আমার প্রিয় পোস্ট

বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি

২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৪:১৬

শেয়ারঃ
0 1 0

[খামোখা একটা পোস্ট দিচ্ছি। এই দাবদাহের সময় বৃষ্টি নিয়ে লেখা! কপালে কী আছে কে জানে! অবশ্য, কেউ পড়বেন না এই ভরসায় দিচ্ছি। আসলে মনটা ভালো নেই। ছোটবেলার কথা মনে পড়ছে, তাই এই লেখা।]

'পৌষের কোনো এক বৃষ্টিভেজা মধ্যরাতে এদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম হয়েছিলো আমার, মায়ের কাছে শুনেছি। হঠাৎ বৃষ্টির সেই শীতের রাতে আঁতুর ঘরে মার পাশে দাইমা নামক আমার অ-দেখা এক মহিলা ছাড়া আর কেউ ছিলো না। উঠোনে রেখে দেয়া প্রয়োজনীয় সাংসারিক অনুষঙ্গ বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাতে দাইমা বাইরে গেলে প্রায়ান্ধকার ঘরে জন্ম হয়েছিলো আমার।
জন্মেই দেখেছিলাম, আমার চারপাশে কেউ নেই- মা ছাড়া।
আজ, এই এতদিন পর- আমার চারপাশে সহস্র মানুষের ভিড়- তবু মার কাছে ফিরতেই ভালো লাগে আমার।'

আমার প্রথম বই- 'দ্বিতীয় মানুষ'-এর উৎসর্গ পাতায় লেখা আছে কথাগুলো। যারা দু-এক কলম লেখেন, তাদের মধ্যে আবার যাদের দু-একটা বই প্রকাশের সৌভাগ্য হয়, তারা জানেন-- অন্তত প্রথম বইটি উৎসর্গিত হয় তাঁর প্রতি, যাঁর কাছে অপার ঋণ জমে আছে, যে ঋণ কোনোকিছু দিয়েই শোধ করা যায় না। আমার প্রথম বইয়ের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। কিন্তু উৎসর্গটি ওভাবে লিখেছিলাম শুধু ঋণ প্রকাশের জন্য নয়, একইসঙ্গে বহু মানুষের ভিড়ে আমার নিঃসঙ্গতা আর বৃষ্টির সঙ্গে আমার সম্পর্কের কথা বলার জন্যও বটে। সেই যে বৃষ্টির রাতে জন্ম, তারপরও জীবনের বহু বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সঙ্গে এমন হঠাৎ-বৃষ্টি জড়িয়ে আছে।

মায়ের মুখে সেই জন্ম-বর্ণনা, আহা, কী যে মধুর লাগে শুনতে--

'তোর জন্ম তো শীতের রাতে। বাইরে ফুটফুটে জোসনা, এমনকি জোসনার দাপটে কুয়াশাও পালিয়েছে'-- দারিদ্রপীড়িত সংসারের মধ্যবিত্ত রূপটি ধরে রাখার প্রাণান্ত চেষ্টায় রত আমার আটপৌরে মায়ের কণ্ঠে যেন কবিতা ঝরে পড়ে-- 'ঘরে তখন দুদুর মা (আমার দাই মা) ছাড়া আর কেউ ছিলো না। আঁতুর ঘরে তখন আর কারো থাকার নিয়মও ছিলো না। হঠাৎ, কী কাণ্ড, শুনি, টিনের চালে বৃষ্টির শব্দ! আমি বললাম, ও দুদুর মা, বাইরের সবকিছু মনে হয় ভিজে গ্যালো, দ্যাখো তো! বুঝিস না, মাটির চুলায় রান্না হতো, খড়ি-লাকড়ি সব বাইরেই রাখা। শীতের দিনে কি কেউ বৃষ্টির কথা চিন্তা করে ওসব ঘরে তুলে রাখে নাকি! এখন যদি সব ভিজে যায়, কালকে রান্না করতে অসুবিধা হবে। দুদুর মা বাইরে গেলো, কিন্তু সবকিছু গুছিয়ে টুছিয়ে ফেরার আগেই তোর জন্ম হলো। বুঝলি, তোর জন্মের সময় ঘরে আর কেউ ছিলো না। যেন এই কাণ্ডটি ঘটানোর জন্যই শীতের রাতেই অমন খা খা জোসনার মধ্যেও বৃষ্টি এসেছিলো।'

'কেন মা, শীতের রাতে বুঝি বৃষ্টি হয় না!'

'হতে পারে, তবে সাধারণত হয় না। তাছাড়া ওই রাতে বৃষ্টির কোনো লক্ষণই ছিলো না। বললাম না, ফুটফুটে জোছনা ছিলো, মেঘের ছিটেফোঁটাও ছিলো না। আবার দ্যাখ, হঠাৎ যেমন ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি এসেছিলো, তেমনি হঠাৎই চলে গ্যালো। ওই কয়েক মিনিটের জন্য।'

মায়ের মুখে এই বর্ণনা কতোবার যে শুনেছি তার হিসেব নেই। হয়তো এজন্যই শীতের রাত, জোছনা, বৃষ্টি এই বিষয়গুলো আমাকে নানাভাবে উদ্বেলিত করে, এদের মধ্যে সম্পর্কসূত্র খুঁজে বেড়াই। কখনো পাই, বেশিরভাগ সময়েই পাই না।

