ভূমিকাঃ বাংলাদেশ কয়েক বছরের মধ্যে আকাশে স্যাটালাইট উৎক্ষেপন(নিক্ষেপ) করতে যাচ্ছে-মাননীয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মহোদয় জনাব রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু গত কাল ১৬/০৫ বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস উপলক্ষ্যে মিট দ্যা প্রেস ব্যানারে জাতির সামনে এধরনের ধাপ্পা বাজি টাইপ বক্তব্য দিয়ে গেলেন। ঐখানে উপস্থিত সাংবাদিক ভাইয়েরা জ্ঞানীর মত মুখ চোখা করে সেখানে বসে থাকলেও কাঁঠাল-ভাঙ্গার-মাথা সমৃদ্ধ ম্যাংগোজনতা হিসাবে আমাদের প্রশ্ন ও প্রতিক্রিয়া উভয়ই আছে। স্যাটালাইট মারার স্বপ্ন ও বর্ননা আপনাকে জনাব সুনিল কর্মকার সচিব দিয়ে থাকবে কারন ইন্ডিয়া স্যাটালাইট নিক্ষেপ শিখছে আর অনেক টাকা ধান্দা হবে স্বজাতীরও টেকনিকেল নিয়ন্ত্রনতো হাতে থাকবেই।
বর্ননাঃ গতকাল প্রেসব্রিফিংয়ে মাননীয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী নিম্ন লিখিত প্রলাপগুলি বকেন।
সরকার শিগগিরই ভিওআইপি (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রোটোকল) উন্মুক্ত করে দেবে।
উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দ্রুতগতিসম্পন্ন অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ ছাড়া কয়েক বছরের মধ্যে মহাশূন্যে একটি কৃত্রিম উপগ্রহ স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তিতে একটি উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের।
তিনি জানান, টেলিযোগাযোগ শিল্প সংস্থার মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে ল্যাপটপ, মোবাইল, টেলিফোন সেট ইত্যাদি তৈরি ও সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টেলিযোগাযোগসচিব সুশীল কান্তি বোস, টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবর রহমান, বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খবিরুজ্জামান, বিটিআরসির চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ প্রমুখ।
প্রথমআলোঃ Click This Link
আলোচনাঃ জনাব মন্ত্রী মহোদয় আপনিতো করছেন জগন্নাথ কলেজ থাইক্কা বিএ (পাস) পাশ আর এখন হইছেন ডিজিটাল বাংলাদেশে কর্ণধার মন্ত্রী। অর্থাৎ ডিজিটাল বাংলাদেশর মেরুদ্ড যার উপর ডিজিটাল দেশটা দাড়াবে পরে হাটবে সেই টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী আপনি। আপনার মত একটা বাই ফেইস এই পদের জন্য অযোগ্যতম খুমাকে যে ডিজিটাল বাংলাদেশের মেরুদন্ড গড়ার কাজ দেয় তার নিয়তে আমাদের সন্দেহ হয়। আপনাকে ডিজিটাল বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বানানোর ভেতর দিয়ে শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মানে ম্যালকমিটম্যান্ট স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।
জনাব এতক্ষন কি এসব কইলেন ? বোজেনতো ? কনতো খালি ঐ সম্প্রদায়গত ভাবেই চোর সচিব সুনিল কান্তিরা যা বুঝায় তাই মূখস্ত করে। এবার শুনেন কাঁঠাল-ভাঙ্গার-মাথা সমৃদ্ধ ম্যাংগোজনতা কি বলে।
১. ভিওআইপি ওপেন করা মানে তাজমহল বানানো না যে দুই বছর পার কইরা দিলেন। প্রতি মাসে ২০ কোটি টাকা ভাগাভাগি বন্ধ হইয়া যাবে, খুব কষ্ট তাই না ? দুই মাসের কথা বলছেন ভালো লাগলো তয় এই দুই আর পরে এক মোট তিন মাসে প্রান্তিক উদ্দোক্তাদের কথা বিবেচনায় ভিওআইপি ওপেন ও পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে না পরলে চতুর্থ মাসের প্রথমদিন থেকে আপনার আর মন্ত্রনালয়ে আসা লাগবো না। আপনার চাকরী নট। অবশ্য এর মধ্যেই আপনি স্বপরিবারে ভিওআইপি লাইসেন্স দেয়ার নামে খাওয়া দাওয়া শুরু করে দিয়েছেন। সম্প্রতি আপনার পরিবার চিটাগাং গেলে এক প্রার্থি ২ লাখ টাকার সপিং করে দেয়
২. আপনি বলছেন সরকার উপজেলা পর্যন্ত অপটিক ফাইবার স্থাপনের উদ্দোগ্য নিয়েছে। কোথায়, কবে, কি ভাবে, কি উদ্দোগ্য নিল ? উল্টাপাল্টা বোঝাবেন না। পাবলিকরে ধুর পাইছেন ? আপনারা গত ২০০৯ জানুয়ারী মাসে সারাদেশে অপটিক ফাইবার স্থাপনের জন্য অপটিক এট হোম নামক একটি মাত্র কোম্পানীকে লাইসেন্স দিয়েছে। আজ আবার রাষ্ট্রপতির সামনে বললেন আপনারা গ্রাম পর্যন্ত অপটিক ক্যাবল কানেকশন দিচ্ছেন। এত বড় মিথ্যা ! সূত্রঃ Click This Link কি হাস্যকর ব্যবস্থা। একটি মাত্র লাইসেন্সসে শুধু ঢাকা শহরের ক্যাবল ঢুকাতেই বিশ বছর লাগবে, সারা দেশ আবার উপজেলা পর্যন্ত ? রিয়েল মজা লন জনগনের লগে, তাই না ?
