আমার প্রিয় পোস্ট

কেন লেখেন?

০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:২২

শেয়ারঃ
0 0 0

কেন লেখেন?-- প্রতিটি লেখকই জীবনের কোনো-না-কোনো সময়ে এই অতি প্রচলিত প্রশ্নের মুখোমুখি হন। একটা কিছু উত্তরও দেন তাঁরা, আর এভাবে অনেক কথাই বলা হয়েছে। কিন্তু একজন লেখক লেখেন কেন,তার কোনো সর্বজনগ্রাহ্য সদুত্তর আজ পর্যন্ত যায়নি।

লেখালেখি ব্যাপারটি একজন লেখকের জন্য কঠিনতম শাস্তি (ভুলে যাচ্ছি না এটা তার জন্য এক গভীরতম আনন্দও বটে)-- লিখতে শুরু করার পর থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত, এমনকি মৃত্যুর পরও, অভিশাপের মতো এই শাস্তি তাকে বহন করে যেতে হয়।

কি রকম?

প্রথমেই আসে একটি লেখাকে 'লেখা'র মর্যাদায় নিয়ে যাওয়ার প্রশ্ন। যেনতেন প্রকারে হেনতেন কিছু একটা লিখলেই তো হলো না! লক্ষ-কোটি লেখার মধ্যে থেকে তার লেখাটি 'বিশেষ' হয়ে ওঠার ব্যাপার আছে এখানে! একজন তরুণ লেখকের কথা ভাবুন-- খামোখাই নিজের কাঁধে কী কঠিন দায়িত্ব তুলে নিয়েছে বেচারা! প্রশ্ন হচ্ছে-- কেউ তো তাকে বলেনি অমন একটি দায়িত্ব নিতে-- স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে সে তা নিলো কেন? এখানেই শেষ হলেও না হয় কথা ছিলো, শেষ তো নয়ই, বলা যায় তার যন্ত্রণার শুরু হলো মাত্র। কারণ-- চাইলেই তো আর লেখা হয় না, লেখার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। অপেক্ষা না বলে সাধনাও বলা যায়! 'আমার সকল লয়ে বসে আছি'র মতো অপেক্ষা। এ-ও কি কম কষ্টের? পৃথিবীতে কত আনন্দদায়ক ঘটনা আছে, উজ্জ্বতম বস্তু আছে-- সেগুলোর জন্য অপেক্ষা করাও আনন্দের। অপেক্ষা করা ভালো প্রেমের জন্য, ভালো অর্থ-কীর্তি-স্বচ্ছলতার জন্য অপেক্ষা, সেসবের জন্য না করে কেউ কেউ কেন লেখার মতো একটি 'বিপন্ন বিস্ময়ের' জন্য অপেক্ষা করেন কে জানে! কিন্তু এখানেও শেষ নয়। ধরা যাক, লেখা এলো, লেখক তার সাধ্য-অনুযায়ী লিখেও ফেললেন-- তারপরই শুরু হয় লেখক স্বভাবের সঙ্গে যায় না এমন সব বিষয়ের উৎপাত। যেমন, লেখাটি প্রকাশ করা। একজন সত্যিকারের লেখকের জন্য সম্পাদকের মতো ভীতিকর প্রাণী আর কি হতে পারে? অথচ তাঁকে সেটিরও মুখোমুখি হতে হয়! আর যদি ভুলক্রমে একটি বই তাঁর প্রকাশিত হয়েই পড়ে, তাহলে নিয়তি-নির্ধারিত অভিশাপের মতো তার দায় তাঁকে সারাজীবন ধরে বহন করে যেতে হবে! বই হচ্ছে লেখকের জন্য একটা ফাঁদ-- সারাজীবন ধরে, এমনকি মৃত্যুর পরও, সমালোচিত হওয়ার জন্য একটা স্বেচ্ছাকৃত ব্যবস্থা। একজন লেখককে অনিবার্যভাবেই এক বা একাধিক গ্রন্থের জনক হতে হয়, আর একেকটি বইয়ের পেছনে থাকে তাঁর যন্ত্রণাদগ্ধ হবার ইতিহাস, থাকে অপেক্ষা ও সাধনার ইতিহাস, থাকে অবিরল রক্তক্ষরণের গল্প, কিন্তু তাঁর এতসব রক্তক্ষরণের খবরই নেয় না কেউ (এ-কি তাহলে অভিশাপ নয়?)। 'কিচ্ছু হয়নি' বলে খারিজ করে দেবার মতো বহু 'জ্ঞানী' লোক তাঁর আশেপাশেই ঘুরঘুর করে।

তারপরও মানুষ লেখে কেন? লেখকদের কথাবার্তা বিচার-বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়-- এঁদের প্রায় প্রত্যেকে ছোটবেলায় পড়ুয়া ছিলেন-- মানে বইয়ের পোকা ছিলেন। পড়তে পড়তেই তাঁরা একসময় লেখার তাগিদ অনুভব করেছেন। এ কথা সবাই জানেন, অভিজ্ঞতা দু-ধরনের-- প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ। প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা মানুষ অর্জন করে নিজের জীবন থেকেই। দৈনন্দিন জীবনযাপন, নানাধরনের সম্পর্ক, নিজের জীবনের বাইরেও অন্যান্য মানুষের জীবন, পরিপার্শ্বের ঘটনাবলী ইত্যাদি থেকে যেসব অভিজ্ঞতা মানুষ অর্জন করে-- সেগুলো প্রত্যক্ষ। আর পরোক্ষ অভিজ্ঞতা? সেটা অর্জিত হয় বইপত্র, নাটক-সিনেমা, সঙ্গীত, চিত্রকলা ইত্যাদি থেকে। কিন্তু পরোক্ষ অভিজ্ঞতার প্রধান অংশটি অর্জিত হয় বই পড়েই। এই অভিজ্ঞতা আবার একজন মানুষকে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা লাভের ব্যাপারে গভীরভাবে সহায়তা করে। সেটা কি রকম? বই আসলে মানুষের ভেতরের চোখ, অর্থাৎ অন্তর্দৃষ্টি, খুলে দেয়। ফলে একটি ঘটমান ঘটনা দেখে একজন অ-পড়ুয়া মানুষ সেটাকে যেভাবে উপলব্ধি করে, গ্রহণ করে, বিশ্লেষণ করে--পড়ুয়া মানুষটির উপলব্ধি-গ্রহণ-বিশ্লেষণ হয় তার থেকে পৃথক। শুধু পৃথক বললে কম বলা হয়-- এই উপলব্ধি অনেক গভীর, অতলস্পর্শী। এই উপলব্ধি তিনি অন্য কারো সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন, না-ও করতে পারেন। কিন্তু অভিজ্ঞতা হিসেবে এটা তার ঝুলিতে জমা পড়ে। এইভাবে অভিজ্ঞতাগুলো জমতে জমতে একসময় তা এত ভারি হয়ে ওঠে যে, যে-কোনো মানুষের পক্ষেই সেই ভার বহন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে। একমাত্র অন্য মানুষের সঙ্গে শেয়ার করার মাধ্যমেই এই ভার থেকে খানিকটা মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু সেই মানুষ কোথায় যে বসে বসে আপনার এতসব অভিজ্ঞতার কথা শুনবে? এত সময় কোথায় তার, দায়ই-বা কি? ফলে অভিজ্ঞতালব্ধ মানুষটিকে অভিজ্ঞতার অকথ্য যন্ত্রণা পোহাতে হয়। অভিজ্ঞতার যে যন্ত্রণা আছে, যত বেশি অভিজ্ঞতা তত বেশি যন্ত্রণা-- একথা অভিজ্ঞতালব্ধ মানুষমাত্রই জানেন। এই যন্ত্রণার লাঘব ঘটানোর জন্যই এর প্রকাশ জরুরী হয়ে পড়ে-- আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রকাশটা ঘটে লেখালেখির মাধ্যমে। অন্যান্য মাধ্যমে এটা প্রকাশ করার সুযোগ কম।

তবে কি শুধুমাত্র যন্ত্রণালাঘবের জন্যই লেখকরা লেখেন, অন্য কোনো প্রাপ্তি নেই তাঁদের? আছে। গভীরতম এক আনন্দ আছে। সৃষ্টির আনন্দ। পৃথিবীতে সৃষ্টির আনন্দের চেয়ে গভীর, তীব্র কোনো আনন্দ নেই। সৃষ্টির মুহূর্তের চেয়ে উজ্জ্বলতম কোনো মুহূর্ত নেই মানুষের জীবনে। কোনোকিছুর সঙ্গেই এর তুলনা চলে না। এই তীব্র আনন্দের লোভ একজন লেখককে দিয়ে লিখিয়ে নেয়।

কিন্তু যন্ত্রণা লাঘব আর তীব্র আনন্দ লাভ-- এ দুটোই হয়তো সব নয়। সব মানুষের মধ্যেই অমরত্বের তৃষ্ণা আছে। মানুষ নিজেকে প্রবাহিত দেখতে চায়, বাঁচিয়ে রাখতে চায় তার পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে দিয়ে। লেখকরাও নিজেদেরকে বাঁচিয়ে রাখতে চান তাঁদের লেখার মধ্যে দিয়ে।

তাহলে যন্ত্রণা থেকে মুক্তি, তীব্র আনন্দ লাভ আর অমরত্বের লোভই কি সব? সম্ভবত এগুলোই প্রধান। তবে এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে অর্থ, যশ, খ্যাতি ইত্যাদির লোভও। এগুলো অবশ্য মূল নয়, কেবল অর্থের জন্য, যশের জন্য, খ্যাতির জন্য কারো পক্ষে ক্রমাগত লিখে যাওয়া সম্ভব নয়। সত্যি বলতে কি, শুধু এগুলোর জন্য একজন মানুষের পক্ষে লেখকই হওয়া সম্ভব নয়।

কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির কথাই এখনো আমি বলিনি। মানুষ লেখে তার আত্নতৃপ্তির জন্য। শুধু লেখকরা কেন-- দৈনন্দিন জীবনযাপনের বাইরে যারা অন্য কিছু করেন-- লেখালেখি, আঁকাআঁকি, সঙ্গীত চর্চা, নৃত্যচর্চা, অভিনয়, চলচ্চিত্র পরিচালনা, এমনকি রাজনীতিও-- তা ওই আত্নতৃপ্তির জন্যই করেন। এই তৃপ্তি মূলত জীবনকে খানিকটা অর্থময় করে তোলার আনন্দ থেকে উদ্ভুত। এই ধরনের একজন মানুষ-- স্বীকার করুন আর না-ই করুন, নিশ্চয়ই জানেন এবং মনে মনে হলেও মানেন যে, জীবন খুবই অর্থহীন একটা ব্যাপার। যাপনের জন্য যে একটিমাত্র জীবন সে পায় মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে সেই জীবনের যাবতীয় অর্জন ও আয়োজন শেষ হয়ে যায়; আর কোনোকিছুই পাবার থাকেনা তার। অমরত্বের তৃষ্ণা সব মানুষের মধ্যেই আছে-- এ কথা ঠিক, কিন্তু মৃত্যুর পর সে এই অমরত্ব পেলো কি পেলো না, তাতে তার কিছুই যায় আসে না। এই কথাটি একজন বুঝে গেলে তার কাছে জীবনটা খুব ভারি হয়ে ওঠে, জীবনটাকে যাপনযোগ্য করে তোলা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। যাপনযোগ্য করে তোলার জন্য তার সামনে তখন একটি পথই খোলা থাকে-- জীবন যে অর্থহীন এই কথাটি ভুলে থাকা। কিন্তু চাইলেই তো ব্যাপারটা ভুলে থাকা যায় না! ভুলে থাকার জন্য একটি ঘোরলাগা সময় চাই। আর লেখকরা থাকেন সেই ঘোরলাগা সময়ের মধ্যেই। আমি একেই বলছি ধ্যান, বলছি মগ্নতা। এই সময়গুলোতে সৃষ্টিশীলতার চিন্তাই প্রধান হয়ে ওঠে তাঁর কাছে, অন্য সব যন্ত্রণা থেকে মুক্তি মেলে, অন্যসব আয়োজনের কথা ভুলে থাকা যায়।

জীবন যে অর্থহীন এই কথাটা ভুলে থাকার চেষ্টা করাকে কেউ কেউ অবশ্য পলায়নপর মনোবৃত্তি হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আরেকটি কাজ করা যায়-- কথাটা সত্যি জেনেও-- ভাবনাটাকে উল্টে দেয়া যায়। ভাবা যেতে পারে-- প্রতিটি জীবনই ইউনিক, অনন্য-- একটু এদিক ওদিক হলে এই জীবনটির সৃষ্টি হতো না। এত অনন্য একটি ঘটনা অর্থহীন হতে পারে না। এবং সেই অর্থটা কী, সে ব্যাপারে প্রকৃতির মধ্যেই আছে ইঙ্গিত ও ইশারা। আছে এই ইঙ্গিত যে, এই সময়ে এই সমাজে আমার একটি ভূমিকা আছে। সেই ভূমিকা সবার জন্য একরকম হবে না, বলাইবাহুল্য, কিন্তু কী হবে সেটা খুঁজে বের করতে হবে আমাকেই। মানুষ সেই ভূমিকা রাখার জায়গাটি খুঁজে পায় সৃজনশীলতার নানা অনুষঙ্গে, কেউ কেউ এমনকি রাজনীতিতেও। (আমি অবশ্যই অর্থ-বিত্ত-ক্ষমতা আর হালুয়া-রুটি ভাগাভাগির যে রাজনীতি তার কথা বলছি না, বলছি সেই রাজনীতির কথা যা সমাজটাকে পাল্টে দেবার স্বপ্ন দেখায়, দেশ ও মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য অনুপ্রাণিত করে)। আমার এক বন্ধু প্রচলিত ও গতানুগতিক ধারার রাজনীতি করে বলে আমি তার খুব সমালোচনা করতাম। তো, একদিন সে বললো-- প্রতিটি জাতিরই একটি গন্তব্য থাকে, আর সেই গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য ওই জাতির অন্তর্গত প্রতিটি মানুষ কোনো না কোনো ভূমিকা রাখে -- কেউ কম, কেউ বেশি। আমি সারাজীবন ধরে যদি আমার জাতিটিকে ওই গন্তব্যের দিকে এক ইঞ্চিও এগিয়ে দিতে পারি-- মনে করবো আমার জীবনটা স্বার্থক হলো। আমার বন্ধুটি তার ভূমিকা রাখার জায়গা খুঁজে পেয়েছে ওইখানটায়, বুঝতেই পারছেন। এভাবেই একেকজন একেকটি জায়গা খুঁজে পায়। একসময় এদেশের বামপন্থি রাজনৈতিক কর্মীরা স্বপ্ন দেখতেন যে, বিপ্লব আসন্ন। এই বুঁদ হয়ে থাকাটাও ওই ঘোরের মধ্যে থাকারই নামান্তর। তবু তাঁদের স্বপ্ন ছিলো। কিন্তু এখন যারা বামপন্থি রাজনীতি করেন তারা প্রায় সবাই জানেন, বিপ্লব এত সহজে আসে না, দিবাস্বপ্নে ভোগার মতো বিশ্বপরিস্থিতি এখন আর নেই। এমনকি অনেকে এটাও মনে করেন-- এদেশে হয়তো কোনোদিনই বিপ্লব আসবে না, তবু তারা এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে একটি জীবন ব্যয় করে যাবার দুঃসাহস দেখান। কিভাবে সেটা সম্ভব হয়? এখানেও সেই আত্নতৃপ্তিরই ব্যাপার। আমি জানি আমার জীবদ্দশায় এদেশে বিপ্লব না-ও আসতে পারে, কিন্তু এ-ও জানি, যদি আসে তাহলে এ জাতির মুক্তি ঘটবে। আমি তাই আমার এই তুচ্ছ জীবনটি বিপ্লবের জন্যই ব্যয় করে যাচ্ছি। পৃথিবীর ক-জন লোকই বা তা পারে! এখানেই ওই বিপ্লবীর তৃপ্তি।

হ্যাঁ, সান্ত্বনা ওটুকুই, তৃপ্তিও। জীবনের কাছ থেকে কিছুই পাবার নেই জেনেও, জীবনটা নিছক অর্থহীন একটা ব্যাপার জেনেও, আমরা আমাদের কাজটুকু করে যাচ্ছি। ওই তৃপ্তি-- জীবনের অর্থহীনতা ভুলে থাকা অথবা জীবনকে অর্থময় করে তোলার জন্য চেষ্টার তৃপ্তিই-- মানুষকে তার দৈনন্দিন কাজগুলোর বাইরে নিয়ে আসে। আর এজন্যই হয়তো সে লেখালেখি করে, গান গায়, সুর তৈরি করে, নাটক-সিনেমা বানায়, ছবি আঁকে, কিংবা রাজনীতি করে।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): দর্শন ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:২৫
মৈথুনানন্দ বলেছেন: কিছুই বলার নেই - আজ বামন শাপমুক্ত! :)
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: বামন শাপমুক্ত! মানে কি মৈথুনানন্দ দা?!

২. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:২৫
নাফে মোহাম্মদ এনাম বলেছেন: ঠিক এই কথাগুলো সবাইকে কত বোঝাই... কে বুঝতে যায়!
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন: সেটাই। কে বুঝতে যায়!!

৩. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৩১
মৈথুনানন্দ বলেছেন: উঁহু! একটা কথা অবশ্যই বলার আছে, যাদের ব্লগ আমি প্রথমেই ঢুকে চেক করি আপনি তাদের মধ্যে অন্যতম নি:সন্দেহে!! ☺
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ মৈথুনানন্দ দা।

৪. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৩২
হনলুলু বলেছেন: অসাধারন বিশ্লেষন ...........
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

৫. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৩৪
ফারহান দাউদ বলেছেন: "জীবনের কাছ থেকে কিছুই পাবার নেই জেনেও, জীবনটা নিছক অর্থহীন একটা ব্যাপার জেনেও, আমরা আমাদের কাজটুকু করে যাচ্ছি। "
আপাতত লেখার জন্য এটাই সবচেয়ে যথার্থ কারণ মনে হল। এটাও একটা লেখা হয়েছে,পড়ার মত লেখা।
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

৬. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৩৮
েনােভল বলেছেন: আসলেই কিন্তু বিষয়টা বেশ জটিল।
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩০

লেখক বলেছেন: বেশ জটিল!!

৭. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪৪
শান্তির দেবদূত বলেছেন: স্যরি বস ! :( !!!!!!!! এত বড় লেখা , তাও আবার প্রবন্ধ টাইপ ....... পরে পড়বো।

তবে আগেই প্লাস দিয়ে রাখলাম, শুধু ভুমিকাটা পড়েই :)
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: কী দুর্ভাগ্য আমার, বড় লেখা বলে পড়লেন না! : (

কী সৌভাগ্য আমার, না পড়েই প্লাস দিলেন!! : )

৮. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪৫
বিবর্তনবাদী বলেছেন: জীবনের অর্থ খুজছিলাম। কিছু লিখবার আগ্রহও ছিল, তাই লিখছিলাম একটি পোস্ট। ভাগ্যিস আপনার এই পোস্ট না পড়েই নিজের কথা গুলো লিখলাম। যদি আগে পড়ে ফেলতাম, তবে আজ আর লেখা হয়ে উঠত না। সময় পেলে আপনার এই পোস্টের পরেই প্রকাশ কর আমার পোস্টটি পড়ে আসবেন।

আর কিছু বলবার নেই। তবুও বলি আপনার এই পোস্ট আমার প্রিয় পোস্টের তালিকাকে সমৃদ্ধ করল।
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: যদি আগে পড়ে ফেলতেন, তবে আজ আর লেখা হয়ে উঠত না!!
কেন রে ভাই?

ধন্যবাদ আপনাকে।

৯. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৫৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: এমন অসাধারণ লেখাটি আমার চোখ এড়িয়ে যায়নি , সেজন্য সৃষ্টিকর্তাকে কৃতজ্ঞতা ।

আরও কৃতজ্ঞতা তার কাছে , তিনি আমাকে লেখক করেননি ।

প্রিয় পোস্টে সাজিয়ে রাখলাম
অসংখ্য ধন্যবাদ
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: 'আরও কৃতজ্ঞতা তার কাছে , তিনি আমাকে লেখক করেননি ।' -- হায় হায়, এটা কী বললেন!!

১০. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:০৫
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: আগে কোথাও পড়েছি বলে মনে হচ্ছে, স্যার?

কেমন আছেন?

@মৈথুনানন্দদা- শুধু ব্লগেই নয়, পারলে স্যারের বইগুলোও পড়ে ফেলেন, জানেননা তো স্যার কতো শক্তিশালী লেখক।
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, এটা আমার 'ধ্যানের জগৎ জ্ঞানের জগৎ' প্রবন্ধের অংশবিশেষ।

আছি কোনোরকম। ভালো তো থাকা হয় না, বেঁচে থাকা হয়।

আপনি কেমন আছেন?

১১. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:১৮
মাহিরাহি বলেছেন: এ ধরনের লেখাগুলো সা ইনকে সমৃদ্ধ করে তুলতে পারে।
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১২. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৩
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: লেখিনা কারন লেখতে জানি না।লেখা পড়ি কারন পড়ে আনন্দ পাই কল্পনায় ভাসাই লেখাকে।
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: লেখেন না! আপনার ব্লগে তাহলে কে লেখে?!

পড়ে আমিও তাই করি।

১৩. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:০৫
আকাশচুরি বলেছেন: আমি তাই আমার এই তুচ্ছ জীবনটি বিপ্লবের জন্যই ব্যয় করে যাচ্ছি। পৃথিবীর ক-জন লোকই বা তা পারে! এখানেই ওই বিপ্লবীর তৃপ্তি।

+++++++
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৪. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:১১
আমি বাঙ্গালি বলেছেন: কেন লেখেন?

আনন্দে, বেদনায়, রাগে-ক্ষোভে, সুখে-উল্লাসে।

আমি এভাবেই দেখি।

আর আপনার সঙ্গে তেমন দ্বিমত নেই।
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: দ্বিমত থকলেও অসুবিধা নেই। ধন্যবাদ আপনাকে।

১৫. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:১৩
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: আমরা তো সুবিধাভোগীদের দলে স্যার, ভালোই তো থাকি আমরা।
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৩৩

লেখক বলেছেন:

!!

১৬. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:২৬
মৈথুনানন্দ বলেছেন: ভগবত-কৃপায় বামন আজ শাপমুক্ত! ;)

তবে একটি কথা। আমার মনে হয় বয়সে আমি ছোটোই হবো - আসছে শীতে তিরিশটি বসন্ত দেখার খায়েশ আছে!

আর কিছু না হোক, জীবনচর্যা ও দর্শনের অভিজ্ঞতার নিরিখে যদ্দুর ঠাওর হয়, আপনি আমার দু' কদম আগে বই পিছে নয় - সো দা দিয়ে কোপাকুপি বন্ধ হইলে নির্ভয়ে মনের কথা কইতে পারি!!

সোজাসুজি মৈথু বলে ডাকুন, বা অন্য যে কোনো ধ্বনিতে, পথ দেখিয়ে নিয়ে যাবে যা বন্ধুত্বের খনিতে - বোঝাতে পারলাম কি? :)
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:২৯

লেখক বলেছেন: তিনটি লেখাই পড়লাম, এবং সঙ্গে 'সর্বশেষ লেখা' বিষয়ক 'সতর্ক সংকেত'! কিছু না বলাই ভালো মনে করেছি এ বিষয়ে।

'জীবনচর্যা ও দর্শনের অভিজ্ঞতার নিরিখে' না হলেও বয়সের নিরিখে কয়েক পা এগিয়েই আছি। দাবি-অনুযায়ী 'দা' বর্জন করা হইলো মৈথু!

এবার নির্ভয়ে মনের কথা কওয়া হোক!

১৭. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:২৭
শফিকুল বলেছেন: আমি লেখি আমার মনের ভাব প্রকাশের জন্য।তবে আমি কবিও নই লেখকও নই, সেই যোগ্যতা আমার নেই , আমি কেবল কম্পিউটার ইনজিনিয়ার। আমার যোগ্যতা এটাতে সিমাবদ্ধ।
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: মনের ভাব প্রকাশের জন্যই তো লেখা।

১৮. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:২৮
মৈথুনানন্দ বলেছেন: সেম্যাফোরের সংখ্যা তিন : ১. ভগবত-কৃপা ২. বামন ৩. শাপমুক্তি
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: বুঝিনি মৈথু। বুঝিয়ে বলতে আজ্ঞা হয়!

১৯. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৪৮
রাসেল ( ........) বলেছেন: লেখাটা একটা কাজ হিসেবে ধরে নেওয়া যায়ই, আত্মতৃপ্তি কিংবা আত্মমুক্তির পন্থাও ধরে নেওয়া যায়, নিজের ভেতর থেকে বর্জ্যের মতো ভাবনা নির্গত করে দেওয়ার একটা সুস্থ উপায়ও এটাকে বলা যায়।

মানুষ কেনো লিখে এটার শতেক জবাবের অনেকগুলো এখানে আছে, তবে প্রতিটা মানুষের জীবনই এক একটা উপন্যাস- কেউ কেউ এটা উপস্থাপন করবার সাহস রাখে, কেউ কেউ রাখে না, লেখকের সংখ্যা কম, পাঠকের সংখ্যা সেই অনুপাতে বেশী।

প্রশ্নটা উল্টা পাশ থেকে দেখলে যেটা সামনে আসে, লিখবার মতো অনেক ঘটনা থাকা সত্ত্বেও মানুষ কেনো সেটা লিখছে না। তবে আমার নিজের একটা প্রশ্ন আছে- কখন লেখক বুঝতে পারে তার থামবার সময় হয়েছে? যখন আর কিছুই বলবার নেই, অথচ একটা পরিচিত দাঁড়িয়েছে- তখন চাহিদা পুরণ করবার অনাবশ্যক দায় নিয়ে জীবন কাটানোর প্রয়োজনীয়তা লেখক কি অনুভব করে? যা কিছু প্রকাশ করবার তাগিদ ছিলো সেটা হয়তো প্রথম কয়েকটা লেখার ভিতরেই সমাপ্ত হয়ে যায়- এরপরে মানুষ কি জন্য লিখে?
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: যখন থামবার সময় হয়, সব লেখকই হয়তো সেটি বুঝতে পারেন। কেউ কেউ হয়তো থেমেও যান, আর লেখেন না। কিন্তু বোঝার পরও কেন কেউ কেউ লেখা চালিয়ে যান সেটা একটা প্রশ্ন বটে। কেবলই 'চাহিদা পুরণ করবার অনাবশ্যক দায়'? সবার ক্ষেত্রে কি ব্যাপারটা একইরকম? আমার মনে হয় না। লেখালেখিটা হয়তো তার অভ্যাসে পরিণত হয়, লেখা ছাড়া তিনি থাকতে পারেন না-- এমনও তো হতে পারে! লেখালেখি তো একটা দুরারোগ্য ব্যাধির মতো। একবার হলে আর সারে না। আবার অন্যদিক থেকে দেখতে গেলে হয়তো এমনও বলা যায়-- 'যা কিছু প্রকাশ করবার তাগিদ ছিলো সেটা হয়তো প্রথম কয়েকটা লেখার ভিতরেই সমাপ্ত হয়ে গেছে'-- এটা তার পাঠকরা অনুভব করলেও স্বয়ং লেখক তা মনে করেন না। তার হয়তো মনে হয়-- আরো অনেক কথা বলার ছিলো বা আছে; কিন্তু যেভাবে বলতে চাইছেন সেভাবে পারছেন না। বলার মতো কথা কি কখনো শেষ হয়, এক জীবনে? হয়তো সেজন্যেই লেখাটা থামাতে চান না তিনি বা তারা। ভাবেন-- একদিন হয়তো কথাগুলো বলে উঠতে পারবেন। তবে এসবই সম্ভাবনা। কোনটা যে ঠিক, আমিও নিজেও জানি না।

২০. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৫০
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: কেন পড়ি? (বিষয়গুলো কি 'কেন লিখি'র মতোই?)
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৩৯

লেখক বলেছেন: 'কেন পড়ি' বিষয়ক একটা লেখা কেউ লিখলে বড়ো ভালো হতো! 'কেন লিখি' বিষয়ক এত লেখা, অথচ একজন মানুষ পড়েন কেন, সে ব্যাপারে কোনো কথা নেই!! হয়তো অন্যরকম একটা স্বাদ পাওয়া যেত ওই লেখার।

০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২২. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:০৬
রাসেল ( ........) বলেছেন: অনেক রকম ভাবেই দেখা যায়। কোন দেখাটা যে সঠিক দেখা।
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: হয়তো কোনোটাই ঠিক নয়। কিংবা সবগুলোর কিছু কিছু অংশ ঠিক। ঠিক-বেঠিক খুঁজে বের করা সম্ভব না সম্ভবত।

২৩. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৩১
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: আমি মূলত পাঠক।মানুষ লেখে কেন এইটা বুঝলাম কিন্তু মানুষ পড়ে কেন এইটার মনস্তত্ব কি?

সা,হো,ইন বহুদিন ধরেই পড়ে যাচ্ছিলাম।হঠাত্‌ মাথায় এলো শুধু পড়লেই ত হবেনা,লেখক'কের যেমন দ্বায় থাকে বা থাকা উচিত(আমি ব্যাক্তিগত মতামত),তেমনি পাঠকেরও কিছু দ্বায় থেকে।প্রযুক্তির অনেক সুবিধার মধ্যে এটাই একটি, লেখকের সাথে পাঠকের মুখোমুখি না হলে এক ধরনের ইন্টার‌্যাকশন সম্ভব।নিজের লেখার ক্ষমতা না থাকলেও কোন প্রিয় লেখা'র লেখক'কে জানিয়ে দেয়া তার ভালালাগা।
এই ধরনের ভাবনা থেকেই আমার নিক নেয়া।
যাইহোক শুধু ছোটোখাটো ভালোলাগা জানিয়ে হবেনা, এই ধরনের লেখাকে পাঠিয়ে দিতে হবে সোজা শোকেসে।

০৫ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: কেন পড়ে, তার কারণও নিশ্চয়ই আছে! কিন্তু সেটা লিখতে গেলে আরেকটা প্রবন্ধ লেখা লাগবে!!

ভালো লাগা জানাবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

২৪. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:০৫
বিবর্তনবাদী বলেছেন:

প্রশ্ন: যদি আগে পড়ে ফেলতেন, তবে আজ আর লেখা হয়ে উঠত না!!
কেন রে ভাই?

উত্তর: কাহিনী আছে। এমন প্রায়ই হয়! দেখা যায় কিছু লিখবার জন্য ব্লগে ঢুকেছি। দুইচারটা পোস্ট পড়তে পড়তে দেখি আমি যা বলতে চাই তা অন্য কেউ লিখে দিয়েছে। ফলশ্রুতিতে আমার আর নিজের কথা লেখা হয় না। ব্যাপারটা এরকম যে ধরুণ আপনি ছবি আঁকবার একটা থিম চিন্তা করলেন এবং দেখলেন যে অন্য কেউ হুবহু একই থিমে ছবি এঁকে ফেলেছে। তখন আর নিজে ঐ কাজ করবার আগ্রহ থাকে না।

সবাই ইউনিক থাকতে চায়, তাই না?
০৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:২৭

লেখক বলেছেন: তা বটে, সবাই ইউনিক থাকতে চায়। কিন্তু এই লেখা পড়ার পরও আপনি আপনার লেখাটা লিখতে পারতেন। কারণ ওটাও ইউনিক একটা পোস্ট।


২৫. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৩০
মৈথুনানন্দ বলেছেন: আমি এখন পিক্সেল দিয়ে লেখা শিখছি! :)
০৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:২০

লেখক বলেছেন: বুঝি নাই! বুঝি নাই!! :(

২৬. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৪৮
অশোক দেব বলেছেন: আরও একটা যন্ত্রণা আছে লেখকের:
টার সকল অভিজ্ঞতাকেই তিনি অপরের সঙ্গে ভাগ করতে পারেন না।তাকে শিখতে হয় এমন অভিজ্ঞতা নির্বাচন করতে, যা নিয়ে এর আগে কাজ হয়নি। ফলে তাকে সারাজীবন ধরে সঠিকভাবে পাঠক হবার সাধনাটাও চালিয়ে যেতে হয়।ভাষার খুঁটিনাটি শিখতে হয়। যাপন থেকে জীবনকে অনুশীলনের মাত্রায় তুলে নিতে হয়।

এ এক সারাজীবন ব্যপি প্রক্রিয়া যার পুরস্কার সাধারণভাবে অতৃপ্তি।

ভালো লেগেছে। পুরনো বিষয় হলেও। ভালো থাকবেন
০৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:১৭

লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

আপনিও ভালো থাকবেন।

২৭. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:০০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: দারুন এই লেখাটা পড়েছি আগেই। তবে মন্তব্য করা হয় নি।
কেন যে লেখি আমি...মঝেমধ্যেই ভাবি.....
০৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:১৯

লেখক বলেছেন: কেন লেখেন, উত্তর পেলেন কিছু?

২৮. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৩৫
মৈথুনানন্দ বলেছেন: হাহা! পিক্সেল দিয়ে আমার প্রথম ছোটো গল্প এখানে পিঞ্জর অল্রেডি পড়ে ফেলেছেন!!
০৭ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:১৬

লেখক বলেছেন: রহস্যময়!!

২৯. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৩
ফজলুল কবিরী বলেছেন: লেখাটি বোধকরি ব্যাস এ পড়েছিলাম। সংশয়ীদের ঈশ্বর বইটিতে কী আরেকবার পড়েছি? মনে হয়। ঐ বইয়ের সবগুলো লেখাই প্রাণবন্ত। বইটার একটা রিভিউ লিখেছিলেন সম্ভবত রায়হান রাইন। আমার লেখার আগ্রহ ছিল। ক্ষমতায় কুলায় নাই। যাইহোক আপনার বাংলা গল্পের উত্তরাধিকার বিষয়ক লেখাটির উপর আমার একটা লেখা ছিল। সাপ্তাহিক কাগজ ও কবিসভায় পাবলিশ করেছিলাম। আমার ব্লগে পোস্ট করেছি। সময় থাকলে পড়ে দেখবার অনুরোধ রইল।
০৭ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, এই লেখাটি ব্যাস-এ বেরিয়েছিলো। সংশয়ীদের ঈশ্বর বইতেও আছে। তবে এখানে পুরো লেখাটি পোস্ট করা হয়নি। শুধু কেন লেখেন-- এর প্রাসঙ্গিক অংশটুকু পোস্ট করা হয়েছে, যা মূল লেখার অর্ধেক মাত্র!

আপনার প্রতিক্রিয়াটি পড়েছি। উত্তর দেয়া হয়নি। আরো অনেক প্রতিক্রিয়া এসেছে। আলস্যের কারণে এতগুলো প্রতিক্রিয়ার উত্তর দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। হয়তো সবগুলোর উত্তর আমি দিতেও চাই না।

আপনাকে ধন্যবাদ লেখাগুলো পড়ার জন্য।

৩০. ০৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৫১
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: .........এই কথাটি একজন বুঝে গেলে তার কাছে জীবনটা খুব ভারি হয়ে ওঠে, জীবনটাকে যাপনযোগ্য করে তোলা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। যাপনযোগ্য করে তোলার জন্য তার সামনে তখন একটি পথই খোলা থাকে-- জীবন যে অর্থহীন এই কথাটি ভুলে থাকা। কিন্তু চাইলেই তো ব্যাপারটা ভুলে থাকা যায় না! ভুলে থাকার জন্য একটি ঘোরলাগা সময় চাই। আর লেখকরা থাকেন সেই ঘোরলাগা সময়ের মধ্যেই।......


মনে হয় এজন্যি অনেকেই লেখালেখির চেষ্টা করে / লেখে |

বিশ্লেষণটা অসাধারণ, বার বার পড়ার মতো| আন্তরিক ধন্যবাদ এমন একটি বিশ্লেষণ উপহার দেবার জন্য|
০৭ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:১৪

লেখক বলেছেন: আপনিও আমার ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা নিন।

৩১. ০৭ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৩৮
রহমান মাসুদ বলেছেন: নিজেকে কেমন যেন ভার মুক্ত মনে হচ্ছে লেখাটা পড়ার পর।
কি বলব কামাল ভাই! বুঝে উঠতে পারছিনা। আগে পড়া থাকলেও আজ যেন নতুন মনে হচ্ছে। কিছুটা ঢেউ, কিছুটা জলের স্থীর অবগাহন।
ধন্যবাদ।
০৭ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:১৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। এবং শুভেচ্ছা।

৩২. ০৭ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:২৪
এস্কিমো বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। দারুন একটা লেখা পড়ার সুযোগ দিয়েছেন।

আমার কেন যেন ধারনা হয়েছিলো - ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর পর আর কেউ প্রবন্ধ লিখতে পারবে না। কারন হয়তো লেখদের মধ্যে একটা অস্থিরতা দেখেছি। দ্রুত নিজেকে পরিচিত করে তোলার একটা প্রচেষ্টাও হয়তো একটু দেখা গেছে।

আপনার লেখা পাঠকদের ভাল লাগবে।

কিন্তু বলতেই হয় আপনার লেখাটা অসাধারন লেগেছে। যদিও কিছুটা নৈরাজ্যবাদীতা আছে - তারপর পাঠককে ছুঁয়ে যাবার মতো যথেষ্ঠ সজীব।

লম্বা কমেন্ট করলাম :)


তবে আমি লিখি না - ব্লগাই - কেন ব্লগাই তা জানতে চাইলে বলতে পারবো।

আবারো কৃতজ্ঞতা জানাই।
০৭ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৪৮

লেখক বলেছেন: নৈরাজ্যবাদীতা আছে !! হায় হায়। কী সর্বনাশ!!

লেখেন না, ব্লগান!! হা হা হা। ব্লগিংও তো লেখালেখিই, তাই না! প্রকাশের মাধ্যমটা ভিন্ন, এই যা। নাকি অন্যকিছু?

আচ্ছা, বরং আপনাকেই জিজ্ঞেস করা যাক-- 'কেন ব্লগান।'

আপনাকে অজস্র ধন্যবাদ।
[প্রশংসা শুনতে ভালো লাগে, তাই 'অজস্র'!!]

৩৩. ০৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:১৫
মৈথুনানন্দ বলেছেন: অফ-টপিক : কমেন্টের নিচে কমেন্ট দেওয়াটাই দস্তুর - স্ল্যাং পোস্টে আপনার প্রশ্নের উত্তরে আমার রেপ্ল্যায় আপনার চোখ এড়িয়ে যায়নি আশা করি! :)
০৯ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ দেখেছি। 'সায়েব' বলে ডেকেছেন!! :(

১২ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: অনেকদিন পর, বাফড়া! কেমন আছেন। সামীর লেখাটা অসাধারণ। অনেকদিন ধরে তার লেখা দেখি না। ব্লগিং ছেড়ে দিয়েছেন নাকি? জানেন কিছু?

৩৫. ১২ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:১৪
নামহীন মানব বলেছেন: আমি কেন লিখি তা আমার এই পোষ্টে আছে Click This Link
৩৬. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০৯
ফারুক আহসান বলেছেন: চমৎকার বিশ্লেষণ এবং বর্ণনা ।
০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এবং অজস্র শুভেচ্ছা।

৩৭. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮
স্বীকৃতি প্রসাদ বড়ুয়া বলেছেন: লেখাটি ভালো লেগেছে। যদিও আমি ব্লগে অনেকপরে যুক্ত হয়েছি। অনেক অনেক ধন্যবাদ ও ঈদের শুভেচ্ছা।
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১১

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যটি অনেক পরে চোখে পড়লো। ধন্যবাদ স্বীকৃতি। সময় করে আপনার ব্লগে ঘুরে আসবো। ভালো থাকবেন।

৩৮. ৩১ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৩৪
শত রুপা বলেছেন: পড়লাম । ভালো লাগলো।
৩৯. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৯
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: আমি লিখবো "কেন লিখিনা ?"
উত্তরটা অবশ্য আমার প্রোফাইলেই দেয়া আছে... তাই এ লেখাটাও আমার কোন দিন লেখা হবেনা!
৪০. ২৭ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:১৬
মু. নূরনবী বলেছেন: আপনার লেখাটি ভালেঅ লাগল..সেই সাথে প্রিয়তে।

আপনার লেখাটি একটি মাসিক পত্রিকায় দিতে চাই।.......জানাবেন।
৪১. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৪৫
মুভি পাগল বলেছেন: আমার বইটা আর বের হইলনা
৪২. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৪৫
মুভি পাগল বলেছেন: লেখক না হয়ে এখন বক্তা হতে মূঞ্চায়
৪৩. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১০
সুমন সালেহী বলেছেন: আজও মনে পড়ে সেই কবে আমার একটি রম্য কবিতায় আপনি একটা মন্তব্য করেছিলেন।
ভাবলেই ভালো লাগে...:)

আপনার প্রবন্ধ নিয়ে বিদগ্ধ আহমাদ মাযহার বলার পর আমার আর কী বলার থাকতে পারে।

আপনার লেখার প্রতি আমার মুগ্ধতা শুরু হয় আপনার ‌‍"যেভাবে বেঁচে থাকি" গল্পটি পড়ার মাধ্যমে।

এই গল্পের সর্বশেষ কোটেশনটি আমার চিরজীবন মনে থাকবে... "টেল দেম আই হ্যাড এ পেইনফুল লাইফ বাট আই হ্যাড এনজয়েড ইট!"

আমি সুমন সালেহী একজন ৯গণ্য রম্য লেখক! আমি কেন লিখি? সে জবাব দিয়েছেন নোবেলজয়ী কথাসাহিত্যিক লে ক্লেজিও," লেখালেখি আমাকে এক ভিন্ন জীবন দান করে যেন এক উৎকৃষ্ট জীবন।"

আপনার প্রবন্ধেও লে ক্লেজিওর এই কথাটির নির্যাস আছে অথচ আপনার এই লেখা লিখেছেন তার নোবেল ভাষণের আগে। তিনি এই কথাটি নোবেলভাষণে অথবা তৎপরবর্তী সাক্ষাৎকারে বলেছেন।
সুতরাং এর দ্বারাও বোঝা যায় আপনার প্রবন্ধটি কেমন হয়েছে!

কমলার জুস বানাতে গিয়ে আপনি বোধহয় কমলার কোষে আর কোন রসই অবশিষ্ট রাখেন না! :) (প্রয়োজনে ব্যাখ্যা দেয়া হবে!)

আমার একটি লেখা রম্য গল্প , যদি পড়তে চান>>>> বাসর রাতের আরজে দম্পতি

 

মোট সময় লেগেছে ১.১০৯৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
জন্ম : ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৬৯; মানিকগঞ্জ।

পৌষের কোনো এক বৃষ্টিভেজা মধ্যরাতে
এদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম হয়েছিলো আমার,
মায়ের কাছে শুনেছি।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই