আমার প্রিয় পোস্ট

ব্যস্ত শহর ঠাঁস বুনটের ভিরে আজো কিছু মানুষ স্বপ্ন খুজে ফিরে........

বিদ্রোহ ১৯৭৭ এর টুকরো চিত্র ও BDR বিদ্রোহের পর ইতিহাস জিয়া ও হাসিনাকে কিভাবে মুল্যায়ন করবে?

১০ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:১৬

শেয়ারঃ
0 4 0

বিডি আর বিদ্রোহ কি,কিভাবে হয়েছে,আর সমাপ্তি কিভাবে তা সবারই জানা তাই সেই দিকে গেলাম না।কিন্তু ৭৭ সালের বিদ্রোহ অধিকাংশের কাছেই অজানা কিংবা অসচ্ছ।তাই এটা নিয়ে জানা তথ্য কিছুটা ভুমিকাতে শেয়ার করে নিচ্ছি।৭৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জাপানি রেড আর্মি একটি ডিসি-৮ বিমান ছিনতাই করে।আর সেটিকে জোর করে অবতরন করায় ঢাকার পুরাতন তেজগাঁও এর বিমান বন্দরে।সেই বিমানে ১৫৬ যাত্রি ও ক্রো ছিল।মুক্তিপন হিসাবে তারা জাপান সরকার কাছে অর্থ ও তাদের আটক সদস্যদের মুক্তি দাবি করে।টানা ৪ দিন তারা হাইজাক করা বিমান নিয়ে ঢাকা অবস্থান করে।বাংলাদেশ বিমান বাহীনি,সরকার এর মধ্যস্ততায় জাপান সরকারের বিমান মন্ত্রীর উপস্থিতিতে তাদের দাবি মেনে নেয়া সাপেক্ষে সেই হাইজাক নাটকের অবসান হয়।
কিন্তু সেই দিনই অর্থাৎ ২ অক্টোবর এই হাইজাক নাটকের অবসানের মিনিট খানেক পর বাংলাদেশ বিমান বাহীনিতে আকস্মিক ভাবে ছড়িয়ে পরে এক বিদ্রোহ!!সেনারা লাইনে দাড় করিয়ে হত্যা করতে থাকে কর্মকর্তাদের,অল্পের জন্য বেঁচে জান বিমান বাহীনির প্রধান।যদিও তার আগে ৩০ সেপ্টেম্বর ছোট খাটো একটি বিদ্রোহের সুচনা হয় বিমান বাহিনীতে বগুড়ায়।সেটি সাথে সাথে দমন করা গেলেও ঢাকার বিদ্রোহ প্রকট হয়ে যায়।তারা অল্প কিছু সময়ের জন্য রেডিও স্টেশন পর্যন্ত দখল করে।ব্যার্থ হামলা চালায় জিয়ার বাসায়।

সেই বিদ্রোহ দমন হবার পর,সাথে সাথে গঠিত হয় বিশেষ ট্রাইবুনাল।তাতে ১৪ শ বিমান,সেনা সদস্য ও নন কমিশন্ড কর্মকর্তা,শত শত অফিসার ও সাধারন সৈনিকদের ফাঁসি ও ফায়ারিং স্কোয়াডে পাঠানোর আদেশ হয়। বিদ্রোহের ৭ দিনের মাথায় শুরু হয় ফাঁসির কার্য্যক্রম,যা চলে প্রায় ৩ মাস ধরে।জিয়া সে সময় গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের অপ্সারন সহ ৩ চিফ অফ দ্যা জেনারেল স্টাফ কে বদলি করেন।তাদের একজন মেজর জেনারেল মনজুরের নেত্রিত্বে ৮১ সালে জিয়া নিহত হন।

জিয়া যে কাজটি করেছেন মাত্র ৭ দিনে ১৪শ জনের ফাঁসি সেটিও কতটা যৌক্তিক?একজন করে আসামির বক্তব্য শুনলেও ১ মাস লাগার কথা! সেখানে ৭ দিনে মাঝে এত গুলি মানুষিকে ফাঁসি!!!!কে জানে এদের মাঝে কত জন সম্পুর্ণ নির্দোশ ছিল!!!যদি ১ জনও নির্দোশ অফিসার ফাসিতে ঝুলে তার দায় কিভাবে এড়াবে তখনকার সরকার?
সামরিক শাসক জিয়া সকল মানবিকতা ও মানবাধিকার কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে বলা যায় নির্বিচারে ফাঁসি দিয়েছেন।

এদিকে হাসিনার গনতান্ত্রিক সরকারের সময় ২০০৯ সালের বিদ্রোহের আড়াই মাস পার হলেও তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পেশ হয়নি!যদিও প্রথমে মাত্র ৭ দিনের মাঝে সেটি দিতে বলা হয়েছিল!সেটি কয়েক দফা বাড়ালেও আজো আলো দেখেনি!
বিচারে এমন বিলম্ব হলে সেটি কি সত্যিকারের কোন ফল বয়ে আনবে?নাকি ক্ষোভের সঞ্চারে আবারো এমন ঘটনার জন্ম দিবে?

আমরা কিন্তু ৭৭ সালের সেই বিদ্রোহ দমনের যে অদূরদর্শি পন্থা ও তার পরের যে পদক্ষেপ ছিল তার ফলাফল দেখেছি।ইতিহাস সামনের দিন গুলিতে আমাদের হয়ত বলে দিবে হাসিনার ভুমিকা কতটা সঠিক হচ্ছে আর এর ফলাফলটাই বা কি হবে!!

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিদ্রোহ ৭৭জাপানি রেড আর্মি ;
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:২৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১০ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:১৯
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: ১৪ শ এর মাঝে ৫ শ ৫১ জন ছিল বিমান বাহীনির
১০ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩. ১০ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:২৫
বিডি আইডল বলেছেন: আর্মিকে ইতিমধ্যে বিডিআর নিধনের অনুমতি দিয়ে হাসিনা তার ভূমিকা পরিস্কার করে রেখেছে
১০ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: ঠিক এটিও বলা যাচ্ছেনা।কারন যে ১৫ জনের মত বিডি আর নিহত হয়েছে সেটিকে নিধন বলা যায় না।ফলাফলটা কি হচ্ছে সেটি বুঝতে আরো মাস ২ লাগবে মনে হয়!

৪. ১০ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩০
দিগন্ত বলেছেন: আসলেই কি জানা গেছে কত জন মারা গেছিল ১৯৭৭এ?

আর এবার একের পর এক বিডিয়ার হত্যা নিয় কি মত আপনার?
১০ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: বিদ্রোহের সময় কত যন মারা গেছে তার হিসাব আমি কোথাও পাইনি।ভাই BDR বিদ্রোহ যেভাবে কাভার হয়েছে,বিশ্বে এমন কোন বিদ্রোহের নজির পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ!!আমাদের দেশে এর আগেও অনেক বিদ্রোহ হয়েছে যার কিছুই সাধারন মানুষ জানে না।

আর এখন যেভাবে বিডি আর মারা যাচ্ছে ,সেটি নিয়ে একটিই বলার আছে বিনা অপরাধে ১ টা প্রাণ নেয়াও আমি সমর্থন করিনা।

৫. ১০ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩১
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: তখন তো সরাসরি সরকারের বিপক্ষে গেছে তাই তাড়াতাড়ি
আর এখন আর্মির বিপক্ষে গেছে তাই দেরি
১০ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: :) হইতে পারে

৬. ১০ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩১
ভেতো বলেছেন: জিয়া যে কাজটি করেছেন মাত্র ৭ দিনে ১৪শ জনের ফাঁসি --এই কথাটার তথ্যসুত্র দেন।


