আমার প্রিয় পোস্ট

তিন বছর তিন মাস...অনেক স্মৃতি...

...অভাগা জনশক্তি...

১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:১৫

শেয়ারঃ
0 1 0

সেই পুরোনো দাস ব্যাবসা! দেশে দেশে চলছে। প্রায় বিনামূল্যে শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে দরিদ্র দেশ থেকে, যাদের আনা হচ্ছে, এমনভাবে বেতন দেয়া হচ্ছে যাতে তারা শুধুমাত্র খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকতে পারে, উদ্বৃত্ত বলে কিছুই থাকছে না হাতে, কি লাভ হচ্ছে এই বেচারা শ্রমিকদের, কি লাভ হচ্ছে একলা পড়ে থাকা স্বজনদের, কি লাভ হচ্ছে দেশের!

আদমব্যাবসায়ীরাই শুধু ফুলে ফেঁপে উঠছে!




তেলের মুল্যবৃদ্ধিতে স্ফীতমান দুবাই অর্থনীতি, বাড়তি শ্রমচাহিদা মেটাচ্ছে অভিবাসী শ্রমিক


উপসাগরীয় অঞ্চলে নিয়োজিত ১৭ মিলিয়ন অভিবাসী শ্রমিকের কোন একজন... তার দুদন্ড জিরিয়ে নেয়া।


অভিবাসী শ্রমিকদের আর কখনোই জীবনের সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠা হয়ে ওঠে না... পড়তি ডলারে পাওয়া বেতন ক্রমশই ক্রয়ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।


সূর্যতাপ আর উচ্চমূল্যের পানি প্রায়শই কঠিন কর্মপরিবেশকে আরো অসহনীয় করে তোলে, সামান্য বিশ্রামের জন্য তারা এভাবেই লুটিয়ে পড়ে পার্কে।


দুবাইয়ের আকাশছোঁয়া দালানগুলি উঠে দাঁড়ায় দক্ষিন এশিয় রক্তজল করা সস্তা ঘামের বিনিময়ে।


দুবাইয়ের ঠিক বাইরেই সোনাপুর লেবার ক্যাম্প: যেখানে শত হাজার শ্রমিকের পুঁতিগন্ধময় আবর্জনা আর মানববর্জ্যের সাথে বসবাস।


লেবার ক্যাম্পে মানবেতর পরিবেশে নিজের বাঙ্কের নিচে বসে এক ভারতীয় শ্রমিক।


ভিসা-দালাল-টিকেট বাবদ বিশাল ঋনের বোঝা মাথায় নিয়ে শ্রমিকেরা মানবেতর জীবন যাপনে বাধ্য হয়।


লেবার ক্যাম্পের বাইরে খাবারের দোকানের সামনে বিশাল লাইন। উচ্চমুল্যের খাবার কিনতেই এদের সামান্য বেতনের বেশিরভাগই বেরিয়ে যায়, দেশে তাকিয়ে থাকা স্বজনের জন্য হাতে থাকে সামান্যই।


দুবাইয়ের আলোকসজ্জার টেনে আনে অনেক শ্রমিককে, আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলে ঋণ, দারিদ্র্য আর মানবেতর পরিবেশে।

সৌজন্যে: টাইম Click This Link

 

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৩৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:২২
নাফে মোহাম্মদ এনাম বলেছেন: এ কেমন গল্প? আমার মন খারাপ করে?
এ কেমন গল্প যা মানুষকে মারে?
১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: গল্প না, বাস্তবতা। আমাদের 'জনশক্তি' কি পরিবেশে থেকে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করে দেখুন।

২. ১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:২৪
নতুন বলেছেন: আরিফ ভাই... আমিতো দুবাই তে কামলায় যাওয়ার চিন্তা করছি...

হোটেলে যারা কামলা দেয় তাদের অবস্থাকি??

জানা থাকলে একটু সেয়ার করবেন... :(
১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: জানি না ভাই, নির্মান শ্রমিদের অবস্থাতো দেখছেন। অন্যদের অবস্থা না জেনে মন্তব্য করতে পারছি না। ওখানে অলরেডি নিয়োজিত কারো কাছ থেকে জানার চেষ্টা করতে পারেন মনে হয়।

৩. ১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৩৫
শিমু নুমান বলেছেন: আমার এক একবার অণ্যের ভিসা কিনে আসল ভিসা মনে করে। কিন্তু খবর নিতে থাকে গিয়ে ভিসা জাল্। অর্থাৎ বিমান বন্দর থেকে চেক করলে তাকে মিথ্যা বলতে হবে নিজের নাম পিতার নাম। সহজ সরল মানুষ এটা পারবে না তাইতাই আর তার দুবাই যাওয়া হয়নি। অনেকগুলো টাকা লস খেয়েছে। এই ছবিগুলো বলে দেয় টাকা পয়সা আয় অনেক কষ্ট।
ধন্যবাদ ভাই । চমৎকার পোষ্ট দেয়ার জন্য। দবাই সম্পর্কে আমার কিছু তথ্য দরকার আপনি কি আমাকে আপনার মেইল ঠিকানা দিবেন।
১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: ছবিগুলো টাইম সাময়ীকি থেকে নেয়া, আমি দুবাই থাকি না। আপনাকে কোন সহায়তা করতে পারছি না বলে দুঃখিত।

৪. ১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৫
শিমু নুমান বলেছেন: অবশ্য আপনি যদি দুবাই থাকেন
৫. ১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৬
নতুন বলেছেন: আমাদের মানুষ আজও কাজ করিয়া ভাবে.... তাই এই সমস্যা...

