আমার প্রিয় পোস্ট

শঙ্খপাপ আমার

বিপ্রতীপ ভালবাসা: তারিয়ে তারিয়ে সুখ নিয়েছিলাম আমি

১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৬

শেয়ারঃ
0 0 0

ইদানীং বিড়ালটা বড্ড জ্বালাতন করছে। রান্নায় মুখ দিচ্ছে, মাঝরাত্তিরে অন্যরকম খিদে পেয়ে ঘুম ভাঙলে বাথরুমে যাওয়ার সময় পথে ভয় দেখাচ্ছে। গতকাল তো মায়ের জায়নামাজে প্রস্রাব করে দিয়েছিল হতচ্ছাড়াটা। সর্বোপরি যাতনার একশেষ।
আমাদের দোতলা বাড়ির সীমানায় তেমন কোন বড় আলয় নেই। দূরে শিল্পীদের বাড়ি; তারপরে জনপদ কিছুটা বিরান। বিকালের নিরজনে আকাশ প্রেম করে। আমি ছাদ থেকে দেখি, আমি টের পাই; ছাদ থেকে বাড়ির পিছনের আহলাদী দিঘীর জলে নিজের ভাবনার প্রতিবিম্ব দেখি।

বিড়ালটার আগমন ইতিহাস বৈকি। তাকে সর্বপ্রথম দেখতে পাওয়া যায় আমাদের ছাদের চিলেকোঠার কাছটায়। দাদার পারাপারকালীনদশা প্রায়, প্রতি ভোরে তিনি বিকলাঙ্গ পা নিয়ে ইজি-চেয়ারে শুয়ে সবলাঙ্গ রোদ্দুর গায়ে মাখেন। সকালের রোদ স্নানটুকুই তার বিরাট পাওয়া, নতুবা দিনের বাকি সাত প্রহর তার কাটে স্মৃতিজাগানিয়া কোরাস গেয়ে; নিঃশব্দ কোরাসে তিনি নিজের কামরাটিকে আঁকড়ে রাখেন। দাদাই প্রথম দেখেছিলেন বিড়ালটাকে। আগের রাতে বৃষ্টি হয়েছিল বলে সকালের রোদ ছিল তুলা-নরম ভেজা ভেজা, রৌদ্রে ছিলনা গভীর উত্তাপ। সুতারাং ছাদে শুয়ে থাকা প্রায় নিরর্থক। দাদা তার বেল বাজিয়ে আমাকে ডাকলেন; বলা চলে কোন একজনকে ডাকলেন। যেহেতু আমি থাকি চিলেকোঠার ঘর লাগোয়া, আমিই প্রথম উপস্থিত হয়েছিলাম।
"সকাল ভাল্লাগে না। রোদ নাই।"
"হুঁ। ঘরে যাবে?" আমি উৎসুক জানতে চাইলাম।
"নিয়ে চল। রান্না হল কিছু?"
এখানে বলা আবশ্যক যে দাদা সকালে শুধু চিরতার রস পান করেন। তাঁর দুপুরের খানা পরিবেশন করা হয় বেলা এগার কিংবা বারটা নাগাদ। বিকালে তিনি চা পান করেন এবং তার উছিলায় আমরা ছোটরাও। রাত্রে নৈশভোজের পর তিনি কোরআন পাঠ করেন মিহি সুরে। এই ক্ষণটা আমার প্রিয়। যদিও ধর্মকর্মে আমি চিরকালীন উদাসীন, তবুও দাদার তেলাওয়াত আমার নিত্য শ্রাব্য সংগীত।
যাইহোক আমি দাদার বগলে হাত দিয়ে তাঁকে তুলে দাঁড় করালাম। দাদার প্রশ্নের জবাব দিইনি আমি, অপ্রয়োজনীয় কোন কিছুর জবাব হয় না আমার কাছে। তিনি জানেন খাওয়া তৈরী হলে তাঁকে ডাকা হবে, এটা অবধারিত ব্যাপার।
আমি হঠাৎ টের পেলাম দাদার শরীরটা আড়ষ্ট হয়ে গেছে। তাঁর চোখের দৃষ্টি অনুসরণ করে আমিও তাকালাম, আর তখনি বিড়ালটাকে চোখে পড়ে। গুঁটিশুঁটি শুয়ে আছে, শীত লাগছে বোধহয়। সারা শ্রী সাদা, কপালের কাছটায় শুধু আশ্চর্য কিছু কালো লোম।
"ওটাকে কাছে নিয়ে আয় তো।"
"বাদ দাও। ঘরে চল। পরে ঠান্ডা লাগলে মা বকবে ফের।"
"নিয়ে আয়। আমাকে শুয়ে দে আবার।"
আমার সময় কম। বাড়ির কাজ শেষ করতে হবে। কালক্ষেপণ করা নিজেকে শাস্তি প্রদান স্বরূপ এখন। আমি কথা না বাড়িয়ে বিড়ালটাকে আনতে গেলাম। অবাক কান্ড! আমাকে কাছে টের পেয়েও এটা সরে গেল না, দৌড়ে পালিয়ে গেল না অনিমেষ। আমি নিরীহ হাত দিয়ে আঁকড়ে ধরলাম বিড়ালটাকে।
দাদা বিড়ালটাকে বুকের কাছে টেনে নিল। গরম উত্তাপে ওম দিল।

সেই থেকে বিড়ালটা আমাদের গৃহপালিত পশু বিশেষ। কয়েকদিনের মধ্যে বিড়ালটা অনেকের বিনেপয়সার সঙ্গী হয়ে গেল। লিলি আপা তো ফি বিকালে হাঁটতে বের হয় দিঘীর পাড়ে বিড়ালটাকে নিয়ে। অবাক বিষয় হল- লিলি আপার মেয়ে নিধীকে দেখলাম বিড়ালটার সাথে একা একা কথা বলছে। বেচারীকে উৎসাহ দেয়ার জন্য আমিও যোগ দিলাম। আমি আধশোয়া বসলাম আমার দু'পা মেলে দিয়ে। বিড়ালটাকে বসালাম আমার একত্রিত দুই পায়ের 'পরে। এটা অতি আরামদায়ক আসন। দু'পাকে এখন হালকা চালে দোলাতে হবে। চোখ বুজে আসে সরলছন্দিত সুখে। নিধী আমার দিকে বড়বড় চোখ করে তাকাচ্ছে।
"কিরে, ওভাবে দেখছিস কেন?"
"তুমি আমার আদর ওকে দিচ্ছ কেন? আমি কান্না করব, আম্মু বলে দিব।" এখানে বলা দরকার যে, সেসব রাত্রে নিধীর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ঘুম আসে না, সেইসব রাতে ওকে ঘুম পাড়ানো জন্য এই পদ্ধতি অবলম্বন করি; নিধী ধারণা রাখে যে মামার কাছ থেকে পাওয়া এই আদরটুকু অবণ্টনযোগ্য এবং একান্ত নিজের- গায়ের লাওয়ারিশ লোমের মতন।

একদিনের কথা বলি। আমি বিকালের অবসরটুকু উপভোগ করছিলাম দূরের ধান ক্ষেতে বাতাসের ব্যস্ত অভিসার দেখতে দেখতে। কাছে যাচ্ছিলাম না, জগতের কিছু কিছু সৌন্দর্য দূর থেকেই ভোগ করা সুন্দরতম পন্থা। আমি বাহিরে পা বাড়ালাম আমার জামা-কাপড় আনার জন্য; জলিলদা কাপড় রোদে দিয়েছে। ঘরে আনার কাজটুকু এই অধমকেই করতে হবে।
বাগানের কাছটায় যাওয়ার সময় আমার পা নিশ্চল হয়ে গেল হঠাৎ- সাপটা ঠিক আমার কাছ থেকে দুই হাত দূরে; হলদে শরীরে কাল দাগকাটা। নেত্রপত্রহীন দুই চোখে প্রাগতৈহাসিক জাদু। আমার কি দৌড় দেয়া উচিত? কোন রকমে বাড়ির কাছে যেতে পারলেই হল। দৌড়ের সময় চিৎকার করে জলিলদা'কে ডাকব, তিনি নিচে নেমে আসবেন প্রয়োজনীয় অস্ত্র নিয়ে। আমি সরল বিশ্বাসে সর্তকতার সাথে একপা পিছালাম, আর তখনি সাপটা যে মারাত্নক গা-ছাড়া দিল তাতে আমার আত্না ঈশ্বরের আরাধনায় নিমগ্ন হয়ে গেল। সাপে কেটে মরব? শালা, এরচেয়ে বরং মাইশার জন্য বিদ্রোহ করে মরা ভাল; আশপাশের দু-তিন পাড়ায় কয়েক পুরুষ ধরে অমর হয়ে থাকব।
আমাকে উদ্ধারের জন্য এগিয়ে এল বিড়ালটা। সে অনেক আগেই এগিয়ে গিয়েছিল, মনে হয় আমার উপস্থিতি না থাকাতে ফিরে এসেছে। আশ্চর্য! বিড়ালটা নিরব পায়ে এসে সাপের লেজ কামড়ে দূরে ফেলে দিতে চাইল। নিজের ওজনের চেয়ে দ্বিগুণ ভারী ওজন বহন করা কত যে কঠিন তা আমি টের পেলাম বিড়ালটার এই সাহস দেখে। সাপটা হঠাৎ আক্রমণে দিশেহারা হয়ে রইল কয়েক সেকেন্ড। আর এইটুকু সময় ছিল আমার জন্য স্বর্গ পাওয়া। আমি ভোঁ-দৌড় দিলাম বাড়ির পানে। জলিলদা নেমে আসছে সিঁড়ি দিয়ে, হাতে বড় লোহার দণ্ড।
"খালাম্মা জানালা দিয়ে দেখছে,আমারে কইছে। আপনে তফাত গিয়া দাঁড়ায় থাকেন। দেখেন আমার খেলা....."
জলিলদা বীরবিক্রমে সাপ নিধনে প্রবৃত্ত হলেন। বিড়ালটা সাপটার কাছ থেকে সরে এসেছে। একে অন্যের দিকে সর্তক চোখে তাকিয়ে আক্রমণের পথ খুঁজছে। জলিলদা চিৎকার করে গিয়ে এক বাড়ি মার সাপটার ঠিক মাথা বরাবর। উনি এক মিনিটের মাথায় ধরাশয়ী করে ফেললেন সাপটাকে।
সেই রাতে বিড়ালটাকে আমি নিজ পয়সায় দুই লিটার দুধ আর তিনটা পাউরুটি খাওয়ালাম। বিড়ালটা আমারও সঙ্গী হয়ে গেল। আমি বাগান কিংবা ঝোপঝাড়, ক্ষেতে বেড়াতে গেলে সে আমার দ্বিতীয় ছায়া হয়।

তবে আজকাল খাতির বিড়ম্বনার মতন ওটার উপস্থিতি আজকাল কাঁটার মতন। গলার কাঁটা দূরীকরণে বিড়ালের পা ধরা হয়, বিড়াল দূরীকরণে কি কর্তব্য? আমি নিত্যদিন ভাবছি।

