আমার প্রিয় পোস্ট

শঙ্খপাপ আমার

ভাত

১১ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৫৯

শেয়ারঃ
0 0 0

রসুল উৎসুক দৃষ্টিতে চারপাশে তাকাল। প্রায় সবাই কাজে ব্যস্ত, থাকারই কথা; কারণ, অনতিদূরে দাঁড়িয়ে ব্যবস্থাপক কলিমউদ্দিন শ্যোনদৃষ্টিতে মাপছে শ্রমিকদের। তার হাতে মুঠোফোন, মালিককে তোষামোদে ব্যস্ত।
শহরতলীর কাছাকাছিই এই ধান-মাড়ানো-কল। আশপাশে গাছপালার বালাই কম, বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে অনুর্বর জমি। দূরে শহরে যাওয়ার মহাসড়ক চোখে পড়ে, জানান দেয় হাতছানি পল্লীর।
রসুল কাজে মনোযোগ দিতে চেষ্টা করল। ভালো টাকা না পেলে আজও উপোস দিতে হবে। আজ তিনদিন ধরে ভাতের মাড় আর ধনেপাতার ভক্তা ছাড়া পড়েনি কিছু পেঠে। আজকাল আর হাহাকার লাগে না, কিন্তু ছোট বাচ্চাটার দিকে তাকালে জলে ভরে আসে চক্ষু দুখানি। তিন-তিনটা বাচ্চা তার। আমার দোষ, রসুল খিস্তি করে, আর বাচ্চা লোমু না। কিন্তু এ পরিকল্পনা কার্যকর হয়না, মাষ মাসে তীব্র শীতের কোন আনন্দঘন মূর্হুতে, কিংবা সহজলভ্য বিনোদনের কাছে হারমানা কারোর।
আজ তিনদিন উপোস ওরা। "আজ চুরি করে হলেও চাল নিব", রসুল নিজ মনে আওড়ায়, "পোলাপানের মুখ দেখবার পারিনা আমি। আমি এক অধম পিতা"।
সত্যেনদা শহরে ভালো কাজের জন্য যেতে বলেছিল। রসুল যায়নি, পিতৃভূম ছেড়ে কে যেতে চায়। আমি এখানে থেকেই জীবন পার করব, এযেন রসুলের মতন ঘোয়ার লোকদের পণ।
আকাশে মেঘ জমছে। উত্তর দিগন্তে কালো মেঘের আঁচল পড়েছে। পাখিদের ঘরে ফেরার ব্যস্ত আনাগোনা।
"কি রসুল ভাই, কাজে মন নাই কেন?" শুধায় সহ-শ্রমিক কামলাল।
"শক্তি নারে"। ঘরঘর করে ওঠে রসুল।
"খাও নাই?" ভ্রু-কুঁচকায় কামলাল, "তোমাদের নিয়ে পারা গেল না। যতসব"। দূরে সরে যায় কামলাল, রসুল কিছু বলার আগেই।
পাঁচটার দিকে কাজ শেষ হবে ওর। কিছু নিতে পারলেই তবে আজ রান্না হবে। কিন্তু নিবে কিভাবে? একটা থলে কিংবা কাপুড়ে কিছু তো চাই।
রসুল প্রকৃতির ডাকের সাড়া দেয়ার কথা বলে কল পাড়ে চলে এল। এখানটায় হয়ত কোন থলে পাওয়া যেতেও পারে। হ্যাঁ, ঐতো, একটা। রসুল কুঁড়িয়ে নেয় থলেটা, বুক পকেটে লুকিয়ে রাখে সযতনে।
ছুটির সময় সবাই যখন নিজ নিজ কার্যে ব্যস্ত, রসুল থলেটা বের করে, দ্রুত অনাড়ী হাতে ধান ভরে সে। আরো কিছু, তবে কালও হয়ে যাবে। আর কিছু কি নিবে? তাহলে তিনদিনের জন্য চিন্তা নাই, আর তিনদিন পরে তো সাপ্তাহিক মাইনে পাবে ও, তখন চাল-ডাল কিনে নেয়া যাবে।
"কিরে তুই এখানে কি করিছ?" শীতল অথচ নরম কন্ঠে বলে ওঠে কলিমউদ্দিন। কখন যে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে রসুল টেরও পাইনি।
"জ্বী, জ্বী..... কিছুই করিনা"। নিজেকে অভিশাপ দিল রসুল, মনে মনে।
"সবাই চলে গেল সেই কখন, তুই এখনো যাস নি?" রসুলের হাতে ধরা থলেটা হঠাৎ চাক্ষুস করে কলিমউদ্দিন। " হাতে ঐটা কিরে তোর?" কলিমউদ্দিন উৎকন্ঠিত স্বরে জানতে চায়।
"নাতো, কিছু না।"
হঠাৎ কি মনে হল, হাতের থলেটাসহ দৌড় দেয় রসুল, মরণদৌড়।
"নিয়ে গেলরে, নিয়ে গেলরে। তোরা কোথায় সব? সব ধান নিয়ে গেলরে রসুল্লাই।" কঁকিয়ে, চিৎকার করে ওঠে কলিমউদ্দিন।
পিছন পিছন সে তাড়া করে রসুলকে।
দৌড়ে অনেকখানি এগিয়ে রসুল, ওকে যে এই চাল পৌঁছে দিতে হবে আমেনার হাতে। ছেলেটা না খেয়ে আছে, ভাবতে ভাবতে আরো বল পায় রসুল, অনেকখানি এগিয়ে যায় আরো।
মাঠের 'পরে রাখা তক্তার সাথে বাড়ি খেয়ে পড়ে গেল রসুল। থলেভর্তি ধানগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে মাঠে। চিরে গেছে হাত, তবুও সাবধানী হাতে ঐগুলো কুঁড়িয়ে নিতে যায় রসুল, কিন্তু ততক্ষণে পৌঁছেগেছে কলিমউদ্দিন। কষে লাথি মারে রসুলকে।
"শালা, ধান চুরি করিস। তোকে আমি ভালো ভেবে কাজ দিলুম, আর তুই কিনা আমারে ফাঁকি দিয়ে ধান চুরি করিস"।
বাচ্চাটার মুখখানি ভেসে ওঠে মানসপঠে। হাত ধাক্কা দিয়ে কলিমউদ্দিনকে সরিয়ে দিয়ে উঠে দাঁড়ায় রসুল। কিন্তু অন্য শ্রমিকরা ততক্ষণে ঘিরে ফেলেছে ওদের। পালানোর পথ নেই ওর।
"ওরে আমারে যাইবার দে। আমার বাপজান না খাইয়ে আছে"। ঢুঁকরে কেঁদে উঠে রসুল। তার আহাজারি ঈশ্বরের কানে হয়ত পৌঁছায়, কিন্তু শ্রমিকদের কানে পৌঁছায় না; কারণ, এখন রসুলকে আটকালে মাইনের সাথে বাড়তি কিছু টাকা পাওয়া যাবে।
ধাক্কা দিয়ে রসুলকে মাটিতে ফেলা হল, তারপর আলোপাতাড়ি লাথি আর কিল-ঘুঁসি।
বৃষ্টি নামতে শুরু করেছে। ধানের থলেটা কেড়ে নিয়ে কলিমউদ্দিন থানায় ফোন করল।
নিথর পড়ে আছে রসুল। বৃষ্টির জলে ধুয়ে যাচ্ছে তার রক্ত, ঝাপসা হয়ে আসছে দৃষ্টি। ঠিক পুরোপুরি ঝাপসা হয়ে আসার আগে চোখের সামনে ভেসে উঠল একথালা ডালমাখা ভাতের ছবি, যার নিরবিচ্ছিন যোগান দিতে পারেনি তার পাঁচ বছরের ধান-মাড়ানো-কলের কাজও।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প ছোটগল্প  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১১ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। প্রথম গল্প দিলাম।

১১ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:১৫

লেখক বলেছেন: কেন? পড় নাই? কিছু বল!

৩. ১১ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:২৫
েবহাগ বলেছেন:
রাসুলের পবিত্র নাম এমনে ব্যবহার করলেন? রাসুলরে অসম্মান করলেন? আপনারে আরিফের মত জেলে দেয়া উচিত। মাইনাচ।
১১ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:৪০

লেখক বলেছেন: কি বুঝাচ্ছেন আপনি?

৪. ১১ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৩৮
রাশেদ বলেছেন: হু, লেখাটা ভালো লাগছে।

ভক্তা=ভর্তা হবে মনে হয়।

আসলে দুঃখ টাইপ লেখাতে কমেন্ট করতে পারি না।

প্রথম গল্প হিসেবে চমৎকার হইছে। তোমার গল্প লেখা উচিত মাঝে মাঝে। তবে টপিকটা কিন্তু একটু পুরানো, অনাহারে থাকা পরিবারের কথা চিন্তা করে চুরি বা অন্যায় করা আর ধরা পড়া এইটা বুঝা যায় গল্পটা পড়া শুরু করার পরেই। টপিক এ ভিন্নতা আনো। তবে লেখাটা আমার পছন্দ হইছে।
১১ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমাকে সুন্দর মন্তব্যের কারণে। নানান বানান ভুল আছে, আমিও লক্ষ্য করেছিলুম, ধন্যবাদ সংশোধনের জন্য।

অনাহারে থেকে চুরি করার দিকে ধাবিত হওয়ার ঘটনা গল্পের থিম না, বরং আমি মনে করি শেষ লাইনটায় মুখ্য :
"ঠিক পুরোপুরি ঝাপসা হয়ে আসার আগে চোখের সামনে ভেসে উঠল একথালা ডালমাখা ভাতের ছবি, যার নিরবিচ্ছিন যোগান দিতে পারেনি তার পাঁচ বছরের ধান-মাড়ানো-কলের কাজও"।

৫. ১১ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৪২
আবুল বাহার বলেছেন: সুন্দর , প্রথম গল্প বোঝা গেল না । প্রথম শেষ কোন কথা নয় । কথা হল লেখা কেমন হল ।

ধন্যবাদ ভাল লগার জন্য ।
১১ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৬

লেখক বলেছেন: বিনীত ধন্যবাদ। প্রেরনা পেলাম।

৬. ১১ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৫৫
চাঁদের বুড়ি বলেছেন: সর্বনাশা দারিদ্র!........... চমৎকার লিখেছেন।

অনেক গল্প-কবিতাতো রচনা হল ওদের নিয়ে। কই, দিনতো বদলায় না। ওদের দিন বদলের আশাতেই আমাদের দিন কেটে যায়।
১১ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: প্রথম ছাপা গল্প হিসেবে দারিদ্র হয়ত থিম হিসেবে কঠিন, তবুও লিখলাম।
বিনীত ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি আপনাদের মতন পাঠকদের প্রতি, যাদের মন্তব্য প্রেরনা স্বরূপ।

৭. ১১ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৪৯
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: খুব ভালো হয়েছে লেখা।সাবলীল।
আমরা যারা গল্প কাহিনী ভেবে লেখাটা পড়ছি,তারা জানিনা কি ভীষণ দুঃখে আছে তারা(বাস্তবের রসুলরা)।
মন খারাপ করা লেখা........অথচ খুব প্রয়োজন এইসব লেখালেখির।
শুভকামনা।শুভেচ্ছা।
১১ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫১

লেখক বলেছেন: আপনি কি জানেন আপনার মন্তব্যগুলো আমি খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ি? কারণ, এক দারুণ বিশ্লেষণী ক্ষমতা আছে আপনার।

ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা আপনাকেও।

৮. ১১ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৮:২৮
এস্কিমো বলেছেন: একটানে পড়ে ফেললাম। তারপর মনের অজান্তে একটা দীর্ঘশ্বাস।
ভাল লিখেছেন।

একটু সমালোচনা করি।

রসুল কাজের পর তার মজুরী পেতে পারতো। তাইলে তাকে চুরি করতে হতো না।

দারিদ্রতা তো বিরাট সমস্যা। তবে জন্মনিয়ন্ত্রনের বিষয়ে যে ব্যাখ্যাটা গল্পে আছে সেইটা রসুলের দৃষ্টিভঙ্গী না - লেখকের। তাই একটু বেমানান লাগলো।

সার্বিক ভাবে বলা যায় - দারুন লিখেছেন। চেতনাকে ছুয়ে যায়।

আরো লিখুন ।
১১ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার সুশীল আর বিশ্লেষণী মন্তব্যের জন্য।
উপরের মন্তব্যগুলোর মধ্যে আপনারটা অসাধারণ।
হ্যাঁ, আমারই দৃষ্টিভঙ্গী। আমি তাই ভাবি। এসব দরিদ্র মানুষও জন্মনিয়ন্ত্রন চায় কিন্তু তাদের সাধ্য নেই। বলতে বাঁধে তবু বলি, স্ত্রী হল তাদের প্রধান বিনোদন। তাই......।

৯. ১২ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:১৩
নিহন বলেছেন: ছবিও আঁকো ।

ভালো হবে ।
১২ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: ছবি আঁকলে তুমি কিন্তু আর ভাত পাইবা না। ;)

সুতারাং এমন কোন উপদেশ দিবা না যা নিজের বিরুদ্ধে যায়। :)

১০. ১২ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:৩২
বিটলা বলেছেন: আকাশে মেঘ জমছে। উত্তর দিগন্তে কালো মেঘের আঁচল পড়েছে। পাখিদের ঘরে ফেরার ব্যস্ত আনাগোনা।

পি...লা...স+++ দারুণ হয়েছে।
আরো চাই।
১২ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। কৃতজ্ঞতা।

১১. ১৫ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৪:২৫
নিহন বলেছেন: লেখক বলেছেন: ছবি আঁকলে তুমি কিন্তু আর ভাত পাইবা না। ;)

সুতারাং এমন কোন উপদেশ দিবা না যা নিজের বিরুদ্ধে যায়।



;;;;;;;;;;;;
তাই ??
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: হি হি।;) আঁকবো নাকি? :)

১২. ১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:৪০
হ্যারি সেলডন বলেছেন: আমি কবিতা বুঝিনা। তাই আপনার কবিতাগুলোতে কমেন্ট করিনা তেমন একটা। তবে এ গল্পটা মিস করেছি।

এক কথায় অসাধারণ। খুবই ভাল লেগেছে। কষ্টও লেগেছে। আমার নিজের কাছাকাছি অভিজ্ঞতা আছে।
১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: আপনার ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগল। কবিতা বুঝতে পারেন না! আমরা কবিরা লিখবো কার জন্যে ;)

১৩. ১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:৪৮
হ্যারি সেলডন বলেছেন: আপনার গল্পটা আবার পড়লাম। আমরা কবে যে দেশের সব মানুষের জন্য দুবেলা পেটভরে ভাতটা অন্তত নিশ্চিত করতে পারব আল্লাহ্‌ই জানে। প্রিয়তে নিলাম।
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:০১

লেখক বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে।

১৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: Thank you........

১৫. ১৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:৫৮
মানুষ বলেছেন: খুবই খারাপ হয়েছে। অতিরিক্ত খারাপ। খারাপ লাগছে।
১৬. ১৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: মানে? গল্প ভালো লাগে নাই? কয় কি? আমি শেষ.... এত কষ্ট করে লিখলাম। কেন ভালো লাগে নাই। তুমি তো + দিছ।
১৭. ২০ শে জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩৮
মুকুল বলেছেন: এইটা মিস কর্ছিলাম।

*****
২০ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে, মুকুল ভাই। আপনার সমালোচনা আশা করেছিলাম।

১৮. ২০ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:৪৩
মুকুল বলেছেন: আমি ভাই সমালোচনা করতে পারি না। আমি আসলে প্রেমিক টাইপ মানুষ। সমালোচক না! ;)

আরেক্টা কারণ হলো, সমালোচনা করতে হলে ভালো করে পড়ে ভাবতে হয়। ব্লগে পোস্ট প্রতি সময় দেয়াটা কঠিন। আপনাদের মত বন্ধুদের লেখা পড়তে পড়তেই সময় শেষ হয়ে যায়। সব পড়ে শেষও করতে পারি না। তাই বড় কমেন্টও লেখা হয় না। :|
২০ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:১২

লেখক বলেছেন: প্রেমিক টাইপ! বলেন কি? ;) কয়টা প্রেম হল ? ;)


না পড়ে কিন্তু + দিবেন না, বন্ধু হলেও। আপনার সময় বাড়ানোর জন্য একদিনে ৩০ ঘন্টা করার দাবী জানাচ্ছি। ;)

১৯. ২৭ শে জুন, ২০০৮ রাত ১২:২১
সমাজ্ঞী বলেছেন: গল্প বলায় আপনার দারুন হাত আশরাফ ! জড়তা ছাড়িয়ে আপনার সবালিল বিচরণ আমাকে মুগ্ধ করেছে। শুভেচ্ছা !
২৭ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:০৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ এমন সুন্দর মন্তব্যের জন্য। শুভেচ্ছা।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬০৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
http://ashrafovi.blogspot.com

আমার রচনাই আমি

ashraf_ovi অ্যাট yahoo.ca

© আশরাফ মাহমুদ
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