আমার প্রিয় পোস্ট
- ব্লগারদের বই নিয়ে আহমাদ মোস্তফা কামালের রিভিউ : ছাপা কাগজে একটুকরো 'ব্লগ' - ফিউশন ফাইভ
- পাঠ পুনর্দর্শন : "ঘর ভরতি মানুষ অথবা নৈঃশব্দ্য"# আহমাদ মোস্তফা কামাল - হিমালয়৭৭৭
- লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর- শেষ পর্ব - রাগ ইমন
- তাহলে এইবারের বস্তি পোড়ার জন্য আমরা চাঁদকে দোষারোপ করতে পারি - অন্যমনস্ক শরৎ
- প্রিয় দুইজন ব্লগারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা : শুভ জন্মদিন 'আহমাদ মোস্তফা কামাল'; শুভ জন্মদিন 'প্রিয়তমা' - একরামুল হক শামীম
- অন্ধকার --- জীবনানন্দ দাশ - কালের সাক্ষী
- অপরবাস্তব-৪ এর জন্য ব্লগারদের লেখা মনোনয়নের আহবান - অপ্সরা
- অন্ধ যাদুকর- আহমাদ মোস্তফা কামাল - রাসেল ( ........)
- প্লাস্টিকের ফুল আর খেলনা একতারার গল্প - হাসান মাহবুব
- ২০০৮ সাল পর্যন্ত সকল বাংলাদেশী আইন - রাজন সান
- ইতিহাসের প্রথম বিজ্ঞানী! - ম্যাভেরিক
- আজ ১৯শে মে। ১৯৬১ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার জন্য শহীদ হয়েছিলেন ১১ জন ভাষাবিপ্লবী। - কুঙ্গ থাঙ
- লেখক বন্ধুদের লেখা নিয়ে কিছু এলোমেলো ভাবনা। রেজা ঘটক - রেজা ঘটক
- প্রকৃতির খেলা ২ - ধরিত্রীর বুকে অন্য বিশ্বের ছোঁয়া - অপরিচিত_আবির
- রূপকথা নিয়ে কিছু কথা হতে পারে! - খারেজি
- মায়া-দরোজা - খারেজি
- প্রতিদিন শত তুচ্ছে: ধরো বন্ধু আমার কেহ নাই - নুশেরা
- মনসুন রেইন: বহুদিন পর বৃষ্টি দেখে আশ্চর্য কী-বোর্ড ম্যানিয়া! - মাহবুবা আখতার
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- সেনাবাহিনীর কুকীর্তির লিষ্ট : আমাদের গোল্ড ফিশ মেমরীকে ব্লগে সংরক্ষন - শূন্য আরণ্যক
- রেডিমেড এনিমেটেড ইমো - ভেংচুক
- ডক্টর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেইন : যার কাছে বাঙালীর অসীম কৃতজ্ঞতা - অমি রহমান পিয়াল
- আপনার জন্ম এবং কিছু কথা - শেরিফ আল সায়ার
- শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নামের তালিকাঃগভীর শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি তোমাদের - এ. এস. এম. রাহাত খান
- প্রিয় দুইজন ব্লগারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা : শুভ জন্মদিন 'আহমাদ মোস্তফা কামাল'; শুভ জন্মদিন 'প্রিয়তমা' - একরামুল হক শামীম
- অনেক দিন পর বোর্হেসকে নিয়ে - রায়হান রাইন
- চট্টগ্রাম - War Cemetery (1939 - 1945 ) - তারার হাসি
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- মারফিসূত্র বা Murfy's Laws - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ফোবিয়া // ভীতি // আতঙ্ক সমূহ (সম্পূর্ণ) - মইন
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস,গল্প ও কবিতা সংকলনের তালিকা - ফারহান দাউদ
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- মনে হচ্ছিল আমি কোনো স্বপ্ন দেখছি..... - শেরিফ আল সায়ার
- অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ - একরামুল হক শামীম
- ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ! - হমপগ্র
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - ব্রিগেড সিক্সটিন
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- জীবনানন্দ দাশ : কবিতায় খুঁজি বাংলার রূপ - একরামুল হক শামীম
- একদিন আমি- যা হবার তাই হোকনা - কি আসে যায় - দ্যা গ্রীম রিপার
- নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ফিরে আসা বলে কিছু নেই - মুকুল
- ভাইরাস ডিলিট করুন manually - অনিকেত প্রান্তর
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ৯ ( তোমার চোখ এতো লাল কেন--নির্মলেন্দু গুণ ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ”আমরা” যেখানে যেতে চাই ট্রেনটা সেখানে যাচ্ছেনা - অন্যমনস্ক শরৎ
- সৈয়দ শামসুল হক বললেন ভারত বিভাগ একটা ঐতিহাসিক শোকের ঘটনা - কৌশিক
- π (পাই) এর মান - তাজুল ইসলাম মুন্না
- কর্ণেল তাহেরর জবানবন্দি - চিলে কোঠার সেপাই
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
ভার্চুয়াল সম্পর্কগুলো....
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:৪৫
[অনীক আন্দালিব অথবা ছন্নছাড়ার পেন্সিলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশপূর্বক]
ছন্নছাড়ার পেন্সিল তার প্রোফাইলে এই কথাগুলো লিখে রেখেছেন : 'কারো প্রতি শ্রদ্ধা অটুট রাখার উপায় হচ্ছে তার সাথে কখনো সাক্ষাৎ না করা!'
কথাগুলো হুমায়ুন আজাদের, সেটিও জানিয়েছেন তিনি। যে কেউ তার প্রিয় কোনো উদ্ধৃতি তার প্রোফাইলে ঝুলিয়ে রাখতেই পারেন, কিন্তু কেন বেছে বেছে নির্দিষ্ট ওই কথাগুলোই নির্বাচন করলেন, তা নিয়ে আমরা নিশ্চয়ই একমুহূর্ত হলেও ভাবি। অন্তত আমি তো ভাবি। ছন্ন'র প্রোফাইলের ওই লেখাগুলো পড়ে মনে হয়- ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতার বয়ানই লিখে রেখেছেন তিনি এবং অভিজ্ঞতাটা তার জন্য শকিং ছিলো। ধারণা করি, কোনো এক ভার্চুয়াল সম্পর্কের মানুষকে কাছ থেকে দেখে তার ভালো লাগেনি, আশাহত হয়েছেন বা বেদনাদায়ক কোনো অভিজ্ঞতা হয়েছে। মোট কথা, দেখা হওয়ার আগে ভার্চুয়ালি যে শ্রদ্ধাবোধটা ছিলো, সেটা মিলিয়ে গেছে।
কথাগুলো আমাকে ভাবিয়েছে, এবং আমার মতামতটা দাঁড়িয়েছে অন্যরকম। মনে হয়েছে- দেখা হলেই যার ওপর থেকে শ্রদ্ধা চলে যায়, তার সঙ্গে দেখা হওয়াই উচিত এবং শ্রদ্ধাটা চলে যাওয়াই উচিত।
২.
ভার্চুয়াল সম্পর্ক নিয়ে সমস্যাটা সব সময়ই থেকে যায়! যার সঙ্গে দেখা হয়নি, অথচ প্রচুর কথাবিনিময় হয়েছে, মধুর একটা সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে, হয়তো শ্রদ্ধা তৈরি হয়েছে অথবা জন্ম হয়েছে প্রেমের; অথচ দেখা হওয়ার পর সেই অনুভূতিটি আর থাকে না। কেন এমন হয়? হয়, কারণ, ভার্চুয়ালি কোনো মানুষই নিজেকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করার সুযোগ পান না, বা ইচ্ছেকৃতভাবে প্রকাশ করেন না! ভার্চুয়ালি প্রকাশিত মানুষটি আসলে খণ্ডিতভাবে প্রকাশিত মানুষ, সেই মানুষটিকেই কাছ থেকে দেখতে গিয়ে যখন তার অপ্রকাশিত দিকগুলো প্রকাশিত হয়ে পড়ে তখনই বুকে আঘাতটা লাগে!
ভার্চুয়াল সম্পর্কগুলো নির্মাণ করার সময় বা রক্ষা করার সময় আমরা ভুলেই যাই- এই মানুষটিও যে কোনো বাস্তব মানুষের মতোই দোষগুণ-ভালোমন্দ মেশানো একজন মানুষ! তার সবকিছুই শুদ্ধ, সবকিছুই সুন্দর হওয়াটা অবাস্তর, যদিও সেভাবেই সে নিজেকে প্রেজেন্ট করছে! এই ভুলে যাওয়াটাই বিপত্তি ঘটায়।
৩.
আমরা যখন তরুণ ছিলাম (কথাটা বলতে অস্বস্তি লাগে। মনে হয়, বুড়ো হয়ে গেলাম নাকি? কিন্তু চারপাশে যখন তরুণতরদের ভিড় দেখি, তখন...), তখনো ভার্চুয়াল সম্পর্ক ছিলো, তবে এখনকার মতো এত সর্বব্যাপি নয়, এমন দুকূলপ্লাবি নয়, এমন প্রভাববিস্তারি নয়। এর কারণ হয়তো এই যে, তখন ভার্চুয়াল সম্পর্ক গড়ে ওঠার জন্য এতসব যোগাযোগ মাধ্যম ছিলো না। সেলফোন আসেনি তখনো, ইন্টারনেটের নামও শুনিনি। শহরাঞ্চলে যাদের বাসায় ল্যান্ডফোন ছিলো (এই সংখ্যাও নগণ্য, এবং যাদের ছিলো, তারা মোটামুটি স্ট্যাটাস সিম্বল হিসেবে এটাকে ব্যবহার করতেন), তারা আন্দাজে কোনো নম্বরে চাপাচাচি করে কাউকে পেয়ে যেতো কখনো কখনো, তাদের সঙ্গেই কথা-বলার একটা সম্পর্ক গড়ে উঠতো! আগেই বলেছি, এই সংখ্যা ছিলো অতিশয় নগণ্য। এর বাইরে সম্পর্কগুলো গড়ে উঠতো চিঠিকে কেন্দ্র করে, অর্থাৎ 'পত্রমিতালি'। 'বিচিত্রা' নামের একটা প্রভাবশালী-অভিজাত পত্রিকা ছিলো, সেখানে 'ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন' নামে একটা বিভাগ ছিলো, যেটিতে অসংখ্য পত্রবন্ধুতার আহ্বান সম্বলিত বিজ্ঞাপন ছাপা হতো। 'চিত্রবাংলা' নামের একটা প্রায়-পর্নো পত্রিকা ছিলো, সেটার শেষ পাতাগুলো বরাদ্দ থাকতো পত্রতিালির বিজ্ঞাপনের জন্য। পরে চিত্রালী আর ছায়াছন্দ নামের দুটো সিনে-কাগজও এই দলে যোগ দেয়! তবে বিচিত্রার সঙ্গে এদের মানগত পার্থক্যই শুধু ছিলো না, আরেকটি পার্থক্যও ছিলো। বিচিত্রায় ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন ছাপাতে টাকা লাগতো, অন্যগুলোতে লাগতো না। এইসব বিজ্ঞাপন থেকে কেউ কেউ পেয়ে যেতেন তাদের কাঙ্ক্ষিত বন্ধু, চিঠিবিনিময় হতো, ওই চিঠিই কথা, চিঠিই সম্পর্ক! একেকটি চিঠির জন্য সে কি নির্ঘুম প্রতীক্ষা! হায়, এই ইমেইল-চ্যাট-এসএমএস যুগের ছেলেমেয়েরা সেই প্রতীক্ষার মর্মই বুঝলো না!
৪.
আমার নিজেরও এমন বন্ধু ছিলো! গভীর ভার্চুয়াল সম্পর্ক হয়েছিলো আমার, একজনের সঙ্গে। ঘটনাটা একটু অদ্ভুত! সেই গল্পটিই বরং বলি।
বিচিত্রায় 'কুরুক্ষেত্র' নামে একটা বিভাগ ছিলো। সেখানে যৌথ সম্পর্ক নিয়ে (প্রেম, বন্ধুতা বা দাম্পত্য যে কোনো ধরনের যৌথ সম্পর্ক) নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা লিখতেন লেখক-পাঠকরা! আমিও সেখানে একটা লেখা পাঠাই (চোখ কপালে তুলবেন না প্লিজ, ১৯৮৯ সালের কথা বলছি, আমার বয়স তখন মাত্র উনিশ+)! চিঠির ফর্মে লেখা ওই লেখাটিতে আমার ভয়াবহ রোমান্টিক 'চেতনা'র প্রকাশ ঘটে। কিন্তু একটা ভুল করে ফেলেছিলাম আগেই। কোনো লেখা প্রকাশের জন্য লেখার সঙ্গে বিভাগীয় সম্পাদকের কাছেও 'লেখা প্রকাশের অনুরোধ/আবেদন' জানিয়ে একটা চিঠি লিখতে হতো, সেই চিঠিতে আমি আমার বাসার ফোন-নম্বরটি দিয়ে দিয়েছিলাম! আগেই বলেছি, তখন ল্যান্ডফোন থাকাটা ছিলো স্ট্যাটাস সিম্বল, আমি যে হেদিপেদি ধরনের কেউ নই, রীতিমতো টিএন্ডটি ফোন আছে বাসায়, বিভাগীয় সম্পাদককে সেটি বুঝিয়ে দেবার জন্যই যে চিন্তাটা মাথায় এসেছিলো, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না! তো লেখাটা বেরুনোর দুদিন পরই একটা ফোন পেলাম, বিপরীত লিঙ্গের। যাকে উদ্দেশ্য করে লেখা, সে কোনো সাড়াই দিলো না, অন্যদিকে এক 'অচেনা'র ফোন! খুশি হয়েছিলাম বলাইবাহুল্য, কিন্তু 'ভাব' নেয়ার জন্য প্রথমেই জিজ্ঞাসাবাদ- ফোন নম্বর কোথায় পেলেন? -বিচিত্রায় ফোন করে নিয়েছি (সরল স্বীকারোক্তি! মনেও আসেনি যে, আপনি বিচিত্রায় ফোন করে আমার নম্বর চাইলেন, আর ওরা দিয়ে দিলো? মগের মুল্লুক নাকি? কিংবা একজন বিভাগীয় সম্পাদক একজন লেখকের নম্বর একজন পাঠককে দেয়ার নৈতিক অধিকার রাখেন কী না- এইসব জটিল প্রশ্নের ধারেকাছেও যাইনি! যাবো কেন, আমি তো দারুণ খুশি!)
তো, এই মেয়েটির সঙ্গে আমার এই ভার্চুয়াল সম্পর্ক প্রায় পনের বছর টিকে ছিলো। কতো চিঠি, কতো ফোন, কতো উপহার বিনিময়, (ইমেইল আসার পর) কতো কতো ইমেইল! সবই বিনিময় হয়, তবু দেখা হয় না! একই শহরে থাকি দুজন, তবু কেন যেন দেখাটা আর হয়ে ওঠে না। কেন হয়নি, ব্যাপারটা আমি এখনো বুঝে উঠতে পারিনি। যথেষ্ট উদ্যোগ ছিলো না, বলাইবাহুল্য। প্রশ্ন হলো, কেন ছিলো না!? ভার্চুয়াল মুগ্ধতা নষ্ট হয়ে যাবার ভয়, নাকি অন্যকিছু? সে আমার এমন বন্ধু ছিলো যে, ১৯৯০ সাল থেকে শুরু করে যোগাযোগ বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিটি লেখা সে সংগ্রহে রেখেছিলো, যার অনেকগুলোই আমি নিজে হারিয়ে ফেলেছি! অনেকবার ভেবেছি, হারিয়ে যাওয়া লেখাগুলো ওর কাছ থেকে চেয়ে নেব, কিন্তু চাওয়ার আগেই সে নিজে হারিয়ে গেল! একদিন ফোন করে প্রচুর কান্নাকাটি সহযোগে জানালো- সে নতুন জীবন শুরু করতে যাচ্ছে, আমার সঙ্গে এই যোগাযোগটা আর কন্টিনিউ করতে চায় না!
