আমার প্রিয় পোস্ট

আমরা যা বলতে পারি না, সেখানে নীরবতাই উত্তম কথক

১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫২

শেয়ারঃ
0 7 0

'আমরা যে বিষয়ে কিছু বলতে অক্ষম, সেখানে নীরবতার কাছে সমর্পিত হওয়াই উত্তম'- এই কথা বলে নিজের থিসিস শেষ করেছিলেন বিশ শতকের অন্যতম প্রভাবশালী দার্শনিক লুডভিগ ভিটগেনস্টাইন। তাঁর বিশ্ববিখ্যাত সেই অতি জটিল থিসিসটার শিরোনাম ছিলো -'ট্র্যকটাটাস লজিকো ফিলোসফিকাস'। বইটি পড়ে সবটা বুঝেছি - এই দাবি আজ পর্যন্ত কেউ করেছেন বলে জানা নেই, আমি তো কোন ছাড়! তবু, অনেকের কাছে শুনে, কৌতূহলবশত সেটি পড়তে পড়তে, কিছুটা বুঝে এবং বেশিরভাগ না বুঝে যখন মাথা এলোমেলো হবার অবস্থা, তখনই দেখি- তিনি তাঁর থিসিসের শেষ পঙক্তিতে পৌঁছেছেন এক আশ্চর্য বাক্য দিয়ে -

‘what we can not speak about, we must consign to the silence’

এই একটি বাক্যই আমাকে বুঝিয়ে দেয় - এক আশ্চর্য প্রতিভাবান মানুষের একটা বই আমি বুঝে হোক না বুঝে হোক, পড়ে শেষ করে ফেলেছি। আগ্রহ জন্মে তাঁর ব্যাপারে। নানা বইপত্র ঘেঁটে জানতে পারি, এ্যারোনেটিক ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার জন্য পড়াশোনা শুরু করেছিলেন তিনি, সেখানেই গণিতের ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্যে আসেন এবং হাতে পান বার্টান্ড রাসেলের প্রিন্সিপলস অব ম্যাথমেটিক্স, যেটি তাকে দর্শন সম্পর্কেও উৎসাহী করে তোলে। রাসেল নিজেই ভিটগেনস্টাইনের সঙ্গে তার কথাবার্তার বিবরণ দিয়েছেন এভাবে, (ভিটগেনস্টাইন তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন)-

‘Will you please tell me whether I am a complete idiot or not?’ (আপনি কি দয়া করে বলতে পারেন, আমি পুরোপুরি ইডিয়ট কী না!)

I replied, ‘My dear fellow, I don’t know. Why are you asking me?’(আমি তো জানি না! কেন একথা জিজ্ঞেস করছেন?)

He said, ‘Because, if I am a complete idiot, I shall become an aeronaut; but, if not, I shall become a philosopher.’(আমি যদি পুরোপুরি ইডিয়ট হয়ে থাকি, তাহলে ইঞ্জিনিয়ার হবো। তা না হলে দার্শনিক হবো!)

I told him to write me something during the vacation on some philosophical subject and would tell him whether he was a complete idiot or not. At the beginning of the following term he brought me the fulfillment of this suggestion. After reading only one sentence, I said him, ‘No, you musrt not become an aeronaut.’(আমি তাকে সামনের ছুটিতে দার্শনিক বিষয়ে কিছু একটা লিখে আনতে বললাম এবং জানালাম, ওটা পড়ে আমি তাকে জানাবো, সে ইডিয়ট কী না! ছুটিশেষে যথারীতি সে একটা লেখা আমাকে দেখালো, আর একটা মাত্র বাক্য পড়েই আমি তাকে বললাম - না, আপনি কোনোভাবেই ইঞ্জিনিয়ার হবেন না!)

কমপ্লিট ইডিয়ট হলে ইঞ্জিনিয়ার হবেন, আর না হলে দার্শনিক হবেন! রাসেলের এই স্মৃতিচারণ পড়ে ভীষণ মজার আর মধুর এক চরিত্র মনে হলো ভিটগেনস্টাইনকে। শুধু কি তাই, পিএইচডির জন্য থিসিসটি হাজির করার পর মৌখিক পরীক্ষার দিন তিনি তাঁর পরীক্ষকদ্বয় বার্টান্ড রাসেল আর জি ই মূরকে বলে বসেন, 'আমি জানি আপনারা এটা বুঝবেন না!' মৌখিক পরীক্ষার সময় পরীক্ষকদের কেউ একথা বলতে পারেন, এবং সেটি শুনেও পরীক্ষকরা তাকে ডিগ্রি দিতে পারেন - এটা বোধহয় পৃথিবীর ইতিহাসে আর কখনো ঘটেনি। শুধু এখানেই নয়, তার চরিত্রের অদ্ভুতত্ব আরো অনেক ক্ষেত্রেই ধরা পড়েছে। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি তিনি বিলিয়ে দিয়েছিলেন, কারণ তিনি মনে করতেন, দার্শনিকের কোনো সম্পত্তির প্রয়োজন নেই! কেমব্রিজ ছেড়ে দিয়ে তিনি প্রায় ছ-বছর গ্রামের স্কুলে শিক্ষকতা করে কাটিয়েছেন। এই সময় কোলাহল এড়ানোর জন্য তিনি কিছুদিন এক সরাইখানার পরিত্যক্ত বাথরুমে থাকার ব্যবস্থা করেছিলেন! কেমব্রিজে ফিরে তিনি দর্শনের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দিলেন বটে, কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে স্বেচ্ছায় সেই পদ ত্যাগ করে কাজ করলেন হাসপাতালে প্রথমে পোর্টার এবং পরে ল্যাবরেটরি এ্যাসিসটেন্ট হিসেবে।

তাঁর ওই থিসিসে মোট সাতটি প্রোপোজিশন ছিলো। শেষেরটি ছাড়া অন্যগুলোতে আবার সমর্থনমূলক প্রোপোজিশনও ছিলো। ব্যাপারটা এরকম : তিনি থিসিস শুরু করেছিলেন এইভাবে- ১. দি ওয়ার্ল্ড ইজ অল দ্যাট ইজ দা কেইস। [জগৎ হলো সমুদয় বাস্তব ঘটনা/অবস্থার সমষ্টি]

এই প্রোপোজিশনের সমর্থনে তিনি লিখলেন :

১.১ দি ওয়ার্ল্ড ইজ দা টোটালিটি অফ ফ্যাক্টস, নট অফ থিংস। [জগৎ হলো সমুদয় বাস্তব ঘটনা/অবস্থার সমষ্টি, বস্তুর সমষ্টি নয়।]

১.১১ দি ওয়ার্ল্ড ইজ ডিটারমিনড বাই দা ফ্যাক্টস, অ্যান্ড বাই দেয়ার বিইং অল দা ফ্যাক্টস [ জগৎ নিরুপিত হয় বাস্তব ঘটনা/অবস্থার দ্বারা এবং এইসব অবস্থার ফল দ্বারা!]
ইত্যাদি।

একেকটি প্রোপোজিশন ব্যাখ্যার জন্য তিনি অনেকগুলো করে সমর্থনসূচক প্রোপোজিশন লিখলেন বটে (যেমন : ৪, ৪.১, ৪.১১... ৪.৪৪১, ৪.৪৪২... ৪.৪৬৬১, ইত্যাদি), কিন্তু শেষ প্রোপোজিশন - ‘what we can not speak about, we must consign to the silence’-এর পরে আর কিছুই লিখলেন না!

