somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গল্পে মন্তব্য করুন।

২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইলেভেন্থ ডাইমেন্শন গল্পটিতে মন্ত্যব্য করুন প্লীজ। আমার লেখা প্রথম গল্প।

গল্প: ইলেভেন্থ ডাইমেন্শন এন্ড টুয়েল্ভ মাংকিজ।
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৯


জাহাঙ্গীররে লইয়া সুরুজ মিয়া যাইতাছে। জাহাঙ্গীর, হাতে একখান হুগনা বিলাই লইয়া সুরুজ মিয়ার রিশ্কায় উটছে কমলাপুর রেল ইষ্টিসান থিকা। সুরুজ মিয়া তার এই পিশিন্দার লইয়া ঝামেলাই পরছে। সামনে যামু কইয়া রিশ্কায় উইটা আর নামতাছে না। রাইত দশটার দিকে উটছে এহন বাজে পেরাই অ্যাগারোডা। কিশুক্কন পর পর জাহাঙ্গীর পাউরুটি ছিরা ছিরা একবার বিলাইরে খাওয়ায় একবার হ্যায় নিজে খায়। সুরুজমিয়া হেই দুপারের দিগে মজনুর দোকান থিকা একখান বার্গা কিন্ন্যা কাঁচা মরিচ দিয়া খাইছে মইদ্যে আনোয়ার এককাপ চা দিছিল সন্দায় এছারা কিশুই খায় নাই। খিদায় প্যাড আর পিড লাইগা যাইতাছে আডার মতো, টান দিয়া হইলেও ছুডানো দরকার। দানমুন্ডি ২৭ এর রাপা পেলাজার সিঙ্গেলের কাছাকাছি আইয়া কালা একখান গারি বামে জাইতে দেইক্খা পিশিন্দার জাহাঙ্গীর রিশ্কা বায়ে ডুকাইতে কয়। জাহাঙ্গীর কয় ” ওই মিয়া জোরে চালাও, ওই কালো গাড়ীটাকে ফলো কর।” সুরুজ মিয়া তার রিশ্কা লইয়া ফলো করে। হ্যায় ভাবতাছে রিশ্কা লইয়া গারি ফলো কেমনে করে? হ্যায় আরও জুরে রিশ্কা চালায়। কালা গারিডা নন্দনের সামনে যায়া খারায়। ছিকুরিটি গাড গারিডারে সরাইতে কইলে গারি সরে না। গারিরথন নাইমা অ্যাকজন কয় ”এখনি বেরিয়ে যাব, বড়ো জোর পাঁচ মিনিট। সামনেই থাক”। ছিকুরিটি গাড দাত কেলায়া কয় ”জি ছার’। জাহাঙ্গীর বিলাইডারে লইয়া রিশ্কারথন নাইমা ওই নন্দনের ভিত্রে ডুকতে গেলে ছিকুরিটি বিলাই নিয়া ডুকন যাইবনা কইলে, হ্যায় বিলাইডা ছালাম ছিকুরিটির হাতে দিয়া কয় ” একটু ধরে থাকো, কিছুনের মধ্যে আসছি। এই মনেকর বড়জোর পাঁচ মিনিট।” ছিকুরিটি ছালাম চোদনা হইয়া বিলাই লইয়া দারায়া থাহে।

সুয়েলের বয়স উন্নিশ বছ্ছর। হ্যার ডাল্লিং এর প্যাটে বাচ্চা আয়া পরছে। ডালিমগো মেছে জাইয়া রুনারে দইরা চুম্মা-চাট্টি দেওনের সম হ্যাগো দুইজনের স্যাক্স আয়া পরলে হ্যারা কনডম ছারা লাগায়। রুনা ফিসফিসায়া কইছিল ”কুনো সমইস্সা নাই তুমি বাইচ্চার বাপ হইবানা। লাইপ তো আর ফিলিম না।” কিন্তু একবার লাগাইলে বার বার লাগাইতে মন চায় বইলা পরে যেকয়বার লাগাইছে সেকইবার কনডম দিয়া লাগাইছে। সুয়েল রুনার কতা বিশ্শাষ করে নাই। সুয়েল বুজে না যে, কমাদামি কনডমের লাইগা না পরথম স্যাক্সের সম কনডম না দিয়া করতে যাইয়া হ্যায় দরা খাইছে। রুনার এহন পেরাই তিন মাশের প্যাট। মেরি ষ্টুপের ডাক্তার কইছে বাইচ্চা ফালাইতে হইলে পেরাই পনরো হাজার টেকা লাগব। সুয়েল হ্যার মা’র কাছে আইয়া টেকা চায়, কয় যে হ্যার কিশু টেকা লাগব বিজনিস করবো দুই মাশ পর টেকা হইবো দুইগুন।সুয়েলের মা উল্টা হ্যারে জিগায় এত টেকা কই পাইবো। সুয়েল হ্যার মা’রে সমিতিরতন টেকা লইতে কয়। সুয়েলের মা যহন রাজি হয় না সুয়েল তহন গরের জিনিশপত্র বাইঙ্গা মা’ রে গালিগালাজ কইরা গরতন বাইরাইয়া যায়। রাইত তহন বাজে সারে দশটা।

কলিংব্যালের আওয়াজ পরলে অ্যানি যাইয়া দরজা খুলে। অ্যানির এই ফেলাট দিছিল আলম শাব। আলম গ্র“প অপ কম্পানির মালিক। অ্যানির বাপে আদম ব্যাপসার দালালি করত, পরে আমোলিগের আমলে গুল্লি খায়া মইরা যায়, সেসুম হ্যার বওস আছিল ১৪ বস্সর। হোলি ক্রোস থেইকা ম্যাট্টিক পাশ কইরা হ্যারা জিগাতলা মামার বারিত আইয়া উটে আর সিটি কলেজে আইয়া ভর্তি হয়। কলেজে যাইয়া লাবনির লগে পরিচয় হওনের পর থেইকা অ্যানির চাইল-চলন বদলায়া যায়। লাবনি র‌্যাম্পের মডেলিং করে। যেহেতুক অ্যানি অনেক লম্বা আর সুন্দর, লাবনি হ্যারে মডেলিং করতে কয়। অ্যানি রাজি হয়া যায়। অ্যানির র‌্যাম্পের মাশ্টার অ্যানিরে সাজায়া গোজায়া স্যাক্সি বানাইলে হ্যায় মাইনষের নজরে পরতে থাহে। শুদু পুরুষ না ডাকা শহরের অনেক মাইয়ারাও হ্যারে পাইবার চায় স্যাক্স করবার লাইগা। র‌্যাম্পের মাষ্টার নিলা আফা তাই এই শহরের নাম দিছে খচ্চর্ইরা শহর। আলম টেক্সটাইলের ফ্যাশোন শো এর সুম অ্যানিরে আলম শাবের পছন্দ হইলে আলম শাব হ্যার লগে পেরাইবেটে কতা কইতে চায়। আলম যহন কয়, ” দেখ একটা শিশু শিম গাছকে যদি বড় হতে দিতে চাও তাহলে তার পরিচর্যার পাশাপাশি একটা শক্ত কোন কিছুর সাথে পেচিঁয়ে দিতে হয়। তার পর দেখা যায় ওই শিম গাছটি ওই শক্ত দ›ডটিকে বেয়ে বেয়ে বড় হতে থাকে এবং একসময় ফুল ও ফল দিতে শুরু করে অর্থ্যাৎ শিম গাছটি পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। তুমি একজন শিক্ষিত মেয়ে, তাই আমি মনেকরি তোমাকে এর চেয়ে বেশী কিছু বলার প্রয়োজন পড়বে না।” অ্যানি হাসি দ্যায় যার মানে দুইরকম হইবার পারে। এক নম্বর হইল হ্যায় আলম শাবের কতায় রাজি হইছে। দুইনম্বর হইল আলম যহনই পেরাইভেটে কথা কইতে চাইতেছিল তহনই পুরা ব্যাপার অ্যানি বুইজা গেছিল, শিম গাছের প্যাঁচাল না পাড়লেও হইতো। তো অহন আমরা র্ফিরা আসি গল্পে। অ্যানি দরজা খুলনের পর হিমেল গরের মইদ্যে ডুকে। হিমেল্ল্যা হইল অ্যানির গুপোন লাবার। হ্যারা এহন মহব্বত করবো। অবশ্য আলম শাব জানলে হিমেল্ল্যার খবর আছে। জিন্দা পুইতা ফালাইতে পারে কওন যায় না। অ্যানি পিজা অনেক পছন্দ করে বইলা হিমেল্ল্যা পিছন থেইকা এককান ফুলের তোরা আর পিজার প্যাকেট অ্যানির সামনে আইনা ধরে। অ্যানি তহন নিজের দুই হাত দুইগালে চাইপা দইরা চোক বড় কইরা ভারতিয় অ্যাডভ্যাটাইজের মত আ... করে। তারপর অ্যানি বহুত খুশি হইছে এমুন ভাব কইরা দাত কেলাইন্ন্যা হিমেল্ল্যার লগে ননাই করতে করতে দরজা লাগায়।

’ওই মানিক, মানিক্যা। বাইরা গরেরতন।’ সুয়েল রায়বাজারের ট্যানারী বস্তিতে আইয়া বাংগা কাটের দরজায় লাত্থি মাইরা মানিকরে ডাহে। ”কি অইছে? চিল্লাইতাছোস ক্যা? ’ মানিক দরজা খুইলা কয়। মানিক, সুয়েলেরতন বয়সে দুই-এক বস্সরের বরো হইবো। মানিক্যার বউ গরের মইদ্যেরতন কয় ”ক্যাডা ডাহে আফনেরে?” ’চুপ কর মাতারি। কতা কম।’ মানিক হ্যার বউরে ঝারি দেয়। সুয়েল মানিকরে কয় ” মিশিং কই, মিশিং দে। কিচাইন করুম। টেকা দরকার।” মানিকের বউ ঘরের মইদ্যে গোজরাইতে থাকলে মানিক কয় ”ওই খানকি মাগি চুপকর।’ গলাডা হাল্কা নামায়া কয়, ”তোর মায়েরে চুদি।” মানিকের বউ চুপ হয়া যায়। সুয়েলরে মানিক কয় ” মিশিং তো আমার কাছে নাই। জসিম্ম্যার কাছে।” সুয়েল কয়, ”তাইলে তুই চল আমার লগে জসিম্ম্যারে কইয়া বিচি শুদ্দ্যা মিশিং লইতে অইব।” সুয়েল আর মানিক জসিম্ম্যার কাছে যাইতে থাকে। মানিক্যার গরেরতন মানিক্যার বউয়ের মিন-মিন্যা গজরানির সাউন আইতে থাহে।

একটা গ্যানজাইম্ম্যা বরোলুকের মাল-মুল খাওয়াইন্ন্যা পাটি দেহা যায়। মজিদ মিয়া নামে এক ডেরাইবার পাটির মদ্যে আগায়া যাইতে যাইয়া এক বুগলকাটা মেয়েছেলের লগে দাক্কা লাগে। মেয়েছেলের ৩৮ বস্সর বয়স কিন্তুক যৈবন ফাইটা বারাইতাছে। মজিদ মিয়া ছরি কওনের আগেই মেয়েছেলে গাইল দেয় ’রাসকেল”। মজিদ কি কইবো কিছু বুইজা উটবার পারে না ছামনের দিক যাইতে থাহে। আলম শাব আর হ্যার বন্দুরা মিল্যা মাল খাইতাছে, মজিদ মিয়া আইয়া আলমের কানে ফিস-ফিসায়া কি যেন কয়। আলম শাব হাতের ইশারা দিয়া হ্যার ডেরাইবার মজিদরে যাইতে কয় কিন্তুক অন্যব্যাডাগো লগে কতা কওনের সুম যেরম কইরা হাসতাছিল হেই হাসি হ্যার মুহে লাইগাই থাহে। মিনিট তিনেক পরে আলম শাব ”এক্সকিউজ মি, জেন্টলমেন” বইলা বাইরে আইয়া গারিতে উডে আর মজিদরে কয় 'জোরে গাড়ী চালাও মজিদ ২ মিনিটে আমি পৌঁছাতে চাই।” মজিদের কয় ”জি ছার”। আলম শাব হ্যার মোবাইল অপ কইরা দ্যায়।


একদিন পুলিশ মানিক্যারে খুজঁতে আইয়া না পায়া সুয়েলরে লৌরানি দ্যায়। সুয়েল যহন হ্যাগো মহল্লার অল্লি-গল্লিতে দৌরাইতেছিল, তহন হ্যার গাঞ্জা খাওয়া ফ্যাপরা নাক দিয়া বাতাস টানতে পারতেছিল না। এমুন সময় হ্যায় দ্যাখে অ্যাক মাইয়া চিপা একখান লুহার গ্যাট দিয়া ভিতরে হান্দাইতাছে।সুয়েল হেসুমকা আতিক্যা গ্যাট দিয়া হান্দাইয়া যায় আর পুলিশ হ্যারে দরতে পারে না। গ্যাটের মাইয়াডা চিক্কুর দিতে গেলে সুয়েল হ্যার মুখ ঠাইস্সা দরে। পুলিশ গল্লি পার হইলে হ্যায় মাইয়াডার মুখ ছাইরা দেয়। সুয়েল মাইয়াডার দিকে তাকাইয়া থাকলে সুয়েলের বিচি থাইকা এট্টা ফুরফুরটি কারেন বুকের মধ্যে আইয়া হ্যার হাটের ইস্পিরিট বারাইয়া দ্যায়। এই মাইয়াডাই হইলো রুনা। এমনে কইরাই সুয়েলের লগে রুনার পরথম দেহা হয়। হ্যার পর থ্যাইকা সুয়েল রুনারে ফলো করতে থাহে আর মনে মনে দিবানা ফিলিমের শাহারুক খান ভাবতে থাহে। রুনা যহন সুয়েলরে ডাক দিয়া জিগায় ”কি মিয়া, ফলো করেন ক্যা? টিকটিকি নাকি?” সুয়েল তহন ক্যাবলাচোদা হইয়া যায় আর কয় ”ক..ক..কই, আমি তো কইতর খুজতাছি, গিরিবাজ, তা...তা...তালি দিলেই ডি...ডি...ডিগবাজি খায়.... হে: হে:”। রুনা কয় ”কেডা ডিগবাজি খায়? আফনে ?” ”ন... ন... না ক... ক... কইতর”। রুনা অ্যাকটা ছিনালি হাসি দ্যায় তা দেইখ্যা সুয়েলের বিচি থাইকা আবার এট্টা ফুরফুরটি কারেন বুকের মধ্যে আইয়া হ্যার হাটের ইস্পিরিট ডবল বারাইয়া দ্যায়। হ্যাগো মদ্যে পেম আইয়া পরে। হ্যাগো মদ্যে স্যাক্স আইয়া পরে।



আলম শাব এর লগে যে ডুবলি চাবি আছিল তা দিয়া অ্যানির ফেলাটের দরজা খুলে। হ্যারপর অ্যানির রুম থিকা চোদার আওয়াজ আইতে থাকলে আলম শাব আস্তে আস্তে অ্যানির রুমে যাইয়া ডুকে। অ্যানিরে কুত্তা ইষ্টাইলে লাগানোর সুম হিমেলের পুটকির উপরে আলম শাব এর লাত্থি আইয়া পড়লে হিমেল অ্যানির হোগা থুইয়া চাইর পাঁচ হাত দুরে যাইয়া পরে। হিমেল আলম শাবরে দেইখা অ্যানির রুমের লগের ব্যালকনি থিকা ল্যাংটা হইয়া লাফাইয়া পরে আর তিনতলা থিকা লাপ দেওনের লাইগা হিমেলের এক পা ভাইঙ্গা গেলে একখান চিক্কুর দিয়া ল্যাংচাইয়া ল্যাংচাইয়া দোউর দ্যায়। আলম শাব ব্যালকনিতে আইয়া হিমেলরে ’মাদারচোদ, তোরে আমি জানে মাইরা ফেলব’ বইলা গালি দ্যায়। অ্যানি খাটের উপরে উবুর হইয়া কানতে থাকলে আলম শাব হ্যারে কাপর পইরা রেডি হইতে কয়। ” তোমাকে ৪ মিনিট ৩৭ সেকেন্ড দেয়া হলো এর মধ্যে তুমি দ্রুত কাপড় পরে নাও।”এইকতা কইয়া আলম শাব এককান সাদা ব্যানচন ঠোটে দিয়া অ্যানির র্পাস খুইলা গ্যাসলাইট বাইর করে আর তহন হ্যায় র্পাসে ডুরেক্স কনডম দ্যাহে। অ্যানিরে লইয়া হ্যায় গারিতে উডে। অ্যানিরে লইয়া হ্যায় কই যাইতে চায় হেইডা জানা যায় না। শুধু মজিদ মিয়ারে কয় ৫ নাম্বার ষ্টেশনে যাইতে। হ্যাগো গারি যহন লালমাটিয়া আরং এর সামনে দিয়া দানমুন্ডি বত্রিশের দিকে টান লয় তহন উল্টা দিক থিকা দুইডা পোলা জলদি কইরা রাস্তা পার হইতে ছিল। একপোলারে আলম শাবের গারি আইয়া দাক্কা দিলে আরেক পোলা আইয়া মজিদের মুকে ফেলাইং কিক মাইরা দৌর দ্যায়। লাত্থি খাইয়া মজিদ মিয়ার ডাইন পাশের মারির সামনের দুইডা দাত পইরা যায়। থু ফালাইতে গেলে দাত দুইরা রাস্তার পিচের উপরে পইরা পল্টি খায় আর পল্টি খাওনের সময় লাইট পরলে পান খাওয়া দাত হালকা কইরা জিলিক দ্যায়। পোলাপাইনের এ কারবার দেইখা গারিতে বইসা থাকা আলম শাবের বিচি কান্দে উইটা যায়। মজিদরে কয় গারি জলদি টান দিয়া এক অসুধের দোকানে খারাইতে। মজিদ মিয়া আলম শাবের কালা মারসিটিজ লইয়া রাপা পেলাজার সামনে দিয়া দানমুন্ডি ২৭ নাম্বারে ডুকে। মজিদ দেহে এক রিশ্কা হ্যাগো দিকে দৌরায়া আইতেছে মজিদ হেইদিকে মন না দিয়া দাতে ব্যাতায় অসুদ কই পাওন যাইবো এ চিন্তা করতেছে আর ইকটু পর পর থুতু ফালাইতাছে জানলা দিয়া। অ্যানি গারির মইদ্যে বইয়া বইয়া খুন খুন কইরা মাজে মইদ্যে কাইন্দ্যা উটতাছে। আলম শাব ভাবতে থাহে, হালার মিডিল কেলাস মাইয়া গুলার চরিত্র বালা হইব না কুনোদিন, ডাইরেক ইনডাইরেক সব দরনের মাগিগিরি হ্যারা কইরা যাইব বোদা বরবনা কুনোদিন। নন্দনের সামনে আইয়া আলম শাব ডেরাইবাররে গারি থামাইতে কয়। ডেরাইবার গারি থামায়া অসুদ আনতে চাইলে আলম শাব মজিদরে কয়, ”তুমি বস আমি অসুধ নিয়ে আসছি।” এসময় নন্দনের ছিকুরিটি গাড গারিডারে সরাইতে কইলে গারি সরে না। গারিরথন নাইমা আলম শাব কয় ”এখনি বেরিয়ে যাব, বড়ো জোর পাঁচ মিনিট। সামনেই থাক”। ছিকুরিটি গাড দাত কেলায়া কয় ”জি ছার’। আলম শাব গারি থিকা নাইমা নন্দনের বিতরে ডুকে।

সুয়েল জসিম্যার বারির থিকা দুইশো হাত দুরে একটা ইডার খোয়ার ডিবির উপরে বইয়া আছে। জায়গাডা অন্দকার। জসিম্যাগো বারির সামনের বাংগা টিনের গ্যাটে ৬০ পাওয়ারের লাইটের তলে দেহা যায় মানিক বাইর হইয়া সোজা সুয়েলের দিগে আইতাছে। আলো অন্দকারে মানুষের চেয়ারা পাল্টাইয়া যায়, যেমুন এহন মানিক্যারে ফিলিমের সাকিপ খানের মতো লাগতাছে। মানিক্যা সুয়েলের কাছে আইয়া মাজারতন মিশিং বাইর কইরা সুয়েলের কপালে ঠেকাইয়া কয়, জুলহাস তুই আমার ডাল্লিংরে র‌্যাপ করছোস, বাপ-মারে মাইরালাইছোস এহন এই (নিজের বুকে দাপ দাপ কইরা ঘুশি দিয়া) মিশিং দিয়া তোর সানডে মানডে কুলোজ কইরা দিমু.... হু হু হা হা হা। সুয়েল কপালেরতে মিশিং-এর নল ধইরা কয় ”মিশিংডাদে, বিচি আনছোস?”। মানিক কয় ’খানকি মাগির পোলা বিচি দিছে একটা, তাও কয় কাম শ্যাষ হইলে বিচির দাম ৫৮০ টেকা দিয়া যাইতে”। ’হইবো আমগো গুল্লি না করলেও চলব।” সুয়েল মিশিং মাজার পিছনে গুইজা কয়, ’ল যাই।” সুয়েল আর মানিক্যা যহন তেজকুনি পারার চিপা বস্তি থাইকা রিস্কা লইয়া যহন রওনা দেয় তহন রাইত বাজে সারে দশটা। মানিক মিয়া এবিনিউয়ের বিডিয়ারগো দোকানের সামনে আইয়া হ্যারা রিস্কা ছাইরা দ্যায় তার পর হাইটা ওপারে যাইয়া রিস্কা লইতে হইবো বইলা তারাতারি রাস্তা পার হওনের সুম একটা কালা পেরাইবেটের লগে মানিক দাক্কা খায়। সুয়েল যহন দ্যাখলো মানিক্যারে গারিডা ফালাইয়া দিলে হ্যায় দোওরাইয়া যাইয়া ডেরাইবারের মুহের মইদ্যে এক ফেলাইং কিক মারলে ডেরাইবারে দুইডা দাত পইরা যায়। মানিক রাস্তারতন উইডা ডেরাইবাররে মারতে চাইলে সুয়েল মানিক্যারে টান দিয়া দৌর দ্যায়। পিছনে হালকা চিক্কুরের আওয়াজ পাওন গেলেও হ্যারা না তাকাইয়া লালমাটিয়ার মইদ্যে ডুইকা একটা রিস্কা লইয়া দানমুন্ডি সাতাইশের দিগে যাইতে থাহে। হ্যারপর ডি বোলাকের এক হাডওয়ারের দুকান থিকা এককৌটা ইসপেরে কালো রং ১৯০ টেকা দিয়া কিন্যা মানিক্যার মাজায় ডুকাইয়া আবার সাতাইশের দিক যাইতে থাহে।

মানিক্যা আর সুয়েল সাতাইশের ইটিসির সামনে আইয়া রিস্কা ছাইরা দিয়া রাস্তা পার হইয়া নন্দনের মইদ্যে ডুকনের সুম দেহে ছিকুরিটি বিলাই লইয়া দারায়া আছে। সুয়েল নন্দনের বিতরে ডুইকা সবার পজিশন দ্যাকে। লোকজন কম পেরাই নাই কইলেই হয়। এক চাচা মিয়া ওষুদের কাউন্টারে, এক যুবতি মহিলা তার বাচ্চা লইয়া আইয়া ঠেলাগারি তে সংসারের মাল বোজাই করতাছে। এই দুইজন কাস্টমার ছারা চাইরডা ক্যাশ কাউন্টারে দুইজন ব্যাডা আর দুইজন বেডি টেকা গুনতাছে। মেইন গেটের কাছে যেই বেডিডা আছে হ্যার কাছে যাইয়া সুয়েল কোমরেরতন এক বিচিয়ালা মিশিং বাইর কইরা চিক্কুর দিয়া উডে, কয় ” ওই খানকি মাগি, টেকা পয়সা যা আছে বাইর কর নাইলে গুলি কইরা বোদা ফাটাইয়া লামু।’ সুয়েলের চিক্কুর হুইনা সবাই ভয়ে পাথরের মত শক্ত হয়া যায়। মানিক্যা তহন দোউরাইয়া দোউরাইয়া, লাপাইয়া লাপাইয়া সব ক্যামেরার উপরে কালা রং ছিডাইতে থাহে। আলম শাব অসুদের কাউন্টারেরতন সুয়েলে গাইল শুইনা হিরো হইতে যাইয়া সুয়েলের দিক আউগাইতে আউগাইতে কয়, ” এই ছেলে পিস্তল নামাও, আর ওই মহিলার সাথে এরকম বিহেব করছো কেন।” সুয়েল আবার চিক্কুর দিয়া উইটা আলম শাবের দিক একবিচিয়ালা মিশিং এর নল ফিরাইয়া কয়”ওই খানকি মাগির পো, তোর মাইরে চুদি, একপা আগাইলে গুল্লি কইরা বিচি উরাইয়া দিমু। হিরুগিরি হোগার মইদ্যে যাইব গা মাদারচোদ”। এরম কথা শেষ হইতে না হইতে আলম শাব আগাইতে থাকলে সাতাইশ নম্বর রুডে গুল্লির আওয়াজে এলাকা চুপ হইয়া যায়। নন্দনের মইদ্যে রসুনের আচার কিনার লাইগা বোয়াম ধরলে হেই বোয়াম হাত থিকা পইরা বাইংগা রসুনের বিচি গুলা বিনেগারের উপরে পিছলা খায়া যাইতে থাহে। রিস্কায়ালা সুরুজমিয়া রিস্কা থুইয়া রাস্তায় মাডিতে হুইয়া থাহে, যদি গুল্লি আয়া হ্যার গতরে লাগে; এম্নেই হেই দুপারের দিগে মজনুর দোকান থিকা একখান বার্গা কিন্ন্যা কাঁচা মরিচ দিয়া খাইছে মইদ্যে আনোয়ার এককাপ চা দিছিল হেই সন্দায় এছারা কিশুই খায় নাই। মজিদ মিয়া বয় পাইয়া গারির জানালা দিয়া বুকের মইদ্যে সাহস আনতে হইব এই মনে কইরা থু ফালাইলে দ্যাহে রাস্তার উপরে মারির একটা দাত পইরা পল্টি খাইতাছে। আলম শাব বুকে গুল্লি খায়া নন্দনের ফুরের উপর পইরা ডপাস করলে হ্যার বুক ফাইটা ফিনকি দিয়া দিয়া রক্ত পরতে থাহে। সুয়েলের বিচি থাইকা একটা কারেন হ্যার বুকের হাটের মইদ্যে আইয়া গুতা গুতি করে। সুয়েলের হাত থাইকা মিশিং পইরা যায় আর ছিকুরিটি ছালাম বিলাই ফালাইয়া দিয়া দৌর দিয়া আইয়া সুয়েলরে জাপটাইয়া দরে, এই দেইহা মানিক্যা মাতা গুরাইয়া পইরা গ্যালে কাহিনী সুয়েলের হাত থিকা ছুইটা যায়। নন্দনের ম্যানেজার র‌্যাবরে ফুন দিলে র‌্যাব আইয়া পরে আর তার আগে মজিদ মিয়া বিতরে যাইয়া দ্যারে হ্যার স্যার গুল্লি খাইয়া মইরা পইরা আছে। মজিদ মিয়া হাউমাউ কইরা কান্না শুরু করলে জাহাঙ্গীর মজিদের উপরে বিলা হইয়া নন্দনের মেইন গেইট দিয়া বাইরাইয়া বিলাইডারে আস্তে কইরা তুইলা রিস্কায়ালা সুরুজমিয়ারে কয়, ্’ওই মিয়া ভিতরে মার্ডার হইছে এক ভদ্রলোক, তুমি মাটিতে শুয়ে না থেকে রিকসায় উঠো সামনে চলো।” জাহাঙ্গীর রিস্কায় উটলে সুরুজমিয়া রিস্কা চালাইতে থাহে আর ভাবে, হেই দুপারের দিগে মজনুর দোকান থিকা একখান বার্গা কিন্ন্যা কাঁচা মরিচ দিয়া খাইছে মইদ্যে আনোয়ার এককাপ চা দিছিল হেই সন্দায় এছারা কিশুই খায় নাই। তার উপরে আবার চাইলের দাম বারছে।




ফলাফল: সারে সাত বছর পর ডাকা সেন্টাল জেইলের সামনে এক যৈবতী মাইয়া দারাইয়া আছে, হ্যার পাশে লাল ফোরাক পরা এক ৬/৭ বছরের মাইয়া বাচ্চা। রুনা বাচ্চা নস্ট করে নাই, হ্যার বাচ্চা হইছে তার নাম হ্যায় রাকছে রুমা। রুনা নামের লগে মিল কইরা। আইজগা সুয়েলরে জেল খানার তন ছাইরা দিব। পুলিশে ট্যার পাইছে সুয়েলের মিশিং দিয়া গুল্লি বাইরাই নাই। গুল্লি বাইরাইছে অন্য কুনো মিশিং থিকা কিন্তু অস্ত্র মামলায়া হ্যার সাজা হইছে সারে সাত বছর। আইজকা হ্যারে ছাইরা দিব। রুনা সুয়েলের লাইগা হাঁসের গোসত রান্না করছে নারকেল দিয়া। বাসায় যাইয়া তিনজনে মিল্যা খাইব। রুনা পদ্দ আবাসিক হুটেলে মাগিগিরি করে ইংকাম বালাই। দিনে ৪/৫ শ টেকা হয়। কামডায় খাটনি আছে কিন্তু খানকির কামে একটু খাটনি তো হইবোই।


অবশিষ্ট: মাইজা ভাই জমি জমার লাইগা বরো বাইরে কলা বাগানে জবো করে। ছুডো ভাই তাকায়া তাকায়া সব কিছু দেহে। ফিনকি দিয়া রক্ত ছুডে। শরিরে আগুন জলতে থাহে। জাহাঙ্গীর লাফ দিয়া ইজি চিয়ারতন উইডা পরে। গামে পুরা শরিল বিজ্যা গ্যাছে। দরজা খুইলা জাহাঙ্গীর দেহে এগারোডা বিলাই। হ্যায় হাত মুক দুইয়া এই চৈতের সকালে বিলাইগুলানরে পাউরুটি ছিরা ছিরা খাওয়ায়।
২৫টি মন্তব্য ২১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×