আমার প্রিয় পোস্ট

প্রেম সম্বন্ধে শেষ কথা কে-ই বা বলতে পারে!

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০০

শেয়ার করুন:                   Facebook

মাঝে মাঝে কতোকিছু নিয়ে যে লিখতে ইচ্ছে করে, হয়ে ওঠে না। পর্বতপ্রমাণ আলস্যে আমার আঙুলগুলো পর্যন্ত অবশ হয়ে থাকে, কিছুতেই সেই অবসাদ ও আলস্য কাটিয়ে উঠতে পারি না। অনেক লেখা পড়ে মুগ্ধ হই, মন্তব্য করার ইচ্ছে জাগে - কিন্তু ওই একই কারণে তা-ও সবসময় হয়ে ওঠে না।

ফলে ব্লগে আমার সক্রিয়তা সেই প্রাথমিক পর্যায়েই রয়ে গেল এতদিন পরও। গত কয়েক মাসে আমি যতোটুকু পাঠক হয়ে উঠতে পেরেছি, ততোটুকু 'ব্লগার' হয়ে উঠতে পারিনি। ['ব্লগার' শব্দটি আমার পছন্দ নয় যদিও, কিন্তু বিকল্প কোনো শব্দও খুঁজে পাচ্ছি না। আমার নিজের কাছে 'ব্লগার' মানে শুধুই লেখক নন, শুধুই পাঠকও নন, একই সঙ্গে লেখক ও পাঠক এবং একজন ইন্টারঅ্যাক্টিভ ব্যক্তি।] আর ব্লগের আনন্দদায়ক দিকটাই হলো লেখক-পাঠক মিথস্ক্রিয়া বা মতবিনিময়। কিন্তু সেই কাজটি খুব একটা করে ওঠা হচ্ছে না আমার। অনেক লেখা পড়ছি, কিন্তু অনুভূতিগুলো জানানো হচ্ছে না। ব্লগে আমার নিজের লেখার পরিমাণও হাতে গোনা। আলস্য কাটিয়ে নিয়মিত হওয়া হচ্ছে না কিছুতেই। একবার ভেবেছিলাম, আমার পড়া প্রিয় গল্প-কবিতা-উপন্যাস-নাটক-প্রবন্ধ, বা প্রিয় চলচ্চিত্র বা মঞ্চনাটক নিয়ে আমার ভালোলাগাটা শেয়ার করবো আপনাদের সঙ্গে। দু-একবার করেছিও, কিন্তু সেটিও কন্টিনিউ করা হয়নি।

আজকেও তেমন ইচ্ছে নিয়ে বসেছিলাম, কিন্তু, এখন আর লিখতে ইচ্ছে করছে না! :(

কিন্তু আলস্যকে আজ হটিয়ে দিতেই হবে। আসলে তো, জীবনকে যে যেভাবে দেখে সেভাবেই নির্মাণ করে বেঁচে থাকবার কৌশল। রাহাত খানের 'ভাল মন্দের টাকা' গল্পের রহিমদাদ হয়তো জীবনকে নিয়েছিল এক নিষ্ঠুর কৌতুক হিসেবে। রাহাত খান আমাদের এখানে কখনোই খুব গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হননি। যদিও তাঁর 'অমল ধবল চাকরি'র মতো অসাধারণ উপন্যাস আছে; 'চুড়ি' 'ইমান আলীর মৃত্যু' বা 'আমাদের বিষবৃক্ষ'র মতো বিখ্যাত সব গল্প আছে। সেই তুলনায় 'ভাল মন্দের টাকা' গল্পটি তেমন বিখ্যাত নয়। অথচ এটিকে আমার কাছে খুবই শক্তিশালী গল্প মনে হয়। এই গল্পের 'নায়ক' রহিমদাদ হয়তো জীবনকে নিয়েছিল এক নিষ্ঠুর কৌতুক হিসেবে - সে তো আগেই বলেছি। কোনো বিষয়েই যেন কোনো মোহ নেই, আগ্রহ নেই, উচ্ছ্বাস নেই তার। এক অদ্ভুত নিরাসক্তি আর নিস্পৃহতা তাকে ঘিরে থাকে, আর এগুলো নিয়ে সে এক বিচিত্র কৌতুকে মেতে ওঠে সে। 'পর্নোগ্রাফি' আর 'থ্রিলার' লিখে জীবনধারণ করে সে, কিন্তু এতেও যেন তার বিশেষ কোনো অংশগ্রহণ নেই। বেঁচে থাকার প্রয়োজনেই লেখা আর এজন্যই বিচিত্র সব মানুষের সংস্পর্শে আসা। 'হীরু মিয়া', 'আমিনা' কিংবা 'হাজী সাহেবের' মতো লোকজনের সঙ্গে তার মেলামেশা স্রেফ ব্যবসায়িক প্রয়োজনে - তাদের আচার-আচরণ তার ওপর বিশেষ প্রভাব ফেলে না। হীরু মিয়া অবলীলায় তার লেখা পর্নোগ্রাফি 'কিছু হয় নাই' বলে মুখের ওপর ফেরত দিয়ে গেলেও তার তেমন প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না, সে বরং আমিনার সঙ্গে গল্প জমাতে চেষ্টা করে। হেনাবুর সংসার ভাঙার সংবাদ শুনে সে অবসন্নতা কাটিয়ে 'ঠিক আগের মতো জেগে উঠল'। বন্ধু সাখাওয়াত প্রায় ভিখারি সদৃশ জীবনযাপন করে - রহিমদাদের এতেও কোনো বিকার নেই। রায়হানার পাশে শুয়েও নিজেকে অনুত্তেজিতই দেখতে পায় সে। যেন এক জীবন-মৃত মানুষ সে - অনুভূতিশূন্য, প্রতিক্রিয়াহীন। বন্ধু জামিল মৃতু্যপথযাত্রী, অথচ এ নিয়ে তার কোনো দুঃখ নেই, কষ্ট নেই। আছে দুশ্চিন্তা - জামিল মরে গেলে কে তাকে থ্রিলারের রসদ জোগাবে! জামিলের আসন্ন মৃত্যু নিয়েও সে এক বিস্ময়কর কৌতুকে মেতে ওঠে। যেন বন্ধুর মৃত্যুও একটি ঠাট্টার বিষয়।