মনে হয়, যেন, এতকিছু বলার পরও যে কথাগুলো বলা হলো না, সেগুলো সম্বন্ধে নীরবতা পালন করা ছাড়া উপায় নেই! নীরবতারও তো নিজস্ব একটা অর্থ আছে। যদি অনুবাদ করে নেয়া যায়, তাহলে নীরবতাই সর্বোত্তম ভাষা - এই কথা মনে হয়েছিল আমার, ওই অসামান্য লাইনটি পড়ে। আর জীবনে বারবার তেমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি, যেখানে উচ্চারিত শব্দের চেয়ে নীরবতাই অধিকতর বাঙময় হয়ে উঠেছে।

নিঃসঙ্গ ছিলেন তিনি। ছিলেন চিরকুমার, বন্ধু-বান্ধবও ছিলো না কোনো। তাঁর চরিত্রের যে প্যাটার্ন, তাতে নিঃসঙ্গ থাকাটাই ছিলো স্বাভাবিক। কিন্তু এমনটি বলা হয় যে, তাঁর পরে পৃথিবীতে এমন কোনো দার্শনিক আসেননি, যিনি তাঁর সম্বন্ধে (পক্ষে-বিপক্ষে) দু-চার কথা লেখেননি! এমন গুরুত্ব কজন মানুষই বা পান?

ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে নিজ চিকিৎসকের বাড়িতে মৃত্যুর আগে তিনি বলেছিলেন : `Tell them, I’ve had a wonderful life!’ হ্যাঁ, wonderful-ই বটে। জীবন নিয়ে এইভাবে ছিনিমিনি কজন-ই বা খেলতে পারেন! কজন-ই বা বলতে পারেন -'হোয়াট উই ক্যান নট স্পিক অ্যাবাউট, উই মাস্ট কনসাইন টু সাইলেন্স!'

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ভাষাদর্শনভিটগেনস্টাইন ;
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: +
এই মানুষটাকে নিয়ে প্রায়ই ভাবি। ... কারণ তিনি মনে করতেন, দার্শনিকের কোনো সম্পত্তির প্রয়োজন নেই!
লেখার জন্য ধন্যবাদ।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। অনেকদিন পর ব্লগে লিখলাম। আপনাকে পাঠক হিসেবে পেয়ে ভালো লাগলো।

২. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৪
পারভেজ বলেছেন: "আহাম্মকের বাণীর চাইতে জ্ঞানীর নিদ্রা উত্তম "- এরকম কি যেন একটা কথা আছে না?
ভাল লাগলো ভিন্ন স্বাদের লেখাটা।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: "আহাম্মকের বাণীর চাইতে জ্ঞানীর নিদ্রা উত্তম "- হা হা হা। হ্যাঁ, ওরকম একটা কথা আছে, কিন্তু সূত্র মনে করতে পারছি না।

পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ। অনেকদিন পর ব্লগে লিখলাম। একটু সংশয় নিয়েই লিখেছি, এই ধরনের লেখা পছন্দ করবেন কী না ভেবে।

৩. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
হাসিব বলেছেন: আপনি জার্মান জানেন নাকি ?
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪০

লেখক বলেছেন: নারে ভাই, ইংরেজি অনুবাদটা পড়েছি।

৪. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৩
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: পড়িলাম, জানিলাম, অত:পর নীরব থাকিলাম। কারন আমি একজন ইডিয়ট

ধন্যবাদ আপনাকে অজানাকে চেনানোর জন্য
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

"আমরা যা বলতে পারি না, সেখানে নীরবতাই উত্তম কথক"[আপনার "আমি একজন ইডিয়ট-এর উত্তর। ;) ]

৫. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৫
আকাশচুরি বলেছেন: নীরবতারও তো নিজস্ব একটা অর্থ আছে। যদি অনুবাদ করে নেয়া যায়, তাহলে নীরবতাই সর্বোত্তম ভাষা ....সত্যিই!!

আনেকদিন পর আপনার লেখা পেয়ে ভাল্লাগছে :)
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: আমারও আপনার মন্তব্য পেয়ে ভাল্লাগলো। :)

৬. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৮
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: পৃথিবীর সকল কিছু অনুভব করা যায় একমাত্র নিরবতা দিয়ে। তাই হয়তো নীরবতাকে তিনি সবচাইতে বেশী প্রাধান্য দিয়েছেন।

অনেকদিন পর ব্লগে!
ভিন্নস্বাদের লেখাটি ভালো লাগলো।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, অনেকদিন পর ব্লগে। ব্যস্ততার কোনো সীমা-পরিসীমা নেই, জানোই তো!

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৭. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫১
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: "যদি অনুবাদ করে নেয়া যায়, তাহলে নীরবতাই সর্বোত্তম ভাষা"- আমার মনে হয় ভাষার উদ্দেশ্য এবং বিধেয়সমূহের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার উপরেও ভাষা হিসেবে নীরবতার উপযোগিতা নির্ভর করে।
-------
আমি এই দার্শনিকের নাম আগে শুনি নাই। এখন পড়ার খুব ইচ্ছা হচ্ছে ওনার থিসিসটা (যদিও জানি কিছুই বুঝবো না!:|)। কোথায় পাওয়া যাবে বলতে পারেন? নেটে? বইয়ে?
--------
অনেকদইন পর আপনার লেখা পড়ে ভাল লাগছে। কেমন আছেন কামাল ভাই?
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: থিসিসটা নেট-এ পাওয়া যাবে কী না ঠিক বলতে পারছি না। আমি নেট বিষয়ে গণ্ডমুর্খ। Luvig Wittgenstein লিখে সার্চ করতে পারেন। ভালো কোনো লিংক পেলে এখানে দিয়ে যেতে ভুইলেন না আবার।

বইটা আগে ঢাকায় পাওয়া যেত, এখন পাওয়া যাবে কী না - এ ব্যাপারে আমি নিঃসন্দেহ নই। খোঁজ নিয়ে আপনাকে জানাবো।

প্রভাবশালী একজন দার্শনিকের সঙ্গে পরিচয় করাতে পেরে সত্যি ভালো লাগছে। লেখাটা সার্থক হলো।

৮. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৮
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: কামাল ভাই, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। নেটে খুঁজতে গিয়ে আমি একটু পটভূমি পড়লাম। পড়ে রীতিমত "তব্ধা" খেয়ে গেছি! থিসিসটাও পেয়েছি। এখানে দিয়ে দিলাম। Click This Link

এখন দেখি পড়ে আদৌ কিছু বুঝতে পারি কী না! :|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ লিংকটা দেয়ার জন্য। পড়ার পর এই বিষয়ে আপনার একটা লেখা প্রত্যাশা করছি।

৯. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: সিরিয়াস : what we can not speak about, we must consign to the silence ........... লাইনটা আবারও কাজে লাগালাম ।

ন্যাচারাল : ভিন্ন ধর্মী লেখা , ভাল্লাগলো ।

নির্মম সত্য : তত্ত্ব আর তথ্য ----- দু'দিক দিয়েই আমি ইডিয়টের সংজ্ঞায় আটকে গেলাম :(
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: "নির্মম সত্য : তত্ত্ব আর তথ্য ----- দু'দিক দিয়েই আমি ইডিয়টের সংজ্ঞায় আটকে গেলাম" - হা হা হা। আপনারা দেখি ব্যাপারটাকে সিরিয়াসলি নিয়েছেন। ওই কথাটা বোধহয় একান্তভাবে ভিটগেনস্টাইনের ক্ষেত্রেই খাটে, সবার জন্য নয়!

আপনার মন্তব্য করার ধরনটা খুব ভালো লেগেছে আমার।

১০. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৬
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: খুবই অপ্রাসংগিক তবু বলতে ইচ্ছা করছে Luvig Wittgenstein ইহুদী ছিলেন সম্ভবত(মানে বংশানুক্রমে)।

বহুদিন ধরে মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে একটা বিষয় ইহুদিরা এমন অসম্ভব রকম মেধাবি হন কিভাবে? খুব বুঝতে ইচ্ছা করে।

শুধু বিজ্ঞান আর দর্শনে ইহুদীদের অবদান সম্ভবত সম্মিলিতভাবে অন্য ধর্মাবলম্বীদের চেয়েও বেশি।

আর হ্যা লেখাটির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।




১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: ভিটগেনস্টাইন ইহুদী ছিলেন কী না, আমি ঠিক নিশ্চিত নই। তাঁর ধর্ম বিষয়ে কখনো আমার আগ্রহ জন্মেনি।

তবে একথা ঠিক যে, ইহুদিদের এভারেজ মেধা অন্যদের চেয়ে ভালো। এমনকি, জ্ঞান-বিজ্ঞানের নানা শাখায় যারা বিশেষ অবদান রেখেছেন (যেমন আইনস্টাইন) তাদের কোনো তুলনাই হয় না। ব্যাপারটার সঙ্গে ধর্মের কোনো সম্পর্ক আছে বলে মনে হয় না। এটা হয়তো জেনেটিক ব্যাপার। ইহুদি ধর্মাবলম্বীরা অন্তত কয়েক হাজার বছর ধরে এক দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে টিকে ছিলো। (খৃস্ট ধর্মের উদ্ভবকাল থেকে ইসলাম ধর্মের প্রাথমিক কাল, এমনকি এই সেদিনের হিটলারের কথা মনে করে দেখুন)। হয়তো সেজন্যই বংশানুক্রমে তাদেরকে নানারকম কৌশল শিখতে হয়েছে, ছলচাতুরি করতে হয়েছে, এসব করার জন্য প্রচুর মাথা খাটাতে হয়েছে, আর এগুলো করতে করতেই বুদ্ধি ও মেধা হয়ে উঠেছে ক্ষুরধার। (অবশ্য এগুলো নিতান্তই আমার অনুমান মাত্র, পক্ষে তেমন কোনো যুক্তি দেখাতে পারবো না।)

তবে এসব ক্ষেত্রে একটা কথা না বললেই নয় - এইসব মাহাপুরুষদেরকে আমি ঠিক ধর্মের আওতায় ফেলে দেখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না। ওভাবে দেখলে মানুষ হিসেবে নিজেকে ছোট মনে হয়।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।

১১. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১৫
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: পোস্টের জন্য ধন্যবাদ..............পড়ে ভাল লাগলো। প্রিন্ট মিডিয়ার মতো ব্লগেও আপনার নিয়মিত লেখা চাই...........
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।

অনেক ব্যস্ততার মধ্যেও লেখালেখিতেই থাকি। তবু মাঝে মাঝে বিরতিটা দীর্ঘ হয়ে যায়। আশা করছি নিয়মিত হতে পারবো।

শুভেচ্ছা।

১২. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০৪
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: ধন্যবাদ আমি ব্যাপারটা আপনার মতো করেই দেখি।একটা জাতি যখন সর্বক্ষণ অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামে থাকে, এক ধরনের স্ট্রাগলের মধ্যে থাকে, তারা আসলেই প্রখর হয়ে উঠে।

ভিটগেনস্টাইনের বাবা ক্রিস্চিয়ান এবং মা ইহুদি ছিলেন(পরবর্তিতে তিনি প্রোটেষ্ট্যান্ট ধর্মমত গ্রহন করেন)।তিনি আদৌ ধর্মবিশ্বাসীই হয়তোবা ছিলেন না।কিন্তু আমার আগ্রহ
তার সারনামে।স্টাইন ইহুদী সারনেম।"স্টাইন" নামধারী সবাই ইহুদী, যেমন আইনস্টাইন, সের্গেই আইজেনস্টাইন(রুশ চলচ্চিত্রকার)।

আমি ধর্মের আওতায় ফেলে দেখিনা।জাস্ট কৌতুহল।বেশ কিছুদিন ধরে ইহুদী বনাম
মুসলিমদের জ্ঞান-বিজ্ঞানের শাখায় তুলনামুলক অবদান নিয়ে অনেক মেইল পাইতেছি।তাই হয়তোবা এমন ভাবনা মাথায় এসেছে।