একদিনের কথা বলি : আমাদের গ্রামের বাড়িটা ছিলো পদ্মার পাড়ে (সেই বাড়ি এখন নেই, পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে)। তো, বাড়িটা যতোদিন ছিলো, ততোদিন আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় ছিলো ওই নদী। ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটেছে পদ্মার পাড়ে বসে। কিন্তু যে সময়ের ঘটনা বলছি, তখন আমি কিশোর ছিলাম, অনির্দিষ্ট সময় ধরে নদীর পাড়ে বসে থাকার স্বাধীনতা ছিলো না। আমাদের বাড়ির কঠোর নিয়ম ছিলো- সন্ধ্যার মধ্যে অবশ্যই বাড়ি ফিরতে হবে। বিশেষ করে ছোটরা সন্ধ্যার পর কোনোভাবেই বাইরে থাকতে পারবে না। তো সেদিন, প্রতিদিনের মতোই, আমি বিকেলে গেছি পদ্মার পাড়ে। সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসার কথা- কিন্তু ফেরা হলো না। সন্ধ্যা হতে না হতেই বিরাট এক চাঁদ উঠলো আকাশে, আর একটু পরই শুরু হলো চাঁদ ও নদীর এক অপরূপ খেলা। নদীর ঢেউয়ে চাঁদের আলো পড়ে ভেঙে ভেঙে যাচ্ছে, আর চিকচিক করে উঠছে এমনভাবে যেন হাজার হাজার হিরকখণ্ড কেউ ছড়িয়ে দিয়েছে পদ্মার জলে। আরও মজা শুরু হলো খানিক পরই। প্রায় বিনা নোটিশে বৃষ্টি নেমে এলো ঝমঝমিয়ে। জোসনা রাতে বৃষ্টি হয় না, এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল- আমি আমার জীবনে বহুবার হতে দেখেছি। যাহোক, নদীর নিজস্ব শব্দ, বৃষ্টির শব্দ, আর চাঁদের আলো এই তিন মিলে এমন এক ঘোর তৈরি করলো যে, আমি যে ভিজে একাকার হয়ে গেছি, বাড়িতে গিয়ে বকা শুনতে হবে সেটা ভুলেই গেলাম। যখন বাড়িতে ফিরলাম ততক্ষণে দুশ্চিন্তা শুরু হয়ে গেছে। একে তো রাত করে বাড়ি ফিরেছি, তার ওপর কাপড়-চোপর ভেজা, কপালে মার আছে বলে মনে হলো। আমার বড় আপা ছিলো ভীষণ রাগী মহিলা, রাগারাগি-বকাবাজি শুরুও হয়ে গিয়েছিলো, কিন্তু মা তাকে থামালো। আমি অপেক্ষা করে ছিলাম কখন মা বকবে, কিন্তু মা কিছুই বললো না। রাতে যখন শুতে গেছি তখন মা আমার পিঠে হাত বুলাতে বুলাতে জিজ্ঞেস করলো--

'ফিরতে এত দেরি করলি যে, কোথায় গিয়েছিলি?'
'পদ্মার পাড়ে।'
'ওখানে তো রোজই যাস, কোনোদিন তো দেরি করিস না, আজকে করলি কেন? বৃষ্টিতেও তো ভিজেছিস!'

আমি নদী-চাঁদ-বৃষ্টির কম্বিনেশনে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিটা মাকে বোঝাতে চেষ্টা করলাম। কিন্তু মনে হচ্ছিলো কিছুতেই পরিস্থিতিটা বর্ণনা করতে পারছি না, কী এক ঘোর যে তৈরি হয়েছিলো সেটা কিছুতেই বোঝাতে পারছি না। বোঝাতে না পেরে আমি একসময় কাঁদতে শুরু করলাম।
মা আমার মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বললো-

'কাঁদছিস কেন? আমি তো তোকে বকাবাজি করিনি। করেছি'
'আমি সেজন্য কাঁদছি না মা।'
'তাহলে কাঁদছিস কেন?'
'আমি তোমাকে বোঝাতে পারছি না, বোঝাতে পারছি না... '
'কি বোঝাতে পারছিস না?'
'কী যে হয়েছিলো, মানে কেন আমি ফিরতে পারলাম না... '
'তাহলে তোর কাঁদাই উচিত'-- মা নির্বিকারভাবে বললো-- 'যা বলতে চাস সেটা না বলতে পারলে কাঁদাই উচিত ।'

তখন কথাটার মানে বুঝিনি। এখন মনে হয়, মা আসলে বলেছিলেন-- যে কমিউনিকেট করতে পারে না, তার কাঁদাই উচিত।

সেই থেকে আমি কমিউনিকেট করার চেষ্টা করে যাচ্ছি, কিছু একটা বোঝাতে চাইছি। পারছি না। পারছি না বলে কেঁদে চলেছি। কেউ তা দেখতে পায় না। নিঃশব্দ-অন্তর্গত এই কান্না।

জোছনা ও বৃষ্টির এই কম্বিনেশন হয়েছিলো আবার বাবার মৃত্যুর দিনও। নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে বাবা মারা গেলেন। সেটিও ছিলো জোছনাপ্লাবিত রাত। কিন্তু বাবা মারা যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই শুরু হলো বৃষ্টি। প্রায় সারারাত ধরে ঝিরঝির বৃষ্টি হতেই লাগলো, অথচ জোছনা ম্লান হলো না, চাঁদ ঢাকা পড়লো না মেঘের আড়ালে!

এইরকম নানারকম বৃষ্টিমুখরিত জোছনাপ্লাবিত ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় ভরে আছে আমার জীবন। বর্ণনা করে যা শেষ করা যাবে না।

মানুষের সারাটি জীবন নিয়ন্ত্রিত হয় তার শৈশব-কৈশোর অর্থাৎ বেড়ে ওঠা দিয়ে। আমার নিজের ক্ষেত্রে অন্তত এটি প্রবলভাবে সত্য। আগেই তো বলেছি, যে বাড়িতে আমার জন্ম ও শৈশব-কৈশোর কেটেছে, তার কাছেই ছিলো পদ্মা। বর্ষার সময় পানি বাড়লে নদীর দু-কূল ছাপিয়ে মাঠঘাট ভেসে যেতো। গ্রামের তখন অন্য রূপ- এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে যেতে হতো নৌকায় করে। বৃষ্টিতে ভেজা তখন কেবল একবেলার রোমান্টিসিজম নয়, বরং নিত্যদিনের সঙ্গী। বর্ষাকালের এমন একটি দিনও বোধহয় যায়নি, যেদিন আমরা বৃষ্টিতে ভিজে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে গোসল করিনি। শৈশব-কৈশোরের যে কয়টি জিনিসের সঙ্গে আমার প্রেম, বৃষ্টি তাদের একজন। এর আগের একটি পোস্টে আমি গৌতম বুদ্ধের সঙ্গে চাঁদ ও জোছনার সম্পর্কের কথা বলেছিলাম। চাঁদের সঙ্গে যে প্রেম পর্যন্ত হতে পারে, বুদ্ধই তার উজ্জ্বলতম উদাহরণ। সত্যিই তো! মানুষের সম্পর্ক কি শুধু মানুষের সঙ্গেই হয়? একটি গাছের সঙ্গে হয়না? কিংবা একটা নদীর সঙ্গে? ব্রক্ষ্রপুত্রের সঙ্গে কি জয়নুলের কোনোই সম্পর্ক ছিলো না? কিংবা বৃষ্টির সঙ্গে? বৃষ্টি দেখলে যে কিছু কিছু মানুষ পাগল হয়ে যায়, তার কারণ কি? কিছু লোক সবসময়ই বৃষ্টিতে ভিজতে পছন্দ করে- এটাকে স্রেফ রোমাঞ্চ হিসেবে বিবেচনা করলে বিষয়টিকে খণ্ডিত করে দেখা হয়। বরং বলা উচিৎ ওই লোকটাও বৃষ্টিকে ভালোবাসে- বৃষ্টিতে ভেজা তাই তার কাছে বৃষ্টিকে আলিঙ্গন করার মতো। অন্তত আমার কাছে ব্যাপারটা ওরকমই। আমিও বৃষ্টিকে আলিঙ্গন করি।

যাহোক, অনেক ব্যক্তিগত কথকতায় ভরা এই লেখায় আরেকটি ব্যক্তিগত ঘটনার কথা বলে প্রসঙ্গ শেষ করা যাক। আগেই বলেছি, আমার জীবনের বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সঙ্গে বৃষ্টির একটা সম্পর্ক আছে। সেসব ঘটনার অধিকাংশই ছিলো আমার জীবনের টার্নিং পয়েন্ট। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আমি যে মেয়েটির প্রেমে পড়েছিলাম (আমি অবশ্য একাধিকবার প্রেমে পড়েছি, কিন্তু এই একটি মাত্র মেয়ের সঙ্গে সারাজীবন পাশাপাশি থাকতে চেয়েছিলাম! তবে মজার ব্যাপার হলো মেয়েটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে তা জানানোই হয়নি), তার সঙ্গে খুব আকস্মিক এবং অনিচ্ছাকৃত বিচ্ছেদ ঘটে আমার। বাড়ি থেকে খবর আসে যে, তার মা খুব অসুস্থ। সে বাড়িতে মাকে দেখতে গিয়ে আর ফিরে আসতে পারেনি। মৃতু্যপথযাত্রী মায়ের কথা রাখতে সে বিয়ের পিঁড়িতে বসে। তো যেদিন ও বাড়িতে যায়, আমার সঙ্গে সেদিন তার দীর্ঘ-দীর্ঘ কনভারসেশন হয়। খরাতপ্ত চৈত্রের দুপুর ছিলো সেটি। সম্ভবত কয়েকবছরের মধ্যে সেটিই ছিলো সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী খরা। বৃষ্টির জন্য, একটু মেঘমেদুর আবহাওয়ার জন্য সারাদেশ তখন কাঁদছে। পুড়ে যাচ্ছে গাছপালা, ফসল, আর মানুষের জীবন। তো, যেহেতু পরস্পরকে ভালোবাসা-ভালোলাগার কথাটি তখনও না বলাই থেকে গেছে, আমি ওর মুখ থেকে সেটা শুনতে চাচ্ছিলাম। কিন্তু ও ছিলো খুব বিষণ্ন হয়ে, জানি না আমাদের আসন্ন বিচ্ছেদের ব্যাপারটা ও আগেই আঁচ করতে পেরেছিলো কী না! কীভাবে ওর মুখ থেকে কথাগুলো শোনা যায় ভাবতে ভাবতে আমি ওকে বললাম-

'এই যে তুমি কিছুই বলছো না, তার কারণ তুমি এই শহরের পরিচিত গণ্ডির মধ্যে থেকে নিজের মনের দরজা খুলতে পারছো না। অথচ, মনে করো, তুমি এই শহরে নও, আছো নির্জন বনভূমির মধ্যে কোনো এক বাংলোয়। একা নও, ধরা যাক আমার সঙ্গেই আছো। তখন যদি তুমুল বৃষ্টি নেমে আসে, আর তোমার ভেতরের কান্নার সঙ্গে যদি বৃষ্টির কান্না মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়, তখন দেখবে- এমনিতেই সব কথা বেরিয়ে আসছে ভেতর থেকে, অর্গল খুলে যাবে, অবচেতনের দেয়াল দুর্বল হয়ে যাবে... '

ও নিঝুম হয়ে কথাগুলো শুনছিলো। আমার কথা শেষ হতে একটু হেসে বললো- 'সবকিছু রোদে পুড়ে যাচ্ছে আর আপনি বলছেন বৃষ্টির কথা। আপনি যে কী না! '(তখনও সে 'আপনি' থেকে 'তুমি'তে আসেনি।)

আমাদের কথা থামলো না, বরং ডালপালা ছড়িয়ে মোকাররম ভবনের করিডোর ছেড়ে সেই কথাগুলো আকাশে ডানা মেললো। তারও অনেকক্ষণ পর খেয়াল করলাম, আকাশ কালো হয়ে এসেছে। কিছুক্ষণ পরই ঝড়ো হাওয়া আর তুমুল বৃষ্টি শুরু হলো। হাওয়ায় ওর চুল আর আঁচল উড়ে এসে আমার চোখে-মুখে পড়ছিলো। কিন্তু ও ছিলো ভ্রুক্ষেপহীন। বিষণ্ন। একা। ওর চোখে ঘনিয়ে এসেছিলো স্বপ্ন। অথবা ঘোর। অথবা মেঘমেদুর বিকেলের ঘন ছায়া। প্রায় শোনা যায় না, এমনভাবে, ফিসফিস করে ও বললো-
'দেখেছো, প্রকৃতি তোমার কথা শুনেছে!' (এই প্রথম সে আমাকে তুমি করে বললো, আমার শরীর জুড়ে শিহরণ বয়ে গেলো।)
'প্রকৃতি তো শুনলো, মানুষটি যে শুনছে না!'
'মানুষটি তো অনেক আগেই শুনেছে, তুমি বোঝোনি?'
'না বোঝালে কি করে বুঝবো?'
'শুধু কি কথা শুনেছে, সে তো তার সর্বস্ব তোমাকে দিয়ে বসে আছে'-- বলতে বলতে ওর ঘোরলাগা চোখ ভরে উঠলো জলে।
জলভরা চোখ নিয়ে ও চলে গেলো।

তার বহুদিন পর, ওর সঙ্গে হঠাৎ যেদিন দেখা হলো, সেদিনটিও ছিলো বর্ষণমুখর আর চোখ ভরে ছিলো জলে।

অতঃপর আবার কোনো এক বৃষ্টিমুখর সন্ধ্যায় চিঠিবিহীন এই যুগে মোবাইল ফোনে এসএমএস-চিঠি লিখি অন্য এক বন্ধুকে-

'এখানে তুমুল বৃষ্টি এখন। খানিকটা অসুস্থতা নিয়ে শুয়ে আছি- একা। দমকা হাওয়ায় বৃষ্টির ছাট এসে আমার চোখ-মুখ ভিজিয়ে দিচ্ছে, মনে হচ্ছে প্রকৃতি যেন তার করুণা-মমতা-ভালোবাসার জল ছিটিয়ে দিচ্ছে তার নিঃসঙ্গ সন্তানের চোখেমুখে। আমার ভালো লাগছে। ...বাড়ির কথা মনে পড়ছে...আমার চোখ ভিজে উঠছে।'

উত্তর আসে--

'আপনি তো দেখছি মহাকবি কালিদাস! মেঘবৃষ্টি হলেই আমার কথা মনে পড়ে!...মা কিংবা বাড়ির কথা মনে হলেই আপনি আমাকে এসএমএস করেন। আমারও মন খারাপ হয়ে যায়। এক দৌড়ে বাড়ি যেতে ইচ্ছে করে। আমাদের বাড়ির উঠোনে বিশাল একটা বকুল গাছ আছে। আর কদিন পরই বকুল ফুল পড়ে উঠোনটা সাদা হয়ে যাবে। আর কী যে গন্ধ! খুব টানে আমাকে। আমার টিপের প্যাকেটে ওই বকুল গাছটার দুটো পাতা রেখে দিয়েছি। পাতা দুটো হাতে নিলে গা শিরশির করে ওঠে আমার।'

বন্ধুর এসএমএস আমার মন খারাপ করিয়ে দেয় নতুন করে। আমরা দুজনই অথবা আমাদের মতো আরো অনেকেই হয়তো বাড়ি ফিরতে না পারার যন্ত্রণা বুকে নিয়ে ঘুরে বেড়াই। কেউ রেখে দিই বকুল গাছের দুটো পাতা, কেউ কেবলই স্মৃতি।

আর অনেকদিন পর শহরে বৃষ্টি নেমে এলে ভাবি, কতোদিন পর আজ বৃষ্টি হলো! কতোদিন! কতো যে মুখ ভেসে ওঠে চোখে! কতো স্মৃতি! তুমুল বৃষ্টিতে বাড়ির উঠোনে ভাইবোনদের সঙ্গে কাঁদা ছোঁড়াছুড়ি খেলছে অথবা টিনের চালে বৃষ্টির শব্দ শুনতে শুনতে আর ঘরে থাকতে না পেরে উঠে গিয়ে বৃষ্টির পানি হাতে-মুখে মেখে নিচ্ছে যে কিশোর, আমার বন্ধু আহসান কবীর জামানের সঙ্গে রিকশায় যেতে যেতে হঠাৎ বৃষ্টি এলে ওর আপত্তি অগ্রাহ্য করে রিকশার হুড না ফেলেই বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে আর হেড়ে গলায় গান গাইতে গাইতে চলেছে যে তরুণ, অথবা তপ্ত খরার পর একটানা বৃষ্টির মধ্যে প্রিয়তম মানুষটির সঙ্গে কথা বলে চলেছে ওই যে যুবক তাকে কেন এত চেনা লাগছে? ওইসব জীবন কি কখনো আমার ছিলো?

বাইরে বৃষ্টির শব্দ বাড়ে। অনেকক্ষণ শুয়ে থেকে একসময় জানালায় গিয়ে দাঁড়াই। নিরবিচ্ছিন্ন বৃষ্টিতে ধুয়ে-মুছে যাচ্ছে চরাচর। এই শহরের সমস্ত ক্লান্তি, জঞ্জাল, পাপ, বেদনা, আর হাহাকার কেন ধুয়ে মুছে যায় না? কী তুমুল, অহংকারী, একরোখা, জেদী বৃষ্টি। বৃষ্টির ছাঁট এসে ভিজিয়ে দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তা গ্রাহ্যের মধ্যেই আসে না আমার। মনে হয়, আমাদের গ্রামে ঠিক এইরকম বৃষ্টি হতো। বিড়বিড় করে আমি কেবল বলতে থাকি, উদাসপুর - আমি তোমার কাছে যাবো।

 

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:১৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৪:২৫
বিবর্ণ বলেছেন: ওরে মা'গো রে এই পোষ্ট যুদি খামখা হয় তয় ব্লগ তো অচল হইয়া যাইব.................
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: খামোখা মনে হচ্ছিলো আর কি! আপনার হয় নাই, সেজন্য ধন্য হইলাম।

২. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৪:২৫
ফারহান দাউদ বলেছেন: খুব,খুব বেশি ভাল। ঠিক যেন বৃষ্টির গন্ধ,বারবার আলিঙ্গন করার মত। লেখাটা তাই শোকেসে রেখে দিলাম।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৩৬

লেখক বলেছেন: কী, বলবো! ভালো লাগার উত্তরে বোধহয় ধন্যবাদ শব্দটা খুব বেমানান শোনায়!

৩. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৪:৪১
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: দারুন লাগলো.......
পড়েই গেলাম শুধু।সত্যিই অসাধারন।প্রিয়তে থাকলো।
ভালো থাকবেন।শুভেচ্ছা।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৩৭

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা আপনাকেও। আগেও বলেছি, ভালো লাগার উত্তরে ধন্যবাদ শব্দটা বোধহয় খুব বেমানান শোনায়!

৪. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৪:৪৬
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: দাবদাহে, বৃষ্টি কি একটু প্রশান্তি এনে দেয় না ?
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৩৮

লেখক বলেছেন: দেয় তো! কিন্তু এই লেখা নিশ্চয়ই সেটি দিচ্ছে না!

৫. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৪:৫৩
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
এততো ভালো লিখলেন কি করে আগে সেটা বলুন তো!
দারুণ লাগল। মনে হল বৃষ্টিতে ভিজলাম।
+ এর বৃষ্টি আপনার জন্য।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪০

লেখক বলেছেন: আবারও বলি, ভালো লাগার উত্তরে ধন্যবাদ শব্দটা বোধহয় খুব বেমানান শোনায়! এই লেখা এতটা পছন্দ করবেন, ভাবতেও পারিনি।

৬. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৫:১২
সব্যসাচী বলেছেন: অসাধারণ।... লেখার স্টাইলটা ব্যাপক পছন্দ হয়েছে।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪১

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।

৭. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৫:১৬
হনলুলু বলেছেন: ভাল্লাগছে .............
পেলাচ
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪৩

লেখক বলেছেন: পেলাচ পাইয়া আমারও ভাল্লাগছে!!

৮. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৫:৫৯
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: রোমান্টিসিজমের চূড়ান্ত।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪৪

লেখক বলেছেন: তা বটে! মাঝে মাঝে রোমান্টিসিজমের চূড়ান্ত করা ভালো তো! আপনার কি মনে হয়?

২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন: এই ছবিটি কার? তাকানোর ভঙ্গিটা অসাধারণ! (আপনার 'অসাধারণ'-এর উত্তর!)

১০. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৭:৪১
সব্যসাচী বলেছেন:
বৃষ্টির কিছু কিছু রাত আমায় খুব ভাবায়।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪৮

লেখক বলেছেন: যা ভাবেন সেটা বলেননি কেন? এইসব তো আমাদের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে, লিখে ফেললেই হয়।

১১. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:২৭
ইফতেখার ইনান বলেছেন: সুন্দর... প্রিয় পোস্টে এড করলাম্।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪৯

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।

১২. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:০৫
মনচলি বলেছেন:
অসাধারণ!

(একটা পুরো বাক্য তৈরির জন্য এই মূহুর্তে আর অন্য কোন শব্দ খোজে পাচ্ছিনা)
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:০২

লেখক বলেছেন: আপনার না বলা কথা বুঝে নিলাম। থ্যাংকস!

১৩. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৩১
বৃত্তবন্দী বলেছেন: বাক হারা....
আনন্দ... কষ্ট...
দুটোতেই।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: আমিও বাকহারা! উত্তর দিতে পারছি না!

১৪. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৩৫
রবিউলকরিম বলেছেন: এত মিথ্যা কথা একজন মানুষ লেখে কেমন করে? তাও আবার এমন মিথ্যা যাকে আবার সত্য বলে মেনে নিতে ইচ্ছে করে। চালিয়ে যা বন্ধু। তোর সুন্দর মুখের আড়ালে এত পাপ জমা ছিল জানতাম না!আরো ভোরের প্রতীক্ষায় থাকলাম।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:০৭

লেখক বলেছেন: লোকে বলে, বন্ধুরাই সবচেয়ে বড় শত্রু আসলে। তুই তার বড় প্রমাণ... (এইখানে একটা গালি হবে, যা খুশি ভেবে নে।)... এগুলো মিথ্যে না রে দোস্ত। পাপ আছে তোর মনে, এই জন্যে সব জায়গায় পাপ দেখতে পাস। তুই একটা পাপী, নরাধম! তুই একটা সমালোচক!! (স্যামুয়েল বেকেট বলেছেন, জগতের শ্রেষ্ঠতম গালি 'সমালোচক'!!)

১৫. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:২৫
রবিউলকরিম বলেছেন: তুই আবারও মিথ্যা কইলি। আমি ছাড়া কি তোর কোনো দুঃখ নাই? আর সমালোচনা করি সেটা তো তোর ভাগ্য?(আমার নয়) হাঃ হাঃ হাঃ। নারে দোস্ত ফান করছিলাম। তোর শক্তিমত্তারই গুণগান করছিলাম। জয়(হাসিনার পোলা না) গান(বন্দুক না) গাই(গরু না) ।
১৬. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৪৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ভোররাতে আপনি পোস্ট দেয়ার পর শুতে গিয়েছি , হঠাৎ সেলফোনে কি মনে করে ব্লগটা আবার খুললাম , আপনার লেখাটা পড়া শুরু করেছি , পড়ছি পড়ছি .............

অনেকটা সময় কেটে গেছে , আমি বুঝতেই পারিনি , শেষ হওয়ার পর মনে হয়েছে এমন লেখা অনন্তকাল ধরে পড়া যায় ।

আমার প্রিয়পোস্টে না রাখলে আপনার কাছে ঋণ শোধ হবে না
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বললে নিজের কাছেই ছোট হয়ে যাবো। কিন্তু আর কিই বা বলতে পারি! এই পোস্টটাকে আমি নিতান্তই এলেবেলে লেখা মনে করেছিলাম! ব্যক্তিগত কথাবার্তা তো!

১৭. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:২৩
রুবেল শাহ বলেছেন: লেখাটা অনেক বড় তাই নেটে বসে পড়ার সময় আমার হয়নি--
প্রিন্ট করে নিয়েছিলাম গত কাল বাসায় যাবার সময় গাড়ীতে বসে পড়ার জন্য। কিন্তু কিছুতেই মনে করতে পারছিলাম না কোথা হতে নিলাম-----------

সাজিপু প্রিয়তে দেখে হঠাৎ মনে হল এই মাত্র---------
বৃষ্টির কথা গুলো পড়ে লেখাটা এতই জীবন্ত লাগলো মনে হচ্ছিল এখনিই বৃষ্টি হবে টিনের চালে বৃষ্টির শব্দ শুনতে পাব আমি যেন ---

+

শুভেচ্ছা থাকলো----
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৪১

লেখক বলেছেন: আপনার জন্যও শুভেচ্ছা রইলো। ওই অনুভূতিটা ফিরে এলো একটি লেখা পড়ে, একজন লেখকের কাছে এটা এক বিরাট প্রাপ্তি।

১৮. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৩২
সলিল বলেছেন: আমার জীবনের খুব দামি কিছু স্মৃতি বৃষ্টির সৌজন্যে পাওয়া.........

ঢাকা শহরটা এখন একটা গনগনে চুল্লী...
এখানে এখন আর বৃষ্টি নামে না......বৃষ্টি শুধুই মনে মনে

স্যার, আপনার জন্য বহুদিন পর বৃষ্টির শব্দ শুনলাম, সোঁদা মাটির গন্ধ পেলাম......

২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনার কমপ্লিমেন্ট বহুদিন মনে রাখবো আমি। একজন লেখক বোধহয় এরচেয়ে বেশি কিছু চায় না।

১৯. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:২৪
নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন: কী অসাধারণ! আমি আগে ভাবতাম বৃষ্টি আর জোছনা বোধ হয় স্বর্গ ছাড়া কোথাও পাব না। মাঝেমধ্যেই এদুটোকে একসাথে করে কল্পনা করতাম। আপনার এই লেখা আমার কল্পনাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

.......বৃষ্টির প্রতি আমার যে সীমাহীন আবেগ, সেটা আর কোন কারোর বা কিছুর প্রতি নেই। এটা আমার জন্মান্তরের সেই আবেগ ছুঁয়ে গেল।


প্রিয়তে রাখলাম।
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। বৃষ্টির প্রতি আবেগটা আপনার নিকনেম থেকেই বোঝা যাচ্ছে। নিশীথ রাতের বাদলধারা! চমৎকার।

২০. ০১ লা মে, ২০০৮ রাত ১:৫৫
পর্যবেক্ষক বলেছেন: হৃদয় সিক্ত হলো।

আপনার ভক্ত পাঠক আমি।

আপনি বিশ্বজয়ী হবেন। চারিদিকের বিঘ্নগুলোকে দমিয়ে রাখুন।

০১ লা মে, ২০০৮ রাত ২:৪৭

লেখক বলেছেন: বিশ্বজয়ী!! অতদূর পর্যন্ত ভাবি না, ভাই। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লিখে যেতে চাই, এরচেয়ে বেশি কিছু চাওয়ার নেই। আর হ্যাঁ, পাঠককে জয় করার চেয়ে বড় প্রাপ্তি একজন লেখকের জীবনে আর নেই।... আপনার জন্য শুভেচ্ছা রইলো।
আর একটা প্রশ্ন করি। ছদ্মনামে লেখার রহস্য কি?

২১. ০৭ ই মে, ২০০৮ রাত ৩:৪১
বিহংগ বলেছেন: পুরো লিখায় যেন শব্দের মাঝে বৃষ্টি
অতঃপর, বৃষ্টিকে শব্দ দিয়ে সৃষ্টি ,
তারপর পোড়া পাঠকের মনকে সিক্ত করা,
মরুতে যেন শ্রাবনের অবিরাম ধারা।
স্রেফ বিউটিফুল।
০৭ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:২১

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস। আপনার মন্তব্যটিও সিম্পলি বিউটিফুল।

২২. ০৭ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:৪১
অিনেকত বলেছেন: এতো সুন্দর লেখেন কিভাবে ? আমি তো পারি না ।

০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ২:৫৩

লেখক বলেছেন: এই প্রশ্নের কী কোনো উত্তর হয়? ধন্যবাদ আপনাকে। শুভেচ্ছাও।

২৩. ০৭ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৫
সারওয়ার জামান চন্দন বলেছেন:
অসাধারন লেখাটা অনেক দেরিতে পড়লাম।

প্রিয় পোষ্টের তালিকায়।
০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ২:৫৫

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ আপনাকে।

২৪. ০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৩:২২
বিহংগ বলেছেন: আজ পঁচিশে বোশেখ।বাংগালীর হৃদয়মনে মহাগৌরবে তোলে যা শংখনিনাদ।বাংলা সাহিত্যের স্রোতস্বীনি এক নদীকে যিনি মহাসমূদ্রে পরিণত করেন।প্রেম,প্রকৃতি আর জীবনের বোধকে যিনি বহুমাত্রিকতা দান করেন,সেই প্রিয় কবি রবিঠাকুরের আজ জন্মতিথি।
উনার জন্মদিনে কবিগুরুর উপর আপনার একটি সুলিখিত লিখা প্রত্যাশা করছি।আশাকরছি নিরাশ করবেন না।
আপনার দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
০৮ ই মে, ২০০৮ ভোর ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: এখনই সম্ভব হচ্ছে না, তবে ভবিষ্যতে আপনার প্রত্যাশা পূরণ করার চেষ্টা করবো।
আমার শুভেচ্ছা নিন।

২৫. ১৩ ই মে, ২০০৮ রাত ২:৫০
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: বৃষ্টি হলে মাটির অসাধারণ একটি গন্ধ পাওয়া যায়। কংক্রিটের এই শহরে সেই গন্ধ আর পাই কই? আপনার লেখা পড়ছিলাম আর যেন মাটির গন্ধ পাচ্ছিলাম।
২৬. ১৩ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:১১
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: একদিন আপনি ক্লাস নিচ্ছিলেন হঠাৎ চুপ হয়ে জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেন আর আবেগ ভরা কন্ঠে বললেন- বছরের প্রথম বৃষ্টি।
বৃষ্টির সাথে আপনার এত গভীর সম্পর্ক সেদিনও বুঝি নি।
এই লেখাটি কাল রাতে পড়েছিলাম। এত ভালো লেগেছে যে আজ সকালে আবার পড়তে বসে গেলাম। কারণ কাল রাতে আমার খুব নদীর ধারে যেতে ইচ্ছে করছিল। নদী-চাঁদ-বৃষ্টির কম্বিনেশন কেমন হয় তা দেখতে ইচ্ছে করছিল। কিন্তু কংক্রিটের এই শহরে বেড়ে ওঠা এ ক্ষুদ্র প্রাণটির যে নদী-চাঁদ-বৃষ্টির কম্বিনেশন কল্পণাতেও আনার ক্ষমতা নেই তা ভুলে গিয়েছিলাম। তাই লেখাটি বার বার পড়ছি আর কিছু একটা অনুভব করার চেষ্টায় আছি।
১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৩:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শেরিফ। তুমি আবার সব কিছু ফাঁস করে দিও না। ক্লাসে তোমাদেরকে কী বলি না বলি, এইসব জনগণকে জানিয়ে লাভ কি? ভালো থেকো।

২৭. ১৩ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:২৮
মানবী বলেছেন: অসাধারন পোস্ট!

বৃষ্টি, জোৎস্না আর সমুদ্র আমার জীবনের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে আছে। চমৎকার পোস্টটি তাই আরো বেশি ভালো লেগেছে পড়ে।
সুন্দর লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ আহমাদ মোস্তফা কামাল।

আপনি ভালো থাকুন।

+
১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৩:৫৩

লেখক বলেছেন: লেখা পোস্ট করার এতদিন পরও যে মন্তব্য পাওয়া যায়, এটা আমার ধারণার বাইরে ছিলো। অনেকদিন লগইন করা হয়নি। মন্তব্যগুলোও দেখা হয়নি। আপনার মন্তব্য পেয়ে মন ভালো হয়ে গেলো।
আপনিও আমার শুভেচ্ছা নিন, মানবী।

২৮. ১৩ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৬
ফয়সল নোই বলেছেন: দারুন উপভোগ্য লেখা কামাল ভাই।অনেক দিন পর আপনার লেখা পড়ার সৌভাগ্য হলো।
১৫ ই মে, ২০০৮ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস ফয়সল। অনেকদিন আপনার সঙ্গে দেখা হয় না। কেমন আছেন আপনি?

২৯. ১৮ ই মে, ২০০৮ রাত ২:৫৪
মু্ক্ত মানব বলেছেন: ভালো লাগলো। শুধু ভাবছিলাম, অমন সুন্দর বৃষ্টিতে মোকাররম ভবনে আটকে না থেকে প্যারিস রোড ধরে হাঁটলে কি ক্ষতি হতো.....
২১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:২৯

লেখক বলেছেন: না, কোনোই ক্ষতি হতো না। কিন্তু সুযোগটা পেলাম কোথায়!!

৩০. ২৭ শে মে, ২০০৮ রাত ১:০৫
মানবী বলেছেন: "লেখা পোস্ট করার এতদিন পরও যে মন্তব্য পাওয়া যায়, এটা আমার ধারণার বাইরে ছিলো। "

- শেরিফ আল সায়ারের মন্তব্যের কারনে লেখাটি প্রথম পাতায় সাম্প্রতিক মন্তব্যের ঘরে আসায় চোখে পড়েছে। আর, বৃষ্টি বা সমুদ্র নিয়ে লেখা হলে আমি সাধারনত খুব আগ্রহ নিয়ে পড়ি, তাই তখন মন্তব্য করেছিলাম।


আপনার এই পোস্টটি যেহেতু আমার প্রিয় পোস্টে আছে, সেকারনে আজ দ্বিতীয়বার মন্তব্য করছি।

পোস্টটি তো তেমন পুরনোও নয় :)

ভালো থাকুন।
২৭ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:১০

লেখক বলেছেন: আপনার জন্য শুভেচ্ছা রইলো আমার। ভালো থাকুন, সুন্দর থাকুন আপনিও।

৩১. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১০
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: অসাধারণ স্মৃতিকথন
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৩২. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৩
ভোরের তারা বলেছেন: জীবনের সব চরম মুহুর্ত গুলোতে বৃষ্টি ছিল আপনার সঙ্গী। আজীবন যেন তাই থাকে এই প্রার্থনা করি। নিঃস্বার্থ ভাবে ভালোবাসতে পারাটা বৃষ্টিই আমাদের শেখায়। আপনার মধ্যে তার প্রভাব প্রবল। ভাল থাকবেন।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: লেখার এতদিন পরও এমন চমৎকার প্রতিক্রিয়া সত্যি মন ভরে দেয়ার মতো। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

৩৩. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৯
শত রুপা বলেছেন: জন্মেই দেখেছিলাম, আমার চারপাশে কেউ নেই- মা ছাড়া।
আজ, এই এতদিন পর- আমার চারপাশে সহস্র মানুষের ভিড়- তবু মার কাছে ফিরতেই ভালো লাগে আমার।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৭

লেখক বলেছেন: লেখার এতদিন পর আপনার মন্তব্য পেয়ে ভালো লাগছে। ধন্যবাদ।

৩৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৭
কঁাকন বলেছেন: আপনি তো ভয়াবহ রকমের রোমান্টিক :|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:০১

লেখক বলেছেন: তাই বলে আমার রোমান্টিসিজম দেখে আপনার চোখ অমন ছানাবড়া হয়ে যাবে!:(

৩৫. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৮
এসএনিট বলেছেন:
আমি সম্ভবত খুব লাকি, তা না হলে এতদিন পর আজকের এই বৃষ্টির দিনে( ০৬-০৪-০৯) আপনার চমৎকার এ- লেখাটা পড়ার সুযোগ পাবো? সত্যি অসাধারণ ! হৃদয় ছুঁয়ে যায়। আপনাকে দিয়েই হবে। অনেক শুভেচ্ছা।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:০৫

লেখক বলেছেন: এতদিন পর পুরনো লেখার এমন চমৎকার পাঠপ্রতিক্রিয়া পেয়ে নিজেই ফিরে তাকালাম লেখাটির দিকে, মনে হলো- আরেকটু যত্ন নিয়ে লেখা যেত এটি! কে জানতো তখন, লেখাটি আপনাদের কাছে এত প্রিয় হয়ে উঠবে!

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্যের জন্য!

৩৬. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:২২
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: বৃষ্টি মূখর পোস্ট বৃষ্টি নিয়ে পড়তে পারলাম না:(
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:২০

লেখক বলেছেন: আহারে! :(

৩৭. ১৮ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:২৮
নাহিন বলেছেন: ফারহান ভাইয়ের শো কেস থেকে এক বছর পরে যখন লিখাটা পড়লাম তখনও বৃষ্টি এসে এই মরা শহরটায় প্রাণ ছড়ানোর আরেকটি ব্যর্থ প্রচেষ্টায় রত। একটু আগে ঘুমটা ভেঙ্গেছেই পাশের বাড়ির টিনের চালে তার ঝমঝমানিতে।
আপনার লিখাটা পড়ে ভালো লাগাটা অন্যরকম।
একবন্ধু একবার ঝাড়িই মেরেছিলো আমাকে, তুই কি রবীন্দ্রনাথ, যে বৃষ্টি হলেই ভিজতে হবে? আরেক বন্ধু বলেছিলো বেশ আগে, তোর ব্লগে ঢুকলেই কেমন ভেজা ভেজা লাগে, সব লিখা বৃষ্টি নিয়ে।
ওদের কখনো বোঝাতে পারিনি বৃষ্টি হলে কি হয় আমার ভেতরে, কেমন লাগে।
আপনার ব্লগ পড়ে মনে হলো,যদি বলি ভাইয়া বৃষ্টি মনে হয় মাথার চুল, চামড়া, খুলি ভেদ করে সরাসরি সার্কিটের উপরে পড়ে শর্ট সার্কিট করে দেয়, আপনি বুঝবেন এর অর্থ কি।

এই লাইনটা খুব বেশি অসাধারণ, "কী তুমুল, অহংকারী, একরোখা, জেদী বৃষ্টি।"
১৮ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনি বোধহয় আমার চেয়েও বৃষ্টিপাগল মানুষ! নইলে শর্ট সার্কিটের কথা বলতেন না!

আপনার কথাগুলো পড়ে, আরেকবার মনে হলো-- আমার এই বৃষ্টিপ্রেম বৃথা যায়নি।

৩৮. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৬
রিমি (স. ম.) বলেছেন: আমরা পাঠক, তাই আমাদের কাছে সুখ বা দুঃখ মেশানো ভাল লাগাটাই সব। পাঠক গল্পে যতই মিশে যাক না কেন লেখকের কাছে কিছু আলাদা আবেদন থাকেই তার সৃষ্টির। একটু ভিন্ন কোন অর্থ। লেখকের অনুভূতিগুলোকে ছুঁতে পারলেও তার একান্ত স্মৃতিগুলোকে সবসময় পুরোপুরি ছুঁয়ে ফেলা হয়ে উঠে না। মনে হল সব দেখতে পেলাম।

মন কাড়লো লেখাটা। ভাল থাকুন।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রিমি, অনেক পুরনো একটা লেখা পড়ে চমৎকার একটি মন্তব্য করার জন্য।

উত্তর দিতে দেরি হলো বলে দুঃখিত-- আমি আসলে এখন আর নিয়মিত নই ব্লগে, সেটিই দেরির কারণ।

অনেক ভালো থাকুন আপনিও। শুভকামনা রইলো।


অফটপিক : আপনার নামে (স.ম) ব্যাপারটা কি?

৩৯. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩০
রিমি (স. ম.) বলেছেন: হ্যাঁ নানা কারণে অনেক ভাল ব্লগারের লেখা বেশ অনিয়মিত। আশা করি আপনি আরো নিয়মিত হতে পারবেন।

স ম আমার নামের প্রথম অংশের প্রথম অক্ষরগুলো নিয়ে করা। :)
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫২

লেখক বলেছেন: সহসা নিয়মিত হওয়া হবে না, রিমি... :(

৪০. ০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ৯:৩৩
ইব্রাহীম আহমেদ বলেছেন: এত দিন পরে এই পোস্ট পড়তে পারলাম , সেজন্যে ভোরের তারা কে ধন্যবাদ ।


আপনার শেষ পোস্টের তারিখ দেখে আমার মনটা খারাপ হয়ে গেল ... জানি না আপনার চোখে এই কমেন্ট পড়বে কি না - যদি চোখে পড়ে তবে অসাধারন করে লেখার জন্যে ধন্যবাদটুকু গ্রহন করবেন ।

৪১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:২১
বিধান ঋষভ বলেছেন: এতোক্ষণ অন্যদের মন্তব্যগুলো পড়ছিলাম। লেখাটা এখনো পড়তে শুরু করা হয়নি। এতো এতো ভাললাগা আর ভালবাসা যে লেখার সঙ্গে জড়িয়ে আছে নিশ্চয়ই সে লেখাটা অনেক ভাল। তবে আমার ব্যক্তিগত মতামতটা পড়ে উঠেই জানাব। পাঠকের মন্তব্যগুলো থেকে বুঝলাম লেখাটা বৃষ্টি নিয়ে। আহ! বৃষ্টি... ভেবে দেখলাম আমার মন এখন আর এখানে নেই। শৈশবের সেই উদলা মাঠে ন্যাংটা হয়ে সদলবলে বৃষ্টিতে ভিজছি। তা তা থৈ থৈ... তা ধিন তা ধিন। ওদিকে ঠাকুর'দা কাঁচা কঞ্চি বাকিয়ে নিয়ে তেঁড়ে আসছে। মা-ঠাকুমার সেকী চেঁচা-চেঁচি! আর এদিকে আমরা সবাই সেসবে থোরাই কেয়ার। মুষল ধারার বৃষ্টি ভেদ করে ছুটছি এপাড়া থেকে ওপাড়া। এঁটেল মাটির রাস্তার ঢালু অংশে একজনের পিছনে আর একজন বসে বসে পিছল্যা খেলছি। একজন করে উপর থেকে ঢালুর শেষ অংশে পৌঁছে গেলে শুরু করছে আবার প্রথম থেকে। একবার হলো কি...! না থাক।

কামাল ভাই, কিছু কিছু বিষয় বোধ হয় এভাবেই মানুষকে স্মৃতি কাতর করে দেয়, না?

আগে পড়ে উঠি।
৪২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৪০
বিধান ঋষভ বলেছেন: পড়লাম। কামাল ভাই, আমারও অনেক না বলা কথায় মনটা ভরে উঠেছে। ................ মনটা অনেক খারাপ হয়ে গেল কামাল ভাই।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৯৭৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
জন্ম : ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৬৯; মানিকগঞ্জ।

পৌষের কোনো এক বৃষ্টিভেজা মধ্যরাতে
এদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম হয়েছিলো আমার,
মায়ের কাছে শুনেছি।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই