বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলাতে এই নিয়ম চলছে। এক দল মুসলমান সরকারের সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে আগের দিন ঈদ করছে। কি কারনে তাদের একদিন আগে ঈদ উদযাপন। সরকার কি মনে করছে না এটা এক সমস্যা। এভাবে চলতে থাকলে, ধর্মীয় এই সমস্যাগুলো থেকে আমরা মুক্তি পাবনা।
আমি ব্যক্তিগতভাবে ঐ এলাকার কয়েকজনের সাথে আলাপ করেছি। তারা বলছে সৌদি নিয়ম পালন করছে। অথচ তারা বাংলাদেশের নাগরিক। সৌদি আরব যখন ফজরের সময় বাংলাদেশে তখন সকাল ৮টা। তারাতো ফজরের নামাজ সকাল ৮টায় পড়ছে না। সৌদি আরবে জুম্মার নামাজ ১/২দিন আগে হয়। অথচ তারা জুমার নামাজ পড়ছে আমাদের সাথে।
ঐ সব এলাকার সাধারণ মানুষ শুধু মাত্র ঈদ পালন করে সৌদি নিয়মে। বাকী সব কাজ করছে বাংলাদেশের নিয়মে। তাদের গোষ্ঠীতে আবার অনেক আলেম সমাজ্ও আছে। যারা তাদের নেতৃত্ব দিয়ে ১/২ দিন আগে ঈদ পালন করাচ্ছে। কিন্তু কেন?
* আল্লাহকে মানছে আমাদের নিয়মে।
* নবী রাসুলকে মানছে আমাদের নিয়মে।
* কথা বলছে বাংলা ভাষায়।
* নাগরিকত্ব বাংলাদেশের।
* বিয়ে-শাদী সহ সকল অনুষ্ঠান করছে করছে আমাদের দেশের নিয়মে।
* বাংলা তারিখ, ইংরেজী তারিখ মেনে চলছে আমাদের নিয়মে।
* সাপ্তাহের সমস্ত বারগুলো মানছে দেশের প্রচলিত বারে।
* নামাজ পড়ছে আমাদের নিয়মে।
* সরকারের সিদ্ধান্ত মানছে বাংলাদেশের নিয়মে।
* সেহেরীর শেষ করছে বাংলাদেশ সময়ে। অথচ সৌদিতে শেষ সময় সকাল ৮টা।
* ইফতার করছে বাংলাদেশ সময়ে। অথচ সৌদিতে ২/৩ ঘন্টা পর।
কিন্তু ১/২ দিন আগে ঈদ পালন করছে সৌদির নিয়মে। এটা কেমন একটা আজব সিদ্ধান্ত তাদের!!! কিন্তু কেন? আমার প্রশ্ন হল : কোরবানীর ঈদে তাদের কোরবানী কি, আসলে কোরবানী নাকি পশু হত্যা??? কারন সরকার বলছে যেদিন ঈদ করতে তারা করছে আগের দিন। সরকার বলছে যেই দিন রোজা ভাংতে তারা ভাংছে আগের দিন। এই ব্যাপারে বাংলাদেশের উচ্চ পর্যায়ের আলেম সমাজের কি ভাবনা? তাদের কোরবানী হবে কিনা? তাদের রমজানের আগ-পর হওয়াতে তাদের রমজান হবে কিনা? তাদের ঈদ কি, সত্যিকারের ঈদ। নাকি ঈদের নামে তাদের নিজস্ব কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলা। হয়তবা যাহার মাধ্যমে দেশে ভিতরে বিভ্রান্ত ছড়ানো।
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