এখন মালেয়েশিয়াতে এই অবস্থা চলছে....

এরা ২০০০০০টাকা দিয়া এসে এখন সবচ্ছো ৮০০-৯০০রিংগতের কাজ পেতে পারে..তা ও শতকরা ৩০% এখনো কাজ পায়নাই বলে আমার ধারনা...

১০থেকে ১২ঘনটা ডিউটি.. ৮০০রিংগতের এর ৩০০চলে যায়..মানবেতন জীবন যাপন করতে... তার পর বছরে ভিসা করার জন্য টাকা দরকার হবে প্রতি বছর... সবচ্চ ৫০০রিংগতে=১০০০০টাকা বাচাতে পারে সবচ্চো ৫০% ... তাহলে ২০ মাস লাগবে শুধু মাত্র আসার খরচ ২লাখ টাকা তুলতে...

যার অথ` হলো.. নিজে ২লাখ টাকা খরচ করে ২ বছর মালোয়েশিয়াতে কামলা দিয়া ২লাখ তুলতে হবে... তার পরে কিছু জমানোর চেস্টা... :(

আর এর পেছনে আমাদের সব আদম ব্যবসাইরা দায়ী... তারা জেনে সুনে এই লোকদের এই দেশে এনেছে...
১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: সেই পুরোনো দাস ব্যাবসা! দেশে দেশে চলছে। প্রায় বিনামূল্যে শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে দরিদ্র দেশ থেকে, যাদের আনা হচ্ছে, এমনভাবে বেতন দেয়া হচ্ছে যাতে তারা শুধুমাত্র খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকতে পারে, উদ্বৃত্ত বলে কিছুই থাকছে না হাতে, কি লাভ হচ্ছে এই বেচারা শ্রমিকদের, কি লাভ হচ্ছে একলা পড়ে থাকা স্বজনদের, কি লাভ হচ্ছে দেশের!

আদমব্যাবসায়ীরাই শুধু ফুলে ফেঁপে উঠছে!

১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:২৮

লেখক বলেছেন: হু ম ম

৭. ১৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৫২
নেমেসিস বলেছেন: এই নিয়া তিনবার এই পোস্টটে আসলাম । কোন বারই কমেন্ট করতে পারছিলাম না । মনটা অনেক খারাপ করে দিলেন আরিফ ভাই ।
১৭ ই মে, ২০০৮ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন: সরি, নিজের ও মনটা খারাপ হয়ে গিয়েছিলো, আমার বড় মামা ও একসময় এমন পরিশ্রম করেছেন।

১৭ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু!

৯. ১৭ ই মে, ২০০৮ রাত ১:১৩
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: স্যালুট এইসব হার না মানা শ্রমিককে।
১৭ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:১১

লেখক বলেছেন: Right!

১০. ১৮ ই মে, ২০০৮ রাত ২:০১
মহাকাল বলেছেন:
রূঢ় সত্য ! এই অবস্হা এখন মিডল ইষ্টে প্রবাসীদের সওয়া হয়ে গেছে। আমার তো মনে হয় সৌদি আরবের অবস্থা আরো কেরোসিন
১৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৩:০৭

লেখক বলেছেন: যেখানে আয় ব্যায় সমান সেখানে বিদেশ গিয়ে কি লাভ, মাঝখান থেকে ঋণের বোঝা বাড়তি চাপ!

দুঃখ হয়!

১১. ১৮ ই মে, ২০০৮ ভোর ৬:৫৭
রাশেদ বলেছেন: দুঃখজনক কিন্তু বাস্তব।
১৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: হুম

১৯ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:১৬

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু!

১৪. ০৯ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮
মাহবুব সুমন বলেছেন: প্রতিটা ছবি একেকটা তীর :(
১৫. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫৯
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: আমাদের চোখ খুলে দেয়। তারপরও তৃতীয় বিশ্বের সরকার রা নির্বিকার কেন ?
থ্যাংকস ফর পোষ্ট
১৬. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০১
চাঙ্কু বলেছেন: অনেক ভাল পোষ্ট । ধন্যবাদ ।
০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ২:১৬

লেখক বলেছেন: থেঙ্কু!

১৯. ৩০ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৭
রেডসিগনাল বলেছেন: আপনার লেখায় সব টুকু বাস্তবতাই ফুটে উঠেছে ।
২০. ৩০ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩১
ভিন্ন চিন্তা বলেছেন: মানবতা যেখানে নিভৃত্যে কাঁদ................পড়তে গিয়ে আপনার লেখাটি পড়লাম।

ছবির গুলো উপস্থাপনার ঢং টা খুব ভাল লেগেছে।

''সেই পুরোনো দাস ব্যাবসা! দেশে দেশে চলছে।''................

উপলব্ধী টা সঠিক্ সত্য। গ্রীসে কিংবা মিশরে ৫ হাজার বছর আগে যে সভ্যতার সূচনা হযেছিল , তা ছিল যুদ্ধ পরাস্থ জাতি গোষ্ঠির নারী পুরুষের শ্রমে।

আজ মধ্য প্রাচ্য কিংবা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার উৎকর্ষতা আমাদের মত দেশের শ্রমিকের নিরুপায় আত্মসমার্পনে গড়া।
০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: এখনো দাস ব্যাবসা চলে... তবে চাবুক আর শেকলের বদলে এসেছে অর্থনীতির কাঁটাময় বাস্তবতা।

দরিদ্র দেশের দরিদ্র 'জনশক্তি' আজ তাই বাধ্য হয় জীবন বিলিয়ে দিতে আরবের বুক ফুঁড়ে অট্টালিকা গড়তে।

২১. ৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:০২
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: আরিফ ভাই আমার কাছে আরো ভয়ানক কিছু ছবি আছে এগুলো দেখলে নিজের মাথাই ঠিক থাকে না।

ভালো থাকেন।
০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: আমাদের কবে আত্মধিক্কার আসবে, কবে আমরা নিজের দেশেই জীবিকা অর্জনে সক্ষম হবো? জাতি হিসেবে আমাদের লজ্জা হওয়া উচিত দেশের পেশী/মগজ এভাবে বিদেশে গিয়ে অপচয় হয়।

২২. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৫৪
কঠিনলজিক বলেছেন: ছবি এবং বাস্তবতা করুন নিঃসন্দেহে । তবে এই বাস্তবতার পেছনের চিত্র আরো ভয়াবহ ।

এ শ্রমিক দের কে কেউ জোর করে আনে না। বরং শ্রমিক রাই জোর করে আসতে বাধ্য হয়। দেশে থাকলে হয়তো তার এক খন্ড জমি ছিল যার মূল্য ৩ লক্ষ টাকা । ৩ লক্ষ টাকার জমি থেকে মাসে ১০০০ টাকা উপার্জন অসম্ভব। সেই জমি টা বিক্রি করে বিদেশে আসলে মাসে হয়তো ৩-৫০০০ টাকা দেশে পাঠানো সম্ভব। কথা টা উল্টা ভাবে দেখলে ঐ জমি দেশে থাকলে দিত ১০০০ টাকা এখন জমি টি নাই তার পরিবর্তে পাচ্ছে মাসে ৫০০০ টাকা ।
এ খানে শ্রমিক টি উপায়ান্তর ।
আবার একটা ভ্যাকেন্সি হলে সেখানে যেমন বাংলাদেশ/ভারত/পাকিস্তান এর ৫০ ন্যুনতম আবেদন পড়ে তখন স্বভাবতই মালিক পক্ষ অমানবিকতার আশ্রয় নিয়ে সর্বনিম্ম খরচ টাকেই প্রধান্য দেয় ।
এই অমানবিক আচরণে জড়িত আমাদের দেশের সরকার এবং অবিশ্যাস্ব ভাবে খোদ জাতিসংঘ !!!
জাতিসংঘ এর এন্টি হিউম্যান ট্রাফিকিং এবং লেবার রাইট উইং সবকিছু যেনে শুনে চুপ ।
বাংলাদেশের শিশু শ্রম বন্ধে তারা সক্রীয় কারণ শিশু শ্রমের সাথে বড় কর্পোরেট কম্পানী গুলোর মুনাফা জড়িত না, আর এখানে চুপ কারণ বিশ্বের সব চেয়ে বড় কর্পোরেট তেল/আবাসন/হোটেল/কন্স্ট্রাকশন/ফুড চেইন/পোর্ট এবং ট্রান্সপোর্ট কম্পানী গুলোর স্বার্থ এবং মুনাফা জড়িত ।

গত ৫০ বছরে মধ্য প্রাচ্যের শ্রমিক দের স্বার্থ সংরক্ষন করার জন্য জাতিসংঘ একটা গাইড লাইন পর্যন্ত ইস্যু করে নাই ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৫৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ডুবে যাক্ এ পৃথিবী পঙ্কিলতার অতলে।
নতুন পৃথিবীর হয়তো এইই একমাত্র পথ।

অনেক ধন্যবাদ সবাইকে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