্ধের দাওয়াত দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষনা দিল ? ওকে, সেও ঘোষক।

জিয়াউর রহমান যখন কালুর ঘাটের পঞ্চাশ কিলোমিটার ক্ষমতার একটা রেডিওতে ঘোষনা দিয়ে একলক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার বর্গ কিলোমিটারের বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা সুইস টিপেই দিতে পারে, এদিক সাত কোটি মানুষ হেমিলনের ইদুর ওয়ালার ইদুরে মত যুদ্ধে ঝাপিয়ে পরে মরতে থাকে তখন ফেইসবুকে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ঘোষনা দিয়ে আমি একশবার দাবী করতে পারি, আরও যে যে যাকে যাকে বলুক না কেন তারাও দাবি করতে পারে।

ঠিক একই ভাবে সেই একাত্তুরেও জিয়ার মত আরও অসংখ্য মানুষ, পুলিষ, বিডিয়ার, সেনা কর্মকর্তা তার পিঠের রেডিও দিয়ে, ওয়ারলেসে, টকিতে, মাইকে, কোন ছাত্র বন্ধুদের ডেকে, যে যেখানে যে কাউকে ডেকে বা একাই যুদ্ধে ঝাপিয়ে পরছে জিয়ার টাউট পত্নির বাটপারীর ফর্মূলায় তারাও সবাই স্বাধীনতার ঘোষক। জিয়া যদি চিটাগাং থেকে কুমিল্ল পর্যন্তও পৌছুতে না-পারা ৫০ কিলোর রেডিও টিপ দিয়েই ঘোষক হয়ে যায় তবে যে বাজারে মাইক মেরে, বন্ধুকে একটা চিরকুট দিয়ে অবস্থা অবগত করে পরবর্তী করনীয় ঠিক করেছে তারা প্রত্যেকেই স্বাধীনতার ঘোষক। আমরা এই প্রজন্ম অন্তত তাদেরক এটাই বলবো। কিন্তু এদের কেউ অভদ্রের মত মাঝখানে লাফ দিয়ে উঠবে না দাবি জানিয়ে।

বিএনপির কুকুরের ছাপ পরে যাওয়া কিছু ফেইস যখন নির্লজ্জা চামচার মত জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক ঘোষক বলে গলার রগ ফুলিয়ে চিৎকার করতে থাকে তখন এই জাতি যে কত বড় চামচার জাতি তা প্রতিচ্ছবি হয়ে বাটপারগুলোর মুখে স্পষ্ট ভেসে ওঠে।

কত বড় টাউট হলে মাত্র চল্লিশ বছর আগের ঘটনা নিয়ে এমন অযুক্তিক বিতর্ক করতে পারে কোন মানুষ। এমন জাতি কি পৃথিবীর বুকে আর একটাও আছে ? পুরো দুনিয়ার উইকিপিডিয়ায় আর কোন দেশের এরকম ফাউল একটা পেইজ নাই, সি Click This Link ছিঃ ছিঃ। এ এক জাতীয় অধঃপতন।

আরে বেয়াক্কেলেরা অজ্ঞ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষনা হয় ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে, বর্তমান মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার এক আমবাগানে। আর ঘোষনা পত্র পাঠ করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ইতিহাসে এভাবেই হয়। আমেরিকার যুদ্ধ শুরু হয়েছিল ১৭৭৪ আর ঘোষনা ৪ জুলাই ১৭৭৬, তবে এর মাঝে যুদ্ধ ছড়াতে থাকলেও কেউ অভদ্রের মত লাফ দিয়ে বলে ওঠেনি এই দেখেন আমার এক্স হাসবেন্ডে হেড ডিইকলেয়ার্ড ইট। আর যদি ২৬ মার্চের কথা বলেন ? সেদিনের ঘোষনা পাঠ করা শুরু হয়েছিল ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী। সেই টোটাল সময়ের মধ্যে জিয়া নাই সে কথাটাও কোন হারামি বলবে না।

জিয়া নিজে যেখানে কোন দিন দাবী করেনি কালুর ঘাটের ঐ ঘোষনাকে স্বাধীনতার ঘোষনা বলে। কারন তিনি বুঝতেন এই দাবী করা মত্র তিনি নিজেকে টাউট হিসাবে প্রমান করবেন। আর একজন সেনা অফিসার আর যাই হউক নিজেকে টাউট প্রমান করতে পারে না। এই টাউটে কর্ম মউদুদের, সাকার, জয়নালের, হালের ইরানের আলমগিরের এবং টাউট এমাজ উদ্দিন প্রমুখের। কিন্তু চাচা আপনি এটা কি মূর্খ চাচি রেখে গেলেন যে আপনি মরার পর এক দল টাউট সাথে নিয়ে আপনাকে সকাল বিকাল টাউট বানাচ্ছে ?

আমরা কাঁদামাটির জাওলা বাঙালী তাই ফাউলে সাথে তার ভাষায় কথা বলি, কিছু মনে করবেন না। করলেও ক্ষতি নেই কারন আমি তোমাকে না তোমার দেশকে ভালোবাসি।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০১০ রাত ২:০৩
১৫টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×