একজন করে আসামির বক্তব্য শুনলেও ১ মাস লাগার কথা! -- এই কথাটা বুঝতে পারলাম না।
১০ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: যে কোন বিচারের জন্য অভিযুক্তের বক্তব্য শুওনতে হয়।আপনি আমাকে হত্যা মামলার আসামি করবেন আর আমাকে আত্ম পক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিবেন না সেটা তো হতে পারেনা।আর ফাসির আদেশ তো আর অর্থ জরিমানা নয়,এটি জীবন মরন প্রশ্ন,এই বিচার এত দ্রুত হয় কিভাবে?তাও ১৪ শ জনের?
১ মাস সময়ের কথাটি সেই হিসাবে বলা।


আর আপনার জন্য তথ্য সুত্র দিচ্ছি,একটু অপেক্ষা করুন।

১০ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: Click This Link

এই লিঙ্ক টা দেখুন।আমি আরো অনেক স্থানেই এটা পেয়েছি,চেস্টা করছিউ লিংক গুলি খুজে বেড় করতে।এই লিংক এ একটি তারিখ ভুল আছে।১৮ অক্টোবর দেয়া আছে সেটা সেপ্টেম্বর হবে।

ধন্যবাদ

৭. ১০ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩১
শান্তির দেবদূত বলেছেন: ১৪ শ মৃত্যুদন্ড !!! :( :( :( .... এটা তো গনহত্যা !!!
১০ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: আমার কথা হলো ১৮ শ কেন ১৪ হাজার সেনাও যদি যরিত থাকে তবে তাদের ফাসি হতে হবে।কিন্তু আপনাকে তো নিশ্চিত হতে হবে যে এরা আসলেই সবাই দায়ী।তা না হলে অবশ্যই গন হত্যা।এমন কাজ ৭ নভেম্বরের পরেও হয়েছে...

৮. ১০ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৯
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: একটি মজার ব্যাপার হল, বর্তমানে যেটি সঠিক বলে মনে হয়, ভবিষ্যতে ইতিহাস সেটিকে অসঠিক হিসেবে আখ্যায়িত করতে পারে; আবার এখন যেটি অসঠিক হিসেবে আখ্যায়িত, ভবিষ্যতেই সেটিই সঠিক হিসেবে মূল্যায়িত হতে পারে।

তবে, এটুকু বলতে পারি যে, বিডিআর বিদ্রোহ (নৃশংসতা বলাই ভাল) দমনে শেখ হাসিনা যথেষ্ট দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছেন। এখন ভবিষ্যতে ইতিহাস কিভাবে মূল্যায়ন করবে, তা ভবিষ্যতের জন্যই রেখে দিলাম।

আমি এটুকু বুঝতে পারি যে, এতবড় একটি নৃশংসার তদন্ত করার জন্য ১ সপ্তাহ বা ১ মাস কোন ভাবেই যথেষ্ট সময় হতে পারে না। কিন্তু ৩ মাস অবশ্যই যথেষ্ট সময়। এখন সরকারের উচিত তদন্ত প্রতিবেদন তাড়াতাড়ি প্রকাশ করা এবং তাদের সুপারিশ মত পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ এবং অভিযুক্তদের স্বচ্ছ বিচার করার পাশাপাশি ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা।
১০ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: আমি আপনার সাথে একমত।৩ মাসে রিপোর্ট দেয়া না গেলে আর জীবনেও হবে কিনা সন্দেহ!!
তবে ৩ মাস যদি লাগবে তবে কাদের মাথায় এটা এলো যে এই রিপোর্ট ৭ দিনে দেয়া যাবে?প্রথমেই ১ মাসের সময় নেয়া যেত।৩ মাসে যা করা যাচ্ছে না,সেটির জন্য প্রথমে ৭ দিন কেন দেয়া হলো!

৯. ১০ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৮
সায়েম খান বলেছেন: সবাই বলে ৭৭ এর বিদ্রোহ!আগে কিছুই জানতাম না।ধন্যবাদ আপনাকে
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।তা ভাইয়া আপনার পরীক্ষা কেমন চলে?আর কটা বাকি?