আমি কিছু বলিনি!
নতুন জীবন শুরু করতে হলে যদি আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করতে হয়, তাহলে তো আর কিছু বলার থাকে না!
এরপরও অবশ্য আমি ওকে মেইল করেছি, উত্তর আসেনি। ফোন করে দেখেছি,সেলফোন বন্ধ! আর ল্যান্ডফোন! এই নম্বরে এই নামে কেউ থাকে না!!
এখনো মেয়েটিকে খুব মনে পড়ে আমার। বিশেষ করে লেখালেখিতে কোনো একটা প্রাপ্তিযোগ ঘটলে- ছোট্ট একটা প্রশংসা থেকে শুরু করে বড়ো পুরস্কার- সবই আমার প্রাপ্তি,- ওকে মনে পড়ে! মনে হয়, ও-ই আমার লেখার প্রথম অ্যাডমায়ার ছিলো!
৫.
এই লেখাটি লিখতে লিখতে হঠাৎ একটা কথা মনে পড়লো। হয়তো লেখার সঙ্গে কথাটির কোনো যোগসূত্রই নেই! এলোমেলো একটা লেখা, এত যোগসূত্র খোঁজার দরকারই বা কি!
বছর দশেক আগে কর্মসূত্রে কয়েকমাস আমি চট্টগ্রাম ছিলাম। শহরটা আমাকে অসম্ভব মুগ্ধ করেছিলো, কিন্তু আমি ছিলাম একা! চট্টগ্রামে আমার কোনো বন্ধু ছিলো না, পরিচিতজনের সংখ্যাও ছিলো নগণ্য। ওই অসম্ভব সুন্দর শহরে আমার সময়গুলো তাই কেটে গেছে ভয়াবহ একাকিত্বের মধ্যে দিয়ে। তো, সময় কাটানোর জন্য মানুষ ছিলো না বলে আমি একা একা হেঁটে বেড়াতাম। হাঁটতে হাঁটতেই একসময় পেয়ে গেলাম টাইগার পাস নামক সেই মনোমুগ্ধকর জায়গাটা। ওই রোডটাকে আমার কাছে মনে হতো পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রোড! যেন 'হাইওয়ে টু হেভেন' (এই নামে একটা টিভি সিরিয়াল হতো আশির দশকের মাঝামাঝিতে; সেই সিরিয়ালে যে পথটিকে দেখানো হতো, টাইগার পাস রোডটা তারচেয়ে অনেক সুন্দর ছিলো)! কী মায়াময়, নির্জন, সবুজ প্রশান্তিতে ভরা!
আমি আজো আমার একাকিত্বের সময়গুলোতে ওই সড়কটি ধরে হেঁটে যাই, কল্পনায়! একা। হেঁটে যাই, হেঁটে যাই... আর ভাবি- আমার পাশে আরেকজন মানুষ তো থাকতেই পারতো, যার সঙ্গে হয়তো আমার এখনো দেখাই হয়নি, যে আমারই মতো জীবনের কাছে মার খাওয়া, আমারই মতো নিঃসঙ্গ, নির্জনতাপ্রিয়, একা! আমারই মতো 'ভালোমন্দের রক্তমাংসে গড়া, দোষত্রুটিতে গড়া একান্ত এক পার্থিব মানুষ!'
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): এলোমেলো... ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন:
![]()
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
ভারচুয়াল সম্পর্ককে ভারচুয়ালিই মূল্যায়ন করা উচিৎ, এর সঙ্গে রিয়েলিটি মেলাতে গেলেই প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি সংক্রান্ত কনফ্লিক্টটা শুরু হয়।।।গত সপ্তাহে মাহবুব হাসান নির্বাচিত "শতবর্ষের গল্প(২য় খণ্ড)" বইটাতে আপনার লেখা "আমরা একটি গল্পের জন্য অপেক্ষা করছি" গল্পটা পড়লাম। গল্পটা পড়ে অনেকগুলো প্রশ্ন তৈরি হয়েছে...
লেখক বলেছেন: সমস্যাটা সেখানেই- সম্পর্কাকাঙ্ক্ষী মানুষ ভার্চুয়াল সম্পর্ককে ভার্চুয়াল জগতে সীমাবদ্ধ রাখতে পারে না, বাস্তবের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলে!
------------------------------
প্রশ্নগুলো করে ফেলুন।
রুবেল শাহ বলেছেন:
যেখানেই অনুভব সেখানেই তুমি............................
লেখক বলেছেন: সেটাই!
পারভেজ বলেছেন:
কিছু কিছু সম্পর্ক মাঝপথে থেমে যায় বলেই সারাজীবন থেকে যায়।টাইগার পাসের সেই রোডটি আমারও খুব প্রিয়। কতবার হেটে হেটে পার হয়েছি।
খুব ভালো লাগলো লেখাটি।
লেখক বলেছেন: 'কিছু কিছু সম্পর্ক মাঝপথে থেমে যায় বলেই সারাজীবন থেকে যায়।'- হ্যাঁ, তাই। অমীমাংসিত সম্পর্কই সুন্দর, যদিও তা বহন করা কষ্টকর!
টাইগার পাসের কথা ভুলতে পারি না, যদিও যাওয়া হয়নি বহুদিন...। এই রোডটির সঙ্গেও আমার যেন একটা সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে!
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, ভার্চুয়াল সম্পর্ক আর ভার্চুয়াল থাকে না শেষ পর্যন্ত। তাতে আপত্তি নেই কোনো, কিন্তু ভার্চুয়ালি প্রকাশিত মানুষ যে আসলে খণ্ডিতভাবে প্রকাশিত মানুষ সেটা ভুলে যাই আমরা! সমস্যাটা সেখানেই...
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
পুরো লেখাটাই ভালো লেগেছে । আসলে এখন সম্পর্ক তৈরী করা বেশ সহজ .. ভেংগে যাওয়াও অনেক সহজ ..
আগের সময় গুলোই ভালো ছিলো মনে হয়;
আমাদের এখনকার লাইফষ্টাইলের সাথে ৭০-৮০ দশকে মিক্স করতে পারলে অনেক ভালো হতো
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আর শ্রদ্ধাবোধের ব্যাপারটা মনে হয় একটু অন্য রকম।
আরোপিত শ্রদ্ধা হলে সেটা নষ্ট হওয়াই স্বাভাবিক।
মানুষের মনে এটা একটা বিচিত্র সাইকোলজী ... বয়স যত বাড়ে অন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা তত হারায় ।
লেখক বলেছেন: আগের সময়গুলোই ভালো ছিলো- একথা বুড়োরা সবসময়ই বলে! আপনি বুড়ো হয়ে গেলেন নাকি?? ![]()
------------
এখন সম্পর্কগুলো বড়ো বেশি ভঙ্গুর, কথাটা আমারও মনে হয় খুব! ভেঙে পড়াটাই যেন এখনকার নিয়ম...
-------------
শ্রদ্ধা আরোপিত না হলেও ভেঙে পড়তে পারে! ধরুন, এই ব্লগেই আপনার সঙ্গে আমার পরিচয়, সম্পর্ক- সবকিছু। এর সঙ্গে শ্রদ্ধাবোধও তো জড়িত, শ্রদ্ধাবোধ ছাড়া তো সম্পর্কই হয় না! অথচ এই শ্রদ্ধাও ভেঙে পড়তে পারে, যদি আপনি ভুলে যান- আপনার কামাল ভাইও ভালোমন্দে মেশানো একজন সাধারণ মানুষ!
-------------
লেখা ভালো লাগার কথা জানালেন, আমি এখন কি দিই আপনাকে? এরকম এলোমেলো লেখাও ভালেঅ লাগলো, ধন্যবাদ দিলে তো যথেষ্ঠ হয় না!
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
লেখাটায় আপনার ভাবনার সাথে আমার ভাবনা পুরোপুরি মিলে গেল। আমি এমন করেই ভাবি। হয়তো বিষয়টা নিয়ে লেখলো আমারো এমন একটা লেখা দাড়াতো।
ভার্চুয়াল সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটা বিষয় লক্ষ্য করছি কেন জানি অনেক ভার্চুয়াল সম্পর্ক হঠাৎ করেই থেমে যায়....
লেখক বলেছেন: আপনিও লেখেন না একটা। বিষয়টা নিয়ে তো আমাদের সবারই কিছু না কিছু বলার আছে, তাই না?
আমার অভিজ্ঞতাও একই রকম- অধিকাংশ ভার্চুয়াল সম্পর্ক ক্ষণস্থায়ী!
---------------
অ.ট : 'অবসরের গান'টা আপনার সংগ্রহে আছে নাকি শামীম? থাকলে একটু দিন না, প্লিজ!
রিফাত হাসান বলেছেন:
আপনি চট্টগ্রামে কোন কর্মসূত্রে ছিলেন?
লেখক বলেছেন: আমার যা কর্ম- শিক্ষকতা।
লেখক বলেছেন: দুঘণ্টা পর এলো!.. দেশটা যে কোনদিকে যাচ্ছে!..
~~~~~~~~~~~~~~
আমি ভালো মন্দে মেশানো মানুষের ব্যাপারটা ভুলিনা কখনো
আর সম্পর্ক তৈরী হওয়ার পিছনে শ্রদ্ধাবোধ কাজ করে না মনে হয় সবসময় .. কাউকে কাউকে এমনিতেই ভালো লাগে ;
আরেকটা "মানুষ" হিসাবে যে শ্রদ্ধাবোধ সেটা যে সম্পর্ক তৈরী করতে ভূমিকা রাখে এটা আমি মানি। সবারই সেটা থাকা উচিত।
ব্লগের সম্পর্ক বা ভার্চুয়াল সম্পর্কতে খন্ডিত রুপ আসলেও - চেনার চোখ থাকলে মানুষকে ঠিক ই চেনা যায় ; ছোট একটা বাক্যতে অনেক কিছুই ধরা পড়ে;
তবে যারা মুখোশ পড়ে থাকে তাদের চিনতে সমস্যা হয় বৈকি;
শ্রদ্ধার তো কোন ইউনিভার্সাল মানদন্ড নাই .. কে কাকে কতটুকু শ্রদ্ধা করে এটা ঐ ব্যক্তির উপর নির্ভর করে ;
এই জন্যই আরোপিত কথাটা বল্লাম .. এই হিসাবে সব শ্রদ্ধাই আরোপিত
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ছন্নছাড়ার প্রোফাইলেই লাইনটা মনে হয় কাল্পনিক ছবি ভাংগার যন্ত্রনা ; হয়ত একটা ছবি ছিলো মনে সেটা নষ্ট হলো - এটার মেনে নিতে না পারাটা ।
মানুষের চেহারা সুরত বিবেচনা করার উর্ধে অনেকই উঠতে পারে না ।
তাই এই কথার সাথে আংশিক ভাবে একমত ।
দুরে থাকলে যে সম্পর্ক ভালো থাকে এটা পরীক্ষিত সত্য
লেখক বলেছেন: দুঃখিত আরণ্যক, উত্তর দিতে দেরি হলো বলে! রাতে বিদ্যুৎ দেবী খুব জ্বালিয়েছেন! দুঘণ্টা লোডশেডিঙের পর একঘণ্টা বিরতি দিয়ে আবার আধাঘণ্টা। পরে আর আসা হয়নি!
আপনার কথাগুলোর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করা সুযোগ নেই। তবে ছন্ন'র ব্যাপারটা যে কী, সেটা তিনি নিজে এসে না বললে তো বোঝা যাচ্ছে না!
হ্যাঁ, দূরে থাকলে সম্পর্ক ভালো থাকে, কারণ দৈনন্দিন জীবনের পঙ্ক সম্পর্কের মধ্যে কাদা ছিটাতে পারে না!
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
গল্পটার থিম আমার বেশ ভাল লেগেছে, বিশেষ করে যাত্রাশিল্প নিয়ে মানুষের নাক সিটকানোটাকে যেভাবে স্থূর একটা খোচা দেয়া হয়েছে সেটাও মুগ্ধ করেছে..যাত্রাশিল্পীদের পেছনের না বলা করুণ কাহিনী, অতঃপর তাদের এই পেশায় চলে আসা...এই ব্যাপারগুলোকে যেভাবে থার্ড পারসনের অবস্থান থেকে তুলে ধরা হয়েছে সেটাও মুগ্ধতার দাবী রাখে, এবং সমাপ্তিটা যে বিষয়টা বলা হয়েছে- " মাঝে মাঝে আমাদের বলতে ইচ্ছা করে- জামিল ভাই, , আমরা এসব কিছুর মধ্যে কোন গল্প খুজে পাচ্ছিনা। এ বড়ো সাদামাটা একঘেয়ে হাহাকারের জীবন, এ বড় রূঢ় বাস্তবতা, এর মধ্যে আমরা কোন কল্পনা খুঁজে পাচ্ছিনা। আর 'কল্পনা' না থাকলে এই বাস্তবের প্রজেকশন ঘটবে কী করে? আসলে এখানে কোন গল্পটল্প আছে বলে মনে হয়না।.....আমরা গল্পের বুঝিটা কী যে বলবো?বরং আমরা অপেক্ষা বা প্রতীক্ষা করে থাকি গল্পটির জন্য। একটি না দেখা বাস্তবতার উপর হাসিব জামিল কিভাবে প্রজেকশন ঘটান। একটি অতি চেনা ঘটনা তিনি কিভাবে কতটা জটিলতার বর্ণনা করে এটাকে বোঝা না বোঝার মাঝখানে নিয়ে যান, দেখার জন্য আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।"...................................এই এন্ডিংটাকে কমপক্ষে ৩টা পযেন্ট অব ভিউ থেকে ব্যাখ্যা করা সম্ভব, যেটা গল্পটাকে একটি শক্তিশালী প্লাটফরম দিতে পারে......................তবে, লেখার বিপরীতে কয়েকটি বিষয়কে বেশ আরোপিত ও মন্থরক মনে হয়েছে:
১. হুমায়ুন আহমেদ, বাকের ভাই...এই ব্যাপারগুলো বেশ সরাসরিভাবে চলে এসেছে। এটা আসতেই পারে, তবে সমস্যা হচ্ছে হুমায়ুন আহমেদের সমালোচনার ট্রেন্ডটা বেশ কমন হয়ে যাচ্ছে দিনদিন, এতে করে তাকে নিয়ে আলোচনার স্কোপটা যেমন বেড়ে যাচ্ছে, তেমনিভাবে গল্পের ফোকাসটাও ঘটনাপ্রবাহ থেকে ব্যক্তিকেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া গল্পের ধারা অনুসারে হুমায়ুন আহমেদ এখানে অপ্রাসঙ্গিক, যদিও লেখালেখির মূল ব্যাপারটা বোঝানোর জন্য এধরনের বিষয় আসাটা খুবই প্রাসঙ্গিক ছিল।মূল সমস্যাটা উপস্থাপনের ধরনে।
২. গল্পের এক জায়গায় আপনি নিজের নামেও বিষোদগার করেছেন, আমার মনে হয় এ ব্যাপারটিও যথেষ্ট আরোপিত হয়ে গেছে........কারণ দেখা গেল, হাসিব জামিল কথা বলছেন, হঠাৎ করে উদাহরণ প্রসঙ্গে আহমাদ মোস্তফা কামাল নামটি বলেই যেভাবে তাকে নিয়ে কটাক্ষ করা হল, এই বিষয়টা গল্পের ওজনকে হালকা করে দিচ্ছে। কারণ পাঠক জানে গল্পটার লেখকের নাম, সেক্ষেত্রে নিজেকেই নিজে খোচানো ব্যাপারটা একটু কেমন যেন লাগে।
৩. লেখার এক জাযগায় হাসিব জামিল বলছে "তার লেখা অধিকাংশ সাহিত্য সম্পাদকরাই বোঝেননা, তবু তার লেখা ছাপেন। আর এক জায়গায় আছে , তিনি লেখার শুরুতে উদ্ধৃতি দিয়ে পাঠকককে সতর্ক ককরে দেন , এই লেখাটা সবার জন্য নয়।তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে সম্পাদকরা কি হাসিব জামিলের লেখা ছাপাতে বাধ্য?অবশ্যই নয়। তাহলে না বুঝেই তার লেখা ছাপানোর কারণ কী হতে পারে? কারণ, এই পত্রিকার পাঠক তো সব সাধারণ মানুষই, সেক্ষেত্রে দুর্বোধ্য লেখা ছাপানোটা অনেকটা বাধ্যবাধকতার মত শোনাচ্ছে, পাশাপাশি গল্পে দেখানো হয়েছে হাসিব জামিল একজন বিখ্যাত লেখক. তো তিনি শুরুতেই যদি বুঝিয়ে দিতে চান যে এই লেখা সর্বসাধারণের জন্র নয়, তখন প্রশ্ন জাগে তাহলে তিনি কার জন্য লিখছেন, আর তার লেখার পাঠকই বা কারা?.....এই অংশটায় একটা সুস্পষ্ট কনট্রাডিকশন রয়েছে, কারণ গল্পেই হুমায়ুন আহমেদের বিশাল পাঠকগোষ্ঠী সম্পর্কে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে................তাছাড়া আরও একটি প্রশন, "সব লেখায় এরকম উদ্ধৃতি দিয়ে শুরু করলে, সেই লেখক একটি গণ্ডির মধ্যে পড়ে টাইপড লেখক হয়ে যাচ্ছেন। লেখার ভ্যারিয়েশনের জন্যও তো এই ব্যাপারটা ক্ষতিকর।..........................
