ভূমিকাঃ "আমরা সচিব পিডাই" কথাটির তাৎপর্য অনেক গভীর অনেক ব্যপক। সে বিষয়ে বিস্তারিত ধীরে ধীরে লেখা হবে। কি কি ভাবে ও কত প্রকারে এই আমলারাই দেশের প্রতিটি সেক্টরের দৃশ্যমান ও অদৃশ্য আশি ভাগ অপকর্মের জন্য দায়ি তা বলতে গেলে পদ্মা মেঘনার পানি শুকিয়ে যাবে তবু এই বিদেশি সিসটেমের চোরদের কাহিনি বলা শেষ হবে না।
সে যাক, এখানে আমাদের দেশে ইন্টারনেট নিয়ে এরা যা করে আসছে এর সামান্য কয়েকটা সেয়ার করছি, আপনারা চাইলে আরও কয়েকটা উদাহরন যোগ করতে পারেন।
১. একমাত্র চুরি বিদ্যায় দক্ষ বাংলাদেশের আমলারা আমাদের বুইড়া অর্থব অথচ ডাকাতি বিদ্যায় পিতা পিতামহের ঐতিহ্যের সুযোগ্য ধারক রাজনীতিবিদের বোঝায়, এদেশে ইন্টারনেটের গতি বাড়লে বা এমবিপিএস গতি দিলে দেশের যুব সমাজ রসা তলে যাবে।
২. এই সকল আপাদ মস্তক চোর সংশ্লিষ্ট সচিব, যুগ্মসচিব ও প্রধান ইঞ্জিনিয়ারেরা সেই ২০০৫ সাল থেকে বলে আসছে মোবাইল অপারেটরদের থ্রিজি লাইসেন্স দিলে আমাদের যব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে।
৩. সেই যে মনে আছে ১৯৯৪ সালে, যখন খালেদা জিয়া সাবমেরিন ক্যাবলে বাংলাদেশকে সংযুক্ত করার অনুমতি দেয়নি তখন কি হয়ে ছিল ? তখনও ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ে একজন সচিব ছিল ও সংশ্লিষ্ট আমলারা ছিল। এরা সে সময় অনেক বুঝে মিটিং সিটিং করে মন্ত্রীকে, কমিটিকে ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে বুঝালো এ সংযোগ নিলে ওরা আমাদের সব তথ্য চু করে টান দিয়ে নিয়ে যাবে। কত বড় শয়তান ছিল একবার চিন্তা করেন ? যেহেতু এরা সরকারের কোটি কোটি টাকায় অসংখ্য দেশি বিদেশি ট্রেনিং নেয়া এক একটা সচিব অবশ্য ২০০ বছর আগে থেকে টেলিকমিউনকেশনে সাবমেরিন ক্যাবলের কথা কোথাও না কোথাও শুনেছিল এবং জানতো বিষয়টা কি। অথচ সেদিন এরা মূর্খ খালেদাকে বিষয়টি বোঝায়নি।
৪. আর এদিকে যেখানে পৃথিবীর সবাই ২০০০ সালের আগেই মোবাইলের সীমে ইন্টারনেট দেয়ার পার্মিশন দিয়ে দিয়েছিল সেখানে এরা সরকারকে বুঝিয়েছে মোবাইলে ইন্টারনেট দিলে ছাত্রসমাজ নষ্ট হয়ে যাবে। যার দরুন এই যে আপনার আজ যে জিপিআরএস ইন্টারনেটে ব্যবহার করেন তার পার্মিশন দেয়া হয় ২০০৬ সালে।
৫. সাবমেরিন ক্যাবলে ১৯০৪ সালে সংযুক্ত না হলেও ২০০২ সালে এই পরিবারের ৪র্থ ক্যাবল সিমিউই৪ এ সংযুক্ত হওয়ার প্রোপজাল যখন আসলো তখনও এই আমলারা এই সংযোগের ফলে দেশের তথ্য পাচার হয়ে যাবে কিনা বিষয়টি পরীক্ষা নিরিক্ষা করার নামে ৪ চার বছর ফাইলটি ঘাটাঘাটি করে তবেই পজেটিভ মতামত দেয় ২০০৫ সালে। যার ফলে ২০০৭ সালে এসে আমরা প্রথমবারের মত সাবমেরিন ক্যাবলে সংযুক্ত হই।
৬. অসংখ্য কুকর্ম করার সাথে সাথে এদের একটি উল্লেখযোগ্য মনোযোগ সব সময়ই আছে ওভারসী কল অর্থাৎ কি ভাবে ভিওআইপি আরও অনেক বছর বহাল রাখা যায়। এখানে এরা প্রতি ২০০ কোটি টাকা নগদ নারায়ন খেয়ে মাঝে মধ্যে ২ কোটি টাকার অবৈধ্য ভিওআইপি অভিযান পরিচালনা করে।
উপসংহারঃ আর সম্প্রতীকালে এই সকল প্রফেশনাল চোরেরা যা যা করে যাচ্ছে তার প্রতিটির কর্মফল বুঝতে আমদের মত সাধারন সচেতনদের পাচ বছর করে লাগবে। যেমন ১৯৯৪ সালের সাবমেরিন ক্যাবল বুঝতে বুঝতে আপনাদের প্রায় ২০০০ সাল মানে ছয় বছর লেগে গিয়েছিল।
দ্রঃব্যঃ দেশের প্রতি দায়িত্ব হিসাবে উপজেলা চেয়ারম্যানরা তাদের কাজটি ঠিক মত করলেও যতদিন পর্যন্ত না কোন মন্ত্রী কোন সচিবকে থাপরা মাইরা সচিবালয় থেকে ফেলে না দিবে ততদিন এদের হুস হবে না। তাই মন্ত্রীদের বলছি, আপনারা তো বলেন আপনারা জনগনের কথা বলেন, জনগনের আশা পূরন করেন। একবার খোজ নিয়ে দেখেন স্বগোত্র ছারা এদেশের একটা জনগনও পান কিনা যে সচিব পাডানোর খায়েশ দীর্ঘ বছর যাবৎ তাদের মনে লালন করছে কি না ? তাই বলি সচিব পিডান দেশ বাঁচান।
এক নজরে সচিবের বৈশিষ্ট
১. এদের জিহবা মোটা প্রলেপ (কড়) যুক্ত ও কুকুরের মত এদের জিহবা এক হাত পরিমান বের হয়ে থাকে। কারন সারা জীবন তেল মেরে মেরে আর চামচমি করে করে পরিপক্কতা লাভ করেছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