১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: আমি এর ভিডিও খুজতেছি।পারলে একটু হেল্প কর।ওটা নাকি লাইভ টেলিকাস্ট হয়েছে অনেক দেশে!তবে কোথাও কোন ভিডিও পাইনা কেন!!! :(

১১. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০৭
ভেতো বলেছেন: তথ্যসুত্র পছন্দ হলো না।

প্রতিবেদক কোন সুত্র ছাড়াই ১৪০০, ৫৫১ এইসব সংখ্যা দিয়েছেন।

৯৩ সংখ্যাটার একমাত্র সাক্ষী জল্লাদ, যে নিজেই দন্ডপ্রাপ্ত আসামী- সুতরাং সেটা কতটুকু নির্ভরযোগ্য?
এমনকি সেটা মেনে নিলেও বাকি ১৩০০ এর কোন রেফারেন্স নাই।

আমার আগ্রহটা আসলে এধরনের তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে।

আমি এর মধ্যে সংখ্যার মারপ্যাচে তৎকালীন সময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় রাষ্ট্রপতির একটা নৃশংস রুপ দাঁড় করিয়ে আর কাউকে বেনিফিট দেয়ার চেষ্টা দেখতেছি।

অতীতে কর্নেল তাহেরের সমর্থকেরা এইটা করছে তারে ধোয়া তুলসীপাতা বানানোর জন্য।

১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:১৫

লেখক বলেছেন: ১)BDR এর ঘটনার পর মির শওকত ( সেক্টর কমান্ডার) তার এক অনুষ্ঠানেও একই সংখ্যা উল্লেখ করেছেন।উনার রাজনৈতিক পরিচয় দেয়ার মনে হয় দরকার নাই।

২)আর সাপ্তাকিক ২০০০ কোন আন্ডার ওয়ার্ল্ড ম্যাগাজিন না।এতে এমন বিষয়ে ভুল থাকলে প্রতিবাদ আসত।

৩)সামরিক আইনের নথি নিশ্চয় আপনার আমার পাওয়ার কথা না।তাই আপনাকে আদেশের কপি চাইলেও দেখাতে পারব না।আপনি যদি সুর্য্য হাতে না পাওয়া পর্যন্ত সেটিকে স্বীকার না করেন সেটা আপনার ব্যাপার

১২. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:১০
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: যে ১০-১৫ জন মারা গেছে, তারা হেফাজতে আমরা গেছে। পালিয়ে যাওয়াদের কতো যে মারা পড়বে নীরবে কে খোঁজ রাখবে?
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:১৭

লেখক বলেছেন: যারা পালিয়ে আছে তারা মারা গেলে সেটিকে আপনি অন্যায় বলতে পারবেন না।তাদের কে আত্মসমর্থনের অনেক সুযোগ দেয়া হয়েছে,এর পরেও ধরা না দেয়া এক ভাবে প্রমান করে এরা ঘটনার সাথে জড়িত

১৩. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:২৫
তাহ্‌লীল আহেমদ চৌধুরী বলেছেন: আমি জানতাম বিদ্রহে এত অফিসার মারা গেছে।মেজর জেনারেল মীর শওকতের এক সাক্ষাতকারে তিনি এটা বলছিলেন।মেজর জেনারেল মীর শওকত তখন এই ঘটনার তদন্তের দায়িত্তে ছিলেন।

তবে নেট এর অনেক জায়গায় দেখলাম একি কথা লিখা।যদি এটা সত্যি হয়ে থাকে তাহলে প্রেসিডেন্ট জিয়া একজন অমানুষ ছাড়া আর কিছু ছিলেন না।এই ব্যাপারে আরো জানার চেষ্টা করছি।
ধন্যবাদ পোস্টের জন্য।
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

১৪. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:২৭
একরামুল হক শামীম বলেছেন: বিষয়গুলো আগেই জানতাম।
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: :) ভালো থাকবেন

১৫. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৩২
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: হে হে...মানতে পারলাম না। আতংক কি জিনিস নিজে না পড়লে বুঝবেন না। যারা ধরা দিছে তাদের মধ্যে জড়িত প্রমাণিত হইতাছে, যারা ধরা দেয় নাই তাদের মধ্যে অজড়িত নাই?