--------------------------------------

ঘুমটা ভাঙল মায়ের চিৎকারে। মা ধমকের সুরে কথা বললেই চিৎকারের মত শোনায়। নিশ্চয় বাবাকে অপ্রিয় বাজার সামগ্রী আনার জন্য কথাপিটা করছে! ধুর...ঘুমটা বেশ জমেছিল। মাইশাকে প্রায় রাজিয়ে করে ফেলেছিলাম সিনেমা দেখার ব্যাপারে। মা হতে দিল না আমার একরত্তি অভিসার।
আমি তোয়ালে নিয়ে দরজার চৌকাঠে দাঁড়ালাম। বাবার টিকিটি নেই আশপাশে। কাজের লোক জলিলদা অনতিদূরে দাঁড়িয়ে, যেন পালিয়ে যেতে পারলে বাঁচে। আমার দক্ষ চোখ ঘটনার কেন্দ্রস্থলে হানা দিল অতিদ্রুত। বিড়ালটা মেঝেতে বসা, আশপাশে দুধেল সমুদ্দুর। ঘটনা বুঝতে দেরী হল না।
"দেখ, কাণ্ড দেখ। তোর বাবার জন্য দুধ গরম দিয়েছিলাম, এসে দেখি এই অবস্থা।"
"আমার ঘুম ভেঙে গেল।"
"আজই এটাকে দূরে কোথাও ফেলে দিয়ে আস।" মা সমন জারী করল।
আমি কিছু না বলে বাথরুমে প্রবেশ করলাম। বাথরুম কিন্তু চিন্তা করার জন্য উৎকৃষ্ট জায়গা, আমার মনে হয়। নীরব, নিজের শ্বাস-প্রশ্বাস সাক্ষী রেখে চিন্তা করা যায়। সাক্ষী রেখে চিন্তা করার ব্যাপারটা খোলাসা করে বলি। আমাদের সকল চিন্তাই কোন না কোন বস্তু, ব্যক্তিকে সাক্ষী রেখে। এটা সবল সত্য। এটা বিষয় জানেন? মানুষ যত বৃদ্ধ হয় তার ভিতর মায়া বসতি গড়ে। শৈশব আর বাধৈক্য হল মায়ার আশ্রম সময়। কৈশোর হল নিষ্ঠুর কাল। কিশোররা সবচেয়ে নিষ্ঠুর প্রকৃতির হয়; আর যৌবন, সে পাখা মেলার সময়। আমি কিন্তু বিশিষ্ট চিন্তাবিদ না। তবে ভাবি, আপনিও যেমন ভাবেন; আমি হয়ত এক চামচ বেশি ভাবি।
আমি বিড়ালটাকে নিয়ে চিন্তা করলাম। বাথরুমের ত্যাগ কার্যাবলীর প্রেক্ষাপটে আমার মাথায় ব্যাপারটা খেলে গেল। আমি পরিষ্কার হয়ে বের হলাম।
"মা, খাবার দাও। ঘরে কি পাকা মরিচ আছে? একটু ভর্তা করে দিবে?"
আমি আহলাদী সুরে বললাম। আমি জানি মা না করবে না। মায়েরা না করতে ঘৃণা করে।
"দেখি। তার আগে এটাকে দূর কর। তোর বাবা আসলে হৈচৈ কাণ্ড বাঁধাবে।"
"বাবা কোথায়?"
"সকালে তো বের হল। হাঁটতে। বাজারে যেতে পারে। বুদ্ধি করে দুধ নিয়ে এলে হয়, ঘরে একটুও বাকি নেই।"
আমি বিড়ালটাকে নিয়ে ঘর থেকে বের হলাম। সিঁড়িতে দেখা হল জলিলদা'র সাথে। তার হাতে কোদাল, কাঁচি; নিশ্চয় বাগান থেকে ফিরছে।
"কই যান ভাইজান?"
"মা বলল এটাকে দূরে ফেলে আসতে।" আমি বিড়ালটার দিকে ঈঙ্গিত করলাম।
"মাটি মাইখ্যা দিয়েন। তাইলে আর আইবো না।"
আমি সরু চোখে তাকালাম। কৌতুহলের সাথে বললাম, "কেন? মাটি কেন?
"কাদা মাটি মাইখ্যা দিলে বিড়াল ঘরে ফিরে না। আমার দাদায় বলছিল। আমাদের বাড়িতে একবার ইয়া বড়......" আমি জলিলদাকে গল্প ফাঁদতে দিলাম না। তার হাতের কাঁচিটা নিয়ে নিলাম। মাটি কাটায় সুবিধা হবে।
আমি চলে এসেছি দিঘীর পাড়ে। দিঘীর পানি টলটলা, তবে সোঁদা গন্ধ। কেহ ব্যবহার করে না বিধায়। যে গোসল করবে তার শরীর তেলাপোকার মত গন্ধ হয়ে যাবে।
দিঘী, পুকুর কিংবা জলাশয়ের চারধারে সাধারণত নারিকেল, সুপারী ইত্যাদি গাছ রোপন করা হয়, যেন সূর্যালোক আবদ্ধ না হয়। কিন্তু দাদার বিচিত্র খেয়ালের কারণে আমাদের দিঘীর চারধা' শোভা পাচ্ছে চার চারটি বটবৃক্ষ। কথিত আছে, দাদীজানের মন রক্ষা করতে গিয়ে দাদাজান বটগাছ লাগিয়েছিলেন। দাদীজান খেয়ালী মহিলা ছিলেন।

আমি উত্তর দিকের বটগাছটার নিচে চলে এলাম। গাছের গুঁড়িতে বসলাম আরাম করে। হাতের বিড়ালটাকে মাটিতে রাখলাম। বাগানের মাটি কোপানোর কাঁচিটা দিয়ে কিছু মাটি তুলে আনলাম। কাদা দরকার আমার। জলিলদা তাই বলেছে। আমি দিঘীর কাছ থেকে কিছু জল ধার করে নিয়ে আনলাম। দিঘী জানে আমি আজন্মের ঋণগ্রস্ত মানুষ।
পানি, মাটি মিশিয়ে ব্যস্ত হাতে কাদা বানিয়ে ফেললাম। আলতো করে বিড়ালের সারা গায়ে মাখলাম। বিড়ালটা কাঁপছে। হাত থেকে ছুটে যেতে চাচ্ছে। এটা কি টের পেয়ে গেছে? আমি বাম হাত দিয়ে শক্ত করে ধরে রেখে ডান হাত দিয়ে কাঁচিটা নিলাম। ঘাড়ের কাছটা থেকে শুরু করলাম, প্রথমে হালকা টান দিলাম। কয়েকটা লোম উঠে এল। এবার গভীর করে কাঁচিটা টেনে আনলাম সোজা ঘাড় থেকে লেজ পর্যন্ত। কয়েক সেকেন্ডের জন্য কিছুই হল না, সাদা চর্বির মত দেখাল। ব্যাটা তো দেখি অনেক চর্বি বানিয়েছে। তারপর ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হল। বিরতিহীনভাবে। বিড়ালটা আমার হাতের মধ্যে লাফাচ্ছে। আমি হিমশিম খাচ্ছি প্রায়।
আমি কাঁচিটা হালকা অথচ গভীরভাবে চালিয়ে দিলাম গলা বরাবর। গৎ, গৎ করে শব্দ হল কিছুক্ষণ। অনর্গল রক্ত বের হচ্ছে। আমার হাত রক্তে মাখামাখি। এক সময় বিড়ালটা নিস্তেজ হয়ে এল। আমি খানিকক্ষণ নিরব বসে রইলাম। বিপ্রতীপ ভালবাসা বড় যন্ত্রণার।
তারপর আমার মস্তিষ্ক সচল হল। এটাকে চাপা দিতে হবে। আচ্ছা, দিঘীতে ফেলে দিলে কি হয়? ঝামেলা চুকে গেল। আমার কোন গর্ত করার ঝামেলায় যেতে হবে না। কিন্তু এটা তো ভেসে উঠবে আবার। সবাই টের পেয়ে যাবে। বিকালের দিকে অনেকে দিঘীর পাড়ে বেড়াতে আসে। আচ্ছা, কাঁচিটা বিড়ালটার শরীরে গেঁথে ফেলে দিলে কেমন হয়? জলিলদা নিশ্চয় কাঁচির জন্য আমার জাত-মান গাইবে না। জানতে চাইলে কিছু একটা বলে দিলেই হল। বলব, হারিয়ে গেছে। কাঁচি আর বিড়ালের সম্মিলিত আপেক্ষিক গুরুত্ব নিশ্চয় পানি অপেক্ষা বেশি। কাঁচি ভারী, হওয়ার সম্ভবনাই বেশি।
আমি তাই করলাম। এক কোপে মৃত বিড়ালটার শরীরে গেঁথে ফেললাম কাঁচিটা। দিঘীর শান্ত জলে ছুঁড়ে দিলাম কাঁচিসমেত বিড়ালের শরীর। ধুপ! একটা শব্দ হল, অতঃপর সব তলিয়ে গেল।

আমি হাত ধুয়ে নিয়ে বাড়ির দিকে পা বাড়ালাম। মা নিশ্চয় আমার জন্য ভর্তা করে বসে আছে। অনেকদিন পর তারিয়ে তারিয়ে খাওয়া যাবে। কতদিন খাই না!

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিপ্রতীপ ভালবাসাগল্প ;
প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প ছোটগল্প  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৩
নিবিড় বলেছেন: ঘটনার বিভৎসতা বেশি
ক্লাসিফিকেশন জানা নাই ....
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: এত তাড়াতাড়ি পড়ে ফেললে? :| তুমি নিশ্চয় ইস্কুলে দ্রুত-পঠনে প্রথমা হতে?

ঘটনার বিভৎসতা মুখ্য বিষয় না। গল্পের শিরোনাম খেয়াল কর। আর শেষের অংশটা। দুই আর দুই এ চার মিলাতে পারবে সহজে।

ধন্যবাদ পাঠের জন্য।

২. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৯
পারভেজ বলেছেন: :|
মন কি বিক্ষিপ্ত?!
লেখনি চমৎকার।
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: মন বিক্ষিপ্ত না। অধিক মাত্রায় স্থির। :)

ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৩. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৬
...অসমাপ্ত বলেছেন: লেখাটা ভাল হয়েছে।

...বেড়াল ভালবাসি। তাই শেষে এসে ধাক্কা খেলাম। :(

....ব্যাপার না। নাটকীয়তাটুকু লেখকের লেখনির ধার।
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: জ্বি। বিড়াল আমিও ভালবাসি। ভালবাসার মানুষকে কষ্ট দেয়ার মাঝে এক ধরনের সুখ আছে- ব্যখ্যাতীত।

বিনীত ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

৪. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৬
শিবলী বলেছেন: হুমমমম

কিছু কিছু বিভৎস জিনিস মাঝে মাঝে অন্যরকম লাগে...
কেমন লাগছে সেটা এখনও বুঝছি না
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শিবলী ভাই।

হুমমম। কেমন লাগছে তা বুঝতে পারলে জানাবেন অনুগ্রহ করে।

৫. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৩
লাবণ্য প্রভা গল্পকার বলেছেন: আশরাফ। আমার বইয়ে একটা গল্প আছে - ‌বিড়াল হত্যার কোনো পূর্ব প্রস্তুতি ছিল না...........
একবার চোখ বুলালাম.......পরে পড়ব। নিয়ে গেলাম.....
কেমন আছেন?
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: আপনার বইটার নাম কি? কানাডায় পাওয়া যাবে?

না পেলে দেশে গেলে অবশ্যই কিনব। আপনি ব্লগেও তো দিতে পারেন।

পড়ে মন্তব্য করলে প্রীত হব।

আছি বেশ। আপনি কেমন আছেন? অভিমান কমল? ;)

৬. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৫
নিবিড় বলেছেন: আচ্ছা ভাইয়া বানানটা কি "তাড়িয়ে তাড়িয়ে" হবে না?

আমি ফাস্ট রিডার কিন্তু স্কিম করি না ।পুরাটাই পড়ি ......:)
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: না বোধহয়। আমি নিশ্চিত না। দেখি অন্যরা কী বলে............ ঠিক করে দিব তখন। ধন্যবাদ।
আরো ভুল থাকতে পারে। জানালে খুশি হব।

এটা ভাল গুণ। আমি নিজেও দ্রুত পাঠ করি। :)

১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: বেশ।

ভয়ংকর জিনিষ মাঝে মাঝে ভাল। হৃদপিন্ডের কর্মদক্ষতা নির্ণয়ে সহায়ক। :)

ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পড়ার এবং মন্তব্যের জন্য।

৮. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪০
বিষাক্ত আলো বলেছেন: লেখনী চমৎকার...বাকিটা নিয়ে কিছু বলতে পারছিনা...
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।

ভাল থাকুন। শুভকামনা।

১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: এটা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি।

ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

ভাল থাকুন।

১০. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০০
ঝুমী বলেছেন: শেষটা কি ভয়ংকর! B:-)
গল্প বলে + দিলাম। সত্যি হলে আশরাফ ভাই'কে রেটিং-ই করতাম না!!!:(
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন: হা হা হা।

এর চেয়েও বেশি ভয়ংকর ঘটনা কি ঘটে না? ;)

আছ কেমন?

১১. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৪
সিলভার রেইন বলেছেন: "নিজের শ্বাস-প্রশ্বাস সাক্ষী রেখে চিন্তা করা যায়। আমাদের সকল চিন্তাই কোন না কোন বস্তু, ব্যক্তিকে সাক্ষী রেখে। এটা সবল সত্য। মানুষ গত বৃদ্ধ হয় তার ভিতর মায়া বসতি গড়ে। শৈশব আর বাধৈক্য হল মায়ার আশ্রম সময়। কৈশোর হল নিষ্ঠুর কাল। কিশোররা সবচেয়ে নিষ্ঠুর প্রকৃতির হয়; আর যৌবন, সে পাখা মেলার সময়।"

"জানি মা না করবে না। মায়েরা না করতে ঘৃণা করে।"


শেষ নিয়ে মন্তব্য করব না।
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পাঠের জন্য।

ভাল থাকুন। শুভকামনা।

১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪০

লেখক বলেছেন: তাই নাকি? :|

১৩. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫০
কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন: বিশ্রী রকমের নিষ্ঠুরতা.....ভালো লাগে নাই....
মাথা ঘুরতেছে....না পড়াই উচিত ছিলো....বাজে রকমের সিক অনুভব করছি। (মাইনাচ X( )
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনার মন্তব্যের জন্য। আপনার নিকটা সুন্দর। আমার পাতায় স্বাগতম।

গল্পের 'পরে দেয়া সর্তকবাণী পড়ে নিলে সমস্যা হত না।

গল্পের গভীরে গেলে ব্যাপারটা ধরতে পারতেন।

১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

১৫. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৬
শেরাম চীংখৈ বলেছেন:

চার
# দৌড়ে পালিয়ে গেল না অনিমেষ।
# অনেকদিন পর তারিয়ে তারিয়ে খাওয়া যাবে।

এই দুই বাক্যের অর্থ স্পষ্ট নয় আমার কাছে।

অনিমেষ মানে অপলক। মেলাতে পারছি না।

তাড়িয়ে তাড়িয়ে...কাকে তাড়িয়ে!