গল্পটায় এই বিষয়গুলো না রেখে বা আরেকটু অস্পষ্ট করে লিখে, মূল ফোকাসটা পারিপার্শ্বিক ঘটনার দিকে আরও সূক্ষ দৃষ্টি দিলে বোধহয় এটি আরও অনেক বেশি প্রাণবন্ত হয়ে উঠত।।। তবুও যতটা প্রাণ পেয়েছি, তা দিয়েই অনেকটা পথ পাড়ি দিতে পারব গল্পটার ডানায় চড়ে........
অনেক বড় মন্তব্য লিখে ফেললাম। বাই দি ওয়ে, আমার বাড়িও মানিকগঞ্জ।।
লেখক বলেছেন: দুঃখিত হিমালয়, উত্তর দিতে দেরি হলো বলে! রাতে বিদ্যুৎ দেবী খুব জ্বালিয়েছেন! দুঘণ্টা লোডশেডিঙের পর একঘণ্টা বিরতি দিয়ে আবার আধাঘণ্টা। পরে আর ব্লগে আসা হয়নি!
-------------------------
বোঝাই যাচ্ছে, আপনি খুব নিবিড় পাঠক। আপনার সমালোচনা তাই হাসিমুখে গ্রহণ করছি। সমালোচনার উত্তর দেয়াটা একজন লেখকের জন্য শোভনীয় কোনো ব্যাপার নয়, তাই উত্তর দিচ্ছি না, শুধু নিচে কথাগুলো কতোগুলো তথ্যের জন্য :
১. গল্পটা লেখা হয়েছে ১৯৯৯ সালে, বই বেরিয়েছে ২০০১ সালে, তখনো 'হুমায়ুন আহমেদের সমালোচনার ট্রেন্ডটা বেশ কমন হয়ে যায়নি' বরং আমরা, তরুণ প্রজন্মের লেখকরা জোরশোরে শুরু করেছি। ওই গল্পে কিন্তু সেলিম আল দীন এবং তাঁর 'গ্রন্থিকগণ কহে'র প্রসঙ্গও আছে, শুধু হুমায়ূন এবং বাকের ভাই নয়!
এই বইটি আসলে একটি সিরিজ গল্পের সংকলন। অর্থাৎ একই চরিত্র এবং থিম নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটে গল্পগুলো লেখা হয়েছে। এই গল্পগুলিতে আমি সচেতনভাবে চেষ্টা করেছিলাম ফিকশন আর নন-ফিকশনের সীমারেখাটি ভেঙে দিতে, ফলে অনেক সময় গলগুলো 'গল্প' না বলে 'প্রবন্ধ' বলেছে! একটা লিংক দিলাম, সবগুলো গল্পই আছে এই লিংকে, সময় সুযোগ পেলে পড়ে দেখতে পারেন।
[লিংক দিতে বিব্রতবোধ করি, তবু আপনার আগ্রহের কারণে দিচ্ছি। বিরক্ত হবেন না আশা করি। ]
http://www.amkamalbd.com/amra_ekti.html
এই একই যাত্রাদল ও এর চরিত্রগুলো নিয়ে আরেকটি গল্প আছে আমার, সেটি ভিন্ন ফর্মের, চাইলে পড়ে দেখতে পারেন এই লিংক থেকে :
Click This Link
২. ওই সময় গল্প-তত্ত্ব নিয়ে নানারকম বিতর্ক হতো! আমি সচেতনভাবেই নিজের নামে 'বিষোদগার' করেছি; কারণ অচল হাসিব জামিলরাও তাই করতো! গল্পটির লেখক আমোকা হলেও, কথক তো অন্যরা, অন্যদের দিয়েই এই বিষোদগার করিয়েছি। খুব হৈচৈ হয়েছিলো গল্পটি বেরুবার পর!
৩. আমাদের দশকে মিডিয়ার বিস্ময়কর উত্থান কোনো কোনো সমসাময়িক লেখককে এক পঙ্কের জগতে নিয়ে যায়! তরুণ সাহিত্য-সম্পাদকরা নিজেদের দল ভারি করার প্রতিযোগিতায় এমন কিছু লেখককে প্রমোট করতে থাকেন- যারা শুদ্ধভাবে বাংলা লিখতে পারতো না, অথচ দুর্বোধ্যতার আশ্রয় নিয়ে নিজেদেরকে মহান লেখক হিসেবে জাহির করার চেষ্টা করতো! হাসিব জামিল তাদেরই প্রতিনিধি! অবশ্য সবকিছুর পরও আমি হাসিব জামিলকে ইতিবাচক চরিত্র হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত করেছি, অন্যান্য গল্পগুলো পড়লে সেটা হয়তো বোঝা যাবে।
----------------
পুরনো একটি গল্প নিয়ে অনেকদিন পর কথা বলতে পেরে ভালো লাগলো। আপনি সেই সুযোগ করে দিলেন, ধন্যবাদ আপনাকে।
---------------------
মানিকগঞ্জের কোথায়? যাত্রা দেখেছেন কখনো?
শত রুপা বলেছেন:
আপনার লেখাটা খুব ভাল লাগলো ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শত রুপা। আপনিও ভালো থাকবেন!
লেখক বলেছেন: আমাকে দেখেও কথা বলেননি!? ![]()
আপনার সম্বন্ধে আমার ভার্চুয়াল ভাবনা ভাঙতো না, আমি এইসব ব্যাপারে সচেতন তো! লেখা পড়ে কি সেটা মনে হয়নি?
লেখকরা মনে বাড়িতে একদম একা! শুধু লেখকরা কেন, সব মানুষই তো...
'অবশেষে জেনেছি মানুষ একা
মানুষ তার চিবুকের কাছেও ভীষণ অচেনা ও একা'
-----------------------
'বস' বইলা গালাগালি করার জন্য আপ্নেরে মাইনাস.. কমেন্টের বাদবাকি অংশের জন্য প্লাস। ![]()
অদ্রোহ বলেছেন:
আসলেই ধীরে ধীরে কেমন যেন অন্তসারশূণ্য হয়ে পড়ছি আমরা, ঠাস বুনোটের ভীড়ে সম্পর্কগুলো কেমন যেন দায়সারাগোছের হয়ে পড়ছে......মেকী সৌজন্যের খপ্পরে পড়ে আবেগও ক্রমশ ক্লিশে হয়ে পড়ছে।তবে একটা কথা আমার প্রায়ই মনে হয়,সবুজের সান্নিধ্যেই আমাদের ভেতরকার অনুভূতিগুলো সতেজ হয়ে উঠে।তাইতো ইট কাঠের এই যান্ত্রিক ঢাকায় প্রায়ই মনে হয়,আহা!আবার কবে মেঘমেদুর দিনে বাটালি রোডের মায়াভরা পথে হাঁটবো,আবার কবে শেষ বিকেলের রোদ গায়ে মেখে স্পর্শ করব ফয়েজ লেকের অতলান্ত জল.........।
লেখক বলেছেন: খুব ভালো লাগলো আপনার কথাগুলো। থ্যাংকস।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
পড়ে মনে হল, আজ হতে বছর দেড়েক আগে আমি এমন লেখা লিখতাম।এমন কিছু লেখা আমি সব সময়ই লিখতে চাই, তবে ব্যস্ততায় এখন আর লেখা হয়ে উঠে না
লেখক বলেছেন: মানে হলো, আমি আপনার চেয়ে বছর দেড়েক পিছিয়ে আছি! বছর দেড়েক আগে আপনি যেরকম লিখতেন, আমি এখন সেরকম লিখছি!
![]()
ব্যস্ততারে মাইনাস! x( x(
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
প্রথম লাইনটাতে গিয়ে একটু হোচট খেয়েছিলাম, 'কারো প্রতি শ্রদ্ধা অটুট রাখার উপায় হচ্ছে তার সাথে কখনো সাক্ষাৎ না করা!'
ভাবলাম তাহলে কি আপনার সাথে সাক্ষাত কমিয়ে দেবো নাকি!!
যাইহোক। লেখাটার ভিন্নতা সত্যিই আমাকে মুগ্ধ করেছে। ভার্চুয়াল জগৎটাই একটু কেমন যেনো। যেখানে শুধু রহস্য। মানুষকে নিয়ে ভাবতে হয় শুধু তার লেখাগুলো দিয়ে।
আর পথ হাঁটার ব্যাপারটা তো!! পথ তো সবাই হাঁটি। নির্জনে একাকী আমিও প্রায়ই কল্পনায় একা পথ হাঁটি। হেটেই চলি অজানায়। নিঃসঙ্গতটাই তখন ভালো লাগে। মনে হয়, পাশে যদি কেউ থাকতো তবে শূণ্যতার মধ্যে যে ভরাট বেদনা থাকে তা অনুভব করা সম্ভব হতো না। তাই না?
শূণ্যতা কিন্তু পূর্ণতারই একটি প্রতীক। আর মেঘ তো বলেই দিয়েছে, লেখকরা মনের বাড়িতে একদম একা।
আসলেই একা.....একদম একা। তাই নিজের সাথে কথা বলা হয়। আর সেই কথাগুলো কাগজবন্দী করা হয়।
লেখক বলেছেন: প্রথম লাইনে হোঁচট খেলে কেন? আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ায় কি তোমার শ্রদ্ধাবোধ কমে যাচ্ছে নাকি? ![]()
-------------------------------------
তুমিও একা একা পথ হাঁটো! সর্বনাশ.. যথাস্থানে কথাটা পৌঁছানো হবে...
নুশেরা বলেছেন:
কামালভাই আপনি চট্টগ্রামে ছিলেন!!!তাইতো বলি, বছর দশেক আগ থেকে হঠাৎ করে আপনি এতো ভাল লিখতে শুরু করলেন কীভাবে!
আপনার কুরুক্ষেত্র-কন্যার বিষয়ে আরেকটু আওয়াজ দিলে হইতো না! উনারে চিটাগাং নিয়ে আসতেন... আমরা তো ছিলামই
[@পারভেজভাই-- কার সাথে হাঁটতেন সেইটা কি নিজে থেকে স্বীকার করবেন না আমাকেই বলতে হবে?
সবার জন্য টাইগারপাসের সবচেয়ে সুন্দর জায়গার (পলোগ্রাউন্ড ময়দান সংলগ্ন) একটা ছবি।
লেখক বলেছেন: 'বছর দশেক আগ থেকে হঠাৎ করে আপনি এতো ভাল লিখতে শুরু করলেন কীভাবে!'
হা হা হা...
ভুল করেছেন নুশেরা, আমি এখনো ভালো লেখা শুরুই করিনি! ![]()
কুরুক্ষেত্র কন্যা! ভালো নাম দিয়েছেন তো!!
---------------------
টাইগার পাসের ছবিটা দেয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা...
ভাল থাকবেন। অনেকদিন পর আপনার লেখার ছোঁয়া পেলাম। ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল বন্ধুত্ব আমার হতেই চায় না! এই ব্লগে ছাড়া অন্য সব ভার্চুয়াল মিডিয়ায় আমি একবারেই রেসপন্সিভ নই! ভার্চুয়াল বন্ধুর সংখ্যা তাই খুবই সামান্য!
----------------------
এলোমেলো লেখা... পড়ার জন্য ধন্যবাদ..
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
নরাধম বলেছেন:
Click This Link কামালভাই, আপনি কোন নতুন লেখা দিলে আমারব্লগে সময় পেলে একটু নক করবেন!!! আপনার লেখাগুলো অন্তত মিস করতে চাইনা।
লেখক বলেছেন: নিজের লেখার লিংক দিতে কেমন যেন অস্বস্তি লাগে। তবু, বললেন যেহেতু, দিয়ে আসবো!
কেমন আছেন আপনি? ব্যস্ততা কমেনি?
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
একেকটি চিঠির জন্য সে কি নির্ঘুম প্রতীক্ষা! হায়, এই ইমেইল-চ্যাট-এসএমএস যুগের ছেলেমেয়েরা সেই প্রতীক্ষার মর্মই বুঝলো না! সত্যি, আজকালকার ছেলেমেয়েরা এসব বুঝবে না মোটেও যে তারা কি মিস করল।
আহা! লেখাটা নষ্টালজিক করে দিচ্ছে আমাকে.... বেশ সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে নিজেকে।
লেখক বলেছেন: লেখাটা নস্টালজিক করে দিচ্ছে! বেশ সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে নিজেকে! কেন, রন্টি? আপনিই সেই 'কুরুক্ষেত্র কন্যা' ছিলেন নাকি???? ![]()
বাফড়া বলেছেন:
ইংলিশেও প্রায় কাছাকাছি একটা কথা আছে- familiarity breeds contempt!!! লেখা চরম হইছে... মতের মিল পাইলাম... তয় এই ইমেইল এসএমএস যোগের পুলাপানরা যে চিঠির মর্ম জানেনা তা না... আমি আমার কলেজ লাইফে এক দোস্তরে চিঠি লিখতাম... যদিও কলেজে তার সাথে দেখা হতই... তারপরো লিখতাম... দেখা হলে চিঠি দিতাম... পরের দিন আবার হাতে হাতেই চিঠির উত্তর আসত... পরে দোস্তের সাথে রাগারাগি হয়ে কথা বলাই বন্ধ হয়ে গেল... প্রায় দুইবছর পর তার ঠিকানা যোগাড় করলাম... ততদিনে সে ঢাকায়... এরপর চিঠি চালাচালি চলেছিল আরো বছর খানেক... একেকটা চিঠি একেকটা মাইনফীল্ডের মত মনে হইত... এইসব ইমোশন আর নাই... পুরা গাছ হয়া গেছি...
\আপনার পনের বছর ব্যাপী এই ঘটনার কথা শুইনা মনটা খানিকটা উতলা হইল... ভালো থাইকেন... লাইফে সবকিছু হয়না... কারন এই টা হইল কেউগা হালার দাগাবাজ দুনিয়া!!!
লেখক বলেছেন: আপনার চিঠি চালাচালির ধরন দেখে তো মনে হচ্ছে আপনি প্রিমিটিভ যুগের মানুষ! প্রতিদিন দেখা হতো, তবু চিঠি!! মাশাল্লাহ!!!!!
----------------------------------
আরে মন উতলা হওয়ার কিছু নাই, ওইটা ভার্চুয়াল সম্পর্কই ছিলো, বাস্তব জীবনটা অন্যরকম, সেখানেও নানারকম সম্পর্ক-- প্রেম, বন্ধুতা, দাম্পত্য! কোনোকিছু তো থেমে থাকেনি...
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
হ্যারি সেলডন নিক আবার চালু হইছে নি?
লেখক বলেছেন: এইটা কার নিক?
লেখক বলেছেন: ছ্যাঁকা কই দেখলেন! x(
কে কারে ছ্যাকা দিলো? সে 'নতুন' জীবন শুরু করার আগেই আমি নতুন জীবন শুরু করেছিলাম! কে কাকে ছ্যাকা দিলো? ![]()
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন:
ভাইয়ার লিখার সাথে একমত। "ভার্চুয়ালি কোনো মানুষই নিজেকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করার সুযোগ পান না, বা ইচ্ছেকৃতভাবে প্রকাশ করেন না!" আমার মত কিছু কিছু মানুষ আছেন অবস্যই যাদের বাস্তব এবং ভার্চুয়াল জীবনটা সম্পুর্ন আলাদা। আমি স্বযত্নে আমার বাস্তবকে ভার্চুয়াল জীবন থেকে দূরে রাখি। এমন অনেক কিছু আছে, যা আমি বাস্তবে করতে চাই বা বলতে চাই, কিন্তু পারিনা, সেটা ভার্চুয়াল জীবনে করতে পারি। আমার ক্ষত্রে যেটা প্রায়ই হয় - অনেকে ফোরামে বা ব্লগে আমার লিখা দেখে আমাকে ম্যাসেঞ্জারে এড করেন, কিন্তু আমি বুঝি যে তাদের কেউ কেউ পরে আশাহত হন। এবং অবস্যই সামনে থেকে দেখলে ভার্চুয়াল আর বাস্তবের আমাকে মেলাতে কষ্ট হবে।
ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: সেটাই! অনেকেই এই বিষয়টা বুঝতে পারে না, ফলে তাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়, আশাভঙ্গ হয়!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
এই ইমেইল-চ্যাট-এসএমএস যুগের ছেলেমেয়েরা সেই প্রতীক্ষার মর্মই বুঝলো না! কথাটা মানতে পারলাম না।
টাইম ডিউরেশন কমলেও প্রতীক্ষাটা কিন্তু থেকেই যায় হয়তো আগে ৫ দিন আর এখন ৫ ঘন্টা,
যাই হোক। বল্গটা ভাল জায়গা অনেক কিছু জানা যায়।
ভাল লাগল পড়ে,
লেখক বলেছেন: আচ্ছা বুঝলাম, তোমরাও ৫ ঘণ্টা প্রতীক্ষা করো!
(এবং পাচঘণ্টার মধ্যে প্রতীক্ষার অবসান না হলে, সম্পর্ক ব্রেক!
)
এম্নিতেই বলেছেন:
এখন ভার্চুয়াল রিলেশান গুলো অনেক সস্তা হয়ে গেছে... লেখাটা পড়ে খুবই ভাল লাগল...ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকুন। শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: পড়ে বলতে ভুলে যাইয়েন না আবার!
রোবোট বলেছেন:
পড়লাম। ভালো। আপনি কি জানেন আপনি এই ব্লগের মুরুব্বীর চেয়েও বুড়া?
লেখক বলেছেন: ![]()
বুড়া বললেন! তাইলে একটা বুড়ি জুটায়া দেন গো রোবট ভাইয়া... ![]()
[মুরুব্বিটা কে? এতদিন হয়ে গেল তবু জানা হলো না অনেককিছু, কত অজানা রে এই সামু সমুদ্রকূলে..]
ভার্চুয়াল সম্পর্কের ক্ষেত্রে মানুষ নিজে ভার্চুয়াল আচরণ করে, কিন্তু অন্যপক্ষের কাছ থেকে আশা করে বাস্তব আচরণ ... যেমন উদাহরণ দিই, অনলাইন চ্যাটে অনেকেই এমন সব গোপন বিষয়ে আলোচনার বা পরামর্শ করে, যা কিনা বাস্তবজীবনে কাউকেই সে বলবেনা ...
এখন সমস্যা হতে পারে যার সাথে সে পরামর্শ করা হচ্ছে তার জন্য ... সে যদি ভেবে বসে যে তার নিজের পারসোনালিটিটা এমন যে মানুষ খুব সহজেই তার সাথে মনখুলে কথা বলতে পারে -- তাহলেই সমস্যা ...
আসলে যে গোপন কথা বলেছে তার জন্য মনিটরের ওপাশে যে কেউ থাকলেই হলো
লেখক বলেছেন: 'আসলে যে গোপন কথা বলেছে তার জন্য মনিটরের ওপাশে যে কেউ থাকলেই হলো'-- দারুণ বলেছেন।..
জানজাবিদ বলেছেন:
টাইগার পাসের কথা মনে করাই দিলেন..........কামডা ভালা করলেন না!
লেখক বলেছেন: আমিও দুঃখে আছিরে ভাই... নাহয় একটু সমব্যথি হইলেন!
আপনি টাগং এর কথা বলেছেন। আশিদশকের কথা বলেছেন। ল্যান্ডফোনীয় যুগের কথা বলেছেন বা বলেছেন বিচিত্রার কথা....এরকম আরো কতো কিছু! কোন অনুভূতিশীল পাঠকমাত্রই এইগুলো শুনে এসব নিয়ে তার নিজেরটাও রিকল করবার চেষ্টা করবেন। সেরকম আরকি....
আমার কাছে আশিদশক এক অনন্য সময়। যদিও সেইসময়ে চিন্তাভাবনার ডালপালা সেইভাবে বেড়ে ওঠেনি। গভীর ভাবনা করবার বয়স বা সক্ষমতা কোনটাই আশিদশকে আসেনি। তবু ওই সময়টা যেন হিরন্ময়। হতে পারে একজন মুগ্ধতাপ্রবণ বালকের চোখ দিয়ে
সময়টা দেখেছি বলে স্নায়ুতে গেঁথে আছে সেইসব। এই নগরের অনেক সবুজতা তখনো সঞ্চিত ছিলো যেন! স্কুলজীবন,
সবদিক খোলা এক শের এ বাংলা নগর, পাশ দিয়ে হুশশ করে বেরিয়ে যাওয়া ডাটসান গাড়ি, আমার স্কুলশিক্ষয়িত্রী মা...ইত্যাদী প্রভৃতি।
কুয়াশার ভেতর দিয়ে পেন্সিল ফুঁকে ফুঁকে সিগ্রেট খেতে খেতে স্কুলে যেতাম। পাশেই কৃষি কলেজ...যাবার পথটায় বামদিকে হাট করে খোলা রানওয়ে (এখন যেটা পুরোনো এয়ারপোর্ট আরকি), কুয়াশা ওদিক দিয়ে এসে স্কুলের মাঠ দখলে নিয়ে নিতো।
অস্পষ্ট করে দুইজন বালিকার কথা মনে পড়লো....আহা প্রতিক্লাসে প্রেমে পড়বার সেইসব উপায় তো আমাকে আশিদশকই এনে দিয়েছিলো। হাহাহা...
সেইসময়ের আরেকটা জিনিস খুব ভালো লাগতো, রেডিওতে তখন সিনেমার বিজ্ঞাপন চলতো পুরোটা দুপুর জুড়ে। খুব অপেক্ষা করতাম।
শ্যামলী হলের সামনে দিয়ে যাবার সময়ে চোখে আমার বালকচোখে
যেই বিস্ময় ও মুগ্ধতা লেখা থাকতো তার খাটিত্ব কোনভাবে চব্বিশ ক্যারেটের কম নয়।
টাইগার পাস সড়কের কথা বলেছেন। আরো একধাপ ভালোলাগা বাড়লো....চিটাগংএ আমার জন্ম (যদিও আমার নিজ জেলা এটি নয়),
অনেক বছর পর টাইগার পাস গিয়ে এবার অনেকটা সময় কাটিয়েছি।
ভালো লেগেছে খুব।
আর বিচিত্রা দেখতাম সবসময়ই বাসায় রাখা হতো...আমি বোধহয় খুঁজে খুঁজে রনবীর 'টোকাই'টা আগে পড়ে নিতাম। 'ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন' এর সিগনাল তখন এন্টেনাতে ধরা পড়তোনা। আহারে...! বুঝলে কতোটা অগ্রগামী হইতে পারতাম এখন ভাবি!
অনেকদিন পরে আপনার পোস্টের ছুতোয় নস্টালজিয়া একটিভ হইলো। সেইজন্য আপনাকে ধন্যবাদ কামাল ভাই।
আমাকে ক্ষমা করবেন - আমি একদমই আপনার পোস্টটার প্রসঙ্গকাঠামোর ধারেকাছে না যেয়ে নস্টালজিক কাঁদুনি গাইলাম।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আপনার স্মৃতিচারণ অসাধরণ লাগলো আন্দালীব! একটা পোস্টই লিখে ফেলুন না, দারুণ হবে। এ নিয়ে পরে আরেকবার কথা হবে।... লোডশেডিং শুরু হলো আবার... ![]()
রাহা বলেছেন:
+..স্মৃতি জাগানিয়া পোস্ট... শুধুই দীর্ঘশ্বাস.....সেইদিনগুলোর জন্য....
লেখক বলেছেন: শুধুই দীর্ঘশ্বাস.....সেইদিনগুলোর জন্য....
মানুষ বলেছেন:
চিঠির একটা আলাদা মজা। প্রিয়জনের হাতের স্পর্শ লেগে থাকে সেখানে। এখন ইমেল আর এস এম এস এর জগতে সে স্পর্শ কোথা পাবো। নিজেকে মাঝে মাঝে ভাগ্যবান ভাবি। জীবনের ক্ষুদ্র একটা অংশ ডিজিটাল ছিল না।
লেখক বলেছেন: সেটাই। চিঠির মধ্যে 'প্রিয়জনের হাতের স্পর্শ লেগে থাকে'। এই সময়ে এসে সেটি হারাতে বসেছে!
আমার জীবনের দীর্ঘ অংশই ডিজিটাল ছিলো না!
জেরী বলেছেন:
লেখায়+++ভার্চুয়াল সম্পর্কগুলো সবসময় ভার্চুয়াল থাকলেই ভালো........সেটা যদি বাস্তবে এসে যায় তাহলে ভার্চুয়াল সম্পর্কগুলোর আবেদন নষ্ট হয়ে যায়। কিছু বন্ধু থাকে যাদের জন্য ভার্চুয়াল হিসেবে অনেক ভালো লাগা থাকে........দেখা হলে সেটা আগের মতন বজায় থাকবে কিনা জানি না!!!!
লেখক বলেছেন: এতগুলো প্লাস কোথায় রাখি জেরী? একটা রাখলাম, বাকি দুটো পরের দুটো লেখায় দিয়ে যাবেন! ![]()
ভার্চুয়াল সম্পর্ক সবসময় ভার্চুয়াল রাখা যায় না, বাস্তব জীবনে এসে পড়ে। তখন যেন স্বপ্নভঙ্গ না ঘটে সেজন্যেই একটু সচেতন থাকা ভালো।
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
অসম্ভব ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
আমার বাড়ি মানিকগঞ্জ সদরে ( এসপি অফিসের প্রতিবেশী বলতে পারেন)..........যাত্রা সরাসরি দেখিনি, তবে টেলিভিশনে কয়েকটা দেখার অভিজ্ঞতা থেকে ২ পর্বের 'রহিম-রূপবান যাত্রা" লিখেছিলাম আধুনিক প্রেক্ষাপটে (যদিও এটা একটা নারীবাদী রম্যই বলা চলে শেষতক)Click This Link (প্রথম পর্ব)
Click This Link (২য় পর্ব)
লেখক বলেছেন: টেলিভিশনের যাত্রা তো যাত্রাই নয়! যাত্রার মূল আকর্ষণ তো এর মঞ্চসজ্জায়। চারপাশে দর্শক, মাঝখানে মঞ্চ। অভিনয়শিল্পীরা এই চারপাশের দর্শককেই কমিউনিকেট করেন। দূরুহ কাজ, সন্দেহ নেই। এমনকি নাগরিক মঞ্চগুলোতেও এই অনুভূতিগুলো পাওয়া যায় না। আরেকটা আকর্ষণ হলো- দর্শকদের প্রতিক্রিয়া। যাত্রার দর্শকরা যেহেতু তথাকথিত সুশীল নয়, তারা ভিলেনদের বদমাশিতে উত্তেজিত হয়ে জুতো ছুঁড়ে মারতেও যেমন দ্বিধাবোধ করে না, তেমনি করুণ দৃশ্যের সময় কেঁদে বুক ভাসাতেও কার্পণ্য করে না।
সময়-সুযোগ হলে দেখবেন। মানিকগঞ্জ একসময় যাত্রার সময় বিখ্যাত ছিলো, এখন আর তাদের খুঁজেই পাওয়া যায় না! খারাপই লাগে।
আপনার লেখাদুটো একসময় পড়ে দেখবো।
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
আমি তা বলি নাই। আপনিই তো উদাহরণ দিতে গিয়ে বললেন, শ্রদ্ধাবোধ কমে যায়। যাই হোক। ব্যাপার হলো, আমার কাছে সাক্ষাতে শ্রদ্ধা বাড়তেও পারে। সম্পর্ক তৈরী হতে পারে। যেমন, আপনার সাথে আমার ভার্চুয়াল থেকে শুরু করে সরাসরি সব ধরনের সম্পর্ক তৈরী হয়েছে। ------------------------------------------------------------
আমিতো একাই ছিলাম। এখনও একাই আছি। যথাস্থানটাও এখন অচেনা।
স্থান এখন অনেক দূরে।
লেখক বলেছেন: আমি তো উদাহরণ দিইনি! হুমায়ুন আজাদের কথাগুলো উদ্ধৃতি হিসেবে ব্যবহার করেছেন ছন্ন, আমি আবার সেটাকেই উদ্ধৃতি হিসেবে তুলে দিয়েছি শুধু ভার্চুয়াল সম্পর্কগুলোর ধরনধারণ দেখানোর জন্য!
-----------------------------------
তোমার যথাস্থান সম্বন্ধে 'যথাস্থানে' কথা বলা হবে! রেডি থাকো। ![]()
১। মানুষ এই ভার্চুয়াল জগতে সুন্দর সুন্দর করে কথা বলতে পারে, যা বাস্তবে ধরে রাখা যায় না।
দেখা হওয়া বা না হওয়ার সাথে শ্রদ্ধাবোধ থাকবে কিনা তা নির্ভর করে অনেক কিছুর উপর।
২।ভার্চুয়াল জগতে প্রেম, এটা আসলে খবই হাস্যকর একটা শব্দ। আমি একে বলি “মোহ”। শুধু সময়ের দরকার তারপর কেটে যায়।
৩। “তারা আন্দাজে কোনো নম্বরে চাপাচাচি করে কাউকে পেয়ে যেতো কখনো কখনো, তাদের সঙ্গেই কথা-বলার একটা সম্পর্ক গড়ে উঠতো!”
খুব মজার স্মৃতি আছে আমার এমন একটা। কিন্তু এখানে বলতে যাচ্ছি না।
“এই ইমেইল-চ্যাট-এসএমএস যুগের ছেলেমেয়েরা সেই প্রতীক্ষার মর্মই বুঝলো না!” তা কোনদিন বুঝবে না এই প্রজন্ম । তবে ইমেইল চ্যাটেও কিছু একটা আছে যা হয়ত আমরা বুঝতে পারি না।
৪। এমন সম্পর্ক নিয়ে কিছু বলছি না কারণ আমার ধারণা বোকারাই এমন করে। (কিছু মনে করবেন না)
আমি এই ভার্চুয়াল জগতে কিছু বন্ধু পেয়েছি তারা কেমন করে যেন কোন এক যাদুবলে খুব বেশি ভাল।
৫। আপনি এমন একটা রাস্তা বা জায়গার কথা বলেছেন যা আসলেই খুব খুব সুন্দর !!! এজন্য যতটা দেওয়া যায় ততটা ধন্যবাদ। এখাঙ্কার পাহাড় আর প্রাচীন গাছগুলি মানুষকে কাছে টানে, আপন করে নেয়।
(নুশেরার অনেক বুদ্ধি, সে ঠিকই বুঝে ফেলেছে আপনি কেন ভাল লেখা শুরু করেছিলেন।)
ভাল থাকবেন, শুভেচ্ছা রইল।
লেখক বলেছেন: ১. ব্যাপারটা অনেকটা প্রেমের মতোই। প্রেমিক তার প্রেমিকার সামনে (কিংবা প্রেমিকা তার প্রেমিকের সামনে) উপস্থিত হয় তার শ্রেষ্ঠতম রূপটি নিয়ে, কিন্তু দৈনন্দিন জীবনে একজন মানুষ সাদামাটা সাধারণ মানুষই, সর্বক্ষণিক শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখা অসম্ভব ব্যাপার! আর তাই, যখন তারা প্রাত্যহিকতার মধ্যে এসে পড়ে তখন স্বপ্নভঙ্গ ঘটে।
২. পুরোপুরি একমত। ভার্চুয়াল প্রেম আসলে সম্ভবই নয়! তবে, ভার্চুয়াল-বাস্তবতার সীমারেখাটি কিন্তু খুব ওয়েল ডিফাইন্ড না। যে কোনো সময় দুটো জগত মিলেমিশে যেতে পারে। ওপরে সামীর মন্তব্যটা দেখুন।
৩. ও, আপনিও তাহলে আমাদের প্রজন্মের! জানা ছিলো না কিন্তু!
৪. আমি বোকাই তো! কিছু মনে করবো কেন?
৫. রাস্তাটা এখনো আমাকে খুব টানে! অনেকদিন যাওয়া হয় না, কিন্তু যতবার চট্টগ্রাম গেছি, ততোবার কিছুক্ষণের জন্য হলেও ওখানে গিয়েছি।
[আপনিও নুশেরার কথার প্রতিধ্বনি করলেন!
]
আপনার জন্যও শুভেচ্ছা অনেক।
লেখক বলেছেন: না এনে যদি পারা যায়, তো ভালোই হয়, সবসময় পারা যায় না, এই আর কি!
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
অবসরের গান
শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে
অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের ক্ষেতে;
মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার - চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,
তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,
দেহের স্বাদের কথা কয় -
বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট করে দেবে তার সাধের সময়!
চারি দিকে এখন সকাল-
রোদের নরম রঙ শিশুর গালের মতো লাল!
মাঠের ঘাসের 'পরে শৈশবের ঘ্রাণ-
পাড়াগাঁর পথে ক্ষান্ত উৎসবের পড়েছে আহ্বান!
চারি দিকে নুয়ে প'ড়ে ফলেছে ফসল,
তাদের স্তনের থেকে ফোঁটা ফোঁটা পড়িতেছে শিশিরের জল!
প্রচুর শস্যের গন্ধ থেকে থেকে আসিতেছে ভেসে
পেঁচা আর ইঁদুরের ঘ্রাণে ভরা আমাদের ভাঁড়ারের দেশে!
শরীর এলায়ে আসে এইখানে ফলন্ত ধানের মতো ক'রে
যেই রোদ একবার এসে শুধু চলে যায় তাহার ঠোঁটের চুমো ধ'রে
আহ্লাদের অবসাদে ভরে আসে আমার শরীর,
চারি দিকে ছায়া - রোদ - ক্ষুদ - কুঁড়া - কার্তিকের ভিড়;
চোখের সকল ক্ষুধা মিটে যায় এইখানে, এখানে হতেছে স্নিগ্ধ কান,
পাড়াগাঁর গায় আজ লেগে আছে রূপশালি - ধান ভানা রূপসীর শরীরের ঘ্রাণ!
আমি সেই সুন্দরীরে দেখে লই -নুয়ে আছে নদীর এপারে
বিয়োবার দেরি নাই - রূপ ঝরে পড়ে তার-
শীত এসে নষ্ট করে দিয়ে যাবে তারে!
আজও তবু ফুরায় নি বৎসরের নতুন বয়স,
মাঠে মাঠে ঝ'রে পড়ে কাঁচা রোদ, ভাঁড়ারের রস!
মাছির গানের মতো অনেক অলস শব্দ হয়
সকালবেলার রৌদ্রে; কুঁড়েমির আজিকে সময়।
গাছের ছায়ার তলে মদ লয়ে কোন ভাঁড় বেঁধেছিল ছড়া!
তার সব কবিতার শেষ পাতা হবে আজ পড়া;
ভুলে গিয়ে রাজ্য - জয় - সাম্রাজ্যের কথা
অনেক মাটির তলে যেই মদ ঢাকা ছিল তুলে লব তার শীতলতা;
ডেকে লব আইবুড়ো পাড়াগাঁর মেয়েদের সব -
মাঠের নিস্তেজ রোদে নাচ হবে-
শুরু হবে হেমন্তের নরম উৎসব।
হাতে হাত ধরে ধরে গোল হয়ে ঘুরে ঘুরে ঘুরে
কার্তিকের মিঠা রোদে আমাদের মুখ যাবে পুড়ে;
ফলন্ত ধানের গন্ধে - রঙে তার - স্বাদে তার ভরে যাবে আমাদের সকলের দেহ;
রাগ কেহ করিবে না - আমাদের দেখে হিংসা করিবে না কেহ।
আমাদের অবসর বেশি নয় - ভালোবাসা আহ্লাদের অলস সময়
আমাদের সকলের আগে শেষ হয়
দূরের নদীর মতো সুর তুলে অন্য এক ঘ্রাণ - অবসাদ-
আমাদের ডেকে লয় - তুলে লয় আমাদের ক্লান্ত মাথা - অবসন্ন হাত।
তখন শস্যের গন্ধ ফুরায়ে গিয়েছে ক্ষেতে - রোদ গেছে পড়ে,
এসেছে বিকালবেলা তার শান্ত শাদা পথ ধরে;
তখন গিয়েছে থেমে অই কুঁড়ে গেঁয়োদের মাঠের রগড়
হেমন্ত বিয়ায়ে গেছে শেষ ঝরা মেয়ে তার শাদা মরা শেফালির
বিছানার পর;
মদের ফোঁটার শেষ হয়ে গেছে এ মাঠের মাটির ভিতর!
তখন সবুজ ঘাস হয়ে গেছে শাদা সব, হয়ে গেছে আকাশ ধবল,
চলে গেছে পাড়াগাঁর আইবুড়ো মেয়েদের দল!
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
অবসরের গান'এর ২ এবং ৩ নম্বর অংশ পরে টাইপ করে দিবো প্রাসঙ্গিক লেখাটা দেখতে পারেন-
http://arts.bdnews24.com/?p=1614
লেখক বলেছেন: কী বলবো! আপনাকে কৃতজ্ঞতা জানানোর জন্য যথার্থ কোনো শব্দ পুরো অভিধান ঘেঁটেও খুঁজে পেলাম না! ![]()
----------------------------------------------
লেখাটা দেখেছি। ভালো্ও লেগেছে। আমি অবশ্য নিজের মতো করেই বিশ্লেষণ করতে আগ্রহী। দেখা যাক কতোদূর পারি!
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
কী চমৎকার একটা লেখা। কী প্রাণবন্ত একটা ব্লগ। কী মধুময় আলাপন। এই সব যদি ভার্চুয়াল পরিসর দেয়, তবে আমি সেটাকেই ভালবাসি। সামনাসামনি এমন একটা আড্ডা, যোগাযোগ, বা মিথস্ক্রিয়া ঘটে না কখনো।---
আমার প্রোফাইলের লেখাটা অনেকদিন ধরেই ঝুলছে। আপনি একবার আমার কোন এক পোস্টে বিষয়টি তুলে এনেছিলেন। সেদিন বুঝিনি এই বিব্রতাবস্থায় ফেলবেন। জানলে শিওর বদলাতাম। হা হা!
আমি লিখে রেখেছি কারণ আমার কাছে এই ধারণা এসেছে যে বাস্তবে চিনে নেয়া মানুষগুলো অনেক বাস্তব, ভার্চুয়াল মানুষের রূপ ভার্চুয়ালি অপরূপ, বাস্তবে ততোধিক রঙহীন। আমি সকল সম্পর্ককে তার নিজস্ব প্রাপ্য এবং সীমানা দিতে চাই বলেই ওটা লিখেছি। আমার কাছে যিনি ভার্চুয়ালি শ্রদ্ধেয়, তাকে বাস্তব-মানুষের দোষত্রুটির আঁচড় লাগিয়ে আমি নিচে নামাতে চাই না। আমি চাই তার এই রূপটাই অটুট থাকুক আমার কাছে।
----
ভার্চুয়াল যত সম্পর্ক আমার হয়েছে, তা সবসময়েই বাস্তবে এলে ভিন্নমাত্রা পেয়েছে। এবং সেটা আমার জন্যে এক দারুণ অভিজ্ঞতা হয়ে থেকেছে। সেজন্যে আমি কৃতজ্ঞ তাদের সবার কাছেই। আপনি যেভাবে বলেছেন, আমি সেভাবে কোনদিন বলতে পারবো না জেনেই ক্ষান্ত দিই এইবেলা।
---
আমি বরং বাস্ত যোগাযোগ নিয়ে বলি। চিঠি লিখতাম এককালে অনেক, পাতার পর পাতা। শুরুটা ক্যাডেটে গিয়ে মা-বাবাকে লিখতে লিখতে। মাঝেসাঝে ছোটবোন, কোন পাড়াতো বন্ধু। একটা সময়ে চিরকুটের অভ্যাস হলো। ক্লাশে, লাইব্রেরিতে, ল্যাবে, এমনকি ডাইনিগ হলে গিয়েও চিরকুট চালাচালি হতো বন্ধুদের সাথে। বেশিরভাগই তুচ্ছ 'ইন্টার্নাল ফান'। তবে মাঝে মাঝে আমি চিরকুটে টুকটাক কাব্য করতাম। সেগুলো কোথায় হারিয়ে গেছে...!
কলেজের ছুটিতে বাসায় এলে আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুটিকে লম্বা চিঠি লিখেছিলাম। বন্ধুটার কথা আছে এখানে ( Click This Link )। এই সম্পর্কের মতো আরো হাজারটা সরাসরি সম্পর্ক আস্তে আস্তে ম্লান হয়ে যাচ্ছে। সেখানে চলে আসছে এসএমএস, ফোনকল, ফেসবুক, ব্লগ। আমি খারাপ বলছি না, সকল বদলকেই আমি ইতিবাচকতায় দেখতে চাই। এবারে জন্মদিনেই যত মানুষের শুভকামনা পেয়েছি (হোক না সেটা ফেসবুকে এক লাইনের 'ওয়াল পোস্ট'!) তা আমাকে অনেক আপ্লুত করেছে।
---
এখনকার সাথে আগের পার্থক্যটা আমি এভাবে করি। আগের সম্পর্কগুলো ছিল অল্প, ধীর, গভীর। আমরা এক একটা সম্পর্কের পিছনে অনেক সময় দিতাম। এখন সম্পর্ক হয়েছে অনেক, বিচিত্র, বহুমুখি, এবং ক্ষণিক। এটাও একদিক দিয়ে খারাপ না!
----
[ও আচ্ছা, প্রিয়তে পোস্ট!]
লেখক বলেছেন: সামনাসামনি আড্ডাও প্রাণবন্ত হয়, হতে পারে, তবে সেটা নির্ভর করে তুমি কার/কাদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছো! টিউনিংটাই মূল ব্যাপার ছন্ন! এই ভার্চুয়াল ব্লগেও কি সবার সঙ্গে তোমার 'টিউনিং' হয়? সবার সঙ্গে আড্ডা জমে? সবার সঙ্গে কথাবিনিময় হয়? বাস্তব জীবনটাও ওরকমই!
----------
ভার্চুয়েলি শ্রদ্ধেয় মানুষের যদি দোষত্রুটি থেকেই থাকে, তাহলে সেটা মেনে নিতেই বা সমস্যা কোথায়? বাস্তবের মানুষই হোক আর ভার্চুয়াল মানুষই হোক, সে তো মানুষই! মানুষ কি কখনো বিশুদ্ধ হতে পারে? দোষত্রুটি-ভালোমন্দ-আলোছায়াঅন্ধকার মিলিয়েই তো প্রতিটি মানুষ! এইভাবে বিচার করলে কিন্তু বাস্তব জীবনটাও অনেক সহজ হয়। বাস্তব মানুষের ছোটখাটো ভুলত্রুটিকে উদারভাবে দেখার সুযোগ ঘটে, সহজে ক্ষমা করে দেয়া যায়। সম্পর্কগুলো তখন সুন্দর ও মোহনীয় হয়ে ওঠে।
তোমার মন্তব্য পড়ে ভাবছি, 'ভার্চুয়াল' আমোকা'র সঙ্গে তোমার 'বাস্তবেও' দেখা হয়েছে! শ্রদ্ধাবোধ চলে যাওয়ার ঘটনাটি কি এই ক্ষেত্রেও ঘটেছে!
-------
জন্মদিনের শুভেচ্ছার কথা শুনে আমারও মনে পড়ে গেল-- আমার জন্মদিনে এই ব্লগেই দুটো পোস্ট এসেছিল, আর ফেসবুকে ওয়াল আর ইনবক্স ভরে গিয়েছিল প্রায় শ-দেড়েক লেখা ও চিঠিতে! আমি প্রায় হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম। বিস্মিত ও আপ্লুত হয়েছিলাম। আমি ফেসবুকে খুবই অনিয়মিত। সপ্তাহে একদিন হয়তো ঢুকি। ওই সময় এত এত শুভেচ্ছা পেয়ে ভেবেই পাচ্ছিলাম না, কী করা যায়! স্ট্যাটাসে এক লাইনের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কাজ সেরেছি! ![]()
এই শুভেচ্ছা-শুভকামনা-ভালোবাসারও নিশ্চয়ই গুরুত্ব আছে, যদিও যথার্থ রেসপন্স কখনোই করতে পারি না আমি। এ আমারই সীমাবদ্ধতা, যারা ভালোবাসা জানায়- তাদের নয়!
---------------
এখনকার সঙ্গে আগেকার সম্পর্কগুলোর পার্থক্য নিয়ে যা বললে, পুরোপুরি একমত তার সঙ্গে।
------------------
[এই পোস্টে তোমাকে 'তুমি' করে বললাম ছন্নবাবু! কিছু মনে করো না! (এই পোস্টের উপলক্ষ্যটা তুমিই তৈরি করেছ! কিন্তু বিব্রত হলে কেন বুঝলাম না! খারাপ কিছু তো বলিনি!!!) এর পরে আবার 'আপনি'তে ফিরে যাবো! আফটার অল, একজন গুরুগম্ভীর শিক্ষক তুমি, অনুজ হলেও তোমাকে 'তুমি' বলতে একটু অস্বস্তি লাগে!]
ভালো থেকো সবসময়...
জেরী বলেছেন:
ভার্চুয়াল সম্পর্ক সবসময় ভার্চুয়ালই রাখতে চাই......কারণ ভার্চুয়াল ফ্রেন্ডের জন্য অন্যরকম ভালোলাগা ফিল করি যেটা রিয়েল লাইফে হয় না.....। তবে ছেলেরা মেয়েদের চেয়ে কম ভার্চুয়াল থাকতে চায়।লেখক বলেছেন: 'ছেলেরা মেয়েদের চেয়ে কম ভার্চুয়াল থাকতে চায়'- কথাটাকে উল্টো করে বললে বরং ব্যাপারটা বোঝা যাবে।
'মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে বেশি ভার্চুয়াল থাকতে চায়' - কারণ, মেয়েরা নিরাপত্তাহীনতার বোধ অনেক বেশি! ছেলেদের সেই সমস্যা নেই।
[একটা কথা জিজ্ঞেস করি, উত্তর না দিতে চাইলে আপত্তি নেই। 'জেরী' কি আপনার আসল নাম, নাকি নিক? যে ছবিটা প্রোফাইল পেক হিসেবে টানিয়েছেন, সেটা দেখলেই একটা আদর-আদর ভাব চলে আসে! আমি এখনো শিশুদের মতোই টম অ্যান্ড জেরীর ভক্ত!! আমার লিটল প্রিন্সের সঙ্গে আমি প্রায় সমান উত্তেজনা আর আনন্দ নিয়ে টম-জেরীর কাণ্ডকারখানা দেখি। আপনার প্রোফাইলের ছবিটা দেখলেই তাই মুখে এ সম্বন্ধে দুচারটে কথা চলে আসে!! কিন্তু বলা হয় না। আফটার অল নিকের পেছনের মানুষটি তো আর সত্যিই 'জেরী' নয়!]
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
সাবলীল ও চমকপ্রদ বিশ্লেষন!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শান্ত। বিশ্লেষণ আর করলাম কই, নিজের কথা বলতে বলতেই তো লেখা শেষ হয়ে গেল!
আমার মা'র আর দাদুর সাথে বেশ মজার একটা চিঠি লেখার সম্পর্ক ছিল। দাদু-র সাথে ঝগড়া হলেই দাদু কবিতা লিখে চিঠি দিতো...
"বুড়ি বুড়ি বুড়ি
আসবি আমার বাড়ি...
ভুলে সব রাগ
খুশিতে বাগবাগ!"
আমার ছোটবোন এসব চিঠি আনানেয়া করতো, একটা চার লাইনের ছোট্ট চিঠি আমার আর দাদুর দুই ঘরের দূরত্বটা এক নিমিষে মিলিয়ে দিতো! কী অসাধারন ছিল মুহুর্তগুলো! প্রিয় মানুষটার সাথে সাথে কেন যে প্রিয় মুহুর্তগুলোর মৃত্যু ঘটে! নাহলে অন্তত ঐ মুহুর্তগুলো আঁকড়ে থেকেই একটা জীবন কী অপার্থিব আনন্দে পাড় করে দেয়া যেত!
অনেক অনেক ধন্যবাদ আমার প্রচন্ড প্রিয় সময়টাকে মনে করিয়ে দেয়ার জন্য! খুব ভাল থাকুন!
লেখক বলেছেন: চিঠি ব্যাপারটাই আমাদের জন্য নস্টালজিয়ার বিষয় হয়ে উঠলো। দাদুর সঙ্গে আপনার এই চিঠি-বিনিময়, আহ, কী অসাধারণ, কী মনোহর, কী হৃদয়স্পর্শী!
আপনি নিজেও অনেক কথা মনে করিয়ে দিলেন কথাগুলো বলে। এই লেখায় শুধু ভার্চুয়াল সম্পর্ক নিয়ে বলতে গিয়েই ওই প্রসঙ্গ এনেছি, কিন্তু বাস্তব জীবনের সমস্ত দূরবর্ত সম্পর্কগুলোই তো চলমান থাকতো চিঠির মাধ্যমে! কতো হাজার হাজার চিঠি যে লিখেছি! মা-বাবা, ভাই-বোন, বন্ধু-স্বজন; কতো মানুষ নানা সময়ে জড়িয়ে ছিলো এই চিঠির জগতে! সেইসব দিন, হায়, আর ফিরবে না কখনো!
লেখক বলেছেন: বুঝেছি...
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস..
ভাঙ্গন বলেছেন:
বেশ হয়েছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ..
জেরী বলেছেন:
জেরী আর আসল নামের সাথে সামান্য তফাৎ আছে....আসলের কাছাকাছি আছি। ব্লগে আসল নামে পাত্তা না পেয়ে জেরী নিকটা নিলামলেখক বলেছেন: 'টম এ্যান্ড জেরী কার্টুন তেমন একটা পছন্দ করি না' -- ধুর, আপনের সাথে কথা নাই!
জেরীর ছবিটা পাল্টান, আপ্নে পছন্দ করেন না অথচ তার ছবি টানায়ে রাখছেন, জানার পর থেকে মেজাজ গরম... ![]()
লেখক বলেছেন: অনেক কথা গিলে ফেললেন কেন অপসরা? বলে ফেললেই তো হয়! সব কথা চেপে রাখতে নেই, মাঝে মাঝে মন খুলে দিতে হয়....
অচেনা সৈকত বলেছেন:
এই ব্লগে আমার পড়া চমৎকার লেখাগুলোর একটা। প্রিয়তে নিয়ে ফেললাম।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। শুভেচ্ছা নিন...
দুরের পাখি বলেছেন:
লেখা পড়ছি আগেই, কমেন্টগুলা বড় বড় , পড়তে গিয়া ডরাইলাম । যাউগ্গা, কথা যেইডা কওনের সেইটা আগেই কে জানি কৈয়া দিছে । ভার্চুয়ালের শ্রদ্ধাবোধ যদি বাস্তবে দেখা করার পর কৈমা যায় তাইলে সেইটা কৈমা যাওয়াই উচিৎ । কারণ নন-ডিজার্ভড সম্মান বা শাস্তি কোনটাই ভালো না । আরেকটা কথা , প্রযুক্তিযুগের পুলাপান আবার প্রযুক্তিখাতের মেস্তরি হৈয়া , কৈতে একটু শরমই লাগতাছে । ভার্চুয়াল জিনিসরে আমি তীব্র অপছন্দ করি । আমার মনে হয় ভার্চুয়াল সবসময় দুইটা বাস্তব ঘটনার মাঝখানের যোগাযোগ চ্যানেল হিসাবেই থাকন উচিৎ । মানে ধরেন, শুধু ফোনেই পরিচয় ফোনেই ফিলিংস শেয়ার জিনিসটা আমি দুইচক্ষে দেখতারিনা । তার মানে আবার ফোন অপছন্দ করি তা না । আমার মনে হয় ফোন থাকা উচিৎ , কাইল্কা অমুক যায়গায় এতটায় আইসো এইটা দ্রুত বলার মাধ্যম হিসাবে, এর বেশি কিছু না ।
তবে আশার কথা হৈল, ভার্চুয়ালিটির শুরতো মাত্র শুক্কুরে শুক্কুরে আষ্টদিনের । আমার বয়সের চাইতেও কম । ঐরকম সবকিছুই গরম গরম থাকতে একটু বেশি ধোঁয়া হয় । শেষ পর্যন্ত মানুষ একটা সাম্যাবস্থা তৈরী কৈরা নিবে । তখন আর ভার্চুয়ালিটিটা এক্কেবারে চোখের উপরে খচখচ কৈরা , দেখা দিবে না । একটা হেলথি কম্বিনেশন তৈরী হবে বাস্তবতা আর ভার্চুয়ালিটির ।
লেখক বলেছেন: অসম্ভব ভালো লাগলো আপনার কথাগুলো।
--------
'ভার্চুয়ালের শ্রদ্ধাবোধ যদি বাস্তবে দেখা করার পর কৈমা যায় তাইলে সেইটা কৈমা যাওয়াই উচিৎ' কথাটা এই অধম লেখকই বলেছে তার মূল পোস্টে , এভাবে : 'দেখা হলেই যার ওপর থেকে শ্রদ্ধা চলে যায়, তার সঙ্গে দেখা হওয়াই উচিত এবং শ্রদ্ধাটা চলে যাওয়াই উচিত।'
----------------
মানুষ সাম্যাবস্থা তৈরি করে নেবে, সেটাই আশার জায়গা। অন্তত আপনার কথা শুনলে আশাবাদী হতে ইচ্ছে করে।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে প্রিয় দূরের পাখি, চমৎকার একটা মন্তব্য করার জন্য...
সার্কিট বলেছেন:
অসম্ভব ভাল লাগাটা জানিয়ে গেলাম ভার্চুয়াল শুভেচ্ছা সহ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ভার্চুয়াল ধন্যবাদ।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
বিব্রতাবস্থা কারণ আমি আসলে আমার অনেক কথা বা কাজের ব্যাখ্যা দিতে চাই না। ঘুরিয়ে বা ভান করে খুব একটা বলতে পারি না, আর সরাসরি বললে অনেকেই সেটা সহ্য করতে পারবে না। আর আমাকে কেউ ফোকাসে আনলে স্বাভাবিক একটা অস্বস্তিবোধ করি, হঠাৎ করে মুখের ওপরে স্পটলাইট পড়ার মতো মনে হয় আর কি। এর আগে কয়েকজন এই কাজটা করেছেন, তাদের জন্যে শুভেচ্ছা দেই রোজ আর আশা করি আর কেউ যেন না করেন! ---------
বাস্তবে দেখা হওয়া এবং শ্রদ্ধা কমে যাওয়ার বিষয়টি আমি বুঝাতে পারিনি। ধরেন আমার মেসেঞ্জার-বন্ধু, তারসাথে সম্পর্ক আমাকে কোন না কোন দিক দিয়ে লাভবান করছে। সেই সময়টা আমার ভাল লাগে। এখন একটা সময়ের পরে তার সাথে সামনা সামনি দেখা হলো এবং সেটা আমার ভাল লাগলো না। তাতে করে দেখা যায় মেসেঞ্জারে তার সাথে যে সুসম্পর্ক ছিল, তাতে ভাঁটা পড়ে যায়। আমি বাস্তবে দেখা করে ভার্চুয়াল সম্পর্কের হানি ঘটাতে চাই না। আমার কাছে ভার্চুয়াল প্রতিটি সম্পর্ক একটা নির্দিষ্ট মূল্য পায়। সেটার হ্রাস-বৃদ্ধি ভার্চুয়ালি হোক, বাস্তবের সাক্ষাতের ফলশ্রুতিতে না, এরকম একটা ইচ্ছা থেকে কথাটি লেখা।
আপনার ক্ষেত্রে কিন্তু যোগাযোগ বেড়েছে শেষ কয়েক মাসে, সেটাতে বাস্তবের দেখা যদি নেতিবাচকতা ফেলত, আমি নিজেই যোগাযোগ কমিয়ে ফেলতাম, তাই নয় কি? সুতরাং, নিশ্চিন্ত হউন।
----
আপনার অস্বস্তি কাটিয়ে ফেলে 'তুমি' করে বলতে পারেন, আবার সেটাকে মূল্য দিয়ে পুনরায় 'আপনি' সম্বোধনে ফিরে যেতে পারেন। আমি মূলত সম্বোধনের মাত্রা দিয়ে নিবিড়তা মাপি না। এটা তো শুধুই সামাজিক খোলস, তাই না?
লেখক বলেছেন: তুমি তো ব্যাখ্যা দিতে বাধ্য নও, না দিতে চাইলে দেবে না, কার কি বলার আছে!... কিন্তু ভাইটু, ফোকাস তো কোনো না কোনোভাবে তোমার ওপর পড়বেই, আমি না ফেললেও অন্য কেউ তো আলো ফেলবেই! কেন ফেলবে সে তুমি জানো!
----------------
নিজের কথা বলেছি দুষ্টুমি করে! এ ব্যাপারে তোমার ব্যাখ্যা না দিলেও চলতো! [এইখানে আইসা ধরা খাইলো বুদ্ধিমানর ছন্ন!
]
-----------------
ছোটবড়ো নির্বিশেষে আপনি বলাটাই আমার অভ্যাস (ছাত্র/ছাত্রীদেরকে অবশ্য তুমিই বলি), তবে যথেষ্ঠ ঘনিষ্ট সম্পর্ক তৈরি হলে অনুজদের তুমি বলি; অথবা কোনো অনুজ যদি অনুরোধ করে তাহলেও তুমি বলি। তোমার ক্ষেত্রে কোনোটাই খাটছে না। এই পোস্টে চালাচ্ছি বটে, কিন্তু....
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
আপনার সেই লিখাটা পাচ্ছিনা-তো। একটু ব্যবস্থা কইরা দেন না।
লেখক বলেছেন: ব্যবস্থাটা কিভাবে করা যায়, ভাবছি। বন্ধুবান্ধব কারো কাছে নেই? আমার লেখা কেউ পড়েনা নাকি? এটা নিয়ে হৈচৈ তো কম হয়নি। আর, হঠাৎ করে কি এমন দরকার হয়ে পড়লো আপনার!?
------------------
বাই দা ওয়ে, দুপুরে দেখলাম এক প্রোফাইল পিক, এখন আরেকটা! ঘটনা কি? লক্ষণ তো সুবিধার না.... (দুপুরে যেটা দেখেছি, ওটাই আকর্ষণীয় ছিলো কিন্তু!)
আকাশনীল বলেছেন:
বাহ, ভাররচুয়াল ফ্রেন্ডশীপ। ভাল বিষয়। বিপরীত লিংগের মানুশদের সাথে আমার সব সম্পর্কই ভার্চুয়াল। লেখক বলেছেন: বিপরীত লিঙ্গের মানুষদের সঙ্গে আপনার সব সম্পর্কই ভার্চুয়াল!! হায় হায়, এটা কী শোনালেন??? বাস্তবে আসবেন কবে, নাকি চিরকালই ভার্চুয়াল-ভার্চুয়াল সম্পর্ক চালিয়ে যাবেন?
লেখক বলেছেন: বোকা মানুষ-প্লেন!!! সম্পর্কসূত্রটা কি??? :I
লেখক বলেছেন:
![]()
তিতিয়ানাতান্তা বলেছেন:
চিঠি লিখে কি বন্ধুত্ব হয় নাকি? কিভাবে? আমি ও এমন বন্ধুত্ব চাই কোন দিন দেখবো না কিন্তু চিনবো মজা হবে। কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: আগে হতো, এখন হয়তো হয় না, তাই জানেন না!
চাইলে পেয়ে যাবেন, তবে ভার্চুয়াল সম্পর্ক ধরে রাখা কঠিন!!
আছি একরকম, আপনি?
তিতিয়ানাতান্তা বলেছেন:
কষ্টে আছি
লেখক বলেছেন: কেন, কি হলো আপনার?
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
সম্পর্ক ব্রেক এর আরো অনেক কারন থাকতে পারে । অকারনেও ব্রেক হতে পারে। সে যাক
লাস্ট লাইন গুলো বারবার পড়লাম
"আমি আজো আমার একাকিত্বের সময়গুলোতে ওই সড়কটি ধরে হেঁটে যাই, কল্পনায়! একা। হেঁটে যাই, হেঁটে যাই... আর ভাবি- আমার পাশে আরেকজন মানুষ তো থাকতেই পারতো, যার সঙ্গে হয়তো আমার এখনো দেখাই হয়নি, যে আমারই মতো জীবনের কাছে মার খাওয়া, আমারই মতো নিঃসঙ্গ, নির্জনতাপ্রিয়, একা! আমারই মতো 'ভালোমন্দের রক্তমাংসে গড়া, দোষত্রুটিতে গড়া একান্ত এক পার্থিব মানুষ!'"