রহিমদাদের এই আচরণ আমাদের চমকে দিয়ে যায়। এমন নিস্পৃহ, নিরাসক্ত আচরণের ব্যাখ্যা কি? সে কি কোনো কারণে হারিয়ে ফেলেছে মানুষের স্বাভাবিক প্রবণতা, নাকি জীবনকে অতিমাত্রায় ক্যাজুয়ালি নিয়েছে সে? অর্থহীন আর বৈশিষ্ট্যহীন এই জীবনের জন্য এত আয়োজন কি হাস্যকর মনে হয় তার কাছে? জামিলের সঙ্গে কথোপকথনে তার নিস্পৃহ কৌতুকপ্রবণ আচরণটি ফুটে ওঠে -

''জামিল মরে যাওয়ার আগে তার সম্পত্তির কাকে কি দিয়ে যাবে সেই কথা হচ্ছিল। রহিমদাদ বলল, দোস্ত, তুই লেখাপড়া করে এই তিনতলাটা আমাকে দিয়ে যা না।

পাগল নাকি। জামিল বলল। তুই আমার কে যে বাড়িটা দিয়ে যাব?

রহিমদাদ বলে, কেন আমি তো তোর ফ্রেন্ড। দিয়ে যা না বাড়িটা।

জামিল বলে, না। আমি তোকে লেখার টেবিল আর বইগুলো দিয়ে যাব।

আর জামাকাপড়? তোর পার্কার পেনটা? চেনওয়ালা সোয়েটারটা?

জামিল হাসতে হাসতে বলেঃ আর কিছু না। লেখার টেবিল আর বইগুলো, ব্যস।

রহিমদাদ দুঃখিত হয়ে বলেঃ ঠিক আছে তাই দিস। কিন্তু তুই মরে গেলে আমার সিরিজটা মার খেয়ে যাবে।''

চমকে উঠতে হয়, এ কি কোনো মৃত্যুপথযাত্রী বন্ধুর সঙ্গে কথোপকথন? এত নিস্পৃহতা, এমন নিষ্ঠুর কৌতুক কি করে সম্ভব একজন অনুভূতিসম্পন্ন মানুষের পক্ষে? রহিমদাদ বাংলা গল্পের দীর্ঘ ঐতিহ্যে এক বিস্ময়কর চরিত্র। জীবনকে এত ক্যাজুয়ালি, এত ঠাট্টা-মশকরা, কৌতুক-বিদ্রূপের বস্তু হিসেবে দেখাটা মানুষের পক্ষে অসম্ভব। রহিমদাদ তাই দেখেছিল। এ যেন এক ঐশ্বরিক নিরাসক্তি, মানুষের মধ্যে এর দেখা মেলা ভার!

পাঠককে আবারও চমকাতে হয় জামিলের মৃতু্যসংবাদ শোনার পর রহিমদাদ ও রায়হানার আচরণ দেখে। মৃত্যুসংবাদ শুনে -

''রহিমদাদ : মারা গেছে। দুপুরবেলা? ইস!

রায়হানরা : দুপুর একটা পঁচিশে মারা গেল। খুব শান্তভাবে মরল। একটাও কথা বলেনি। কারো দিকে তাকায়নি।

রহিমদাদ : যাক, জামিল তাহলে মারা গেল। উঃ কদ্দিন থেকে মারা যাওয়ার কথা। জামিল নিজেই টায়ার্ড হয়ে পড়েছিল।''

এখানেই মৃত্যুর আলোচনা শেষ, অতঃপর দুজনেই প্রবেশ করে জীবনের আলোচনায়। যেন জামিলের মৃত্যু বিশেষ কোনো ঘটনা নয় তাদের কাছে, যদিও রায়হানা জামিলের একদা প্রেমিকা, রহিমদাদ বন্ধু। আবারও দেখতে পাই জামিলকে সমাধিস্থ করে এসে -

''বাসায় নামিয়ে দিয়ে রায়হানা বললো, তুমি কবিতা লিখেছিলে?

রহিমদাদ বলেঃ নাহ।

রায়হানা বলেঃ তুমি পারবেও না।

রহিমদাদ বলেঃ তাই। আমি থ্রিলারও লিখতে পারছি না আর।...

রায়হানার গাড়িটা চলে গেলে রহিমদাদ কিছুক্ষণ অন্ধকারে দাঁড়িয়ে রইল। পরে নিজেকে নিজে বলল : হয়তো আমি একটা কবিতা লিখতে চাই। এছাড়া উপায় নেই আমার। আমাকে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপায় নেই আমার।''

গল্পের একেবারে শেষ পঙক্তি নতুন করে ভাবিয়ে তোলে পাঠককে - যেন এতক্ষণে রহিমদাদের মধ্যে খানিকটা মানবিক বোধের লক্ষণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সে আর থ্রিলার লিখতে পারছে না। একটি কবিতা লিখতে চায় সে, কারণ, 'এছাড়া উপায় নেই' তার। কেন? কে তাকে নষ্ট করেছে? রায়হানা? যে আশ্চর্য নিরাসক্তি নিয়ে সে বরাবর জীবনকে দেখে এসেছে, থ্রিলার লিখেছে, পর্নোগ্রাফি লিখেছে, একটি কবিতা লেখার প্রেরণা বা প্রেম - যা রায়হানা কতৃক প্রদত্ত - কি সেই নিরাসক্তিকে ধ্বসিয়ে দিলো?

প্রেম কি তাহলে ঐশ্বরিক নিরাসক্তি আর নিস্পৃহতাকেও ধ্বসিয়ে দিয়ে মানুষকে দাঁড় করিয়ে দেয় মানবিক জীবনের পক্ষে? হয়তো! প্রেম থাকা মানে হয়তো অবসাদ থেকে মুক্তি, ক্লান্তি থেকে মুক্তি, নিরাসক্তি আর নিস্পৃহতা থেকে মুক্তি। কিংবা হয়তো এর কোনোটাই নয়, প্রেম সম্বন্ধে শেষ কথা কে-ই বা বলতে পারে!

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্পপাঠ-১ ;

 

  • ৪১ টি মন্তব্য
  • ৩০৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৬ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৪
comment by: স্বপ্নকর বলেছেন: আমি পারি :D

প্রেমে পরিণতি ২ টা - ছ্যাকা অথবা বিবাহ :P
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫২

লেখক বলেছেন: আরে দূর, কী যে বলেন!

ছ্যাকা তো প্রেমের প্রাথমিক পর্ব। ;)

আর বিবাহের মধ্যে প্রেম কোথায় দেখলেন? X(

২. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৯
comment by: মু্ক্ত মানব বলেছেন: ভালো লাগলো পড়ে।
আমাদের দেশে পাদপ্রদীপের আলোয় আসতে হলে মরহুম হ'তে হয়, কিম্বা ভাগ্যের ছোঁয়া লাগে, বা নাগরিক এলিটের অন্তর্গত হতে হয়। লেখকেরও এগুলো লাগে।

লেখা ভালো লাগলো। শুভেচ্ছা নিন।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৫

লেখক বলেছেন: রাহাত খান কিন্তু 'নাগরিক এলিটের অন্তর্গত'ই।

তাঁর গ্রহণযোগ্যতা এত কম কেন, বা তিনি এত কম পঠিত হন কেন, আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারি না।

আপনিও শুভেচ্ছা নিন। এবং ধন্যবাদ।

৩. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৯
comment by: হরিণ বলেছেন: ভাইজানরে খুঁজতাছি কদিন ধরেই। গত শুক্রবার কালের খেয়াতে আপনার গল্পটি পড়ার পর থেকেই। আজকের লিখাটা প্রিয়তে রাখলাম, পড়ে পড়ে নেব। আগে বলুন ওই হুইল চেয়ার গল্পটার সাথে জীবনের মিল কোথায় ? তাড়াতাড়ি বলুন আমি কিন্তু বাসায় ফিরব, কাজ শেষ হওয়ার পথে !
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫০

লেখক বলেছেন: 'হুইল চেয়ার' গল্পটার সাথে কার জীবনের মিল খুঁজছেন? গল্পের চরিত্রগুলোর? নাকি গল্পের লেখকের? চরিত্রগুলোর সঙ্গে সম্পর্কটি তো গল্পেই বলা আছে। আর লেখকের জীবনের সঙ্গে মিল খুঁজতে না যাওয়াই ভালো। গল্পকার যখন লেখেন তখন পুরোটাই তো আর বাস্তব নিয়ে লেখেন না! এর কিছুটা হয়তো বাস্তব, বাকিটা কল্পনা।

৪. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৭
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন:
'ব্লগার' মানে শুধুই লেখক নন, শুধুই পাঠকও নন, একই সঙ্গে লেখক ও পাঠক এবং একজন ইন্টারঅ্যাক্টিভ ব্যক্তি।

এই কথাটি দারুন বলেছেন। আপনার সঙ্গে পুরোপুরি একমত।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৫

লেখক বলেছেন: একমত তো হলেন কিন্তু কোনো পরামর্শ তো দিলেন না! আমি তো ইন্টারঅ্যাক্টিভ হতে পারছি না! আজকেও কতোগুলো লেখা পড়ে ফেললাম, কিন্তু মন্তব্য করা হলো না! :(

আপনার প্রায় সব লেখা আমি পড়ি, (অনলাইনে বা অফলাইনে) কিন্তু ওই একই ব্যাপার- জানানোও হয় না! :( :(

৫. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৮
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: আমার ক্ষেত্রে যেটা হয় আমি আগের দিন যেখানে শেষ করি, পরের দিন অনলাইন হয়ে সেখান থেকে পড়া শুরি করি। মোটামোটি সব পোস্টের দিকেই নজর দেই। সেখান থেকে যেগুলো ভালো লাগে পড়ে ফেলি। পড়ার বেশির ভাগই অফলাইনে। রাতে অনলাইন হলে পড়ে ফেলা পোস্টগুলোতে মন্তব্য করে ফেলি। :)
ইন্টারঅ্যাক্টিভ হতে পারছি কি না বুঝতে পারছি না, তবে আমি ইন্টারঅ্যাক্টিভ হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৫

লেখক বলেছেন: আমিও পড়ি। সব পোস্ট নয় অবশ্যই, যেগুলো পড়ার মতো সেগুলো। কিন্তু মন্তব্য কম করা হয়। সমস্যা সেখানেই। পড়তে পড়তে যে কথাগুলো মনে হয়, সেগুলো লিখতে আলস্য! :(

আপনি তো খুবই ইন্টারঅ্যাক্টিভ! রীতিমতো ঈর্ষণীয়!

৬. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০১
comment by: মু্ক্ত মানব বলেছেন: কিম্বা হয়তো গায়ে সাংবাদিকের ছাপমারা থাকলে 'অ-সাংবাদিক, এলিট, পুরু চশমাঅলা "একাডেমিক" সমালোচক'এর চোখে ব্রাত্য হতে হয়...!

কে জানে কোনটা আসল কারণ..।
যেমন শেয়ারের দাম কিসে বাড়ে আর কমে, এর উপরে বিস্তর গবেষণা হয়েছে , কিন্তু ফয়সালা হয় নাই।
লেখকের জনপ্রিয়তার রহস্যও সে রকম...!
সেই দাড়িঅলার গানের মতো: "শেয নাহি যে, শেষ কথা কে বলবে..."
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১২

লেখক বলেছেন: 'কে জানে কোনটা আসল কারণ'- সেটাই! কে জানে!

রাহাত খানের জনপ্রিয় হওয়াটাই স্বাভাবিক ছিলো। হননি, এ নিয়ে আমার তেমন দুঃখ নেই, তবে কেন হননি সে নিয়ে প্রশ্ন আছে, এই আর কি!

৭. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০২
comment by: হরিণ বলেছেন: লাবণ্যকে কল্পনা করা হয়েছে। এমন ভালো মেয়ে কল্পনা করতে পেরেছেন ? অথচ জীবনে এল না কেন এ নিয়ে আরেকটি গল্প আশা করছি। সেটি কালের খেয়ায় না হোক-অনুরোধ রাখলে একটি মেইল নাম্বার দিচ্ছি
৮. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০২
comment by: হরিণ বলেছেন: লাবণ্যকে কল্পনা করা হয়েছে। এমন ভালো মেয়ে কল্পনা করতে পেরেছেন ? অথচ জীবনে এল না কেন এ নিয়ে আরেকটি গল্প আশা করছি। সেটি কালের খেয়ায় না হোক-অনুরোধ রাখলে একটি মেইল নাম্বার দিচ্ছি
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৯

লেখক বলেছেন: প্রশ্নটা কি লাবণ্যকে নিয়ে? ধরে নিন ওটা বাস্তব চরিত্র, কল্পনা নয়। কিন্তু ভালো মেয়ে হলেই যে জীবনে আসবে, তেমন তো কোনো কথা নেই! ছেলেটির তো সক্রিয় হওয়া প্রয়োজন ছিলো, হয়নি। এত নির্বিকার থাকলে পরিণেতি তো ওরকমই হওয়ার কথা!

৯. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৯
comment by: সোহেল হাসান গালিব বলেছেন: পথের পাঁচালী পড়ে রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন, এতদিন বাইরের লেখা পড়তে পড়তে ঘরের দিকে তাকাবার সময়ই পাই নি। নিজের দেশের লেখকদের লেখা না পড়ে যে অন্যায় করেছি, এবার তার প্রায়শ্চিত্ত করার সময় এল।
আমার মনে হয়, আমাদের সংকটটা রবীন্দ্রনাথের থেকেও বেশি। কেননা এক রবীন্দ্রনাথ পড়ে শেষ করতেই আমাদের একটা বড় সময় চলে যায়। বাইরের লেখার কথা ছেড়েই দিলাম। চণ্ডীদাস থেকে শুরু করে আজকের শহীদুল জহির বা মাহমুদুল হক বা সেলিম আল দীন পর্যন্ত আমাদের যত লেখা পড়তে হয়েছে, বাংলা ভাষায় সে পরিমাণ লেখা ঠাকুরকে পড়তে হয় নি। সাহিত্যের ইতিহাসটা তার সামনে ছিল কিছুটা সংকীর্ণ, অন্তত আমাদের চেয়ে। তাই স্বীকার করতেই হয়, পরখ করে দেখবার ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও অনেকের লেখাই পড়া হয়ে ওঠে না।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৫

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, আমাদের সামনে পড়ার উপকরণ অনেক অনেক বেশি। দিন দিন তা বেড়েই চলেছে। হয়তো সব লেখা পড়ে ওঠা কারো পক্ষে সম্ভবও নয়, দরকারও নেই। তবে গুরুত্বপূর্ণ লেখাগুলো পড়তে পারলে ভালো হয়। তাতে অনেকখানি সময় ও শ্রম যেমন বাঁচে, পাঠের বৈচিত্র্যও বাড়ে। সমস্যা হলো- আমাদের সমালোচনা সাহিত্য দূর্বল হ্ওয়ার কারণে ভালো লেখাগুলোর দিকে পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার মতো কেউ ছিলো না কখনো, এখনও নেই। থাকলে পাঠকদের জন্য খুব সুবিধা হতো

১০. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৩
comment by: সোহেল হাসান গালিব বলেছেন: রাহাত খানের লেখা কলেজ জীবনে পরখ করবার সুযোগ হয়েছিল ঈদ সংখ্যার কল্যাণে। বিশেষ করে টানে নি যে, এইটুকু মনে আছে।

আপনার বিশ্লেষণের জায়গাগুলো শেয়ার করতে পারলাম না ঠিক মতো। তবে ফের পরখ করে দেখবার ইচ্ছে রইল।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩১

লেখক বলেছেন: রাহাত খানের সব লেখা তো ভালো লাগার মতো নয়। তবে এই লেখায় তাঁর যে উপন্যাস ও গল্পগুলোর কথা উল্লেখ করেছি, সেগুলো উল্লেখযোগ্য। অবশ্য এগুলো ছাড়াও 'অন্তহীন যাত্রা' এবং 'প্রতিদ্বন্দ্বী' গল্পদুটোও চমৎকার।

'ভালো মন্দের টাকা' আমার প্রিয় গল্পগুলোর একটি। পড়া না থাকলে অবশ্য শেয়ার করা কঠিন। কারণ ওই চরিত্রের নিরাসক্তি বর্ণনা করে বোঝানো যাবে না।

পরখ করে মতামত জানালে আনন্দিত হবো।

১১. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪০
comment by: শিমুল বলেছেন: গল্পটি আমার পড়া নাই। পড়বো। স্যার আপনি কিন্তু এখনো সেই মৃত্যু চিন্তার মধ্যে আটকে আছেন। কি হইছে আপনার?
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫৬

লেখক বলেছেন: না, মৃত্যুচিন্তার মধ্যে আটকে নেই, ভাই। এই লেখায় বরং মৃত্যুর দিক থেকে জীবনের দিকে চোখ ফেরানোর কথা বলা হয়েছে। মৃত্যু যতই কঠিন বাস্তব হোক না কেন, আমরা মৃতের স্মৃতির ওপর গড়ে তুলি জীবনের সৌধ। কারণ, জীবনই সুন্দর, জীবনই সম্ভাবনাময়!

১২. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৫
comment by: হরিণ বলেছেন: লাবণ্যদের বিশ্বাস করা বেশ কঠিন, তারা ফাঁক পেলেই অন্যের হয়ে যায়। পরে নীরব দহনে পুড়তে থাকে হৃদয়। আমার জীবনে লাবণ্যদের দেখা বেশ ক'বার হয়েছে। ওই ঘটনা একটাই-তাদের প্রচুর চাহিদা থাকে, আপনার ওই গল্পেই সম্ভবত পড়েছিলাম, প্রেমিককে যেন তারা ভাবে কেনা গোলাম, এই বললেই চলে আসতে হবে, দেখা করতে হবে, যা চায় তা দিতে হবে..ইত্যাদি ইত্যাদি। তারপরও আপনার ওই লাবণ্যর চরিত্র কেমন ভালো দেখাচ্ছিল বলেই ব্যক্তিগত প্রশ্নটা করেছিলাম। এ জন্য সরি। আমি ঠিক কার গল্প চাচ্ছিলাম ? আমি চাচ্ছিলাম আপনার ব্যক্তিগত জীবনের বাস্তব প্রেমের গল্প যার একমাত্র পাঠক আমিই হবো। এ কারণেই জিমেইলটা দেওয়া। যদি অনুরোধ রাখেন...তবে অনেক কথা হবে। এখানেই শেষ নয়।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১২

লেখক বলেছেন: 'ব্যক্তিগত জীবনের বাস্তব প্রেমের গল্প' শুনতে চান কেন? আমার গল্পগুলোর মধ্যেই টুকরো টুকরোভাবে ওসব আছে। সব কথা কি এত খোলামেলা বলা যায়?

জিমেইল দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। দেখা যাক কী হয়! আপনিও আমাকে মেইল করতে পারেন। ঠিকানা তো আমার প্রোফাইলেই দেয়া আছে।

১৩. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৮
comment by: সোহেল হাসান গালিব বলেছেন: আপনার হুইল চেয়ার গল্পটা ভালো লেগেছে এই কারণে যে, ওর মধ্যে আছে একটা প্রতীকী আভাস। গল্পের নায়ক, যে কি-না আনন্দভৈরীর মানে বলতে পারে নি, মানেটা অবশ্য আমিও ঠিক জানি না, যদিও এই মহূর্তে কাকতালীয়ভাবে আমার কম্পিউটারে আনন্দভৈরবী রাগ বাজাচ্ছেন লালমণি মিশ্র, কিন্তু ঐ নায়ক মহাশয় সত্যিই বড় বেশি মহোদয়। মহতের ভার যেন চেপে বসেছে তাকে। লেখক যেন কিছুটা জেনধর্মদীক্ষিত।
মা'র ইচ্ছাপূরণের জন্য গ্রামে খুব এক্সক্লুসিভ এবং এক্সপেন্সিভ গৃহ-নির্মাণ করে সে প্রায় বায়েজিদ বোস্তামীকে টপকে গেছে। যেখানে আজকের দুনিয়ায় সম্পদ নিয়ে ভায়ে-ভায়ে হানাহানি-টানাটানি, সেখানে তার এই মাতৃভক্তি, অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের সেই কবিতার মতো বলতে প্ররোচিত করে, এখনো প্রাণ আছে, এখনো প্রাণ আছে।
কিন্তু সে প্রাণ থাকাটা যে বড়ই অবিশ্বাস্য, ভৌতিক, আরোপণও হতে পারে। বরং নায়ক কিছুটা স্খলিত ও চতুর হলেই স্বাভাবিক হতো। যার একটা আভাস আমরা পাই, অসুস্থ খালুর কাছ থেকে পালাবার মুহূর্তে।
এতে করেও গল্পের মূল যে ট্র্যাজিক ফিলিং বা মানুষের অসহায়ত্বের যে বেদনা, তা ক্ষুণ্ন হতো না বলেই মনে হয়।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:০৭

লেখক বলেছেন: মা'র ইচ্ছাপূরণের জন্য গ্রামে খুব এক্সক্লুসিভ এবং এক্সপেন্সিভ গৃহ-নির্মাণ' করার ব্যাপারটা ওই চরিত্রের বাস্তব জীবন থেকে নেয়া। তবে সব বাস্তব ঘটনাই যে গল্পে আসতে হবে, এটা আদৌ ঠিক নয়। এইখানে হয়তো আমার লোভ সংবরণ করা উচিত ছিলো, হয়তো তাকে স্খলিত ও চতুর দেখালেই ভালো হতো। এ ব্যাপারে আপনার সঙ্গে আমি একমত। গল্পকারের কাজ হলো, গল্পকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলা। বাস্তব ঘটনা যদি অবিশ্বাস্য মনে হয়, তাহলে, গল্পে তার অনুপ্রবেশ না ঘটানোই উচিত।তবে এই বিষয়টি যে চরিত্রের ‌'মহত্ত্ব'কে এতটা তীব্র করে তুলবে, আমি সত্যিই তা ভাবিনি। বাস্তব কখনো কখনো কল্পনাকেও হার মানায়। 'আজকের দুনিয়ায় সম্পদ নিয়ে ভায়ে-ভায়ে হানাহানি-টানাটানি, সেখানে তার এই মাতৃভক্তি' যে একটা সত্য ঘটনা, এবং আজকের যুগে তা একান্তই অবিশ্বাস্য ও অচল, সে ব্যাপারেও সচেতন ছিলাম না। বরং অসুস্থ-পঙ্গু বাচ্চাটির জন্য জানালা দিয়ে নদী দেখার দৃশ্যটিকে আনবার জন্যই এই প্রসঙ্গের অবতাড়না করেছিলাম।

আপনার মতামতের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ, গালিব। এবং সমালোচনাটিকে আমার কাছে গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয়েছে। পরবর্তীকালে গল্পটি বইতে অন্তর্ভূক্ত করলে 'বাড়ি নির্মাণের' এই প্রসঙ্গটি হয়তো থাকবে না।

১৪. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫১
comment by: তারার হাসি বলেছেন: প্রেম থাকা মানে হয়তো অবসাদ থেকে মুক্তি, ক্লান্তি থেকে মুক্তি, নিরাসক্তি আর নিস্পৃহতা থেকে মুক্তি।

সহমত...
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১৩

লেখক বলেছেন: 'হয়তো' বলেছি কিন্তু, আমি নিজেও শিওর না! ;)

১৫. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৬
comment by: ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: শ্রদ্ধেয় স্যার, কেমন আছেন? আপনার লেখাটি শিরোনামেই আকৃষ্ট করলো। পড়তে গিয়ে রাহাত খানের গল্প নিয়ে আলোচনায় বেশ খুশি হয়ে উঠলাম। রাহাত খান আমার বেশ প্রিয় লেখক। আপনি যে গল্পের কথা বলেছেন সেটা যদিও পড়িনি, তবে তাঁর গল্পে কেমন একটা নিরাসক্তি থাকে চরিত্রগুলোর মধ্যে সেটা আমার খুবই ভালো লাগে। লেখার মাঝে এরকম নিস্পৃহ ঔদাসীন্য ফুটিয়ে তোলাটা বেশ কৌশলী মনে হয়, পরোক্ষভাবে পাঠককে আগ্রহী করে তোলার মতো, যেটা পড়তে গিয়ে টের পাওয়া যায় না, উল্টা ভাল লাগার পরিমাণ বাড়তে থাকে।
------
প্রেম বিষয়ক আলোচনায় ঐ হয়তো শব্দটা চোখে পড়েছিলো। এটা মনে হয় সবারই সাধারন বৈশিষ্ট্য, কোন ক্যাটাগরি তৈরি করাটা আসলেই কঠিন! মানুষ নিজেই এত বিচিত্র তার একজীবনে প্রেম আর তার রূপও অতি বিচিত্র। সেখানে এত মানুষ আর তার এত খণ্ড খণ্ড ঘটনা যে কোনটাকে কোন ভাগে ফেলা যায়। আমার মনে হয় সেজন্যেই 'হয়তো'-এর অবতারণা!
------
ব্লগিঙে আপনার পক্ষে সময় দেয়াটাই আমার কাছে অনেক মনে হয়, এটার ইন্টারঅ্যাক্টিভিটিই মনে হয় আপনাকে টেনে আনে, আমাকেও একইভাবে টেনে আনে। আমিও শামীমের মতোই একদিক থেকে পড়ে যাই। সব লেখা পড়ি না, তবে কিছু কিছু লেখা সময় নিয়ে পড়ি। আর কিছু লেখা বারবার পড়ি। আপনার সামর্থ্য আরও বাড়ুক ব্লগিঙে এই কামনাই রইলো!
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ 'ছন্নছাড়ার পেন্সিল'। আপনার আসল নাম এখনো জানা হয়নি আমার, বাস্তবে আপনার সঙ্গে পরিচয় হয়েছে কী না তা-ও বলতে পারবো না, কিন্তু ব্লগে আপনার লেখা আমি মনোযোগ দিয়ে পড়ি। এবং বলতে দ্বিধা নেই যে, আনন্দ নিয়েই পড়ি। কিন্তু সবসময় মন্তব্য করা হয় না, আমার ওই স্বভাবের জন্যই! আশা করি, এই আলস্য আপনি/আপনারা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতেই দেখবেন।

নানা ধরনের গল্প নিয়ে এরকম পোস্ট দেয়ার ইচ্ছে আছে ভবিষ্যতে। দেখা যাক কী হয়।

আরেকটি কথা - আমাকে 'স্যার' না ডাকাই ভালো। বরং 'ভাই' ডাকটিই অনেক বেশি কাছের মনে হয়।

১৬. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৫
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: রাহাত খানের "দিলুর গল্প" পড়ে মারাত্মক আউলাঝাউলা হয়ে গিয়েছিলাম ছোটোবেলায়।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:০৭

লেখক বলেছেন: আমিও!

১৭. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৩
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: অভিজ্ঞতা নেই,বলতে পারলাম না তাই।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:০৯

লেখক বলেছেন: এখনও অভিজ্ঞতা হয়নি!! কী দুঃখজনক! তাড়াতাড়ি অভিজ্ঞতা অর্জন করুন! ;)

১৮. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৪
comment by: হরিণ বলেছেন: আজ ১৫ সেপ্টেম্বর ব্লগে ছিলাম কেবল আপনার জন্যই। কিন্তু হতাশ করলেন। আপনি নেই। আলস্য আপনাকে পেয়ে বসেছে_এটাই ভেবে নিয়েছি।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১১

লেখক বলেছেন: ব্লগে এসেছিলাম, কিন্তু একটু আগেভাগেই চলে গেছি। লোডশেডিংয়ের উৎপাত নিয়ে আর কথা বলতে চাই না। ক্লান্ত হয়ে গেছি।

বিশেষ কোনো কারণ ছিলো আপনার অপেক্ষার?

১৯. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৯
comment by: মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: লেখাটি প্রথমদিনেই পাঠ করেছিলাম, আলসেমী করে ভালো লাগাটা জানানো হয়নি।

আসলেই কি আমরা সবকিছুর প্রতি নিরাসক্ত হতে পারি? কেউ পারে? মানুষ প্রকৃতিগত ভাবে নিরাসক্ত নয় বলে, গল্পে এধরনের মানুষের উপস্থিতিতে আমরা কিছুটা হোঁচট খাই।

রাহাত খানের লেখার আমি পছন্দ করি। তবে, অন্যের মাঝে নিজের চিন্তাকে ছড়িয়ে দেবার প্রবল আসক্তি নেই বলে- তিনি অনেকের কাছেই অপরিচিত, এটি আমার মনে হয়েছে। আর স্বীকার করতেই হয়, বাংলা সাহিত্যের সমালোচনার দিকটি এত অপ্রতুল আর দুর্বল যে, অনেক সুলেখকের সাথে সাথে তিনিও দৃষ্টির আড়ালে রয়ে গেছেন; যা দুঃখজনক।
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০৮

লেখক বলেছেন: আপনার এই মন্তব্যটি কীভাবে আমার চোখ এড়িয়ে গেল, বুঝতে পারছি না। আমি দুঃখিত রিপন, খুবই দুঃখিত। সাধারণত পাঠকদের মন্তব্যের জবাব দিতে পছন্দ করি আমি। বিশেষ করে প্রিয় কেউ হলে তো আলাপ জুড়ে দেই রীতিমতো। অথচ এ নিয়ে আপনারসঙ্গে কথা বলা হলো না! এখন আর উত্তর দিয়েই বা কী হবে! এটা হয়তো আপনার চোখেই পড়বে না!

তবু, ধন্যবাদটুকু জানিয়ে রাখলাম।

২০. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:২৬
comment by: ভাইটামিন বদি বলেছেন: চমৎকার লিখেন তো আপনি।।।।।

হাবি জাবি...মারামারি আর গালাগালির ভীড়ে এধরনের কিছু লেখারই দরকা.....র।।।।

আলস্য ভাংতে হবে।।।
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০৩

লেখক বলেছেন: উত্তর দিতে দেরি হয়ে গেল। দুঃখিত ভাই।

অনেকদিন আগের লেখা একটি পোস্টে মন্তব্য করে পুরনো লেখার কথা মনে করিয়ে দিলেন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

২১. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৬
comment by: কঁাকন বলেছেন: ভালো লাগলো
নিজের জন্য আফসোস হইতেছে রাহাত খানের কোনো লিখা পড়িনি
পড়তে ইচ্ছে করতেছে
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২৪

লেখক বলেছেন: পড়েন! আপনাকে কেউ নিষেধ করছে নাকি? :(

রাহাত খানের লেখা না পড়া হোক, আমারটা তো হলো! :)

অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য। শুঝেচ্ছা নিন।

 



 


জন্ম : ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৬৯; মানিকগঞ্জ।

পৌষের কোনো এক বৃষ্টিভেজা মধ্যরাতে
এদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম হয়েছিলো আমার,
মায়ের কাছে শুনেছি।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ২৮৭৮৫