১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: আবারও ধন্যবাদ আপনাকে।

এই কৌতূহল হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। বিশেষ করে বিজ্ঞানে মুসলমানরা কেন এত পিছিয়ে- এই কৌতূহল আমারও অনেকবার জেগেছে। আমাদের দেশে আবার-সবকিছুই কোরানে আছে- রকম প্রচার করে আত্নতৃপ্তি পাওয়ার নজিরও আছে। কিন্তু একসময় আমার মনে হলো, শিল্প-সাহিত্য, কিজ্ঞান, মনস্তত্ত্ব বা দর্শন ইত্যাদি বিষয়গুলোর জ্ঞান নিশ্চয়ই 'ধর্ম' অনুযায়ী ভাগ করে দেয়া হয়নি। (যেমন আমাদের সংসদে দলগুলোর আসন সংখ্যানুপাতে কিছু বিষয় নির্ধারিত হয়!) আর তাছাড়া, আমি নিজেও তো ওইসব জ্ঞানের উত্তরাধিকারী, খামোখা ধর্মের অজুহাত তুলে নিজেকে বঞ্চিত করবো কেন?
আপনার সঙ্গে আমার দৃষ্টিভঙ্গিত কোনো পার্থক্য নেই জেনে আরো ভালো লাগছে।

১৩. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪
নির্বাসন বলেছেন: ভালো লাগলো পড়ে...
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা নিন।

১৪. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০১
ইমরুল হাসান বলেছেন: পড়ে ভাল্লাগলো।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা নিন।

১৫. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৪
লীনা দিলরূবা বলেছেন: 'আমরা যা বলতে পারি না, সেখানে নীরবতাই উত্তম কথক, তার চর্চা হলে এই ব্লগের অনেক ব্লগার বেকার হয়ে পড়বেনা??!!

দু'বার পড়েছি, কিছু কি বুঝেছি? মনে হয়না।।
------------------------------------------------
-----------------------------------------------

জন্ম : ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৬৯; মানিকগঞ্জ।

পৌষের কোনো এক বৃষ্টিভেজা মধ্যরাতে
এদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম হয়েছিলো আমার,
মায়ের কাছে শুনেছি।..


আমার জন্মও আপনার মত ১৪ তারিখে, ডিসেম্বরের ১৪। বেলা ৩টায়। আচ্ছা পৌষের মধ্যরাতে বৃষ্টি ঝরেছিল কেন, বলতে পারেন? সুতীব্র শীত পড়ার কথা!

যাদের জন্ম আমার মত একই দিনে, তাদের খুব আপন মনে হয়

পাদটীকা: অনেক বিরক্ত করলাম।।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: "লীনা দিলরূবা বলেছেন: 'আমরা যা বলতে পারি না, সেখানে নীরবতাই উত্তম কথক, তার চর্চা হলে এই ব্লগের অনেক ব্লগার বেকার হয়ে পড়বেনা??!!"

হা হা হা। ভালোই বলেছেন!
না, তা হবে কেন? বিষয়টি হলো- আমরা যা কিছু বলতে অক্ষম, অর্থাৎ ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না, বা ইশারা/ইঙ্গিতেও প্রকাশ করা যাচ্ছে না, সেখানে নীরবতা ছাড়া উপায় নেই। ভিটগেইনস্টাইন বলছেন- উই মাস্ট কনসাইন...। আমি আক্ষরিক অনুবাদ না করে একটু সহজ করে নীরবতার কাছে সমর্পণের কথা বলেছি। তার মানে তো এই নয় যে, আমরা সবসময়ই এই ঝামেলায় পড়ি, বা আমরা সব বিষয়ই ভাষায় প্রকাশ করতে অক্ষম।
-----------------

শীতের রাতে কেন বৃষ্টি হয়েছিলো, এ ব্যাপারে আমার মায়ের একটা ব্যাখ্যা আছে।
এই লেখাটা পড়ে দেখতে পারেন সময় সুযোগ পেলে।
Click This Link

একই জন্মদিনের মানুষ পেয়ে মজা লাগছে। :)

---------------

পাদটিকা :আপনার 'বিরক্ত' করার 'ক্ষমতা' দেখে বিস্মিত হয়েছি!! ;)

১৬. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫০
মেঘ বলেছেন: আমারে বাধ্যতামূলক পড়তে হইছে ভিটগেনস্টাইন। বুঝছি কইলে বিরাট পাতকি হমু। ৭বছর ফিলোজফি পইড়া বুঝছি এইটা আমার লাইন না:( আমি পুরাই ইডিয়ট, কি কন?? :(
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: সব্বোনাশ হইছে। এইবার ধরা খাইছি। এই ব্লগে ৭ বছর ধইরা ফিলোসফি পড়া ব্লগার আছে জানলে এই পোস্ট দিতামই না!জাইনা-শুইনা কে-ই বা ধরা খাইতে চায়? এহন তো নিজেরেই ইডিয়ট মনে হইতাছে! :(

[ভুলচুক ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেইখেন গো দার্শনিক আফা! ;) ]

১৭. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৬
নাজিম উদদীন বলেছেন: ‘Will you please tell me whether I am a complete idiot or not?’ (আপনি কি দয়া করে বলতে পারেন, আমি পুরোপুরি ইডিয়ট কী না!)

ইডিয়ট হলে ইন্জিনীয়ারিং পড়তে যাব।

আমার প্রকৌশলী বন্ধুদের এটা বলে ক্ষ্যাপাতাম।

জার্মান লাইব্রেরী থেকে 'ট্র্যকটাটাস লজিকো ফিলোসফিকাস' এনে পড়ার চেষ্টা করেছিলাম একসময়। পুরা না পড়েই ফেরত দিছি।

শেষ করার জন্যে ধন্যবাদ।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১

লেখক বলেছেন: হা হা হা। আমিও আমার প্রকৌশলী বন্ধুদের এটা বলে অনেক খেপিয়েছি।
বইটা পড়েছি বটে, তবে কতোটুকু বুঝেছি তা নিয়ে নিজেরই সন্দেহ আছে। যেটুকু বোধগম্য হয়েছে তাতেই মাথা এলোমেলো হওয়ার জোগাড়!

আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

১৮. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২১
মোহাম্মদ মারুফ বলেছেন: অনেক দিন পর ব্লগে দেখে ভাল লাগলো, আপনার এই পোস্টটি বেশ ভাল লাগলো পড়ে
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য পেয়েও ভালো লাগলো আমার। অনেক ধন্যবাদ।

১৯. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৬
লংকার রাজা বলেছেন: জন্মেই দেখেছিলাম,
আমার চারপাশে কেউ নেই-
মা ছাড়া।

আজ, এই এতদিন পর-
আমার চারপাশে সহস্র মানুষের ভিড়-
তবু মার কাছে ফিরতেই ভালো লাগে আমার।@ আহমাদ মোস্তফা কামাল

আপনার অনেক লেখাই পড়েছি,তবে আপনার কোন লেখায় এর চেয়ে ভাল মনে হয় নি আমার কাছে।
২০. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:১১
লংকার রাজা বলেছেন: জন্মেই দেখেছিলাম,
আমার চারপাশে কেউ নেই-
মা ছাড়া।

আজ, এই এতদিন পর-
আমার চারপাশে সহস্র মানুষের ভিড়-
তবু মার কাছে ফিরতেই ভালো লাগে আমার।@ আহমাদ মোস্তফা কামাল

আপনার অনেক লেখাই পড়েছি,তবে আপনার কোন লেখায় এর চেয়ে ভাল মনে হয় নি আমার কাছে।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০০

লেখক বলেছেন: তবু তো একটা লেখা ভালো লেগেছে। তাই বা কম কিসে?

