somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সামুব্লগে আমার প্রিয়ব্লগারেরা-৩

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকে যাকে নিয়ে লিখছি তার একটা ডায়ালগ আমার খু্বই পছন্দ, রাখো মিয়া!
মুখের কথা কেড়ে নিয়ে রাখো মিয়া বললে প্রথম প্রথম বেশ মেজাজ খারাপ হতো! যাইহোক বেশ কয়দিন মেজাজ খারাপ হবার পর এই কাজটা অন্যদের সাথে করা শুরু করলাম। একবার আরেক ব্লগার ক্ষেপে গিয়েছিল, কি সারাক্ষণ রাখো মিয়া রাখো মিয়া করো! মেজাজ গরম হয়ে যায়!
এরপর যখন বললাম, এটা উদাসী স্বপ্ন এর কাছে শেখা শুনে খুব মজা পেয়েছিল।

উদাসীর কারণেই অনেকটা আমার ছোটবোন চানাচুর ছেলে নিকে মজা পেয়ে গিয়েছিল তাই ২বছর সে ছেলে সেজে ছিল। উদাসী চানাকে বাচ্চা ছেলে ভাবতো। উদাসীর দেখে সবাই চানাকে ছেলে ভাবা শুরু করলো। চানাও আর কারো ভুল ভাঙ্গাতো না। উদাসীকে চানা বোনমিলস ডাকতো। এটা ছিল চানার মনের খেয়ালে রাখা নাম, এর কোন অর্থ নেই। এই নামটা ইংরেজি শব্দ ভেবে উদাসী বাসায় ৫টা নতুন ডিকশনারী কিনেও অর্থ উদ্ধার করতে না পেরে একদিন জিজ্ঞেস করলো, বোনমিলস মানে কি মিয়া?
আমি বললাম এটার কোন মানে নেই। ও আমাকে বুনল্ডাস ডাকে এটার মত ওটারও কোন অর্থ নেই!

সামুতে প্রথম গ্রুপ তৈরির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল উদাসী। প্রথম গ্রুপ ছিল বান্দর গ্রুপ। বান্দর গ্রুপ আমাকে দাওয়াত দেয় নি এই দুঃখ আমি আজও ভুলি নি /:) বান্দর গ্রুপের সব মেম্বার আজ বান্দ্রামী করতে জঙ্গলে চলে গেছে!

এইবার আমি উদাসীর ক্যাচালে উদাসীর ভূমিকা নিয়ে। কোন একটা যদি কোন পাট গোডাউনের পাশে আগুনের ফুলকি দেখে উদাসী তাহলে সে ওখানে ড্রাম ভর্তি কেরোসিন নিয়ে এসে পুরো পাট গোডাউনে আগুন লাগাবে। ক্যাচাল পোস্টটি যদি থাকে ১০০/১৫০ শব্দের উদাসীর কমেন্ট এক একটা হবে ৪/৫০০শব্দের! এই রকম কোন একটা ক্যাচালেই উদাসী বলেছিল তার সিভি ২২ পৃষ্ঠার!
এ বিষয়ে যখন উদাসী কোন কথা বলতো তখন বলার স্টাইলটা ছিল অনেকটা এমন, দেখো মিয়া আমি ছিলাম আমার ক্লাসের ৫৮জনের মধ্যে ৫৬তম! আজ আমি কই আর …

উদাসীর একটা লেখা আমার অনেক পছন্দের একটা ব্লগ লিখেই ফেলি সমাজ বদলের (ব্লগ লিখলেই সমাজ বদল হয় না)

মাঝে বেশ কিছুদিন উদাসী ব্লগ থেকে পলাতক ছিল, এরপর যখন উদাসী ফিরে এসেছে তখন অনেক কিছুই বদলে গেছে। শুনেছি ব্লগিং থেকে উদাসী এখন তার সেই রোজনামচা ছেড়ে… পিচ্চিকালের ওস্তাদ গুজরান খা কে ছেড়ে ভালবাসা বিষয়ে ব্লগ লিখতে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছে!
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৫
১৬টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×