৩. স্যাটালাইট মারবেন মানে কৃতিম উপগ্রহ উৎক্ষেপন করবেন ? আবার হেই স্যাটালাইটে স্যাটালাইট টিভি ভাড়া দিবেন ? কেডা আপনেরে এইটুকু শিখাইয়া ছাইরা দিল ? স্যাটালাইট অনেক বড় কামের জিনিষ আর শোনেন বিডিয়ার হেডকোয়ার্টারে যখন অফিসারদের হত্যা করা হচ্ছিল তখন আপনারা চাইলে লাইভ স্যাটালাইট ভিডিও স্ট্রিমিং দেখতে পারতেন সেই সিকিউরিটি সাবস্ক্রিপশন সরকারের থাকা উচিত ছিল। এতে নিজের স্যাটালাইট নিক্ষেপ করন লাগে না। লোকজন এটা দিয়ে আজকাল বিশাল পার্কিং লটে ঘরে বসে গাড়ি পাহারা দেয়। আমাদের স্যাটালাইট লাগতে অনেক দেরী আছে। যখন লাগবে তখন আমরা ঐ স্যাটালাইট দিয়ে পদ্মার জাটকা পাহারা দিয়ে বছরে দুই হাজার কোটি টাকার পরিবর্তে বিশ হাজার কোটি টাকার ইলিশ উৎপাদন করবো। আর স্যাটালাইটের ইন্টারনেট সেবার আগে আপনি সাবমেরিন ক্যাবল নিয়া ভাবেন।
৪. দেশে যেখানে এভারেজ স্পীড ৫ কিলোবিট পার সেকেন্ড সেখানে আপনার সাবমেরিন ক্যাবল কম্পানীর পদাধীকার বলে চেয়ারম্যান সচিব সুনিল কান্তি ঐ ক্যাবলের মোট ক্ষমতা ৪৫,০০০ (পয়তাল্লিশ হাজার) মেগাবিট এর মাত্র পাঁচ ভাগের একভাগ ১০,০০০ (দশ হাজার) মেগাবাইট সবগুলো ইন্টারনেট প্রভাইডার ও মোবাইল অপারেটর দের দিয়ে বাকি ৩৫০০০ (পয়ত্রিশ হাজার) মেগাবিট অব্যবহৃত রাখছে অর্থাৎ নষ্ট করছে। অথচ ঐ সবটুকু আপনাদের এই একযুগ আগের জিপিআরএস মোবাইল নেট ওয়ার্কেই দেয়া যায়। ৩২কেবি পর্যন্ত দিতে পারে আর আমরা পাই ০ থেকে ৫ কেবি। সুনিল ঐটুকুই ভারতে এক্সপোর্ট করার ধান্দায় আছে। সূত্রঃ http://www.bsccl.com.bd/
৫. বাংলাদেশের এক্সজিসটিং গনযোগাযোগ ইনফ্রাস্টাকচার যেখানে বলে এদেশে ওয়ালেস কানেক্টিভিটি একটি অপরিহার্য উপদান। সেখানে দশ বছর আগের টেকনোলজী থ্রজি মানে থার্ড জেনারেশন মোবাইল নেটওয়ার্ক গত পাঁচ বছর যাবৎ আপনার মন্ত্রনালয় দেই দিচ্ছি করছে। দুর্গমতম লোকেশনেও ব্রডব্যান্ড দেয়ার একমত্র বাস্তব মাধ্যম থ্রিজির ফাইল নিয়ে আপনার সচিব না না হিসাবে ব্যাস্ত, ওয়াইম্যাক্স আবার ধরা খাবে না তো ? ইত্যাদী।
৫. আপনার চোখের সামনে ভারতের এয়ারটেল মাত্র এক কোটি টাকা এসেট ভ্যালু দেখিয়ে আইন অনুযায়ী ৫.৫ শতাংশ অর্থাৎ ৩,৮৫,০০০ (তিন লক্ষ পচাশি হাজার) টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে ওয়ারিদের ৭০ শতাংশ শেয়ার ৭০,০০০০ সত্তুর লাখ টাকায় কেনা দেখিয়েছে বিরাট রাজস্ব ফাঁকি দিতে। সূত্রঃ Click This Link পরে এই তিন লাখ টাকাও মাফ করে দিতে আইনের এ অংশটুকু বিধিমালা থেকে বাদ দিয়েছেন।
৬. ভুল সংক্ষক ও চড়া মূল্যে ওয়াইম্যাক্স দেয়ার কারনে এটা দুই বছরেও ঢাকার অল্প কিছু অংশে মাত্র কভার করতে পেরেছে সে বিষয়টা আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষনও করতে পারে না। অথচ একটা ওয়ারল্যাস ব্রডব্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন যা আমাদের মত ব্যকওয়ার্ড দুর্গম এলাকা সমৃদ্ধ দেশের জন্য খুবই কাজের জিনিষ ছিল।
৭. গত আড়াই বছরে দুই ধাপে সরকার বাহাদুর প্রতিবার দুই তৃতীয়াংশ করে মূল্য কমিয়ে প্রতি মেগাবিট ব্যান্ডউইথ এর মূল্য ৮৪,০০০ (চুরাশি হাজার) টাকা থেকে মাত্র ১৭,০০০ (সতের হাজার) টাকায় নামিয়ে আলনেও এখনও যে ইন্টারনেট প্রভাইডারেরা আগের রেসিওতেই প্রতি মেগাবিটের বিপরীতে ২৫০ জন ইউজার বরাদ্দ করছে যেখানে দাম কমানোর রেসিওতে ৫ (পাঁচ) গুন বেশি ব্যান্ডউইথ নেটে দেয়া উচিত। এর বদলে আপনাদের কয়েক মেগাবিটের দাম ফাউ দিয়ে দিলেই যেখানে কাজ হয় সেখানে খামাখা কি উল্টাপাল্টা বলছি তাই না ?
৮. ব্যাপক আলোচনা ও আমাদের সুবিধা অসুবিধার কথা সবার সাথে আলোচনা না করেই আপনি ও আপনার সচিব ভারতে ভৃত্যর মনিবকে উপঢৌকনের আদলে উত্তর পূর্বঞ্চলে টেলিকরিডোর দিতে যাচ্ছেন। সূত্রঃ Click This Link
৯. কি বিবেচনায় আপনারা দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল নামে ভারতের চেন্নাই এর সাথে সংযুক্ত হতে যাচ্ছেন। দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের নামে ভারত নির্ভর সংযোগে সুনিল পোদ্দার এত আগ্রহী কেন ? সূত্রঃ Click This Link
১০. আপনার সচিবের চেয়ারম্যানসিপে স্পেকটাম ম্যানেজম্যান্ট কমিটি নামে যে কমিটি আছে তা যে ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষনা শোনার পরও কেন অন্য সব দেশের একই সমান এই ফ্রিকোসেন্সি সম্পদ পাঁচ শতাংশও ব্যাবহার করছে না তা কি ভাবে বৃদ্ধি করা যায় সে লক্ষ্য নতুন ফ্রিকোসেন্সি প্লান করার কথা মাথায় আনছে না সেটা আপনার মত বলদের মাথায় কি কখনও আসে ?
১১. কমিউনিটি রেডিও নিতীমালা ও ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ নিয়ে গত কেয়ার টেকার সরকার যে এনজিও লালন পালন নীতিমালা করে গেছে তাই নিয়ে বসে থেকে কমিউনিটি রেডিওর দেশের গ্রামীন অর্থনীতিতে ব্যপক সম্ভাবনা এই সবচেয়ে সঠিক টুলটাও আপনি নষ্ট করছেন।
১২. আপনার সচিব এর চেয়ারম্যানিতে সরকারী মোবাইল কম্পানী টেলিক ব্যাপক সম্পদ এবং সুযোগ সুবিধা ভোগ করে একটা চুরিচামারির হাট ছারা এখনও কিছুই হতে পারছে না। আবার এটাকে শেয়ার মার্কেটে নিয়ে আসার অর্থমন্ত্রীর বেঁধে দেয়া ছয় মাস সময় পরে সুনিল বলে এসেট ভ্যলুয়েশনে আরও দুই বছর লাগবে।
১৩. আপনাদের তত্তাবধানে দেশের ফুল মাউন্টেড আর একটা ভিএইচএফ চ্যানেল অব্যবহৃত থাকছে সে বিষয়ে আপনার চেতনাই নেই আবার এই দিকে স্যাটালাইট টিভি চ্যানেল নিয়ন্ত্রনের নামে চ্যানেলই বন্ধ করে দিচ্ছেন।
১৪. সেই দেড় বছর আগে কইলেন টেলিফোন শিল্প সংস্থা চেয়ারম্যান সুনিল ১২ হাজার টাকায় ল্যাপটপ বানাবে। জানেনতো ইতিমধ্যে ভারত ৭ হাজার টাকায় নোটবুক বানাইয়া ফালাইছে। আপনারে দিয়া কাম হবে না।
১৫. আইপি ফোন, আইপি টেলিভিশন বাদ থাকলো। পরে ডিসকাস হবে।
বিবিধঃ এছারাও আপনার মন্ত্রনালয় দৈনন্দিন কাজ থেকে শুরু করে সুদূর প্রসারী নীতের ক্ষেত্রেও একটা চোরের খনি এর ভেতর চলছে শুধু হরিলুট। ঠিক আছে আমরা বুঝি ইন্টারনেট টেলিকমিউনিকেশনের মত বিষয় আপনার বোঝার কথা না। বিষয়টা আপনার চেহারায় স্পষ্টাক্ষরে লেখা, মাইন্ড করে লাভ নাই। যে আপনার চেহারার ও বয়সের একজনকে ডিজিটাল বাংলাদেশের মেরুদন্ড গড়ার কাজ দেয় তার নিয়তে আমাদের সন্দেহ হয়।
তা আপনাকে নেগেটিভ অনেক কথা বললাম এখন পজিটিভ একটা টিপস দেই তাহলে দেখবেন এই কঠিন কাজটাও পানির মত সোজা হয়ে যাবে।
টিপসঃ "আমরা সচিব পিডাই" কথাটির তাৎপর্য অনেক গভীর অনেক ব্যপক। সে বিষয়ে বিস্তারিত ধীরে ধীরে লেখা হবে। তবে কি কি ভাবে ও কত প্রকারে এই আমলারাই দেশের প্রতিটি সেক্টরের দৃশ্যমান ও অদৃশ্য অগ্রগতি ও নিম্নগতির আশি ভাগ অপকর্মের জন্য দায়ি তা ডিটেইল ও এদের কু কর্ম সহ ইতিহাস বলতে গেলে পদ্মা মেঘনার পানি শুকিয়ে যাবে তবু এই বিদেশি সিসটেমের চোরদের কাহিনি বলা শেষ হবে না। এখানে টিপসটা বোঝার সুবিদার্থে আমাদের দেশের ইন্টারনেট নিয়ে এরা যা করে আসছে এর সামান্য কয়েকটা সেয়ার করছি, আপনারা চাইলে আরও কয়েকটা উদাহরন যোগ করতে পারেন।
১. একমাত্র চুরি বিদ্যায় দক্ষ বাংলাদেশের আমলারা আমাদের বুইড়া অর্থব অথচ ডাকাতি বিদ্যায় পিতা পিতামহের ঐতিহ্যের সুযোগ্য ধারক রাজনীতিবিদের বোঝায়, এদেশে ইন্টারনেটের গতি বাড়লে বা এমবিপিএস গতি দিলে দেশের যুব সমাজ রসা তলে যাবে।
২. এই সকল আপাদ মস্তক চোর সংশ্লিষ্ট সচিব, যুগ্মসচিব ও প্রধান ইঞ্জিনিয়ারেরা সেই ২০০৫ সাল থেকে বলে আসছে মোবাইল অপারেটরদের থ্রিজি লাইসেন্স দিলে আমাদের যব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে।
৩. সেই যে মনে আছে ১৯৯৪ সালে, যখন খালেদা জিয়া সাবমেরিন ক্যাবলে বাংলাদেশকে সংযুক্ত করার অনুমতি দেয়নি তখন কি হয়ে ছিল ? তখনও ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ে একজন সচিব ছিল ও সংশ্লিষ্ট আমলারা ছিল। এরা সে সময় অনেক বুঝে মিটিং সিটিং করে মন্ত্রীকে, কমিটিকে ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে বুঝালো এ সংযোগ নিলে ওরা আমাদের সব তথ্য চু করে টান দিয়ে নিয়ে যাবে। কত বড় শয়তান ছিল একবার চিন্তা করেন ? যেহেতু এরা সরকারের কোটি কোটি টাকায় অসংখ্য দেশি বিদেশি ট্রেনিং নেয়া এক একটা সচিব অবশ্য ২০০ বছর আগে থেকে টেলিকমিউনকেশনে সাবমেরিন ক্যাবলের কথা কোথাও না কোথাও শুনেছিল এবং জানতো বিষয়টা কি। অথচ সেদিন এরা মূর্খ খালেদাকে বিষয়টি বোঝায়নি।
৪. আর এদিকে যেখানে পৃথিবীর সবাই ২০০০ সালের আগেই মোবাইলের সীমে ইন্টারনেট দেয়ার পার্মিশন দিয়ে দিয়েছিল সেখানে এরা সরকারকে বুঝিয়েছে মোবাইলে ইন্টারনেট দিলে ছাত্রসমাজ নষ্ট হয়ে যাবে। যার দরুন এই যে আপনার আজ যে জিপিআরএস ইন্টারনেটে ব্যবহার করেন তার পার্মিশন দেয়া হয় ২০০৬ সালে।
৫. সাবমেরিন ক্যাবলে ১৯০৪ সালে সংযুক্ত না হলেও ২০০২ সালে এই পরিবারের ৪র্থ ক্যাবল সিমিউই৪ এ সংযুক্ত হওয়ার প্রোপজাল যখন আসলো তখনও এই আমলারা এই সংযোগের ফলে দেশের তথ্য পাচার হয়ে যাবে কিনা বিষয়টি পরীক্ষা নিরিক্ষা করার নামে ৪ চার বছর ফাইলটি ঘাটাঘাটি করে তবেই পজেটিভ মতামত দেয় ২০০৫ সালে। যার ফলে ২০০৭ সালে এসে আমরা প্রথমবারের মত সাবমেরিন ক্যাবলে সংযুক্ত হই।
৬. অসংখ্য কুকর্ম করার সাথে সাথে এদের একটি উল্লেখযোগ্য মনোযোগ সব সময়ই আছে ওভারসী কল অর্থাৎ কি ভাবে ভিওআইপি আরও অনেক বছর বহাল রাখা যায়। এখানে এরা প্রতি ২০০ কোটি টাকা নগদ নারায়ন খেয়ে মাঝে মধ্যে ২ কোটি টাকার অবৈধ্য ভিওআইপি অভিযান পরিচালনা করে।
৭. আর সম্প্রতীকালে এই সকল প্রফেশনাল চোরেরা যা যা করে যাচ্ছে তার প্রতিটির কর্মফল বুঝতে আমদের মত সাধারন সচেতনদের পাচ বছর করে লাগবে। যেমন ১৯৯৪ সালের সাবমেরিন ক্যাবল বুঝতে বুঝতে আপনাদের প্রায় ২০০০ সাল মানে ছয় বছর লেগে গিয়েছিল।
উপসংহারঃ দেশের প্রতি দায়িত্ব হিসাবে উপজেলা চেয়ারম্যানরা তাদের কাজটি ঠিক মত করলেও যতদিন পর্যন্ত না কোন মন্ত্রী কোন সচিবকে থাপরা মাইরা সচিবালয় থেকে ফেলে না দিবে ততদিন এদের হুস হবে না। তাই মন্ত্রীদের বলছি, আপনারা তো বলেন আপনারা জনগনের কথা বলেন, জনগনের আশা পূরন করেন। একবার খোজ নিয়ে দেখেন স্বগোত্র ছারা এদেশের একটা জনগনও পান কিনা যে সচিব পাডানোর খায়েশ দীর্ঘ বছর যাবৎ তাদের মনে লালন করছে কি না ? তাই বলি সচিব পিডান দেশ বাঁচান।
এক নজরে সচিবের বৈশিষ্ট।
১. এদের জিহবা মোটা প্রলেপ (কড়) যুক্ত ও কুকুরের মত এদের জিহবা এক হাত পরিমান বের হয়ে থাকে। কারন সারা জীবন তেল মেরে মেরে আর পা চেটে চামচমি করে করে পরিপক্কতা লাভ করেছে। চলবে।
২. এরা ডান দিকে আপনাকে দেখে যেমন রাজা মহারাজ আর আপনি সামান্য প্রজা এমন ভব নেয় সংগে সংগেই বাম দিকে নিজের বাপ, রাজনীতিবিদ দেখে হাত পা কচলিয়ে ঘারঘুর নিচু করে খালি পা টা চাটতে বাকি রাখে।
ভূমিকাঃ বাংলাদেশ কয়েক বছরের মধ্যে আকাশে স্যাটালাইট উৎক্ষেপন(নিক্ষেপ) করতে যাচ্ছে-মাননীয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মহোদয় জনাব রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু গত কাল ১৬/০৫ বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস উপলক্ষ্যে মিট দ্যা প্রেস ব্যানারে জাতির সামনে এধরনের ধাপ্পা বাজি টাইপ বক্তব্য দিয়ে গেলেন। ঐখানে উপস্থিত সাংবাদিক ভাইয়েরা জ্ঞানীর মত মুখ চোখা করে সেখানে বসে থাকলেও কাঁঠাল-ভাঙ্গার-মাথা সমৃদ্ধ ম্যাংগোজনতা হিসাবে আমাদের প্রশ্ন ও প্রতিক্রিয়া উভয়ই আছে। স্যাটালাইট মারার স্বপ্ন ও বর্ননা আপনাকে জনাব সুনিল কর্মকার সচিব দিয়ে থাকবে কারন ইন্ডিয়া স্যাটালাইট নিক্ষেপ শিখছে আর অনেক টাকা ধান্দা হবে স্বজাতীরও টেকনিকেল নিয়ন্ত্রনতো হাতে থাকবেই।
বর্ননাঃ গতকাল প্রেসব্রিফিংয়ে মাননীয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী নিম্ন লিখিত প্রলাপগুলি বকেন।
সরকার শিগগিরই ভিওআইপি (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রোটোকল) উন্মুক্ত করে দেবে।
উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দ্রুতগতিসম্পন্ন অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ ছাড়া কয়েক বছরের মধ্যে মহাশূন্যে একটি কৃত্রিম উপগ্রহ স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তিতে একটি উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের।
তিনি জানান, টেলিযোগাযোগ শিল্প সংস্থার মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে ল্যাপটপ, মোবাইল, টেলিফোন সেট ইত্যাদি তৈরি ও সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টেলিযোগাযোগসচিব সুশীল কান্তি বোস, টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবর রহমান, বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খবিরুজ্জামান, বিটিআরসির চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ প্রমুখ।
প্রথমআলোঃ Click This Link
আলোচনাঃ জনাব মন্ত্রী মহোদয় আপনিতো করছেন জগন্নাথ কলেজ থাইক্কা বিএ (পাস) পাশ আর এখন হইছেন ডিজিটাল বাংলাদেশে কর্ণধার মন্ত্রী। অর্থাৎ ডিজিটাল বাংলাদেশর মেরুদ্ড যার উপর ডিজিটাল দেশটা দাড়াবে পরে হাটবে সেই টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী আপনি। আপনার মত একটা বাই ফেইস এই পদের জন্য অযোগ্যতম খুমাকে যে ডিজিটাল বাংলাদেশের মেরুদন্ড গড়ার কাজ দেয় তার নিয়তে আমাদের সন্দেহ হয়। আপনাকে ডিজিটাল বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বানানোর ভেতর দিয়ে শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মানে ম্যালকমিটম্যান্ট স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।
জনাব এতক্ষন কি এসব কইলেন ? বোজেনতো ? কনতো খালি ঐ সম্প্রদায়গত ভাবেই চোর সচিব সুনিল কান্তিরা যা বুঝায় তাই মূখস্ত করে। এবার শুনেন কাঁঠাল-ভাঙ্গার-মাথা সমৃদ্ধ ম্যাংগোজনতা কি বলে।
১. ভিওআইপি ওপেন করা মানে তাজমহল বানানো না যে দুই বছর পার কইরা দিলেন। প্রতি মাসে ২০ কোটি টাকা ভাগাভাগি বন্ধ হইয়া যাবে, খুব কষ্ট তাই না ? দুই মাসের কথা বলছেন ভালো লাগলো তয় এই দুই আর পরে এক মোট তিন মাসে প্রান্তিক উদ্দোক্তাদের কথা বিবেচনায় ভিওআইপি ওপেন ও পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে না পরলে চতুর্থ মাসের প্রথমদিন থেকে আপনার আর মন্ত্রনালয়ে আসা লাগবো না। আপনার চাকরী নট। অবশ্য এর মধ্যেই আপনি স্বপরিবারে ভিওআইপি লাইসেন্স দেয়ার নামে খাওয়া দাওয়া শুরু করে দিয়েছেন। সম্প্রতি আপনার পরিবার চিটাগাং গেলে এক প্রার্থি ২ লাখ টাকার সপিং করে দেয়
২. আপনি বলছেন সরকার উপজেলা পর্যন্ত অপটিক ফাইবার স্থাপনের উদ্দোগ্য নিয়েছে। কোথায়, কবে, কি ভাবে, কি উদ্দোগ্য নিল ? উল্টাপাল্টা বোঝাবেন না। পাবলিকরে ধুর পাইছেন ? আপনারা গত ২০০৯ জানুয়ারী মাসে সারাদেশে অপটিক ফাইবার স্থাপনের জন্য অপটিক এট হোম নামক একটি মাত্র কোম্পানীকে লাইসেন্স দিয়েছে। আজ আবার রাষ্ট্রপতির সামনে বললেন আপনারা গ্রাম পর্যন্ত অপটিক ক্যাবল কানেকশন দিচ্ছেন। এত বড় মিথ্যা ! সূত্রঃ Click This Link কি হাস্যকর ব্যবস্থা। একটি মাত্র লাইসেন্সসে শুধু ঢাকা শহরের ক্যাবল ঢুকাতেই বিশ বছর লাগবে, সারা দেশ আবার উপজেলা পর্যন্ত ? রিয়েল মজা লন জনগনের লগে, তাই না ?
৩. স্যাটালাইট মারবেন মানে কৃতিম উপগ্রহ উৎক্ষেপন করবেন ? আবার হেই স্যাটালাইটে স্যাটালাইট টিভি ভাড়া দিবেন ? কেডা আপনেরে এইটুকু শিখাইয়া ছাইরা দিল ? স্যাটালাইট অনেক বড় কামের জিনিষ আর শোনেন বিডিয়ার হেডকোয়ার্টারে যখন অফিসারদের হত্যা করা হচ্ছিল তখন আপনারা চাইলে লাইভ স্যাটালাইট ভিডিও স্ট্রিমিং দেখতে পারতেন সেই সিকিউরিটি সাবস্ক্রিপশন সরকারের থাকা উচিত ছিল। এতে নিজের স্যাটালাইট নিক্ষেপ করন লাগে না। লোকজন এটা দিয়ে আজকাল বিশাল পার্কিং লটে ঘরে বসে গাড়ি পাহারা দেয়। আমাদের স্যাটালাইট লাগতে অনেক দেরী আছে। যখন লাগবে তখন আমরা ঐ স্যাটালাইট দিয়ে পদ্মার জাটকা পাহারা দিয়ে বছরে দুই হাজার কোটি টাকার পরিবর্তে বিশ হাজার কোটি টাকার ইলিশ উৎপাদন করবো। আর স্যাটালাইটের ইন্টারনেট সেবার আগে আপনি সাবমেরিন ক্যাবল নিয়া ভাবেন।
৪. দেশে যেখানে এভারেজ স্পীড ৫ কিলোবিট পার সেকেন্ড সেখানে আপনার সাবমেরিন ক্যাবল কম্পানীর পদাধীকার বলে চেয়ারম্যান সচিব সুনিল কান্তি ঐ ক্যাবলের মোট ক্ষমতা ৪৫,০০০ (পয়তাল্লিশ হাজার) মেগাবিট এর মাত্র পাঁচ ভাগের একভাগ ১০,০০০ (দশ হাজার) মেগাবাইট সবগুলো ইন্টারনেট প্রভাইডার ও মোবাইল অপারেটর দের দিয়ে বাকি ৩৫০০০ (পয়ত্রিশ হাজার) মেগাবিট অব্যবহৃত রাখছে অর্থাৎ নষ্ট করছে। অথচ ঐ সবটুকু আপনাদের এই একযুগ আগের জিপিআরএস মোবাইল নেট ওয়ার্কেই দেয়া যায়। ৩২কেবি পর্যন্ত দিতে পারে আর আমরা পাই ০ থেকে ৫ কেবি। সুনিল ঐটুকুই ভারতে এক্সপোর্ট করার ধান্দায় আছে। সূত্রঃ http://www.bsccl.com.bd/
৫. বাংলাদেশের এক্সজিসটিং গনযোগাযোগ ইনফ্রাস্টাকচার যেখানে বলে এদেশে ওয়ালেস কানেক্টিভিটি একটি অপরিহার্য উপদান। সেখানে দশ বছর আগের টেকনোলজী থ্রজি মানে থার্ড জেনারেশন মোবাইল নেটওয়ার্ক গত পাঁচ বছর যাবৎ আপনার মন্ত্রনালয় দেই দিচ্ছি করছে। দুর্গমতম লোকেশনেও ব্রডব্যান্ড দেয়ার একমত্র বাস্তব মাধ্যম থ্রিজির ফাইল নিয়ে আপনার সচিব না না হিসাবে ব্যাস্ত, ওয়াইম্যাক্স আবার ধরা খাবে না তো ? ইত্যাদী।
৫. আপনার চোখের সামনে ভারতের এয়ারটেল মাত্র এক কোটি টাকা এসেট ভ্যালু দেখিয়ে আইন অনুযায়ী ৫.৫ শতাংশ অর্থাৎ ৩,৮৫,০০০ (তিন লক্ষ পচাশি হাজার) টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে ওয়ারিদের ৭০ শতাংশ শেয়ার ৭০,০০০০ সত্তুর লাখ টাকায় কেনা দেখিয়েছে বিরাট রাজস্ব ফাঁকি দিতে। সূত্রঃ Click This Link পরে এই তিন লাখ টাকাও মাফ করে দিতে আইনের এ অংশটুকু বিধিমালা থেকে বাদ দিয়েছেন।
৬. ভুল সংক্ষক ও চড়া মূল্যে ওয়াইম্যাক্স দেয়ার কারনে এটা দুই বছরেও ঢাকার অল্প কিছু অংশে মাত্র কভার করতে পেরেছে সে বিষয়টা আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষনও করতে পারে না। অথচ একটা ওয়ারল্যাস ব্রডব্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন যা আমাদের মত ব্যকওয়ার্ড দুর্গম এলাকা সমৃদ্ধ দেশের জন্য খুবই কাজের জিনিষ ছিল।
৭. গত আড়াই বছরে দুই ধাপে সরকার বাহাদুর প্রতিবার দুই তৃতীয়াংশ করে মূল্য কমিয়ে প্রতি মেগাবিট ব্যান্ডউইথ এর মূল্য ৮৪,০০০ (চুরাশি হাজার) টাকা থেকে মাত্র ১৭,০০০ (সতের হাজার) টাকায় নামিয়ে আলনেও এখনও যে ইন্টারনেট প্রভাইডারেরা আগের রেসিওতেই প্রতি মেগাবিটের বিপরীতে ২৫০ জন ইউজার বরাদ্দ করছে যেখানে দাম কমানোর রেসিওতে ৫ (পাঁচ) গুন বেশি ব্যান্ডউইথ নেটে দেয়া উচিত। এর বদলে আপনাদের কয়েক মেগাবিটের দাম ফাউ দিয়ে দিলেই যেখানে কাজ হয় সেখানে খামাখা কি উল্টাপাল্টা বলছি তাই না ?
৮. ব্যাপক আলোচনা ও আমাদের সুবিধা অসুবিধার কথা সবার সাথে আলোচনা না করেই আপনি ও আপনার সচিব ভারতে ভৃত্যর মনিবকে উপঢৌকনের আদলে উত্তর পূর্বঞ্চলে টেলিকরিডোর দিতে যাচ্ছেন। সূত্রঃ Click This Link
৯. কি বিবেচনায় আপনারা দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল নামে ভারতের চেন্নাই এর সাথে সংযুক্ত হতে যাচ্ছেন। দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের নামে ভারত নির্ভর সংযোগে সুনিল পোদ্দার এত আগ্রহী কেন ? সূত্রঃ Click This Link
১০. আপনার সচিবের চেয়ারম্যানসিপে স্পেকটাম ম্যানেজম্যান্ট কমিটি নামে যে কমিটি আছে তা যে ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষনা শোনার পরও কেন অন্য সব দেশের একই সমান এই ফ্রিকোসেন্সি সম্পদ পাঁচ শতাংশও ব্যাবহার করছে না তা কি ভাবে বৃদ্ধি করা যায় সে লক্ষ্য নতুন ফ্রিকোসেন্সি প্লান করার কথা মাথায় আনছে না সেটা আপনার মত বলদের মাথায় কি কখনও আসে ?
১১. কমিউনিটি রেডিও নিতীমালা ও ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ নিয়ে গত কেয়ার টেকার সরকার যে এনজিও লালন পালন নীতিমালা করে গেছে তাই নিয়ে বসে থেকে কমিউনিটি রেডিওর দেশের গ্রামীন অর্থনীতিতে ব্যপক সম্ভাবনা এই সবচেয়ে সঠিক টুলটাও আপনি নষ্ট করছেন।
১২. আপনার সচিব এর চেয়ারম্যানিতে সরকারী মোবাইল কম্পানী টেলিক ব্যাপক সম্পদ এবং সুযোগ সুবিধা ভোগ করে একটা চুরিচামারির হাট ছারা এখনও কিছুই হতে পারছে না। আবার এটাকে শেয়ার মার্কেটে নিয়ে আসার অর্থমন্ত্রীর বেঁধে দেয়া ছয় মাস সময় পরে সুনিল বলে এসেট ভ্যলুয়েশনে আরও দুই বছর লাগবে।
১৩. আপনাদের তত্তাবধানে দেশের ফুল মাউন্টেড আর একটা ভিএইচএফ চ্যানেল অব্যবহৃত থাকছে সে বিষয়ে আপনার চেতনাই নেই আবার এই দিকে স্যাটালাইট টিভি চ্যানেল নিয়ন্ত্রনের নামে চ্যানেলই বন্ধ করে দিচ্ছেন।
১৪. সেই দেড় বছর আগে কইলেন টেলিফোন শিল্প সংস্থা চেয়ারম্যান সুনিল ১২ হাজার টাকায় ল্যাপটপ বানাবে। জানেনতো ইতিমধ্যে ভারত ৭ হাজার টাকায় নোটবুক বানাইয়া ফালাইছে। আপনারে দিয়া কাম হবে না।
১৫. আইপি ফোন, আইপি টেলিভিশন বাদ থাকলো। পরে ডিসকাস হবে।
বিবিধঃ এছারাও আপনার মন্ত্রনালয় দৈনন্দিন কাজ থেকে শুরু করে সুদূর প্রসারী নীতের ক্ষেত্রেও একটা চোরের খনি এর ভেতর চলছে শুধু হরিলুট। ঠিক আছে আমরা বুঝি ইন্টারনেট টেলিকমিউনিকেশনের মত বিষয় আপনার বোঝার কথা না। বিষয়টা আপনার চেহারায় স্পষ্টাক্ষরে লেখা, মাইন্ড করে লাভ নাই। যে আপনার চেহারার ও বয়সের একজনকে ডিজিটাল বাংলাদেশের মেরুদন্ড গড়ার কাজ দেয় তার নিয়তে আমাদের সন্দেহ হয়।
তা আপনাকে নেগেটিভ অনেক কথা বললাম এখন পজিটিভ একটা টিপস দেই তাহলে দেখবেন এই কঠিন কাজটাও পানির মত সোজা হয়ে যাবে।
টিপসঃ "আমরা সচিব পিডাই" কথাটির তাৎপর্য অনেক গভীর অনেক ব্যপক। সে বিষয়ে বিস্তারিত ধীরে ধীরে লেখা হবে। তবে কি কি ভাবে ও কত প্রকারে এই আমলারাই দেশের প্রতিটি সেক্টরের দৃশ্যমান ও অদৃশ্য অগ্রগতি ও নিম্নগতির আশি ভাগ অপকর্মের জন্য দায়ি তা ডিটেইল ও এদের কু কর্ম সহ ইতিহাস বলতে গেলে পদ্মা মেঘনার পানি শুকিয়ে যাবে তবু এই বিদেশি সিসটেমের চোরদের কাহিনি বলা শেষ হবে না। এখানে টিপসটা বোঝার সুবিদার্থে আমাদের দেশের ইন্টারনেট নিয়ে এরা যা করে আসছে এর সামান্য কয়েকটা সেয়ার করছি, আপনারা চাইলে আরও কয়েকটা উদাহরন যোগ করতে পারেন।
১. একমাত্র চুরি বিদ্যায় দক্ষ বাংলাদেশের আমলারা আমাদের বুইড়া অর্থব অথচ ডাকাতি বিদ্যায় পিতা পিতামহের ঐতিহ্যের সুযোগ্য ধারক রাজনীতিবিদের বোঝায়, এদেশে ইন্টারনেটের গতি বাড়লে বা এমবিপিএস গতি দিলে দেশের যুব সমাজ রসা তলে যাবে।
২. এই সকল আপাদ মস্তক চোর সংশ্লিষ্ট সচিব, যুগ্মসচিব ও প্রধান ইঞ্জিনিয়ারেরা সেই ২০০৫ সাল থেকে বলে আসছে মোবাইল অপারেটরদের থ্রিজি লাইসেন্স দিলে আমাদের যব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে।
৩. সেই যে মনে আছে ১৯৯৪ সালে, যখন খালেদা জিয়া সাবমেরিন ক্যাবলে বাংলাদেশকে সংযুক্ত করার অনুমতি দেয়নি তখন কি হয়ে ছিল ? তখনও ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ে একজন সচিব ছিল ও সংশ্লিষ্ট আমলারা ছিল। এরা সে সময় অনেক বুঝে মিটিং সিটিং করে মন্ত্রীকে, কমিটিকে ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে বুঝালো এ সংযোগ নিলে ওরা আমাদের সব তথ্য চু করে টান দিয়ে নিয়ে যাবে। কত বড় শয়তান ছিল একবার চিন্তা করেন ? যেহেতু এরা সরকারের কোটি কোটি টাকায় অসংখ্য দেশি বিদেশি ট্রেনিং নেয়া এক একটা সচিব অবশ্য ২০০ বছর আগে থেকে টেলিকমিউনকেশনে সাবমেরিন ক্যাবলের কথা কোথাও না কোথাও শুনেছিল এবং জানতো বিষয়টা কি। অথচ সেদিন এরা মূর্খ খালেদাকে বিষয়টি বোঝায়নি।
৪. আর এদিকে যেখানে পৃথিবীর সবাই ২০০০ সালের আগেই মোবাইলের সীমে ইন্টারনেট দেয়ার পার্মিশন দিয়ে দিয়েছিল সেখানে এরা সরকারকে বুঝিয়েছে মোবাইলে ইন্টারনেট দিলে ছাত্রসমাজ নষ্ট হয়ে যাবে। যার দরুন এই যে আপনার আজ যে জিপিআরএস ইন্টারনেটে ব্যবহার করেন তার পার্মিশন দেয়া হয় ২০০৬ সালে।
৫. সাবমেরিন ক্যাবলে ১৯০৪ সালে সংযুক্ত না হলেও ২০০২ সালে এই পরিবারের ৪র্থ ক্যাবল সিমিউই৪ এ সংযুক্ত হওয়ার প্রোপজাল যখন আসলো তখনও এই আমলারা এই সংযোগের ফলে দেশের তথ্য পাচার হয়ে যাবে কিনা বিষয়টি পরীক্ষা নিরিক্ষা করার নামে ৪ চার বছর ফাইলটি ঘাটাঘাটি করে তবেই পজেটিভ মতামত দেয় ২০০৫ সালে। যার ফলে ২০০৭ সালে এসে আমরা প্রথমবারের মত সাবমেরিন ক্যাবলে সংযুক্ত হই।
৬. অসংখ্য কুকর্ম করার সাথে সাথে এদের একটি উল্লেখযোগ্য মনোযোগ সব সময়ই আছে ওভারসী কল অর্থাৎ কি ভাবে ভিওআইপি আরও অনেক বছর বহাল রাখা যায়। এখানে এরা প্রতি ২০০ কোটি টাকা নগদ নারায়ন খেয়ে মাঝে মধ্যে ২ কোটি টাকার অবৈধ্য ভিওআইপি অভিযান পরিচালনা করে।
৭. আর সম্প্রতীকালে এই সকল প্রফেশনাল চোরেরা যা যা করে যাচ্ছে তার প্রতিটির কর্মফল বুঝতে আমদের মত সাধারন সচেতনদের পাচ বছর করে লাগবে। যেমন ১৯৯৪ সালের সাবমেরিন ক্যাবল বুঝতে বুঝতে আপনাদের প্রায় ২০০০ সাল মানে ছয় বছর লেগে গিয়েছিল।
উপসংহারঃ দেশের প্রতি দায়িত্ব হিসাবে উপজেলা চেয়ারম্যানরা তাদের কাজটি ঠিক মত করলেও যতদিন পর্যন্ত না কোন মন্ত্রী কোন সচিবকে থাপরা মাইরা সচিবালয় থেকে ফেলে না দিবে ততদিন এদের হুস হবে না। তাই মন্ত্রীদের বলছি, আপনারা তো বলেন আপনারা জনগনের কথা বলেন, জনগনের আশা পূরন করেন। একবার খোজ নিয়ে দেখেন স্বগোত্র ছারা এদেশের একটা জনগনও পান কিনা যে সচিব পাডানোর খায়েশ দীর্ঘ বছর যাবৎ তাদের মনে লালন করছে কি না ? তাই বলি সচিব পিডান দেশ বাঁচান।
এক নজরে সচিবের বৈশিষ্ট।
১. এদের জিহবা মোটা প্রলেপ (কড়) যুক্ত ও কুকুরের মত এদের জিহবা এক হাত পরিমান বের হয়ে থাকে। কারন সারা জীবন তেল মেরে মেরে আর পা চেটে চামচমি করে করে পরিপক্কতা লাভ করেছে। চলবে।
২. এরা ডান দিকে আপনাকে দেখে যেমন রাজা মহারাজ আর আপনি সামান্য প্রজা এমন ভব নেয় সংগে সংগেই বাম দিকে নিজের বাপ, রাজনীতিবিদ দেখে হাত পা কচলিয়ে ঘারঘুর নিচু করে খালি পা টা চাটতে বাকি রাখে।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