'তারিয়ে' কোন শব্দ আছে কি না আমি জানি না।

তিন
# দূরে শিল্পীদের বাড়ি; তারপরে জনপদ কিছুটা বিরান। বিকালের নিরজনে আকাশ প্রেম করে। আমি ছাদ থেকে দেখি, আমি টের পাই; ছাদ থেকে বাড়ির পিছনের আহলাদী দিঘীর জলে নিজের ভাবনার প্রতিবিম্ব দেখি।
# দাদার পারাপারকালীনদশা প্রায়, প্রতি ভোরে তিনি বিকলাঙ্গ পা নিয়ে ইজি-চেয়ারে শুয়ে সবলাঙ্গ রোদ্দুর গায়ে মাখেন। সকালের রোদ স্নানটুকুই তার বিরাট পাওয়া, নতুবা দিনের বাকি সাত প্রহর তার কাটে স্মৃতিজাগানিয়া কোরাস গেয়ে; নিঃশব্দ কোরাসে তিনি নিজের কামরাটিকে আঁকড়ে রাখেন।
# আমি দিঘীর কাছ থেকে কিছু জল ধার করে নিয়ে আনলাম। দিঘী জানে আমি আজন্মের ঋণগ্রস্ত মানুষ।

এই বর্ণনাগুলো অসাধারণ। এবং কাব্য খুব ভালোমতোই হানা দিয়েছে গদ্যের ভাষায়। এইটা প্রশংসা এবং সমালোচনা, দুটোই একসাথে।

# কথাপিটা
# দুধেল সমুদ্দুর

এই শব্দদ্বয়ও নজর কেড়েছে।

দুই
বীভৎসতা আমাকে ভয় দেখাতে পারে নি। 'হৃদযন্ত্রখানি' মাহবুব লীলেনের কিছু বীভৎস বর্ণনায় যা পরীক্ষা দেয়ার দিয়ে ফেলেছে।

তবে আমি অপেক্ষায় ছিলাম বেড়ালের অভিশাপ দেখার। দুম করেই শেষ হয়ে গেল!
খুব সংকীর্ণমনার মতোই বারবার পো'র ব্ল্যাক ক্যাটের সাথে মিলিয়ে মিলিয়ে এগোচ্ছিলাম। সেজন্যেই সেই অপেক্ষা। এবং আপনি জিতে গেলেন আমাকে সন্দেহপ্রবণ বানিয়ে।

এক
অনেক বকবক করে এবার আসল কথা বলি। গল্প আমি বুঝি নি ;)
কিন্তু ভালো লেগেছে...

শূন্য
এবং...
'অপত্য ভাললাগা'...
"............................"
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪২

লেখক বলেছেন: তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এরকম মন্তব্য অনেক পাওয়া।

"দৌড়ে পালিয়ে গেল না অনিমেষ" - বাক্যটা পরীক্ষামূলক বলতে পার। মানে পলক ফেলার আগেই দৌড়ে পালিয়ে গেল না।

তারিয়ে তারিয়ে' নিয়ে আমি সন্দেহপ্রবণ হয়ে আছি! হাতের কাছে অভিধান নেই যে দেখব। তবে মস্তিষ্কে যে অর্থটুকু খেলছে তা হল - "ধীরে ধীরে আয়েশের সাথে কোন কিছু করা- উপভোগ, ভোগ যাই বলা হোক না কেন।"

কথাপিটা নিয়ে আমি শংকিত ছিলাম। তোমার মন্তব্যে তা কেটে গেল। :) কিছু শব্দের ব্যবহার প্রচলিত ধারা থেকে সরে গিয়ে করতে চেয়েছি!

এটা তো বিভৎসতার ধারে কাছেও যাইনি। আমি চাইলে আরো ফুটাতে পারতাম। কিন্তু ব্লগ বলে করিনি। আমার ব্লগে নানা কিছিমের মানুষ আসে, পড়ে।

"পো'র ব্ল্যাক ক্যাটে" বিষয়টা কি? খোলাসা করে বলা যাবে?

গল্প বুঝ নাই? ;) সমস্যা নাই।
বিপ্রতীপ কোণ কি তাতো জান? এখানে বিড়ালের প্রতি আমার বোধটুকু হল বিপ্রতীপ ভালবাসা। মান একই; অথচ বিপরীত। অথ্যৎ, এটাকে ভাললাগে, কিন্তু কষ্ট দিতে দ্বিধা হয় না। আর নিশ্চয় জান যে ভালবাসার মানুষকে কষ্ট দেয়ার মাঝে অন্য ধরনের সুখ আছে- ব্যাখ্যাতীত।

ভাললাগা লাফিয়ে নিয়ে নিলাম। :)

ভাল থাক। উপস্থিতি কাম্য।

১৬. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:০১
মমমম১২ বলেছেন: প্রথম লাইনটা দেখে আর পড়ার সাহস হল না।:(

১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:০৮

লেখক বলেছেন: তেমন ভয়ংকর কিছু না।

১৭. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:২০
শেরাম চীংখৈ বলেছেন:
পরীক্ষামূলক বাক্যে আমার রায় 'না বোধক'। আরেকটু ভাবতে পারেন। গল্পের গতি বাধাপ্রাপ্ত হওয়া উচিত নয়। ভাবনাগুলো ঘামের বিন্দুর মতো জমতে থাকবে, কিন্তু ভাষাটুকু খুব মসৃণ হওয়া উচিত, সহজ-সরল।
আমার ভাবনা।
খুব অল্পবয়েসী আমি।

তাড়িয়ে মানে খেদিয়ে। অভিধান অন্তর্ভুক্ত। তারিয়ে খুঁজে পাই নি। তবে আমার মস্তিষ্কও আপনার বলা অর্থটুকু মেনে নিচ্ছে!

"ব্ল্যাক ক্যাট"
http://www.classicreader.com/book/450/1/

"এখানে বিড়ালের প্রতি আমার বোধটুকু হল বিপ্রতীপ ভালবাসা। মান একই; অথচ বিপরীত। অথ্যৎ, এটাকে ভাললাগে, কিন্তু কষ্ট দিতে দ্বিধা হয় না।"

এখানেই আমার বুঝতে সমস্যা হচ্ছিল।

যে কোন একটা ঘটেছে:
১. গল্পে বিড়ালটির প্রতি আপনার ভালোলাগা ফুঁটে ওঠে নি
২. গল্পে বিড়ালটির প্রতি আপনার ভালোলাগা আমি খুঁজে পাই নি

# ইদানীং বিড়ালটা বড্ড জ্বালাতন করছে। রান্নায় মুখ দিচ্ছে, মাঝরাত্তিরে অন্যরকম খিদে পেয়ে ঘুম ভাঙলে বাথরুমে যাওয়ার সময় পথে ভয় দেখাচ্ছে। গতকাল তো মায়ের জায়নামাজে প্রস্রাব করে দিয়েছিল হতচ্ছাড়াটা। সর্বোপরি যাতনার একশেষ।
# সেই থেকে বিড়ালটা আমাদের গৃহপালিত পশু বিশেষ। তবে খাতির বিড়ম্বনার মতন ওটার উপস্থিতি আজকাল কাঁটার মতন। গলার কাঁটা দূরীকরণে বিড়ালের পা ধরা হয়, বিড়াল দূরীকরণে কি কর্তব্য? আমি নিত্যদিন ভাবছি।

বেড়ালের প্রতি আপনার অনুভূতি মনে করেছিলাম বরং উল্টোটাই...
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৩০

লেখক বলেছেন: চেষ্টা থাকে গল্পের গতি বাধাপ্রাপ্ত না নয়, তবে সবসময় তো তীর শিকার বধ করে না! মাঝে মাঝে নিশানা অভেদ থাকে বৈকি।
তোমার অনুরোধটুকু মনে থাকবে।

তাড়িয়ে"র অর্থ জানা। তবে....... দেখি......... তারিয়ে নতুন শব্দ হিসেবে সংযোজনে তোমার আপত্তি আছে? ;)

লিংকের জন্য ধন্যবাদ। পড়ব।

ভাল জিনিস বের করেছ! বিড়ালের প্রতি আরেকটু ভালবাসা দিতে হবে। :) পরবর্তী সংশোধনে কাজটা করে ফেলব। কথা দিলাম।

১৮. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:২৭
প্রাকৃত বলেছেন: অসাধারণ!
সুন্দর বর্ণনার ভেতর দিয়ে নিয়ে হঠাৎ চমকে দিলেন!
মৃত্যু যারই হোক,বিভৎসতা মন খারাপ করে দেয়!
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রাকৃত।

বিভৎস জিনিস মাঝে মাঝে ভাল। হৃদপিন্ডের কর্মদক্ষতা নির্ণয়ে সহায়ক। :)

ভাল আছেন নিশ্চয়? ভাল থাকুন। কাছে থাকুন। সৃষ্টিতে থাকুন।

১৯. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:১৭
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: গল্পে বিরাট একটা অংশ সংযোজন করলাম। চীংখৈ'কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
২০. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:২০
এন এইচ আর বলেছেন: ভাল লাগল। তবে হত্যাটা আমি কোথাও আর সইতে পারিনা কারণ নিজেই ঘাতক।

চমৎকার আপনার উপস্থাপনা আর শব্দের ব্যবহার। যদিও এসব আমি খুব কম বুঝি ।
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩০

লেখক বলেছেন: বিনীত ধন্যবাদ......। আপনার নামটা জানি না।

হুমম। হত্যা ভয়ানক জিনিস।

ভাল থাকুন। শুভকামনা।

২১. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:২৫
ফাঁকি বাজ বলেছেন: আশরাফ এটা কি করলেন
অফিস থেকে এলাম ।খাবার রেডি আছে সামনে ।লিখাটা পড়ে যে খেতে পারছিনা ।
লেখাটার তাত্ত্বীক দিক থেকে ভালো লেগেছে তবে ভয়াবহতাটাকে ত্রাস এর ছলে উপজীব্য করে তুললে বোধ হয় আরো ভাল হত।
তাড়না >তাড়িয়ে
স্পেলিংটা মনে হয় ঠিক করতে হবে

আপনার মঙ্গলময়তা কামনা করি।
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩২

লেখক বলেছেন: জনাব, দুঃখিত যে আপনার খাওয়ায় বিঘ্ন ঘটালাম বলে। খেয়ে এসে না হয় পড়তেন!

দেখছি...........। বানান নিয়ে আর পারা গেল না!

ভাল থাকুন। সৃষ্টিতে থাকুন।

২২. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩৭
তানজু রাহমান বলেছেন: পুরোটা পড়িনি। আমি এমনিতেই আস্তে পড়ি। তবে শুরুটা আর শেষটুকু পড়ে একটু ঠান্ডা হয়ে গেলাম!
কেমন আছ? ফে.বু আপাতত বন্ধ আছে।
ভালো থেক।
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৫২

লেখক বলেছেন: পুরোটুকু পড়ে ফেল। মিনিট দশের মামলা বড় জোর!

ঠান্ডা হয়ে গেলে ফায়ারপ্লেসের কাছে যাও। :P

ফে:বু বন্ধ কেন?

তুমিও ভাল থেক। আনন্দে থেক।

২৩. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৩৭
কঁাকন বলেছেন: সতর্কবানী দেখে ভয়ে ভয়ে পড়লাম

বর্ননার ভঙ্গিটা দারুন পাঠক কে ধরে রাখে

ভালো থাকো
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

সতর্কবাণীটা উঠিয়ে দিয়েছি।

তুমিও ভাল থেক। সুখে থেক।

২৪. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১৩
বাবুয়া বলেছেন:
অসাধারণ!
চমতকার উপ্সথাপনা এবং সুন্দর বর্ণনার ভেতর দিয়ে নিয়ে হঠাৎ চমকে দিলেন! ! অনেক নতুনত্ব আছে!!!
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৭

লেখক বলেছেন: বিনীত ধন্যবাদ।

অনেকদিন পর দেখলাম। ভাল থাকুন।

২৫. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫০
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: প্রথমটার চেয়ে পরেরটা ভাল। রাতে ক্লান্ত ছিলাম বলে বলা হয়নি কিছু।
ভর্তা খাওয়া আর কাঁচি দিয়ে কেটে ফেলার তারিয়ে তারিয়ে নেয়া সুখ- মিলটা পরিষ্কার এবং চমৎকার।
পরে যোগ করা বর্ণনাগুলো ঠিক আছে, কিন্তু সেখানে অন্য লোকের মায়া জড়িয়ে পড়েছে। "আমি" চরিত্রের মায়া যেটুকু ফুটেছে, সেখান থেকেই বিপ্রতীপতা ফুটানো শুরু করতে পারতে (তবে সেক্ষেত্রে পাঠকের জন্যে শেষের ঘটনাটির চমক থাকবে না)। গল্পটা ভালো হয়েছে আশরাফ! :)
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: এখানে তো একটাই গল্প! প্রথম/দ্বিতীয়'র ব্যাপারটা কি?

হ। বুঝছ তাহলে।

মায়া ফুটাইতে কষ্ট। আমি পাষাণ সাহিত্যিক!

তোমারে খুঁজছিলাম মনে মনে। "তারিয়ে"শব্দটা সঠিক না? আমার তো মনে হয়।

ভাল কথা........ধন্যবাদ জানাচ্ছি। অনেক।

২৬. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১১
নাজনীন খলিল বলেছেন:
আহা মেরেই ফেললে.................................

কষ্ট পেলাম।লেখাটি খুব ভাল হয়েছে।ভাষার প্রয়োগ এবং নাটকীয়তা অসাধারণ।

অনেক শুভেচ্ছা।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: হুঁ। মেরে ফেললাম। আমি পাষাণ। :)

কেমন আছ? ভাল থেক। সৃষ্টিতে থাক।

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: কি? :(

২৮. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২০
সৈয়দ আফসার__১৯৭৯ বলেছেন: আশরাফ ভাই, পড়া হয়নি, সময় করে পড়বো।

ভাল থাকুন।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: নুশেরাবু, আপনি, নাসের ভাই মিলে আবার গল্প লেখাইছেন। না পড়লে খবর আছে। ;)

ভাল থাকুন। কবিতায় থাকুন।

২৯. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৫
অধ্যায় বলেছেন: বিপ্রতীপ ভালবাসা: তারিয়ে তারিয়ে সুখ নিয়েছিলাম আমি
ভালবাসা করে কেউ নুলো ভিখারী,
ভালবাসা করে কেউ বুনো শিকারী;
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: কি সব লিখেছেন? ভাল কিছুলিখেন।
আমি হাত ধুয়ে নিয়ে বাড়ির দিকে পা বাড়ালাম। মা নিশ্চয় আমার জন্য ভক্তা /ভর্তা করে বসে আছে। অনেকদিন পর তারিয়ে তারিয়ে খাওয়া যাবে। কতদিন খাই না!
ভালবাসা করে কেউ নুলো ভিখারী,
ভালবাসা করে কেউ বুনো শিকারী;
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: মন্তব্যটা করেছিলাম অনেক আগে। বছর খানেক হয়ে গেল। দুঃখ প্রকাশ করছি আমার মন্তব্যে মনোকষ্ট পেলে। হয়ত সেসময় মন খারাপ ছিল কিংবা...........

আপনাকে ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

৩০. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫২
প্রলয় হাসান বলেছেন: এই শিরোনামে আমার একটা উপন্যাসাছে! /:)
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: ঠিক এই শিরোনামে? তো এখন কি করা উচিত?

৩১. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩
শত রুপা বলেছেন: সুন্দর বর্ণনা। কিন্তু যে কোন মৃত্যুই ভীষন মন খারাপ করায়।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: আমারও মন খারাপ করে দেয়। সবারই হয়ত।

ভাল থাকবেন। ধন্যবাদ।

৩২. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৬
রাশেদ বলেছেন: ভিবৎস। :| আবার কইলাম। :(
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: বৎস, বালিকার নরম হাত ধরে তোমার মনে যে কোমলতা সৃষ্টি হয়েছে, তা নিয়ে আমি যারপরনাই চিন্তিত। এই রকম হৃদয় নিয়ে বালিকার সামনে দাঁড়ানোর আশা করা কি অমবস্যার চাঁদ হাতে নেয়ার মতন নয় কি?

মন শক্ত কর। বালিকা এমনিতেই পেয়ার করবে।

:#)

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। স্বাগতম আমার পাতায়।

৩৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
প্রলয় হাসান বলেছেন: না।

আমার সেই উপন্যাসটা পড়া উচিৎ!/:)
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: উপন্যাস পড়ার সময় নেই। তাছাড়া ব্লগে দেয়া থাকলে একটা চেষ্টা দিতে পারি। কাহিনী কি?

আমার গল্পটা পড়েছেন নিশ্চয়?

৩৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৮
প্রলয় হাসান বলেছেন: চাইরকোনা প্রেমের কাহিনী। ব্লগেই দিছিলাম। /:)

লাস্টের টুক পড়ছি। ডিনার করতে করতে আপনার লেখাটা পড়ছিলাম। শেষে আইসা আর খাইতে পারিনাই। বমি আসতে ছিলো।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: লিংকটা দিবেন। অনেকদিন ধরে প্রেমজ কিছু পড়া হচ্ছে না। সময় পেলে পড়ব।

আমি দুঃখিত যে লেখা পড়ে এরকম হল। আমি তো দিব্যি খাচ্ছি-দাচ্ছি।

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: এত্তোগুলো ইমো দেয়ার কাহিনী কি বৎস? মনের ভাব শব্দে প্রকাশে অনীহা কেন?

;)

৩৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩৭
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: হাতে সময় নিয়ে পড়ে যাবো...........।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৪০

লেখক বলেছেন: জ্বি, আচ্ছা। অপেক্ষায় থাকলাম।

ভাল থাকবেন।

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৪০

লেখক বলেছেন: আমি নাই।

:P

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৫১

লেখক বলেছেন: তুমি কি আজ আমাকে ক্ষেপানোর নিমিত্তে কার্যে নেমেছ? তোমার জ্ঞাতার্থে বলি, আমি সহজে ক্ষেপা হই না।

:-P X(

৪০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৫৪
তামিম ইরফান বলেছেন: প্রত্যেক মানুষের ভিতর একটা হিংস্র পাশবিক প্রবৃত্তি থাকে সভ্য সমাজের আবরনে আমরা আড়াল করে রাখি,মাঝে মাঝে সেই আবরন ভেদ করে আসল রূপটা বের হয়ে আসে
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: আরে এটা তো সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা!!! এমনটা ভাবি নাই আগে।

ধন্যবাদ দিলাম অনেক। :)

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: :-P X(

৪২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৫৫
তামিম ইরফান বলেছেন: কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি এটা কিন্তু নীলা:)
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: তাই নাকি? :|

ভূত নাতো? :| আপনি কি নিশ্চিত?

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:০৬

লেখক বলেছেন: কোথায় কি হল? ;)

(থাক, আর ক্ষমা চাওয়া লাগবে না। :D )

৪৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৩৭
প্রলয় হাসান বলেছেন: আগের লিংকটা ভুল ছিলো। মুছে দেন প্লিজ।


Click This Link
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৪১

লেখক বলেছেন: দিলাম। ধন্যবাদ।

৪৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৩৯
প্রলয় হাসান বলেছেন: চতুরভুজ ধান্ধাবাতি এরা আপনার লিংকে কেন!
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: সেটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার নয় কি?

আমি যখন ব্লগে নতুন এসেছিলাম, তখন তারা মন্তব্য করত। সেসূত্রেই করা। পরে আর মুছে ফেলা হয়নি।

৪৬. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৪৬
প্রলয় হাসান বলেছেন: অবশ্যই ব্যক্তিগত ব্যাপার তবে তারা যে খাটিঁ রাজাকার ফ্যামিলির মেম্বার সেইটা কি জানেন?
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৫৫

লেখক বলেছেন: চতুরভুজেরটা জানি।

সাঁঝবাতি ও? :|

৪৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৫৮
প্রলয় হাসান বলেছেন: হা হা। এই ব্লগে যদি কোন চরম কট্টর জামাতী মেয়ে থেকে থাকে, তাইলে তার নাম সন্ধ্যাবাতি। আমার পাশের এলাকায় থাকে। আপনি দেড় বছর ধরে ব্লগিং করেন, অথচ এইটা জানেন না!


সে এখন কই? দেখি না অনেকদিন ধরে!
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:০৩

লেখক বলেছেন: আমি ওর লেখা আসলে পড়ি না। অনেকের মুখে ওর নাম শুনেছিলাম, তাই যোগ করে রেখে দিয়েছি। ওর ব্লগ ঘেঁটে আমার পাঁচটা মন্তব্যও পাবেন না।

কে কই? প্রশ্নটা বুঝিনি।

৪৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:০৮
প্রলয় হাসান বলেছেন: ধান্ধাবাতির কথা বল্লাম।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:১০

লেখক বলেছেন: ও আচ্ছা। আমি জানি না। আমি ওর লেখা নিয়মিত পড়ি না। অনেকর লিংকই যুক্ত। ত্রিভূজেরটাও দেখবেন, কিন্তু ও নিজে জানে যে.............

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:১২

লেখক বলেছেন: ও নিজেও জানে যে ওকে আমি নব্য রাজাকার বলি। কয়দিন আমার ব্লগে এসে আমার কবিতার প্রশংসা করেছিল, মনে হয় খাতির করার জন্য। পরে ওর কয়েকটা ফালতু পোষ্ট বলে কয়ে মাইনাচ দেয়াতে আর আসে না.....। :)

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: অবশ্যই। মন্তব্য করবে পড়ে।

ধন্যবাদ অনেক।

৫১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১৬
রাতুল" বলেছেন: ভয়োংকর হলেও বেশ ভাল লেগেছে +
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

ভাল থাকুন।

৫২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৩
রাতুল" বলেছেন: ভাল তো থাকতেই হবে। আপনিও থাকুন।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: আচ্ছা। চেষ্টা থাকবে।

৫৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫১
রাতুল" বলেছেন: তারিয়ে তারিয়ে সুখ নেবার জন্য এর ভিন্নতা নেই
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: এটা নিছক গল্প।

৫৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০৯
অদৃশ্য বলেছেন: মাহমুদ ভাই..................লিখাটি ভালো লেগেছে।

অনেক ভালো থাকুন।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

আমাকে আশরাফ ডাকলে প্রীত হব।

ভাল থাকুন। কাছে থাকুন।

৫৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭
আকাশচুরি বলেছেন: "তারিয়ে তারিয়ে" ঠিক আছে, ব্যাবহার দেখেছি অনেক।
অনেকটা রয়ে-সয়ে বা রসিয়ে-রসিয়ে ইত্যাদি অর্থে মনে হয়।

গল্পটা ভালো লেগেছে :)
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩৪

লেখক বলেছেন: আমিও তাই মনে করি। শব্দটা নিয়ে একটা পরীক্ষা চাললাম। আমার ভাই'র সাথে কথা বলছি। হঠাৎ শব্দটা আমি একটা বাক্যে ব্যবহার করে দিলাম। দেখতে চাইলাম ও বুঝতে পারে কিনা। ঠিকই বুঝেছে।

জেনে ভাল লাগল। ভাল থাকবেন।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৫৭. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২০
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: কি লিখলা?
ভাবি নাই...............:(
এমন ভালোবাসা?
ভালোবাসায় নাকি নিষ্ঠুরতা থাকে.........
এমন?


মন কেমন যে করলো।
ভালো থাকো।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩৯

লেখক বলেছেন: মন খারাপ হলে চুপটি বসে থাক। আমিও থাকি মাঝে মাঝে।

দিব্যি তো আমার শহরের চাঁদের সাথে সখ্যতা করে চলে গেলে। আমায় ডাকলে বুঝি ভাগ বসাতাম? ;)

ভাল থেকো। সুখে থেকো।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। দেখছি............

৫৯. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৯
গেওর্গে আব্বাস বলেছেন: বিপ্রতীপ ভালবাসা: তারিয়ে তারিয়ে সুখ নিয়েছিলাম আমি।


তারিয়ে তারিয়ে>তাড়িয়ে তাড়িয়ে অর্থে?

রচনাটির কাঁচামাল ভাল লাগল।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: তারিয়ে: মস্তিষ্কে যে অর্থটুকু খেলছে তা হল - "ধীরে ধীরে আয়েশের সাথে কোন কিছু করা- উপভোগ, ভোগ যাই বলা হোক না কেন।"

তাড়িয়ে অর্থে না।

আপনার ভাল লেগেছে জেনে আমি ধন্য!

ভাল থাকুন। সৃষ্টিতে থাকুন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৪২৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
http://ashrafovi.blogspot.com

আমার রচনাই আমি

ashraf_ovi অ্যাট yahoo.ca

© আশরাফ মাহমুদ
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