আমাদের ছিল বুনো হাওয়ার বৈশাখী রাত-দিন,
কদম বরষা পেরিয়ে নিমন্ত্রণ বসন্তের অনেক দেরী;
আমরা পুরিয়ে যাইনি- উদ্দাম ছিল - হয়নি বিশ্বাসহীন।
মন পাবনের নাও আসবে - আমরা জানতুম অন্তরী।
চড়ুই'র কোমল ফ্যাকাশে বুক যেন তার দুশ্ছেদ্য অনামিকা,
ললাটের কোণে সেই তিল - সূর্যমুখীর পুষ্পরেণু সম;
ঠোঁটের 'পরে তিলের নারীদের মতন তার বিলাসি অশোকা-
দেহপল্লবী। সে আসবেই, আমি অন্তরালে জানতুম।
আমাদের ছিল বুনো হাওয়ার বৈশাখী রাত-দিন,
কদম বরষা পেরিয়ে নিমন্ত্রণ বসন্তের অনেক দেরী।
উলুখড়ের ফাঁপানো 'ছিন' ভিজে আসে ভোর রাত্তিরের
ঘন কুয়াশায়; আমাদের শফেদ গাছ, শিউলী- আরো কত কি।
এইসব দৃশ্যাবলী তার চোখের ভিজে তারায়। মনের
জ্বরে বলা প্রলাপের সুর হারায় ঐ দোয়েল-কোকিল পাখি।
কাঁঠালের হলদে কোষের মতন দেহ বরণ যেন; করুণ
একখানি মুখ। ভোর রাত্তের স্বপ্নে বিভোর দু' চোখ জোড়া।
আমাদের মাঘ শীত ফুরালো তবে এই প্রতিক্ষিত আগমন
আমি তার নাম জঁপি, সে এসেছে; নাম দিলুম, "অঝরা"।
আমাদের এখন কদম বরষা পেরিয়ে নিমন্ত্রণ বসন্তের দিন
বুকে বিশ্বাস, চোখে আশা; স্বাগতম তোমায়, হে ঐশ্বরী।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

