somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

** বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য ও ভাস্কর্য এর অন্তনিহিত ইতিহাস : পর্ব - ০২ **

২৬ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

** বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য ও ভাস্কর্য এর অন্তনিহিত ইতিহাস : পর্ব - ০১ ** (যারা আগের পর্ব - ০১ মিস করেছেন)



**জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
>>স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের স্মরণে নির্মাণ করা হয় এই স্মৃতিসৌধ।
>>এটি ঢাকা থেকে ৩৫ কিমি উত্তর পশ্চিমে সাভারে অবস্হিত।
>>১৯৭২ সালে প্রথম পরিকল্পনা করা হয় সৌধটি নির্মাণের। ১৯৭৮ সালের জুনে একটি ডিজাইন কম্পিটিশনের মাধ্যমে সারা দেশ থেকে ৫৭ টি ডিজাইন নেয়া হয়। এর মধ্য থেকে সৈয়দ মইনুল হোসেনের ডিজাইন গ্রহন করা হয়।
>>সৌধটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালে।
>>এতে ৭ টি পিরামিড আকৃতির মনুমেন্ট আছে, তার মধ্যে মাঝেরটি সবচেয়ে বড়। এর উচ্চতা ১৫০ ফুট।



**জাতীয় সংসদ ভবন:
প্রখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই কান এর মূল স্থপতি।
জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণ শুরু হয় ১৯৬১ সালে, ১৯৮২ সালের ২৮ শে জানুয়ারী নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর একই বছরের ১৫ই ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশের দ্বিতীয় সংসদের অষ্টম (এবং শেষ) অধিবেশনে প্রথম সংসদ ভবন ব্যবহৃত হয়।
>>২০০ একর জায়গা নিয়ে এটি অবস্হিত। মোট ব্যয় ১২৯ কোটি টাকা।


মূল ভবনটি তিন ভাগে বিভক্ত
১. মেইন প্লাজা
২. সাউথ প্লাজা
৩. প্রেসিডেন্সিয়াল প্লাজা

মূল ভবনটি নয়টি পৃথক ব্লক দিয়ে তৈরী: মাঝের অষ্টভূজ ব্লকটির উচ্চতা ১৫৫ ফুট এবং বাকি আটটি ব্লকের উচ্চতা ১১০ ফুট। পুরো ভবনটির নকশা এমনভাবে প্রনয়ন করা হয়েছে যাতে সব ব্লকগুলোর সমন্বয়ে একটি ব্লকের অভিন্ন স্থান হিসাবে ব্যবহার করা যায়।

মেইন প্লাজার মূল অংশটি হচ্ছে সংসদ অধিবেশন কক্ষ। এখানে একই সময়ে ৩৫৪ জন সদস্যের সংস্থান রাখা হয়েছে। ভিআইপিদের জন্য দুইটি পোডিয়াম এবং দুইটি গ্যালারী রয়েছে।
পরাবৃত্তাকার ছাদসম্পন্ন অধিবেশন কক্ষটির উচ্চতা ১১৭ ফুট। ছাদটি স্বচ্ছভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে দিনের আলো এতে প্রবেশ করতে পারে। সূর্যের আলো চারদিকের ঘেরা দেয়াল ও অষ্টভূজকৃতির ড্রামে প্রতিফলিত হয়ে অধিবেশন কক্ষ প্রবেশ করে। কৃত্রিম আলোকে এমনভাবে বিভক্ত করা হয়েছে যে সূর্যের আলোর প্রবেশের ক্ষেত্রে তা কোনো বাধার সৃষ্টি করতে পারে না।

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১:০০
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার ভাবনায় তুমি

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ২৬ শে মে, ২০১৭ রাত ১:৪৯



আমি হবো সকালবেলার পাখি’’ এই প্রতিজ্ঞা জড়িয়ে যায় নিজের অজান্তে ভালোলাগায়। খানিক বুঝে উঠার সাথে পণ করি বিদ্রোহী হবার। কী ‌দুর্বার ভালোলাগায় মুখস্ত করে ফেলি কয়েক পাতা বিস্তৃত কবিতাটি। শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাস্কর কাঁদলেন, কাঁদালেন

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ২৬ শে মে, ২০১৭ রাত ৩:০০

টিভিতে লাইভ অনুষ্ঠানে নজরুলের গান শুনছিলাম। এমন সময় স্ক্রলে ভেসে উঠলো একটি লাইন, লাল কালিতে: 'সুপ্রিম কোর্টের সামনে গ্রিক দেবীর আদলে তৈরি মূর্তি সরানোর কাজ চলছে'। চমক লাগলো না, কারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ কি সত্যিই অমানুষ!!

লিখেছেন অতৃপ্তচোখ, ২৬ শে মে, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৩

একজন শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক! হা হা হা.....!!! জাতি শিখছে এদের থেকেই!!!

ছবিটি ফেসবুকে পাইলাম! ছবির মানুষটি সম্পর্কে জানতে আগ্রহী গেলাম কেন যেন! এমন স্বভাবী মানুষ সম্পর্কে জানার আগ্রহ জাগাটা অস্বাভাবিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

হেফাজতের দাবীর মুখে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গন থেকে ভাস্কর্য সরানো নিয়ে কিছু প্রাসঙ্গিক আলোচনা......

লিখেছেন জেন রসি, ২৬ শে মে, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৭



বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত প্রাঙ্গনে রোমান যুগের ন্যায়বিচারের প্রতীক লেডি জাস্টিসের আদলে একটি ভাস্কর্য স্পাপন করা হয়েছিল। ভাস্কর্যটির শিল্পী মৃণাল হক। কাল রাতে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গন থেকে ভাস্কর্যটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যুর পর একাউন্ট ডিলিশন :|

লিখেছেন চানাচুর, ২৬ শে মে, ২০১৭ রাত ৯:৩০



মৃত্যুর চিন্তা আসতেই পারে। যদিও মৃত্যু চিন্তা আসাটা অস্বাভাবিক। কিন্তু একটা মানুষ শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকলে কিংবা মনের দিক থেকে দুর্বল থাকলে মৃত্যু চিন্তা আসাটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×