গতকাল সন্ধ্যায় ফ্রেন্ডের বাসায় বেশ ভারী ইফতার খেয়ে বাসায় এসে টুকটাক খেয়ে ছবি দেখে সুবোধ বালকের মতো ঘুমায় পরছিলাম। কিন্তু ঠিক মতো ঘুমাতে না ঘুমাতেই নিদ্রা দেবীর মনে হয় তাড়া ছিল , উনি তল্পী তল্পা সহ দৌড় দেন। বিরস মুখে এক গড়ান দিতেই মনে হলো একটু রান্না করি।
সোজা রান্না ঘরে। গাজরের হালুয়া রান্না করবো দেখে বেশ কিছুদিন আগে গাজর কিনে রেখেছিলাম। চিন্তা করলাম সেটাই করি। গাজর কাটার সময়েই মনে হচ্ছিল একটু একটু ক্ষুধা লাগছে --ভাত টাও বসায় দেই। চাল ধুয়ে পানি দিয়া রাইস কুকারে বসায় দিলাম। কি তরকারী রান্না করবো চিন্তা করতে করতে মুরগী বের করলাম ফ্রীজ থেকে। যাই হোক পিয়াজ মরিচ কাটা শেষ হলে মসলা মাখাতে যেয়ে মনে হলো তেল নাই
ভাত নিতে যাবো..রাইস কুকার খুলে আমি বেকুব। দেখি যে চাল ছিল তাই আছে। নজর দিয়া দেখি সুইচ অন করতে ভুইলা গেছিলাম
যাই হোক খাইতে খাইতে সাড়ে চার টা......
আজকে বিকেলে রূম মেট তার স্টাইলে বিরিয়ানী রান্না করেছিল....এক শব্দে বলতে গেলে বলতে হয় WOW.........
এত সহজে বিরিয়ানী রান্না করা খুব কম দেকছি।
ধরে নেই তিন পট চাউলের বিরিয়ানী রান্না করা হবে।
একটা বড় পিয়াজ কুচিকরে কাটা....কয়েকটা মরিচ চিরে কিছুটা আদা কুচি এবং রসুন কুচি করে কেটে গরম মসলা সহ মোটামুটি ৫০০/৬০০ গ্রাম ছোট করে কাটা মুরগী চার পট পানি এক চামুচ লবন দিয়া সিদ্ধ করতে দিয়া দেন। মোটামুটি ৩০ মিনিট ধরে সিদ্ধ করে পানি আর মাংস আলাদা আলাদা করে রাখুন।
চাউল গুলি ভালোকরে ধুয়ে একটা পাত্রে ছড়ায় দেন।
এবার আরেকটা পিয়াজ কুচি করে কেটে পাচ টেবিল চামুচ তেলে ভালো করে ভাজতে থাকুন। পিয়াজ যখন গোল্ডেন ব্রাউন হয়ে যাবে তখন চাল গুলো দিয়া দিন। চাল কিছু সময় ( ৩।৪মিনিট ) ভাজার পর আলাদা করা রাখা সিদ্ধ মাংস গুলি দিয়া আরেকটু নাড়া চাড়া করেন। এবার সিদ্ধ করা মাংসের পানি যে পটে চাউল মাপছেন সেই পটের সাড়ে চার কাপ পানি চাউলের মাঝে দিয়া দেন। ( পানি কম পড়লে গরম পানি দিয়া গ্যাপ পুরন করতে পারেন )
এবার সব কিছু সহ রাইস কুকারে দিয়া দেন..... রাইস কুকারের সুইচ অন করতে ভুইলেন না......
হ্যাপী বিরিয়ানী খাওয়া.....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