একটা মানুষ আপনি অন্যায়ভাবে মারলেও নিজের কাছে সারা জীবন কৈফিয়ত দিতে পারবেন না।

আমরা মানুষ...একটা প্রাণের জন্মও দিতে পারি না, কিন্তুক মারতে পারি। তাতেও সমস্যা নাই, দোষি হলে নাহয় মারা জায়েজ ধইরা নেই। আমরা বিনা দোষেও মারতে পারি, আমাদের হাত কাঁপে না।
১১ ই মে, ২০০৯ সকাল ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: ভাই আপনার পয়েন্ট বুঝেছি,আমি এর বিরুধিতা করছিনা।BDR এর ঘটনাইয় ১০ হাজার সৈনিক উপস্থিত,এদের মাঝ থেকে আসল অপরাধি সবাইকে বেড় করা একটা কঠিন কাজ,সেখানে যখন পলাতক দের একটা সুযোগ দেয়া হয়েছে সেটা গ্রহন করা দেশের প্রচলিত সকল আইনে বাধ্যতামুলক।তারা আত্মসমর্পনের আগে আইনগত ভাবে কোন সুবিধাই গ্রহন করতে পারবেনা।

১৬. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
তাহ্‌লীল আহেমদ চৌধুরী বলেছেন: আমার ধারনা এখন যাদের মারা হচ্ছে তাদের ভিডিওতে সনাক্ত করে তারপর মারছে। আমার এজন্য খুব এক্তা খারাপ লাগছে না।তবে আমার খারাপ লাগছে এই জন্য এতবড় অপরাধের পরেও নেপথ্যের ক্রিমিনালেরা সুখেই বসবাস করছে।শালার সিস্টেম একখান আমাদের।
১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪

লেখক বলেছেন: যদি ভিডিও দেখে হত্যা করবে তবে তা বলতে অসুবিধা কুথায় যে এরা দায়ী?

১৭. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৫২
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ভালো লিখেছেন ।
ভবিষৎ এ ই দেখা যাবে কি হয় ।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন: দিন তো চলে যাছে!!!

১৮. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১:০৭
সায়েম খান বলেছেন: পরীক্ষা ভালোই হচ্ছে...ভালো থাকবেন
১৯. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ২:২৫
আবু নাঈম বলেছেন: "অতীতে কর্নেল তাহেরের সমর্থকেরা এইটা করছে তারে ধোয়া তুলসীপাতা বানানোর জন্য। " এটা একজন পাঠকের মন্তব্য।
কর্নেল তাহেরের সম্পর্কে এ মন্তব্য সম্পর্কে কি বলবেন?
আনোয়ার কবীর একটি ডকুমেন্টারি বানিয়েছেন সশস্র বাহিনীতে বিদ্রোহ এবং তার বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে। আগ্রহী কেউ চাইলে যোগাড় করে দেখতে পারেন।
আর কর্নেল তাহেরের ভূমিকা সম্পর্কে আলতাফ পারভেজের একটি বই আছে।
১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫

লেখক বলেছেন: কর্নেল তাহের সহ হাজার হাজার অফিসার ৭ নভেম্বরের পর হত্যা করা হয়েছে,সেখানেও কোন নিয়ম মানা হয়েছে বলে কোথাও শুনিনি

২০. ১১ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:২৪
মুক্ত মানব বলেছেন: আপনার লেখাটা নিয়ে একজন আর্মি অফিসার এর সাথে কথা বললাম। সে আমাকে যে যে তথ্য দিল তার কিছু উল্লেখ করছি।
* কোন ইউনিটের শুধুমাত্র একটা অস্ত্র হাড়িয়ে গেলে পুরো ইউনিট কে এক মাস শাস্তি পেতে হয়। শাস্তি সকল অফিসার এবং সৈনিকদের জন্য সমান। [খেয়াল করুন, একজনের ভুলে অস্ত্র হাড়ানোয় সবাই শাস্তি পাচ্ছে। সবাই কিন্তু দোষী নয়।]

আর্মি এক্ট এর সবগুলো বিধান ই প্রায় এ রকম। এর কারন জানতে চাওয়ায় তিনি যে ব্যাখ্যা দিলেন, "কদিন আগে বা কানসাটের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কথা ভাব। মানুষ অসহ্য হয়ে রাস্তায় নেমে এসেছিল। কারো কাছেই অস্ত্র ছিল না। তার পরও কি ক্ষোভ। তাহলে অস্ত্র ধারী সৈনিকরা যদি একবার ক্ষেপে যায়, তার ফলাফল কি হতে পারে? এই ভয়াবহ অবস্থার কথা চিন্তা করেই এই আইন করা হয়েছে। এছাড়া আরো অনেক কারণ আছে। তবে তুমি এটুক বুঝবে বলে এইটুকই বললাম।"

আরো অনেক কথা হল। শেয়ার করতে ইচ্ছা করছে না। শুধু এইটুক বলে রাখি, আর্মির তদন্ত শেষ। তদন্তকারী সকল কর্মকর্তা নিজ নিজ কাজে ফিরে গেছে। সাহস থাকলে সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামেন। আমরা তদন্ত রিপোর্ট দেখতে চাই। মিথ্যা ও বানোয়াট হলেও দেখতে চাই। তা করবেন না । করে কি লাভ তাই না?

বি,ডি,আর সদস্যদের অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। কেউ রেস্পনড করল না।
Click This Link

আমার জানা মতে,সামরিক আইন খুবই বাজে একটা আইন। মানবাধিকারের কোন বালাই নেই। কিন্তু আপনি যদি মনে করেন দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আর্মির প্রয়োজন আছে তবে তাদের আইন নিয়ে কথা বলার কি দরকার?

আমি ফাইন্যান্সের ছাত্র। আমি যদি কোন বিজ্ঞানের ছাত্রকে বিজ্ঞান শেখাতে চাই, কেমন হবে? সামরিক বাহিনী, তাদের আইন, তাদের রীতি নীতি কোনটাই না জেনে ইচ্ছা মত মনগড়া মন্তব্য করছি আমরা। এই পোস্টে মন্তব্য করা কত জন সামরিক বাহিনী, তাদের আইন, তাদের রীতি নীতি সম্পর্কে জানেন?
১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪২

লেখক বলেছেন: সেনা আইন খুব খারাপ সেটা সবাই মানে,সেটা ওমন না হওয়ার কোন বিকল্পও নাই।কিন্তু আপনার যে ব্যাখ্যা সেটা খুওব বেশি মোটা দাগের।৭ নভেম্বরের পরেও জিয়া একই কাজ করেছেন,উনার যাদের কে সন্দেহ হয়েছে ও উনার জন্য চ্যালেঞ্জ ভেবেছেন তারা সবাই এই লিস্টে স্থান পেয়েছেন।

২১. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:২৫
তাহ্‌লীল আহেমদ চৌধুরী বলেছেন: "
আমি ফাইন্যান্সের ছাত্র। আমি যদি কোন বিজ্ঞানের ছাত্রকে বিজ্ঞান শেখাতে চাই, কেমন হবে? সামরিক বাহিনী, তাদের আইন, তাদের রীতি নীতি কোনটাই না জেনে ইচ্ছা মত মনগড়া মন্তব্য করছি আমরা। এই পোস্টে মন্তব্য করা কত জন সামরিক বাহিনী, তাদের আইন, তাদের রীতি নীতি সম্পর্কে জানেন?

"
সহমত।
১২ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০

লেখক বলেছেন: পৃথিবিতে যেকোন আইনেই আসামিকে তার নিজের বক্তব্য দেয়ার অধিকার থাকে।সুতরাং এটা নিয়ে কথা বলার জন্য আইনজ্ঞ হওয়ার ধরকার নেই।

২২. ১২ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭
মুক্ত মানব বলেছেন: লেখক বলেছেন, "নভেম্বরের পরেও জিয়া একই কাজ করেছেন,উনার যাদের কে সন্দেহ হয়েছে ও উনার জন্য চ্যালেঞ্জ ভেবেছেন তারা সবাই এই লিস্টে স্থান পেয়েছেন।"
আপনি কি করে নিশ্চিত হলেন। আপনি কি জিয়াউর রহমানের সাথে বসে লিস্ট করেছিলেন নাকি? এ ধরনের বক্তব্য কার দেয় জানেন? জিয়াউর রহমান একজন অমানূষ ছিল। ভাল কথা। কিন্তু একজন অমানুষের জানাযার নামাজে আজ পর্যন্ত যত লোক শরীক হয়েছে তত লোক আর কারো জানাযার নামাজে শরীক হয়েছে বলে আমার জানা নাই।
আমার ব্যাখ্যা মোট দাগের বলতে কি বোঝালেন? আমি ঠিক বুঝতে পারছি না। আমার বয়স আসলে খুব বেশি নয়। অনেক কিছুই এখনও জানতে বাকি। কঠিন করে কিছু বললে আমি বুঝব না।
আপনার চোখে জিয়াউর রহমান খারাপ হতে পারে। আপনি মনে করতে পারেন যে, বিদ্রোহের সুযোগ নিয়ে জিয়াউর রহমান তার জন্য চ্যালেন্জ লোকদের সরিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু তার প্রমান কি? আপনার কাছে যেমন প্রমান নেই তেমনই আমিও প্রমান ছাড়া বলতে পারি, "শেখ হাসিনা ইচ্ছে করে সময় ক্ষেপন, ভুল প্রতিনিধি নির্বাচন ও সাধারন ক্ষমা ঘোষনার মাধ্যমে ১/১১ এর প্রতিশোধ নিয়েছে।" এ বিষয়ে আপনার মতামত জানতে চাইছি।
১২ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২১

লেখক বলেছেন: ১) কারো সাথে বসে কোন কার্য্য সম্পাদন না করেলে কি সেই সমন্ধে মন্তব্য করার অন্য কোন যৌক্তিক পন্থা থাকে না?
আপনার জানার জন্য কিছু তথ্য দেই,৮১ সালে জিয়া হত্যার পর এমন অনেক সামরিক অফিসার কে অভিযুক্ত করা হয় যারা সেই সময় ছুটিতে ছিল।আমার পরিচিত (বাবার বন্ধুর ভাই) আছেন যিনি হানিমুনে ছিলেন তাকেও ফাসি দেয়ুয়া হয়েছে!!!

২) কোন পঙ্গু মানুষকে পৃথিবির বর্বর আইনেও ফাসি দেয়ার নজির নাই।কাওকে ডেথ পেনাল্টি দিলে সে ১০০% ফিজিক্যাল ফিট না থাকলে সেটা কার্যকর হয় না।কিন্তু জিয়াকে যে তাহের বেড় করে আনল সেই পঙ্গু সেক্টর কমান্ডার তাহের কে জিয়া হত্যা করেছে,এর পিছনের একটাই কারন ছিল...

৩) কারো জানাজায় কতজন লোক হলো সেটা দিয়ে আপনি তার কাজের মুল্যায়ন করছেন?!!!!!!!!!! মুজিবের তো সেভাবে জানাযাই হয় নি?তাই উনিকি খারাপ হয়েগেল?

আপনাকে কিছু কথা বলি,যা বলার ইচ্ছা ছিল না।
* তখনকার বাস্তবতা এখনকার মত ছিল না।এখন আপনি ঢাকায় একটা পটকা ফুটলেও গ্রামে বসে জেনে যাবেন।কিন্তু ৭৫ এ মুজিব কে হত্যার পর বহুবছর লক্ষ মানুষ জানত মুজিব ভারতের কাছে দেশ বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়ে মারা গেছেচ :) এমন অনেক মানুষকে আমি চিনি!
৭৫ অগাস্টের পর রাষ্ট্র ক্ষমতা আওয়ামিলীগের হাতেছিল না,সকল নেতা ছিল প্রাণ ভয়ে ভিত।দেশের সকল মিডিয়ার নিয়ন্ত্রন ছিল হত্যাকারিদের হাতে।


অন্যদিকে জিয়া হত্যার পর দেশের ক্ষমতা বি এন পির হাতেই ছিল।সেই সাথে আপনাকে এটাও মানতে হবে বাঙ্গালী খুবই আবেগী জাতি।দেশের একজন প্রেসিডেন্ড হত্যা হলে সেই জানাজায় লোকের অভাব হবে না।এর মানে এই না আমি জিয়াকে অবমুল্যায়ন করছি।কিন্তু আমি জিয়ার জানাজায় অনেক লোক হয়েছে সেটা দিয়ে কোন মুল্যায়ন করার মত লোক নুই।আজ নাদিম মোস্তফার মত নেতা আদালতে হাজির হবার সময় হাজার হাজার নেতা ভির করেছে!আপনি এসব দিয়ে মুল্যায়ন করবেন?????

ভাইয়া আপনাকে আরেকটা কথা বলি, মুন্নি সাহার রিপোর্ট দেখে বাংলাদেশের ৯০ জন মানুষ BDR কে সমর্থন দিয়েছিল।কেও রাস্তায় নেমে কেও ঘরে বসে।হঠাত পট পরিবর্তন না হলে এই BDR এর কুলাঙ্গার রা হত হিরো!!!!!!!!

আপনি যদি প্রথম দিনের মধ্য্রাত পর্যন্ত মিডিয়ার ভুমিকা ও তাতে মন্তব্য করা বিশেষজ্ঞ দের কথা মনে করেন সেটি বুঝার কথা!!

আমার সাথে আমার বাবা চরম তর্ক হয় ২৫ তারিখ দুপুরে এটা নিয়ে।আমি দেখলাম বিডি আর এর সাবেক ডীজ়ী পর্যন্ত এই বিদ্রোহে কোন দোশ খুজে পেলেন না সৈনিকদের পক্ষে!!!আমার বাবাও তাই!

৪)"শেখ হাসিনা ইচ্ছে করে সময় ক্ষেপন, ভুল প্রতিনিধি নির্বাচন ও সাধারন ক্ষমা ঘোষনার মাধ্যমে ১/১১ এর প্রতিশোধ নিয়েছে।" এ বিষয়ে আপনার মতামত জানতে চাইছি।

এই কথা টা বুঝিনি!আবার বললে উত্তর দিতে চেষ্টা করব।

ভালো থাকবেন

১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:২০

লেখক বলেছেন:

২৫. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৭
অতন্দ্র তওসিফ বলেছেন: শুধু দু'টো কথাই বলব--

১. বাংলাদেশ সহ বিশ্বের যে কোন দেশে দেশদ্রোহিতার একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। আর সশস্ত্র বাহিণীর সদস্যরা এ অভিযোগে অভিযুক্ত হলে তাদের বিচার হয় কোর্ট মার্শালে।

২. Justice delayed is justice denied...

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৯১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ক্ষুদ্র গ্রহের ক্ষুদ্র এক মানব...কিন্তু বুকে নিয়ে বেঁচে আছি এক বিশাল স্বপ্ন...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই