'গো এন্ড ফাক ইয়োর আগলি-মামা, ইউ মাদার ফাকার।' আইয়ান, জ্যাজ কে গালি দেয়। জ্যাজে টেকনাফ থেকে যে পিল গুলো এনেছিল সেগুলোতে ভেজাল ছিল। আইয়ান চল্লিশটা পিল কিনেছিল আট হাজার টাকা দিয়ে। পুরো টাকা এবং সন্ধাটা মাটি হয়ে গেছে। তার উপর তাহমিনার দুইটা কাজিন তাজ এবং কাজরিয়া এসেছিল তাদের সামনে একপ্রকার অপমানিতই হয়েছে আইয়ান। তাজ এবং কাজরিয়া থাকে বোস্টনে, মাস খানেকের জন্য তারা বেড়াতে এসেছে বাংলাদেশে। মেথামফেটামিন এর স্বাদ নিতে চায় ওরা। আইয়ান, ডি-টু আর তাহমিনারা তিন জন, দুই জন ছেলে তিনজন মেয়ে সাথে নারকোটিক পর্ণ মেটাল, এনাল বিড্স এন্ড বল্স আর এনাল সেক্সের জন্য কে ওয়াই জেল। অদ্ভুত এক সন্ধ্যা হতে যাচ্ছিল; ভাবলেই শিহরণ। কিন্তু সব কিছু মাটি করে দিল জ্যাজ।
কিছুদিন আগে এক মজার অভিজ্ঞতা হয়েছিল আইয়ানের। আই এস ডি'র এক ও-লেভেলের ছাত্রী কায়ানাথ এসেছিল তাহমিনার সাথে, প্রচন্ড তারছেড়া পাবলিক। যায়গায় বসে সতেরটা পিল চেজ করে আইয়ানকে ডাকল 'লেট্স প্লে বেইবে..."। তারা মত্ত হল, লিপ্ত হলো । দেড় ঘন্টা পর কায়ানাথ বল্ল ' গিমমি দা বিড্স"। আইয়ান চেরী ফলের মালার মত এনাল বিড্স গুলো কায়ানাথের পায়ুপথ দিয়ে প্রবেশ করানোর সময় শিহরনে কেঁপে কেঁপে উঠতে থাকে কায়ানাথ। আইয়ান দেখে চার নম্বর পূঁতি টা ঢোকানোর পর টপ টপ করে পড়তে থাকে গাঢ় লাল ডালিম দানার মত রক্তের ফোটা। অডিও প্লেয়ারে তখন চলছে সাইকোট্রপিক ট্রান্সেনডেনাল মিউজিক, হয়তো এই মিউজিক আইয়ানকে আরো বেশী আবেশী করে তোলে। আইয়ান তার মুখদিয়ে ডালিম দানা গুলোর স্বাদ নিতে থাকে , মুখটা ঘষতে থাকে কায়নাথের পায়ুতে। রক্তাক্ত হতে থাকে চরম ব্যক্তি-স্বাধীনতা। সুগন্ধি মোম বাতির লাল আলোয় ঘরটাকে কোন শয়তান পূঁজারীর উপাসনালয় মনে হয়।
এঘটনা যখন ডি-টু কে বর্ননা করে আইয়ান তখনই ডি-টুর মনে হয় এরকম একটি ঘটনার অভিজ্ঞতা না নিলেই নয়। তাই এই আয়োজন। কিন্তু জ্যাজে টেকনাফ থেকে যে পিল গুলো এনেছিল সেগুলোতে ভেজাল ছিল। আইয়ান চল্লিশটা পিল কিনেছিল আট হাজার টাকা দিয়ে। পুরো টাকা এবং সন্ধাটা মাটি হয়ে গেছে। তাহমিনা তখন রেগে যায় 'ব্লাডি ফাকেন লুজার' বলে ডি-টু আর আইয়ানকে গালি দিয়ে চলে যায়। দুর থেকে আইয়ান শুনতে পারে কাজরিয়া বলে 'ফাকেন এ্যাস-হোল'। তখন আইয়ানএর রাগ হয়। আইয়ান জ্যাজকে ফোন করে আসতে বলে। আইয়ান বলে যে তাহমিনার কাজিন তার সাথে পরিচিত হতে চায়। একথা শুনে জ্যাজের শিশ্নে একটা সুড়সুড়ির মতো লাগে। জ্যাজ আইয়ানের ফ্লাটের উদ্দ্যেশে রওনা দেয়।
জ্যাজ আইয়ানের ফ্ল্যাটে আসলে, ডি-টু জ্যাজকে শক্ত করে ধরে ফেলে আইয়ান তাকে বেঁধে ফ্যালে। ডি-টু চাকু দিয়ে জ্যাজের জামা-কাপড় সব ছিড়ে ফেললে। ওর ওয়ালেট থেকে তেরটা গোলাপী পিল ফ্লোরে গড়িয়ে পড়লে আইয়ান আর ডি-টু সেগুলো কুড়িয়ে নিয়ে দুজনে মিলে দশটা চেজ করে। তারপর তাদের মিনি-ডিভি ক্যাম অন করে কে ওয়াই জেল এর টিউবটা নিয়ে জ্যাজকে ধরে উপুর করে কাউচে শোয়ায়। তারপর কখনো ডি-টু আবার আইয়ান এইভাবে প্রায় দুই ঘন্টা পালাক্রমে জ্যাজের সাথে সমকাম করে। জ্যাজ নড়াচড়ার চেষ্টা করলে আইয়ান তার পা দিয়ে জ্যাজের ঘাড় চেপে ধরে। এরপর কিছু সময় বিরতি নিয়ে বাকী তিনটা পিল চেজ করে তারা আবার জ্যাজে উপর চড়াও হয়। জ্যাজের গোংগানী আইয়ান এর সাউন্ড প্রুফ ঘর ভেদ করে বাইরে যেতে পারে না।
রাত সাড়ে এগারোটার দিক একটা শর্টস আর একটা টি-শার্ট পরিয়ে জ্যাজ কে লাথি দিয়ে আইয়ান তার বাসা থেকে বের করে দেয়। আর বলে " গো এন্ড ফাক ইয়োর আগলি-মামা, ইউ মাদারফাকার।
comment by: মুহিব বলেছেন: জটিল। বাস্তবের মত। আমারও একটু শখ হচ্ছে ...................
লেখক বলেছেন: কিরকম শখ?
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
হুমম..ভাঙ্গনের শব্দ শুনি !
ভালো খারাপ এখনও বলতে পারছি না !
লেখক বলেছেন: কি ধরনের ভাঙ্গন? বুঝি নাই।
comment by: ইফতেখার ইনান বলেছেন: কিরুম জানি...
লেখক বলেছেন: কিরুম?
comment by: নিসর্গ পথিক বলেছেন: জটিল...কেমন যেন...
লেখক বলেছেন: কেমন???
comment by: ইফতেখার ইনান বলেছেন: এট্টু কঠিন.. হার্ডকোর.. খিকজ্
লেখক বলেছেন: হুমম... হা হা ।
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
সমাজের ভাঙ্গন আর গল্পেরও । আপনার ধারাটা ভালোই লাগছে ।
যে সত্যকে দেখতে ছুঁতে ভয় পাই আমরা, আপনার গল্পে উঠে আসছে তা ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শিপন। তবে আমি কিছুই ভাংতে চাই না।
comment by: বৃত্তবন্দী বলেছেন: জটিলস
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বৃত্তবন্দী।
মুছে ফেলুন
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: usage একটু কৃত্রিম হয়ে গেছে, go fuck yourself কথাটি অধিক প্রচলিত, fuck you বললেও সাবলীল হতে পারতো।
বেশ কিছু জায়গায় বর্ণনা ও ভাবপ্রকাশ আরষ্ট হয়ে গেছে, যথা, "তারা মত্ত হল, লিপ্ত হল"।
euphemism-এর অপ্রয়োজনীয় প্রযোগ গল্পের narrative-কে দুর্বল করে ফেলেছে এক জায়গায়, যথা, "পেছনের দরজা"।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। মৈথুনানন্দ আমাকে আরো জানতে হবে।
comment by: মুহিব বলেছেন: একটু ভাবের জগতে বিচরন করলাম। আপনি ফিল্ম মেকার। আপনার চোখে একটু আমরাও দেখলাম।
আউট অফ ফোকাসে কি একটু চান্স ..........
লেখক বলেছেন: আপনার ছবি দেখে ভালই লাগল। যোগাযোগ আর আপনার সম্পর্কে জানতে চাই। তাহলে একসাথে কাজ করতে পারব।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