অসাধারন।
শিগ্রি আসবো দেখা করতে ভার্চুয়াল সম্পর্ক সম্পর্কে অনেক কিছু জানার আছে।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, নানা কারণে সম্পর্কে ভাঙন ধরতে পারে, কিন্তু তোমাদের প্রজন্মে যেন খুব সহজেই ঘটনাটা ঘটে যায়!
--------------------
ভার্চুয়াল সম্পর্ক নিয়ে আর কি জানতে চাও? ওসব ভার্চুয়াল থাকাই ভালো...
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
এটা বুঝানো একটু কঠিন। ধরেন দু'টা সম্পূর্ণ যোগাযোগবিহীন বাক্যকে পাশাপাশি বসিয়ে দেয়া। "আমি গরীব মানুষ। গাছে উঠতে পারি না।" এই রকম করা। মানে যেহেতু আড্ডা হচ্ছিল, আমি একটু রসিকতা করতে চেষ্টা করেছিলাম। আমি আসলে বোকা মানুষ। রসিকতা করতে পারি না।
লেখক বলেছেন: বুঝলাম! আমাকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছো!!! ![]()
আমি আজ পর্যন্ত কোনো বোকা মানুষকে 'আমি বোকা' বলে দাবি করতে দেখিনি/শুনিনি। যারা এই দাবি করে তারা.....
[ব্লগ বলে বললাম না, দেখা হলে বলবো..]
লেখক বলেছেন: অতি চালাক তো, তাই... ![]()
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
আমার একটা ভিন্ন অভিজ্ঞতা আছে।মনে হয় এ জিনিস একা আমার সাথেই হইছে রিয়েল লাইফ এ খুব কাছের কারো সাথে ভার্চুয়ালি সংযোগ এর পর সেই গভীরতা টিকে থাকে না,বা তিক্ততা জন্ম নেয় এমনও হয়।মানুষের সম্পর্ক আসলে কোনো কিছু দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না,আমার ধারণা।
লেখক বলেছেন: তুমি তো দেখি উল্টো স্রোতের যাত্রী!!
মানুষের সম্পর্ক হয়তো কোনোকিছু দিয়ে ব্যাখ্যা করা কঠিন, কিন্তু এ নিয়ে কথা তো বলা যায়! অনেক আগে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম এ নিয়ে, কে পড়ে এসব, কার এত সময় আছে? ![]()
Click This Link
অ রণ্য বলেছেন:
যদিও আমি ঘর থেকে বেরোয় না তবে, টাইগার পাশের ঐ রাস্তাটা আমারো প্রিয় রাস্তা। রাজশাহী শহরের পর আমি চট্টগ্রামে শহরকে বেশি পছন্দ করি। সত্যিই শহরটা আমাকে টানে। দীর্ঘ ১০ বছর থাকার পরেও আমি এর অনেক জায়গা এখনও দেখিনি, তবুও টাইগার পাসের এই রাস্তা বা রাস্তাগুলো যেটা পুরোনো বিট্রিশ রেল ভবনের সামনে দিয়ে এদিকে- ওদিকে চলে গেছে সেখানটায় হাঁটতে চমৎকার লাগে।যখন ক্রিকেট খেলতাম তখন কত দৌঁড়েছি ঐ রাস্তাগুলোতে। বেশ প্রশস্ত আর পরিস্কার রাস্তাগুলো। একা একা হাঁটতে খারাপ লাগার কথা না। আর একাকীত্বের যে কথাগুলো বলেছেন, তাতে আমার মনে হয়, প্রতি সৃষ্টিশীল মানুষ যে একাকীত্বে ভোগে সারাজীবন, সেই একাকীত্ব কোন কিছুতেই পূর্ণ হবার নয়। এ এক অখন্ডনীয় অভিশাপ যেন। মৃত্যুতেই যার শেষ আছে কেবল।
লেখক বলেছেন: আহা, টাইগার পাস! ভুলতে পারি না...
শেষ কথাগুলো পড়ে মন খারাপ হয়ে গেল!.... তবু সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
তালিকায় পেছনে পড়ে গেছি মনে হয়।
....
ভার্চুয়াল সর্ম্পকের রাখি বেঁধে নিলাম।
লেখক বলেছেন: আরে নাহ, দেরি হয়নি। সম্পর্ক সবসময়ই গড়া যায়..
লেখক বলেছেন: হা হা হা.. আচ্ছা, বাঁধলাম। ভার্চুয়ালি বাঁধা তো কোনো সমস্যা নয়, সমস্যা যতো বাস্তব সম্পর্ক নিয়ে....
অ্যামাটার বলেছেন:
মন্ত্রমুগ্ধের মত এক নি:শ্বাসে পড়ে গেলাম। সত্যি বলতে কি, প্রযুক্তির আশীর্বাদে যোগাযোগ এখন হাতের মুঠোয়, তবে শুষে নিয়েছে কিছু চিরায়ত অনাবিল আবেগ। পত্রমিতালী যুগের ভার্চুয়াল সম্পর্কের সেই রোমাঞ্চ আজ কোথায়?
লেখক বলেছেন: 'প্রযুক্তির আশীর্বাদে যোগাযোগ এখন হাতের মুঠোয়, তবে শুষে নিয়েছে কিছু চিরায়ত অনাবিল আবেগ'... ।
আসলেই তাই...
অনেকদিন পর অ্যামাটার, কেমন আছেন?
চিকনমিয়া বলেছেন:
ভারচুয়ালও ভালা লাগে, বাস্তবেও ভালা লাগে
লেখক বলেছেন: জ্যাডা, 'চিকনমিয়া'র তো কোনো বাস্তব অস্তিত্বই নাই, তার আবার বাস্তবে ভালো লাগবো কেম্নে?! তয় তুমার আড়ালে যে বাস্তব মানুষটা আছেন, তার দুইটাই ভালো লাগতে পারে! তুমি কার কথা কইলা জ্যাডা? চিকনমিয়া নাকি তার স্রষ্টার কথা?
তনুজা বলেছেন:
'আমার মতামতটা দাঁড়িয়েছে অন্যরকম। মনে হয়েছে- দেখা হলেই যার ওপর থেকে শ্রদ্ধা চলে যায়, তার সঙ্গে দেখা হওয়াই উচিত এবং শ্রদ্ধাটা চলে যাওয়াই উচিত '
একমত। ভাল লেগেছে আপনার স্মৃতিকথন
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস তনুজা।
লেখক বলেছেন: নিজে লেখেন এক বছর পর পর একটা লেখা, আর আমাকে লিখতে বলেন তিনদিন পরপর!
![]()
মাহবুব সুমন বলেছেন:
এই ব্লগের কথাই বলি, যখন ব্লগে প্রথম আসে তখন অনেকের সাথেই ভার্চুয়াল সম্পর্ক ছিলো। পরে অনেকের সাথেই দেখা হয়েছে, অনেকের সাথেই ফোনেও অনেক কথা হয়েছে। তবে ভার্চুয়ালে যেরকমটি ভেবেছিলাম বাস্তবে উনারা প্রায় একই রকম। হয়তো দেখা না হলে কল্পনার মানুষটি অন্য রকম থাকতো, তবে খুব একটা ফারাক পাইনি। ভার্চুয়াল সম্পর্ক অনেক সময়ই ভয়ংকর হয়ে যায় বিশেষ করে কম বয়সী ছেলে -মেয়ে বা কম অভিগ্যতা সম্পন্ন প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য।
লেখক বলেছেন: আপনি সৌভাগ্যবান যে ভার্চুয়াল সম্পর্কের মানুষগুলোকে বাস্তব জীবনেও একই রূপে পেয়েছেন! সবার অভিজ্ঞতা একইরকম হয় না আসলে...
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
অনেক আগেই লেখাটা অফলাইনে পড়েছিলাম, তার পর লিংকটা সেভ করে রেখেছিলাম এই ভেবে যে পরে অনেক গুছিয়ে একটা কমেন্ট করবো .... ১০/১২ দিন চিন্তা করেও কমেন্ট কি করবো গুছিয়ে উঠতে পারিনি এত চমৎকার লিখেন কিভাবে ? পড়ার পর মনে হয়েছিলো ইস্, এ তো আসলে একান্ত আমার নিজের মনের কথা ..... অদ্ভুত আপনার লেখনির মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করার ক্ষমতা !!! ঈর্ষা হয়
ভালো থাকবেন, আরও লেখা চাই ..... অনেক অনেক লেখা .....
লেখক বলেছেন: এত ভেবেচিন্তে কমেন্ট করার দরকারটা কিরে ভাই? যা মনে আসে লিখে দিলেই হয়!
আপনার লেখা তো অসাধারণ, 'কমেন্ট করতে পারি না' জাতীয় ফাঁকিবাজি আর কতোকাল? ![]()
ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণটা এক্সট্রা হিসেবে পেলাম। তবে ১০০% প্রাসঙ্গিক হিসবে। আমার নিজের মনে হয় শুধু ভার্চুয়াল জগতে নয়, যে কোন মানুষ নিয়ে প্রিডিকশনের জন্য বস্তুগত সম্পর্কের প্রয়োজন হয়। ফলে কোন সম্পর্কেই শেষ বলে কোন কথা নেই। এটি আমার নিজস্ব মতামত। তবে আপনি যে, বলেছেন দেখা হলেই যার ওপর থেকে শ্রদ্ধা চলে যায়, তার সঙ্গে দেখা হওয়াই উচিত এবং শ্রদ্ধাটা চলে যাওয়াই উচিত। এটির সাথে ১০০% সহমত। এ দেখা হওয়াটা অনেক সময় যত বিলম্বে হয় তত ঝুকি ও ভুলের মাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
জানি আপনি অনেক ব্যস্ত মানুষ। তবু নিয়মিত এ রকম পোস্টের আবদার করে গেলাম মুগ্ধ পাঠক হিসেবে।
লেখক বলেছেন: নিয়মিত পোস্ট?!? এই তো ঝামেলায় ফেলে দিলেন। আমি তো মহা অলস লোক রে ভাই। অলসতায় আমাকে জাতীয় পুরস্কার দেয়া উচিত। আমি হবো নিয়মিত? তাহলেই হয়েছে...
লেখক বলেছেন: ওটা এমনিতেই বোঝা গেছে.. আমার তো এমন অহরহ হয়...
আলম িসিিদ্দকী বলেছেন:
(+)
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস..
খারেজি বলেছেন:
এইমাত্র একটি পোস্ট দেখে শোকসংবাটি জানলাম।
ব্লগারদের সমবেদনা জানবেন।
প্রত্যেক মা-ই আমাদের সকলের মা।
আমার সকলেই পরমাত্মীয় হারানোর যাতনা বোধ করছি।
আপনার শোকে সান্তনা দেয়ার যথাযথ ভাষা আমাদের জানা নাই।
মঙ্গল হোক।
লেখক বলেছেন: সহানুভূতি প্রকাশের জন্য কৃতজ্ঞতা ভাই। যদিও আমি ব্যক্তিগত শোক-দুঃখ-কষ্টগুলো কারো সঙ্গে শেয়ার করি না সাধারণত, তবু আমার অজান্তেই আপনারা ব্যাপারটা জেনে যেভাবে সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন, আমি তাতে অভিভূত...
লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
অনেক দেরিতে এই পোস্টটা পড়লাম। চাকরি জীবনের কারণে অনেক লোকের সাথে মিশতে হয়, পরিচয় হয়। এর মধ্যে অনেক নামকরা লোকজন আছেন। সত্যি বলছি, দুই-একজন ছাড়া সবার ক্ষেত্রেই আমি চরম হতাস হয়েছি। আবার উল্টোটাও আছে। মুগ্ধতা বেড়েছে একমন দুইএকজনও আছে।
আর আপনার মতোই ভার্চুয়ার এক সম্পর্কের অভিজ্ঞতা আমারও ছিল।
লেখক বলেছেন: বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা সবার, সবগুলো একত্রিত করলে বোধহয় এক মহাকাব্য হয়ে যাবে।
আল-ইমরান সিদ্দিকী বলেছেন:
nehat sadharod ekta likha bohulchorchito bisoy a.tobu valo laaglo.
dhonnobad
লেখক বলেছেন: 'বহুলচর্চিত নেহায়েৎ সাধারণ একটা লেখা'ও যে আপনার ভালো লাগলো, সে আমার সৌভাগ্য। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
যথারীতি দুর্দান্ত লিখা, এ নিয়ে সময় করে নিজের চিন্তা ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরার আশা রাখি। তবে তা আপনার মত নাটক কে হার মানান সত্য সাহিত্য হবেনা, বরং নিছক গল্প বলা।
লেখক বলেছেন: এই এলোমেলো লেখাটিকেও দুর্দান্ত বললেন! আপনার উদারতা সত্যিই ঈর্ষণীয়! খুব দুঃসময়ে খাপছাড়া মন নিয়ে লিখেছিলাম এটা, নিছক সময় কাটানোর জন্য! সহব্লগাররা এতটা পছন্দ করবেন ভাবতেও পারিনি!! পাঠকদের মন বোঝা সত্যি কঠিন কাজ।
আপনার লেখাটি পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।
শুভেচ্ছা রইলো।
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন:
ভালো লাগলো পড়ে। চট্টগ্রাম আসলেই এক মুগ্ধতার শহর। এমন মুগ্ধতা যা থেকে আপনি কখনো বের হতে পারবেননা।কিন্তু!!! ১৫ বছরের ভার্চুয়াল রিলেশনশিপ আর মাইয়া ফুস করে একদিন চলে গেলো!!!
লেখক বলেছেন: গেলো তো! উহারা যাইবার জন্যই আসে ভ্রাত! ![]()
লেখক বলেছেন: সহানুভূতি প্রকাশের জন্য কৃতজ্ঞতা ফারহান। যদিও আমি ব্যক্তিগত শোক-দুঃখ-কষ্টগুলো কারো সঙ্গে শেয়ার করি না সাধারণত, তবু আমার অজান্তেই আপনারা ব্যাপারটা জেনে যেভাবে সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন, আমি তাতে অভিভূত...
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: এই তো, ছন্ন। যতোটুকু থাকলে 'আছি' বলা যায়, ততোটুকুই...
লেখক বলেছেন: লিখে ফেলুন না, এত ফাঁকিবাজি করেন কেন আপনি!? গুছিয়ে ফেলার জন্য একযুগ দরকার!?!? এইরকম কথা বলে বন্ধুবান্ধবদের কাছ থেকে 'মাইর' না খেয়ে বাসায় ফেরেন কিভাবে?
![]()
নেক্সাস বলেছেন:
আমি আজো আমার একাকিত্বের সময়গুলোতে ওই সড়কটি ধরে হেঁটে যাই, কল্পনায়! একা। হেঁটে যাই, হেঁটে যাই... আর ভাবি- আমার পাশে আরেকজন মানুষ তো থাকতেই পারতো, যার সঙ্গে হয়তো আমার এখনো দেখাই হয়নি, যে আমারই মতো জীবনের কাছে মার খাওয়া, আমারই মতো নিঃসঙ্গ, নির্জনতাপ্রিয়, একা! আমারই মতো 'ভালোমন্দের রক্তমাংসে গড়া, দোষত্রুটিতে গড়া একান্ত এক পার্থিব মানুষ!' সুন্দর উচ্চারণ
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস..
এসএনিট বলেছেন:
আপনার লেখা যতই পড়ছি ততই মুগ্ধতা জেঁকে বসছে। আগেই বলেছি আপনাকে দিয়েই হবে। সবার মত আমি ও যেন পেছন ফিরে হাটছি - হারিয়ে যাওয়া বন্ধুরা সব উঁকি দিয়ে যাচ্ছে মনের মধ্যে। অনেক ধন্যবাদ এমন একটি নাড়া দেয়া লেখা পোষ্ট করবার জন্যে।
লেখক বলেছেন: এত দেরিতে উত্তর দেবার জন্য লজ্জিত..
আপনার মুগ্ধতা আমাকে লজ্জায় ফেলে দিচ্ছে...। হ্যাঁ, আগেও বলেছিলেন একবার, আমাকে দিয়ে হবে!! কিন্তু কী যে হবে, কী যে হওয়ার কথা বলছেন, বুঝতে পারছি না।
আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
ভার্চুয়াল পরিচয়ের আসলেও কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। অনেক সময় পরিষ্কার করে হয়ত বোঝাই যায় না সীমাবদ্ধতাটা কোথায়.... তবে আছে নিশ্চয়ই। কারণ আমি দেখেছি ভার্চুয়াল রিলেশনগুলো রিয়েল লাইফে আসার পর অনেক সময়ই ফ্যাকাশে হয়ে যায়, আবার কখনো সেখান থেকে মুগ্ধতাটুকু উধাও হয়ে দোষত্রুটিগুলো জায়গা দখল করে নেয়। সব মানুষেরই দোষত্রুটি থাকে, ব্যক্তিগত পরিচয়ে সেগুলো ধরা পড়ে কিন্তু ভার্চুয়ালি ধরা পড়ে না। এটাই হয়ত কারণ। কিংবা হয়ত ভার্চুয়াল ক্যারেক্টারকে এডিট করার যে সুযোগ থাকে বাস্তবে তা থাকে না বলেই এমনটা হয়.....এই ব্লগেই দেখেন না, সেদিনই এক ব্লগার বন্ধুর সাথে আলাপ হচ্ছিল এইসব নিয়ে, ব্লগে লেখালেখি করতে এসে কার কাকে পছন্দ হয়েছে; কার কার ভার্চুয়াল প্রেম ছিল বা আছে এইসব। হাসাহাসি করলাম বটে বিষয়গুলো নিয়ে(
আবার এটাও ঠিক একটা মানুষের মেইলের জন্য প্রতীক্ষা করার যে আনন্দ আছে সেটা একটু ভিন্নধর্মীই। নিত্য দেখা হওয়ার মধ্যে সততা বেশি তবে মায়া কম, আর মায়াই যে বাস্তবতার চেয়ে বেশি টানে!
আপনার লেখাটা পড়ে ব্লগের এবং ব্লগের বাইরের অনেকগুলো মুখ (কিংবা কল্পিত মুখ) ভিজুয়ালাইজ করলাম। হয়ত এই সত্য মিথ্যা বিষয়ক সমস্যাটা না থাকলে ভার্চুয়াল সম্পর্কগুলো অনেক বেশি রঙিন হত বাস্তবের সম্পর্কগুলোর চেয়ে.....
বিষয়টা ভেবে দেখার মত মনে হচ্ছে!
[আপনার ব্যাপারটা একটু এক্সেসিভ লাগছে আমার দৃষ্টিতে। ১৫ বছর! তারপর আর যোগাযোগ নেই
লেখক বলেছেন: লেখাটুকু মন্তব্য আকারে না দিয়ে পোস্ট হিসেবে দিলেই ভালো হতো। একটা নতুন লেখা পাওয়া যেত আপনার কাছে।
অনেক ধন্যবাদ চমৎকার মন্তব্যের জন্য।
[এক্সেসিভ লাগছে!? কী করবো বলুন। যা সত্যি তা-ই লিখেছি। জানেনই তো, বাস্তব কখনো কখনো গল্পের চেয়েও অবিশ্বাস্য হয়ে উঠেতে পারে!!]
জেমী বলেছেন:
ভার্চুয়াল সম্পর্ক কখনো,কখনো নিজের অবচেতনমনে বোঝার বাইরে চলে যায়..............অনেক আজব সম্পর্ক ......অনেক ফিলিংস নিজে বুঝি কিন্তু অন্যকে বুঝাতে পারি নালেখক বলেছেন: হা হা হা... নিজে বুঝলেই হয়, অন্যকে বোঝানোর দরকার কি? তবে, সম্পর্কগুলো সত্যিই আজব ধরনের, সন্দেহ নেই।
জেমী বলেছেন:
মাঝে মাঝে অন্যকে বোঝাটাও জরুরী হয়ে পড়ে...........তখন???
লেখক বলেছেন: ভার্চুয়াল সম্পর্কের ক্ষেত্রেই শুধু নয়, বাস্তব সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তো অন্যকে বোঝা জরুরী হয়ে পড়ে! সেটা না বুঝতে পারলে তো সম্পর্কই দাঁড়ায় না। আর এই বুঝে নেয়ার দায়িত্ব সম্পর্কিত মানুষটিরই। কিভাবে বুঝে নিতে হবে, সেটাও তাকেই ঠিক করতে হবে...
নির্ঝরিনী বলেছেন:
লেখাটা আগেই পড়েছিলাম...কিন্তু মন্তব্য করা হয় নি।চমৎকার লিখেছেন....খুবই ভালো লাগলো।
ভার্চুয়াল সম্পর্ক এমন এক বিনেসুতোয় গাঁথা....যা দেখা যায়না, কিন্তু ঠিকই অনুভবে থাকে প্রতিসময়।
ভালো থাকবেন....
লেখক বলেছেন: অনেক দেরি করে ফেললাম আপনার মন্তব্য দেখতে এবং উত্তর দিতে! সত্যিই দুঃখিত। এতদিন ব্লগে ছিলাম না, নানারকম দুর্যোগের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে।
চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
নীরজন বলেছেন:
এত্তদিন পর লেখাটা পড়লাম.................পোস্টটা পড়ে আমার ভেতরে কোথায় যেন একটা টান খেলাম...........
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের একদম শুরুতে...........ভার্চুয়াল ভালো লাগা..........একতরফা প্রেম.........রাতের পর রাত চোখের পানিতে বালিশ ভিজানো.........ভাগ্যকে দোষারোপ.........তাকে একবার দেখতে চাওয়ার প্রচন্ড ইচ্ছা.............................................তারপর শুধু অপেক্ষা.....................................
এরপর একদিন জীবনে নতুন ভোর.......
কিন্তু এখনও তাকে ভুলতে পারি না........প্রথম প্রেম বোধহয় এমনই হয়। অবশ্য এখন আর তাকে দেখতে চাই না........যদি সেই মোহটা নষ্ট হয় সেই ভয়ে.......সে ভালো থাকুক আজীবন.....আমার প্রথম ভার্চুয়াল সম্পর্ক......
লেখক বলেছেন: আপনার এই মন্তব্যও এই পোস্টের জন্য একটা প্লাস পয়েন্ট। ভার্চুয়াল সম্পর্কও কতো তীব্র-মোহময় হয়, আপনার মন্তব্যটি তার প্রমাণ। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
-----------------------------------------------
অনেক দেরি করে ফেললাম আপনার মন্তব্য দেখতে এবং উত্তর দিতে! সত্যিই দুঃখিত। অনেকদিন ব্লগে ছিলাম না... নানারকম দুর্যোগের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে... আশা করি বুঝতে পারবেন...
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ আমীন ভাই।
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যটি দেরিতে চোখে পড়লো, দুঃখিত।
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাই।
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন:
:চমৎকার বিশ্লেষণ। অনীক ভাই'য়ের ব্যাপারটা কি ছিলো আমি জানি না। তবে আমার একটা ব্যক্তিগত অভিমত হলো - এধরণের দেখা হওয়া পরবর্তী হতাশার পেছনে নিতান্তই যদি কাউকে ব্লেইম দিতে হয়, তবে দেখা হওয়ার পর যিনি হতাশ হচ্ছেন আমি তার কথা বলবো। যেমন - এক্ষেত্রে অনীক ভাই!
ভার্চুয়াল ক্যারেক্টারটা আমাকে পুরোপুরি রিপ্রেজেন্ট করবে - এটা একটা অবান্তর বিষয়। কিন্তু সেটা কোন না কোনভাবে আমাকে রিপ্রজেন্ট করবে এটা সত্যি। হতে পারে সেটা আমার বিশাল চরিতনামার ছোট একটা চ্যাপ্টার। তো যার সাথে আমার ভার্চুয়ালি পরিচয় ঘটছে তিনি যদি এমন মনে করেন যে, একটা চ্যাপ্টার পড়েই পুরো পুস্তক সম্পর্কে তার সম্যক ধারণা হয়ে গিয়েছে, তাহলে ভুলটা তার।
------------------------------------------------------------------------------
দেখা হওয়া পরবর্তী হতাশার আরেকটা কারণ হতে পারে এরকম। অনেকক্ষেত্রে আমরা
কিছু গ্রুপিং ধরে ভার্চুয়াল রিলেশনে জড়াই। যেমন - আপনি আমি একই এলাকায় থাকি কিংবা একই ইউনিতে পড়ি বা পড়তাম ইত্যাদি ইত্যাদি। আমার মতে এগুলো কোন ভালো লাগার ক্রাইটেরিয়া হতে পারে না। এসব ক্ষেত্রে ইমোশনটা বেশি কাজ করে। তাই সাক্ষাতে এর ছন্দপতন ঘটা খুবই স্বাভাবিক বলে মনে করি।
------------------------------------------------------------------------------
এই ব্লগে আমার ইউনি'র প্রচুর লোকজন। কিন্তু ব্লগের পরিচয়সূত্রে যাদের সাথে বাস্তবজীবনে পরিচয় ঘটেছে ওদের দু'একজন ছাড়া কেউই আমার ইউনির নয়। হলেও ওদের এপরিচয়টাকে আমি কখনোই আমলে নেইনি। কারণ ভালো লাগার ব্যাপারটা ছিলো অন্য জায়গায়। এবং আমি কখনোই নিরাশ হইনি।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
অনেকদিন বাদে পোস্টটা আর মন্তব্যগুলো পড়া হলো আবার। (সুদীপকে ধন্যবাদ...)আমার মনে হয় এখানে ক্ল্যারিফিকেশন দরকার। ভার্চুয়াল পরিচয় খণ্ডিত হবে এটা জেনেশুনেই মানুষ পরিচিত হয়। এমনকি সামনা সামনি দেখা সাক্ষাতও একটা অংশমাত্র। পুরো মানুষটাকে জেনে ফেলা, বা জানার চেষ্টা করা তো বৃথা! তবে আমার মনে হয় যে অংশটা ভার্চুয়ালি দেখা যায়, সেটাও যদি সাক্ষাতে ভুল প্রমাণিত হয় তখন কি হবে?
এই উদ্ধৃতিটা আমার ভালো লাগার পেছনে বা সমর্থনের পেছনে এটাই মূল যুক্তি ছিলো যে অনেকে ভার্চুয়ালি যে চরিত্র প্রকাশ করেন সেটা অধিকাংশক্ষেত্রেই ভুল, বানোয়াট। আর এটা অসাবধানবশতঃ ঘটে না। অনেক ভেবেচিন্তেই করা হয় বলে মনে করি। সেই মেকিত্ব হয়তো ঘুচিয়ে নেয়া যায়, তবে তাতে ভার্চুয়ালিটির সম্পর্কটা চিরতরে নষ্ট হয় (যার মূল্য বা কষ্টটাও ফেলে দেবার মতো না)।
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন:
অনীক ভাই, আমি অবশ্য একটা ভেরিয়েবল কন্সটেন্ট ধরে আলোচনা শুরু করেছিলাম। এজন্যে আমি দু:খিত। যদিও আমার ক্ষেত্রে এটা কন্সটেন্টই থাকে। খোমাবইয়ের যুগে একেবারে ফেইক একটা ক্যারেক্টারের সাথে রঁদেভু ঘটবে - এটা হতাশাজাগানিয়া। কিছু বিস্ময়করও বটে!যেমন - আপনার সাথে কখনো আমার দেখা হয় নাই। কিন্তু আপানার মোটামুটি যে ছবিটা আঁকা আছে, আমি নিশ্চিত সেটা বাস্তবতা বিবর্জিত নয়।
এখন ইনটেনশনালি কেউ যদি করে তাহলে বুঝতে হবে সমস্যাটা তার। এই রোগটার কি যেন একটা গালভরা নামও আছে। এখন মনে পড়ছে না।
লেখক বলেছেন: আপনাদের দুজনের চমৎকার আলোচনাটা চমৎকার লেগেছে, যদিও কথাটা জানাতে অনেক দেরি হয়ে গেল!
নিজে আর অংশ নিতে পারছি না আপাতত। পরেও কখনো পারবো কী না কে জানে!
ভালো থাকুন দুজনই। @সুদীপ ও ছন্ন
অপ্সরা বলেছেন:
শুভ জন্মদিন ভাইয়া। লেখাটা নিয়ে গেলাম!!!
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা @অপসরা ও অ্যানালগ।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
শুভ জন্মদিন ভাইয়া। (এই উইশটা করার পর ভার্চুয়াল লোকেরা বলে, কেক্কুক খাইতে মঞ্ছায়। সাথে একটা কেকের ছবিও দেয়া হইতে পারে, যার ওপরে তিনটা মোমবাতি জ্বলতেছে এবং মোমবাতিগুলি অবশ্যই পিঙ্ক কালারের হবে।)(ও বলা হয় নাই, এই উইশটা কিন্তু নেক্সট বার্থডে'র!)
লেখক বলেছেন: মানে হইলো - নেক্সট বার্থডেতেও আপনে শুভেচ্ছা জানাইবেন না! ![]()
সুরঞ্জনা বলেছেন:
খুজে খুজে পড়ে বেড়াই। হঠাৎ আপনার এ লেখাটি চোখে পড়লো। এক নিশ্বাষে পড়ে ফেললাম। খুব ভালো লাগলো।মনে পড়ে গেলো, বিচিত্রা, চিত্রালি ব্যাক্তিগত বিজ্ঞাপন...।
বাসন নজরুল, খলকু কামাল আরও কত নাম, আজ আর মনে পড়েনা। ভালো থাকুন। লেখাটি প্রিয়তে নিয়ে গেলাম।
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন:
ঠিক এক বছর পরে লেখাটা পড়লুম।
অদ্ভুতুড়ে বলেছেন:
আপনার লেখা পড়ে একটা গানের কথা মনে পড়ল- "তুমি আসবে বলে তাই, আমি স্বপ্ন দেখে যাই, আর একটা করে দিন চলে যায়..."
এস এম সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
যে সম্পর্ক গুলো এভাবেই শেষ হয়ে যায়, সেই সম্পর্ক গুলোই মনের ভেতর থেকে যায় আজীবন!ভালো লিখেছে, ধন্যবাদ।
বৃষ্টিধারা বলেছেন:
চমৎকার লিখেছেন....খুবই ভালো লাগলো।
মার্জিয়া শবনম বলেছেন:
হেঁটে যাই, হেঁটে যাই... আর ভাবি- আমার পাশে আরেকজন মানুষ তো থাকতেই পারতো, যার সঙ্গে হয়তো আমার এখনো দেখাই হয়নি, যে আমারই মতো জীবনের কাছে মার খাওয়া, আমারই মতো নিঃসঙ্গ, নির্জনতাপ্রিয়, একা! আমারই মতো 'ভালোমন্দের রক্তমাংসে গড়া, দোষত্রুটিতে গড়া একান্ত এক পার্থিব মানুষ!'-লেখাটা ভাল লাগলো..।
370H55V 0773H বলেছেন:
সাংঘাতিক লেখা । ভাল লাগল। টাইগার পাস আমারও পছনদের জায়গা।
ভালো লেগেছে লেখাটি।
জামিনদার বলেছেন:
মেহবুবার কথাটাই বলে গেলাম।
গাধা মানব বলেছেন:
অনেক সুন্দর হইছে। ভার্চুয়েল সম্পর্ক ভার্চুয়েলই থাকা উচিত যদিও তা অনেক সময়ই শেষ পর্যন্ত থাকে না।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















ভালো লাগল কিন্তু অলসতার কারনে কিছু লিখতে ইচ্ছে কর্ছে না বলে দুখিঃত।