২১. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৪৫
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: আমি অকাট মূর্খ। কী বলব! শুধু বলি, ভাল লাগছে। (আপনার অনুবাদের হাত চমৎকার।)
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০৩

লেখক বলেছেন: অনুবাদের হাত চমৎকার!! এ কি শোনালেন! আমি তো ভয়ে অনুবাদ করি না, ওটা আমার হয় না বলে!!

অকাট মূর্খ! বিনয় মজুমদার হলেন কবে থেকে? ;)

২২. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫৫
জটিল বলেছেন: প্রথমে খেয়াল করিনি , তবে লুদ্ভিগ ভিটগেন্সটেইনের ত্রাক্টেটাস নিয়ে প্রথম লেখা পড়ি আজ থেকে নয় বছর আগে , বইটা কিনেছিলাম পাঁচ বছর আগে , কিন্তু আমার পড়া হয়নি কারণ ভাললাগা এই বইটি কিনেই গিফট করেছিলাম আর একজন কে । দুঃখের বিষয় তিন বছর আগে জ্ঞাত হয়েছিলাম সে এর ছিটেফোঁটার ও যোগ্য নয় ।
আমি রিভিউ এ যা পড়েছিলাম , অনেকাংশে সেটাই আপনার লেখায় এসেছে । এজন্যে ধন্যবাদ ।
২৩. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫৮
জটিল বলেছেন: আর একটা কথা , ত্রাক্টেটাস লেখার প্রায় দশ বা বিশ বছর ( সঠিক টা মনে নেই ) পরে এই বই এর যুক্তির উলটো যুক্তি দিয়ে আর একটা বই তিনি লিখেছিলেন এবং দার্শনিকদের তথা সমালোচকদের কাছে একারনেই শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ দার্শনিক ছিলেন ।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০৭

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, তাঁর পরের কাজগুলো নিজের প্রথম কাজের বিরোধিতা করে লেখা। তাতে যে প্রথম কাজের গুরুত্ব কমে গেছে, তা কিন্তু নয়! বরং দর্শনের ছাত্রদের অনিবার্য পাঠ্য সূচিতে অন্তর্ভূক্ত হয়েছেন তিনি। অদ্ভুত একটা চরিত্র বলে মনে হয় তাঁকে। সব কথা তো এখানে লেখা হয়নি! বড়ো লেখার অভিযোগে এমনিতেই অভিযুক্ত হয়ে আছি, সেই ভয়েই ওই প্রসঙ্গ তুলিনি।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

২৪. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০৩
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: উপলব্ধিটা সুন্দরভাবে ভাগ করে নেবার জন্য ধন্যবাদ! অনুবাদ-ও প্রাঞ্জল লাগলো খুব। লুডভিগ ভিটগেনস্টাইনের লেখা পড়া হয় নি একদম-ই, এবার পড়ে দেখতে হবে। আপনার লেখাটা অনেক তাগাদা দিচ্ছে! খুব ভাল থাকবেন।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ ঝড়কন্যা!

অনুবাদ প্রাঞ্জল লাগলো! শুনে সত্যিই খুব অবাক হলাম।

থ্যাংকস এগেইন।

২৫. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১৭
জেরী বলেছেন: ভিন্ন স্বাদের লেখা.......+++......
২০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জেরী।

২৬. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৯
তারার হাসি বলেছেন:
ভিন্ন আমেজের লেখা, ভাল লেগেছে খুব।
জীবন দর্শন।
২০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ। এবং শুভেচ্ছা।

২৭. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪২
দুরের পাখি বলেছেন: হায় হায় , আমিতো দেখা যায় কমপ্লিট ইডিয়ট হৈবার পথে ।
২০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: হা হা হা। জগতের সকল ইঞ্জিনিয়ার যদি এই কথা বলা শুরু করে তাইলে তো আর কেউ ইঞ্জিনিয়ারই হইতে চাইবো না!!

২৮. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৩
তৈমুর রেজা বলেছেন: অনর্থক বিতর্ক আমার উদ্দেশ্য নয়। অনুরোধ করছি ভুল বুঝবেন না। দর্শনের বিপদ এই- তত্ত্বের কড়া পাহারা সেখানে হাজির-নাজির থাকে, তিল হইতে তাল- সামান্য বিচ্যুতিতেই এরকম ফল দর্শন শাস্ত্রে এন্তার।
হ্বিটগেনস্টাইনের ক্ষেত্রে এই বিপদ কিছু বেশি।
যে উদ্ধৃতিটি আপনি ব্যবহার ও অনুবাদ করেছেন সেটা বিপদজনক এবং গোল বাধানোর ব্যপারে ওস্তাদ। এই উদ্ধৃতি নিয়ে হুমায়ুন আজাদ এবং আজফার হোসেনের মধ্যে বেশ একচোট দাঙ্গা হয়েছিল। হ্বিটগেনস্টাইন তার কেতাবের ভূমিকায় লিখছেন, ‌'হোয়াট ক্যান বি সেইড অ্যাট অল ক্যান বি সেইড ক্লিয়ারলি, অ্যান্ড হোয়াট উই ক্যান নট টক অ্যাবাউট উই মাস্ট পাস ওভার ইন সাইল্যান্স।'
লজিক্যাল পজিটিভিজম-এর ইতিহাসে হ্বিটগেনস্টাইনের জন্য গুরুর আসন আছে। তার আগে কয়েক হাজার বছরের পাশ্চাত্য দর্শনের ইতিহাস একগাদা অনড় প্রতিবন্ধী সমস্যা তৈরি করেছিলো। হ্বিটগেনস্টাইন এবং লজিক্যাল পজিটিভিস্টদের, বা পুরো অ্যানালিটিক্যাল ফিলসফির স্কুল-ই এই সমস্যার উপর মহাখাপ্পা ছিলো। তখন এদের মৌল প্রস্তাব ছিলো, ভাষার অর্বাচীন ব্যবহারই এসব সমস্যার কারণ। এগুলো সমাধানের অতীত কারণ এগুলো সমস্যাই নয়, বরং অর্থহীন ছদ্ম-বাক্য মাত্র।
হ্বিটগেনস্টাইনের উপরোক্ত উদ্ধৃতিটি দামি, কারণ ভাষার অনিয়ন্ত্রিত এবং নির্বোধ ব্যবহারের বিরুদ্ধে তা একটা সেন্সর হিসেবে কাজ করতে চায়। হ্বিটগেনস্টাইন লিখছেন,
'দাস দি এইম অব দিস বুক ইজ টু ড্র এ লিমিট টু থট, অর রাদার- নট টু থট, বাট টু দি এক্সপ্রেশন অব থটস: ফর ইন অর্ডার টু বি অ্যাবল টু ড্র এ লিমিট টু থট, উই শুড হ্যাভ টু ফাইন্ড বোথ সাইডু অব দি লিমিট থিংকেবল (আই. ই. উই শুড হ্যাভ টু বি অ্যাবল টু থিংক হোয়াট উই ক্যান নট বি থট।'
হ্বিটগেনস্টাইন, আমার মতে, বলতে চেয়েছেন ভাষার স্পস্টতা বা ক্ল্যারিফিকেশনের কথা, অযথা বাখোয়াজি করে নিরর্থক দূর্বোধ্য বাক্য দিয়ে দর্শনের ইতিহাসের জঞ্জাল বাড়ানোর সম্ভাবনাকে তিনি লাগাম পরাতে চেয়েছেন।
কিন্তু আপনার লেখার উপলব্ধি ভিন্ন। সেখানে নীরবতার বাঙ্ময়তার বরাত দিয়েই হ্বিটগেনস্টাইনকে গভীরতর ভাবা হয়েছে।
কিন্তু হ্বিটগেনস্টাইন নীরবতার ব্যঞ্জনার কথা বোধ হয় বলেন নাই। সাহিত্যিক বা মরমী মূল্য নিয়ে ট্রাকটাট্যাস-এর উদ্বেগ বিশেষ নাই। এই গ্রন্থ ভাষার অর্বাচীন ব্যবহারের বিরুদ্ধে একটি মেনিফেস্টো।
উদ্ধৃতিটির লক্ষ্য আসলে সেইসব বাক্য যা স্পষ্টত কিছু বলে না, যা অর্ধোস্ফূট, যা কাব্যিক, যা অর্ধেকটা মুখের বাইরে এনে বাকি অর্ধেকটা হৃদয়ের তালুক করে রাখে।
এই দীর্ঘ মন্তব্য যদি অযাচিত মনে হয়- সেক্ষেত্রে আমি দুঃখিত, লজ্জিতও বটে।
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪

লেখক বলেছেন: উত্তর দিতে দেরি করে ফেললাম, দুঃখিত। একটু ব্যস্ত ছিলাম কয়েকদিন।

আপনার সঙ্গে আমি একমত যে, "দর্শনের বিপদ এই- তত্ত্বের কড়া পাহারা সেখানে হাজির-নাজির থাকে, তিল হইতে তাল- সামান্য বিচ্যুতিতেই এরকম ফল দর্শন শাস্ত্রে এন্তার।" সঙ্গে এটুকুও যোগ করতে চাই- শুধু তত্ত্বের পাহারাই নয়, পাহারাদাররাও হাজির থাকেন। আমার নিজের জীবনে এরকম ঘটনা ঘটেছে। আমার 'সংশয়ীদের ঈশ্বর' বইটি বেরুবার পর হাসান আজিজুল হক আমাকে বলেছিলেন- 'তুমি এই বইটি নিয়ে বিপদে পড়বে। কারণ তুমি দর্শনের কিছু টার্মকে নিজের মতো করে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করেছ, এই ব্যাপারটা অ্যাকাডেমিশিয়ানরা মেনে নেবেন না।' তাঁর এই আশংকা সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে। দর্শনের শিক্ষক নন, এমন পাঠকদের কাছ থেকে এই বইটি নিয়ে আমি অভুতপূর্ব সাড়া পেলেও আমার একাডেমিক বন্ধুরা বা পরিচিতজনরা ওটার একাডেমিক আলোচনা ছাড়া আর কিছুই করেননি! হাসান স্যার সেদিন আমাকে আরেকটি কথাও বলেছিলেন- 'ব্যাখ্যার জন্য তুমি যে কমনসেন্স ব্যবহার করেছ, সেটাই দর্শনচর্চার মূল ব্যাপার। এবং এজন্যই আমার কাছে ভালো লেগেছে।' এই বিষয়টি আমার 'দার্শনিক' বন্ধুরা কেয়ারই করেননি। মনে হয়েছে, তারা যা বলবেন, দর্শন সম্বন্ধে সেটিই শেষ কথা।

হাসান স্যার অন্তত একটা ব্যাপার ঠিক ধরেছিলেন, দর্শন নিয়ে কথা বলার সময় আমি কমনসেন্স ব্যবহার করি। তত্ত্বের কপচানি আমার পছন্দের নয়।

এখানেও সেটাই করেছি। বিষয়টি আমাকে যেভাবে ধরা দিয়েছে সেভাবেই উপস্থাপন করেছি। সেটা যদি কারো কাছে ভুল মনে হয় তো হবে। কিন্তু আমার এই বুঝ যদি ভুল হয়, তাহলে যিনি এই ভুল ধরছেন তিনিই যে সঠিক সেই নিশ্চয়তা কে দেবে? দর্শনে শেষ কথা বলে কি কিছু আছে? [অবশ্য আমার এক 'দার্শনিক বন্ধু (দর্শনের শিক্ষক অর্থে) আমার বইটি নিয়ে আলোচনায় লিখেছিলেন, আমি নাকি এমন সব বিষয় নিয়ে প্যাঁচ লাগানো কথাবার্তা বলেছি যেগুলো অনেক আগেই 'মীমাংসা' হয়ে গেছে। দর্শনে কোনোকিছুর শেষ মীমাংসা আছে বলে আমি বিশ্বাসই করি না। আর নেই বলে প্রশ্ন আছে, আছে নতুন ইন্টারপ্রিটেশন।]

আপনি বলেছেন- 'সাহিত্যিক বা মরমী মূল্য নিয়ে ট্রাকটাট্যাস-এর উদ্বেগ বিশেষ নাই।' আমার তো তা মনে হয়নি। আপনার অন্যান্য কথাগুলোর সঙ্গে একমত পোষণ করেও তো এই কথাটির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করা যায়। রাসেল যখন তাঁর Logical atomism দাঁড় করান তখন ভিটগেনস্টাইনের ধারণাকে মরমীবাদ বলে উপহাস করেছিলেন কেন? ভুল তাহলে আমি একাই বুঝিনি, রাসেলও বুঝেছিলেন!!

ভিটগেনস্টাইনেরএই কথাগুলো সম্বন্ধে আপনার ব্যাখ্যা কি?

6.5
When the answer cannot be put into words, neither can the question be put into words. …

6.52
We feel that even all possible scientific questions have been answered; the problems of life remain completely untouched. Of course there are then no questions left, and this itself is the answer.

6.521
The solution of the problem of life is seen in the vanishing of the problem.(…)

6.522
There are indeed, things that cannot be put into words,. They make themselves manifest. They are which is mystical.

আপনার 'দীর্ঘ মন্তব্য' অযাচিত তো মনে হয়ই নি, বরং কাঙ্ক্ষিত মনে হয়েছে। ব্লগে লেখার আনন্দই এটি। আলোচনা-সমালোচনায় মূল লেখাটি ক্রমাগত সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

২৯. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৪
ফারহান দাউদ বলেছেন: নীরবতার সঠিক অনুবাদ না হলে সেটা দ্বিধা-সংশয়-দ্ব্যর্থবোধকও হতে পারে কি?
কিন্তু যত যাই হোক আমি তো কমপ্লিট ইডিয়ট,পেশাগত এবং মস্তিষ্কগত সব দিক দিয়েই।:(
ইহুদীদের অতি মেধাবী টপিকটা ইন্টারেস্টিং মনে হলো। বিষয়টা ধর্মীয় নয় অবশ্যই,তবে জেনেটিক বা জাতিগত হতেই পারে। যতদূর জানি,ধর্ম বদল করে ইহুদী হওয়া যায় না,জন্মসূত্রেই ইহুদী হওয়া লাগে। সেক্ষেত্রে,হাজার হাজার বছর ধরেই তারা তাদের আদিপুরুষদের মেধাকে রক্ষা এবং প্রতিকুল পরিবেশের সাথে সংগ্রাম করে সেটাকে শাণিত করেছে এমন একটা ধারণা করে নেয়া যায়। অবশ্য এটা একদমই অন্ধকারে ঢিল ছুঁড়লাম,নিজের কাছেই কেমন হিটলারের আর্যজাতি তত্ব টাইপ মনে হচ্ছে।
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০৮

লেখক বলেছেন: 'নীরবতার সঠিক অনুবাদ না হলে সেটা দ্বিধা-সংশয়-দ্ব্যর্থবোধকও হতে পারে কি?' পারে তো বটেই। যদিও আমাদের এখানে নীরবতাকে 'সম্মতি' হিসেবে ধরা হয়, কিন্তু একটু ভাবলেই বোঝা যায়ং, নীরবতার মানে শুধু সম্মতিই নয় অসম্মতিও হতে পারে। এমনকি হতে পারে অন্যকিছুও।

ইহুদিদের মেধা বিষয়ক কথাবার্তায় শিমুল-আপনি-আমি মোটামুটি একমতই।

৩০. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০২
মেঘ বলেছেন: আই দার্শনিক আফা???:( খাইছে!! আমার ডিপার্টমেন্টের স্যারেরা লজ্জায় দৌঁড়ে আসতে পারে!! আমারে আমাদের সময়কার চেয়ারম্যান ক্লাশ থেকে বাহির কইরা দিছিলো:( ঢাকা ইউনির দর্শন বিভাগ এবং আমি উত্তর মেরু দক্ষিণ মেরু, স্যারেরা আমারে দেখেলে ভিরমি খাইব এখনতরি। ফাস্র্ট ইয়ারে ৪দিন ক্লাশ করছিলাম।:( ফাঁকিবাজ দি গ্রেট আছিলাম:)
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১০

লেখক বলেছেন: হা হা হা। ক্লাশ ফাঁকিবাজিও তাইলে আ পার্ট অফ দর্শনচর্চা! ;) বুঝলাম গো দার্শনিক আফা!! ;) ;)

৩১. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫২
মেঘ বলেছেন: আমাকে "ওয়াচ" এর উপর রাখছে সামু। কেউ কিছু বলবেন??
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: থাকেন কিছুদিন "ওয়াচ" এর উপর ! এইডা মন্দ না! আমারে তো কেউ কোনোদিন ওয়াচের উপর রাখলো না! :( ;)

৩২. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৩
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: লেখক বলেছেন: প্রিয় শিমুল সালাহ্উদ্দিন, আপনি অনুরোধ করেছেন বলে আপনার মন্তব্যটি মুছে দিলাম, যদিও এর কোনো প্রয়োজন ছিলো না। বরং এই মন্তব্যটি কেজো মন্তব্য বলেই বিবেচিত হতো সবার কাছে। অন্তত আমার সেরকমই ধারণা।

৩৩. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৩
মুকুল বলেছেন: আমরা যা বলতে পারি না, সেখানে নীরবতাই উত্তম কথক


- -
অসাধারণ!

লেখাটার ধন্যবাদ কামাল ভাই।

+++++
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৬

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস মুকুল। অনেকদিন পর আপনার সঙ্গে কথা হলো!

৩৪. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫
মুকুল বলেছেন: ব্লগে আগের মত নিয়মিত সময় দেয়া হয় না। মাঝে মধ্যে আসি। তাই অনেক পোস্ট মিস হয়।

ভালো থাকবেন। :)
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: হুম! আমিও অনিয়মিত!! ভাবি, একটু গুছিয়ে উঠে নিয়মিত হবো। এ জীবনে আর কোনোদিনগুছিয়ে উঠতে পারবো বলে মনে হয় না! :(

আপনিও ভালো থাকবেন! শুভ কামনা রইলো।

৩৫. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৮
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: অনেকদিন দেখি না আপনাকে। আমি অর্থনীতির ছাত্র। তারপরেও এটা পড়ে বোঝার চেষ্টা করলাম। নিজে কি বুঝতে পারতাছি না (ইডিয়েট অর্থে)
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ মাসুম ভাই, বেশ খানিকটা অনিয়মিত হয়ে গেছি। কবে যে নিয়মিত হতে পারবো!

অর্থনীতির ছাত্র হলে তো ভাবার কিছু নাই, উনি তো ইঞ্জনিয়ারদের সম্বন্ধে বলেছ্নে! ;)

৩৬. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২০
শিমুল সালাহ্উদ্দিন বলেছেন: এরকম একটি লেখার জন্য এবং আমর অনুরোধ( বন্ধুর অনুরোধ রক্ষার্থে) রাখবার জন্যে কামাল ভাইকে ধন্যবাদ। আপনার লেখার অপেক্ষায় রইলাম।

শুভার্থে...
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০

লেখক বলেছেন: বাধিত করেছি!! ;)

৩৮. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩
আশ্রাফ বলেছেন: স্যার লেখাটি পরে খুব ভাল লাগলো।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০২

লেখক বলেছেন: উত্তর দিতে দেরি করে ফেললাম। দুঃখিত ভাই।

পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৩৯. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৫
মিলটনরহমান বলেছেন: কামাল ভাই লেখাটা ভালো রাগলো।

গল্প কবে দিচ্ছেন?
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০৪

লেখক বলেছেন: উত্তর দিতে দেরি করে ফেললাম। দুঃখিত মিলটন।

এখানে সম্ভবত গল্প দেয়া হবে না। আমার গল্পগুলো তো বড়ো হয়, ব্লগে এত বড়ো লেখা পড়তে পছন্দ করেন না কেউ।

পড়া এবং মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৪০. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩২
মেঘবাজি বলেছেন: একুশে বই মেলা ২০০৯: যেসব ব্লগার লেখকদের বই বেরুচ্ছে, তাদের তালিকা..
Click This Link
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪১. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩৫
বিষাক্ত আলো বলেছেন: পড়তে চাই থিসিস, কোথায় পাওয়া যায়?
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৫০

লেখক বলেছেন: ৮ নম্বর মন্তব্যে ছন্নছাড়ার পেন্সিল একটা লিংক দিয়েছেন, ওটা দেখতে পারেন।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: আগের মতোই আছি! আপনি?

৪৪. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৫৯
কঁাকন বলেছেন: নীরব থাকলাম আর কি :)
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১২

লেখক বলেছেন: হা হা হা। :)

৪৫. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৩
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: পরীক্ষা করে দেখা গেছে, বই মেলার সময়েও ব্লগে লেখা দেয়া সম্ভব। নতুন লেখা চাই।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৬

লেখক বলেছেন: হা হা হা। বই মেলা নিয়ে ব্যস্ত নই। ব্যস্ততা একাডেমিক কাজে। আর তাছাড়া, আমি এমনিতেই অলস লেখক, জানেনই তো! তবু, দেখা যাক কতো তাড়াতাড়ি আরেকটা পোস্ট দেয়া যায়!

আপনি কেমন আছেন?

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!!! +++++

৪৭. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৩
সুমন রহমান বলেছেন: অনেক দেরিতে নজরে আসল লেখাটি। ভিটগেনস্টাইনের এই বাক্যটি খুবই প্রোভোকেটিভ। আমাদের কাব্যিক মনে দাগ কাটে। আহমাদ মোস্তফা কামাল যেভাবে ব্যাখ্যা করেছেন তারও যুক্তিগ্রাহ্যতা আছে। তবে যেটা নেই সেটা হল মূল ভিটগেনস্টাইনের মনোভাবের সাথে সাযুজ্য। ভিটগেনস্টাইন যৌক্তিক প্রত্যক্ষবাদী ছিলেন, এক অর্থে তিনি হিউমের চেয়েও কম সংশয়বাদী। তিনি বলতে চেয়েছিলেন, যা নিয়ে স্ট্রেইটকাট কথা বলা সম্ভব নয়, তা নিয়ে আমতা আমতা করার কোনো অর্থ হয় না। নীরবে সরে আসাই শ্রেয়। আহমাদ মোস্তফা কামাল বিলক্ষণ বিষয়টা জানেন। তবে ভিটগেনস্টাইনের তিক্ত নীরবতার ভেতর মাধুর্য দেখতে চেয়েছেন তিনি। ভিটগেনস্টাইন যেখানে বলছেন নীরবতাই "ভাল", সেখানে তিনি নীরবতাকে "ভাল কথক" বানিয়ে দিয়েছেন। এতে ভিটগেনস্টাইনের দর্শন একটা প্রাচ্যদেশীয় মাত্রা পেয়েছে। এবং আমাদের ভাল লাগার বিষয়বস্তু হয়ে ওঠেছে।
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৯

লেখক বলেছেন: 'মূল ভিটগেনস্টাইনের মনোভাবের সাথে' তো আমার পরিচয়ই ঘটেনি, সাযুজ্য থাকবে কিভাবে সুমন? এই লাইনটি বরং 'কাব্যিক মনে দাগ' কেটে গেছে বলতে পারেন! আর কবিতাকে তো আমি কেবল কবির সম্পত্তি হিসেবেই দেখি না, বরং একজন পাঠকের কাছে ওই কবিতা যেভাবে ধরা দেয় (হয়তো কবি যেভাবে বলতে চেয়েছেন সেভাবে নয়), সেটাই ওই পাঠকের কাছে কবিতাটির সঠিক ব্যাখ্যা। কবি যতই চিল্লাচিল্লি করুন যে, তিনি ওটা বোঝাননি, তাতে কিছুই যায় আসে না!

এই লেখার ক্ষেত্রেও তেমনটিই ঘটেছে। ওই লাইনটি আমার কাছে ওভাবেই ধরা দিয়েছে।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৪৮. ০৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:২১
কিংবদন্তী বলছি বলেছেন: ভাই the oxford murder মুভি টা কি দেখেছেন? মভিই টা কিন্তু শুরু হয়েছেই এই ‘what we can not speak about, we must consign to the silence’
'আমরা যা বলতে পারি না, সেখানে নীরবতাই উত্তম কথক' লাইনটা দিয়ে ।মজার বাপার হলো আমি এর আগে এই বাপরে জানতাম না। আপনার পোস্ট তাও পড়লাম এবং হঠাৎ করে এই মুভি টা তারপর দেখলাম কি coincidenc, শুধু তাই না আরো অনেক গুলাও coincidence আছে যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক ।
৫০. ২৬ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:২৮
নাজনীন১ বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট, আগে মিস করেছি। কিন্তু আমি কি ইডিয়ট হচ্ছি নাকি দার্শনিক হচ্ছি, কিছুই তো বুঝতে পারছি না? :(
৫১. ১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১১:৩৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কতদিন আগের পোষ্ট! পড়া হয় নি।
জটিল জীবন দর্শন।
ধন্যবাদ, শেয়ারের জন্য।
৫২. ১২ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ১:০৫
বৃষ্টিধারা বলেছেন: ভিন্ন আমেজের লেখা

ভালো লাগলো খুব ...

 

মোট সময় লেগেছে ১.২২০৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
জন্ম : ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৬৯; মানিকগঞ্জ।

পৌষের কোনো এক বৃষ্টিভেজা মধ্যরাতে
এদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম হয়েছিলো আমার,
মায়ের কাছে শুনেছি।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই