আমার প্রিয় পোস্ট
- ব্লগারদের বই নিয়ে আহমাদ মোস্তফা কামালের রিভিউ : ছাপা কাগজে একটুকরো 'ব্লগ' - ফিউশন ফাইভ
- পাঠ পুনর্দর্শন : "ঘর ভরতি মানুষ অথবা নৈঃশব্দ্য"# আহমাদ মোস্তফা কামাল - হিমালয়৭৭৭
- লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর- শেষ পর্ব - রাগ ইমন
- তাহলে এইবারের বস্তি পোড়ার জন্য আমরা চাঁদকে দোষারোপ করতে পারি - অন্যমনস্ক শরৎ
- প্রিয় দুইজন ব্লগারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা : শুভ জন্মদিন 'আহমাদ মোস্তফা কামাল'; শুভ জন্মদিন 'প্রিয়তমা' - একরামুল হক শামীম
- অন্ধকার --- জীবনানন্দ দাশ - কালের সাক্ষী
- অপরবাস্তব-৪ এর জন্য জমাকৃত পোস্টসমূহের শ্রেণীবিন্যস্ত সংকলন (চলমান) - দুরন্ত স্বপ্নচারী
- অপরবাস্তব-৪ এর জন্য ব্লগারদের লেখা মনোনয়নের আহবান - অপ্সরা
- অন্ধ যাদুকর- আহমাদ মোস্তফা কামাল - রাসেল ( ........)
- প্লাস্টিকের ফুল আর খেলনা একতারার গল্প - হাসান মাহবুব
- ২০০৮ সাল পর্যন্ত সকল বাংলাদেশী আইন - রাজন সান
- ইতিহাসের প্রথম বিজ্ঞানী! - ম্যাভেরিক
- আজ ১৯শে মে। ১৯৬১ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার জন্য শহীদ হয়েছিলেন ১১ জন ভাষাবিপ্লবী। - কুঙ্গ থাঙ
- লেখক বন্ধুদের লেখা নিয়ে কিছু এলোমেলো ভাবনা। রেজা ঘটক - রেজা ঘটক
- প্রকৃতির খেলা ২ - ধরিত্রীর বুকে অন্য বিশ্বের ছোঁয়া - অপরিচিত_আবির
- রূপকথা নিয়ে কিছু কথা হতে পারে! - খারেজি
- মায়া-দরোজা - খারেজি
- মনসুন রেইন: বহুদিন পর বৃষ্টি দেখে আশ্চর্য কী-বোর্ড ম্যানিয়া! - মাহবুবা আখতার
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- সেনাবাহিনীর কুকীর্তির লিষ্ট : আমাদের গোল্ড ফিশ মেমরীকে ব্লগে সংরক্ষন - শূন্য আরণ্যক
- রেডিমেড এনিমেটেড ইমো - ভেংচুক
- ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেইন : যার কাছে বাঙালীর অসীম কৃতজ্ঞতা - অমি রহমান পিয়াল
- আপনার জন্ম এবং কিছু কথা - শেরিফ আল সায়ার
- শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নামের তালিকাঃগভীর শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি তোমাদের - এ. এস. এম. রাহাত খান
- প্রিয় দুইজন ব্লগারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা : শুভ জন্মদিন 'আহমাদ মোস্তফা কামাল'; শুভ জন্মদিন 'প্রিয়তমা' - একরামুল হক শামীম
- অনেক দিন পর বোর্হেসকে নিয়ে - রায়হান রাইন
- চট্টগ্রাম - War Cemetery (1939 - 1945 ) - তারার হাসি
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- মারফিসূত্র বা Murfy's Laws - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ফোবিয়া // ভীতি // আতঙ্ক সমূহ (সম্পূর্ণ) - মইন
- সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়ের ডায়েরি - ৩ - মিতুলদত্ত
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস,গল্প ও কবিতা সংকলনের তালিকা - ফারহান দাউদ
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- মনে হচ্ছিল আমি কোনো স্বপ্ন দেখছি..... - শেরিফ আল সায়ার
- শারদীয় পূজায় দেবতাদের ফটোস্টোরী দেখি আসুন---মনটাকে বড় করে, অজানা কিছু জানি - রাঙা মীয়া
- অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ - একরামুল হক শামীম
- ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ! - হমপগ্র
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - ব্রিগেড সিক্সটিন
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- জীবনানন্দ দাশ : কবিতায় খুঁজি বাংলার রূপ - একরামুল হক শামীম
- একদিন আমি- যা হবার তাই হোকনা - কি আসে যায় - দ্যা গ্রীম রিপার
- নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ফিরে আসা বলে কিছু নেই - মুকুল
- ভাইরাস ডিলিট করুন manually - অনিকেত প্রান্তর
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ৯ ( তোমার চোখ এতো লাল কেন--নির্মলেন্দু গুণ ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ”আমরা” যেখানে যেতে চাই ট্রেনটা সেখানে যাচ্ছেনা - অন্যমনস্ক শরৎ
- সৈয়দ শামসুল হক বললেন ভারত বিভাগ একটা ঐতিহাসিক শোকের ঘটনা - কৌশিক
- π (পাই) এর মান - তাজুল ইসলাম মুন্না
- কর্ণেল তাহেরর জবানবন্দি - চিলে কোঠার সেপাই
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
সুশীল সমাজের তামাশা
২০ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৫৫
প্রশ্ন : আপনারা সুশীল, দেশের বাদবাকি মানুষ কি কুশীল?
রাজনৈতিক সরকার যখন ক্ষমতায় ছিলো, তখন 'সুশীল সমাজের' চিৎকার চেঁচামেচিতে কান পাতাই দায় হয়ে দাঁড়িয়েছিলো। রাজনীতিবিদদের দিয়ে যে কিছুই করা সম্ভব নয়, রাষ্ট্র পরিচালনায় 'সুশীল সমাজের' অংশগ্রহণ যে খুবই জরুরী, সে কথা বলতে বলতে তারা প্রায় মুখে ফেনা তুলে ফেলেছিলেন। যোগ্য প্রার্থী আন্দোলন, সৎ প্রার্থী আন্দোলন ইত্যাদি নাম দিয়ে ক্রমাগত লেখালেখি প্রচার প্রচারণা করে তারা এ কথা বিশ্বাস করাতে সক্ষম হয়েছিলেন যে, সুশীল সমাজই এদেশের প্রকৃত কান্ডারি হওয়ার যোগ্য। পাঁচ বছর পর পর একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তিন মাসের রাষ্ট্রপরিচালনার 'সাফল্য' ছিলো এ ক্ষেত্রে তাদের সবচেয়ে বড় উদাহণ। সুশীলদের এইসব প্রচারণায় দেশের সংখ্যাগরিষ্ট দরিদ্র ও শ্রমজীবী জনগোষ্ঠী কোনো সাড়া না দিলেও ক্ষমতার পরিবর্তনে যারা মুখ্য ভূমিকা পালন করে সেই মধ্যবিত্ত-উচ্চবিত্তদের কাছে তাদের এইসব প্রোপাগান্ডা বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠেছিলো। যেহেতু মিডিয়া সব সময়ই তাদের পক্ষে এবং তাদেরই হাতে, তাই গত বছর দশেক ধরে তারাই হয়ে উঠেছিলেন এদেশের সবচেয়ে সরব ও মুখর অংশ। দেশ নিয়ে তাদের দুর্ভাবনার যেমন অন্ত ছিলো না, তেমনি রাজনীতিবিদদের ব্যর্থতা নিয়ে তাদের কণ্ঠস্বরও ছিলো খুবই সোচ্চার। আর এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে টিআইবি এবং সিপিডি। টিআইবি তাদের রহস্যময় গবেষণায় বারবার এদেশের কপালে 'শীর্ষ দুর্নীতিবাজ' নামক কলংক-তিলক এঁকে দিয়ে রাজনৈতিক সরকারের অক্ষমতা প্রমাণ করতে চেয়েছে। এই গবেষণাগুলো কীভাবে করা হয়, এর পদ্ধতি ও তথ্যসূত্রই বা কী- এ সম্বন্ধে দেশের মানুষ কোনোদিনই কিছু জানতে পারেনি। যে দেশের নব্বই ভাগ খেটে খাওয়া মানুষের দুর্নীতি করার কোনো সুযোগই নেই, নানারকম প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগ-দুর্বিপাকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, উদয়াস্ত পরিশ্রম করে যারা ফসল ফলায়, অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে কলকারখানা চালায়, তারা বিনা কারণেই এই কলংক-তিলক তাদের কপালে বহন করছে বছরের পর বছর ধরে। টিআইবি কখনোই বলেনি যে, দেশের এই নব্বই ভাগ 'সাধারণ' মানুষ তাদের এই তথাকথিত গবেষণার আওতাভূক্ত নয়। দেশের দরিদ্র-শ্রমজীবী-নিরপরাধ মানুষের কাঁধে দুর্নীতির দায়ভার চাপিয়ে টিআইবি যে অপরাধ করেছে, আমরা, সুবিধাভোগি মধ্যবিত্তরা, এ নিয়ে কোনো কথাই বলিনি। কারণ আমরা ভেবেছি, টিআইবি এবং এর হর্তাকর্তা ও তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা আমাদেরই লোক। সম্প্রতি তাদের গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে, গত এক বছরে দুর্নীতির মাত্রা কমেনি, বরং বেড়েছে। এর সপক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে টিআইবি-প্রধান অধ্যাপক মোজাফফর বলেছেন, এত বছরের জঞ্জাল একবছরে সরানো সম্ভব নয়! চাটুকারিতা আর কাকে বলে! এই মহান অধ্যাপককে কেউ জিজ্ঞেস করার সাহসই পাননি যে, কমানো না হয় নাই গেলো, অন্তত স্থির তো থাকতে পারতো! বাড়লো কেন? তাঁদের 'সুশীল সরকার' তাহলে করলোটা কি এই এক বছর? এর আগে কিন্তু এই অধ্যাপককে কখনো বলতে শুনিনি যে, এই যে দুর্নীতি হচ্ছে এগুলো হঠাৎ করে শুরু হয়নি। শুরু হয়েছিলো আগেই, প্রধানত সামরিক শাসক এরশাদের নেতৃত্বে! যাহোক সুশীল সমাজের এতসব চিৎকারের ধারাবাহিকতায়, নানা ঘটনা-দুর্ঘটনা পেরিয়ে আমরা গত বছরের শুরুতেই একটি সুশীল সরকার পেলাম। এই সুশীলরা আবার- সরকার প্রধানের ভাষায়- সামরিক বাহিনী সমর্থিত (আর্মি ব্যাকড গভর্মেন্ট)। চমৎকার! ষোল কলা পূর্ণ!! কোথাও কোনো সমস্যা নেই। দেশ এবার উন্নয়নের জোয়ারে ভেসে যাবে! যাচ্ছে বটে। গত এক বছরে দেশের হাল কী হয়েছে, এ কথা নতুন করে বলবার কিছু নেই। অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। সবকিছুর দাম কয়েকগুণ বেড়েছে। অসংখ্য শ্রমজীবী মানুষ তাদের কর্মসংস্থান হারিয়েছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। ইত্যাদি ইত্যাদি। ওদিকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সচিব বলছেন- বিদ্যুতের কোনো সংকট নেই, খাদ্যসচিব বলছেন- দ্রব্যমূল্য বাড়লেও মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। উদাহরণ স্বরূপ তিনি বলেছেন- রিকশা ভাড়া বেড়ে যাওয়ার কারণে রিকশাওয়ালারা এখন সিটের ওপর আরাম করে ফিলটার টিপড সিগারেট খেতে পারছে! অতএব আমরা যত সংকট সংকট করছি, দরিদ্র মানুষ নাকি ততটা ফিল করছে না!! (তাঁদের এইসব নসিহত ও বাণী নিশ্চয়ই আপনারা ইতিমধ্যেই টিভিতে দেখে ফেলেছেন।) ওদিকে আবার জনগণকে আলু খাওয়ার জন্য উৎসাহিত করতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবিরা টিভি ক্যামেরা ডেকে তাদের সামনে কাঁটাচামচ দিয়ে আলু খাওয়ার অভিনয় করেছেন!! (আমাদের জিজ্ঞেস করার সাহস হয়নি যে, গরীব মানুষ না হয় আলু যোগার করলো, তাদেরকে কাঁটাচামচ জোগাবে কে? নাকি কাঁটাচামচ শুধু আপনাদের জন্য, গরীরদের জন্য তো হাতই যথেষ্ঠ!) তাদের এতসব কাণ্ডকারখানা দেখে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, জনগণকে নানাভাবে অপমান করা এবং জনগণকে নিয়ে ঠাট্টা মশকরা বা তামাশা করার অধিকার তাদেরকে কে দিয়েছে? না, প্রিয় পাঠকগণ, কেউ দেয়নি, এই অধিকার তাদেরকে কেউ দেয়নি। এটা তাদের জন্মগতভাবে প্রাপ্ত হয়েছেন! সুশীল সমাজ নামটির মধ্যেই কেমন সুশীল সুশীল একটা ভাব আছে না?! কিংবা সিভিল সোসাইটি নামটির মধ্যে একটা সিভিলাইজড সিভিলাইজড ভাব! অর্থাৎ সমাজের এই সুবিধাভোগী, দুধ-ননী-ঘি খাওয়া কতিপয় সুশীল ছাড়া আর সবাই অর্থাৎ দেশের নব্বইভাগ মানুষ কুশীল! আনসিভিলাইজড!!
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): রাজনীতি ;
রাজামশাই বলেছেন:
সুশীল - হা হা হা
আলফ্রেড খোকন বলেছেন:
সুশীল সমাজ কিন্তু খ্যাপবে, বিশেষ করে প্রথম অন্ধকার পত্রিকাটি।দোস্ত প্রশ্নটা বেশ হয়েছে। লেখাটা পড়ে বলছি।
লেখক বলেছেন: আলফ্রেড দোস্ত, সুশীল সমাজ তো খেপতেও ভুলে গেছে। খাওয়া দাওয়া করে মোটাতাজা হচ্ছে। ওদের খেপাখেপি আমি পুছিও না!
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
দুই মহিলা চুলাচুলি করে নিজেরাও ডুবেছে, আমাদেরও ডুবিয়েছে, আর দেশ তো বহু আগেই ডুবে আছে। কোন সমাজই আমাদের উদ্ধার করতে পারবে না। আমাদের ব্যবস্থা আমাদের নিজেদেরই করতে হবে। আসুন প্রথমবারের মতো আমরা আগামী নির্বাচনে সৎ লোককে ভোট দেই। (যদি ভোট হয়, যদি সৎ লোক ভোটে দাঁড়ায়।)
লেখক বলেছেন: ভাই শামীম, সৎ লোকের সংজ্ঞা কি?
সুতরাং বলেছেন:
সুশীল শব্দটা শুনলে এখন রাজাকার শব্দের মতো ঘৃণা উদ্রেক করে। আমাদের দেশের মানুষের বর্তমান অবস্থা কতটা নাজুক- সেটা বোঝা যায় রাস্তায় নামলে। রাস্তায় না নামলেও বোঝা যায় নিজেকে এবং আশপাশের লোকজনদের দেখলে। অথচ ১ বছর আগেও এই পরিস্থিতি ছিল না। হায়, মধ্যবিত্ত! তোমার কষ্ট কেউ বোঝে না।
লেখক বলেছেন: শাওন, অন্তত ঘৃণা তো করতে শিখেছি আমরা, তাই বা কম কিসে?
মূর্তালা রামাত বলেছেন:
লেখাটা ধারাবাহিক লিখলে ভালো হয়।
লেখক বলেছেন: আর কতো ধারাবাহিক ভাই? অনেক তো লিখলাম। তবে মাঝে মাঝে দু-চার কলম লেখা যায় এ বিষয়ে!
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
সুশীল সমাজ নিয়ে হুমায়ুন আজাদের একটা লেখা পড়েছিলাম। সুশীল সমাজের আশ্চর্য রকমের অসাধারণ একটা সংজ্ঞা দিয়েছিলেন তিনি, এমুহূর্তে মনে পড়ছেনা (বইটার নাম "আমার নতুন জন্ম")।
রাজামশাই বলেছেন:
নেতার চরিত্র বর্ননা কন - ৫০ নম্বর
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
একসাথে অনেক মন্তব্য! আলফ্রেড দোস্ত, সুশীল সমাজ তো খেপতেও ভুলে গেছে। খাওয়া দাওয়া করে মোটাতাজা হচ্ছে। ওদের খেপাখেপি আমি পুছিও না!
শাওন, অন্তত ঘৃণা তো করতে শিখেছি আমরা, তাই বা কম কিসে?
ভাই শামীম, সৎ লোকের সংজ্ঞা কি?
রাজামশাই ও প্রবাসকণ্ঠ, ধন্যবাদ আপনাদের।
সুন্দর সমর বলেছেন:
'কামাল তুনে কামাল কিয়া ভাই!'
লেখক বলেছেন: হা হা হা...
স্বপ্নশিকারী বলেছেন:
এরা হইলো ফাজিল সমাজ।
আলফ্রেড খোকন বলেছেন:
হ্যা কামাল, পড়লাম। শুশীল সমাজের ইংরেজি যদি সিভিল সোসাইটি হয়, তবে আমার আবার দাত না থাকায় স এর উচ্চারণ চ হইয়া যায়। লেখাটার জন্য তোকে অভিনন্দন!
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
সুধী বলেছেন:
সুশীল সমাজ ইংরেজী সিভিল সোসাইটির বাংলা প্রতিশব্দ। ইংরেজী সিভিল সোসাইটির সংঞ্জা বা ব্যাখ্যা কি জানিনা।তবে বাংলায় সুশীল সমাজ বলতে যা বুঝি তা হলো
১. সাম্রাজ্যবাদী শক্তির মদদে দেশকে, দেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করার পরিকল্পনায় নিয়োজিত দেশের একদল বিদেশী অনুচর
২. যারা ক্রমাগত মিথ্যা তথ্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করে এবং বিদেশে দেশের মর্যাদা ক্ষুন্ন করে
৩. যারা সামরিক বাহিনীর শক্তি বৃদ্ধির তীব্র বিরোধী, কিন্তু সামরিক বাহিনী কর্তৃক দেশের ক্ষমতা দখলের পক্ষে
৪. যারা ক্রমাগত মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে অস্থিতিশীলতা তৈরির মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকারকে নাজেহাল করে, গণতন্ত্রের স্বাভাবিক বিকাশকে রুদ্ধ করে এবং অগণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় আনে
৫. যারা অগণতান্ত্রিক সরকারকে সমর্থন দিয়ে দেশে বিদেশে নানা সুযোগ সুবিধা বাগিয়ে নেয়
৬. যাদের নিয়ন্ত্রিত পত্রিকা গণতান্ত্রিক সরকারের সময় বেগুনের দাম বাড়লে ফ্রন্ট পেজে 'বেগুনের কেজি ৮০ টাকা!' শিরোনামে বক্স নিউজ ছাপে, অথচ অগণতান্ত্রিক সরকারের আমলে চালের দাম বাড়লে 'এটাই স্বাভাবিক' বা 'এতে সরকারের কিছু করার নেই' শিরোনামে অবিরাম খবর ছাপতে থাকে
৭. তারা তীব্র দেশ বিরোধী ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তির ক্রীড়নক হওয়া সত্ত্বেও অন্যের দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তোলে
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
ব্লগিয় জামাত থিকা সাবধান।
সুদৃষ্টি বলেছেন:
সু শীল মানে ভাল নাপিত কে যেন বলছিল আমার মনে নাই।
আহসান জামান বলেছেন:
চমৎকার।
না বলা কথা বলেছেন:
ঠিক।


















